Tag: Sri Lanka

Sri Lanka

  • Maldives: চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মলদ্বীপ, ভারতকে চাপে রাখার কৌশল বেজিংয়ের!

    Maldives: চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মলদ্বীপ, ভারতকে চাপে রাখার কৌশল বেজিংয়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতকে চাপে রাখার কৌশল চিনের! এবার অবশ্য শ্রীলঙ্কা নয়, চিনা গুপ্তচর জাহাজ ঘাঁটি গাড়তে চলছে নয়া বন্ধু মলদ্বীপের (Maldives) রাজধানী মালেতে। ‘শিয়াং ইয়াং হং ৩’ নামের ওই গুপ্তচর জাহাজটি ইতিমধ্যেই দক্ষিণ চিন সাগর থেকে মলাক্কা প্রণালী পেরিয়ে ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালীতে পৌঁছে গিয়েছে।

    ভারত মহাসাগরে আসছে চিনা চর জাহাজ

    ৮ ফেব্রুয়ারি সেটি মলদ্বীপের রাজধানী মালেতে পৌঁছবে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। তবে চিনা চর জাহাজটি যে সামরিক উদ্দেশ্যে ভারত মহাসাগরে নোঙর করতে চলেছে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে মলদ্বীপের চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জু সরকারের তরফে। দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে জানানো হয়েছে, চিনা গুপ্তচর জাহাজটি মলদ্বীপের জলভাগে কোনও গবেষণা করবে না। এর আগে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে ঘাঁটি গেড়েছিল চিনা চর জাহাজ ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’। এ নিয়ে ভারত-শ্রীলঙ্কা মন কষাকষি হয়। তার পরেই চিনা গুপ্তচর জাহাজটিকে বন্দর ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। ‘শিয়াং ইয়াং হং ৩’-ও হাম্বানটোটায় নোঙর করতে চেয়েছিল।

    শ্রীলঙ্কায়ও নোঙর করেছিল চিনা গুপ্তচর

    শ্রীলঙ্কার আপত্তিতে (Maldives) জাহাজটি ভিড়তে পারেনি হাম্বানটোটা বন্দরে। তবে ‘হাই ইয়াং ২৪ হাও’ এবং ‘শি ইয়ান ৬’ চিনের এই দুটি গুপ্তচর জাহাজ নোঙর করেছিল হাম্বানটোটায়। পরবর্তীকালে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে চিনা গুপ্তচর জাহাজকে সে দেশের বন্দরে পা রাখতে দেয়নি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহের সরকার। মলদ্বীপের প্রশাসনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই জাহাজটি এলে মলদ্বীপের সঙ্গে তার সঙ্গী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত হবে। বন্ধু দেশ থেকে আসা জাহাজকে স্বাগত জানানোটা এ দেশের শতাব্দী-প্রাচীন একটি ঐতিহ্য।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    দীর্ঘদিন ধরে ভারত ছিল মলদ্বীপের পরম মিত্র দেশ। গত নির্বাচনে দেশের রশি যায় চিনপন্থী মুইজ্জুর হাতে। তার পর থেকে তিনি একের পর এক ভারত-বিরোধী পদক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষমেশ সাসপেন্ড করা হয় ওই তিনজনকে। তাতে অবশ্য উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-মালে (Maldives) সম্পর্কের। কারণ সেই চিনপন্থী মুইজ্জু। তাঁর এই চিন-প্রেমে যারপরনাই ক্ষুব্ধ ভারত। এহেন আবহে চিনা চর জাহাজকে স্বাগত জানাল মুইজ্জু সরকার (Maldives)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে চাপে রাখতে মলদ্বীপকে দিয়ে চর জাহাজকে স্বাগত জানানোর কৌশল আসলে বেজিংয়েরই ব্রেন চাইল্ড।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chinese Spy Ship: মোদির কূটনীতির জয়, ১ বছরের জন্য চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

    Chinese Spy Ship: মোদির কূটনীতির জয়, ১ বছরের জন্য চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের কোনও গবেষণামূলক (পড়ুন গুপ্তচর) জাহাজকে (Chinese Spy Ship) এক বছরের জন্য তাদের কোনও বন্দরে প্রবেশ বা এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক এলাকায় (ইইজেড) কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে ভারতকে আশ্বাস দিল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka India Relations)। 

    আপত্তির কথা শ্রীসঙ্কাকে জানিয়েছিল ভারত

    গত জুলাই মাসের সাক্ষাতে চিনা গুপ্তচর জাহাজ (Chinese Spy Ship)  ইস্যুতে ভারতের অসন্তোষের কথা দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংঘের সমানে উত্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের নিরাপত্তাজনিত এবং কৌশলগত উদ্বেগকে যাতে সম্মান করা হয়, সেই অনুরোধও নয়াদিল্লির তরফে কলম্বোকে করা হয়েছিল। এর পরেই শ্রীলঙ্কার তরফে এই পদক্ষেপ করা হল। গত সপ্তাহে কূটনৈতিক মাধ্যমে ভারতকে এই স্থগিতাদেশের কথা জানানো হয় শ্রীলঙ্কার তরফে (Sri Lanka India Relations)। শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে সোমবার, অর্থাৎ নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই। 

    আগেও শ্রীলঙ্কায় আসে একাধিক চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী ৫ জানুয়ারি অর্থাৎ শুক্রবার, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে ‘গবেষণা’ করার জন্য কলম্বো বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল চিনের জাহাজ ইয়াং হং ৩-এর (Chinese Spy Ship) । কিন্তু সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। বদলে আগামী ১ বছরের জন্য চিনা জাহাজের ঠাঁই নেওয়া স্থগিত করে দিয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রশাসন। মে মাস পর্যন্ত জাহাজটির সেখানে থাকার কথা ছিল বলে শ্রীলঙ্কাকে জানিয়েছিল চিন। এই প্রথম নয়। এর আগেও, গবেষণার নাম করে শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়েছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ২০২২ সালে চিনের নজরদার জাহাজ ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’ শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়েছিল। এর পর গত বছর অগাস্ট মাসে দ্বীপরাষ্ট্রে ঘাঁটি গেড়েছিল পিএলএ-র জাহাজ ‘হাই ইয়াং ২৪ হাও’।

    লক্ষ্য ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর নজরদারি

    বার বার চিনা গুপ্তচর জাহাজের (Chinese Spy Ship)  এভাবে শ্রীলঙ্কার বন্দরে আসাটা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি ভারত। গত বছর এই নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে কলম্বোকে সেই বার্তা দিয়েছিলস নয়াদিল্লি। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল আপত্তির কথা (Sri Lanka India Relations)। চিন দাবি করে আসছিল, এই জাহাজগুলি একবারেই গবেষণামূলক। কিন্তু, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর নজরদারি করতেই বার বার শ্রীলঙ্কায় ভিড়ছে এই জাহাজগুলি। এই নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোট ৪৮টি চিনা বৈজ্ঞানিক গবেষণা জাহাজ মোতায়েন করা হল। পাশাপাশি, চিনা নৌসেনার অন্তত ২৫টি যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। এই নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে, এবার শ্রীলঙ্কাকে পাশে পেল ভারত। যে কারণে, তীরে এসেও তরী ভেড়াতে পারল না চিন। একপ্রকার বাধ্য হয়েই এখন ভারত মহাসাগরের আরেকটি দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের দিকে এগোচ্ছে ওই জাহাজ।

    ভারতকে এখন চটাতে চাইছে না শ্রীলঙ্কা…

    শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্তকে ভারতের বড় কূটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্রীলঙ্কার বর্তমান নেতৃত্ব ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এখন চটাতে চাইছে না। কারণ, এখন দ্বীপরাষ্ট্রে বন্দর উন্নয়নে বড় বরাত পেয়েছে ভারতের আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পে আবার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ত, আর্থিক দুরবস্থার কবলে পড়া শ্রীলঙ্কার বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। সমুদ্রসীমা নিরাপত্তায় দ্বীপরাষ্ট্রের হাতে ডর্নিয়ার নজরদারি বিমান তুলে দিয়েছিল ভারত। পাশাপাশি, চিন (Chinese Spy Ship) নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে সম্প্রতি সাবধান করে আমেরিকাও। এমতাবস্থায়, এখন ভারতকে চটালে আখেরে তাদেরই যে প্রভূত ক্ষতি হবে এটা বুঝেছে লঙ্কা-প্রশাসন (Sri Lanka India Relations)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sri Lanka: রণতুঙ্গার বিতর্কিত মন্তব্য! জয় শাহের কাছে দুঃখপ্রকাশ শ্রীলঙ্কা সরকারের

    Sri Lanka: রণতুঙ্গার বিতর্কিত মন্তব্য! জয় শাহের কাছে দুঃখপ্রকাশ শ্রীলঙ্কা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল সভাপতি তথা বিসিসিআই সচিব জয় শাহকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক অর্জুন রণতুঙ্গা। এবার রণতুঙ্গার হয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমসিংহে।  গত ১৭ নভেম্বর জয় শাহকে ফোন করেছিলেন রণিল বিক্রমসিংহে। জানা যায়, জয় শাহকে রণিল জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে লঙ্কার সংসদে ক্ষমা চেয়েছেন রণিল নিজে এবং তাঁর মন্ত্রী কাঞ্চনা বীজশেখরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে অর্জুন রণতুঙ্গা নিজে শ্রীলঙ্কার একজন সাংসদ। 

    শ্রীলঙ্কা সরকারের মত

    সূত্রের খবর, শ্রীলঙ্কার সংসদে দাঁড়িয়ে সেদেশের মন্ত্রী বীজশেখরা বলেন, ‘আমরা সরকার হিসেবে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান জয় শাহের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের ত্রুটির জন্য তাঁকে বা অন্য কোনও দেশের দিকে আঙুল তুলতে পারি না। এই কাজটা অত্যন্ত অন্যায়ের।’ এরপরই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে শ্রীলঙ্কা সরকার। 

    আরও পড়ুন: নিজে পারেননি, রোহিতরা পারবেন, আশাবাদী সৌরভ! ট্রফি ছোঁয়ার অপেক্ষায় দ্রাবিড়ও

    কেন দুঃখপ্রকাশ

    বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপর্যয়ের পর বিসিসিআই সচিবের বিরুদ্ধে তোপ দেগে ছিলেন ১৯৯৬ সালের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। রণতুঙ্গা অভিযোগ করে বলেছিলেন, জয়ের নির্দেশে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডে বিপুল দুর্নীতি হচ্ছে। তাতে আখেরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সে দেশের ক্রিকেট। শ্রীলঙ্কার একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে জয়ের ভাল যোগাযোগ রয়েছে। সেই কারণে কর্তারা মনে করছেন, তাঁরা যা ইচ্ছা করতে পারেন। আদতে জয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট চালাচ্ছে। ওর নির্দেশেই সব চলছে। ভারত থেকে একটা লোকের চাপে ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ওর বাবা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সে জন্যই জয়ের এত ক্ষমতা।’’ রণতুঙ্গার মন্তব্য ভাল ভাবে নেয়নি বিসিসিআই কর্তারা। তবে, বিশ্বকাপের মাঝে এ নিয়ে বিতর্কও বাড়ায়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের (Khalistani Terrorists) আশ্রয় দিয়ে আরও গাড্ডায় কানাডার ট্রুডো সরকার। এবার শ্রীলঙ্কাও জানিয়ে দিল, জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে কানাডা। খালিস্তানি জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে কানাডায়। তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দেশের। এবার শ্রীলঙ্কার নিশানায়ও ট্রুডো সরকার। যার জেরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে ট্রুডোর দেশ।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা দ্বীপরাষ্ট্রের

    জুন মাসে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন ট্রুডো। এ প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরি বলেন, “ট্রুডো (Khalistani Terrorists) মিথ্যা কথা বলেন। এর আগে কানাডা সরকার দাবি করেছিল শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে। সেটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। ট্রুডোর অভিযোগ তাই আমাকে অবাক করে না।”

    ‘সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা’, বলল শ্রীলঙ্কাও

    তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী কোনও প্রমাণ ছাড়াই আপত্তিকর অভিযোগ তোলেন বারংবার। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও একই রকম অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে ভয়ানক ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। সবাই জানে, আমাদের দেশে কোনও গণহত্যা হয়নি।” ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, শ্রীলঙ্কার বিদায়ী হাইকমিশনার মিলিন্ডা মোরাগোদাও। কানাডার অভিযোগের পর ভারতের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের কার্যকলাপের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা। তবে সন্ত্রাসবাদ উচ্ছেদে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার।” তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এই আবহে ভারতের প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট দ্ব্যর্থহীন ও দৃঢ়। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তাতে আমরা ভারতকেই সমর্থন করছি। আমার ৬০ বছরের জীবনে ৪০ বছর শ্রীলঙ্কায় একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ হতে দেখেছি। আর এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের ফলস্বরূপ আমি অনেক বন্ধু ও সহকর্মীকে হারিয়েছি।”

    আরও পড়ুুন: কানাডায় হিন্দু-শিখদের লাগাতার হুমকি খালিস্তানপন্থীদের, গদি বাঁচাতে চুপ ট্রুডো

    রাশিয়ার তোপের মুখেও ট্রুডো প্রশাসন

    এদিকে, হিটলারের নাৎসি বাহিনীর এক বর্ষীয়ান সদস্যকে সম্মান জ্ঞাপন করা হয় কানাডার পার্লামেন্টে (Khalistani Terrorists)। ৯৮ বছরের ওই ব্যক্তি ইউক্রেনের বাসিন্দা। নাৎসি বাহিনীর সদস্যকে ট্রুডো সরকার সম্মান জানানোয় বেজায় চটেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “নাৎসির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে যেভাবে সম্মান জানানো হয়েছে, তা উদ্বেগ তৈরি করে। নাৎসি জমানার ভয়াবহ স্মৃতি উসকে দেয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: সিরাজের অগ্নিবর্ষী বলে ছত্রখান শ্রীলঙ্কা, এশিয়া কাপে দ্বীপরাষ্ট্রে নয়া ইতিহাস ভারতের

    Asia Cup 2023: সিরাজের অগ্নিবর্ষী বলে ছত্রখান শ্রীলঙ্কা, এশিয়া কাপে দ্বীপরাষ্ট্রে নয়া ইতিহাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধরাশায়ী দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপ (Asia Cup 2023) ছিনিয়ে নিল ভারত। এ নিয়ে অষ্টমবারের জন্য এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। মাত্র ৬.১ ওভারেই কোনও উইকেট না হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।

    ভারতের অনায়াস জয়

    এশিয়া কাপের রবিবাসরীয় এই ফাইনালে ১০ উইকেটে জয়ী হল ভারত। শুভমন গিল ও ঈষান কিষান রইলেন অপরাজিত। ভারতের ভয়ঙ্কর বোলিংয়ের সামনে প্রায় খড়কুটোর মতো উড়ে যায় শ্রীলঙ্কা বাহিনী। ১৫.২ ওভারে মাত্র ৫০ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দল। হার্দিক পাণ্ড্যর দুই বল খেলেই সাজঘরে ফিরে যেতে হয় প্রমোদ মধুশানকে। তাঁর ঝুলিতে মাত্র ১ রান। হার্দিক পাণ্ড্যর বলেই আউট হয়ে যান মাথিশা পাথিরানা। হার্দিক পাণ্ড্যর বলে দুনিথ ওয়েল্লালাগের ক্যাচ নেন রাহুল। ১৭ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান কুশল মেন্ডিস। সিরাজের বলে অফস্টাম্প ছিটকে যায় দাসুন শনাকারের।

    আগুন ঝরানো বল সিরাজের

    বস্তুত, এদিন শ্রীলঙ্কার (Asia Cup 2023) ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেন সিরাজই। তাঁর প্রথম বলেই রবীন্দ্র জাডেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান পাথুম নিশাঙ্কা। তৃতীয় বলে সাদিরা সমারাবিক্রমাকে এলবিডব্লিউ করেন সিরাজ। চতুর্থ বলে ঈশানের হাতে অনায়াস ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান চারিথ আসালঙ্কা। শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান ম্যাচে সালালঙ্কা নায়ক হলেও, এদিন তাঁকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। ওভারের শেষ বলে ধনঞ্জয় ডি সিলভাকে তুলে নেন সেই সিরাজই। মাত্র ৩৭ বলেই প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ভারত। হাতে চলে আসে এশিয়া কাপ।

    আরও পড়ুুন: “এখন চাকরির সঙ্কট চলছে” মন্ত্রী উদয়ন গুহের মন্তব্যে তীব্র চাপে শাসক দল
    এদিন ফাইনাল ম্যাচ হয় শ্রীলঙ্কার আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে। এখানেই এদিন নয়া ইতিহাস লেখে টিম ইন্ডিয়া। এর আগে কলম্বোয় মোট তিনবার এশিয়া কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৮৬, ১৯৯৭ এবং ২০০৪। প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শ্রীলঙ্কা। ব্যতিক্রম কেবল এবারই। দ্বীপরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের ফাইনালে এদিন গোহারা হারল শ্রীলঙ্কা। এদিন শুভমন ৬টি (Asia Cup 2023) বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৮ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন ঈশানও। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পর ফের কোনও বহুজাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেট দলে ‘গৃহযুদ্ধ’ চরমে, বিশ্বকাপের আগে অশনি সঙ্কেত!

    Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেট দলে ‘গৃহযুদ্ধ’ চরমে, বিশ্বকাপের আগে অশনি সঙ্কেত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক ক্রিকেট (Pakistan Cricket) টিমে ‘গৃহযুদ্ধ’! সাজঘরে তুমুল ঝামেলা ক্যাপটেন বাবর আজম ও দলের প্রধান বোলার শাহিন আফ্রিদির। শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গিয়েছে পাকিস্তান। তার পরেই শুরু হয় ঝামেলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন কোচ গ্রান্ট ব্র্যাডবার্ন ও রিজওয়ান। বিশ্বকাপের আগে এই ঘটনায় অশনি সঙ্কেত দেখছে পাক ক্রিকেট মহল।

    কেন খেপে গেলেন বাবর?

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর সাজঘরে ফেরে পাক ক্রিকেট দল। সেখানে দলের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন বাবর। ওই সময় নাম না করে কয়েকজন ক্রিকেটারের উদ্দেশ্যে তাঁদের পারফরম্যান্স বাড়ানোর কথা বলেন। এই সময় শাহিন বাবরকে বলেন, যাঁরা ভাল ব্যাট ও বল করেছেন, তাঁদের প্রশংসা করতে। এতেই খেপে যান বাবর। বক্তৃতার মাঝে (Pakistan Cricket) শাহিন কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন তিনি। বলেন, দলের হয়ে কারা ভাল খেলেছে, তা আমি জানি। এ নিয়েই বাবর ও শাহিনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয়। দ্রুত চলে আসেন রিজওয়ান এবং কোচ। থেমে যায় ঝামেলা।

    সতীর্থদের সঙ্গে দূরত্ব রচনা বাবরের

    জানা গিয়েছে, এর পরেই দলের বাকি ক্রিকেটারদের থেকে দূরত্ব তৈরি করেছেন বাবব। তাঁদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করছেন না। তাই চিন্তা বেড়েছে দল পরিচালন সমিতির। প্রসঙ্গত, এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় বাবরের দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। মাত্র ২৯ রানে আউট হয়ে যান বাবর। নির্ধারিত ৪২ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তোলে ২৫২ রান। পাকিস্তানের হয়ে রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটার মহম্মদ রিজওয়ান। ৭৩ বলে তিনি করেন ৮৬ রান। ওপেনার আবদুল্লা শফিক করেন ৫২। আর ৪৭ রান করেন ইফতিকার আহমেদ।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে অনৈক্যে! বাতিল হল প্রথম জনসমাবেশ, কটাক্ষ বিজেপির

    ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভালই খেলছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় উইকেটে পাথুম নিশঙ্কার সঙ্গে ৫৭ রানের এবং তৃতীয় উইকেটে সাদিরা সমরবিক্রমার সঙ্গে শতরানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন কুশল মেন্ডিস। উইকেটকিপার ব্যাটার কুশল ৮৭ বলে ৯১ রানের ইনিংস উপহার দেন দলকে। এদিকে, খেলা যখন শেষের দিকে, তখন ঝলসে ওঠেন শাহিন (Pakistan Cricket)। এক ওভারে ধনঞ্জয় ডি সিলভা ও দুনিথ ওয়েলালাগের উইকেট নিয়ে নেন তিনি। ৪৯ রানে শেষ পর্যন্ত চরিথ আশালঙ্কা জিতিয়ে দেন দলকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালের আগেই ধাক্কা ভারতের অক্ষরের চোট! শেষ ম্যাচে জিতল বাংলাদেশ

    Asia Cup 2023: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালের আগেই ধাক্কা ভারতের অক্ষরের চোট! শেষ ম্যাচে জিতল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের ফাইনালের আগে বড় ধাক্কা খেল ভারত। অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল চোট পেলেন। রবিবার কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামবে রোহিতরা। আইসিসি ট্রফির খরা কাটাতে মরিয়া ভারত। গত বছরের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়‌ন শ্রীলঙ্কা এইবারেও ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া। অন্যদিকে বিশ্বকাপের আগে এই ট্রফি জিততে পারলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাবে‌ টিম ইন্ডিয়া। এদিন বাংলাদেশের কাছে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে ৬ রানে হারে ভারত। ব্যাটে-বলে টানটান লড়াইয়ের পর শেষ রক্ষা করতে পারেননি রেহিতরা। বিফলে গেছে শুভমান গিলের অনবদ্য শতরান।

    অক্ষরের বদলে ওয়াশিংটন

    শুক্রবার সুপার ফোর পর্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচেই চোট পান অক্ষর। এই ম্যাচে অক্ষর ৪২ রান করেছিলেন এবং ১ উইকেট নিয়েছিলেন। ভারতের বিশ্বকাপ দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার অক্ষর। যে কারণে টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর চোট নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইবে না। চোট পাওয়ার কারণে ফাইনালে অক্ষরের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায়, ওয়াশিংটন সুন্দরকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ওয়াশিংটনের অন্তর্ভুক্তি আশ্চর্যজনক নয়। কারণ শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং ইউনিটের টপ অর্ডারের শীর্ষে কয়েকজন বাঁ-হাতি রয়েছে, সে ক্ষেত্রে সুন্দরের অফ-ব্রেকগুলি কাজে আসবে এবং তাঁকে প্রথম পাওয়ারপ্লে ওভারগুলিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।  

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    চোটের কবলে থিকশানা

    অন্যদিকে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে নেই শ্রীলঙ্কাও। সুপার ফোরের ম্যাচে দাসুন শনাকার দলের স্পিনারদের ঘূর্ণিতে কাবু হয়েছিলেন ভারতীয় ব্যাটারেরা। উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন মাহিশ থিকশানা। চেন্নাই সুপার কিংসের অফ স্পিনারকে ফাইনালে পাবে না শ্রীলঙ্কা। তাঁর ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছে। শনিবার ক্রিকেট শ্রীলঙ্কা এই খবর জানিয়েছে।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন থিকশানা। এশিয়া কাপে পাঁচটি ম্যাচ খেলে ১০টি উইকেট পেয়েছেন থিকশানা। তিনিই এখন সাদা বলের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার প্রধান স্পিনার। স্বাভাবিক ভাবেই ফাইনালে তাঁকে না পাওয়া গত বারের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়নদের জন্য বড় ক্ষতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • China Bangladesh: শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের পর এবার ড্রাগনের থাবা বাংলাদেশে, হাঁড়ির হাল হবে হাসিনার দেশেরও!

    China Bangladesh: শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের পর এবার ড্রাগনের থাবা বাংলাদেশে, হাঁড়ির হাল হবে হাসিনার দেশেরও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাবা মেরেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায়। দেউলিয়া করে ছেড়েছে। হাত দিয়েছিল পাকিস্তানে। সর্বস্বান্ত করেছে। চিনা ড্রাগন এবার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশের (China Bangladesh) দিকে। এতেই অশনি সংকেত দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ধারণা, চিন এবার শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো হাঁড়ির হাল করে ছাড়বে শেখ হাসিনার দেশের। সূচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর বদনাম রয়েছে চিনের।

    চিনা ঋণের ফাঁদ

    উন্নয়নের নামে কোনও একটি দেশকে প্রথমে ঋণ দেয় বেজিং। অংশ গ্রহণ করে বিভিন্ন প্রকল্পে। তার পর ধীরে ধীরে দেশটিকে ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে ফেলে আষ্টেপৃষ্ঠে। যেমনটা হয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান সহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে। বেজিংয়ের শ্যেন দৃষ্টিতে এবার হাসিনার বাংলাদেশ। গত কয়েক বছরে চিন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আবদ্ধ ছিল উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যেই। এর মূল কারণ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের ক্ষেত্রে চিনা আগ্রাসন। সম্প্রতি বাংলাদেশে (China Bangladesh) একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে হাত দিয়েছে ড্রাগনের দেশ। তাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ঋণের ফাঁদে ফেলে চিন সর্বস্বান্ত করেছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, জিম্বাবোয়ে, আঙ্গোলা, নাইজিরিয়া, সুদান, সার্বিয়া সহ বিভিন্ন দেশকে। তাই চিনের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে বাংলাদেশ ভুল করেছে বলেই এঁদের ধারণা।

    সঙ্কট একাধিক প্রকল্পে!

    এদিকে, বাংলাদেশে চিনা বিনিয়োগ পড়েছে চ্যালেঞ্জের মুখে। বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে পেরার পাওয়ার প্ল্যান্ট গড়ছে চিন। চিনা ঋণও গিয়েছে আটকে। কাঁচামালের অভাব এবং ডলার সঙ্কটের জেরেও দেখা দিয়েছে সমস্যা। বাংলাদেশ ভিত্তিক এক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সমস্যগুলি এখনই এড়ানো না গেলে কয়েক মাসের মধ্যেই তালা ঝুলবে পেয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে। বাংলাদেশের (China Bangladesh) বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণের ১৩.৫ শতাংশ লগ্নি চিনের, মার্কিন ডলারের অঙ্কে ৪৬৫.১৭ মিলিয়ন।

    আরও পড়ুুন: আগামী বছরও লালকেল্লায় ভাষণ দেবেন মোদি, প্রত্যয় ঝরে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে

    একশো শতাংশ চিনা রফতানি কোম্পানি সাউথ চায়না ব্লিচিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড ঢাকা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে বিনিয়োগ করেছে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই কোম্পানিতে কাজ করছেন সব মিলিয়ে ১০ হাজার কর্মী। হংকং ইকনোমিক অ্যান্ড ট্রেড অফিসের ডিরেক্টর শিয়াং ইউয়েন লি বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশে লিডিং ইনভেস্টর হল হংকং। আমরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে লগ্নি করেছি ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Ranil Wickremesinghe: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

    Ranil Wickremesinghe: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু দিনের ভারত সফরে এলেন শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। বৃহস্পতিবার দিল্লি বিমানবন্দরে পা রাখেন তিনি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরণ। তাঁকে স্বাগত জানাতে শিল্পীরা বিমানবন্দরেই গরবা নৃত্য পরিবেশন করেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানেই ভারত সফরে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট।

    ভারত-শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “বিক্রমসিংহের ভারত সফর ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। ক্ষমতায় আসার পর বিক্রমসিংহের এটাই প্রথম ভারত সফর।” ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহকে ভারতে স্বাগত। তাঁর সফরে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক হবে আরও মজবুত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe) সাক্ষাৎ করবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে।

    নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি

    সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। দু পক্ষে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি ও ভিশন সাগরে শ্রীলঙ্কা ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের মধ্যের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। অরিন্দম জানান, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এই সফর দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বহুমুখী সম্পর্ককে সুদৃঢ় করবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের (Ranil Wickremesinghe) এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের এমন একটি প্রতিবেশী দেশ, যাঁদের সঙ্গে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের সম্পর্ক বহুমুখী।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    প্রসঙ্গত, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে আক্ষরিক অর্থেই সর্বস্বান্ত হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। শেষমেশ দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে হয়। তার জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দ্বীপরাষ্ট্র। প্রতিবেশী দেশের এমনতর বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। শ্রীলঙ্কাকে নানাভাবে সাহায্য করে নয়াদিল্লি। তার জেরে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। এর পরেই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই দু দিনের ভারত সফরে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sri Lanka: ‘শ্রীলঙ্কার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতকে হুমকি দেওয়া যাবে না’, চিনকে সাফ জানালেন বিক্রমসিংহে

    Sri Lanka: ‘শ্রীলঙ্কার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতকে হুমকি দেওয়া যাবে না’, চিনকে সাফ জানালেন বিক্রমসিংহে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও।” জনপ্রিয় এই বাংলা গানটি বোধহয় শোনেননি শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে। চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। সেই সময় আপাদমস্তক ঋণে ডুবে যাওয়া দেশটিকে বাঁচাতে পাশে দাঁড়ায় মোদির ভারত। সর্বস্বান্ত হওয়ার পর সম্বিত ফিরেছে দ্বীপরাষ্ট্রের। ভারত যে বিপদের বন্ধু, তার বিরুদ্ধে সংঘাতে না যাওয়াই ভাল বলে মনে করছে বিক্রমসিংহের সরকার। তাই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে চিনের জিন পিং সরকারকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতের বিরুদ্ধে হুমকির কারণ হতে পারে এমন কোনও কাজ শ্রীলঙ্কাকে ভিত্তি করে করা যাবে না। 

    শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সাফ কথা

    শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা নিরপেক্ষ দেশ। কিন্তু এটাও স্পষ্ট করে দিতে যাই যে শ্রীলঙ্কাকে ভিত্তি করে ভারতকে কোনও হুঁশিয়ারি দেওয়া যাবে না।” দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, চিনের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার কোনও সামরিক চুক্তি হয়নি। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও সামরিক চুক্তি হয়নি। আমি মনে করি না চিন এরকম কোনও চুক্তি আমাদের সঙ্গে করবে।” বিক্রমসিংহে এও জানান, শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) হাম্বানটোটা বন্দর চিনকে লিজ দেওয়া হয়েছে ৯৯ বছরের জন্য। তবে সেই বন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে চিন নয়, রয়েছে শ্রীলঙ্কাই। 

    হাম্বানটোটা বন্দরকাণ্ড

    গত বছর শ্রীলঙ্কার এই বন্দরেই ভিড়েছিল চিনের গুপ্তচর রণতরী ইউয়ান ওয়াং-৫। জাহাজটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও স্যাটেলাইট চিহ্নিতকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। চিনের ওই যুদ্ধজাহাজটি যেদিন শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়েছিল, তার পরে পরেই ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা ছিল। সেই সময় চিনা ওই গোয়েন্দা জাহাজ শ্রীলঙ্কার বন্দরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। শ্রীলঙ্কাকে (Sri Lanka) সে কথা জানিয়েও দেওয়া হয়। যদিও চিনের দাবি, ইউয়ান ওয়াং ৫ গোয়েন্দাগিরির জন্য ব্যবহৃত হয় না, কাজে লাগে বৈজ্ঞানিক গবেষণায়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চিনের ওই জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করে পিএলএ নেভি। স্যাটেলাইট এবং মিসাইল ট্র্যাকিং করতে সমর্থ। 

    আরও পড়ুুন: কিউআর কোডে শিবরাজের ছবি! বিতর্কিত পোস্টার নিয়ে কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি ফোন পে-র

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share