Tag: Sriganganagar

  • Fake Military Uniform Racket: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক! নকল আর্মি-ড্রেস তৈরির চক্র ভাঙল সেনা ও রাজস্থান পুলিশ

    Fake Military Uniform Racket: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক! নকল আর্মি-ড্রেস তৈরির চক্র ভাঙল সেনা ও রাজস্থান পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক বানচাল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা এবং রাজস্থান পুলিশের যৌথ অভিযানে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলায় নকল সেনা পোশাকের কাপড় সরবরাহকারী একটি চক্রের হদিস মিলেছে। অভিযানে বিভিন্ন দোকান থেকে প্রায় ১,০০০ মিটার অননুমোদিত আর্মি-প্যাটার্ন কমব্যাট কাপড় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া কাপড়ের নকশা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত কমব্যাট ইউনিফর্মের সঙ্গে অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ। তদন্তকারীদের মতে, এই কাপড় ব্যবহার করে ভুয়ো সেনা পোশাক তৈরি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠতে পারত।

    শ্রীগঙ্গানগরের একাধিক দোকানে অভিযান

    গত ৩০ জুলাই সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থান পুলিশ শ্রীগঙ্গানগরের একাধিক দোকানে তল্লাশি চালায়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নতুন ধরনের কমব্যাট কাপড় উদ্ধার হয়, যা বিক্রি বা ব্যবহারের জন্য কোনও সরকারি অনুমোদন ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কাপড়ের নকশা সেনাবাহিনীর যুদ্ধকালীন পোশাকের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কারণ এই ধরনের কাপড়ের অবৈধ ব্যবহার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    বেরেলির অভিযানের সূত্র ধরেই তদন্ত

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত জুন মাসে উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে নকল সেনা কমব্যাট কাপড় বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনার তদন্ত থেকেই এই চক্রের সূত্র মেলে। সেই তদন্তে সরবরাহ শৃঙ্খল অনুসরণ করে শ্রীগঙ্গানগরের একটি উৎপাদন কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিট গোপন তদন্ত চালিয়ে একটি স্থানীয় সংস্থাকে এই জাল নেটওয়ার্কের অন্যতম মূল কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে। অভিযোগ, ওই সংস্থা শ্রীগঙ্গানগর শহর ছাড়াও লালগড় জাট্টান, সুরতগড় এবং আশপাশের বাজারে নকল আর্মি-প্যাটার্ন কাপড় সরবরাহ করছিল।

    বড় নেটওয়ার্কের খোঁজে তদন্ত

    নিরাপত্তা সংস্থার মতে, সেনাবাহিনীর পোশাকের অনুরূপ কাপড় অবৈধভাবে বাজারে ছড়িয়ে পড়লে অসাধু ব্যক্তিরা সেনা সদস্য সেজে প্রতারণা বা অন্য অপরাধমূলক কাজে তা ব্যবহার করতে পারে। এতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া সেনাবাহিনীর কমব্যাট ইউনিফর্মের নকশার কাপড় রাখা, বিক্রি বা ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই জাল সরবরাহ চক্র রাজস্থানের বাইরে অন্য রাজ্যেও সক্রিয় ছিল কি না। উৎপাদন কেন্দ্র থেকে শুরু করে বিতরণ ব্যবস্থার প্রতিটি স্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।

LinkedIn
Share