Tag: Srilanka

Srilanka

  • India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা কাউকে ভারতের ক্ষতি করতে দেব না।” এই মন্তব্য দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরির (India Srilanka Relation)। তিনি বলেন, “ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শ্রীলঙ্কা। দায়িত্বশীল প্রতিবেশী হিসেবে কেউ যাতে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে না পারে তাও নিশ্চিত করব আমরা।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    সাবরি বলেন, “শ্রীলঙ্কা যে কোনও দেশের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে চায়। তবে সেজন্য অন্য কারও ক্ষতি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর থাকবে আমাদের।” সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী (India Srilanka Relation) বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা সমস্ত দেশের সঙ্গে কাজ করতে চাই। তবে ভারতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনও যুক্তিসঙ্গত উদ্বেগকে বিবেচনা করে দেখা হবে। আমরা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে দেব না।” তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল প্রতিবেশী ও সভ্যতার অংশীদার হিসেবে আমরা এমন কিছু করব না যা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করবে।”

    চিনা চর জাহাজ

    গত বছর শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর করেছিল চিনা চর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। ওই বছরেরই অগাস্ট মাসে শ্রীলঙ্কায় নোঙর করেছিল হাই ইয়াং ২৪ হাও নামের আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ। এবারও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। যদিও চিনের দাবি, গবেষাণার উদ্দেশে ওই বন্দরে ভিড়েছিল তাদের জাহাজ। অবশ্য ভারত দাবি করেছিল, দু’টিই চিনের গুপ্তচর জাহাজ। ভারতের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নজরদারি করতে বারংবার শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়ছে চিনা চর জাহাজ। এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কাকে সাবধান করেছিল আমেরিকাও।

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পরে অবশ্য হাম্বানটোটা থেকে চর জাহাজ সরিয়ে নিয়েছিল বেজিং। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, সেকথা মাথায় রেখেই শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রীর মুখে ভারতের ক্ষতি করতে না দেওয়ার অঙ্গীকার। ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সে প্রসঙ্গে এই দ্বীপরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে গণতন্ত্রের উদযাপন হচ্ছে। ফল যাই হোক না কেন, ভারতের সঙ্গে কাজ করবে শ্রীলঙ্কা।” তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয় জনগণ শিক্ষিত। ভারতীয় জনগণ জানবেন, তাঁদের জন্য কী ভালো। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে (India Srilanka Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেসকে বিশ্বাস করবেন না। ওরা শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল কচ্ছতিভু দ্বীপ।” রবিবার বোমা ফাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “চোখ খুলে দেওয়া ও চমকে ওঠার মতো বিষয়। নয়া তথ্য উঠে এসেছে। তাতে ফাঁস হয়ে গিয়েছে, দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কচ্ছতিভু দান করে দেওয়া হয়েছিল। এতে প্রত্যেক ভারতীয় ক্ষুব্ধ। মানুষ বুঝে গিয়েছে, আমরা কখনও কংগ্রেসকে ভরসা করতে পারব না।”

    আরটিআইয়ে কী জানা গেল? (PM Modi)

    তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান কে আন্নামালাই তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন, কীভাবে শ্রীলঙ্কার হাতে ‘মা ভারতীর’ অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করার পর তিনি জানতে পারেন, ১৯৭৪ সালে ইন্দো-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক চুক্তির মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার হাতে ১৬৩ একরের কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিল ইন্দিরা গান্ধী সরকার। সেই সময় ভারত সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। তথ্য জানার অধিকার আইনে দ্বীপ হস্তান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কচ্ছতিভু দ্বীপ

    তথ্য জানার অধিকার আইনে জানা গিয়েছে, ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল এসম সি সেতালবাদ জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি (PM Modi) নিয়ে দিনের আলোর মতো স্বচ্ছতা না থাকলেও, ওই দ্বীপের ওপর ভারতের বেশি অধিকার আছে। ভারতের হাতেই কচ্ছতিভু দ্বীপ রাখার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন সেতালবাদ। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তৎকালীন যুগ্ম সচিব কে কৃষ্ণ রাও জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপ নিয়ে শ্রীলঙ্কা যে দাবি করছে, সেটার মজবুত ভিত্তি আছে। তবে কচ্ছতিভু দ্বীপে মাছ ধরার অধিকার পওয়ার জন্য ভারতের হাতে আইনি সুযোগ আছে বলেও সওয়াল করেছিলেন কে কৃষ্ণ রাও। যদিও এখনও কচ্ছতিভু দ্বীপ অঞ্চলে মাছ ধরতে গেলে তামিল মৎস্যজীবীদের ধরপাকড় করে (PM Modi) শ্রীলঙ্কা। অথচ ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পারতেন তামিল মৎস্যজীবীরা। 

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Danushka Gunathilaka: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকা

    Danushka Gunathilaka: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকাকে (Danushka Gunathilaka) ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল। সুপার ১২ থেকে আগেই বিদায় নিয়েছে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। এবার আরও এক কলঙ্কের দাগ লাগল শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট টিমে। রবিবার সকালে ধর্ষণের অভিযোগে সিডনিতে গ্রেফতার করা হল শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকাকে। অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ গুনাথিলাকার বিরুদ্ধে ২ নভেম্বর এক মহিলার সম্মতি ছাড়া যৌন মিলনের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর তাকে ছাড়াই রবিবার সকালে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে শ্রীলঙ্কা দল।

    শ্রীলঙ্কা টিমের তরফে জানানো হয়েছে, এই অভিযোগ আসার পর ও গুনাথিলাকাকে গ্রেফতার করার পর শ্রীলঙ্কা দল তাকে ছাড়াই অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে নিজের দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। উল্লেখ্য, রবিবার ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে শ্রীলঙ্কা দল। চলমান টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলে শূন্য রানে আউট হন এই ব্যাটার। পরে, দল সুপার ১২ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও তিনি আহত হওয়ার ফলে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েন। 

    আরও পড়ুন: আইসিসি সবার সঙ্গেই সমান আচরণ করে! সমালোচকদের কড়া বার্তা বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের

    নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ, তার ওয়েবসাইটে, একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিককে গ্রেফতারের উল্লেখ করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন ২৯ বছর বয়সী এক নারী। ওই নারী বলেছেন, দানুশকা তাঁকে যৌন নির্যাতন করেছেন। এই ঘটনাটি এই সপ্তাহের শুরুতে ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে, ‘একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বেশ কয়েকদিন কথোপকথনের পর দুজনের দেখা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে ২০২২ সালের ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় দানুশকা ওই মহিলাকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন। এর পরে, পুলিশ মহিলার বাসভবন ‘রোজ বে’-এ তদন্ত করার পর সিডনির সাসেক্স স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে ৩১ বছর বয়সী দানুশকাকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) এখনও এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি।

  • Srilanka Tamil Issue: তামিল ইস্যুতে শ্রীলঙ্কাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলল ভারত

    Srilanka Tamil Issue: তামিল ইস্যুতে শ্রীলঙ্কাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কানিবাসী তামিলদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে (United Nations) সুর চড়াল ভারত। সোমবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে তামিল ইস্যুতে (Tamil Issue) শ্রীলঙ্কার (Srilanka) অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে দেশ। কেন অ্যামেন্ডমেন্ট ১৩ (13th Amendment) কার্যকর করা হচ্ছে না সেই প্রশ্ন তোলা হয়। তামিল ইস্যুতে একটি সমাধান সূত্রের  প্রতিশ্রুতি দিয়েও এখনও তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। আর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের মানাবাধিকার কাউন্সিলের ৫১ তম সেশনে ভারত এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে। ভারতের দাবি, যাতে দ্বীপরাষ্ট্রে তামিলরা শান্তিতে, সম্মানে, সমানাধিকারে বসবাস করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে। সেদেশে তামিল ইস্যুতে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আবহের দিকে দিল্লির ক্রমাগত নজর রয়েছে বলেও জানিয়েছে ভারত। আর্থিক সংকট সম্পর্কে ভারত বলে, “শ্রীলঙ্কার সর্বোত্তম স্বার্থে তার নাগরিকদের সক্ষমতা তৈরি করা দরকার।” 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার
     
    এদিকে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, সেদেশে মানবাধিকার রক্ষা করতে আরও বেশি করে উদ্যোগ নিতে হবে শ্রীলঙ্কাকে। দেশে গত কয়েক দশকের সবচেয়ে খারাপ আর্থিক সংকট থেকে রক্ষা পেতে দেশের মানুষকে আরও বেশি সক্ষম করার পরামর্শ দিয়েছে ভারত। এছাড়াও রাষ্ট্রসংঘের সদস্যরা মনে করেন যে, শ্রীলঙ্কাকে আর্থিক মদতের জন্য বিশ্বের সমস্ত নামী আন্তর্জাতিক  প্রতিষ্ঠানগুলির এগিয়ে আসা উচিত। 

    আরও পড়ুন: ভারতের আর্থিক অবস্থা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হবে না, দৃঢ়বিশ্বাসী রঘুরাম রাজন

    গত বছরের শেষ থেকেই চরম আর্থিক সংকটে ভুগছে শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের জুলাইতে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। ওই সময় রাজধানী কলম্বোয় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে চড়াও হয়েছিল জনতা। এরপরই দেশ ছেড়ে পালিয়ে মালদ্বীপে চলে যান তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষ। পরে সেখান থেকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড যান তিনি। জুলাইয়ের ১৪ তারিখে বিদেশে বসেই পদত্যাগ করেন গোতাবায়া রাজাপক্ষ। চলতি মাসের শুরুর দিকে দ্বীপরাষ্ট্রে ফিরেছেন তিনি। তবে পুরনো পদ আর ফিরে পাননি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে ওই পদে রয়েছেন রনিল বিক্রমাসংঘে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, গোতাবায়া রাজাপক্ষের বিরুদ্ধে দেশবাসীর যেরকম ক্ষোভ রয়েছে, তাতে তাঁর রাজনীতির মূল স্রোতে ফেরা কঠিন। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও মনে করছেন তাঁরা।   

     

  • India-Srilanka: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    India-Srilanka: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশ দেশ শ্রীলঙ্কার (Srilanka) বিপদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত (India)। কিন্তু এবারে শ্রীলঙ্কার জন্য ভারতকে বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কারণ চিনের একটি সামরিক জাহাজ সম্প্রতি রওনা দিয়েছে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরের উদ্দেশ্যে। আর এই জাহাজকে নিয়েই শুরু হয়েছিল জল্পনা। ফলে এই জাহাজ প্রবেশের সময় পিছিয়ে দিল শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার রনিল বিক্রমসিংহে। আগামী সপ্তাহেই হাম্বানটোটা বন্দরে প্রবেশের কথা ছিল এই চিনা ‘গুপ্তচর জাহাজ’ ‘ইউয়ান ওয়াং-৫’-এর। অনুমান করা হয়েছে, ভারতের ওপর নজর রাখার জন্যই এই জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কার বন্দরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার ভারতের কথা ভেবেই এই জাহাজ প্রবেশে কিছুসময়ের জন্য নিষেধ করেছেন।

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার বিদেশ মন্ত্রক কলম্বোর চিনা দূতাবাসকে জানিয়েছে যে পরবর্তী আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত এই জাহাজ শ্রীলঙ্কার বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই শ্রীলঙ্কার বিদেশ মন্ত্রক এই চিনা জাহাজ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। অর্থাৎ গোটাবায়া দেশ ছাড়ার আগেই তিনি এই অনুমতি দিয়ে গিয়েছিলেন। এর ফলে যে ভারতের নিরাপত্তা, সুরক্ষায় প্রশ্ন উঠবে তা জেনেও শ্রীলঙ্কা এতে রাজি হয়েছিল। এতে ভারতের নৌবাহিনীর ওপরেও বিপদ আসতে পারে জেনেও তারা এই চিনের কথা মেনে নিয়েছিল। এর ফলেই পরে ভারত শ্রীলঙ্কার এই পদক্ষেপের বিরোধিা করে ও পরে কলম্বো চিনকে জাহাজের প্রবেশের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    আরও পড়ুন: ভারতের আর্থিক অবস্থা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হবে না, দৃঢ়বিশ্বাসী রঘুরাম রাজন

    শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া মুখপাত্র কর্নেল নলিন হেরাথ (Colonel Nalin Herath) জানিয়েছেন, চীন শ্রীলঙ্কাকে জানিয়েছে যে তারা ভারত মহাসাগরে নজরদারি ও নৌচলাচলের জন্য জাহাজটি পাঠাচ্ছে। এর ফলেই শ্রীলঙ্কার বন্দরে চিনের যুদ্ধজাহাজ আসা নিয়ে ভারত উদ্বেগে রয়েছে। আর ভারত মহাসাগরে ঢুকে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি এলেই চিনা জাহাজ ভারতীয় নৌসেনাদের ওপর নজরদারি চালাতে পারবে বলেই ভারত এই অবস্থায় চিন্তায় রয়েছেন।

    এর আগেও ২০১৪ সালে দু’টি চিনা ডুবোজাহাজের হাম্বানটোটা বন্দরে প্রবেশ করায় আপত্তি করা হয়েছিল নয়াদিল্লির তরফে। সেই সময়ও ভারতীয় নৌ-সেনা সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু এবারে আবারও জাহাজ প্রবেশের কথা উঠলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলম্বো। আর ভারত যেখানে শ্রীলঙ্কার বিপদে পাশে ছিল তেমনি এবার ভারতের অনুরোধে সাড়া দিয়েই শ্রীলঙ্কার এমন পদক্ষেপ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

     

  • Raghuram Rajan: ভারতের আর্থিক অবস্থা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হবে না, দৃঢ়বিশ্বাসী রঘুরাম রাজন

    Raghuram Rajan: ভারতের আর্থিক অবস্থা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হবে না, দৃঢ়বিশ্বাসী রঘুরাম রাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (Reserve Bank Of India) প্রাক্তন গভর্নর (Former Governor)। একাধিক বার তিনি মোদি সরকারের (Modi Government) বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তবে এবার তাঁর মুখেই প্রশংসা। প্রশংসা আরবিআইয়ের (RBI)। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনের মতে, ভারতের পরিস্থিতি কখনও শ্রীলঙ্কা (Srilanka) বা পাকিস্তানের (Pakistan) মতো হবে না। তাঁর এই মন্তব্যের পর বিজেপি জানিয়েছে, দেশ যে সঠিক দিশায় এগোচ্ছে, একজন সমালোচকের মুখে এহেন মন্তব্যের পর তা স্পষ্ট। দেশের আর্থিক বুনিয়াদ যথেষ্ট মজবুত, দেশ দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি মুখপাত্র সৈয়দ জাফর ইসলাম।  রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন (Raghuram Rajan) শনিবার বলেছেন যে, ভারতে কখনও শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মত অবস্থা হবে না। তবে হঠাৎ তিনি এই কথা কেন বললেন? কোন যুক্তিতে তিনি এমন কথা বললেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আগামী মাসে ১৮ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক! দেখে নিন ছুটির তালিকা

    তিনি জানান, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার  রয়েছে। তাই কখনোই শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মতো অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হবে না ভারত। এছাড়ও তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমে জানান, “আমাদের পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় রয়েছে। সঞ্চয় বাড়াতে আরবিআই একটি ভাল কাজ করেছে। শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানের মতো আমাদের আর্থিক সমস্যা নেই। আমাদের বিদেশি ঋণও কম।“ তিনি দাবি করেছেন যে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি (inflation) রয়েছে। তাই আরবিআই সুদের হার বাড়াচ্ছে, যা মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করবে। সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হয় খাদ্য ও জ্বালানিতে। যেহেতু সারা বিশ্বে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমছে, ফলে ভারতেও মূল্যস্ফীতি কমবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি

    ২২ জুলাই আরবিআইয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, শেষ সপ্তাহে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ প্রায় ৪৫ লক্ষ ২ হাজার ৬৫০ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও কমতে শুরু করেছে। রঘুরাম রাজনের মতে কম বৈদেশিক ঋণ ও বৈদেশিক মুদ্রার পর্যাপ্ত পরিমাণ ভারতীয় অর্থনীতিকে আরও ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাবে। শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানের (Pakistan) মতো দেশগুলি খুব কম বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ও বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধির কারণেই আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। ফলে সেই জায়গা থেকে ভারতকে কখনও আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না। এছাড়াও তিনি দৃঢ়বিশ্বাসী যে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার দ্বারা নীতিগত হার বৃদ্ধি মূল মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করবে।

     

  • Modi-Ranil: রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

    Modi-Ranil: রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Srilanka) নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন রনিল বিক্রমাসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। প্রেসিডেন্টের পদ পাওয়ার পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) তাঁকে একটি চিঠির মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা জানান।  শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ গোতাবায়া (Rajapaksha Gotabaya) দেশ ছাড়ার পরে রনিল বিক্রমসিংহে দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছিলেন। এরপর গত বুধবার অর্থাৎ ২০ জুলাই ভোটে জিতে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে থাকবেন তিনি।

    [tw]


    [/tw] 

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিঠিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ও শ্রীলঙ্কার আর্থিক অবস্থা উন্নত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। বিক্রমাসিংহেকে চিঠিতে মোদি লেখেন, শ্রীলঙ্কার কঠিন সময়ে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। ফলে মোদি আশা করেছেন, তিনি থাকাকালীন শ্রীলঙ্কায় স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। শ্রীলঙ্কার প্রতিবেশি দেশ হিসেবে ভারত শ্রীলঙ্কার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ও আর্থিক অবস্থা উন্নত করতে সবসময় পাশে থাকবে। শুধু তাই নয়, ভারত-শ্রীলঙ্কা দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করার আহ্বান জানান।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী রনিল বিক্রমসিংহে

    ইতিমধ্যেই ভারতের হাই কমিশনার গোপাল বাগলে (Gopal Baglay) শ্রীলঙ্কাকে মানবিক সাহায্য করেন। এই দুর্দিনে ভারত থেকে আবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ও প্রায় শ্রীলঙ্কান মুদ্রায় ৩.৪ বিলিয়ন অর্থ দেন। তামিলনাড়ু সরকার এই সাহায্য করেন ও শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী দিনেশ গুণবর্ধনের (Dinesh Gunawardena) সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন। বৈঠক চলাকালীন দুই দেশের মন্ত্রী একে অপরের প্রশংসা করেছেন ও শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিতিতে পাশে থাকার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ছে।

    প্রসঙ্গত, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দ্রব্যমূল্যও হয়েছে আকাশ ছোঁয়া। এর পরেই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান জনতা। ফলে রাতের অন্ধকারেই স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষ। এরপরেই রনিল বিক্রমাসিংহে রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচিত হন।

    আরও পড়ুন: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

     

  • Wickremesinghe Thanks India: “কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ”, ভারতের প্রশংসায় শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

    Wickremesinghe Thanks India: “কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ”, ভারতের প্রশংসায় শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কঠিন সময়ে’ দেশের পাশে থাকার জন্য ভারতের প্রশংসা করলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। সঙ্কট-বিধ্বস্ত দ্বীপরাষ্ট্রকে সাহায্য করার জন্য কোয়াড (Quad) সদস্যদের একটি কনসর্টিয়াম গঠনের প্রস্তাব দেয় ভারত ও জাপান। তার জন্য দু’দেশকেই কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শ্রীলঙ্কাকে (Sri Lanka) ঋণ হিসাবে ৩৫০ কোটি টাকা সাহায্য করে ভারত। এ ছাড়া জ্বালানি তেল কেনার জন্য ঋণ (Credit line) এবং ওষুধ দিয়ে ভারত শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে। অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতির সম্মুখীন হওয়ায় ভারত থেকে শ্রীলঙ্কাকে ২৫ টন ওষুধ পাঠানো হয়েছে। ভারতের দ্বারা পাঠানো ওষুধের মূল্য প্রায় ২৬ কোটি শ্রীলঙ্কা রুপি। কলম্বোতে ভারতীয় হাইকমিশন এক ট্যুইট বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। আইএনএস ঘড়িয়ালে করে মানবিক সহায়তা হিসেবে শ্রীলঙ্কার মৎস্যজীবীদের জন্য ভারত থেকে কেরোসিন পাঠানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কাকে খাদ্যশস্যও সরবরাহ করেছে ভারত।

    [tw]


    [/tw]

    এক ট্যুইট বার্তায় শুক্রবার রনিল জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে ভারতের অর্থমন্ত্রীর নির্মলা সীতারমণের (NIrmala Sitharaman) কথা হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘এই কঠিন সময়ে ভারত যে ভাবে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তার জন্য আমি দেশবাসীর তরফ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। আমি সম্পর্ককে আরও জোরদার করার অপেক্ষায় আছি।’ অন্য একটি ট্যুইটে কোয়াডে বৈদেশিক সহযোগিতার জন্য যে কনসর্টিয়াম গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত ও জাপান, তার জন্যও দু’দেশকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিক্রমাসিংহে।

    প্রসঙ্গত, টোকিয়োতে কোয়াড সম্মেলনের (QUAD summit) ফাঁকে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। সেই বৈঠকে সঙ্কট-বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka economic crisis) পাশে থাকার জন্য একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয় দু’দেশ। চলতি মাসের শুরুতেই ভারত (India), জাপান এবং আমেরিকা-সহ কোয়াড সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করেন শ্রীলঙ্কা সরকারের প্রতিনিধিরা। তার পর এই সহায়তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোয়াড সদস্যরা। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, মূলত ভারতের হস্তক্ষেপেই শ্রীলঙ্কার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অন্য দেশগুলি।

  • Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। শনিবার একটি বিবৃতি জারি করে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যেই  শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা (Sri Lankan Protesters) রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ (Mansion) থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিরাপত্তা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকালেই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksha) সরকারি বাসভবন বা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনের দখল নিয়েছে। এমনকি সুইমিং পুল ও রান্নাঘরের দখল নিয়েও সেখানকার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তারপরই রাজাপক্ষের দেশ ছাড়ার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজে করেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কলম্বো বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে তিন জন বড় বড় সুটকেস তুলছে। যেগুলি রাজাপক্ষের বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। কলম্বো বন্দরের (Colombo Port) হারবার মাস্টার (Harbour Master) বলেছেন, একটি দল এসএলএনএস সিন্দুরালা (SLNS Sindurala) ও এসএলএনএস গজবাহুতে (SLNS Gajabahu) চড়ে বন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি এখন কোথায় গিয়েছেন তার হদিশ মেলেনি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি শ্রীলঙ্কা সেনা হেডকোয়ার্টারে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    এই বিক্ষোভে পথে নেমেছেন শ্রীলঙ্কার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jayasuriya) ও রোশন মহানামা (Roshan Mahanama)। তাঁরা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে সরব হয়েছেন। ট্যুইটারে #gohomegota লিখে প্রতিবাদ করছেন ও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিিতির জন্য অনেকটাই চিন দায়ী। ২০১০ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় আর্থিক দুর্দশা দেখা যায় এরপর ২০১৯ সালে তা চরম সঙ্কটের মুখে পড়ে। কলম্বো ও হাম্বানটোটা বন্দরকে ১০০ বছরের জন্যে চিনের কাছে লিজে রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে চিন এই দেশকে ঋণ কূটনীতির ফাঁদে (Debt Trap Diplomacy) ফেলেছে যাতে শ্রীলঙ্কার ওপর পুরো কন্ট্রোল নেওয়া যায়। চিন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা (Lender)। আর এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মোট ঋণের ১০ শতাংশ এসেছে বেজিংয়ের থেকে। এই ঋণে ভারসাম্য না-থাকার কারণেই সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সমস্যা মেটানোর জন্য বিদেশি সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর ফলে চিনের উপর দেশটির নির্ভরতা বেড়েছে, যে কারণে ঋণের বোঝাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর পরিস্থিতিও খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে। চিনের ঋণ ফাঁদ ছাড়াও সরকার চালানোয় অক্ষমতা, স্পষ্টতার অভাব ইত্যাদির কারণে শ্রীলঙ্কার আর্থিক পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। চিনের কাছে শ্রীলঙ্কার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০০ কোটি ডলার, যা তার মোট বৈদেশিক ঋণ ৪৫০০ কোটি ডলারের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। এই বছরের জন্য শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে চিনের পাওনা প্রায় ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি ডলার। ভারত শ্রীলঙ্কাকে ঋণের থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা করে থাকলেও শ্রীলঙ্কা এমনই ঋণ ফাঁদে পড়েছিল যে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরেও এই দেশের অবস্থা ঠিক করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন যে, চিন নিজেই শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে পরে সাহায্য করতে আসলেও তা সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে। ‘ঋণ কূটনীতি’ ব্যবহার করেই বিশ্ব জুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে তাদের উপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সুতরাং অনেক দেশেরই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, চিন কীভাবে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ ফাঁদের জালে ফেলে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে।

  • Roshan Mahanama: ট্রে হাতে চা পরিবেশন করছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার!

    Roshan Mahanama: ট্রে হাতে চা পরিবেশন করছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা (Srilanka) বর্তমানে খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের সংকটের মুখোমুখি। এককথায় দেউলিয়ার পথে শ্রীলঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার (Cricketer) রোশন মহানামা(Roshan Mahanama) । কলম্বোর (Colombo) পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের মধ্যে চা ও পাউরুটি পরিবেশন করতে দেখা যায়। ইতিমধ্যেই তাঁর কিছু ছবি ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। ছবিতে তাঁকে চায়ের ট্রে হাতে নিয়ে দেখা যায়।

    তিনি তাঁর ছবি ট্যুইটারে(Twitter) শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমরা ওয়ার্ড প্লেস এবং ভিজেরামা মাওয়াথার(Wijerama Mawatha) চারপাশে পেট্রোলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদের খাবার পরিবেশন করেছি। এই লাইন দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এসব মানুষের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। অনুগ্রহ করে লাইনে একে অপরের যত্ন নিন। একে অন্যকে সাহায্য করুন, সহায়তার জন্য বলুন বা ১৯৯০ নম্বরে কল করুন।’

    আরও পড়ুন:”কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ”, ভারতের প্রশংসায় শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কা স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের (Economic Crisis) মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কা প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানির জন্য অর্থ দিতে পারছে না,  ফলে দেশে পেট্রোলের গুরুতর সংকট দেখা দিয়েছে। দেশের জ্বালানি কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফলে, সাধারণ মানুষ আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পেট্রোল, ডিজেল মজুত করে রাখছে। তাই দিনে দিনে এই লাইন বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, শ্রীলঙ্কায় পেট্রোল পাম্প রক্ষায় সশস্ত্র পুলিশ ও সেনাও মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে  জ্বালানি বাঁচাতে ও এই পরিস্থিতির জন্য দুই সপ্তাহের জন্য রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা করে দিয়েছে সরকার।

    যেখানে শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিতেতে দিশেহারা হয়েছে পড়েছে শ্রীলঙ্কার সরকার, সেখানেই এই প্রাক্তন ক্রিকেটার মহানামা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নিজে হাতে ট্রে নিয়ে চা পরিবেশন করতে একটুও দ্বিধা বোধ করতে দেখা যায়নি তাঁকে।

    আরও পড়ুন: বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার শূন্য, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়ার পথে পাকিস্তানও?

LinkedIn
Share