Tag: ssb

ssb

  • Suvendu Adhikari: সীমান্ত সুরক্ষায় কড়া বার্তা শুভেন্দুর, বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন হিঙ্গলগঞ্জে

    Suvendu Adhikari: সীমান্ত সুরক্ষায় কড়া বার্তা শুভেন্দুর, বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন হিঙ্গলগঞ্জে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির উৎসবে সীমান্তরক্ষী জওয়ানদের পাশে দাঁড়ালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার হিঙ্গলগঞ্জের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শিবিরে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে আলোর উৎসবে শামিল হন তিনি (Suvendu Adhikari)। উৎসবের আবহে সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন (Diwali Celebration) মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সীমান্তে কর্তব্যরত সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিক ও কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি দিতে আগামী নতুন বছরে ‘সীমা মিত্র সম্মান’ চালুর কথা ঘোষণাও করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকার সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেনি। বিশেষ করে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জমি সংক্রান্ত সেই জটিলতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। ফলে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    বাহিনীর প্রশংসা (Suvendu Adhikari)

    সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং রাজ্য পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এই বাহিনীগুলির জওয়ান ও পুলিশকর্মীরা নিষ্ঠা এবং সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দিতেই নতুন বছরে ‘সীমা মিত্র সম্মান’ চালু করা হবে। সীমান্ত সুরক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী কর্মীদের এই সম্মানের মাধ্যমে স্বীকৃতি জানানো হবে।

    অনুপ্রবেশ রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি

    সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কোনওরকম আপস করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর থাকবে। সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার করার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি।

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সম্পর্কে করা বিভিন্ন মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছিল। বাহিনী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

    জরুরি পরিষেবা নিয়েও বার্তা

    এদিন রাজ্য পুলিশের উদ্যোগে দ্রুত ১১২ নম্বর জরুরি পরিষেবা চালুর বিষয়টিও তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, এই পরিষেবা চালু হওয়ায় বিপদের সময়ে সাধারণ মানুষ দ্রুত পুলিশের সহায়তা পাবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে (Diwali Celebration)।

    সব মিলিয়ে, হিঙ্গলগঞ্জে সীমান্তরক্ষী জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপনের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে সীমান্ত সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য সরকারের সমন্বয় নিয়ে একাধিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Amit Shah:  শিলিগুড়ি করিডরে নিরাপত্তা জোরদারে সব সংস্থার উপস্থিতি বাড়ানোর নির্দেশ শাহের

    Amit Shah:  শিলিগুড়ি করিডরে নিরাপত্তা জোরদারে সব সংস্থার উপস্থিতি বাড়ানোর নির্দেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এই কৌশলগত অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার উপস্থিতি (National Security) বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শনিবার করিডরটির নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি আরও নির্দেশ দেন, শিলিগুড়ি করিডরকে সব ধরনের দখলদারি থেকে মুক্ত রাখতে হবে এবং এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে।

    শিলিগুড়ি করিডর প্রায় ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং প্রায় ২২ কিলোমিটার চওড়া একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড। এটি ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। এই করিডরই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্যকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই করিডরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

    দক্ষিণ ও পশ্চিমে বাংলাদেশ, উত্তরে তিব্বত তথা চিনের অবস্থানের মাঝে রয়েছে এই করিডরটি। একই সঙ্গে এটি নেপাল, বাংলাদেশ ও ভুটানের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে শিলিগুড়ি করিডরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    বৈঠকে শাহ পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে শিলিগুড়ি করিডরে অসামরিক প্রতিরক্ষা ও স্বেচ্ছাসেবী নিরাপত্তা বাহিনীর পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

    শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা পর্যালোচনা (Amit Shah)

    শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকের সময়ই শাহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কার্যকলাপ, জনসংখ্যার পরিবর্তন, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত-সংক্রান্ত বিষয়গুলি বৈঠকে উঠে আসে।

    বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক, সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং রেল সুরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব ও পুলিশের মহানির্দেশকও।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত সব সংস্থাকে করিডরে তাদের প্রতিষ্ঠান ও পরিকাঠামোর সংখ্যা বাড়িয়ে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন।”

    করিডরের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত প্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তাও পর্যালোচনা করেন তিনি। সেগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। শিলিগুড়ি করিডরকে দখলদারি থেকে মুক্ত রাখার ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    অনুপ্রবেশ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, “শিলিগুড়ি করিডরে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।”

    বৈঠকে বহু সংস্থার সমন্বিত কাঠামোর অধীনে শিলিগুড়ি করিডরের জন্য গঠিত বিশেষ মনোযোগী গোষ্ঠী এ পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের সুপারিশ তুলে ধরে।

    এ ছাড়াও করিডরের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পরিকাঠামোগত প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সীমান্ত নিরাপত্তায় চার স্তম্ভের সমন্বিত কৌশল

    বৈঠকে সীমান্ত নিরাপত্তায় চার স্তম্ভের সমন্বিত কৌশলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রচলিত সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)।

    এই চার স্তম্ভের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সশস্ত্র সীমা বলের মতো সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী; অবৈধ অনুপ্রবেশ, স্থানীয় গতিবিধি ও অপরাধী চক্রের ওপর নজর রাখা রাজ্য পুলিশের মতো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা; অসামরিক প্রশাসন এবং স্থানীয় জনসমাজ।

    শাহ নির্দেশ দেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চারটি স্তম্ভকেই সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে এই সমন্বিত কৌশল পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

    শিলিগুড়ি করিডরের পরিকাঠামোগত প্রকল্পগুলির গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। যে সমস্ত কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়েছে, সেগুলি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

    উত্তরবঙ্গে আরও বেশি সৈনিক বিদ্যালয় খোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার জন্যও রাজ্য সরকারকে পরামর্শ দেন শাহ। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে জাতীয় ক্যাডেট বাহিনীর সিনিয়র ক্যাডেটের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগী হতে বলেন তিনি।

    গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক অমিত শাহের

    শিলিগুড়িতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গোর্খা সাংসদ, বিধায়ক এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন শাহ। দীর্ঘদিনের দাবি ও গোর্খা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন উদ্বেগ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ন্যায়সঙ্গত, মর্যাদাপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য বাস্তবসম্মত পথরেখা তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

    বৈঠকের পর শাহ জানান, গোর্খা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং প্রকৃত উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরির বিষয়েও কথা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার এই বিষয়গুলির সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকে গোর্খা সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হবে (Amit Shah)।”

    শাহ এও বলেন, সরকার এমন একটি সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করবে, যা গোর্খা সম্প্রদায়ের প্রত্যাশাকে সম্মান করবে, তাদের পরিচয় সুরক্ষিত রাখবে এবং আরও ভালো ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।”

    গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমা দেওয়ার জন্য মধ্যস্থতাকারী পঙ্কজ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে (National Security)।

    গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আশা

    বিজেপি সাংসদ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা জানান, বৈঠকের ফলে গোর্খাল্যান্ড সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের পথ তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “গোর্খাল্যান্ড সমস্যা নিয়ে আমরা যে সমাধান চাইছি, তা খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া এখন শুরু হয়েছে। একটি কমিটি গঠন করা হবে। বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে আমাদের মধ্যস্থতাকারী পঙ্কজের নেতৃত্বেই ওই কমিটি কাজ করবে।”

    শ্রিংলা শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তার গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “শিলিগুড়ি করিডরে একশো শতাংশ নিরাপত্তা থাকবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।”

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু জানান, বৈঠকে উত্তরবঙ্গের সামনে থাকা বিভিন্ন নিরাপত্তা-সংক্রান্ত হুমকি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডরকে ঘিরে উদ্বেগ এবং উত্তরবঙ্গকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার বিভিন্ন প্রচেষ্টার বিষয়টিও (Amit Shah) উঠে আসে এদিনের আলোচনায় (National Security)।

     

  • Amit Shah on Chicken’s Neck: ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা! কীভাবে ওই করিডরকে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলছে ভারত, স্পষ্ট করলেন শাহ

    Amit Shah on Chicken’s Neck: ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা! কীভাবে ওই করিডরকে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলছে ভারত, স্পষ্ট করলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নিরাপত্তায় শিলিগুড়ি করিডরের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই চিকেনস নেকের (Amit Shah on Chicken’s Neck) নিরাপত্তায় ত্রিকোণ সুরক্ষা গ্রিড বানিয়েছে ভারত সরকার। শুক্রবার শিলিগুড়ির রানিডাঙ্গায় সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৩ দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছেন তিনি। প্রথম দিন রয়েছেন শিলিগুড়িতে। সেখানে দাঁড়িয়েই বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার চিকেনস নেকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অনেক ব্যবস্থা নিচ্ছে, বলে বার্তা দেন শাহ। শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা নয়, প্রশাসনিক পরিকাঠামো থেকে দিল্লির সঙ্গে দ্রুত রেল যোগাযোগ, শিলিগুড়িকে ঘিরে একাধিক পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি ।

    চিকেনস নেকের সুরক্ষায় ত্রি-কোণ গ্রিড

    দেশের মানচিত্রে উত্তরবঙ্গ একটি সরু ফালি। অথচ কৌশলগত গুরুত্বে গোটা দেশের কাছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সেতু শিলিগুড়ি করিডর, ‘চিকেনস নেক’। শুক্রবার শিলিগুড়িতে এসে সেই করিডরের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা নিয়েই বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান ৮ রাজ্যকে যোগ করা অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গা এটি। নেপাল, ভূটান এবং বাংলাদেশ সীমান্ত এর সঙ্গে জড়িত। এটা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। তাঁর ঘোষণা, “শিলিগুড়ি করিডর সুরক্ষিত রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” শাহ জানান, শিলিগুড়ি করিডর ও সমগ্র দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিশেষ ‘ত্রিকোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড’ তৈরি করেছে। চোপড়া, কিষাণগঞ্জ ও ধুবড়ি- এই তিন ঘাঁটি থেকে সমগ্র করিডরে নজরদারি, সামরিক উপস্থিতি ও প্রশাসনিক কর্তৃত্ব বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ক্রিকোণীয় সুরক্ষা গ্রিড চিকেন্স নেকের সিকিউরিটির দিক থেকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমেই পুরো এলাকার উপর কন্ট্রোল রাখা সম্ভব হচ্ছে। নিয়মিত ‘তিস্তা প্রহার’ এর মতো সামরিক অনুশীলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে।

    মমতা-সরকারকে নিশানা

    নিজের বক্তব্যের সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাধিকবার আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি জানান, আগে একাধিকবার এই ধরনের অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসার জন্য অনুরোধ জানান হয়েছে। পালাবদলের পরে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু এসেছেন জানিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘শুভেন্দুজি বলছিলেন, এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এসএসবির অনুষ্ঠানে এলেন। কিন্তু আগেও আমন্ত্রণ জানানো হতো। তিনি আসতেন না।’ সীমান্ত পরিকাঠামো উন্নয়ন ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে অমিত শাহ পূর্বতন সরকারের সমালোচনা এবং বর্তমান সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    শুভেন্দু-সরকারের প্রশাংসা

    শাহ মনে করিয়ে দেন, অনুপ্রবেশকারীদের আটকাতে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া দরকার। কিন্তু সেই কাজটাই এত দিন আটকে ছিল জমি না পাওয়ার জন্য। তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ‘২০১৪ থেকে ১১২৯ একর জমি চাইছি। তাঁর হাতে-পায়ে ধরে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু জমি দেননি।’ অমিত শাহ সোজাসুজি বলে দিলেন, ‘এখন ফোন করলেই কাজ হয়ে যায়, চিঠি পরে পাঠানো হয়।’ শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রথম দিন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষায় জোর দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শিলিগুড়ি করিডরের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে অমিত শাহ বলেন, ‘চিকেনস নেককে সুরক্ষিত করতে ৫৬০ একর জমির প্রয়োজন ছিল। শুভেন্দুজি মুখ্যমন্ত্রী হয়েই সেই অনুমোদন দিয়েছলেন।’

    দিল্লি-শিলিগুড়ি রেল করিডর

    তিনি আরও জানান, শুধু সেনা বা এজেন্সির মাধ্যমে কোনও জায়গার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বরং তার জন্য় স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ খুবই জরুরি। তাই ২০২৬-২৭ বাজেটে দিল্লি-শিলিগুড়ি রেল করিডর তৈরি করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ১৮৯ কোটি টাকার একাধিক নতুন প্রশাসনিক ও আবাসিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গৌরব মোহন, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর অধিকর্তা মহেশ দীক্ষিত, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ডঃ রাজেন্দ্র কুমার, এসএসবি-র ডিজি সঞ্জয় সিংঘল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অন্যান্য শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা।

    ‘বন্দে মাতরমের’ প্রসঙ্গ

    সীমান্ত সুরক্ষা ও দেশের নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরমের’ প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। অমিত শাহের কথায়, ‘স্বাধীনতার পরেও পুরো বন্দে মাতরম গাওয়া হতো না। আমার দুঃখ হতো। নতুন নিয়মে জাতীয় গানকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।’ এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গীর কথা আরও ভালো ভাবে জানতে পারবে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন এসএসবি-র জওয়ানদের ভূয়সী প্রশংসা করে শাহ বলেন, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর মণিপুর, জম্মু-কাশ্মীর, ত্রিপুরা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এসএসবি জওয়ানরা অসামান্য সেবা দিয়েছেন। কারগিল যুদ্ধের পর ‘ওয়ান বর্ডার, ওয়ান ফোর্স’ নীতি অনুযায়ী ২০০১ সাল থেকে ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-নেপাল সীমান্ত এবং ২০০৪ সাল থেকে ৭০০ কিলোমিটার (প্রকৃতপক্ষে ৬৯৯ কিমি) দীর্ঘ ভারত-ভূটান সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে এসএসবি। কাঁটাতারহীন উন্মুক্ত সীমান্তে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রীতি বজায় রেখে দিবারাত্রি কাজ করা অত্যন্ত কঠিন, যা এসএসবি জওয়ানরা নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন।

    বিকশিত ভারতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান

    অমিত শাহের পরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এসএসবি-র গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁকে আমন্ত্রণ করার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানান। অমিত শাহকে চাণক্যর সঙ্গে তুলনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘তিনি চাণক্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে অমিত শাহজি সীমান্ত সুরক্ষিত করেছেন।’ ২০৪৭-এ বিকশিত ভারতে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বেশি অবদান থাকবে বলে আশা শুভেন্দুর।

  • Amit Shah in North Bengal: ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে পরপর ২ বৈঠক! উত্তরবঙ্গে অমিত শাহ, নজরে সীমান্ত নিরাপত্তা ও পাহাড়

    Amit Shah in North Bengal: ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে পরপর ২ বৈঠক! উত্তরবঙ্গে অমিত শাহ, নজরে সীমান্ত নিরাপত্তা ও পাহাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ বিমানে শিলিগুড়িতে পৌঁছন তিনি। বাগডোগরা বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন, বিশাল লামা এবং দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা। উত্তরবঙ্গ সফরে অমিত শাহের কর্মসূচির কেন্দ্রে থাকছে সীমান্ত নিরাপত্তা, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ এবং পাহাড়ের একাধিক সমস্যা।

    বিমানবন্দর থেকে অমিত শাহ সুকনার একটি হোটেলে যান। সেখানেই রাতে থাকার পর শুক্রবার সকালে তাঁর সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি-র সুকনা শিবিরে যাবেন। সেখানে ‘চিকেনস নেক’ করিডরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে পরপর দু’টি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই বৈঠকগুলিতে বিএসএফ-এর শীর্ষ আধিকারিকদেরও উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    নজরে ‘চিকেনস নেক’, বাড়ছে নিরাপত্তার গুরুত্ব

    উত্তরবঙ্গ সফরে অমিত শাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে দেখা হচ্ছে এসএসবি শিবিরের বৈঠকগুলিকে। ভারতীয় ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে শিলিগুড়ি করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র কয়েক দশক কিলোমিটার প্রশস্ত এই করিডরই মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের স্থল যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। ফলে এই এলাকার নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক কৌশলগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে কেন্দ্রের বিশেষ নজর রয়েছে। শুক্রবারের বৈঠকে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নজরদারি এবং গুরুত্বপূর্ণ করিডরের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের আন্তর্জাতিক সীমান্ত ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ‘চিকেনস নেক’-এর কৌশলগত গুরুত্বও আলোচনায় উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কাওয়াখালি ময়দানে বিএনএস প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    এসএসবি শিবিরে বৈঠক শেষ করে অমিত শাহের শিলিগুড়ির কাওয়াখালি ময়দানে যাওয়ার কথা। সেখানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস নিয়ে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা। আগামী ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ফৌজদারি আইন সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ভারতীয় দণ্ডবিধি বা আইপিসি-র পরিবর্তে কার্যকর হওয়া ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কোন পুরনো ধারার পরিবর্তে কোন নতুন ধারা এসেছে, প্রদর্শনীর মাধ্যমে তা তুলে ধরা হবে। নতুন আইন এবং তার বিভিন্ন পরিবর্তন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    দলীয় বৈঠক, শনিবার পাহাড় নিয়ে পরপর দুই বৈঠক

    শুক্রবারের সরকারি কর্মসূচি শেষ করে ফের সুকনার হোটেলে ফিরে যাওয়ার কথা অমিত শাহের। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়েও সেই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। তবে সফরের শেষ দিন শনিবারও ব্যস্ত কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সুকনার হোটেলেই পাহাড়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পরপর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা তাঁর। পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, স্থানীয় সমস্যা এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।

    সমস্ত বৈঠক ও কর্মসূচি শেষ করে শনিবারই দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা অমিত শাহের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ করিডরের নিরাপত্তা, অন্যদিকে পাহাড়ের সমস্যা এবং নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে জনসচেতনতা—সব মিলিয়ে অমিত শাহের উত্তরবঙ্গ সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একইসঙ্গে গুরুত্ব পাচ্ছে।

  • US National Arrested: ভারত-নেপাল সীমান্তে ফের ধরা পড়ল এক মার্কিন নাগরিক, খালিস্তানি যোগে চাঞ্চল্য, তদন্তে এনআইএ

    US National Arrested: ভারত-নেপাল সীমান্তে ফের ধরা পড়ল এক মার্কিন নাগরিক, খালিস্তানি যোগে চাঞ্চল্য, তদন্তে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-নেপাল (India-Nepal Border) সীমান্তে যৌথ নিরাপত্তা অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। উত্তরপ্রদেশের রূপাইডিহা (Rupaidiha) সীমান্ত এলাকা থেকে এক মার্কিন নাগরিক-সহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে নিষিদ্ধ খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘ওয়ারিস পাঞ্জাব দে’ (Waris Punjab De)-র এক সদস্যও রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    যৌথ অভিযানে বড়সড় সাফল্য

    গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী সশস্ত্র সীমা বল (SSB) এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের যৌথ বাহিনী রূপাইডিহা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযোগ, অভিযুক্তরা বৈধ ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া এড়িয়ে গোপনে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সেই সময় একটি গাড়ি আটক করে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কারা ধরা পড়েছে?

    ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিক্রমজিৎ সিং, যিনি খালিস্তানপন্থী সংগঠন ওয়ারিস পাঞ্জাব দে-র সদস্য বলে তদন্তকারীদের দাবি। এছাড়া ধরা পড়েছেন মার্কিন নাগরিক মনবীর সিং ধিলোঁ, যাঁর আদি বাড়ি পঞ্জাবের মোগা জেলায়। এ ছাড়া অভিযানে আরও তিন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের নাম—

    • ● সুরেশ কুমার পাঠক
    • ● দিলীপ উপাধ্যায়
    • ● রাহুল কুমার (গাড়ির চালক)

    তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই তিনজন সীমান্ত পারাপারের জন্য লজিস্টিক ও স্থানীয় সহায়তা দিচ্ছিলেন।

    কীভাবে ভারতে ঢোকার পরিকল্পনা?

    প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা বীরগঞ্জ-রূপাইডিহা (Birgunj-Rupaidiha) করিডর ব্যবহার করে ভারতে ঢোকার পরিকল্পনা করেছিল। ভারত-নেপাল ১৯৫০ সালের শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের নাগরিকদের অবাধ যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই খোলা সীমান্তকে কাজে লাগিয়ে চোরাচালান, মানবপাচার এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দাবি।

    মার্কিন নাগরিক ধরা পড়ায় বাড়ল কূটনৈতিক গুরুত্ব

    ঘটনায় এক মার্কিন নাগরিকের উপস্থিতি বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ভারত অভিযোগ করে আসছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ব্রিটেনে বসবাসকারী কিছু খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠী বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ, প্রচার এবং সংগঠন বিস্তারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে খালিস্তানপন্থী নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুন-কে কেন্দ্র করে ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েনও বেড়েছে। সেই আবহেই এই গ্রেফতারিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

    নেপাল করিডর নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ

    ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, নেপাল বহুদিন ধরেই বিভিন্ন জঙ্গি ও শত্রুভাবাপন্ন নেটওয়ার্কের জন্য একটি সম্ভাব্য ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কাঠমান্ডুতে তুলনামূলক সহজ প্রবেশের সুযোগ এবং ভারত-নেপালের ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ উন্মুক্ত সীমান্তকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সংগঠন অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে বলে তদন্তকারী সংস্থাগুলির ধারণা।

    এনআইএ-সহ কেন্দ্রীয় সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

    ধৃত পাঁচজনকে নিরাপত্তার কড়া নজরদারিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে নেমেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন—

    • ● অভিযুক্তদের ডিজিটাল যোগাযোগের নেটওয়ার্ক
    • ● অর্থের উৎস ও লেনদেনের পথ
    • ● ভারতে সম্ভাব্য যোগাযোগকারী ও সহযোগীদের পরিচয়
    • ● অনুপ্রবেশের মূল উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য টার্গেট

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির মতে, এই ঘটনায় সীমান্ত ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। পাশাপাশি বিদেশে সক্রিয় খালিস্তানপন্থী সংগঠনগুলির সঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরে সম্ভাব্য যোগাযোগের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • West Bengal Cabinet: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় সিদ্ধান্ত! কাঁটাতার বসানোর কাজে কেন্দ্রকে ৫৪ একর জমি দিল রাজ্য

    West Bengal Cabinet: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড় সিদ্ধান্ত! কাঁটাতার বসানোর কাজে কেন্দ্রকে ৫৪ একর জমি দিল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, নতুন সীমান্ত চৌকি গড়ে তোলা এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলিকে ৫৪.২৪ একর সরকারি খাস জমি স্থায়ীভাবে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবে অনুমোদন

    বৃহস্পতিবার নবান্নে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, জমিগুলি মূলত বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এবং সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-র প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজে ব্যবহার করা হবে।

    ৬ জেলায় জমি হস্তান্তর

    সরকারি সূত্রের খবর, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক সীমান্তবর্তী জেলায় এই জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদা। যেসব এলাকায় এখনও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া সম্পূর্ণ হয়নি অথবা নতুন বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) তৈরির প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে এই জমি কাজে লাগানো হবে। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, হস্তান্তরিত জমিতে নতুন সীমান্ত চৌকি নির্মাণের পাশাপাশি অসম্পূর্ণ কাঁটাতারের বেড়ার কাজ শেষ করা হবে। একই সঙ্গে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল ও যাতায়াত আরও সহজ করতে নতুন রাস্তা তৈরির কাজও করা হবে।

    জমি-জটে আটকে কাঁটাতারের কাজ

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন অংশে জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ থমকে ছিল। এই ইস্যুতে অতীতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে একাধিকবার মতবিরোধও সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অভিযোগ ছিল, প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত না মেলায় সীমান্ত সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে দ্রুত সীমান্ত বেড়া সম্পূর্ণ করার ওপর বরাবরই জোর দিয়ে এসেছে কেন্দ্র।

    বিএসএফ ও এসএসবি-র সুবিধা

    সাম্প্রতিক প্রশাসনিক উদ্যোগের ফলে সেই অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সীমান্তে নিরাপত্তা অবকাঠামো নির্মাণের গতি বাড়বে, পাশাপাশি বিএসএফ ও এসএসবি-র কাজ পরিচালনাও আরও সহজ হবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, জমি সংক্রান্ত জটিলতা দূর হওয়ায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা একাধিক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হবে।

  • WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (WB Assembly Election 2026)। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। দু’দফার এই নির্বাচন বিঘ্নহীন (CAPF Chiefs Meet) করতে মরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পর্বে বাংলায় প্রায় ২ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPFs)-এর সমস্ত প্রধানরা কলকাতায় এক ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।

    গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন (WB Assembly Election 2026)

    শনিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর সল্টলেকে সিআরপিএফ কার্যালয়ে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন হয়। সেখানে সিএপিএফের ডিরেক্টর জেনারেলরা এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা একত্রে সিদ্ধান্ত নেন যে, সম্ভাব্য বিঘ্নকারীদের মোকাবিলায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি—এই পাঁচটি সিএপিএফ ছাড়াও ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন (IRBs) এবং অন্যান্য রাজ্য পুলিশের সহায়ক বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    সিএপিএফের বক্তব্য

    সিএপিএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “এটি একটি অভূতপূর্ব বৈঠক।  কারণ এর আগে কোনও রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন সব সিএপিএফ প্রধানদের একসঙ্গে বৈঠক হয়নি। তাঁরা গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের এবং যৌথ বাহিনীর নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিটগুলিও পরিদর্শন করেছেন।” তামিলনাড়ুতেও বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, এক দফায়। সেখানে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও যৌথ বৈঠক হয়নি বলেই খবর। রবিবার এক বিবৃতিতে সিআইএসএফের তরফে জানানো হয়, “ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব ১৮ এপ্রিল কলকাতায় একত্রিত হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি ও সমন্বয় প্রদর্শন করেছে (CAPF Chiefs Meet)।”

    বৈঠকের উদ্দেশ্য

    এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর জন্য একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা (WB Assembly Election 2026)। এরপর অনুষ্ঠিত যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলনে সিএপিএফ প্রধানরা, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ উপদেষ্টা ও পর্যবেক্ষকরা বিশেষ করে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তাঁরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন এবং অ্যান্টি-স্যাবোটাজ তল্লাশি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন, যাতে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমস্ত বাহিনীর মূল লক্ষ্য হল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রত্যেক নাগরিক ভয় বা চাপ ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    সিআইএসএফের ডিজির বক্তব্য

    সিআইএসএফের ডিজি প্রবীর রঞ্জন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমাদের মিশন শুধুমাত্র নিরাপত্তা নয়, এটি গণতন্ত্রের পবিত্রতা রক্ষা করার দায়িত্ব।” তিনি এও বলেন, “মাঠে থাকা কর্মীদের জন্য আমার বার্তা স্পষ্ট – আপনারা গণতন্ত্রের রক্ষক। আমাদের আলাদা ইউনিট হিসেবে (CAPF Chiefs Meet) নয়, বরং একত্রে একটি শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নির্বাচন বাহিনী হিসেবে কাজ করতে হবে (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

LinkedIn
Share