Tag: SSC Case

SSC Case

  • SSC Case: ‘অযোগ্যদের বাঁচাতে যোগ্যদের বলি’, এসএসসি রায়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি দাবি শুভেন্দুর

    SSC Case: ‘অযোগ্যদের বাঁচাতে যোগ্যদের বলি’, এসএসসি রায়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের রায়কেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৬ সালের এসএসসির (SSC Case) সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করল শীর্ষ আদালত। এক্স পোস্টে এনিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পদত্যাগ ও গ্রেফতারির দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনাকে ‘অযোগ্যদের বাঁচাতে যোগ্যদের বলি’, বলে দাবি করেন তিনি।

    শুভেন্দুর দাবি

    গত বছর ৩০ ডিসেম্বর বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে আচার্য সদন গিয়েছিলেন শুভেন্দু। যোগ্য-অযোগ্যদের পৃথকীকরণের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন তিনি। এদিন এসএসসি মামলার রায়দান হতেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) সেদিনের ভিডিও সহ একটি পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। সেই পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারকে ঝাঁঝালো আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘অযোগ্যদের বাঁচাতে যোগ্যদের বলি। মহামান্য কলকাতা উচ্চ আদালত, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট বারবার এসএসসি-কে সময় দিয়েছে যোগ্য ও অযোগ্য চাকরিরত শিক্ষকদের আলাদা করার জন্য। ৫ মে ২০২২ তারিখে এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের ক্যাবিনেট অযোগ্যদের বাঁচানোর জন্য বেআইনিভাবে সুপারনিউমেরারি পোস্ট তৈরি করেছিল। বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি বিধায়কদের প্রতিনিধি দলকে সাথে নিয়ে এসএসসি ভবনে আমি নিজেও এই বিষয়ে সঠিকভাবে যোগ্য এবং অযোগ্যদের তালিকা আলাদা করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলাম।’’ বিজেপি (BJP) বিধায়কের কথায়, তিনি সেবার যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা আলাদা করে আদালতে জমা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। নাহলে অযোগ্যদের জন্য যোগ্যরা বিপাকে পড়বেন ও তাঁদের পরিবারগুলি ভেসে যাবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে সামাজিক সম্মানও নষ্ট হবে। শুভেন্দু লেখেন, ‘‘আজ মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট মহামান্য কলকাতা উচ্চ আদালতের রায়কে মান্যতা দিয়ে ২০১৬ সালের এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ বহাল রাখল। অর্থের বিনিময়ে চাকুরিরত অযোগ্যদের বাঁচাতে যোগ্যদের বলি দেওয়া হল। এর সম্পূর্ণ দায়ভার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জীর। অবিলম্বে মমতা ব্যনার্জীর পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবি করছি।’’

    বিজেপির বিরোধিতা

    শাসকদলের বিরুদ্ধে পথে নামার ডাক দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। বারবার সময় পাওয়া সত্ত্বেও চাল ও কাঁকর আলাদা করেনি এসএসসি। তারই খেসারত দিতে হল যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদেরও। রামনবমী মিটে গেলেই এ নিয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামা বলে বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।  আইনজীবী তথা বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচিও এদিন ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানান। তিনি লেখেন, ‘‘সবার চাকরি খেল কে? চোর মমতা আবার কে। যোগ্য যাদের চাকরি গেল। এবার সবাই কালীঘাট চলো।’’

  • Calcutta High Court: ‘‘‘আন্দোলনকারীদের দিকে ছুরির ধার অনেক বেশি’’, নিয়োগ মামলায় হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ‘‘‘আন্দোলনকারীদের দিকে ছুরির ধার অনেক বেশি’’, নিয়োগ মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনকারীরা ছুরির যে প্রান্তে রয়েছেন তার ধার অনেক বেশি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন হাইকোর্ট জানায়,  ছুরির দু’দিক দিয়ে কাটা যায়। সেই ছুরির এক প্রান্তে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা, আর অন্য প্রান্তে রয়েছেন চাকরিপ্রাপকেরা। আন্দোলনকারীরা যে প্রান্তে রয়েছেন, সে দিকের ধার অনেক বেশি। আন্দোলনকারীরা চাকরিপ্রাপকদের থেকেও বেশি গরিব বলে এদিন পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করে উচ্চ আদালত। পাশাপাশি বিপক্ষের আইনজীবীকে আন্দোলনকারীদের কথা ভাবারও কথা বলে হাইকোর্ট।

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে শুনানি হচ্ছে হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, আগেই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার শুনানি ছ’মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই সংক্রান্ত মামলাগুলির জন্য গঠন করা বিশেষ বেঞ্চও (Calcutta High Court)। ওই বিশেষ বেঞ্চেই চলছে শুনানি। বুধবারই বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বিশেষ বেঞ্চে গ্রুপ ডি-র নিয়োগ মামলার শুনানি চলছিল।

    হাইকোর্টে সওয়াল জবাব

    সেই মামলায় চাকরিপ্রাপকদের আইনজীবী (Calcutta High Court) অনিন্দ্য মিত্র এদিন বলেন, ‘‘নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব চেয়ে নীচের স্তরে রয়েছেন গ্রুপ ডি-র চাকরিপ্রাপকেরা। তাঁরা অর্থনৈতিক ভাবে সব চেয়ে দুর্বল। উপরতলার আধিকারিকদের দুর্নীতির দায় তাঁদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বলির পাঁঠা করা হচ্ছে।’’ এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বলেন , ‘‘আন্দোলনকারীরা ছুরির যে প্রান্তে রয়েছেন, তার ধার অনেক বেশি। বিচারপতি বসাকের যুক্তি, গ্রুপ ডি-র কর্মীরা তো তবু চাকরি করছেন। বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু যাঁরা রাস্তায় বসে রয়েছেন, তাঁদের কথাও ভাবা দরকার।’’ প্রসঙ্গত, রোদ, ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করেও দীর্ঘদিন রাস্তায় বসে থেকে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। যোগ্য প্রার্থীদের হয়ে ফের সওয়াল শোনা গেল রাজ্যের উচ্চ আদালতে।

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা শুনবেন না বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, কেন জানেন?

    Justice Abhijit Ganguly: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা শুনবেন না বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত আর কোনও মামলাই আর আপাতত শুনবেন না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরেই এই সিদ্ধান্ত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। আদালতের  পুজো অবকাশ শেষে সোমবার এজলাসে আসেন তিনি। পরে জানিয়ে দেন, এসএসসি সংক্রান্ত কোনও মামলা আপাতত শুনবেন না। তাঁর জন্য নির্দিষ্ট মামলাগুলির তালিকা থেকে এসএসসি সংক্রান্ত সব মামলা সরিয়ে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিপাকে পড়েন অনেকে

    তৃণমূল জমানায় শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Justice Abhijit Ganguly)। এই মামলাগুলির অনেকগুলিতেই কড়া রায় দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ‘ভগবান’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়েকে শিক্ষিকার পদ খোয়াতে হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে। তাঁর এমন আরও কয়েকটি রায়ের জেরে বিপাকে পড়েন অসাধু উপায়ে চাকরি পাওয়া তরুণ-তরুণীরা। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তে হতাশ তাঁরা। তবে এসএসসির মামলা না শুনলেও, প্রাথমিকের যে ক’টি মামলা চলছিল তাঁর এজলাসে, সেগুলি শুনবেন তিনি। ২৯ নভেম্বর ওই মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা।

    কী কারণে শুনবেন না মামলা?

    কী কারণে এসএসসি সংক্রান্ত মামলা আপাতত শুনবেন না বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)? তিনি জানান, ৯ নভেম্বর এসএসসি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট এসএসসির সব মামলা ফেরত পাঠিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের কাছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করবেন। সেখানেই শুনানি হবে এই মামলাগুলির। চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক কিংবা নতুন চাকরির সুপারিশ, সব সিদ্ধান্তই নেবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির গড়ে দেওয়া ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার দুই মাওবাদী নেতা, তাঁদের কাছে থেকে কী পেল পুলিশ?

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টে যেসব মামলা সুপ্রিম কোর্ট ফেরত পাঠিয়েছিল, তার মধ্যে ছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের চাকরি বাতিলের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলাও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ হাতে পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এসএসসি (Justice Abhijit Ganguly) নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ধৃত, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষকে (Jayashree Ghosh) জিজ্ঞাসাবাদ করলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলল প্রশ্নোত্তর পর্ব। জয়শ্রীর নামে বেশ কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে জয়শ্রী মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    জয়শ্রীকে জেরা

    ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযোগ,দেশের পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যবসায় বঙ্গের চাকরি বিক্রির (SSC Scam) দেদার টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাঁকা পথে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দু’হাতে যে-টাকা পকেটে ভরেছিলেন, তা বিনিয়োগ করেছিলেন পূর্বে ত্রিপুরার চা-বাগানে এবং পশ্চিমে গোয়ার হোটেল ব্যবসায়। এমনকি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা কুন্তলের মাধ্যমে বাংলাদেশের কয়েকটি সম্পত্তিতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে ইডি।  ট্রাস্টের অধীনে থাকা কুন্তলের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বোর্ডের সদস্য ছিলেন তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী। কুন্তলের স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে কিনা, সেই স্কুলের অ্যাকাউন্ট, জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং ব্য়াঙ্কের লেনদেন সংক্রান্ত নথি নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। 

    আরও পড়ুুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    তদন্তে অসহযোগিতা জয়শ্রীর

    তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রীর বয়ানে নানান অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং তাঁর আয়করের নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ফের তাঁকে তলব করবে ইডি।  ২০১৭ সালের পরে কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয়শ্রীর অ্যাকাউন্টে দফায় দফায় মোটা অঙ্কের টাকা জমা পড়েছিল। ২০১৭ সালের পর থেকে জয়শ্রীর নামে একাধিক সম্পত্তিও কেনা হয়েছে। বেসরকারি বিএড ও ডিএলএড কলেজ ছাড়াও কয়েকটি বেসরকারি স্কুল আছে কুন্তলের। ট্রাস্ট গঠন করে বেসরকারি কলেজ ও স্কুল কেনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রী ওই ট্রাস্টের অন্যতম সদস্যা। ট্রাস্টের মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করে নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের অভিযোগ। রাজারহাট-নিউটাউনের যে ফ্ল্যাট থেকে কুন্তলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেখানে মাঝে মাঝেই বৈঠকে বসতেন কুন্তল ও তাঁর সহযোগীরা। সেখানে উপস্থিত থাকতেন কারা কারা? কোনও প্রভাবশালীর উপস্থিতি থাকত কি না-তাও জানতে চাওয়া হয় জয়শ্রী ঘোষের কাছে। তদন্তকারীদের দাবি, সব প্রশ্নই এড়িয়ে গিয়েছেন জয়শ্রী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: গ্রুপ সি-র ৫৭ জনের চাকরি বাতিল! হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কাজ এসএসসির

    SSC Scam: গ্রুপ সি-র ৫৭ জনের চাকরি বাতিল! হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কাজ এসএসসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জেরে গ্রুপ সি-র ৮৪২ জন চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে ৫৭ জনের চাকরি বাতিল করা হলো। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানাল এসএসসি। শনিবার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ওই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি দুপুর ৩ টের মধ্যে নিয়োগপত্র বাতিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে বলেছিলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে। 

    এসএসসির সুপারিশপত্র ছাড়াই নিয়োগ

    এসএসসির সুপারিশপত্র ছাড়াই ‘গ্রুপ সি’-তে চাকরি করছেন ৫৭ জন। শুক্রবার এই তথ্য পেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি সরাসরি প্রশ্ন করেন এটাও কি শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হার কাজ? যাঁরা বেআইনিভাবে কাজ করছেন তাঁদের নিয়োগ (SSC Scam) বাতিলের নির্দেশ দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী তাঁরা যেন শনিবার থেকে স্কুলে ঢুকতে না পারে তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশের পরই তৎপর হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রথম দফায় ৫৭ জনের চাকরি বাতিল করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিককে জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, কেন জানেন?

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট ৮৪২ জন গ্রুপ সি (Group C) কর্মীর চাকরি বাতিলের (SSC Scam) নির্দেশ দিয়েছিল। আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ৮৪২ জনের মধ্যে ৭৮৫ জনের কাছে এসএসসির সুপারিশপত্র এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নিয়োগপত্র আছে। তাই প্রথমে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ওই সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করা এবং পরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে নিয়োগপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। অপর ৫৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কমিশনের সুপারিশ ছাড়াই চাকরি পেয়েছিলেন তাঁরা। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, যে হেতু এসএসসি সুপারিশপত্র দেয়নি, তাই ওই ৫৭ জনের চাকরি কলকাতা হাই কোর্ট বাতিল করেছে, এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিক এসএসসি। সেই নির্দেশ মতোই কাজ করে এসএসসি। ওই ৫৭ জন কারা, তাঁদের নাম কী, রোল নম্বর কী ছিল, এখন তাঁরা কোন স্কুলে কর্মরত রয়েছেন, তার তথ্য তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share