Tag: SSC Group D

SSC Group D

  • SSC Scam: এসএসসি গ্রুপ ‘ডি’ মামলায় ফের ২৮১৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Scam: এসএসসি গ্রুপ ‘ডি’ মামলায় ফের ২৮১৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবারে এসএসসির গ্রুপ ডির কর্মী নিয়োগের মামলায় চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল আদালত। গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অবৈধভাবে চাকরি পাওয়া ২৮১৯ জনকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে ওএমআর শিটে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার কথা জানায় কমিশন। এরপরেই নির্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবারের মধ্যে এদের নাম, বাবার নাম ও বাড়ির ঠিকানাসহ তালিকা প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    ওএমআর শিটে কারচুপি!

    এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কমিশন আদালতকে জানায় ৬,৮৯৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ২৮১৯ জনেরই নিয়োগে গরমিল রয়েছে। গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআর উত্তরপত্রে কারচুপির অভিযোগ ছিল। তাতে কমিশনের তরফে আইনজীবী আজ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে জানান, ২৮১৯ জনের ওএমআর শিটে কারচুপি হয়েছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কমিশন।

    আরও পড়ুন: কোভিডকালে নির্মাণ-শিল্পে উল্কাবেগে উত্থান শিকারিয়ার! কীভাবে সম্ভব? খোঁজ করছে ইডি

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে কমিশন

    ওএমআর শিটে কারচুপি হয়েছে জেনেও কেন কমিশন পদক্ষেপ নেয়নি, সেই নিয়ে প্রশ্ন করেছেন বিচারপতি গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, “আপনারাই যখন বলছেন ২৮১৯ জনের ওএমআর শিট কারচুপির বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, তা হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আপনাদের করতে হবে। আলাদাভাবে এই প্রার্থীদের নাম কমিশনের সাইটে আবারও প্রকাশ করুন। তারপর তাঁদের নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করুন।” অযোগ্যদের নাম, বাবার নাম ও ঠিকানাসহ তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করে ও চাকবি বাতিল করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার জন্য বিচারপতি এবারে ২৪ ঘণ্টাও বেঁধে দিলেন। আগামীকালের মধ্যেই তাঁদের বরখাস্ত করতে হবে বলে জানা গিয়েছে।

    বিচারপতি আরও বলেছেন, শুক্রবার আদালতে কমিশন হলফনামা জমা দেওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে ২৮১৯ জনের নাম আপলোড করার এবং সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হবে। তার ৫ মিনিটের মধ্যে তাঁদের নিয়োগপত্র প্রত্যাহার করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ফলে বিচারপতির এমন নির্দেশে গ্রুপ ডির যোগ্য প্রার্থীরা ফের আশার আলো দেখছেন। এর পর এটাই দেখার যে পরবর্তীতে এই মামলায় আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে।  

  • SSC Group D: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে’’, গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    SSC Group D: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে’’, গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে…’’। এবার এসএসসি গ্রুপ ডি (SSC Group D) দুর্নীতি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) আরেক বিচারপতি। 

    হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ সিবিআইয়ের

    শুক্রবার, এসএসসি সংক্রান্ত দুর্নীতির একটি মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর (Justice Biswajit Basu) এজলাসে। সেখানে গ্রুপ-ডি (SSC Group D) নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই (CBI)। সেই রিপোর্ট দেখে বিস্মিত বিচারপতি বলে ওঠেন, ‘‘সাদা খাতায় চাকরি! ব্ল্যাঙ্ক OMR শিটে চাকরি! ভয়ানক বড় দুর্নীতি।’’ বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে৷ এই দুর্নীতি কতটা গভীরে তা খুঁজে বার করা দরকার। কারণ এই দুর্নীতির ফলে ছাত্র- শিক্ষক সম্পর্কই নষ্ট হয়ে যাবে!’’ 

    আরও পড়ুন: কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শূন্যপদে নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    এসএসসি দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) নিয়ে একাধিকবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এর আগে এই গ্রুপ ডি (SSC Group D) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, ২৯ সেপ্টেম্বর কড়া মন্তব্য করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বলেছিলেন, ‘‘এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র, গোটা হিমশৈল জলের নিচে আছে। ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান। এরা শিক্ষক, এরা সমাজ গড়ে, এরা অন্য কোন পেশায় নেই। আমি জানিনা এর শেষ কোথায়। আগে আবর্জনা পরিষ্কার করুন। গোটা প্যানেল খারিজ করা উচিত।’’ সম্প্রতি, পর্ষদকে (School Service Comission) তুলোধনা করে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, ‘‘রাজ্য ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান এক না হলে কমিশন ভেঙে দেওয়া হোক।’’

    তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    এদিনও (SSC Group D) মামলার শুনানিতে আরও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন তিনি। বিচারপতি বলেন, ‘‘এবার নিজের যোগ্যতায়ও যদি কেউ চাকরি পায়, তাহলেও ছাত্ররা শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এই শিক্ষকদের কারণে একটা প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাবে।’’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি প্রশ্নও করেন, ‘‘দুর্নীতি ৭ না ১০ বছরের পুরনো কিছু জানা গিয়েছে? এই শিক্ষকদের কারণে একটা প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বুঝতে পারছি কেন এই অতিরিক্ত শূন্যপদ। দেখতে হবে এই দুর্নীতি কত বছরের পুরনো।’’ 

    আগামী ২৪ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি৷

  • SSC Group D: গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির

    SSC Group D: গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment scam) মামলায় ফের একবার সিবিআই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। এদিন গ্রুপ ডি (SSC Group D) মামলার তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। শুধু উষ্মাপ্রকাশ করেই ক্ষান্ত হলেন না, একেবারে সিটের ২ সদস্যকে সরিয়ে দিলেন বিচারপতি, আনলেন নতুন চারজনকে। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ?

    সন্দীপ প্রসাদ নামে এক চাকরিপ্রার্থীর করা মামলার শুনানিতে গত বছর ২২ নভেম্বর গ্রুপ ডি (SSC Group D) মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলার শুনানিতে উঠে আসে ৫৪২ জন বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন গ্রুপ ডি-তে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এদের সবাইকেই ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই। এই প্রেক্ষিতে গত ১৭ জুন সিট গঠন করা হয়।

    আরও পড়ুন: কামড়ের পর এবার পুলিশের চিমটি! চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার কালীঘাট

    হাইকোর্ট সিবিআইকে জানায়, ছয় মাসের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ৫৪২ জনের চাকরি বাতিল করা হয়েছিল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কতজনকে ডেকে ডিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। উত্তরে, সিবিআইয়ের আইনজীবী ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল বলেন, ১৬ জনকে। 

    এটা শুনেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। বলেন, শুধুমাত্র ১৬!  ১৮ মে থেকে তদন্তে মাত্র ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন? তখন সিবিআই আইনজীবী বলেন, সেপ্টেম্বরে মাদার সার্ভার বাজেয়াপ্ত করে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চলছে। কিন্তু বিচারপতি বলেন, এটা আপনার অবস্থান। এখনও ৫৪২ জনের ১০ কিংবা ৫ শতাংশকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়ে ওঠেনি কেন? ৬ মাস অতিক্রান্ত। সিবিআই তদন্তের কিছুই করেনি। সিবিআই ৬ মাস পর কি করছে!

    কী নির্দেশ দিল আদালত?

    এরপরই, বিচারপতি জানিয়ে দেন, এই মামলায় (SSC Group D) সিবিআই সিটের পুনর্গঠন করে দেবে আদালত। সেই মতো, সিবিআইকে তাঁর নির্দেশ ছিল, ৪ জন এমন আধিকারিকের নাম দিতে হবে যাদের ‘সিট’-এ নিয়োগ করা যায়। বিচারপতি জানিয়ে দেন, সিবিআই ডিআইজির নেতৃত্বে তদন্ত হবে। আগামী ২১ দিনে ৫২৬ জন অবৈধভাবে নিযুক্ত গ্রুপ ডি চাকরি প্রাপকদের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ সিবিআইকে। গ্রুপ ডি, গ্রুপ সি সহ এসএসসি সব বেআইনিভাবে নিযুক্তদের ব্যাচে ব্যাচে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই, চায় আদালত। আদালতের নির্দেশ, যারা সহযোগিতা করবে না তাদের গ্রেফতার করুক সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এই প্রেক্ষিতে এদিন সিবিআই সিট পুনর্গঠন করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নতুন করে ‘সিট’-এ নিয়োগ করা হয়েছে, অংশুমান সাহা (ডেপুটি এসপি), বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (ইন্সপেক্টর), প্রদীপ ত্রিপাঠি (ইন্সপেক্টর), ওয়াসিম আকরাম খান (ইন্সপেক্টর)। ২ অফিসারকে বাদ দিয়েছেন তিনি। তাঁরা হলেন, কে সি ঋষিনামল ও ইমরান আশিক। আদালতের নির্দেশ, এরা কোনওভাবেই এই সংক্রান্ত তদন্ত করতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার কেসি ঋষিনামল। অন্যদিকে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার ইমরান আশিক। এঁরা দুজন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী।

    পাশাপাশি, সিবিআই ডিআইজি অখিলেশ সিং-কে ‘সিট’-এর প্রধান করা হয়েছে। আদালতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই তদন্ত থেকে সরে যেতে পারবেন না। এছাড়াও অন্য কোনও মামলায় তাঁকে যুক্ত করতে পারবে না সিবিআই। এছাড়া, তাঁকে আদালতের অনুমতি ছাড়া বদলিও করা যাবে না। ৭ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেবেন অখিলেশ সিং। 

LinkedIn
Share