Tag: SSC recruitment scam

SSC recruitment scam

  • Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার চার ‘অযোগ্য’ শিক্ষক, পাঠানো হল প্রেসিডেন্সির গারদে

    Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার চার ‘অযোগ্য’ শিক্ষক, পাঠানো হল প্রেসিডেন্সির গারদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার চার শিক্ষক। নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় এই প্রথম কোনও শিক্ষককে গ্রেফতার করা হল। এর আগে গ্রেফতার করা হয়েছে যাঁদের হাত ধরে অযোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁদের। আজ, সোমবার আলিপুর আদালতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ওই চার শিক্ষককে।

    গ্রেফতার ৪ শিক্ষক 

    এর পরেই তাঁদের গ্রেফতারির নির্দেশ দেন বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। ওই শিক্ষকদের পাঠানো হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। এদিন যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সাইগার হোসেন, জাহিরউদ্দিন শেখ, সমীর হোসেন এবং সৌগত মণ্ডল। তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সিবিআইয়ের চার্জশিটে নাম ছিল এই চার শিক্ষকের। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের পর টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে সিবিআইয়ের কাছে কবুল করেছিলেন এঁরা।

    কবুল করেছিলেন অপরাধ?

    জানা গিয়েছে, এঁরা প্রত্যেকেই প্রাথমিক (Recruitment Scam) স্কুলের শিক্ষক। প্রাক্তন তৃণমূল নেতা তাপস মণ্ডলের মাধ্যমে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন। সিবিআইয়ের কাছে এই মর্মে বিবৃতিও দিয়েছিলেন এই চারজন। এঁদের বয়ানকে হাতিয়ার করে তাপসের বিরুদ্ধে তথ্য হিসেবে এবং সাক্ষী হিসেবে চার্জশিটে উল্লেখ করেছিলেন তদন্তকারীরা। এ ব্যাপারে এদিন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারক অর্পণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, নিজেরা অযোগ্য জেনেও এঁরা টাকা দিয়ে চাকরি কিনেছেন। এঁরা তো বাকিদের সঙ্গে সমান অভিযুক্ত। এর পরেই ওই শিক্ষকদের গ্রেফতারির নির্দেশ দেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট যেত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে”! আদালতে বোমা ফাটালেন পার্থ

    এদিন শুনানিতে বিচারক চট্টোপাধ্যায় এই শিক্ষকদের আইনজীবীকে বলেন, “আপনার মক্কেলদের কেন জামিন দেব? এরাই সেই পাবলিক, যার জন্য এতগুলো মানুষ ভুগছে।” অভিযুক্তদের উদ্দেশেও তাঁর প্রশ্ন, “আপনাদেরই বলতে হবে যে কেন আপনাদের জামিন দেব।” এদিকে, এদিনই নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জেলবন্দি মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা। দিন কয়েক আগেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, শতরূপাকে এভাবে আটকে রাখার কোনও মানে হয় না। এদিন বিচারপতি ঘোষই শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন শতরূপাকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে এক দফা জেরা-পর্ব হয়েছিল। এবার বুধবার সকালেই দ্বিতীয় দফায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) জেরার জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ আবারও প্রেসিডেন্সি জেলে যান তদন্তকারীরা। পোস্টিং-দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়েই তাঁকে জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। আজ কি মানিককে হেফাজতে নেবে সিবিআই? বাড়ছে জল্পনা।

    এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরেই প্রাথমিক নিয়োগকাণ্ডের (Primary TET Scam) নতুন মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাটার্যকে রাতেই জেরা করার নির্দেশ সিবিআইকে দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সেই মতো মঙ্গলবার রাতেই প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছে যায় সিবিআই আধিকারিকের দল। প্রায় দু’ঘণ্টার ওপর সময় ধরে জেলবন্দি মানিককে করা হয় জেরা। 

    জেরায় চার সদস্যের সিবিআই টিম

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেলে (Presidency Jail) পৌঁছয় সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের টিম। ওই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন একজন এসপি পদমর্যাদার অফিসার। ছিলেন, দু’জন ইন্সপেক্টর। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, গোটা জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। সেই মোতাবেক, এদিন সিবিআই টিমে ছিলেন একজন ভিডিয়োগ্রাফি এক্সপার্টও। সূত্রের খবর, জেলের ভিতর ইন্টারোগেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। সেখানেই এসপি কল্যাণ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মানিককে জেরা করছেন দু’টি পৃথক মামলার তদন্তকারী আধিকারিক মলয় দাস, ওয়াসিম আক্রম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জেলে ছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা।

    কী নিয়ে নতুন মামলা?

    প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘পোস্টিং’ নিয়ে দুর্নীতির (Teacher Posting Scam) অভিযোগ তুলে একটি মামলা করেন সুকান্ত প্রামাণিক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের বলা হয়েছিল নিজের জেলায় কোনও শূন্যপদ নেই। অভিযোগ, কাউন্সেলিং-এর ঠিক ১৭ দিন পরই চার জেলায় ৪০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। গতকাল, এই মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টে। শুনানি চলছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। কাদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, টাকার লেনদেন হয়েছিল কি না, সেটাই জানতে চায় আদালত। সেখানেই বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রাথমিকের নিয়োগে এটা পরিকল্পিত ভাবে দুর্নীতি হয়েছে। মানিক ছক কষে এই দুর্নীতি ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ করেছেন। মানিক এই মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি। তিনি নির্দেশ দেন, প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারে সিবিআই। এমনকী, এই মামলায় আর্থিক দুর্নীতির দিক উঠে আসলে, তার তদন্তে ইডি-কে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ ঠিক কী?

    ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক (Manik Bhattacharya), সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন! সায়নীকে ফের তলবের পথে ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি?

    Saayoni Ghosh: ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন! সায়নীকে ফের তলবের পথে ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার তাঁর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। বলা হয়েছিল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ঋণের কাগজ সহ আয়-ব্যয়ের যাবতীয় নথি নিয়ে হাজির হতে। কিন্তু, হাজির তো হননি-ই, উল্টে ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠল যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি। 

    সায়নীর থেকে নথি তলব

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে যোগসূত্রে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হাজিরার জন্য সায়নী ঘোষকে (Saayoni Ghosh) সমন পাঠায় ইডি। গত শুক্রবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ১১-ঘণ্টা ধরে জেরা করার পর বুধবার নথি সহ হাজির হতে বলা হয়। নিয়োগকাণ্ড (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে সায়নীর আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ইডি। কুন্তলের থেকে সায়নী কোনওভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছিলেন কিনা, বা কুন্তলের টাকা সায়নীর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল কিনা, তা দেখতেই সায়নীকে বুধবার তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়নীকে আয়কর জমা দেওয়ার ফাইল এবং সম্পত্তির হিসাব নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। যুবনেত্রীর যত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার তথ্য এবং লেনদেনের নথিও নাকি আনতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি, তিনি ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছেন বলে যে দাবি করেছেন, তার কাগজপত্রও আনতে বলা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় ৩৯২৯টি পদে শুনানি পিছল সুপ্রিম কোর্টে

    কী নথি পাঠাননি সায়নী?

    কিন্তু, গতকাল, অর্থাৎ বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে সায়নী (Saayoni Ghosh) ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। তিনি আইনজীবীর হাত দিয়ে ৫৩০ পাতার নথি পাঠিয়ে দেন। নিজে চলে যান পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে। ইডি সূত্রে খবর, সায়নীর পাঠানো নথি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে সেগুলি ‘অসম্পূর্ণ’। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাটের নথি জমা দিলেও, মায়ের নামে কেনা ফ্ল্যাটের কোনও নথি জম দেননি তিনি। সূত্রের খবর, মায়ের নামে যে‌ ফ্ল্যাটটি সায়নী ঘোষ কিনেছিলেন তখন তিনি ২০ লক্ষ টাকা নগদ দিয়েছিলেন। এই টাকার উৎস জানতে চেয়েছিল ইডি। কিন্তু তার নথি পাঠানো হয়নি। পাশাপাশি ‘কলোনি ল্যান্ড’ বলে একটি সম্পত্তিও বিক্রি করা হয়েছিল এর মধ্যে। সেই সম্পত্তি বিক্রির টাকা লেনদেনের নথিও জমা দেওয়া হয়নি, সূত্রের খবর এমনটাই। কোথা থেকে টাকা এসেছিল, কোথায় জমা পড়েছিল, কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। 

    সায়নীর ওপর ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি

    সূত্রের খবর, সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) এই ‘অসম্পূর্ণ’ নথি জমা দেওয়া নিয়ে মোটেও ‘সন্তুষ্ট নন’ তদন্তকারীরা। তাঁদের কথায়, “যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল সায়নীকে। সেক্ষেত্রেও কেন সম্পূর্ণ তথ্য জমা দেননি তিনি?” তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সায়নী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে পাওয়া গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য। ভবিষ্যতে এই তথ্য সামনে রেখে সায়নীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। সায়নী ইমেলে ইডিকে জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ফলপ্রকাশের পর তাঁকে ডাকলে তিনি সশরীরে হাজিরা দেবেন। তবে আজ নির্বাচনী প্রচার শেষ হচ্ছে। ইডি সূত্রের খবর, নথি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইতে সায়নীকে আবার তলব করা হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: ভোট-প্রচারে ব্যস্ত! আজ ইডি হাজিরা এড়ালেন সায়নী, পাঠালেন নথি

    Saayoni Ghosh: ভোট-প্রচারে ব্যস্ত! আজ ইডি হাজিরা এড়ালেন সায়নী, পাঠালেন নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শুক্রবার নিয়োগকাণ্ডে ১১-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব শেষে ইডি-র দফতর থেকে বেরিয়ে এসে যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) দাবি করেছিলেন, যতবার ইডি ডাকবে, ততবার তিনি সশরীরে আসবেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘৫ জুলাই আবার যাব। সশরীরেই হাজিরা দেব। যতবার ডাকবে ততবার যাব।’’ আজ, ৫ জুলাই তাঁকে আয়-ব্যয় ও সম্পত্তির যাবতীয় নথি সহ তলব করা হয়েছিল। কিন্তু, গেলেন না সায়নী। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তিনি নাকি মঙ্গলবার রাতে ইডিকে ইমেলে না যাওয়ার কারণ জানিয়েছেন। যদিও ইডি-র দাবি, সকাল ১১টা পর্যন্ত কোনও চিঠি পায়নি তারা। তবে, এদিন আইনজীবী মারফৎ সায়নী নাকি নথি পাঠিয়েছেন তদন্তকারী সংস্থাকে।

    কোথায় ভোট-প্রচারে ব্যস্ত সায়নী?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ গলফ গ্রিনের ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী (Saayoni Ghosh)। তবে বাড়িতে তাঁর বাবা–মা আছেন। আজ সকালে জানা যায়, তিনি ইডি দফতরে যাচ্ছেন না। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বিষয়টি প্রকাশ্যে জানিয়ে দেন। কুণাল সংবাদমাধ্যমে জানান, সায়নী ঘোষ এখন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে ব্যস্ত। তাই দ্বিতীয় দফার ডাকে সাড়া দিতে পারছেন না। ভোট মিটলে যাবেন। সায়নীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি যে বুধবার ইডি দফতরে যেতে পারছেন না, তা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ নাকি ই-মেল করে তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছেন সায়নী। ইডি দফতরে না গেলেও বুধবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে তৃণমূলের ভোটপ্রচারে দেখা গিয়েছে সায়নীকে। সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে সায়নী বলেন, “ইডিকে নথি পাঠিয়ে দিয়েছি। বলেছি প্রয়োজনে ভার্চুয়ালি যোগ দেব। কিন্তু ভোটের মাত্র দু’দিন বাকি। দলের যুব সভানেত্রী হিসাবে আমার একটা দায়িত্ব আছে।” তাঁর সংযোজন, “১১ তারিখের পর, যত বার ডাকবে, তত বার যাব।” ইডি সূত্রে খবর, আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত তারা সায়নী ঘোষের কোনও চিঠি হাতে পাননি। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    ৫৩০ পাতার নথি পাঠিয়েছেন সায়নী (Saayoni Ghosh)?

    তবে, সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এক ব্যক্তিকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢুকতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হয়, তিনি সায়নীর আইনজীবী কি না। প্রশ্নের উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলেন ওই ব্যক্তি। তবে সায়নী বুধবার হাজিরা দেবেন কি না, এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি তিনি। তাঁর হাতে তিনটি ফাইল ছিল। যা থেকে মনে করা হয়, নিজে উপস্থিত না থাকলেও তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আইনজীবী মারফত ইডি আধিকারিকদের নথি পাঠিয়ে দিলেন সায়নী। সায়নীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, ইডির দাবি মতো, ৫৩০ পাতার নথি আইনজীবীর হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের একটি সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত নথি থেকেই প্রথমে সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) নাম উঠে আসে। এর বাইরে, একাধিক আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সায়নীর নাম সামনে এসেছে বলে দাবি ইডি সূত্রে। সূত্রের দাবি, বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তলকে জেরাতেও উঠেছে যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর নাম। এছাড়া একাধিক সাক্ষী তাঁদের বয়ানে সায়নীর নাম বলেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    Saayoni Ghosh: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আজ, বুধবার ফের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh)। সূত্রের খবর, আজ তাঁকে তাঁর ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন নথি নিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর আগে, গত শুক্রবার সায়নীকে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছিল। সেদিনই তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বুধবার অর্থাৎ আজ ওই নথি নিয়ে হাজির হতে।

    যাবতীয় সম্পত্তি ও ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে তলব

    নিয়োগকাণ্ড (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে তাঁর কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা তা জানতে সায়নীকে তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আজ আসতে বলা হয়েছে ইডির তরফে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়নীকে আয়কর জমা দেওয়ার ফাইল এবং সম্পত্তির হিসাব নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। যুবনেত্রীর যত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার তথ্য এবং লেনদেনের নথিও নাকি আনতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১১ ঘণ্টা ইডির জেরা! নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বুধবার ফের তলব সায়নীকে

    কুন্তলরে টাকায় ফ্ল্যাট?

    দক্ষিণ কলকাতায় অভিজাত এলাকায় সায়নীর (Saayoni Ghosh) একটি ফ্ল্যাট আছে। কমবেশি ৮০ লক্ষ টাকার ওই ফ্ল্যাট কিনতে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কিনেছেন বলে দাবি করেন সায়নী। ফ্ল্যাটটি বুক করতে তাঁকে সেভিংস ভেঙে বাকি ২০ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে বলেও তাঁর দাবি। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ২০ লক্ষ টাকা তিনি কুন্তলের থেকে পেয়েছিলেন। ইডি সূত্রের খবর, সেই অভিযোগ সায়নী অস্বীকার করেন। এই জন্যই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি, ঋণ সংক্রান্ত নথি দেখতে চান ইডির আধিকারিকরা। সেদিন সায়নীর কাছে সেই নথি ছিল না। আজ সেই নথি নিয়েই ইডি দফতরে যেতে হবে সায়নীকে। 

    প্রচারের বাইরে সায়নী

    গত মঙ্গলবার, অর্থাৎ ২৬ জুন পূর্ব বর্ধমানে ভোট প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। সেই সময় তিনি জানতে পারেন যে, তাঁকে শুক্রবার ডাকা হয়েছে। কলকাতায় রাতে ফিরে তিনি বুধবার সকালে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান বলে জানা যায়। পরের দুদিন কার্যত তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি পুরো লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে তাঁর দলের লোকেরাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কৌতুহল জাগে যে আদৌ সায়নী ইডি দফতরে হাজিরা দেবেন তো! সব জল্পনাকে সরিয়ে সায়নী অবশ্য শুক্রবার সশরীরে তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হন।

    আজ হাজিরা দেবেন কি?

    সমন পাওয়ার পর থেকে সেই প্রথমবার সায়নীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। আবার গভীর রাতে, ইডি দফতর ছাড়ার সময় তাঁর দেখা মেলে। আবার তিনি চলে যান অন্তরালে। এবার অবশ্য, যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন করেননি। গতকাল, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতে দলের হয়ে পঞ্চায়েতের প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা ছিল সায়নীর (Saayoni Ghosh)। প্রচার তালিকায় তাঁর নামও ছিল। কিন্তু, তিনি দলকে জানিয়েছেন যে, তাঁর মা হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সেই কারণেই তিনি প্রচারে যেতে পারছেন না। এরপরই, সায়নীর আজকের হাজিরা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি আজ সশরীরে হাজিরা দেবেন নাকি আইনজীবী মারফৎ নথি পাঠাবেন? যদিও, এর আগের দিন সায়নীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘৫ জুলাই আবার যাব। সশরীরেই হাজিরা দেব। যতবার ডাকবে ততবার যাব।’’ তবে, ইডি সূত্রে দাবি, সায়নী নিজে না আসতে পারলে তা লিখিতভাবে তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার সায়নী ঘোষকে তলব ইডির, শুক্রবার হাজিরার নির্দেশ

    Saayoni Ghosh: নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার সায়নী ঘোষকে তলব ইডির, শুক্রবার হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ফের একবার নাম জড়াল টলিউডের। এবার যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে (Saayoni Ghosh) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইতিমধ্যেই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার অর্থাৎ ৩০ জুন, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে সায়নীকে। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম উঠে এসেছে। এই বিষয়ে তথ্য জানতে শাসক দলের যুব নেত্রীকে তলব করা হয়েছে।

    কী জানা গিয়েছে?

    সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ধৃত কুন্তল ঘোষের সম্পত্তি সংক্রান্ত তদন্তে উঠে আসে সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) নাম। এই সম্পত্তি কেনাবেচাতেও নাম জড়িয়েছে সায়নীর। সম্পত্তি কেনাবেচার সূত্রে আর্থিক লেনদেনের হদিশ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়েছে অভিনেত্রীর কাছে। ইডি সূত্রে খবর, শুক্রবার অভিনেত্রীকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ আর্থিক লেনদেনের যাবতীয় নথি নিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “টাকা লেনদেনের ক্লাসিক কেস, হাওলায় টাকা পাচার হয়েছে”, কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে বলল ইডি

    আর কী তথ্য উঠে এসেছে?

    ইডি সূত্রে আরও খবর, জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি, তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তলের সঙ্গে হওয়া সায়নীর (Saayoni Ghosh) বেশ কিছু কথোপকথনও গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। জানা যাচ্ছে, কুন্তলের মোবাইল থেকে সেই তথ্য উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। এর সঙ্গে, জেরার সময় কুন্তলের মুখে সায়নীর নাম উঠে আসে বলেও ইডি সূত্রে খবর। এছাড়া, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কুন্তলের সঙ্গে সায়নীর ছবি প্রকাশ পায়। এর থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়, দুজনে একে-অপরকে চিনতেন। 

    আগেও উঠে এসেছে টলি-যোগ

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এর আগেও টলি-যোগ উঠে এসেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে কুন্তলের সঙ্গে পরিচিতি থাকায় ইডির নজরে এসেছিলেন বনি সেনগুপ্ত। কুন্তলের টাকায় গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। তা নিয়ে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। আবার, কুন্তল ‘ঘনিষ্ঠ’ সোমা চক্রবর্তীর নেল পার্লারে মডেলিংয়ের কাজ করেছিলেন বনির বান্ধবী তথা টলি অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। এবার উঠে এল সায়নী ঘোষের নাম। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত সায়নীর (Saayoni Ghosh) তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই! কোন মামলায়?

    Recruitment Scam: এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই! কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি কাণ্ডে এবার প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই। আগামী সোমবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে সংস্থার দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন কুন্তল?

    নিয়োগ কাণ্ডে (Recruitment Scam) বর্তমানে প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, জেল হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন কুন্তল। তাঁর চিকিৎসা এবং হাসপাতালে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে জেল চিকিৎসকের কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে। এর আগে, এই বিষয়ে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার জেল চিকিৎসককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই।

    জেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ

    ইতিমধ্যেই, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি জেলের ভিতরে কুন্তল ঘোষের গতিবিধি জানতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই। সেই কথা শুক্রবারই হাইকোর্টের শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার এজলাসে সিবিআই জানিয়েছে। এবার সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে। সেই আবহে, জেল চিকিৎসককে তলব করার বিষয়টি বাড়তি মাত্রা পেয়েছে। 

    কুন্তলের ‘বিতর্কিত’ চিঠি

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৯ মার্চ ধর্মতলায় শহিদ মিনারের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র, কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঠিক এর পরই, নিয়োগকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ নিম্ন আদালতের বিচারক এবং হেস্টিংস থানাকে সরাসরি চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে চাপ দিচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলতে।

    চিঠিকাণ্ডে জেরা অভিষেককে

    এই চিঠি লেখার ঘটনাটি উত্থাপন করে মামলার শুনানির সময় (Recruitment Scam) হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিবিআই। তার প্রেক্ষিতে, সিবিআইকে পৃথক এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলেও জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই নির্দেশ বহাল রাখেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হাও। যার প্রেক্ষিতে গত ২০ মে, অভিষেককে নিজাম প্যালেসে ডেকে সাড়ে ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ ইডি দফতরে হাজিরা অভিষেকের, না গেলে কী পদক্ষেপ?

    Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ ইডি দফতরে হাজিরা অভিষেকের, না গেলে কী পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Teacher Recruitment Scam) আজ, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা সংক্ষেপে ইডি। গত সপ্তাহে হাজিরার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল সাংসদকে। সরাসরি, কালীঘাটের বাড়ির ঠিকানায় গিয়েছিল সেই চিঠি। কিন্তু, সংবাদমাধ্যমে অভিষেক জানিয়েছিলেন, তিনি পঞ্চায়েত ভোটের আগে ইডি দফতরে যেতে পারবেন না। আইনজীবী মারফত তা জানিয়ে দেবেন ইডিকে। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, হাজিরা না দেওয়ার বিষয়টি এখনও মেল করে বা চিঠি দিয়ে ইডি-কে জানাননি অভিষেক। ফলে, আজ অভিষেকের হাজিরা দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

    অভিষেক না এলে কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    ইডি সূত্রের খবর, সোমবার বিকেল পর্যন্ত অভিষেকের (Abhishek Banerjee) তরফে তাদের কাছে সরকারিভাবে কোনও জবাব আসেনি। সেই কারণে ইডির আধিকারিকরা ধরে নিচ্ছেন, মঙ্গলবার তৃণমূল নেতা হাজিরা দেবেন। সেটা মাথায় রেখেই ইডির অফিসাররা প্রশ্নমালা তৈরি রাখছেন। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় অবধি অপেক্ষা করেও যদি অভিষেকের বা তাঁর তরফে কোনও উত্তর না আসে, সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় বার অভিষেককে নোটিস পাঠাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপাল নিযুক্ত অন্তবর্তীকালীন উপাচার্যদের বেতন ও ভাতা বন্ধের নির্দেশ রাজ্যের

    চেয়ে পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মন্তব্যের ফুটেজ?

    ইডি সূত্রে আরও খবর, বৃহস্পতিবার অভিষেকের (Abhishek Banerjee) করা এমন মন্তব্যের অসম্পাদিত ভিডিও ফুটেজ চেয়ে পাঠানো হয়েছে ইডির দিল্লি সদর দফতরের তরফে। ফুটেজ চাওয়া হয়েছে ইডির পূর্বাঞ্চলীয় কলকাতা দফতরের কাছে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, অভিষেকের মন্তব্য ভালো ভাবে নেয়নি তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলা একটা পর্যন্ত ইডির অফিসাররা অপেক্ষা করবেন। তার মধ্যে তিনি না এলে দিল্লির কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করা হবে। ইডির পদস্থ কর্তারা আইনি পরামর্শও নিয়ে রাখছেন। সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত অভিষেকের জিজ্ঞাসাবাদ মুলতুবি রাখতে রাজি নন তদন্তকারীরা। সে ক্ষেত্রে অভিষেক হাজিরা না দিলে আদালতকে জানানো হবে কি না সেই ব্যাপারেই আইনজীবীদের পরামর্শ চাইবেন ইডি আধিকারিকরা।

    গত সপ্তাহেই কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। রুজিরা ইডি দফতর থেকে বেরনোর পরই তলব করা হয় অভিষেককে। এর আগে, গত ২০ মে প্রায় দশ ঘণ্টা অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে জেলবন্দি বহিষ্কৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের চিঠির সূত্রে অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: গ্রেফতারের আগে ‘কালীঘাটের কাকু’-র ওপর ৭ মাস নজর রাখেন গোয়েন্দারা!

    Kalighater Kaku: গ্রেফতারের আগে ‘কালীঘাটের কাকু’-র ওপর ৭ মাস নজর রাখেন গোয়েন্দারা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগকাণ্ডে ধৃত ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে বুধবার ১৪ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে ব্যাঙ্কশাল আদালত। শুনানিতে সুজয়কে নিজেদের হেফাজতে চাওয়ার সময় ইডি আদালতকে জানায়, গ্রেফতার এখন করা হলেও, ‘কালীঘাটের কাকু’-র ওপর দীর্ঘদিন নজর রাখা হচ্ছিল। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি দাবি করেন, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে নিয়োগের বিষয়ে নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট করতেন ‘কালীঘাটের কাকু’। তিনিই ঠিক করে দিতেন কে চাকরি পাবেন, কে পাবেন না, তাও।

    ইডি-র অভিযোগ, তাপস মণ্ডলের মুখে এই সুজয়ের নাম প্রথম শোনা গিয়েছিল। গোপাল দলপতিও ‘কালীঘাটের কাকু’র (Kalighater Kaku) নাম করেছিলেন। নিয়োগকাণ্ডে অপর ধৃত কুন্তল ঘোষ থেকে শুরু করে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ও কালীঘাটের কাকু-র নাম করেছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, এদের দাবি ও পেশ করা তথ্যের ভিত্তিতে সুজয়কৃষ্ণকে জেরা করা হলে, তিনি যাবতীয় প্রমাণ অস্বীকার করেন। প্রতি ক্ষেত্রেই তিনি জবাব এড়িয়ে গিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সুজয়কৃষ্ণ গ্রেফতারের পর কোন বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনলেন শুভেন্দু?

    ইডি-র দাবি, বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল দাবি করেছিলেন, ২০১৪ সালের টেটে কয়েকজন অবৈধ প্রার্থীর চাকরির জন্য তিনি সুজয়কে ৭০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। তাঁর কথাতেই আরও ১০ লক্ষ টাকা দেন পার্থকেও। আরেক ধৃত তাপস মণ্ডলও দাবি করেছেন, ৩২৩ জন টেট প্রার্থীর তালিকা সুজয়কে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর কাছ থেকে সেই তালিকা পাঠানো হয় মানিকের কাছে। এখন সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করছেন সুজয় ওরফে কাকু (Kalighater Kaku)।

    ইডি-র আরও অভিযোগ, সুজয় একাধিক তথ্য গোপন করার চেষ্টা করছেন। সুজয় তাঁর বয়ানে দাবি করেছেন, তিনি মানিককে ২০২১ সালের আগে চিনতেন না। কিন্তু তদন্তে ইডির হাতে এসেছে অন্য তথ্য। মানিকের হোয়াটস্‌অ্যাপ কথোপকথন ঘেঁটে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা দেখেছেন, তাঁর সঙ্গে সুজয়ের যোগাযোগ রয়েছে অন্তত ২০১৮ সাল থেকে। ইডি-র দাবি, গ্রেফতার এখন করা হলেও, ৭ মাস ধরে সুজয়ের (Kalighater Kaku) ওপর নজর রাখছিলেন গোয়েন্দারা। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করছিল ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘কাকু-জেঠুর পর এবার হয়তো পিসি-ভাইপোর সময় আসছে’’! খোঁচা দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: ‘‘কাকু-জেঠুর পর এবার হয়তো পিসি-ভাইপোর সময় আসছে’’! খোঁচা দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে মঙ্গলবার রাতে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে ইডি গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। একদিকে যেমন ট্যুইটে বোমা ফাটিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, তেমনই রাজ্যের শাসক দলকে খোঁচা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

    ঠিক কী বলেছেন দিলীপ?

    বুধবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। সেখানেই তিনি ‘কালীঘাটের কাকু’-র গ্রেফতারির প্রসঙ্গ টেনে নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘কাকু হল, জেঠু হল। এবার হয়তো পিসির সময় আসছে। ভাইপোও আছে।’’ সঙ্গে সংযোজন করেন, ‘‘কান টানলে মাথা আসে। কান টানাটানি শেষ। এবার হয়তো মাথা আসবে।’’ বিজেপি সাংসদের দাবি, ‘‘অনেক দিন ধরে খেলিয়ে এবার মাছ তুলছে সিবিআই।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘কালীঘাটের কাকু’র সহযোগীদের চিনে নিন’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর, রয়েছে কাদের নাম?

    ‘‘যারা ধরা পড়ছে তারা হ্যান্ডলার’’!

    প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়েও মুখ খোলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ‘‘পার্থ মন্ত্রী ছিলেন। নিজের মতো একটা চ্যানেল তৈরি করেছিলেন। সেখানে কিছু লোক ছিল। পার্থর সঙ্গে দলের তেমন সম্পর্ক ছিল না।’’ দিলীপের মতে, এখন যারা ধরা পড়ছে, তারা সকলে হ্যান্ডলার। তিনি বলেন, ‘‘কিন্তু এখন যারা ধরা পড়ছে, তারা হচ্ছে ডাইরেক্ট পার্টির লোক। এখন যারা ধরা পরেছে, তারাই আসল কিংপিন। এরা হ্যান্ডলার। এরাই লোক টেনে আনত। এরাই টাকা তুলত। টাকা বিনিয়োগ করত। টাকা পৌছে দিত। তথ্য খোঁজা হচ্ছিল। সেই তথ্য সিবিআই ইডির হাতে এসেছে। আমার মনে হয় এবার রাস্তা পুরোপুরি খুলে যাবে।’’

    গ্রেফতার ‘কালীঘাটের কাকু’

    এখানে বলে দেওয়া প্রয়োজন, মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ‘কালীঘাটের কাকু’র ভূমিকা জানতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। সকাল ১১টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছে যান। তারপর থেকেই সুজয়কৃষ্ণকে জেরা চালাতে থাকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন জেরার পর অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। আজ, বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। তাঁর হেফাজত চাইতে পারে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share