Tag: SSC Recruitment

SSC Recruitment

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্নর চার দিনের সিবিআই হেফাজত

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্নর চার দিনের সিবিআই হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়কে চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিশেষ আদালত। ৯ সেপ্টেম্বর আবার হাজিরা দেওয়ার কথা প্রসন্নর। ২৬ অগস্ট নিউটাউন থেকে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন প্রসন্ন কুমার রায়। শিক্ষা দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত এসএসসি-র (SSC Scam তৎকালীন উপদেষ্টা শান্তি প্রসাদ সিনহা এবং মিডলম্যান প্রদীপ সিং-কে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিউ টাউনের এই কোটিপতি প্রসন্ন রায়ের হদিশ পায় সিবিআই (CBI custody)। সেই মতোই তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ।

    আরও পড়ুন: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    সোমবার, সকালে তাকে সিবিআইয়ে বিশেষ আদালতে তোলা হলে আদালতের তরফে তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়নি। সিবিআইয়ের আইনজীবী তাঁকে আরও  জিজ্ঞাসাবাদ করার আর্জি জানায়। আদালতে সিবিআইয়ের তরফে বলা হয়, এসএসএসি নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত রয়েছে। বহু টাকার বেআইনি লেনদেন হয়েছে। তদন্তে উঠে আসছে অনেকের নাম। কয়েকজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। তাই তাঁরা আরও পাঁচদিনের জন্য প্রসন্নকে নিজেদের হেফাজতে চায়। এমনকি প্রসন্ন রায় তদন্তে সহযোগিতা করছেন না বলেও সিবিআইয়ের তরফে অভিযোগ করা হয়। সিবিআইয়ের আর্জি মেনে আদালত প্রসন্নকে চারদিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়।

    আরও পড়ুন: অর্পিতার মতো প্রসন্নরও রয়েছে ফিল্মি-যোগ? পার্থ-ঘনিষ্ঠদের ‘অপ’-কর্মেও মিল!

    অভিযোগ, সল্টলেকে প্রসন্নর একটি গাড়ি ভাড়ার অফিস রয়েছে। সূত্রের খবর, এই অফিস থেকেই নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের একাধিক তথ্য এবং নথি উদ্ধার করেছে। সিবিআই গোয়েন্দাদের দাবি, এই অফিসেই বসেই নাকি হত এসএসসি কাণ্ডের টাকার লেনদেন।  তদন্ত করে সিবিআই জানতে পেরেছে, প্রায়ই রাতে একাধিক গাড়ি করে আসত টাকা। সেই টাকা কোথা থেকে আসত, কে পাঠাত, কোথায় যেত, কার কাছে যেত— এই সব প্রশ্নের উত্তর বিশদে জানতে প্রসন্নকে আরও কিছুদিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইছে সিবিআই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Partha Chatterjee Aide: অর্পিতার মতো প্রসন্নরও রয়েছে ফিল্মি-যোগ? পার্থ-ঘনিষ্ঠদের ‘অপ’-কর্মেও মিল!

    Partha Chatterjee Aide: অর্পিতার মতো প্রসন্নরও রয়েছে ফিল্মি-যোগ? পার্থ-ঘনিষ্ঠদের ‘অপ’-কর্মেও মিল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী। আরেক ঘনিষ্ঠ প্রযোজক! এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (SSC Recruitment Scam) জেল হাজতে থাকা তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) এক ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) সঙ্গে ফিল্মি জগতের যোগ সকলেরই জানা। হরিদেবপুর (Haridevpur) ও বেলঘরিয়ায় (Belghoria) অভিনেত্রী-মডেল অর্পিতার জোড়া ফ্ল্যাট থেকে নগদ ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই তিনি রয়েছেন শ্রীঘরে।

    ইতিমধ্যেই, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছে এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ২ মিডলম্যানও। একজন হলেন প্রদীপ সিং, অপরজন প্রসন্নকুমার রায় (Prasanna Kumar Roy)। এরমধ্যে সিবিআই সূত্রে দাবি, সম্পর্কে পার্থর ভাগ্নী-জামাই প্রসন্নর সঙ্গেও নাকি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Kolkata Film Industry) যোগসূত্র রয়েছে। অন্তত এমনটাই দাবি করছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, একসময় সিনেমা প্রযোজনাও করেছিলেন এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-র ধৃত মিডলম্যান প্রসন্নকুমার রায়।

    আরও পড়ুন: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    হেফাজতে প্রসন্নকে যত জেরা করছেন তদন্তকারীরা, ততই যেন তাঁর নিত্য-নতুন সম্পত্তির রহস্য উদঘাটিত হচ্ছে। এমনিতেই, তদন্তে উঠে এসেছে যে, সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে স্রেফ পার্থর ‘প্রসন্নতায়’ বৈভবের চূড়ায় পৌঁছেছেন প্রসন্ন। এবার তাঁর আরও সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। 

    সিবিআই সূত্রে দাবি, প্রসন্নকুমারের একাধিক ফ্ল্যাটের মধ্যে রয়েছে আইডিয়াল ভিলা, হাওড়ার গাদিয়াড়ায় চলন্তিকা রিসর্ট–সহ নানা সম্পত্তি। প্রায় দশ বিঘা জমির উপর তৈরি হয়েছে চলন্তিকা রিসর্ট। হোটেলটি মূলত থ্রি স্টার। আবার টাইলস কারখানার খোঁজ মিলল তাঁর নামে। ২০১৫–১৬ সালে বাগনানে ১২ কোটি টাকা দিয়ে এই টাইলস কারখানা কেনেন। ওই কারখানাটি ৩০ বিঘা জমির উপর তৈরি।

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান

    সিবিআই সূত্রে খবর, প্রসন্নকে জেরা করে অযোগ্যদের নিয়োগ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে যে, প্রসন্নই তৈরি করতেন অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। তারপর সেটি প্রদীপ সিংয়ের হাত ধরে পৌঁছে যেত এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছে।

    আবার, এই প্রসন্ন-ঘনিষ্ঠ এক পার্শ্বশিক্ষকও রয়েছেন সিবিআই রেডারে। আব্দুল আমিন নামে ওই ব্যক্তি পাথরঘাটা স্কুলের সহকারি শিক্ষক। ২০১৬ সালে পাথরঘাটা এলাকায় প্রাসাদোপম বাড়ি নির্মাণ করেন আমিন। সূত্রের খবর, বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১.৫ কোটি টাকা। কিন্তু ১০ হাজার টাকার চাকরি করে কীভাবে এত বড় বাড়ি বানিয়েছেন আমিন? তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। 

    তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সাল থেকে পাথরঘাটা হাই স্কুলের প্যারা টিচার হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সূত্রেই কোনওভাবে প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা হয়। অভিযোগ, কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমিনও একাধিক ব্যক্তির চাকরি করিয়ে দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ১১৩টি চাকরি তিনি টাকার বিনিময়ে করিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • SSC Recruitment Scam: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    SSC Recruitment Scam: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে (SSC Recruitment Scam) যত তদন্ত এগোচ্ছে, ততই এক-এক করে রহস্য ফাঁস হচ্ছে। ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়ছে এক এক করে বেড়াল। কয়েকদিন আগেই, এই মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ এক মিডলম্যান প্রদীপ সিংকে (Pradip Singh) গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এবার সেই প্রদীপকে জেরা করে মেলা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার আরেক মিডলম্যান প্রসন্ন কুমার রায়কে (Prasanna Roy) শুক্রবার সন্ধেয় সল্টলেক থেকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    কে এই প্রসন্ন রায়? সিবিআই সূত্রে খবর, প্রদীপের মতো ধৃত প্রসন্নও পার্থর ‘ঘনিষ্ঠ’। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে, সম্পর্কে তিনি নাকি পার্থর ভাগ্নি-জামাইও। কেন সিবিআইয়ের নজরে এলেন প্রসন্ন? সল্টলেকে প্রসন্নর একটি গাড়ি ভাড়ার অফিস রয়েছে। সূত্রের খবর, এই অফিস থেকেই নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের একাধিক তথ্য এবং নথি উদ্ধার করেছে। সিবিআই গোয়েন্দাদের দাবি, এই অফিসেই বসেই নাকি হত এসএসসি কাণ্ডের টাকার লেনদেন। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান

    সূত্রের দাবি, মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা থেকে যে সব নিয়োগ হয়েছে, সেই সব চাকরি প্রার্থীদের থেকে টাকা নেওয়ার কাজ চলত সেখান থেকেই। তদন্ত করে সিবিআই জানতে পেরেছে, প্রায়ই রাতে একাধিক গাড়ি করে আসত টাকা। সেই টাকা কোথা থেকে আসত, কে পাঠাত, কোথায় যেত, কার কাছে যেত— এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে প্রসন্নকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইছে সিবিআই। 

    ইতিমধ্যেই, প্রসন্নর উল্কার বেগে উত্থানের কাহিনী শুনে রীতিমতো চমকে উঠেছেন তদন্তকারীরা। সিবিআই সূত্রের খবর, প্রসন্নর এই উত্থান যে কোনও কল্পনাকেও হার মানাবে। কী জানতে পেরেছে সিবিআই? তদন্তে জানা গিয়েছে, কয়েক বছরের মধ্যেই বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠেছেন এই প্রসন্ন। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ এতটাই যে শুনলে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! কয়েক বছর আগে পর্যন্ত সামান্য রং-মিস্ত্রির কাজ করতেন প্রসন্ন। সেখান থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘হাতযশেই’ ফুলেফেঁপে ওঠেন তিনি। সিবিআই জানতে পেরেছে, এখন তিনি দুবাইয়ে হোটেলের মালিক! পরে রঙের ঠিকাদারির ব্যবসা শুরু করেন। তারপর নাকি আচমকা এমন উত্থান! বর্তমানে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার অফিস রয়েছে তাঁর। 

    কী আছে সেই সম্পত্তির তালিকায়? সিবিআই জানতে পেরেছে, সল্টলেক ও নিউটাউন এলাকায় একাধিক সম্পত্তি রয়েছে এই প্রসন্নর। নিউটাউনের বলাকা আবাসনে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। নিউটাউনে অন্তত পাঁচটি বাগান বাড়ি রয়েছে তাঁর। কলকাতার লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় একটি অভিজাত ভিলা রয়েছে প্রসন্নর— বিশাল ভিলা, সামনে বাগান একেবারে চোখ ধাঁধানো। 

    আরও পড়ুন: এবার পার্থর পকেটেও কাট ছাঁট! জানেন কত হল প্রাক্তন মন্ত্রীর এখনকার বেতন?

    এছাড়া, রাজারহাটের ধারসাইতে তাঁর তিন তলা বাগান বাড়ির হদিশ মিলেছে বলেও সূত্রের খবর। এ ছাড়া একাধিক জমির খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই বাগান বাড়িতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় একাধিক বার গিয়েছেন বলেও সিবিআই সূত্রে দাবি৷ সিবিআই সূত্রে খবর, রাজ্যের চারদিকে যেমন— দিঘা, সুন্দরবন, জঙ্গলমহল, উত্তরবঙ্গে রিসর্ট রয়েছে প্রসন্নর। বেশ কয়েকটি চা বাগানেরও মালিক তিনি। উত্তরবঙ্গে তাঁর নামে কয়েক বিঘা জমিরও তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। হোটেল ব্যবসা রয়েছে পুরী, উত্তরাখণ্ডেও। এমনকী দুবাইতেও তাঁর হোটেল রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। 

    প্রশ্ন হচ্ছে, একজন রঙের ঠিকাদারের এত বিপুল সম্পত্তি, এত বৈভব কী ভাবে হল? তাহলে কি নিয়োগ দুর্নীতির টাকার সঙ্গে এই বিপুল সম্পত্তির যোগ রয়েছে? এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। কীভাবে একের পর এক হোটেলের মালিক হলেন প্রসন্ন? তাঁর আয়ের উৎস কী? এই সব প্রশ্নের উত্তরই জানতে চাইছে সিবিআই। তদন্তকারীদের অনুমান, প্রসন্ন ও প্রদীপ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা কীভাবে ঘুরপথে সাদা করা যায়, সেই কাজই চালাত এই দুই ধৃত মিডলম্যান। অযোগ্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসএসসি-র নিয়োগ কর্তাদের সঙ্গে যোগযোগা করতেন প্রদীপ।

    সিবিআই জানতে পেরেছে, শান্তিপ্রদসাদের ফোনে প্রদীপ সিং-র নাম ছোটু বলে সেভ করা ছিল। প্রদীপের ডাক নাম ছোটু। দুজনের কখোপকথনও হোয়াটসআপে পাওয়া গিয়েছে। প্রদীপ সিংকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার প্রসন্নকেও হেফাজতে চাইবে সিবিআই। সূত্রের কবর, হেফাজতে নেওয়ার পর প্রদীপ ও প্রসন্ন দু’জনকেই মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে এসএসসি দুর্নীতির অনেক প্রশ্নের উত্তরই মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে মঙ্গলবার দিনভর শহরের মোট ৬টি জায়গায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার সকালেই ফের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে ইডি (ED) আধিকারিকদের চারটি দল অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। একটি দল যায় গড়িয়াহাট (Gariahat) এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road)। দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ (Madurdaha) এবং তৃতীয় দল বরানগরে (Baranagar) যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে (Patuli)। 

    দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis) নামের অভিজাত আবাসনে অভিযান চালায় ইডি-র একটি দল। ইডি সূত্রে খবর, ওই আবাসনের ছ’নম্বর ব্লকের ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও খাতায়কলমে ফ্ল্যাটটি অন্য এক ব্যক্তির নামে। ইডি সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটটি ওম ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত করা আছে। 

    তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, কলকাতার কোনও এক নামজাদা শিল্পপতির কাছ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এই ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ২০১৫-১৬ সাল নাগাদ, যে সময়ে তিনি আসীন ছিলেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রীর পদে। দক্ষিণ কলকাতার এই বন্ধ ফ্ল্যাটটিতেও কোটি কোটি টাকা লুকিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    দীর্ঘ চেষ্টা করেও ঝুনঝুনওয়ালা নামে সেই ব্যক্তির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের খবর। স্বাভাবিকভাবেই ইডি এখন তাঁর খোঁজ শুরু করেছে। ওই ফ্ল্যাট বেনামে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছে, কয়েকমাস ধরে তালাবন্ধ ওই ফ্ল্যাটের মালিক। যদিও ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সূত্রে পণ্ডিতিয়া রোডের এই ফ্ল্যাটটি ব্যবহার করতেন অর্পিতা। আপাতত, ফ্ল্যাটটি সিল করে দিয়েছে ইডি।

    এই আবাসনের পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা একাধিক নেল আর্টের (nail art) দোকানে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতা ও পার্থর নামে থাকা বেলঘরিয়ার (Belghoria) ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এই সব নেইল আর্ট শপ সম্পর্কে জানতে পারেন ইডি আধিকারিকরা৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এ দিন ৬টি জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা৷ 

    একটি দল আসে দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে পালকি রেস্টুরেন্টের উল্টো দিকে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারে। এদিন পাটুলির ‘ম্যাজিক টাচ, দ্য নেল প্লেস’ দোকানটিতে অভিযান করেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন সেই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ দাসকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের ধারণা, নেল আর্টের দোকান কিনতে বা ভাড়া নিতে সাহায্য নেওয়া হয়েছিল কাউন্সিলরের। যদিও প্রসেনজিতের দাবি, দোকান কেনা বা লিজের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। তবে কিছু নথিপত্র সম্ভবত পাওয়া গিয়েছে। প্রয়োজনে সেটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যেতে পারেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    পাটুলির পাশাপাশি বরানগর, লেক গার্ডেন্স এবং লেক ভিউ রোডের নেল আর্ট স্টুডিওতেও তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, মাঝে মধ্যেই এই শপগুলিতে যেতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়৷ বরানগর ও লেক ভিউ-র পার্লার থেকেও নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। লেকভিউ পার্লারটি বেশ কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল। দুপুরে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছলেও পার্লার বন্ধ থাকায় তাঁরা অপেক্ষা করতে থাকেন। এরপর পার্লারের ম্যানেজার এসে পার্লারটি খুলে দেন। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথির পাশাপাশি সিসিক্যামেরার হার্ডডিস্কও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। 

    বরানগরে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারেও চলে তল্লাশি। সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে৷ যেগুলি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে৷ সেই সব কাগজগুলিকে কেন্দ্রীয় সংস্থা বাজেয়াপ্ত করেছে৷ তবে, নেইল আর্ট শপগুলিতে কোনও টাকা বা মূল্যবান সামগ্রী এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে৷ 

    অন্যদিকে, মাদুরদহের ওম ভিলা আবাসনেও তল্লাশি অভিযানে যান ইডি-র আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, এখানে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি জমি ছিল। যেখানে কয়েকজন ফ্ল্যাটও কেনেন বলে খবর। সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হয় মাদুরদহে। ফ্ল্যাটের পরিচারিকা এবং কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। একইসঙ্গে কেন্দুয়া মেন রোড সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি।

    আরও পড়ুন: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

  • Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মুখে বলতে শোনা গিয়েছিল, “টাকা আমার নয়…।” রবিবার জোকা ইএসআই (Joka ESI) হাসপাতালের সামনে এই মন্তব্য করেছিলেন এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের (TMC) সাসপেন্ডেড নেতা। এবার মঙ্গলবার, মুখ খুললেন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। আর প্রথমেই করে বসলেন বিস্ফোরক অভিযোগ। 

    আদালতের নির্দেশে এদিন নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থ-অর্পিতাকে নিয়ে আসা হয়েছিল জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানেই মুখ খোলেন তিনি। এতদিন মুখ না খুললেও, প্রকাশ্যে কাঁদতে ও হাত-পা ছুড়তে দেখা গিয়েছে অর্পিতাকে। কিন্তু, এদিন তিনি বললেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে টাকা ঢোকানো হয়েছে’। 

    আরও পড়ুন: পার্থ-অর্পিতার পর এবার কাকে জেরা করতে চলেছে ইডি, জানেন?

    এদিন সাংবাদিকরা অর্পিতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, টাকা কার? জবাবে তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং আমার অজান্তে এই টাকা ঘরে ঢোকানো হয়েছে।” অর্থাৎ তাঁর ডায়মন্ড সিটি ও বেলঘরিয়ার ক্লাব টাউনের ফ্ল্যাট থেকে যে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে তা তাঁর অজ্ঞাতসারে সেখানে কেউ বা কারা ঢুকিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করলেন অর্পিতা।

    এর আগে জেরা চলাকালীনও অর্পিতা একই কথা জানিয়েছিলেন। ইডি সূত্রের খবর, অর্পিতা জানিয়েছিলেন, বন্ধ ঘরে প্রবেশাধিকার ছিল না তাঁর। উল্লেখ্য, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১ কোটি টাকা। আর বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ২৯ কোটি টাকা এবং সোনা পেয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের হয়ে প্রচার অর্পিতার, প্রকাশ্যে ছবি, এর পরেও অস্বীকার করবে শাসক দল?

    আগের দিন যখন জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থবাবুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময়ে টাকার ব্যাপারে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার টাকা নয়।’ এবার একই কথা বললেন অর্পিতাও। অর্থাৎ, দু’জনের দু’দিনের বয়ান অনুযায়ী, অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া টাকা পার্থর নয়, অর্পিতারও নয়। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে টাকাটা কার? যদিও, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর এদিন দেননি অর্পিতা।

  • Partha Chatterjee: এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    Partha Chatterjee: এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Aprita Mukherjee)। দুর্নীতি কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মোট নগদের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি। সোনা উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ কোটি মূল্যের। বৈদেশিক মুদ্রা ৫৮ লাখ টাকার। এছাড়াও প্রচুরও নামে-বেনামে জমি, ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি, কোম্পানিরও হদিশ মিলেছে। সেগুলিও রয়েছে ইডি-র নজরে।

    এখন তদন্তের জালকে এখন আরও গভীরে নিয়ে যেতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। পার্থ-অর্পিতাকে (Partha-Arpita) জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখন তদন্তের গতিপ্রকৃতি আরও বিস্তৃত করতে চাইছে ইডি (ED)। বিশেষ করে, এই দুর্নীতির সঙ্গে হাওয়ালা-যোগ কতটা জড়িয়ে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। 

    এই মর্মে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ৩টি অ্যাকাউন্ট সিজ করে ইডি। শনিবার পার্থ-অর্পিতার একাধিক ভুয়ো সংস্থার ৮টি অ্যাকাউন্ট সিজ করা হয়েছে। পার্থ-অর্পিতা এবং তাঁদের অত্মীয়দের অ্যাকাউন্টেরও খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এই অ্যাকাউন্টগুলিতে বিভিন্ন সময়ে বেআইনি টাকা পাঠানো হয়েছে। এমনকী হাওয়ালার মাধ্যমেও বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। কারণ, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা যে ভাবে শক্তপোক্ত খামে ভরে ‘স্কচ টেপ’ দিয়ে প্যাক করা ছিল, তা যে সচরাচর হাওয়ালায় পাচারের জন্য করা হয়, সেটাও গোয়েন্দারা বুঝেছেন। 

    আরও পড়ুন: এবার ইডি-র নজরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে থাকা পার্থ-অর্পিতার একাধিক জমি?

    এই প্রেক্ষিতে ইডি জানতে পেরেছে, বারাসাতের এক নামী টেক্সটাইল সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। বারাসাত ছাড়াও, ওই সংস্থার আরেকটি তিনতলা মল রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র গড়িয়াহাটের (Gariahat) কাছে হিন্দুস্তান পার্কে (Hindustan Park)। সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল ওই সংস্থার। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার (Naktala) পুজোতে বিপুল অঙ্কের টাকা দিত বলে জানা গেছে। আবার ওই সংস্থার একাধিক অনুষ্ঠানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। ইডি জানতে পেরেছে, এই সংস্থা থেকে প্যাকেট প্যাকেট দামী শাড়ি কিনে আনতেন পার্থ।

    কিন্তু, কেন ইডি-র নজরে এই সংস্থা?

    এই বিপণি সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বেশ ভালো বলে উঠে এসেছে। প্রতিবেশী দেশেও এই সংস্থার মালিকের প্রায়ই আনাগোনা লেগে থাকার খবর মিলেছে। তার প্রমাণ হল, মুজিবর রহমানের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে একটি চটের ব‍্যাগ উন্মোচন করা হয়েছিল ওই বিপণি সংস্থার তরফে। সংস্থার সেই অনুষ্ঠানেও আবার উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ বর্তমানে, অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির আবাসনে ইডির তল্লাশির সময় মিলেছিল সেই ব্যাগ। 

    ইডির গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, একাধিক সময় সংশ্লিষ্ট বিপণি সংস্থায় বিনিয়োগ করতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর এই বিনিয়োগ করার তথ্য সামনে আসার পরেই এই ঘটনায় আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডি-র সন্দেহ, ওই বিপণি সংস্থার মাধ্যমেই বিপুল পরিমাণ টাকা বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হয়েছে৷ 

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    ইডি-র আরও সন্দেহ, টাকার একাংশ দিয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) বেনামে জমি-বাড়ি (Benami properties) কেনা হয়ে থাকতে পারে। ফলে বারাসতের (Barasat) ওই বিপণি সংস্থার সঙ্গে কথা বলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দাদের কাছে৷ শোনা যাচ্ছে, প্রয়োজনে ওই টেক্সটাইল কোম্পানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি।

    এদিকে, এই ঘটনায় তুমুল আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahaman) ছবি উঠে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাটে বিপুল অঙ্কের টাকা পাওয়ার ঘটনায় নড়ে বসেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও (Bnagladesh Intelligennce Agencies)। বস্তুত প্রথম দিন থেকেই পার্থর বাংলাদেশ যোগের তদন্ত শুরু করে দেন সে দেশের গোয়েন্দারা। 

    ইতিমধ্যেই, পার্থ-ঘনিষ্ঠ কয়েক জনকে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা চিহ্নিত করেছেন, সন্দেহ যাঁরা পার্থর স্বার্থে কাজ করেছেন। এই তালিকায় যেমন এক জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার এক জন সদস্য রয়েছেন, রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ‘কাছের লোক’ বলে পরিচয় দেওয়া প্রাক্তন এক সেনাকর্তাও।

  • Arpita Mukherjee: এবার ইডি-র নজরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে থাকা পার্থ-অর্পিতার একাধিক জমি?

    Arpita Mukherjee: এবার ইডি-র নজরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে থাকা পার্থ-অর্পিতার একাধিক জমি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) জোড়া ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে আনুমানিক ৫০ কোটি নগদ টাকা। এছাড়া, কলকাতা ও শহরতলিতে ছড়িয়ে থাকা নামে-বেনামে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠের একাধিক ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এবার ইডি নজরে বিভিন্ন জায়গায় থাকা পার্থ-অর্পিতার জমি (Partha Arpita Land Assets)।

    ইডি (ED) সূত্রে খবর, পার্থ-অর্পিতাকে (Partha Arpita) জেরা করে যেমন কলকাতা ও শহরতলিতে একাধিক ফ্ল্যাটের খবর মিলেছে, তেমনই বেশকিছু জমির তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে কিছু জমি অর্পিতা ও তাঁর আত্মীয়দের নামে রয়েছে। যেমন, শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) ৩টি বাড়ি ও গেস্ট হাউস এখন ইডির নজরে। গোয়ালপাড়, ফুলডাঙা ও উত্তরপল্লিতে এই বাড়ি ও গেস্ট হাউস রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তাঁরা মাঝে মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আসতে দেখেছেন। অপা, ইচ্ছে, তিতলি ও লাবণ্য— শান্তিনিকেতনের কাছে এই ৩টি বাড়ি ও গেস্টহাউসের মালিক কে? তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এদিকে, ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রিয়েল এস্টেট সংস্থার নামেও বেশকিছু জমি কেনা হয়েছিল। অর্পিতার নামে টেক্সটাইল সংস্থার হদিশ মিলেছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া বেশকিছু সোনার বার পাচার করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।  ইডি সূত্রে দাবি, কালো টাকা সাদা করতেই সোনার বারগুলি নগদে কেনা হয়েছিল। কে বা কারা সেগুলি কিনেছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। বেশ কিছু সোনার বার পাচারও হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী। পাশাপাশি, খতিয়ে দেখা হচ্ছে অর্পিতার মোবাইল ফোনের কল ডিটেলস। 

    এরইমধ্যে এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Recruitment Scam) গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিড়ম্বনা বাড়াল পিএইচডি বিতর্ক (Partha PhD Controversy)। অনিয়মের অভিযোগ তোলার পাশাপাশি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পিএইডি গাইড ও কো-গাইডকে বরখাস্তের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক শোরগোল।

    আরও পড়ুন: চাকরির বিনিময়ে সোনা! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় প্রকাশ্যে আরেক ‘রঞ্জন’

  • Partha-Arpita: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    Partha-Arpita: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তদন্তকারী সংস্থা আদালতে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়  (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) মধ্যে ‘যোগাযোগ’ ২০১২ সাল থেকে চলে আসছে। তখন থেকেই দুজন মিলে আর্থিক বোঝাপড়া তখন থেকেই চলছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট (Primary TET) দুর্নীতিতেও। 

    এসএসসি কাণ্ডে পার্থ-অর্পিতার হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করে ইডি (ED)। ভুবনেশ্বর এইমসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলায় ভার্চুয়ালি পেশ করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রীকে। অন্যদিকে, ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি আদালতে সশরীরে হাজির ছিলেন অর্পিতা। সেখানে, পার্থ-অর্পিতার হেফাজতের আবেদন চেয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি পেশ করা হয়।

    ইডি-র তরফে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সূর্যপ্রকাশ ভি রাজু দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অর্পিতা। দু-জনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল।  মন্ত্রীর বাড়ি থেকে অর্পিতার বেশকিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। এমনকি পার্থ ও অর্পিতার এই ‘যুগলবন্দি’ যে ২০১২ সাল থেকে চলছিল, তাও আদালতে জানায় ইডি। তদন্তকারীদের পক্ষের আইনজীবী বলেন, তল্লাশি অভিযানে ২০১২ সালের একটি দলিল মিলেছে, যা থেকে জানা গেছে তাঁরা দু’জনে মিলে একটি জমি কিনেছিলেন।

    আরও পড়ুন: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    শুধু তাই নয়, ইডি-র তরফে আরও বলা হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে গ্রুপ-ডি কর্মীর প্রচুর পরিচয়পত্র এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি উদ্ধার করা হয়েছে। তা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুধুমাত্র গ্রুপ-ডি ও এসএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতিতে নন, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। এর সঙ্গেই, ইডি-র তরফে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় এই মর্মে যে, অবৈধভাবে চাকরি বিক্রির টাকা দিয়ে চলত বিভিন্ন ধরনের আর্থিক তছরুপ কর্মকাণ্ড। 

    ইডি জানিয়েছে, প্রথম থেকেই তদন্তে একেবারেই সহযোগিতা করছেন না মন্ত্রী। উল্টে, একবার ইডি-র তরফে এও দাবি করা হয়, এসএসকেএমে পৌঁছনোর পর একেবারে ‘ডন’-এর মতো আচরণ শুরু করেছিলেন পার্থ। ইডি আধিকারিকদের হুমকি দিচ্ছিলেন। ইডি-র দাবি, তৃণমূল মহাসচিব বলেছিলেন— ‘এটা আমার হাসপাতাল। এখানে আমি যা খুশি করব। যেমন খুশি রিপোর্ট বার করব।’

    আরও পড়ুন: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

  • Arpita Mukherjee: টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়া! অর্পিতার আরেকটি ফ্ল্যাটেও মিলল বিপুল টাকার হদিশ!

    Arpita Mukherjee: টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়া! অর্পিতার আরেকটি ফ্ল্যাটেও মিলল বিপুল টাকার হদিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালিগঞ্জের পর এবার বেলঘরিয়া। ফের ইডি-র হাতে এল ‘কুবেরের ধন’। এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে মিলল বিপুল টাকার হদিশ। টাকা গুনতে মেশিন সমেত এসেছেন ব্যাঙ্ককর্মীরা।

    মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেতে কলকাতার একাধিক জায়গায় একযোগে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেলঘরিয়ার অভিজাত ফ্ল্যাট থেকে কসবায় সংস্থার অফিস— সর্বত্র তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা।

    এদিন দুপুরে রথতলা এলাকায় অভিজাত ক্লাবটাউন হাইটসে পৌঁছে যায় ইডি তদন্তকারী দল। সেখানে রয়েছে অর্পিতার ২টি ফ্ল্যাট। একটি ১১০০ ও আরেকটি ১৪০০ স্কোয়ার ফিটের। ২টি ফ্ল্যাটের একটি রয়েছে ব্লক-২ তে, আরেকটি ব্লক-৫ তে। ২টি ফ্ল্যাটই ছিল  তালাবন্ধ। তালা ভেঙে সেখানে ঢুকে তল্লাশি শুরু করে ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    সূত্রের খবর, দুটি ফ্ল্যাটে আলমারি থেকে শুরু করে একাধিক ওয়ার্ড্রোব ও লকারের সন্ধান পায় ইডি। সেগুলো খুলতেই বেরিয়ে পড়ে টাকার পাহাড়। এখনও পর্যন্ত ইডির তরফে জানানো হয়নি, ঠিক কত পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তবে, চারটি নোট গোনার মেশিন আনা হয়েছে। ফলে, সহজেই অনুমেয়, টালিগঞ্জের মতো এখানেও ‘যক্ষের ধন’ রাখা ছিল। 

    এর আগে, গত শুক্রবার, টালিগঞ্জে অর্পিতার ডায়মন্ড সিটি সাউথের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে সেখান থেকে নগদ ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রায় ৭৯ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না। এছাড়া ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রাও উদ্ধার হয় ফ্ল্যাট থেকে। একেবারে, ২ হাজার ও ৫০০-র নোটের ২ বস্তা ভর্তি বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা উদ্ধার করা হয়। 

    আরও পড়ুন: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় অর্পিতা জানিয়েছেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাড়িটিকে ‘মিনি ব্যাঙ্ক’ হিসাবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু ঘর ভর্তি টাকা থাকলেও সেই ঘরে যেতে পারতেন না তিনি। নিষেধ ছিল মন্ত্রীমশাইয়ের। অর্পিতার দাবি, প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি ১০ দিন অন্তর মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যেতেন। কিন্তু কোনদিনও পার্থ প্রকাশ করেননি যে ওই ঘরে কত টাকা রয়েছে। 

  • Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশমতো ইডি (ED) হেফাজতে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) আজ মেডিক্যাল চেক-আপ (Partha Arpita Medical checkup) করানো হচ্ছে। এর জন্য পার্থ-অর্পিতাকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে (Joka ESI Hospital) নিয়ে গেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য প্যারামিটার পরীক্ষা করা হবে। 

    আদালতের নির্দেশে এর আগে, সোমবার ভুবনেশ্বর এইমস-এ (Bhubaneswar AIIMS) স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় বর্তমান শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিবের। সেখানে মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন এখন ১১১ কিলো। ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ। মন্ত্রীমশাইয়ের রয়েছে ডায়াবেটিস, প্রেসার, থাইরয়েডের সমস্যা। তবে, অসুস্থতা তেমন গুরুতর নয়। ফলে হাসপাতালে ভর্তি করার কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়ি থেকেই নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    এরপরই সোমবার রাতে এসএসসি কাণ্ডে প্রাক্তন শিফামন্ত্রী পার্থ ও অর্পিতাকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই সঙ্গে ইডি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রতি ৪৮-ঘণ্টা অন্তর পার্থ ও অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে। আদালতের নির্দেশে অনুযায়ী, আজ বুধবার, পার্থ-অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। 

    ইডি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নেবুলাইজার দেওয়া হয়। এর জন্য ইডি’র তদন্তকারী অফিসার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে ফোন করে নেবুলাইজার এবং স্লিপ কার্ট ম্যাট্রেস চেয়ে পাঠান। এই বিশেষ ম্যাট্রেসেই ঘুমোন পার্থ।  সেগুলি রাতেই পৌঁছে যায় সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex)। ইডি সূত্রে খবর, ভুবনেশ্বরের এইমস নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট মন্ত্রীর জন্য সুপারিশ করেছিল। সেই মতো মন্ত্রীর বাড়ি থেকে আনানো হয় নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    এদিকে, ভুবনেশ্বর এইমস থেকে পার্থকে ‘ডায়াবেটিক চার্ট’ (Diabetic Diet chart) তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ইডি হেফাজতে খেতে দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। ইডি সূত্রের খবর, সোমবার পার্থকে লাঞ্চে দেওয়া হয় রুটি, ডাল, সবজি, টকদই। সন্ধেয় লিকার চা। রাতে দেওয়া হয় রুটি, তরকারি।

LinkedIn
Share