Tag: ssc scam

ssc scam

  • Arpita Mukherjee: এবার ইডির নজরে অর্পিতার চিনার পার্ক ও নয়াবাদের ফ্ল্যাট! বাজেয়াপ্ত বেশ কিছু নথি

    Arpita Mukherjee: এবার ইডির নজরে অর্পিতার চিনার পার্ক ও নয়াবাদের ফ্ল্যাট! বাজেয়াপ্ত বেশ কিছু নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার পর এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) চিনার পার্ক ও নয়াবাদের ফ্ল্যাটে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নথি। সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। 

    সূত্রের খবর, গতকাল বিকেলের পর একসঙ্গে চারটি জায়গায় হানা দেন ইডি (ED) আধিকারিকরা। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে পঞ্চসায়র থানা এলাকার নয়াবাদে ইডেন রেসিডেন্সির ফ্ল্যাটে চলে তল্লাশি। রাত ১১টা নাগাদ শেষ হয় ইডি-র অভিযান। সূত্রের খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করে তদন্তকারী সংস্থা। আবাসনের এক কর্তা জানান, কয়েক বছর আগে এই ফ্ল্যাট কেনেন পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা, রাতে মাঝেমধ্যে ফ্ল্যাটে আসতেন অর্পিতা। যদিও, ফ্ল্যাটে কখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আসতে দেখা যায়নি বলে দাবি ওই ব্যক্তির।

    আরও পড়ুন: অর্পিতার ২ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার নগদ ৫০ কোটি! এটাই কি ইডি-র সর্বকালীন রেকর্ড?

    অন্যদিকে, ইডি জানতে পারে যে চিনার পার্কের ন’পাড়ার পূর্ব পাড়ায় রয়্যাল রেসিডেন্সির বি ব্লকের চারতলার একটি ফ্ল্যাটের মালিক অর্পিতা। সেখানেও পৌঁছে যায় তদন্তকারী সংস্থা। ওই আবাসনের এক কর্মীর দাবি, ২০২০-র সেপ্টেম্বর থেকে অর্পিতা একটি ফ্ল্যাটের মালিক। চলতি মাস পর্যন্ত ফ্ল্যাটের মেনটেন্যান্স বাবদ বাকি রয়েছে ৩৮ হাজার টাকা। আবাসন কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০১৭ সালে চিনার পার্কের কাছে প্রায় ৯০০ স্কোয়ার ফিটের এই ফ্ল্যাট কেনেন অর্পিতা। কালো রঙের মার্সিডিজে চড়ে ২০১৮-র সালের দুর্গাপুজোর সময় একবার মাত্র এসেছিলেন বলে দাবি আবাসন কর্তৃপক্ষের।

    পাশাপাশি, গতকালই বেলঘরিয়ার ক্লাবটাউনের ২ নম্বর ব্লকের ন’তলায় এইচ-সি ফ্ল্যাটেও হানা দেন ইডি অফিসাররা। জানা গিয়েছে, অসীম সরকারের নামে বুক রয়েছে এই ফ্ল্যাটটি। যদিও ইডি সূত্রের দাবি, ফ্ল্যাটের যোগসূত্র পাওয়া গেছে অর্পিতার সঙ্গে। এর আগে, এই আবাসনের ৫ নম্বর ব্লকের ফ্ল্যাট থেকেই গত পরশু ২৮ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করে ইডি। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার রথতলার ওই ফ্ল্যাটে ২টি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির নথি মিলেছে বলে দাবি ইডি সূত্রের।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামল বিজেপি

  • Partha Chatterjee: ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই, জানিয়ে দিল এইমস

    Partha Chatterjee: ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই, জানিয়ে দিল এইমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) ভর্তি করল না ভুবনেশ্বর এইমস (Bhubaneswar AIIMS)। জানিয়ে দেওয়া হল, ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন মন্ত্রীমশাই। যার চিকিৎসা বাড়ি থেকে সম্ভব। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশমতো এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে এদিন সকালে ভুবনেশ্বর এইমসে পার্থকে নিয়ে পৌঁছয় ইডি (ED) । রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীর বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় সেখানে। এরপর সময় মতোই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ করে ভুবনেশ্বর এইমস। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃণমূল মহাসচিবকে এইমসে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। ফলে, আজই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, এইমসে পৌঁছনোর পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন, উচ্চতা, রক্তচাপ, পালস রেট পরীক্ষা করার পর, তিনি কোনও অসুখে ভুগছেন কি না জানতে চান চিকিৎসকরা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ইসিজি, ইকো, ইউএসজি করা হয়েছে। হার্টের সমস্যা ও কিডনির সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

    বিকেলে ভুবনেশ্বর এইমসের মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়, কিছু ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে বুকে ব্যথাও নেই। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে পার্থর যে সমস্যা রয়েছে তা গুরুতর বিষয় নয়। যা সমস্যা রয়েছে তা বাড়িতে থেকে ওষুধ খেয়ে চিকিৎসা করা যাবে। এখনই কোনওরকম অস্ত্রোপচারের কোনও দরকার নেই। চার সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ, যে ওষুধগুলো পার্থ খাচ্ছিলেন, তা চালিয়ে যেতে হবে। হাসপাতালে ভর্তি করার মতো অবস্থা নয়।

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    পার্থর শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে মেডিক্যাল অফিসার, পার্থর আইনজীবীকে। পাশাপাশি এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলার তদন্তকারী সংস্থা ইডির তদন্তকারী অফিসারকেও পার্থর শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

  • Partha Chatterjee: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    Partha Chatterjee: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল: এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ইডি (ED) গ্রেফাতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবী জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা, এতটাই সঙ্কটজনক যে, মন্ত্রীমশাইকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করতেই হবে। আর এরপরই শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী ও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েই তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁকে আইসিসিইউ-তে (ICCU) ভর্তি করানো হয়। ভর্তির সময়ে তিনি হুইল চেয়ারে বসে হাসপাতালের ভিতরে যান। আবার সোমবার ভূবনেশ্বর যাওয়ার পথে, তিনি হুইল চেয়ারে (Partha Chatterjee wheel chair controversy) বসে সাংবাদিকদের ‘কেমন আছেন পার্থ দা?’ প্রশ্নের উত্তরে বুকে হাত দিয়ে জানান, তিনি ভালো নেই। অর্থাৎ, তিনি কথা বলতে ও শুনতে পাচ্ছেন। তিনি সজ্ঞানে আছেন। আর এতেই বেশ বিস্মিত হচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কার্ডিও-ভাস্কুলার শল্য চিকিৎসক কুণাল সরকারের (Dr Kunal Sarkar) কথায়, “সাধারণ হৃদরোগের সমস্যায় আইসিসিইউ-তে রোগীকে ভর্তি করতে হলে, তাঁর কথা বলা বা ইশারা করার মতো শারীরিক পরিস্থিতি থাকে না। অবস্থা জটিল হলে তবেই রোগীকে আইসিসিইউ-তে দেওয়া হয়। তবে, পার্থবাবুর রিপোর্ট আমি দেখিনি। তাই নিশ্চিত ভাবে উনি কতখানি অসুস্থ বলতে পারব না।” চিকিৎসকরা রোগী মনিটারিংয়ের জন্য অনেক সময় আইসিসিইউ-তে ভর্তি করেন, কিন্তু সেটা কয়েক ঘণ্টাতেই বোঝা যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অবস্থা কতখানি গুরুতর সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে এসএসকেএমের রিপোর্ট কিন্তু বলছে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। স্থিতিশীল হলে কেন আইসিসিইউ-তে ভর্তি সেই উত্তর খুজে পাচ্ছেন না এসএসকেএমের প্রাক্তন ছাত্র ও বর্তমানে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কবিউল হক।

    আরও পড়ুন: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সাধারণত কৃত্রিম অক্সিজেন, স্যালাইন প্রয়োজন হয়। বিশেষত, যে সব রোগীকে আইসিসিইউ-তে রাখার মতো গুরুতর সমস্যা হয়, তখন এই ধরণের প্রয়োজন হয়েই থাকে। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে এসব কিছুই হয়নি। এমনকি আইসিসিইউ রোগীকে স্ট্রেচারে করেই নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ বসে থাকার মতো শারীরিক পরিস্থিতি থাকে না। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে হুইল চেয়ারে বসে থাকা বেশ বিস্ময়কর বলেই তাঁদের মত। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, যে রোগী কথা বলা ও শোনার মতো অবস্থায় আছেন, সজ্ঞানে আছেন। বসতে পারছেন, তাকে আইসিসিইউ-তে ভর্তি রাখার কি প্রয়োজন কতখানি?

    চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, এরপর যদি কোনও সাধারণ রোগী সাধারণ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যান ও দাবি করেন, তাঁকে আইসিসিইউ-তে ভর্তি করাতে হবে, তাহলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সামলাতে পারবে তো? না কি সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি হাসপাতালের এতখানি তৎপরতার প্রয়োজন নেই? 

    আরও পড়ুন: পার্থর শুনানিতে প্রভাবশালী তত্ত্ব, SSKM-এ ডনের মত আচরণ করছেন পার্থ, সওয়াল ইডির

  • Partha Chatterjee: ভুবনেশ্বরের পথে রওনা পার্থর, বিকেলে হাইকোর্টে পেশ মেডিক্যাল রিপোর্ট

    Partha Chatterjee: ভুবনেশ্বরের পথে রওনা পার্থর, বিকেলে হাইকোর্টে পেশ মেডিক্যাল রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশমতো সোমবার সকালে ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরের পথে রওনা দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee। ভুবনেশ্বর এইমসে (Bhubaneswar AIIMS) আজ হবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সেই রিপোর্ট আজই বিকেল চারটের মধ্যে পেশ করা হবে আদালতে।

    এদিন সকাল সাড়ে সাতটায় এসএসকেএম (SSKM) থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীকে নিয়ে রওনা দেয় অ্যাম্বুল্যান্স। সকাল ৮টা নাগাদ বিমানবন্দর পৌঁছয় পার্থর কনভয়। সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ভুবনেশ্বর এইমস-এ। শনিবার, এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলে ব্যাঙ্কশাল আদালত। এরপরই, অসুস্থতার দাবি করেন তৃণমূল মহাসচিব। তখন ইডি-র (ED) প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও পার্থকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    নিম্ন আদালতের নির্দেশে ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শনিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের কাছে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। রবিবার রাতে হওয়া জরুরি শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বার বার এসএসকেএমে ভর্তি হতে চাওয়ার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল ইডি। তদন্তকারীরা জানান, ওই হাসপাতালে গেলে ইডি অফিসারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সহযোগিতা করছে না ইডির সঙ্গে। 

    শুনানিতে উঠে আসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেওয়া নির্দেশের উল্লেখও। এসএসসি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, এসএসকেএমে ভর্তি হওয়া যাবে না। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী পার্থর আইনজীবীকে বলেন, ‘‘এসএসকেএম প্রতিটি প্রভাবশালীর জন্য নিরাপদ জায়গা।’’ বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, এসএসকেএমের মেডিক্যাল রিপোর্টের সাহায্যে তদন্ত প্রক্রিয়া এড়িয়েছেন শাসকদলের নেতারা। সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক উদাহরণ আছে। এপ্রসঙ্গে তিনি নাম নেন মদন মিত্র এবং অনুব্রত মণ্ডলের। 

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশে! ইডি সূত্রে উঠে এল নতুন তথ্য

    শেষে বিচারপতির নির্দেশ, এইমস ভুবনেশ্বরে পার্থর শারীরিক পরীক্ষা করতে হবে। সেখানে কার্ডিয়োলজি, নেফ্রোলজি, মেডিসিন, এন্ড্রোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসক দিয়ে দল তৈরি করে পার্থর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হবে পার্থকে। এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে পার্থর সঙ্গে থাকতে পারবেন তাঁর আইনজীবী ও চিকিৎসক।

  • SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার, ২৫ জুলাই ভোরেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভুবনেশ্বর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে রাজ্যের শিল্প-বানিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। ভুবনেশ্বর এইমসেই হবে তাঁর শারিরীক পরীক্ষা। সেই রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে এসএসকেএমের চিকিৎসকদের রিপোর্ট। বিকেল ৪টের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। ইডি আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষের আইনজীবিদের সওয়ালের পর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরী অন্তর্বর্তী আদেশ অনেকটা এই রকমই।

    এর আগে এসএসকেএমে পার্থর চিকিৎসা নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীর বাদানুবাদ হয় এজলাসে। বিচারপতিও নিজের অবজারভেশনও জানান। ইডির দাবি, এসএসকেএম হাসপাতালে পার্থ ডনের মত আচরণ করছেন। ইডিকে ধমকাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সহযোগিতা করছে না ইডির সঙ্গে।” এরপরই রাজ্যের মন্ত্রী পার্থকে এইমসে চিকিৎসার প্রস্তাব দেয় ইডি। যদিও পার্থর আইনজীবীরা এসএসকেএম হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসার পক্ষে সওয়াল করেন। দীর্ঘ শুনানির পর। অন্তর্বর্তী আদেশ দেন বিচারপতি চৌধুরী।   

    অন্তর্বর্তী আদেশে বিচারপতি চৌধুরী বলেন পার্থর সঙ্গে তাঁর একজন অ্যাডভোকেট ও এসএসকেএমের একজন চিকিৎসক থাকবেন। ভুবনেশ্বরের এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের টিম পরীক্ষা করবেন। চিকিৎসক দলে থাকবেন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, এন্ডোক্রিনোলজির, রেসপিরেটরি মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ভুবনেশ্বর এইমস, বেলা তিনটের মধ্যে তাঁদের রিপোর্টের কপি দেবেন, তদন্তকারী সংস্থার অফিসার, এসএসকেএমের চিকিৎসক ও অভিযুক্তের আইনজীবীর হাতে। তদন্তকারী অফিসার তাঁর সফটকপি পৌঁছে দেবেন কলকাতায় তাঁর আধিকারিকদের কাছে। সোমবার বেলা চারটের সময় ফের স্পেশাল কোর্টে হবে শুনানি। 

    ভুবনেশ্বর থেকেই অভিযুক্তকে ভারচ্যুয়ালি হাজির করতে হবে মহামান্য হাইকোর্টের সামনে। সেই রিপোর্ট দেখে আর দুপক্ষের সওয়াল শুনে পার্থ মামলায় চূড়ান্ত রায় দেবে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিকে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও দাবি করেছিলেন, তিনি অসুস্থ। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, শারীরিক ভাবে সুস্থ অর্পিতা। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা পার্থকেও সুস্থ বলে সার্টিফিকেট দেন। তারপরই তড়িঘড়ি তিনি অসুস্থতার দাবি করে এসএসকেএমে ভর্তি হন। ইডির দাবি নিম্ন আদালত এই বিষয়ে তাঁদের কোন আপত্তিই শোনেনি। এরপরই শনিবার রাতেই জরুরী ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে আপিল করে ইডি।  

     

  • Partha Chatterjee: ফের মুখ ফেরাল এসএসকেএম? অসুস্থ বোধ করায় পার্থকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে, তারপর…

    Partha Chatterjee: ফের মুখ ফেরাল এসএসকেএম? অসুস্থ বোধ করায় পার্থকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বোধ করায় শনিবার বিকেলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে গেল জেল কর্তৃপক্ষ। এদিন চিকিৎসা শেষে এসএসকেএম থেকে ফের প্রেসিডেন্সি জেলেই নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর এসএসকেএম থেকে বেরনোর সময় প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, ‘দলের সাথে আছি, দলের সাথেই ছিলাম’! 

    আরও পড়ুন: হাজারিবাগের হোটেলে পার্থ-ঘনিষ্ঠের খোঁজে তল্লাশি আয়কর দফতরের, কী মিলল জানেন?

    জেল সূত্রে খবর, শনিবার দুপুরে শারীরিক অসুস্থতার কথা জেল কর্তৃপক্ষকে জানান পার্থবাবু। এর পর ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে SSKM হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ পার্থবাবুকে নিয়ে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে রওনা হয় ৩টি গাড়ির কনভয়। চারটে নাগাদ কনভয় পৌঁছয় SSKM হাসপাতালে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পিছনে সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির সামনে গাড়ি থেকে নামানো হয় তাঁকে। গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। জানতে চান শরীর কেমন? জবাবে ক্লান্ত, বিমর্ষ পার্থ বলেন, ‘শরীর ভালো নেই।’ এর পর হুইল চেয়ারে করে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে যান তিনি। হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিছু ক্ষণ পর হাসপাতাল থেকে বার করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে।

    আরও পড়ুন: ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! কেউ ছাড় পাবে না, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় কারা?

    প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রে খবর, প্রাক্তন তৃণমূল মহাসচিবের শরীরের ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম। পা ফুলেছে তাঁর। শরীরে অস্বস্তি রয়েছে। তাই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা ভাবা হয়। এসএসকেএমে তাঁর একাধিক শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। শনিবার বলে অন্যদিনের তুলনায় হাসপাতালে ভিড় কম ছিল। তবুও নিরাপত্তায় ফাঁক রাখা হয়নি। নিরাপত্তার খাতিরে জরুরি বিভাগের পিছনের গেট দিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ঢোকানো হয়। মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিশ।

  • Amartya Sen: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    Amartya Sen: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রাজ্য সরকারের তরফে প্রদান করা হবে বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার (Banga Vibhushan)। রাজ্যের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, এবছর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (Nobel laureate Amartya Sen)  পেতে চলেছেন বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার। 

    কিন্তু, রবিবার, জানা যায়, রাজ্য সরকারের দেওয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ (Nobel winning economist Amartya Sen)। কারণ হিসেবে প্রবীণ অর্থনীতিবিদের পরিবারের তরফে জানানো হয়, বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। এখন দেশে ফিরছেন না অমর্ত্য সেন। তাই তিনি পুরস্কার নিতে পারছেন না। এখানেই শেষ নয়। পরিবারের মাধ্যমে অমর্ত্য আরও জানিয়েছেন, তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এ বার নতুন কাউকে ওই সম্মান দেওয়া হোক।

    যদিও, এই পুরস্কার না নেওয়ার নেপথ্যে অন্য কারণ দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হানায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে বস্তা বস্তা ভর্তি প্রায় ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। সেই টাকা রাখা ছিল শিক্ষা দফতরের খামে মোড়া অবস্থায়। ঘটনায় ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হন পার্থ ও অর্পিতা। 

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    এই ঘটনায় রাজ্য তো বটেই, গোটা দেশে আলোড়ন পড়ে গেছে। তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। এই প্রেক্ষিতে ২ দিন আগেই, রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বঙ্গবিভূষণ মনোনীতদের উদ্দেশে পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করার আবেদন জানিয়েছিলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। একেবারে চিঠি লিখে বিশিষ্টদের কাছে আবেদন করেন সিপিএম নেতা বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার কলুষিত, তাদের দেওয়া সম্মান বয়কট করুন।”

    সেই সময়ই অমর্ত্য সেনের উদ্দেশে বাম নেতার আবেদন ছিল, যে সকল এসএসসি চাকরীপ্রার্থী আন্দোলন করছে, তারা অমর্ত্য সেনকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখে। তাদের চোখে অমর্ত্য সেন ‘আইডল’। সেই সব ছেলেমেয়েদের কথা মনে করে তিনি (অমর্ত্য) যেন এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

    অমর্ত্য সেনের পুরস্কার গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে পার্থর গ্রেফতারি কাণ্ডের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। সিপিএমের একাংশের দাবি, সুজনের আহ্বানে সাড়া দিয়েই অমর্ত্য সম্মান নিতে রাজি হননি। তবে ঘটনাক্রম বলছে, পার্থকাণ্ডের আগেই অমর্ত্য তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন। তবে, পার্থ কাণ্ডের সঙ্গে এর সরাসরি প্রভাব না থাকলেও, সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে ঘটে যাওয়া একাধিক দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ ও কেলেঙ্কারির ঘটনাপ্রবাহের প্রভাব থাকলেও থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশে! ইডি সূত্রে উঠে এল নতুন তথ্য

  • SSC Scam: পার্থর ‘আপনজনের’ ঘরে চাকরি বিক্রির ২০ কোটি, ইডির তল্লাশিতে ফাঁস রাঘব বোয়ালদের যোগ

    SSC Scam: পার্থর ‘আপনজনের’ ঘরে চাকরি বিক্রির ২০ কোটি, ইডির তল্লাশিতে ফাঁস রাঘব বোয়ালদের যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তল্লাশিতে নেমে চক্ষু চড়কগাছ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ কোটি টাকা। এক প্রেস বার্তায় ইডি (ED) জানিয়েছে, বিপুল নগদ উদ্ধারের জন্য টাকা গোনার মেশিন (Note counting machine) আনা হয়েছে। এগুলি এসএসসির চাকরি বিক্রির টাকা হতে পারে।

    [tw]


    [/tw]
     
    ইডি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার দিনভর শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী (Paresh Adhikary), তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, পার্থের ‘আপনজন’ অর্পিতা, প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, সুকান্ত আচার্য, চন্দন মণ্ডল, পার্থবাবুর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য, কৃষ্ণা অধিকারী, এসপি সিনহা, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমিত্র সরকার, অলোক কুমার সরকারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এঁদের সবার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতির যোগ আছে বলে ইডির দাবি।

    আরও পড়ুন: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    ইডি জানিয়েছে, অর্পিতাদেবীর বাড়ি থেকে ২০টি ফোন পাওয়া গিয়েছে। কেন এগুলি ফোন তিনি ব্যবহার করতেন তাও তদন্ত করে দেখছে ইডি। নগদ টাকা গোনার জন্য ইডি ব্যাঙ্ককর্তাদের সহায়তা নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু শেল কোম্পানি, বিদেশি মুদ্রা (Foreign Exchange), ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করেছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) স্কুল শিক্ষক নিয়োগ (Teacher recruitment) নিয়ে লাগাতার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সিবিআইকে (CBI) । গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দ্বাদশ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের তদন্ত করছে সিবিআই। ইডি দাবি করেছে, সিবিআইয়ের তদন্তের সূত্রেই বেআইনি লেনদেনের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এসএসসি-টেট দুর্নীতি (Primary TET scam) মামলায় আরও চমকপ্রদ ঘটনা ঘটতে চলেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

  • ED_CBI: পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    ED_CBI: পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ। কখনও কয়লা কেলেঙ্কারি, কখনও বা গরু পাচার মামলা (Cattle Smuggling Case)। দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ssc scam) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগেও। আদালতের নির্দেশে বাংলার এই সব মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই (CBI), ইডি (ED)।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক কেঁচো খুঁড়তে ইডি-সিবিআই এ রাজ্যে কোন কোন কেউটের সন্ধান করছে।

    ১) কয়লা কেলেঙ্কারিতে ৪ জন ব্যবসায়ীকে তলব করা হয়েছে।

    ২) অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ের নামে মিলেছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ।

    ৩) অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীরও ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি কাণ্ডে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়, আজই তোলা হবে আদালতে

    ৪) অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করা হয়েছে।   

    ৫) কয়লা কেলেঙ্কারিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে জেরা করা হয়েছে।  

    ৬) প্রাক্তন যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে লুকআউট নোটিশ।

    ৭) কয়লাকাণ্ডে পূর্বতন ও বর্তমান মিলিয়ে ইস্টার্ন কোলফিল্ডসের চার ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।   

    ৮) বীরভূমকাণ্ডে তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট আনারুল হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।

    ৯) কয়লাকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক গুরুপদ মাজিকে।  

    ১০) গরু পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত এনামূল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে দিল্লি থেকে।

    ১১) ১৮৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যবসায়ীকে।

    ১২) কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সাতটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এগুলি হল, বীরভূম হিংসা, ভাদু শেখে হত্যা, এসএসসি দুর্নীতি, তপন কান্দু হত্যাকাণ্ড এবং হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ড।

    ১৩) নির্বাচনোত্তর হিংসায় তারক সাহু হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে।

    ১৪) নারদকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের ৪ হেভিওয়েটকে।

    ১৫) মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এক ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ২০ কোটি টাকা।

     

     

  • Suvendu Adhkari: এটা তো সবে ট্রেলার, পুরো সিনেমা এখনও বাকি! ট্যুইটে কাকে বিঁধলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    Suvendu Adhkari: এটা তো সবে ট্রেলার, পুরো সিনেমা এখনও বাকি! ট্যুইটে কাকে বিঁধলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। প্রায় ২৭ ঘণ্টা জেরার পর রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। পার্থ ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে মিলল বস্তা বস্তা টাকা। শুক্র থেকে শনি সপ্তাহের শেষে শিক্ষক-নিয়োগে দুর্নীতি নিয়েই তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। রাজ্যের মন্ত্রীর গ্রেফতারের ঘটনাকে ‘ট্রেলার’ বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।  ট্যুইটবার্তায় শুভেন্দু জানান, এটা তো সবে ট্রেলর, পুরো সিনেমাটা এখনও বাকি রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    নাম না করলেও দক্ষিণ কলকাতার একটি বিখ্যাত পুজোর অনুষ্ঠানের ছবি দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু দুটো ছবি দিয়ে ট্যুইট করেন। যেখানে একই মঞ্চে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা যায়, মমতা, পার্থ এবং অর্পিতাকে। হাসি মুখে অর্পিতার সঙ্গে আলাপও জমান তৃণমূল নেত্রী। সত্যিই কি পার্থ-অর্পিতা ঘনিষ্ঠতার কথা জানতেন না মুখ্যমন্ত্রী? যেমন তিনি বা তাঁর দল জানে না এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। টাকা উড়েছে যত্রতত্র।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ আগেই ট্যুইট করে বলছেন, ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাঁদের নাম আসছে, এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে,দল নজর রাখছে। অতএব পরিষ্কার এই ঘটনা থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার চেষ্টায় ব্যস্ত তৃণমূল। তবে এত সহজে দায় কি এড়ানো যায়? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের পর শুভেন্দু ট্যুইট করে জানান, SSC দুর্নীতির মামলায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। সূত্রের দাবি, টাকার বান্ডিলগুলি ছিল, অশোক স্তম্ভের ছবি দেওয়া,পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতরের খামের মধ্যে। 

    আরও পড়ুন: এসএসকেএম নৈব নৈব চ, পার্থর স্বাস্থ্যপরীক্ষা জোকা ইএসআই-তে, প্রয়োজনে তৈরি সেনা হাসপাতালও

    নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও এই নিয়ে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার পর শাসক দলকে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু লেখেন, “হিমশৈলের চূড়া সবেমাত্র দৃশ্যমান হয়েছে। একটি প্রজন্মকে প্রতারিত হতে হয়েছে। যোগ্য মেধাবী চাকরি প্রার্থীরা ক্লাসরুমের জায়গায়, পথে বসে প্রতিবাদ আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের চোখের জল বৃথা যাবে না। যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন বিবেচনা করে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট যে তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশ দেন, তার প্রভাব পড়তে শুরু হয়েছে।” আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতাও স্বীকার করেন তিনি। 

LinkedIn
Share