Tag: ssc scam

ssc scam

  • SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। নিজের অবস্থান জানানোর জন্য তাঁকে শেষ সুযোগ দিল আদালত। এই নিয়ে চতুর্থ বার সময় দেওয়া হল। এবার যদি আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব পদক্ষেপ না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হবে বলেও মঙ্গলবার জানায় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য-সহ শিক্ষা দফতরের কয়েক জন প্রাক্তন আধিকারিকের জামিনের মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। সিবিআইয়ের অভিযোগ ছিল, রাজ্যের মুখ্যসচিবের অনুমতি না পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। এই সংক্রান্ত মামলার গত শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ ছিল, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবারই এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। কিন্তু মঙ্গলবারও মুখ্যসচিব কোনও রিপোর্ট জমা দেননি। গোটা বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত তাঁকে আর মাত্র ১০ দিন সময় দিয়েছে। এরপর মুখ্যসচিবের রিপোর্ট না পেলে রুল ইস্যুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    রাজ্যের যুক্তি

    মঙ্গলবারও আগের শুনানির (SSC Scam) মতো একই যুক্তি দেখায় রাজ্য সরকার। বলা হয়, লোকসভা ভোটের কাজে ব্যস্ত মুখ্যসচিব। তাই তিনি জবাব দিতে পারেননি। রাজ্যের যুক্তি শুনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া মসৃণ ভাবে চলছে কি না, সেটা দেখা আদালতের কাজ। যদি দেখা যায় সেখানে কোনও বাধা আসছে, তবে তা সরানোর কাজ করতে হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘নির্বাচনের সঙ্গে মুখ্যসচিবের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনও সম্পর্ক নেই। অযথা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দেরি করছেন। তিনি হয় এই মামলার গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। নতুবা আমাদের কি এটা ধরে নিতে হবে যে এই অভিযুক্তরা এতই প্রভাবশালী যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবও বিচার শুরু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?’’  বিচারের কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যসচিবকে প্রভাবমুক্ত থাকার নির্দেশ দেয় আদালত। মুখ্যসচিবকে তাঁর বিধবদ্ধ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: একমাত্র চাকরি যায়নি এই শিক্ষিকার, সেই সোমা দাস কী বলছেন?

    Recruitment Scam: একমাত্র চাকরি যায়নি এই শিক্ষিকার, সেই সোমা দাস কী বলছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (recruitment scam) মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta highcourt) নির্দেশে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল হয়ে গিয়েছে সোমবার। চাকরি হারালেন প্রায় ২৬ হাজার সরকারি শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী। শুধু চাকরি যায়নি একজনের। ব্যতিক্রমী ভাবে বহাল রইল বীরভূমের শিক্ষিকা সোমা দাসের (soma das) চাকরি। তিনি নলহাটির (nalhati) এক নম্বর ব্লকের মধুরা হাই স্কুলে বাংলার শিক্ষিকার পদে কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু কোন যুক্তিতে তাঁর চাকরিতে বহাল রাখল আদালত? এটাও একটা মানুষের মনে প্রশ্ন।

    চাকরিতে বহাল রাখল শুধু সোমা

    সোমবার শিক্ষক দুর্নীতি (ssc) মামলার ২৮১ পাতার রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতি জানিয়েছেন, “সোমা দাস যেহেতু ক্যান্সার আক্রান্ত। তাই মানবিকতার স্বার্থে তাঁর চাকরি বাতিল করা হয়নি। তিনি আগের মতই শিক্ষিকা হিসেবে চাকরি করতে পারবেন।” চাকরি যায়নি শুনে খুশি হয়েছেন সোমা। তিনি বলেন যোগ্য প্রার্থীদের পাশে আছি তাঁরা যেন চাকরি পান।

    প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলন করছেন সোমা

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের নির্দেশে বছর খানেক আগে চাকরিতে যোগদানের সুপারিশ পত্র পেয়েছিলেন বীরভূমের (birbhum) সোমা দাস। কলকাতা হাইকোর্টের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। যেহেতু সোমা দাস ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাই তাঁকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়। এরপর তিনি বীরভূমের নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের মধুরা হাইস্কুলের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সোমার চাকরি পাওয়ার রাস্তা মসৃণ ছিল না। ২০১৯ সালে কলকাতা প্রেসক্লাবের সামনে যে চাকরি প্রার্থীরা কয়েক মাস আন্দোলন অনশন চালিয়েছিল তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    কী বললেন সোমা?

    বীরভূমের নলহাটির বাসিন্দার সোমা। তাঁর কর্কট রোগের চিকিৎসা চলছিল। পরবর্তীকালে তিনি চাকরি পেলেও সেদিনের আন্দোলনের কথা আজও মনে রয়েছে সোমা দাসের। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে তাঁর চাকরি বহাল থাকলে সহযোদ্ধাদের প্রতি তার সমর্থন আজও রয়েছে আগের মতই। বাংলার শিক্ষিকা সোমা এদিন প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, “দুর্নীতি যে হয়েছিল তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। মাননীয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সবার আগে দুর্নীতিকে চিহ্নিত করে দেন। তাঁকে নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তিনি যা বলে ছিলেন যা করে ছিলেন আজকের রায় সেই বিচারেরই সত্যতা প্রমাণ করল। আজও অনেক যোগ্য প্রার্থী চাকরি পায়নি। তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে। আমি চাইব তাঁদের যেন দ্রুত চাকরি হয়। চাকরি হওয়ার মতন উপযুক্ত পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    Recruitment Scam: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন পুরোদস্তুর ভোটের হাওয়া। আর এরই মধ্যে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam ) নিয়ে বিরাট রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court )। একসঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, ৪ সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের ১২ শতাংশ সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে হবে। অতিরিক্ত পদে নিয়োগকারীদের প্রয়োজনে নেওয়া যাবে হেফাজতে। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। রাজ্য জুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য (Recruitment Scam)

    তবে আদালতের এই রায়ে সম্পূর্ণ খুশি হতে পারছেন না আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থী রাসমণি পাত্র সহ অন্যান্যরাও। উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরে এই রাসমণিই এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থানের ১০০০তম দিনে প্রতিবাদ স্বরূপ নিজের মাথার চুল কামিয়ে ফেলেছিলেন। মঙ্গলবার বিচারপতির রায় শুনে রাসমণি বলেন, “আদালত ও বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা ছিল। যারা অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছে তারা যে যথাযথ শাস্তি পেয়েছে সেটা কাম্য। সত্যের জয় হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্যানেল বাতিল (Recruitment Scam) আমাদের দাবি ছিল না। আমাদের দাবি ছিল যে অন্যায় আমাদের সঙ্গে হয়েছে, যে চাকরিটা আমাদের চুরি হয়েছে, সেটা ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা পরীক্ষা দিয়েছিলাম, আমাদের ওএমআর সঠিক। আমরা র‌্যাঙ্কেও এসেছিলাম। তা হলে চাকরিটা কেন আমাদের দেওয়া হল না? আজকে রায়দানে পুরোপুরি খুশি হতে পারছি না। এখনও তো অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন নিয়োগ (Recruitment) কবে হবে, কতদিনে প্যানেল প্রকাশ হবে তা এখনও সম্পূর্ণ দৃশ্যমান নয় আমাদের কাছে।”

    আরও পড়ুনঃ “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    অন্য চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি

    সর্বোপরি ধর্নামঞ্চে থাকা অন্য চাকরিপ্রার্থীদেরও বক্তব্য, “অবৈধ উপায়ে চাকরি (Recruitment Scam) পাওয়া ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের কেন বঞ্চিত করা হবে।” উল্লেখ্য মঙ্গলবার আদালতের তরফে বলা হয়েছে, টেন্ডার ডেকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট (OMR Sheet) পুনর্মূল্যায়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমস্ত ওএমআর শিটের কপি আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Scam) আদালতের নির্দেশে সোমবারই চাকরি খোয়া গিয়েছে ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক দু’টি বিষয়ের উল্লেখ করেন।

    কী বললেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক? (SSC Recruitment Scam)

    তিনি বলেন, “আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। তাই গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া এই প্যানেলে যে কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়েছে রাজ্য সরকার তা জানত। সেই কারণেই তারা আবেদন করেছিল সুপার নিউমেরিক পোস্টের।” কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে আইনজীবী সুদীপ্ত বসাক বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যে তিনি প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এটাও স্পষ্ট, দুর্নীতি হয়েছিলই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করল।”

    অভিজিতের সম্পর্কে কী বলছে আদালত?

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি।” তিনি বলেন, “শুনানির সময় রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে আদালত বারংবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কারা প্রকৃত, তার হিসেবটা দিতে। রাজ্য সরকার তা দিতে পারেনি। এসএসসি যতজনকে রেকমেন্ডেশন দিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি লোক চাকরি করছে। সেই কারণেই বিচারপতি বলেছেন, প্যানেল বাতিল করা ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, অভিজিৎ যখন বিচারপতি ছিলেন তখন প্রচুর অযোগ্য (SSC Recruitment Scam) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে রাজ্য সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিজিতের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা অভিজিতের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শাব্বার রাশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। ৯ নভেম্বর গঠিত হয় ওই বেঞ্চ। ছ’মাসের মধ্যে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জেনেছে, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে নিয়োগের পাশাপাশি এসএলএসটি ২০১৬-র মাধ্যমে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Partha Chatterjee: পার্থর নাকতলার বাড়িতেই বিক্রি হতো চাকরি! আদালতে বিস্ফোরক সিবিআই

    Partha Chatterjee: পার্থর নাকতলার বাড়িতেই বিক্রি হতো চাকরি! আদালতে বিস্ফোরক সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) নিজের বাড়িতে বসে এসএসসির গ্রুপসি পদের চাকরি বিক্রি করতেন বলে আদালতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। টাকা নিয়ে বেআইনি চাকরির লিস্ট তৈরি করা হত এই বাড়িতেই। নিত্য যাতায়েত ছিল প্রসন্ন রায় এবং প্রদীপ সিংহের মতন ব্যক্তিদের। সিবিআই-এর এই অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি কাণ্ডে। 

    সিবিআই আদালতে কী বলেছেন (Partha Chatterjee)?

    স্কুল শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে তোলা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। কোর্টে সিবিআই দাবি করেন, তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব তথা রাজ্যর প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর (Partha Chatterjee) নাকতলার বাড়িতেই একটি অফিস ছিল। আর সেই অফিসেই চাকরি বিক্রেতাদের নিত্য আনাগোনা ছিল। এই বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোরেই ছিল চাকরি বিক্রির অফিস। এখানেই প্রথমে লিস্ট তৈরি হত এবং এরপর সেই লিস্ট চলে যেত কমিশনের চেয়ারম্যান, সুবীরেশ ভট্টাচার্যের অফিসে। এই বাড়িতে টাকা নেওয়া হত এবং নামের তালিকা তৈরি করা হত। সিবিআই আরও বলেন যে কিছু লোক থাকত, যারা জেলা থেকে টাকা নিত এবং এরপর সেই টাকা এবং প্রার্থীদের নাম এখানেই নিয়ে আসতো। প্রসন্ন, প্রদীপদের মতন লোকেরা জেলা থেকে টাকা সংগ্রহ করত। এই নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটাই একটা ‘পরিকল্পিত অপরাধ’।

    আদালতে পার্থ কী বলেন?

    আদলাতে এই দিন জামিনের আবেদন করে পার্থ (Partha Chatterjee) বলেন, আমার শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আমার একজন জেলের মধ্যে সহকারী দরকার, যদি আপনি মঞ্জুর করেন। তিনি আরও বলেন, বাগ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী তদন্ত করা উচিত। আমার বয়স বাড়ছে। তিনি আরও দাবি করেন, শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষামন্ত্রীর ভূমিকা থাকে না, আমার বিরুদ্ধে বিশেষ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এই দিনেও বিচারক পার্থর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু হঠাৎ রাজ্যপালের অনুমোদনের প্রয়োজন কেন? সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যে কোনও মন্ত্রী বা আইন প্রণেতা বা সরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চালাতে অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, নিজের ক্ষমতাবলে এই অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল।’’ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন মমতার মন্ত্রিসভায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। আবার পার্থ যেহেতু বিধানসভারও সদস্য, তাই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বিধানসভার অধ্যক্ষেরও সম্মতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া হল সিভি আনন্দ বোসের। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যপালের অনুমোদনে সিবিআই তদন্তের অগ্রগতিতে আর কোনও বাধা রইল না।

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে গ্রেফতার হন পার্থ (Partha Chatterjee) 

    প্রসঙ্গত, এক বছর আগে নিজের নাকতলার বাড়ি থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তখনই তাঁর বান্ধবী অর্পিতার বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে মেলে ২২ কোটি টাকা। পরে আবারও অর্পিতার অন্য ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া যায় ২৮ কোটি টাকা। ইডি গ্রেফতার করলেও পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে সিবিআই। পার্থর বিচারের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদন জরুরি ছিল। সিবিআইয়ের সেই আবেদনেই সিলমোহর দিলেন রাজ্যপাল। বিচার প্রক্রিয়ায় আর কোনও বাধা রইল না।

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের পর্যটন কেন্দ্র 

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের নেতাদের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ছাড়াও জেলে আছেন আরও দুই তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। রয়েছেন স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরাও। এঁদের সবাই গ্রেফতার হয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। পার্থর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে তারা, এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের। তা আদালতে ইতিমধ্যে পেশও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: দু’সপ্তাহের মধ্যে উচ্চপ্রাথমিকের মেধা তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    SSC Scam: দু’সপ্তাহের মধ্যে উচ্চপ্রাথমিকের মেধা তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগের (SSC Scam) মেধা তালিকা প্রকাশ করতে এসএসসি-কে নির্দেশ হাইকোর্টের। এদিন দু সপ্তাহ সময়সীমাও বেঁধে দেয় কোর্ট। জানা গেছে, কোর্টের নির্দেশে এমনভাবে তালিকা প্রকাশ করতে হবে যাতে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সেই তালিকা দেখতে পারেন। পাশাপাশি যে সমস্ত পরীক্ষার্থী এই নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন তাঁদের প্রত্যেকের অনলাইন আবেদন যাতে একে অপরে দেখতে পারেন, তার ব্যবস্থাও কমিশনকে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহ গরমের ছুটির পরে, জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এদিন কোর্ট আরও জানিয়েছে, ইন্টারভিউ তালিকা এবং অনলাইন আবেদন পত্র পরীক্ষা করার পরে যদি কারও কোন কিছু বলার থাকে তাহলে সে বিষয়েও কোর্টে সবকিছু শোনা হবে।

    আট বছর আগে হয়েছিল উচ্চপ্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, আট বছর আগে ২০১৫ সালে পরীক্ষা হয়েছিল উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam)। শিক্ষক নিয়োগে তখন থেকেই জটিলতা চলছে। মেধা তালিকা বাতিল করে নতুন ভাবে তালিকা তৈরি করার নির্দেশও এর আগে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাম্প্রতিক কালে, শুরু হয় উত্তরপত্র নিয়ে বিতর্ক। সেই বিতর্কের জেরেই নতুনভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে উত্তরপত্র। জানা গেছে মোট ১৪,০৫২ উত্তরপত্রের মধ্যে বাতিল হয়েছে ১,৪৬৩ উত্তরপত্র। বাতিল হওয়া উত্তরপত্রগুলিকে বাদ দিয়ে মেধা তালিকা তৈরি হয়েছে ১২,৫৮৯ জনের।

    আরও পড়ুন: ‘‘বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এবার…’’! অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    কী বলছেন মামলাকারীদের আইনজীবী

    এ প্রসঙ্গে মামলাকারীদের আইনজীবী বলেন, ‘‘এসএসসি ইন্টারভিউ এর পরে ফের উত্তরপত্রের মূল্যায়ন করেছে। সেক্ষেত্রে ফের অনলাইনে আবেদনের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। কারণ এসএসসির (SSC Scam) অন্যান্য নিয়োগে ইতিমধ্যে উত্তরপত্র বিকৃত করে নম্বর কমানো বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।’’ পাশাপাশি, গত সাত বছর ধরে নিয়োগ আটকে থাকার ফলে যে শূন্যপদ বেড়েছে সেই শূন্য পদের সংখ্যা আপডেট করা উচিত বলেও জানিয়েছেন মামলাকারীদের আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলের মধ্যে থাকা অবস্থাতেও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে রয়েছে রূপোর আংটি। তা নিয়ে বুধবার আদালতে ইডি দাবি করে, পার্থ এতটাই প্রভাবশালী যে ‘জেল কোড’ ভেঙে আংটি পরে জেলে ঘুরলেও তা নিয়ে বলার কেউ নেই। এ নিয়ে আদালতে চলে বাদানুবাদ। পার্থর ওই আংটিকাণ্ডের জেরে এবার প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে তলব করলেন বিচারক। আগামী ২৬ এপ্রিল সুপারকে লিখিত জবাব-সহ হাজির হতে হবে আদালতে। 

    ইডির দাবি  

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বুধবার জেল থেকেই আদালতে হাজিরা দেন পার্থ। ভার্চুয়ালি শুনানিপর্বের শুরুতেই ইডির আইনজীবী বিচারকের কাছে অনুরোধ করেন, যাতে পার্থকে বলা হয় হাতের দু’পাশ দেখানোর জন্য। বিচারকও পার্থকে সামনে এসে হাতের দুপাশ দেখানোর জন্য বলেন। পার্থ এগিয়ে এসে হাতের দুপাশ দেখাতেই, ইডির আইনজীবী বিচারককে বলে উঠলেন, ‘হাতের রিংটা দেখলেন? দেখুন কতটা পাওয়ারফুল হলে জেলেও রিং পরে আছেন।’ ইডির আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘একজন অভিযুক্ত কি জেলে কোনও অলংকার পরে থাকতে পারে? সব তো খুলে রাখতে হয়। পার্থ এতটাই পাওয়ারফুল যে তাঁকে জেলেও আংটি পরতে দেওয়া হচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    পার্থর যুক্তি

    পার্থর আইনজীবী আদালতে পাল্টা যুক্তি দেন, ‘পার্থবাবু কীভাবে জানবেন, জেল কোডে কী বলা আছে। তাহলে তো পার্থবাবু আইনের সব জানবেন।’ যদিও পার্থর দাবি, শরীরের কারণেই আংটি খোলেননি তিনি। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর জেলের সুপারকে ডেকে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। সূত্রের খবর, শুনানি শেষেই পার্থ হাত থেকে আংটি খুলে দেন।

    সুপারকে তলব

    এই ঘটনার জেরে জেল সুপারকে তলব করল আদালত। কেন পার্থ জেলে থাকা অবস্থাতেও হাতে আংটি পরে রয়েছেন, তা সবিস্তারে লিখিত আকারে নিয়ে আসতে হবে তাঁকে। আইন বলছে, কোনও কয়েদির হাতে আংটি বা অন্য কোনও অলঙ্কারসামগ্রী রয়েছে কি ন্‌ তা দেখার দায়িত্ব সুপারের। কিন্তু পার্থর ক্ষেত্রে সেই নিয়ম সঠথভাবে পালিত হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সে ক্ষেত্রে আদালত জানতে চায়, জেল সুপার কি জেল কোড জানেন না? নাকি কর্তব্যপালনে অপারগ হয়েছিলেন সুপার? লিখিত আকারে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে সুপারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: বৃহস্পতিবার বিয়ে, শনিবারে ছিল বৌভাত! কোর্টের নির্দেশে শুক্রবারই চাকরি গেল যুবকের 

    SSC Scam: বৃহস্পতিবার বিয়ে, শনিবারে ছিল বৌভাত! কোর্টের নির্দেশে শুক্রবারই চাকরি গেল যুবকের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাত্র সরকারি চাকুরে বলে কথা! আজকের দিনে এমন সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে নাকি! ধুমধাম করে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন জলপাইগুড়ির জনৈক বাসিন্দা। পাত্র ওই জেলারই রাজডাঙ্গা কেন্দা মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। নাম প্রণব রায়। সূত্রের খবর ২০১৭ সাল থেকেই ওই স্কুলে গ্রুপ সি পোস্টে চাকরি করতেন প্রণব বাবু। বৃহস্পতিবার তাঁর বিয়ে হয় ধুমধাম করে। শুক্রবারে বউ নিয়ে বাড়ি ফেরার পরেই ঘটল বিপত্তি। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) অভিযোগে সেদিন ৮০০ এর বেশি প্রার্থীর চাকরি বাতিল বলে ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। এবং ওই লিস্টে নাম ছিল জলপাইগুড়ির প্রণব বাবুরও। বিষয়টি জানাজানি হতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয় প্রণবের বিবাহ বাসরের ছবি। নেটপাড়ায় হৈচৈ পড়ে যায় ওই ছবি নিয়ে। অবশ্য এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বর বা কনে পক্ষের কেউই। প্রতিক্রিয়া মেলেনি যাঁকে ঘিরে এত কাণ্ড সেই প্রণব রায়ের কাছ থেকেও।

    আরও পড়ুন: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

    শনিবারে ছিল বৌভাত, শুক্রবার গেল চাকরি

    বৃহস্পতিবারে বিয়ে হয়, সেইমতো বৌভাত হওয়ার কথা ছিল শনিবারে কিন্তু তার আগেই ছন্দপতন ঘটল। কালরাত্রির দিনেই চাকরি গেল নববিবাহিত বরের। কিন্তু এখন উপায়ও কিছু নেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গেছে নবদম্পতির ছবি। নেটিজেনরা ওই ছবি নিয়ে নানারকম মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ছবি পোস্ট করে লিখছেন যে পৃথিবীর একমাত্র বিচারপতি যার সৌজন্যে বিয়ে তো হল কিন্তু বৌভাত হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক মানুষ চেনেন, আরআরআর-এর অস্কার জয়ই প্রমাণ’’, কেন এ কথা বললেন পীযুষ?

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ রায় বলেন, আইন অনুযায়ী সব কিছু হবে। ওই যুবক আমাদের স্কুলে জয়েন করেছিলেন ২০১৭ সালে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: চাকরি কি পার্থর পৈতৃক সম্পত্তি! মন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ বিচারপতি বসুর

    Recruitment Scam: চাকরি কি পার্থর পৈতৃক সম্পত্তি! মন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবার সম্পত্তি নাকি! বেছে বেছে কীভাবে চাকরির সুপারিশ হয়? নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ‘নিয়ম বহির্ভূত ভাবে’ এক শিক্ষিকার চাকরি হওয়ায় সোমবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

    ঠিক কী ঘটেছে (Recruitment Scam)?

    সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে প্রিয়ঙ্কা দত্ত সমাদ্দার নামে এক মহিলা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় (Recruitment Scam) মেধাতালিকার ওয়েটিং লিস্টে উপরের দিকে নাম ছিল তাঁর, তালিকায় ৩৩ নম্বরে। কিন্তু তারপরও চাকরি পাননি তিনি। বরং তাঁর পরিবর্তে একই তালিকার ৫৩ নম্বরে থাকা সরমা ঘোষ নামে একজনকে চাকরি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের পরে বরখাস্ত করা হবে নবম-দশমের ‘অবৈধ’ শিক্ষকদের! মন্তব্য বিচারপতি বসুর

    প্রসঙ্গত, সূত্রের খবর, ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি সরমাকে সুপারিশপত্র দিয়েছিল এসএসসি। ওই বছর ২০ মার্চ তাঁকে নিয়োগপত্র দেয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। প্রিয়ঙ্কা আরও অভিযোগ করেছেন, চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন এবং অবস্থান-বিক্ষোভে সামনের সারিতে ছিলেন সরমা। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ আন্দোলনকারীদের কয়েক জনকে ডেকে কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন সরমাও। তার পরই তিনি চাকরির সুপারিশপত্র পান। পরে হাইকোর্টে এই মামলা (Recruitment Scam) উঠলে আদালতের সামনে সমস্ত সত্যিটা স্বীকার করে নেন সেই সরমা। তিনি জানান, পার্থবাবুর সুপারিশেই চাকরি হয়েছিল তাঁর।

    বিচারপতি বসু কী বললেন (Recruitment Scam)?

    এই কথা শুনেই ক্ষোভপ্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, “এসএসসি চাকরি কি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে’র পৈতৃক সম্পত্তি! আন্দোলন করলেই কি চাকরি পাওয়া যায়! কীভাবে বেছে বেছে চাকরির সুপারিশ হয়!” এদিন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু আরও জানান, কমিশনকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ওই শিক্ষিকার চাকরির সুপারিশ বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি, এমন ঘটনা আরও রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখতে বলেছেন তিনি। আগামী ১৫ মার্চ এই মামলার (Recruitment Scam) পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share