Tag: sskm hospital

sskm hospital

  • Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। কার্ডিওলজির এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের পাঁচ নম্বর কেবিনে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। মন্ত্রীর ওপর নজর রাখছে মেডিসিন এবং নিউরোলজি বিভাগও।

    কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে ভর্তি

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। আদালতের নির্দেশে তিনি বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুকে ব্যথা অনুভব করেন। শ্বাসকষ্টও হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। পরে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএমে। কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে তাঁকে পরীক্ষা করা হয়। পরে ভর্তি করে নেওয়া হয় কার্ডিওলজি বিভাগে।

    আগেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়

    ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) তোলা হয় আদালতে। ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে সেদিনই এজলাসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়। এজলাসে সামান্য বমিও করেন। তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেয় আদালত। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সুস্থ হওয়ার পরে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি। তার পরে একাধিকবার জ্যোতিপ্রিয়কে বলতে শোনা গিয়েছিল, তাঁর শরীর ভাল নেই। বাঁ হাত-পা পক্ষাঘাতের মতো হয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার ভাটপাড়া! গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল কর্মী

    ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। অসুস্থতার কারণে তাঁকে হাজির করানো হয় ভার্চুয়ালি। সেদিনও নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে বিচারককে তিনি আবেদন করেছিলেন, ‘আমাকে বাঁচতে দিন’। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। জ্যোতিপ্রিয়র কথা শোনার পর বিচারক তাঁকে বলেন, “আপনার অসুবিধা হলে সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী। কাশির পাশাপাশি শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টও। সেদিন কৃত্রিম অক্সিজেন দিতে হয় জ্যোতিপ্রিয়কে। মঙ্গলবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বর্ষীয়ান চিত্রপরিচালক (Film Director) তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar)। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) ভর্তি রয়েছেন তিনি। আইসিইউতে (ICU) চিকিৎসা চলছে তাঁর। কোভিড টেস্ট করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। রিপোর্ট এখনও চিকিৎসকের হাতে এসে পৌঁছয়নি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কিডনি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে পরিচালকের। 

    তরুণ মজুমদারের কিডনির সমস্যা নতুন নয়। ২০০০ সাল থেকে এই রোগে ভুগছেন তিনি। এছাড়াও রয়েছে ফুসফুসের সমস্যা ও ডায়াবেটিস। চেস্ট মেডিসিন চিকিৎসক সোমনাথ কুণ্ডু এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র ঘোষের নেতৃত্বে পাঁচজন চিকিৎসকের একটি দল সারাক্ষণ পরিচালকের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রেখেছেন। ক্যাথিটার দিয়ে তাঁকে প্রস্রাব করানো হচ্ছে বলে খবর। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় বর্ষীয়ান পরিচালকের করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবারই তার রিপোর্ট আসার কথা।

    আরও পড়ুন: কিশোর কুমারের চারটি বিয়ে! এই বিষয়ে কী বললেন তাঁর পুত্র অমিত কুমার  
     
    পরাধীন ভারতবর্ষে জন্ম হয় এই কিংবদন্তি পরিচালকের। বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। রসায়নের ছাত্র হলেও সিনেমা তৈরির নেশায় তিনি বিনোদন জগতে পা রাখেন। শচীন মুখোপাধ্যায় এবং দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিলে ‘যাত্রিক’ নামে একটি দল তৈরি করে সিনেমা পরিচালনার কাজ শুরু করেন তিনি। এই তিন পরিচালকের তৈরি প্রথম সিনেমা ‘চাওয়া পাওয়া’। এই সিনেমায় অভিনয় করেন সর্বকালীন সেরা জুটি উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন।  এই ত্রয়ীর পরের ছবি‘কাঁচের স্বর্গ’। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল ছবিটি।

    আরও পড়ুন: দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু    
      
    ১৯৬৫ সালে ‘যাত্রিক’ থেকে বেরিয়ে এসে একা ছবি বানানো শুরু করেন তরুণ মজুমদার। সে বছর ‘আলোর পিপাসা’ এবং ‘একটুকু ভালবাসা’ নামের দুটি সিনেমা তৈরি করেন তিনি। তারপর থেকে একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই পরিচালক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘বালিকা বধূ’, ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘দাদার কীর্তি’,  ‘আপন আমার আপন’, ‘গণদেবতা’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’, ‘আলো’- র মতো সব জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ মজুমদার। 

    তাঁর সংগ্রহে রয়েছে চারটি জাতীয় পুরস্কার, সাতটি বিএফজেএ সম্মান, পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং একটি আনন্দলোক পুরস্কার। ১৯৯০ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় তরুণ মজুমদার পরিচালিত শেষ ছবি ‘ভালোবাসার বাড়ি’। ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রতীক সেন।  

     

  • SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের জেরে ফের নয়া নির্দেশিকা জারি এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) কর্তৃপক্ষের। স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) পতাকা উন্মোচনের (Flag Unfurled) কথা বলা হয়েছিল পুরানো নির্দেশিকায়। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কারণ প্রথা মেনে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন (Flag Hoist) করতে হয়। বিতর্কের জেরে জারি হয় নয়া নির্দেশিকা। সেখানেই বলা হয়েছে পতাকা উত্তোলনের কথা।  

    রীতি অনুযায়ী, যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এদিন একটি দণ্ডের নীচে জাতীয় পতাকা বাঁধা থাকে। পরে তা দণ্ডের শীর্ষে উত্তোলন করা হয়। যা আসলে স্বাধীনতা অর্জনের দ্যোতক হিসাবে ধরা হয়। অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উন্মোচিত করা হয়। সেদিন দণ্ডের শীর্ষেই গোটানো থাকে জাতীয় পতাকা। সেটি উন্মোচন করা হয় মাত্র। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় দেশে রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি নন। ১৯৫০-এ ২৬ জানুয়ারি শপথ নেন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তাই সেদিন পতাকা উন্মোচন করেন তিনি।

    রাজ্যের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। পালিত হচ্ছে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিও। ফি বারের মতো এবারও দেশের সর্বত্র মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস। সেই উপলক্ষে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপে যে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন সেখানে ১৫ অগাস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁদের সমবেত হতে বলা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় পতাকা উত্তোলনের(flag hoisting) কথা বলা হয়নি। বরং পতাকা উন্মোচিত(flag unfurled) হবে বলে জানানো হয়েছিল। এর পরেই শুরু হয় বিতর্ক। শেষমেশ একপ্রকার বাধ্য হয়েই নয়া নির্দেশিকা জারি করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়। তার পরেই ইতি পড়ে বিতর্কে। একটি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই ‘ভুল’ করলেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।  

     

  • Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টার জেরা। তাই বোধহয় ধকল সইতে পারলেন না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata mandal)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল তিনি চলে যান নিজাম প্যালেসে, সিবিআই(cbi) দফতরে। সেখানেই গরু পাচারকাণ্ডে(cow smuggling scam) জেরা করা হয় তাঁকে। নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে অনুব্রত সটান চলে যান এসএসকেএমে(sskm)।

    সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামূল জেরার সময় বেশ কয়েকবার অনুব্রতর নাম করেছে। সেই কারণেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে জেরা করা জরুরি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেই জেরাই হল বৃহস্পতিবার।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    এদিন সকালে ১০টা বাজার ঢের আগেই অনুব্রত হাজির হয়ে যান নিজাম প্যালেসে। তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিলে সাড়ে ১০টায়। আগাম চলে যাওয়ায় তাঁকে বসিয়ে রাখা হয় গেস্ট রুমে। সাড়ে ১০টা বাজাতেই ডেকে পাঠানো হয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তিন দফায় ৩৬টি প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জেরা চলে ঘণ্টা চারেক ধরে। দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন অনুব্রত। যদিও বুকে ব্যথা অনুভব করায় নিজাম প্যালেস থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে। সেখানে ফের উডবার্ন ওয়ার্ডে অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

    গত ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবেন বলে চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বের হন অনুব্রত। সেদিনও বুকে ব্যথা অনুভব করায় তিন সোজা চলে যান এসএসকেএমে। পরে ভর্তি হন উডবার্ন ওয়ার্ডে। চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ার পর সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রত জানান ২১ মে-র পর তিনি সিবিআই দফতরে যেতে পারেন। তার দু দিন আগেই সিবিআই জেরার মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।  

    আরও পড়ুন : “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    অসুস্থ হলেও, অনুব্রত যে সিবিআইয়ের হাত থেকে রেহাই পাবেন না, তা আগেই জানিয়ে ছিলেন বিজেপির(bjp) কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ(dilip ghosh)। তিনি বলেছিলেন, জেলে থাকলে ঠিক আছে, হাসপাতালে থাকলে তাঁর(অনুব্রতর) বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের জন্য এনি হাউ তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে।একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির স্বপন মজুমদারও।

     

LinkedIn
Share