Tag: sskm

sskm

  • Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। যদিও বর্তমানে তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অবশ্য দাবি, জেলে বিপাকে পড়েছেন। তাই অসুস্থতার অজুহাতে এসএসকেএমে আশ্রয় নিয়েছেন মন্ত্রীমশাই। এবার এই হাসপাতালে এসে বালু বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন। কেবিনে সিসিটিভির মাধ্যমে তাঁর উপর নজর রাখছেন ইডির তদন্তকারী অফিসাররা।

    বালু রয়েছেন কার্ডিওলজির কেবিনে (Jyotipriya Mallick)

    আদালতের বিশেষ নির্দেশে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের কেবিনে রয়েছেন। প্রতিদিন কারা কারা তাঁর কেবিনে আসছেন, কাদের সঙ্গে কথা বলছেন এই সব কিছু নজরে রাখছেন ইডির আধিকারিকরা। যদিও গ্রেফতারের পর থেকে দুই দফায় জেরা করার পর প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে জেল চিকিৎসকরা এসএসকেএমে স্থানান্তরণের পরামর্শ দেন। এরপর পরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) রক্তচাপ খুব ওঠানামা করছে। মাঝে মাঝে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। ইতিমধ্যেই রক্তের চাপ এরকম হওয়ার পিছনে কি সুগার কম হওয়াই কারণ, তা দেখতে পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্য গড়া মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, হার্ট স্বাভাবিক রয়েছে। আজ সোমাবারে বেশ কিছু আরও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, বালু এখন কোনও কথা বলছেন না। শব্দ না করে তিনি কেবল নাকি ঈশ্বরকে স্মরণ করছেন।

    আদলাতে ইডির কী দাবি ছিল?

    আদালতের কাছে ইডির দাবি ছিল, বালুর (Jyotipriya Mallick) কেবিনের বাইরে-ভিতরে লাগাতে হবে সিসিটিভি। কেবিনের ভিতরে কেউ ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে যাচ্ছে কিনা তার দিকে নজর রাখা হবে। সিসিটিভির লিঙ্ক দেওয়া থাকতে হবে ইডির আধিকারিকদের কাছে। কেবিনের সমস্ত জায়গা সিসিটিভির নজরে রাখতে হবে। অবশ্য ইডির করা সমস্ত আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছিল। আর সেই মতোই নজরদারি চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতেই শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়। অবশেষে মন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার কথা জানাল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউরোমেডিসিন মেডিসিন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, অর্থোপেডিক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে এই নতুন মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রথমে মন্ত্রী ভর্তি হন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় তাঁর হার্টের কোনও সমস্যাই নেই (Ration Scam)। এরপর চাপে পড়ে বালুর মেডিক্যাল বোর্ডে রাতারাতি অন্তর্ভুক্ত করা হল হৃদরোগ-বিশেষজ্ঞকে।

    সহকর্মীদের ধারা বজায় রাখলেন বালু

    প্রথমে এসএসকেএম-এর ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ধরে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় কার্ডিওলজি বিভাগের ডাক্তাররা তাঁকে দেখে জানান, তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা নেই। এরপর মন্ত্রীর চিকিৎসা শুরু করেন নিউরোমেডিসিন বিভাগের ডাক্তাররা। আদৌ কি মন্ত্রী অসুস্থ! নাকি তাঁর পুরনো সহকর্মীদের ধারা তিনি বজায় রাখছেন! এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কারণ সিবিআই-ইডির সমন পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা-মন্ত্রী এর আগে ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে (Ration Scam)। ১০ বছর আগে মদন মিত্রকে দিয়ে শুরু হয়েছিল, এরপরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে অনুব্রত মণ্ডল কেউই বাদ যাননি। এসএসকেএম-কে ঘুঘুর বাসা বলে গতকালই তোপ দাগেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।’’

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, গতকাল হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছিলেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি হলেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজ্যের মন্ত্রীর নেই হার্টের সমস্যা, অথচ ভর্তি কার্ডিওলজি বিভাগে। বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, এটা রাজনৈতিক অসুখ। এদিনই বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, ‘‘এসএসকেএম একটা ঘুঘুর বাসা। সব নেতা ওখানে যেতে চান। ওখানে রিপোর্ট তৈরি করা হয়। রাজ্য সরকারের মন মোতাবেক সব কিছু হয়। প্রথম থেকেই সবাই ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। জানিনা কোর্ট কেন অনুমতি দিচ্ছে। ইডি-সিবিআই আটকানোর চেষ্টা করে হয়তো সফল হয়নি। ওখানে গিয়ে ওরা একটা মৃত সঞ্জীবনী পায়। হয় জামিন হবে, নাহলে সুস্থ হবেন। অসুস্থ কেউ নয়। আরাম করার ভালো ব্যবস্থা।’’

    দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের আশ্রয়স্থল এসএসকেএম

    এসএসকেএম যেন সিবিআই-ইডির (Ration Scam) হাত থেকে বাঁচার একটা বড় আস্তানা হয়ে উঠেছে। এখন নয়, ১০ বছর আগেই সারদাকাণ্ডে সমন পেয়ে মদন মিত্র শুরু করেছিলেন। এর পরবর্তীকালে একই ধারা বজায় রাখেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসকেএম থেকে সোজা পাঠানো হয় ভুবনেশ্বরের এইমস হাসপাতালে। সেখানে অবশ্য চিকিৎসকরা তাঁকে ফিট সার্টিফিকেট দেন। এরপরে ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। আবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাইপাস সার্জারি করে ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

    কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে বালু

    রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অবশ্য কার্ডিওলজি বিভাগের (Ration Scam) পাঁচ নম্বর কেবিনে বর্তমানে রয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ তিনি হার্টের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নেই। নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা করছেন বলে জানা গিয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে সেখানেও কার্ডিওলজি বিভাগের কোনও চিকিৎসক নেই বলে জানা গিয়েছে। এসএসকেএম-এ আসার পরেই ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন বালু। এই সময়ের মধ্যেই তাঁকে একাধিক পরীক্ষা করানো হয়। দেখে যান কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। তাঁরা বলেন, বুকে সেরকম কোনও সমস্যা নেই মন্ত্রীর। তাঁদের পরেই আসেন নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপরই ঠিক হয় মন্ত্রীকে নিউরোলজি মেডিসিনের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা হবে।

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তার ঠিক দু’ঘণ্টা আগেও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে দেখা গিয়েছে ইডি আধিকারিকদের (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগীর চিকিৎসার জন্য ডাক্তার পরীক্ষা করতে দিয়েছিলেন। আর এই পরীক্ষা করতে গিয়েই বিরাট গোলমালের ঘটনা ঘটল। ডাক্তার দিয়েছেন পায়ের এমআরআই করতে, আর মেডিক্যাল করেছে মাথার এমআরআই। এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (North Bengal Medical College)। ঘটনায় রোগীর পরিবার ইতিমধ্যেই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? রীতিমতো ঘটনায় তোলপাড় হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    রোগীর বক্তব্য (North Bengal Medical College)?

    রোগী আবুবক্কর সিদ্দিকি বলেন, “হাসপাতালে (North Bengal Medical College) গেলে চিকিৎসক আমাকে দেখে ভর্তির কথা বলেন। এরপর আমাকে এমআরআই করতে বলেন। কিন্তু প্রথমে আমি তারিখ পাইনি। এরপর আমি বেশ কিছুদিন ধরে ঘুরলেও পরীক্ষার জন্য তারিখ মিলছিলনা। এরপর আমি বাইরের এক দালালকে কিছু টাকা দিলে অবশেষে তারিখ পাই। গত ১৫ তারিখে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট নিয়ে গেলে ডাক্তার বলেন, এটা পায়ের নয় মাথার প্লেট।” সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার দাসপাড়ায় রোগীর বাড়ি। তিনি একটি মাদ্রাসার মৌলবি।

    রোগীর আত্মীয়র বক্তব্য

    রোগীর ভুল পরীক্ষার কারণে, হাসপাতালের (North Bengal Medical College) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আবুবক্করের আত্মীয় হাকিমুল ইসলাম বলেন, “আমরা দোষীর শাস্তি চাই। টাকা ছাড়া এখানে কোনও কাজ হয় না। ভুল রিপোর্ট দিয়ে রোগীকে বাঁচানোর থেকে আরও অসুবিধার মধ্যে ফেলা হচ্ছে। হাসপাতালে যদি এমন হয়, আমরা তাহলে কোথায় যাবো?”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ভুল রিপোর্টের কথা স্বীকার করে হাসপাতাল (North Bengal Medical College) কর্তৃপক্ষের আসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম দাস বলেন, “নাম নথিভুক্ত করার সময় ভুল করা হয়েছে। দালাল চক্রের বিষয়ে আমরা খোঁজ নেবো। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হয় তো তিনি কোনও প্রকার খপ্পরে পড়ে ছিলেন।”

    উল্লেখ্য, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার সময় হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে সরকারি হাসপাতালে সুরক্ষিত নন, সেখান সাধারণ মানুষের কী অবস্থা বোঝাই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: রাজ্যবাসীর হয়রানির আরেক নাম এসএসকেএম! রোগীদের অভিযোগেই সিলমোহর মুখ্যমন্ত্রীর

    SSKM: রাজ্যবাসীর হয়রানির আরেক নাম এসএসকেএম! রোগীদের অভিযোগেই সিলমোহর মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসায় গাফিলতির পর প্রশ্নের মুখে সাধারণ মানুষের পরিষেবা! যা নিয়ে এবার বিরোধীরা নয়, প্রশ্ন তুললেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। নিজেই সরাসরি জানিয়ে দিলেন, এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছে। যার জেরে তাঁর বাড়তি ভোগান্তি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সরকারি হাসপাতালে (SSKM) মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসায় গাফিলতি হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কতখানি হয়?

    কী ধরনের হয়রানি হয় ভুক্তভোগীদের? (SSKM) 

    ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, এসএসকেএমে বহির্বিভাগে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষত যাঁরা জেলা থেকে আসেন, তাঁদের রাত থেকেই বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারে অপেক্ষা করতে হয়। তারপরেও চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা যায় না। 
    প্রয়োজনেও হাসপাতালে ভর্তি হতে একাধিক সমস্যা হয়। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতালে জরুরি পরিস্থিতিতেও ভর্তির সমস্যা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দালালদের সক্রিয়তার অভিযোগ ওঠে। হৃদ সমস্যা কিংবা স্নায়ুর জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। যা রোগীদের ভোগান্তি বাড়ায়। 
    এর পাশপাশি অস্ত্রোপচার নিয়ে একাধিক সময় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরোপুরি সুস্থ হতে অনেক সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবন হয় না। পাশপাশি, একাধিক জটিলতা তৈরি হয়। অধিকাংশ চিকিৎসক রোগীর সমস্যা ঠিকমতো বোঝা কিংবা তার সমাধান বোঝানোর সময় বরাদ্দ করেন না, এমনই অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতালের (SSKM) অধিকাংশ চিকিৎসক রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তাই সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় একাধিক গাফিলতির ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি খোদ মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলায় কার্যত রোগীদের অভিযোগে সিলমোহর পড়ল বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। 
    এসএসকেএম হাসপাতালে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠেছিল, কবে সাবলম্বী হবে এসএসকেএম হাসপাতালে? কেন অস্ত্রোপচার পরবর্তী চিকিৎসায় এখনও পিছিয়ে সরকারি হাসপাতাল?! ঠিকমতো সংক্রমণ রুখতে পারে না এসএসকেএম, এমন অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। আর সেই কারণেই জটিল অস্ত্রোপচারের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী নানা সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত হন। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাসপাতাল থেকেই এই সংক্রমণ ঘটে।

    কী বলছেন এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ? (SSKM)

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি এসএসকেএম হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। তবে, সাধারণ মানুষের হয়রানি প্রসঙ্গে তাঁরা বলছেন, রোগীর ভরসা এসএসকেএম। হাসপাতালে কলকাতার পাশপাশি গোটা রাজ্যের মানুষ চিকিৎসা করান (SSKM)। তাই রোগীকে অপেক্ষা করতে হয়। রোগী অনুপাতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি গোটা দেশেই। তাঁদের দাবি, চিকিৎসা পরিষেবার মান যথেষ্ট উন্নত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: যাদবপুরের পর এসএসকেএম! হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার নার্সিং ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ

    SSKM: যাদবপুরের পর এসএসকেএম! হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার নার্সিং ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কলকাতার এসএসকেএম-এর (SSKM) নার্সিং হস্টেলের শৌচাগার থেকে এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। মৃত ওই ছাত্রীর নাম সুতপা কর্মকার। তিনি জেএনএম নার্সিং প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে হস্টেলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ। এসএসকেএম হাসপাতালের লিটন নার্সিং হস্টেলে থাকতেন ওই ছাত্রী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (SSKM)

    হস্টেল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের দেবীনগরে ২৬ নং ওয়ার্ডে। খবর পেয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তাঁর বাবা- মা। তাঁর বাবা সুদামা কর্মকার পেশায় একজন স্বর্ণকার। মা বেলা কর্মকার একজন গৃহবধূ। তাঁদের একমাত্র মেয়ে সুতপা। গত চার বছর ধরে কলকাতায় এসএসকেএম-এ (SSKM) পড়াশুনা করছিলেন সুতাপা। ঘটনার খবর পেয়ে শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ ধরে বাথরুমের দরজা বন্ধ ছিল। সুতপাকে এক বান্ধবী ডাকতে যান। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর তাঁর সাড়া না মেলায় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। খবর যায় ভবানীপুর থানায়। পুলিশ হস্টেলে বাথরুমের দরজা ভেঙে সুতপার নিথর দেহ উদ্ধার করে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তাঁর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে। সুতপার বান্ধবী ও হস্টেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলিশ কথা বলেছে। সুতপার বান্ধবীরা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মেলামেশা কমিয়ে দিয়েছিল। কথাবার্তাও খুব কম বলত। অনেকবার তার কাছে সমস্যার কথা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, খোলসা করে ও কিছু বলেনি।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    যদিও স্থানীয় পুর কো-অর্ডিনেটর অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন আমাকে ফোন করে ওই ছাত্রীর বাবা-মাকে দ্রুত কলকাতায় পাঠানোর জন্য বলে। সুতপা খুব অসুস্থ রয়েছে তা জানানো হয়। তার বাবা-মা ইতিমধ্যেই কলকাতার এসএসকেএমে (SSKM) পৌঁচ্ছে গিয়েছে। এর বেশি আর কিছু জানা নেই। আমরা পাড়া প্রতিবেশীরা সকলেই চিন্তায় আছি। সুতপার বাবা সুদামা কর্মকার বলেন, আমার মেয়ে এভাবে মারা যেতে পারে না। আমি এই ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: মদনের বিরুদ্ধে এফআইআর! কুণালের সঙ্গে বৈঠকের পর সুর নরম বিধায়কের

    Madan Mitra: মদনের বিরুদ্ধে এফআইআর! কুণালের সঙ্গে বৈঠকের পর সুর নরম বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্রের (Madan Mitra) বিরুদ্ধে এফআইআর করল এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে বাইক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবককে এসএসকেএম হাসপাতালে ৬ ঘন্টা ধরে ফেলে রাখার অভিযোগে উঠেছিল। তাঁকে বেড পাওয়ানোর জন্য হাসপাতাল চত্বরে হাজির হন মদন মিত্র। ফোন যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছেও। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হন কামারহাটি তৃণমূল বিধায়ক। এসএসকেএম হাসপাতাল বয়কটের ডাকও দেন তিনি।

    কোন কোন ধারায় মামলা তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে?

    জানা গেছে, এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ এবং ৫০৯ ধারায় এই অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পরেই মদন মিত্র জানিয়েছিলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। মদনের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঝামেলা এবার গড়াল কোর্ট পর্যন্ত।

    এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের অভিযোগ…

    এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছেন কামারহাটির বিধায়ক। হাসপাতালের অধিকর্তা ইতিমধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে মদন মিত্রের (Madan Mitra) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। শনিবার মদন মিত্র পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করেন। হাসপাতালের এক অধিকর্তা বলেন, ‘‘মদন মিত্রের দলবল হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এই ঘটনা কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না।’’ কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক হাসপাতালে দালালরাজ কায়েমের যে অভিযোগ তুলেছিলেন, তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে।

    সুর নরম কুণালের সঙ্গে বৈঠকের পরে

    শনিবার এসএসকেএম হাসপাতালের ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দেন মদন মিত্র। তাঁর নিশানায় চলে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলেই। মদন (Madan Mitra) বলেন, ‘‘গত পাঁচ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার সঙ্গে পাঁচ মিনিট কথা বলেননি। তৃণমূল দলটা মমতা বা অভিষেকের দল নয়।’’ কিন্তু কুণাল ঘোষের সঙ্গে শনিবার মাঝরাতে বৈঠকের পরেই রবিবারে তাঁর কন্ঠে অন্য সুর শোনা গেল। তিনি বলেন, ‘‘একজন চিকিৎসা পাচ্ছিল না বলে তাকে ভর্তির সাহায্য করার চেষ্টা করেছি মাত্র।’’ তৃণমূল সম্পর্কে তাঁর অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে। এদিন মদন বলেন, ‘‘দল আমাকে মন্ত্রী করেছে, দলের প্রতীকে আমি জিতেছি। বিধায়ক হয়েছি। দল গুরুত্ব দেয়নি একথা একবারও ভাবছি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sujay Krishna Bhadra: সুজয়কৃষ্ণ স্থিতিশীল! ‘কাকু’র শরীরে বড় জটিলতা নেই, ইডিকে জানাল এসএসকেএম

    Sujay Krishna Bhadra: সুজয়কৃষ্ণ স্থিতিশীল! ‘কাকু’র শরীরে বড় জটিলতা নেই, ইডিকে জানাল এসএসকেএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মাঝেমধ্যে হৃদ্‌স্পন্দনে ছন্দপতন ঘটলেও ওষুধের মাধ্যমে তা এখন অনেকটাই সুস্থ, ‘কালীঘাটের কাকু’। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের (Sujay Krishna Bhadra) ‘মেডিক্যাল রিপোর্ট’-এ এরকমই জানিয়েছে এসএসকেএম। কলকাতা হাইকোর্টে তা পেশও করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শরীরে বড় কোনও সমস্যা নেই বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকেও জানিয়েছে এসএসকেএম হাসপাতাল। 

    কী বলছে এসএসকেএম-এর রিপোর্ট

    আদালত সূত্রে খবর, হাইকোর্টে এসএসকেএম হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিভাগের তরফে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, ৬২ বছরের সুজয়কৃষ্ণ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত। তবে তাঁর রক্তচাপ (১০৬/৭০) এবং নাড়ির স্পন্দনে (৮৮/মিনিট) তেমন কোনও অস্বাভিকতা নেই। বুধবারের (৩ জানুয়ারি) ওই রিপোর্টে ইডি হেফাজতে থাকা সুজয়ের অন্য কোনও গুরুতর শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লিখিত হয়নি। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে প্রায় পাঁচ মাস পরে ‘কাকু’কে এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বার করে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকেরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁকে আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে একই বাক্য বার বার করে বলানো হয়। ওই সূত্রের খবর, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও।

    ইডির রিপোর্ট

    ইডি সূত্রের খবর, সুজয়কৃষ্ণের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছিলেন তাঁর চিকিৎসক দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়। ইডি হাইকোর্টে যে রিপোর্ট পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, এসএসকেএমের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান তাঁদের জানিয়েছেন যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শরীরে বড় কোনও সমস্যা (Major Complications) নেই। ডাক্তাররা তাঁর হৃদপিণ্ডে কোনও সিরিয়াস রিদম ডিসঅর্ডার (Ryth Disorder) পাননি। অর্থাৎ হৃদপিণ্ডের ছন্দ ঠিকই রয়েছে। চিকিৎসকদের মতামত নিয়ে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা বুধবার রাতেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দেন। 

    আরও পড়ুন: ইডির উপর হামলায় যুক্ত কারা? ছবি দেখিয়ে তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করলেন শুভেন্দু

    কেন শয্যা দখল

    শরীরে বড় কোনও সমস্যা না থাকলেও কেন এখনও এসএসকেএম হাসপাতালের বেড দখল করে রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকী আদালতও এ নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। পিজি হাসপাতাল হল উৎকর্ষতার দিক থেকে রাজ্যের অন্যতম নামী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। সাধারণ মানুষ সহজে পিজিতে চিকিৎসার জন্য বেড পান না। এই অবস্থায় শরীরে গুরুতর সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও সুজয়কৃষ্ণকে পিজিতে রেখে দেওয়া হয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে সাধারণ মানুষ জায়গা পাচ্ছেন না। অথচ  কালীঘাটের কাকু সেখানে বেড দখল করে  রয়েছেন প্রায় ৪ মাস ধরে। কোন যুক্তিতে তিনি হাসপাতালে তা জানতে চাইছে আদালতও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “ক’জন ভিআইপি ভর্তি? কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?’’ এসএসকেএমের জবাব চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: “ক’জন ভিআইপি ভর্তি? কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?’’ এসএসকেএমের জবাব চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, ‘গায়ে নোংরা মাখলেও যম ছেড়ে কথা বলে না’! নিয়োগ কেলেঙ্কাকারিতে অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর হয়েছে সেই দশা। অভিযোগ, ইডিকে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেবেন না বলে মাসের পর মাস পড়েছিলেন রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম হাসপাতালের বেড দখল করে। শেষমেশ বুধবার রাতে কণ্ঠস্বরের নমুনা মেলে ‘কাকু’র।

    কী বলল আদালত?

    তার পরেই বিপাকে পড়েছেন কাকু এবং এসএসকেএম। কোনও একজন কীভাবে দিনের পর দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে পারেন, প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta high court) প্রধান বিচারপতির। এ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “সংশোধনাগারের নিজেদের একটি হাসপাতাল থাকে। যখন সেই হাসপাতাল চিকিৎসা করতে ব্যর্থ হয়, তখনই তাঁকে সংশোধনাগারের অধীনে কোনও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার মানে এই নয়, ওই ব্যক্তিকে পাঁচ-ছ’ মাস হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হবে। সেটা অবশ্য নির্ভর করবে চিকিৎসকদের ওপর। এক্ষেত্রে আদালত কী করবে? তবে দিনের পর দিন হাসপাতালের বেড দখল করে রাখা ঠিক নয়।”

    ‘প্রভাবশালীরা কী কী সুবিধা পান?’

    এ বিষয়ে এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টরকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত (Calcutta high court)। প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাসপাতালে ভর্তি প্রভাবশালীরা কী কী সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁদের শারীরিক অবস্থা কী রকম এই সব কিছু জানাতে হবে রিপোর্টে। একই সঙ্গে বলতে হবে এঁদের তুলনায় অন্য রোগীদের কী কী সুবিধা দেওয়া হয়।” প্রধান বিচারপতি জানতে চান, কতজন প্রভাবশালী ওই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন? ১০ জন হবে? কেন তাঁদের তিন-চার মাস ধরে হাসপাতালে রাখা হয়েছে?

    এদিকে, এদিন এসএসকেএমের হৃদরোগ বিভাগের তরফে আদালতে যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ‘কাকু’র তেমন কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। তবে সুস্থ থাকার জন্য তাঁকে দিনে আট রকমের ওষুধ খেতে হয়।

    আরও পড়ুুন: “অভিষেক নাদান, কুণাল ননসেন্স!” মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণ তৃণমূল বিধায়কের

    অন্যদিকে, জোকা ইএসআই হাসপাতালে ‘কাকু’র গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার পরেই বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর আইনজীবী। ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বেঞ্চকে (Calcutta high court) তিনি বলেন, “সুজয়কৃষ্ণকে মামলায় যুক্ত না করেই কণ্ঠস্বর পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা দেওয়া যায় না।” তাই কাকুর মামলাটি বেঞ্চ আদৌ গ্রহণ করবে কিনা, তা নিয়েই রয়েছে ধন্দ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নালিশ জানাল বিজেপি। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ না হয়েও এসএসকেএম হাসপাতালে শয্যা দখল করে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস দিতে বলে উচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে।

    হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    গ্রেফতারির পর কিছুদিন প্রেসিডেন্সি জেলে থাকলেও কালীঘাটের কাকুর বর্তমান ঠিকানা এসএসকেএম হাসপাতাল। একাধিকবার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে ইডি। এসএসকেএম হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর ভর্তির থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র এসএসকেএমে অপ্রয়োজনে ভর্তি হয়ে বেড দখল করে রেখেছেন। ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই। মামলকারী এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    ইডির সন্দেহ

    প্রথম থেকেই বিজেপি কাকুর অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এতদিন ধরে তিনি ঠিক কোন অসুখে ভুগছেন, তা জানতে চান সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষরা। ইতিমধ্যেই কাকুর স্বরবদলের চেষ্টার একটা অভিযোগও এসেছে বিরোধী শিবিরগুলির তরফে। এ প্রসঙ্গে আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, কালীঘাটের কাকুর ভোকাল কর্ডে একটা অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে শুনছি। গলার স্বর বদলের চেষ্টা চলছে। তাই এসএসকেএমে রাখা হয়েছে তাঁকে। এর আগে ইডি আদালতে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার আগের দিনই কাকুকে এসএসকেএম আইসিইউয়ে শিফট করে দেয় বলে অভিযোগ জানায় ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share