Tag: State Election Commission

State Election Commission

  • Panchayet Election: রাজ্যপাল-কমিশনার সাক্ষাৎ! মনোনয়নে ভিডিওগ্রাফির পরামর্শ বোসের

    Panchayet Election: রাজ্যপাল-কমিশনার সাক্ষাৎ! মনোনয়নে ভিডিওগ্রাফির পরামর্শ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের সঙ্গে শনিবার সাক্ষাৎ করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাৎ সারতেই রাজভবনে যান তিনি। জানা গিয়েছে, এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে কিনা, তা জানতে চান রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করানোরও পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল, সূত্রের খবর এমনটাই।

    কী বললেন রাজ্যপাল?

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এদিন কমিশনারকে প্রশ্ন করেন, ‘‘পর্যাপ্ত ফোর্স কি রয়েছে? কেন্দ্রীয় বাহিনী কি আনা হবে?’’ উত্তরে কমিশনার বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার সিদ্ধান্ত সাধারণত আদালত নেয়। মামলা আদালতে বিচারাধীন। সেক্ষেত্রে আপাতত আদালতের দিকেই তাকিয়ে তাঁরা।’’ অন্যদিকে শান্তিপূর্ণভাবে যাতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিকে নজর দেয় কমিশন, রাজ্যপাল এদিন সেই পরামর্শও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: সাংগঠনিক ভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী, শতাধিক বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ল নদিয়ায়

    ১৩ জুন সর্বদলীয় বৈঠক

    পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে প্রথম দিন থেকেই রাজনৈতিক হিংসার আগুনে জ্বলছে বাংলা। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে এক বিরোধী কর্মীকে খুনের অভিযোগও উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। জায়গায় জায়গায় শাসকদলের বিরুদ্ধে ব্লক অফিস ঘিরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এসবের মধ্যেই এবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৩ জুন এই সর্বদলীয় বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। সাধারণভাবে সর্বদলীয় বৈঠকের পরেই ভোট ঘোষণার রীতি। কিন্তু সেসব না মেনে একতরফা ভোট ঘোষণা করে দেয় কমিশন। প্রথমদিনে মনোনয়ন নিতে প্রস্তুতও ছিল না বেশিরভাগ ব্লক অফিস। তারা জানায়, নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত নথি তাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। উল্লেখ্য, সর্বদলীয় বৈঠক না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিনই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন। শুভেন্দুর বক্তব্য ছিল, ‘‘কোনওরকম সর্বদলীয় বৈঠক না করেই একতরফাভাবে ভোট ঘোষণা করা হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে আদালত অবমাননার মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আদালত অবমাননার রুলের উত্তর দিতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে রাজীবকে। তবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এ-ও জানান যে, আদালত প্রয়োজন মনে করলে আবার ডেকে পাঠাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে। ৮ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করেননি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় গত শুনানিতে হাইকোর্ট রাজীবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে। শুক্রবার ওই মামলার শুনানিতে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন রাজীব। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ আদালতে পৌঁছে যান তিনি। এদিন, তাঁকে রুলের উত্তর দিতে সময় দিয়েছে আদালত। 

    কেন রুল জারি করে আদালত

    কোনওপ্রকার অসাংবিধানিক বা বেআইনি ঘটনা ঘটলে হাইকোর্ট নিজে অথবা কারও দায়ের করা মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারে। একেই রুল জারি বলা হয়। রাজীবা সিনহার ক্ষেত্রে আজ শুক্রবার সেই রুলের শুনানি ছিল। রুল অনুযায়ী, জবাব দেওয়ার জন্য ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া হোক, শুক্রবার সেই আর্জি জানান কমিশনার। এরপর প্রধান বিচারপতি রুলের শুনানির দিন স্থির করেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছ রাজীবা সিনহাকে। তার মধ্যে উত্তর দিতে হবে তাঁকে। ৮ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়ে গত ডিসেম্বরে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। শুধু তা-ই নয়, অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নজরদারিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর আর্জি জানান তিনি। বিভিন্ন প্রচারসভা থেকেই শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমেই অশান্তি ছড়াচ্ছে। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election Case: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    Panchayat Election Case: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্যসমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মোট ৭৩টি মামলার (Panchayat Election Case) শুনানি হতে চলেছে। বিভিন্ন এজলাসে এই মামলাগুলো চলবে। যার মধ্যে ২৬টি রয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই জনস্বার্থ মামলাগুলো রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের এজলাসে। মোট ৭৩টি মামলার মধ্যে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে রয়েছে ১৬টি মামলা। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রয়েছে ২৮টি মামলা।

    ভোট সংক্রান্ত মামলার সেঞ্চুরি

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election Case) সংক্রান্ত বিষয়ে মামলার পাহাড় নিয়ে একাধিক বার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। দিন দিন মামলার সংখ্যা বেড়েছে। আইনজীবীদের একাংশের ধারণা, পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা থেকে এত দিন পর্যন্ত মামলার সংখ্যা অনায়াসে শতাধিক পার করে দিয়েছে। তবে এক দিনে পঞ্চায়েতের ৭৩টি মামলা শুনানির তালিকায় রয়েছে এর আগে দেখা যায়নি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য সোমবারের দিনটি হাই কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।  সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রধান বিচারপতির এজলাসে এই মামলাগুলির শুনানি শুরু হওয়ার কথা। শুরুতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ কয়েক জনের করা পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, অশান্তি, কারচুপির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি রয়েছে। গত শুনানিতে এই মামলাতেই হাই কোর্ট জানিয়েছিল, আদালতের নির্দেশের উপরেই জয়ী প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। সেই মতো রাজ্য নির্বাচন কমিশন জয়ীদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিও জারি করে। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির কেন্দ্রীয় দল হুগলির সন্ত্রাস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করল রবিবার

    কোন কোন মামলার শুনানি আজ

    এছাড়াও সোমবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election Case) উল্লেখযোগ্য মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর দায়ের করা মামলাও। সেই মামলায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন। পাশাপাশি, সোমবার শুনানির তালিকায় রয়েছে রাজ্যে একমাস কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার আবেদনও। এর পাশাপাশি, বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের তিনটি মামলার শুনানি রয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। এই মামলাগুলোর শুনানি হতে পারে বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে।পাশাপাশি, বিচারপতি সেনগুপ্তর এজলাসে বিরোধীদের প্রতি রাজ্য পুলিশের অতিসক্রিয়তা ভোট পরবর্তী হিংসা ও বিরোধীদের ওপর অত্যাচারের মামলারও শুনানি হতে পারে। গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যালট, ভোটবাতিল, ছাপ্পা, জয়ী প্রার্থী নিয়ে বিতর্ক, ভোটের শংসাপত্র নিয়ে অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলো শুনতে পারেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Elections 2023: পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিজেপির দেওয়া বুথের তালিকা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ জেলাশাসকদের

    Panchayet Elections 2023: পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিজেপির দেওয়া বুথের তালিকা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোথাও বুথ দখল, কোথাও আবার অবাধে ছাপ্পা। এভাবে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayet Elections 2023) বেশ কিছু আসনে তৃণমূল ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ। এমনই প্রায় ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে (State Election Commission) চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। পদ্ম শিবিরের দেওয়া সেই সব বুথের তালিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ জেলাশাসককে দিল কমিশন। এই মর্মে জেলাশাসকদের চিঠিও পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    রক্তের হোলি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য। ওই দিনই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হন এক কংগ্রেস কর্মী। তার পর থেকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তের হোলি খেলা চলেছে রাজ্যে। কোথাও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছেন বিরোধী দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক। কোথাও আবার তৃণমূলের সঙ্গে যুব তৃণমূলের (Panchayet Elections 2023) লড়াইয়ের বলি হয়েছেন জোড়াফুল শিবিরের কোনও কর্মী। পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে ৮ জুলাই।

    ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি

    সেদিনও রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা। এই একদিনেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ২২ জন। সব মিলিয়ে পুরো নির্বাচন পর্বে খালি হয়ে গিয়েছে ৫২ জন মায়ের কোল। নির্বাচনোত্তর অশান্তির ঘটনাও ঘটেছে। নির্বাচনের পরের দিনই কমিশনকে ইমেল করা হয় গেরুয়া শিবিরের তরফে। তাতে প্রায় ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। পাঠানো হয় বুথের তালিকাও। সেই তালিকাই যাচাই করতে বলল কমিশন। শুধু তাই নয়, যেসব বুথের উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব বুথে পুনর্নির্বাচনের কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে একদিনের মধ্যেই কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে। স্ক্রুটিনি ও পুনর্নির্বাচন করানো হয়েছে, এমন বুথ বাদে বাকি বুথগুলোতে কী কী অভিযোগ রয়েছে, সেই অভিযোগের ভিত্তি রয়েছে কিনা, পুনর্নির্বাচন করার মতো কিনা, তাও জানাতে হবে। 

    আরও পড়ুুন: বাড়ি কিনে তোলাবাজির মুখে শিক্ষক, ৫ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় বাড়িতে তাণ্ডব, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার

    এদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Elections 2023) ফল নিয়ে রবিবার পর্যালোচনায় বসছে বঙ্গ বিজেপি। সল্টলেকের বিজেপি অফিসে হবে বৈঠক। উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরাও। ভোট-সন্ত্রাস, রাজ্য প্রশাসনের রাজনীতিকরণের অভিযোগ নিয়ে হবে আলোচনা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলের নিরিখে কোন জেলায় দলের সাংগঠনিক অবস্থা কেমন, তাও খতিয়ে দেখা হবে রবিবারের বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোছা গোছা ব্যালট পেপার ছিঁড়ে, মুখে পুরে দিয়ে রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তৃণমূলের (Tmc) এক প্রার্থী। দিনভর আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনিই। ভোটে জিততে যে কত রকমের ছলাকলার আশ্রয় নেওয়া যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের ওই প্রার্থী। কিন্তু সেদিন যেমন শেষ রক্ষা হয়নি, ফলাফল ঘোষণার পরও তা হল না। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট করানোর নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশন মোট ২০টি বুথে পুনরায় নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে। তার মধ্যে সব চেয়ে বেশি বুথ রয়েছে হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে, ১৫ টি। এরপরই স্থান উত্তর ২৪ পরগনার। সেখানে পুনরায় ভোট হবে ৪ টি বুথে। এছাড়া ভোট হবে সিঙ্গুরের একটি বুথে।

    কী হয়েছিল সেদিন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) সিপিআইএম প্রার্থীকে হারাতেই ব্যালট পেপার চিবিয়ে খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Tmc) ওই প্রার্থী। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ২ নম্বর ব্লকের অশোকনগর সেক্রেটারি বয়েজ হাই স্কুলের। জানা গিয়েছে, গণনার শেষে ৪ ভোটে জয়ী হন সিপিআইএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার। অভিযোগ, এরপর গণনা কেন্দ্রে ঢুকে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মহাদেব মাটি। তারপর তিনি সিপিএম প্রার্থীর ৪টি ব্যালট ছিঁড়ে খেয়ে নেন এবং বাকি ব্যালট ছড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এর পর প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল ওই কেন্দ্রের গণনা।

    সিপিএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার জানিয়েছিলেন, ৪ ভোটে জেতার পর জয় নিশ্চিত করার আগে ফের গণনা হওয়ার কথা ছিল। এমনটা তাঁকে জানানোও হয়েছিল। তখন সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী। এজেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর সোজা ব্যালটের দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৫ টা ব্যালটের তোড়া হাতে তুলে নিয়ে তা ছিঁড়ে অর্ধেক মুখে পুরে খেয়ে নেন তৃণমূল প্রার্থী (Tmc)। আর বাকিটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে দেন।

    কোন ২০ টি বুথে ফের ভোট?

    কমিশন যে নির্দেশ দিয়েছে, তাতে মোট ওই ২০টি বুথে ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল সাঁকরাইলের মানিকপুর ২৪৭ থেকে ২৫৪ নম্বর পর্যন্ত মোট ন’টি বুথ, সারেঙ্গার ২৬৭, ২৬৮ (দু’টি), ২৭১ (দু’টি) এবং ২৭৭ নম্বর বুথ। সিঙ্গুরের বেরাবেরির ১৩ নম্বর বুথ এবং হাবড়া ২-এর ভুরকুণ্ডার ১৮ নম্বর বুথ (দু’টি), ৩১ নম্বর বুথ এবং গুমা পঞ্চায়েত কেন্দ্রের ১২০ নম্বর বুথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ মতো পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে প্ল্যান করে দিল বিএসএফ। কিন্তু সেখানে দেখা যাচ্ছে, সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। মূলত স্পর্শকাতর বুথ গুলিতেই রাখা হচ্ছে। এ নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নতুন প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)। তাঁর প্রস্তাব, কোনও বুথে হাফ সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে একটি এবং দু’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে হাফ সেকশন বাহিনী (অর্থাৎ ৫ জন জওয়ান। যার মধ্যে সক্রিয় থাকবেন চার জন), তিনটি এবং চারটি বুথ থাকলে কমপক্ষে এক সেকশন বাহিনী, পাঁচ এবং ছ’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে দেড় সেকশন বাহিনী এবং সাতটি বা তার থেকে বেশি বুথ থাকলে কমপক্ষে দু’সেকশন বাহিনী মোতায়েন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী

    বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার রাজীব সিংহের সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বেশি বৈঠক করার পর আইজি (বিএসএফ) জানিয়েছেন, সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। বুথগুলিতে মোতায়েন করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজ্য পুলিশও। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব রাখা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)-র তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ‘স্ট্রংরুম’ (যেখানে ব্যালটবাক্স এবং ইভিএম রাখা হয়)-এ ১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। যার মধ্যে ৮০ জন জওয়ান সক্রিয় ভাবে মোতায়েন থাকবেন। 

    আরও পড়ুন: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)  বুথে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) সমান অনুপাতে দিতে হবে, এমনই নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। অর্থাৎ একটি বুথে এক জন রাজ্য পুলিশ থাকলে একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও রাখতে হবে। পুরো বিষয়টি কীভাবে করা হবে হাইকোর্ট তা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে বিএসএফ আইজি-কে। সেই নির্দেশ মেনে কাজ করা হলেও, সমস্যা থেকে যাচ্ছে। অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যেরা রাজ্যের কোনও বুথে একক ভাবে কাজ করতে চাইছেন না। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের যা অবস্থা তাতে জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’ রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর। বিএসএফ, আইটিবিপি-সহ সব বাহিনীর কর্তারা জানিয়েছেন, কোনও জায়গায় এক সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। এক সেকশনের সদস্য সংখ্যা ১১ জন। শুধুমাত্র ভোটের ক্ষেত্রে কোনও বুথে হাফ সেকশন বাহিনী থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন বুথে কত কোম্পানি কোন বাহিনী জানেন?

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন বুথে কত কোম্পানি কোন বাহিনী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat election 2023)। ভোট হবে এক দফায়। রাজ্যে আসছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে তার পরেও রাজ্যের সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব নয়। তাই হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের প্রতিটি বুথে ৫০:৫০ অনুপাতে মোতায়েন করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী। কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে, কেন্দ্রকে তার হিসেব দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি অশান্তি হতে পারে মুর্শিদাবাদে। এই জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৪৫ কোম্পানি বাহিনী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুর (Panchayat election 2023) ও হাওড়ায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৭ কোম্পানি বাহিনী। এর পর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৫ কোম্পানি। পূর্ব বর্ধমানে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৩ কোম্পানি। নদিয়ায় ৩১ কোম্পানি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মালদহে ৩০ কোম্পানি এবং কোচবিহার ও হুগলিতে ২৮ কোম্পানি করে। একমাত্র কালিম্পংয়ে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না।

    রাজ্য পুলিশ

    কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়াও থাকছে ২০টি রাজ্যের পুলিশ। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণাচল প্রদেশ, তেলঙ্গনা, কেরল, ত্রিপুরা, কর্নাটক, গুজরাট, চণ্ডীগড়, পঞ্জাব, বিহার, ছত্তিশগড়, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, হায়দ্রাবাদ, গোয়া, মিজোরাম, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং অসম। পশ্চিম বর্ধমানে মোতায়েন করা হবে ৫ কোম্পানি অসম পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানে (Panchayat election 2023) ১০ কোম্পানি রাজস্থান পুলিশ এবং ২ কোম্পানি অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ ও ৫ কোম্পানি কর্নাটক পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরে ২ কোম্পানি ঝাড়খণ্ড পুলিশ, ২৭ কোম্পানি বিহার পুলিশ ও ৮ কোম্পানি নাগাল্যান্ড পুলিশ। হুগলিতে ১০ কোম্পানি হায়দ্রাবাদ পুলিশ, ২ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ, ৬ কোম্পানি গোয়া পুলিশ, ১ কোম্পানি মিজোরাম পুলিশ, ২ কোম্পানি তেলঙ্গানা পুলিশ এবং ২ কোম্পানি মহারাষ্ট্র পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় এবারও জিতবে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রী পদে পছন্দ মোদি-ই! বলছে সমীক্ষা

    হাওড়ায় ৩ কোম্পানি মহারাষ্ট্র পুলিশ ও ২ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনায় ১০ কোম্পানি ছত্তিশগড় পুলিশ এবং ৮ কোম্পানি তামিলনাড়ু পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০ কোম্পানি পঞ্জাব পুলিশ, ১৩ কোম্পানি বিহার পুলিশ (Panchayat election 2023) এবং ৫ কোম্পানি ছত্তিশগড় পুলিশ। দার্জিলিংয়ে ২ কোম্পানি চণ্ডীগড় পুলিশ। মুর্শিদাবাদে গুজরাট পুলিশ থাকছে ২ কোম্পানি। নদিয়ায় থাকছে ২ কোম্পানি ত্রিপুরা পুলিশ, ৫ কোম্পানি কর্নাটক পুলিশ, ৮ কোম্পানি কেরালা পুলিশ, ৩ কোম্পানি অরুণাচল পুলিশ এবং ১ কোম্পানি তেলঙ্গানা পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শীঘ্র বাকি কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে বলে সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিষয়টা হলফনামা দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও জানিয়েছে কেন্দ্রের আইনজীবী। এর আগে প্রথম দফায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পরে আরও ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল রাজ্যে। তৃতীয় দফায় ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ঘোষণা

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, অন্তত ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ কম করে ৮০০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন করতে হবে পঞ্চায়েত ভোটে। হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর মোট ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েই মূলত আদালত অবমাননার একটি মামলা চলছিল হাইকোর্টে। শুনানি চলাকালীনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয় পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বাকি ৪৮৫ কেন্দ্রীয় বাহিনীও পাঠানো হবে। এরপরই ওই মামলার সওয়াল-জবাব এদিনের মতো স্থগিত করে দেয় উচ্চ আদালত। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই নিয়ে শুনানি হবে ডিভিশন বেঞ্চে। 

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

    এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি

    এবার এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বাংলায়। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) যা বিরল শুধু নয়, এক কথায় বেনজির। এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটেও ৮২০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন হয়েছিল। কিন্তু সেবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মাত্র ২৬০ কোম্পানি বাহিনী পাঠিয়েছিল। যেহেতু ভোটগ্রহণ পাঁচ দফায় হয়েছিল, তাই ওই ২৬০ কোম্পানি বাহিনীকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়।  আগেই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। ওই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর জওয়ানরা ধাপে ধাপে রাজ্যে আসতেও শুরু করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩২৩ কোম্পানির মধ্যে বিএসএফ থেকে ১০০ কোম্পানি, সিআরপিএফ থেকে ৭৩ কোম্পানি, এসএসবি থেকে ৫০ কোম্পানি, সিআইএসএফ থেকে ৪০ কোম্পানি আরপিএফ থেকে ৩০ কোম্পানি এবং আইটিপিবি থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। এ ছাড়াও ২০টি রাজ্য থেকে আসবে ১৬২ কোম্পানি বাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: চাপ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Elections 2023: চাপ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারের কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুই বাম প্রার্থীকে চাপ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করানো হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন টিম গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আগামী সোমবার কমিশনকে হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

    প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে

    মনোনয়ন পর্ব শেষ হতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে অভিযোগ আসছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ তৈরি করার অভিযোগ উঠছে বিরোধীদের তরফে। ডায়মন্ড হারবারের নেত্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রার্থী গৌতম হালদার এবং আবদুল্লা শেখের ওপর মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ তৈরি করা হচ্ছে। অভিযোগ, তাঁরা কখনও হুমকি মুখে পড়ছেন, কখনও আবার তৃণমূলের লোক পুলিশ নিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সিপিএম প্রার্থীরা। গোটা বিষয়টি উল্লেখ করে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

    আরও পড়ুুন: ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, এই অভিযোগ খতিয়ে দেখবে কমিশন।  বিশেষ টিম গঠন করে তদন্ত করা হবে। আগামী সোমবারের মধ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দেবে কমিশন। পঞ্চায়েত ভোটের এখনও বাকি দিন কুড়ি। কিন্তু, তার আগে মনোনয়ন পর্বেই তুমুল অশান্তির ছবি দেখতে পাওয়া গিয়েছে গোটা বাংলায়। ঝরেছে রক্ত। প্রাণ গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক কর্মীর। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়, ক্যানিং,কাকদ্বীপ-সহ বিভিন্ন এলাকা। যদিও মনোনয়নের কাজ শেষ হলেও তা প্রত্যাহারের জন্য ইতিমধ্যে বিরোধী প্রার্থীদের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: রাজ্যে আসছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী, কমিশনকে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    Panchayat Vote: রাজ্যে আসছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী, কমিশনকে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ কোম্পানির পরে আসতে চলেছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী। আগেই জানা গিয়েছিল মোট ৮২২ কোম্পানি বাহিনী ধাপে ধাপে আসেব। সেই মতো এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী অবিলম্বে বিভিন্ন জেলায় জেলায় যাবে। ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী কোথায় কত মোতায়েন হবে, তা নিয়েই একটা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। অমিত শাহের মন্ত্রক এনিয়ে কমিশনকে চিঠিও পাঠায়। জানা গিয়েছে, সোমবার বাহিনী মোতায়েন নিয়ে একটা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে দিয়েছে কমিশন। সেই তালিকা অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জন্য ৬ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ২৪ কোম্পানি, বীরভূমে ১৯ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪ কোম্পানি, কোচবিহারের ১৪ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬ কোম্পানি, দার্জিলিংয়ে ৫ কোম্পানি, হুগলি ১২ কোম্পানি, হাওড়ায় ১০ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।

    বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে?

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই যেন অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বাংলা। শাসকদলের বিরুদ্ধে লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিজেপি সমেত বিরোধী দলগুলি। ভোট ঘোষণার পর থেকে ঝরেছে ১০টি তাজা প্রাণ। মঙ্গলবারও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটা। এমতো অবস্থায় মালদায় বাহিনীকে ফুল ছুড়ে স্বাগত জানাতে দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্য প্রশাসনের ওপর ক্রমশই ভরসা হারচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের ধারণা, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনীই মানুষকে ভোটাধিকার দিতে পারে।’’ সূত্রের খবর, বাহিনী ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নোডাল অফিসার বিএসএফের আইজি ও সিআরপিএফের ডেপুটি কম্যান্ড্যান্টের সঙ্গে কমিশন চার দফা বৈঠকও করে।  বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে? বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেটা বুধবার স্পষ্ট হতে পারে। ওই দিন বাহিনী সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।

    কী বলছে বিজেপি?

    বাহিনী ইস্যুতে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বাহিনী বিষয়ে জটিলতা থাকল কী থাকল না তা নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত নয়। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই শাসক দল নিজের কাজ দেখিয়েছে। ওদের লক্ষ্যই হল লুঠ করা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট করা। এর জন্যই রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছিল না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বাকী ৪৯৫ কোম্পানি বাহিনী যদি কেন্দ্র দিয়েও দেয় তাহলে তা কি দ্রুত মোতায়েন সম্ভব?’’ একদফার ভোট নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। শমীকের কথায়, ‘‘একদিনে ভোট (Panchayat Vote) করিয়ে মানুষকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ক্ষমতা এই নির্বাচন কমিশনের আছে? এগারো দিনে ৯ জন খুন হয়ে গেল। এই হচ্ছে এই রাজ্যের পরিস্থিতি।’’ 

    আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share