Tag: state election commissioner

state election commissioner

  • Calcutta High Court: রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশের অর্থ আদালতে হাজির হতে হবে রাজীব সিনহাকে। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশ অবমাননা করা হয়েছে। অবমাননার আইন অনুযায়ী, রুল জারি করার নির্দেশ রয়েছে। ২৪ নভেম্বর আদালতে এসে উত্তর দিতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীবকে।

    মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু 

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর করা এই মামলায় এই রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। শুভেন্দুর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী জানান, রুল জারি হওয়ায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে সশরীরে আদালতে এসে জবাবদিহি করতে হবে। জানাতে হবে, কেন তিনি আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছেন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার আবেদন

    চলতি বছরই রাজ্যে হয় ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার আবেদন জানিয়ে ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু। অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নজরদারিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানোর আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানোর নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানায়, হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা কার্যকর করা সম্ভব নয়। কারণ নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে রাজ্য। তাই রাজ্যকে এই অনুরোধ করা তাদের কাজ নয়।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অন্তঃসত্ত্বার পেট ফালা ফালা করা, পাশে পড়ে গর্ভস্থ শিশু’’! প্রকাশ্যে হামাস জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলা

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও, আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ কার্যকর করেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাই আদালত অবমাননা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কমিশন যে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করেনি, তা সংবাদপত্র মারফৎ জানতে পেরেছেন তিনিও।

    শুভেন্দুর দায়ের করা সেই মামলায়ই এবার রুল জারি করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, এবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে রক্তাক্ত। মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব থেকেই শুরু হয়েছিল হিংসা। যার জেরে এবার ভোটের বলি হন ৫৪ জন। এঁদের মধ্যে একজন ভোটারও রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বাহিনীর ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যসচিব, ডিজি

    Panchayat Election 2023: বাহিনীর ভবিষ্যৎ কী? কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যসচিব, ডিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে আর মাত্র ৬ দিন রয়েছে। এখনও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই কারণে রবিবার ফের বৈঠকে বসল কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং এডিজি। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশকে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েই আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাটতির বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। ভিন রাজ্য থেকে পুলিশ আনা হবে কিনা, তা নিয়েও হয় আলোচনা।

    রাজ্য পুলিশেই আস্থা!

    রাজ্য পুলিশ দিয়েই প্রথমে ভোট (Panchayat Election 2023) করাতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। আদালতের চাপে প্রথমে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চায় কমিশন। হাইকোর্টের গুঁতো খেয়ে ফের চায় ৮০০ কোম্পানি বাহিনী। যদিও প্রথম দফায় ২২ কোম্পানি ও দ্বিতীয় দফায় ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠায় নির্বাচন কমিশন। শনিবার ভোট। তার আগে বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রকে বকেয়া বাহিনী চেয়ে বারবার চিঠি দিয়েও উত্তর মেলেনি। তাই বিকল্প হিসেবে পুলিশ ব্যবহার নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী কম

    রাজ্যে বুথ (Panchayat Election 2023) রয়েছে ৬১ হাজার ৬৩৬টি। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে ৩৭ হাজার। অর্থাৎ প্রতি বুথে একজন করেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যাবে না। ভোটের জন্য আরও প্রায় ১ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন। রাজ্যের কাছে ওই সংখ্যক বাহিনী নেই। এদিনের বৈঠকে কোথায়, কত পুলিশ ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে পুলিশ নিয়ে আসার পরিকল্পনাও করেছে রাজ্য। এ ব্যাপারে নাকি পদক্ষেপও শুরু করে দিয়েছে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: হাইকোর্টে সশরীরে রাজীব সিনহা, কেন আদালতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার?

    Panchayat Election 2023: হাইকোর্টে সশরীরে রাজীব সিনহা, কেন আদালতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এদিন পঞ্চায়েত  নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি রয়েছে হাইকোর্টে। তাই রাজীব আদালতে উপস্থিত হওয়ায় দানা বাঁধে জল্পনা। রাজীব জানান, একটি হলফনামা দাখিলের জন্য আদালতে এসেছিলেন তিনি। তবে আদালত সূত্রে খবর, পঞ্চায়েতে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলায় একটি হলফনামায় সই করতে আদালতে এসেছিলেন রাজীব। হাইকোর্ট থেকে বেরনোর সময় পঞ্চায়েত নির্বাচনের দফা বৃদ্ধি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় রাজীবকে। তিনি জানান, দফা নিয়ে আদালতে কোনও কথা হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে রাজীব বলেন, বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে বাহিনী আসবে। মাঝে কয়েকদিন ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে জট পেকেছিল। তা খুলেছে।

    পঞ্চায়েত সংক্রান্ত মামলা

    এদিন পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে। এরই একটি হল কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করা হয়নি। এই অভিযোগ তুলে কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছিলেন বিরোধীরা। মামলাটি ওঠে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে।

    প্রধান বিচারপতির মন্তব্য

    শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, “বলতে বাধ্য হচ্ছি, এত কিছুর পরেও কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থাকছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করতে হচ্ছে। আপনারা দয়া করে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করুন। চাপ সামলাতে না পারলে রাজ্যপালের কাছে গিয়ে বলুন, আর পদ ছেড়ে দিন। অন্য কাউকে তিনি ওই পদে বসাবেন। ওই পদের অনেক গুরুত্ব আছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি চলছে উচ্চ আদালতে। এরই একটি হল, দফা বাড়িয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার দাবি সংক্রান্ত মামলা। মামলাটি দায়ের করেছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। এদিন সে প্রসঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনও পর্যন্ত যা নির্ঘণ্ট তাতে এক দফায়ই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: সুকান্ত বেরনোর পরেই রাজভবনে তলব রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে, এড়িয়ে গেলেন রাজীব!

    CV Ananda Bose: সুকান্ত বেরনোর পরেই রাজভবনে তলব রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে, এড়িয়ে গেলেন রাজীব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রে অগ্নিগর্ভ ভাঙড় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। শনিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করেন বালুরঘাটের সাংসদ। সুকান্ত রাজভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর পরই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তলব করেন রাজ্যপাল। পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতেই রাজভবনে তলব করা হয়েছে রাজীবকে। ভাঙড়ের সংঘর্ষের পর বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এহেন আবহে হওয়ার কথা ছিল রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠক। যদিও এদিন বেলার দিকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের তরফে রাজ্যপালকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্ক্রুটিনিতে ব্যস্ত থাকায় শনিবার তিনি দেখা করতে যেতে পারছেন না রাজ্যপালের সঙ্গে। তবে অন্য কোনও দিন ডেকে পাঠানো হলে, তিনি যেতে পারবেন।

    সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    এদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে বলে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শনিবারই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকায় আবেদন করা হয়েছে ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে।

    ভাঙড়ে রাজ্যপাল

    দিন কয়েক ধরে মাঝেমধ্যেই অশান্ত হয়েছে ভাঙড়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিজয়গঞ্জ বাজারে। শুক্রবার ওই বাজার ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। পরে যান ভাঙড় ১ ও ২ নম্বর বিডিও অফিসে। স্থানীয়দের পাশাপাশি কথা বলেন বিডিও অফিসের আধিকারিকদের সঙ্গেও। পরে রাজ্যপাল বলেন, “গণতন্ত্রের স্বার্থে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে হিংসাকে নির্মূল করতে হবে। কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শনিবার দুপুরে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুকান্ত। পরে তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যপাল বদ্ধপরিকর। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, যেভাবে সন্ত্রাস আটকানো সম্ভব, তা তিনি করবেন। রাজ্যপাল নিজে কাল ভাঙড়ে গিয়ে সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখে এসেছেন। বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “রাজ্যপাল তো আর সরাসরি মাঠে নেমে যুদ্ধ করতে পারেন না। তাঁকে যেভাবে কাজ করতে হয়, তিনি সেভাবেই করবেন। প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি ডেকে পাঠাতে পারেন। এখন যেহেতু নির্বাচন চলছে, তাই তিনি নির্বাচন কমিশনকে ডেকে পদক্ষেপ করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু, করলেন ‘বড়’ অভিযোগও

    Suvendu Adhikari: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু, করলেন ‘বড়’ অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ‘পোষ্য’ বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার বিকেলে কলকাতায় কমিশনের দফতরে জমায়েত করে বিজেপি। প্রথমে জেলায় জেলায় অশান্তি এবং মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে যান শুভেন্দু। বেরিয়ে এসে নয়া কমিশনারের বিরুদ্ধে উগরে দেন ক্ষোভ। কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রাজ্যে ১৪৪ ধারা সত্ত্বেও রক্ত ঝরছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

    তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন ও পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি, তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে কমিশনের দফতরেই। আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু যে রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। তাঁর অভিযোগ, হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কিছু নেই।

    ‘ভোট লুঠ করতে দেব না’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ করছেন কমিশনার রাজীব সিনহা। আদালতের নির্দেশ এখানে অভিযোগ গ্রহণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। যেসব জায়গায় বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি, তাঁরা কাল থেকে এখানে আসবেন। অভিযোগ জমা দেবেন। ২০১৩ ও ২০১৮ সালের মতো পঞ্চায়েত নির্বাচন এবার হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনওভাবেই এবার আমরা ভোট লুঠ করতে দেব না।”

    আরও পড়ুুন: গভীর রাত পর্যন্ত তৃণমূলের জেলা সভানেত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে কোন্দল

    নির্বাচনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নামানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। যদিও শুভেন্দুর দাবি, পুলিশের উর্দি পরিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সিভিক ভালান্টিয়ারদের গায়ে চাপানোর জন্য বীরভূমে সাড়ে তিন হাজার পুলিশের উর্দি অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বর্ধমানেও উর্দি বানানোর কাজ চলছে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। বলেন, “২০১৯ এবং ২০২১ সালে যে এলাকায় বিজেপি লিড পেয়েছিল, এখন সেখানে প্রার্থীই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শাসকদল যেভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে, তাতে ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জিতবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    Panchayat Election 2023: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ঢাকে কাঠি পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে খুন-জখম। নির্বাচন হবে ৮ জুলাই। শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব। প্রথম দিনেই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন কংগ্রেস কর্মী। জখম হয়েছেন তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশী মিলিয়ে ৪ জন। কাঠগড়ায় তৃণমূল। অশান্তি অব্যাহত দ্বিতীয় দিনেও। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল। এদিকে আবার আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়েছে রাজ্যের শাসক দলের এক নেতা।

    রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠক

    ঘটনার এহেন ঘনঘটার মধ্যেই শনিবার নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তলব করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সঙ্গে সঙ্গে রাজভবন দৌড়লেন রাজীব। প্রায় আধ ঘণ্টা রাজভবনে ছিলেন তিনি। বৈঠকের পর রাজ্যপাল সাফ জানিয়ে দেন, যে কোনও মূল্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতেই হবে। সূত্রের খবর, এদিন নির্বাচন কমিশনারকে রাজ্যপাল প্রশ্ন করেন, ‘পর্যাপ্ত বাহিনী রয়েছে কি? কেন্দ্রীয় বাহিনী আনছেন কি?’ প্রত্যুত্তরে কমিশনার জানান, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। মামলা বিচারাধীন, তাই আমরা আদালতের দিকে তাকিয়ে আছি।’ এর পরেই কমিশনারকে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন, ‘মনোনয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। শান্তিপূর্ণ মনোনয়নের দিকে নজর দিক কমিশন।’

    জেলায় জেলায় অশান্তি

    এদিকে, কমিশনারকে যখন রাজ্যপাল মনোয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন, তখনই পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় বিজেপিকে মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় পদ্ম-প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের। এক্ষেত্রেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। বীরভূমের লাভপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে প্রহৃত হয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সহ-সভাপতি সোমনাথ মণ্ডল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর হাত-পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে ব্যাপক অশান্তি হয় লাভপুরে।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেও মনোনয়ন (Panchayat Election 2023) পেশ করতে গিয়ে তৃণমূলের হামলার শিকার হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। এদিন মনোনয়নপত্র পেশ করতে গিয়েছিলেন বিজেপির ৫০ জন প্রার্থী। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, বিষ্ণুপুর গ্রামীণ মণ্ডল ১ এর সভাপতি তপন মাজুরি। বিডিও অফিসে ঢোকার আগেই তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এহেন আবহে রাজ্যপাল-নির্বাচন কমিশনার বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    এদিকে, আগামী ১৩ জুন হবে সর্বদল বৈঠক। সর্বদল বৈঠক না করেই ভোটের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়েছিল বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিরোধীরা। সেই সর্বদল বৈঠকই হবে ১৩ তারিখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rajiv Sinha: সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, রাজ্যের নয়া নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন রাজীব সিনহা

    Rajiv Sinha: সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, রাজ্যের নয়া নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন রাজীব সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ নয়া কমিশনার পাচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (state election commissioner)। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাই (Rajiv Sinha) হচ্ছেন নয়া নির্বাচন কমিশনার। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজীবকে ওই পদে নিয়োগের ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল। মাস কয়েকের মধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে এই নির্বাচন হবে রাজীবের নেতৃত্বেই। রাজীবের আগে এই পদে ছিলেন সৌরভ দাস। ২৮ মে মেয়াদ শেষ হয় তাঁর। তার পর থেকে শূন্যই ছিল নির্বাচন কমিশনারের পদ। সেই পদেই বসতে চলেছেন রাজীব। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    রাজীবের (Rajiv Sinha) নাম প্রস্তাব

    সৌরভের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজীবের (Rajiv Sinha) নাম প্রস্তাব করে রাজভবনে পাঠিয়েছিল নবান্ন। কিন্তু একটি মাত্র নামেই ছাড়পত্র দিতে রাজি ছিলেন না রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে আরও কয়েকটি নাম পাঠাতে বলা হয় নবান্নকে। এবার প্রস্তাব করা হয় রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদ মর্যাদার আধিকারিক অজিতরঞ্জন বর্ধনের নাম। এর পরেই নয়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজীবের নামে শিলমোহর দেন রাজ্যপাল।

    রাজীব ছিলেন মুখ্যসচিব

    এর আগে রাজ্যের মুখ্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন রাজীব। কোভিড-পর্বে ওই পদে ছিলেন তিনি। ওই সময় রাজীবের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর রাজীবকে দেওয়া হয় শিল্পোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যানের পদ। আর মুখ্যসচিব পদে বসানো হয় আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শিল্পোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যানের পদ থেকে এবার রাজীবকে নিয়ে যওয়া হল রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় অভিযান সিবিআইয়ের

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে সচরাচর রাজ্যের প্রস্তাবিত নামেই শিলমোহর দেন রাজ্যপাল। কেবল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে তিন নাম পাঠানোই দস্তুর। রাজ্যের ক্ষেত্রে যা খাটে না। তাই প্রথম নাম পাঠানোর পর রাজ্যপাল যখন দ্বিতীয় নাম চেয়ে পাঠান, তখনও তাতে আপত্তি করেনি নবান্ন। বিবাদ বাঁধে তার পরেই। রাজভবন তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠানোর পর। নবান্ন সাফ জানিয়ে দেয়, তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠানোর প্রস্তাব কোনওভাবেই মানবে না রাজ্য। এর পরেই শিলমোহর পড়ে রাজীবের নামে (Rajiv Sinha)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA: ‘ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করছি না…’, ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি প্রত্যাখ্যান করলেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা

    DA: ‘ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করছি না…’, ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি প্রত্যাখ্যান করলেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার চাপের মুখে পড়ে সরকারি কর্মীদের মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ (Dearness Allowance)ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি জানান রাজ্যের সকল কর্মচারী, শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পেনশনার সবাই এই ডিএ পাবেন। মার্চ থেকেই ৩ শতাংশ হারে  ডিএ দেওয়া হবে। তবে এই ৩ শতাংশ ডিএ নিয়ে মোটেও খুশি নয় সরকারি কর্মীরা। এতে চিঁড়ে ভেজার নয় বলেই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

    যা বললেন সরকারি কর্মীরা

    ডিএ নিয়ে আন্দোলনরত সরকারি কর্মীদের কথায়, ‘সরকার আজ ৩%ডি এ ঘোষণা করেছে। আমরা এতে সন্তুষ্ট নয়। আমাদের লাগাতার আন্দোলন চলবে। আগামী দিনে ডিএ আন্দোলন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। এটা মরুভূমিতে এক ফোঁটা জলের মতো।’ তিন শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি প্রত্যাখ্যান করে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করছি না। কর্মবিরতি হবে। সন্ধ্যার মধ্যে তারিখ জানানো হবে।

    ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (CEO) কার্যত ‘হুঁশিয়ারি’ চিঠি দিয়েছে আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের যৌথমঞ্চ (Joint Forum)। যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে স্পষ্ট করে বলা হয়েছ, সরকার ডিএ না দিলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আাগামী দিনে ভোটের ডিউটিতে (Election Duty) যাবেন না। রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই সময় সরকারি কর্মীরা ভোটের কাজে না গেলে এককথায় সমূহ বিপদে পড়তে হবে। বকেয়া মহার্ঘভাতার (DA) দাবিতে শহিদ মিনারে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে লাগাতার অবস্থান চলছে। 

    কেন্দ্র-রাজ্য ফারাক

    পঞ্চম বেতন কমিশন অনুযায়ী, কেন্দ্র ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের DA-র ফারাক ছিল ৩৪ শতাংশ। ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী সেই ব্যবধান বেড়ে হয় ৩৫ শতাংশ। এই ফারাক কবে মিটবে, তার সদুত্তর কারও কাছে নেই। রাজ্য সরকার ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করলেও ফারাক থাকবে ৩২ শতাংশ। রাজ্য সরকারি কর্মচারির প্রত্যাশার কাছাকাছিও যেতে পারেনি বুধবারের ঘোষণা। তৃণমূলপন্থী সরকারি কর্মচারি সংগঠনও সে কথা স্বীকার করছে। বিরোধী সংগঠনগুলি বৃহত্তর আন্দোলনের ডাকও দিচ্ছে। এ নিয়ে তৃণমূল সরকারি কর্মচারি ফেডারেশনের নেতা মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘রাজ্য ৩ শতাশ ডিএ ঘোষণা করেছে। কিন্তু সরকারি কর্মচারিদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ১৫ মার্চ এই সংক্রান্ত শুনানি রয়েছে। আপাতত সকলে সেই দিকেই তাকিয়ে।’’

    আরও পড়ুন: শীতের বিদায় বেলায় ফের পতন তাপমাত্রায়, জানুন আবহাওয়া আপডেট   

    ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ না মিললে লাগাতার কর্মবিরতিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মীরা। রাজ্য সরকারকে তাঁরা দু’দিন সময় দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আহ্বায়ক। দু’দিনের মধ্যে তাঁদের বকেয়া ডিএ না মেটানো হলে লাগাতার কর্মসূচির দিন ঘোষণা করবেন। এদিকে আন্দোলনকারীদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, টানা অনশনে বসে একাধিক সরকারি কর্মচারি অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share