Tag: state government

state government

  • Task Force: রাজ্যে রেল প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠন করল নবান্ন

    Task Force: রাজ্যে রেল প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠন করল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে থমকে থাকা ও প্রস্তাবিত রেল প্রকল্পগুলির কাজে গতি আনতে এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স (Task Force) গঠন করল রাজ্য সরকার। নবগঠিত এই টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবালকে। মুখ্যসচিব ছাড়া এই কমিটিতে আরও ১৯ জন উচ্চপদস্থ সদস্য রয়েছেন। সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কলকাতা সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (State Government) রেলের সমস্ত প্রকল্পে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। মূলত সেই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়িত করতেই নবান্নর এই তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    টাস্ক ফোর্সের মূল দায়িত্ব ও কার্যাবলি (Task Force)

    • নিয়মিত পর্যালোচনা: রাজ্যে প্রস্তাবিত ও নির্মাণাধীন রেল প্রকল্পগুলির কাজ কতদূর এগোল, তা নিয়মিত খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।
    • জটিলতা নিরসন: জমি অধিগ্রহণ, বিদ্যুৎ সংযোগ কিংবা রাস্তা নির্মাণ সংক্রান্ত যেসব সমস্যার কারণে প্রকল্পগুলি থমকে রয়েছে, তা দ্রুত সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    • সমন্বয় সাধন: রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন দফতরের কাজের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও প্রশাসনিক অনুমতি মেলার প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা হবে।

    বৈঠকের সময়সূচি

    প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে অন্তত একবার মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এই টাস্ক ফোর্সের (Task Force) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে মাসে একাধিকবারও বৈঠক হতে পারে। এ ছাড়া, কাজের গতি বজায় রাখতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ প্রতি সপ্তাহে টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে বসবেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি রেলমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নের বৈঠকের পর মুখ্যসচিব (State Government) জানিয়েছিলেন যে, প্রশাসনিক অনুমতির অভাবে রাজ্যে রেলের প্রায় ৭০টি প্রকল্প থমকে ছিল। রাজ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই টাস্ক ফোর্স (Task Force) গঠনের ফলে সেই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেকটাই ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Calcutta High Court: বেলডাঙায় পাঁচ কোম্পানি বিএসএফকে ব্যবহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বেলডাঙায় পাঁচ কোম্পানি বিএসএফকে ব্যবহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেখানে থাকা পাঁচ কোম্পানি বিএসএফকে (BSF) ব্যবহার করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালত এও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশও দিতে পারে।

    উত্তাল হয়েছিল বেলডাঙা (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গত শুক্র ও শনিবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল মুসলিম অধ্যুষিত বেলডাঙা। পথ অবরোধ, ভাঙচুর-সহ নানা অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। এই অশান্তির ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। মঙ্গলবার সেই মামলারই শুনানি হয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। এই মামলার শুনানি হয় দু’দফায়। দুপুর দুটোর পর শুরু হয় দ্বিতীয় দফার শুনানি। সেই সময়ই একাধিক নির্দেশ দেয় উচ্চতর আদালত। আদালত জানিয়েছে, বেলডাঙায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে গত বছরের অশান্তির পর ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্ট মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছিল, সেই নির্দেশই আপাতত বহাল থাকবে। এর অর্থ হল, ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

    আদালতের নির্দেশ

    আদালতের নির্দেশ, এলাকায় যাতে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে জেলাশাসককে। নতুন করে যাতে কোথাও অশান্তির আগুন জ্বলে না ওঠে, তার ওপরও নজর রাখতে হবে জেলা প্রশাসনকে। আদালত এও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন, তাহলে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। এ ছাড়া দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই সময়সীমার মধ্যে পাল্টা বক্তব্য জানাতে পারবেন মামলাকারীরা (Calcutta High Court)।

    এদিন শুনানির প্রথম দফায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, মুর্শিদাবাদ জেলা সাম্প্রদায়িক দিক থেকে রাজ্যের অন্যতম সংবেদনশীল জায়গা। ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদের নামে জাতীয় সড়ক অবরোধ এবং ভাঙচুর করা হয়। কর্তব্যরত এক সাংবাদিককে মারধর করার অভিযোগে স্বতঃস্ফূর্ত মামলা দায়ের করে  পুলিশ। ওই ঘটনায় গ্রেফতারও করা হয়েছে চারজনকে। জেলার পুলিশ সুপার স্বয়ং জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছিল পূর্ব পরিকল্পনা মতোই।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশের দাবি 

    আইনজীবী বিল্বদল আদালতে জানান, মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জ এবং ধুলিয়ানে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও, বেলডাঙায় অশান্তির সময় তাদের কাজে লাগায়নি রাজ্য। এই অশান্তির জেরে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় নর্থ-ইস্টের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগও। এর পরেই তিনি আদালতের (BSF) কাছে আর্জি জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হোক। সাধারণ মানুষের সম্পত্তি এবং সরকারি সম্পত্তি যাতে নষ্ট না হয়, তাই এলাকায় জারি করা হোক ১৬৩ নম্বর ধারা। রাজ্যে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেওয়া হোক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ। রাজ্যের তরফে আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর কাছে প্রধান বিচারপতি জানতে চান, কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা নিয়ে রাজ্যের কী মতামত? কল্যাণ বলেন, “আমাদের কোনও আপত্তি নেই। ইতিমধ্যেই এলাকায় টহল দিচ্ছে পাঁচ কোম্পানি। আরও পাঁচ কোম্পানি লাগলে দেওয়া হোক, আমাদের (BSF) কোনও আপত্তি নেই (Calcutta High Court)।”

     

LinkedIn
Share