Tag: Stock market crash

Stock market crash

  • Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রির প্রথম দিনেই ভয়ঙ্করভাবে পড়ল সেনসেক্স ও নিফটির গ্রাফ। এর ফলে লগ্নিকারীদের মাথায় হাত। প্রসঙ্গত, এ দিন শেয়ার সূচকের (Stock Market) পতনের জেরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজার থেকে উড়ে যায় প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা! লোকসান সামলে কত দিনের মধ্যে সেনসেক্স ও নিফটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ইজরায়েলে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় তেহেরান। অন্য দিকে ইরান সমর্থিক জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে নিকেশ করতে লেবাননেও গ্রাউন্ড অপারেশন শুরু করেছে ইজরায়েল। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাবে ভারতের শেয়ার বাজারে (Stock Market) পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইজরায়েলি বায়ুসেনা ইরানের তেলের ভাণ্ডারকে নিশানা করলে অপরিশোধিত তেলের (Stock Market Crash) দর আকাশ ছোঁবে। সে ক্ষেত্রে ভারতের মতো তেল আমদানিকারী দেশের অর্থনীতির ওপর তা প্রভাব ফেলতে পারে। লগ্নিকারীরা তাই পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে বাজার থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ইতিমধ্যেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দর ব্যারেল প্রতি ৭৫ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে। গত তিন দিনে খনিজ তেলের দাম ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সেনসেক্স ও নিফটির পতন (Stock Market) 

    আজ বৃহস্পতিবার, বাজার (Stock Market) বন্ধ হওয়ার পর দেখা যায়, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) শেয়ারের গ্রাফ পড়েছে ১,৭৬৯.১৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ নামতে নামতে ৮২,৪৯৭.১০ পয়েন্টে গিয়ে থেমেছে সেনসেক্স। এর গ্রাফ ২.১০ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছে। অন্য দিকে, আজ বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) ৫৪৬.৮০ পয়েন্ট পতন হয়েছে। বাজার বন্ধ হওয়ার সময়ে এর শেয়ার সূচক নিফটি-৫০ দাঁড়িয়ে যায় ২৫,২৫০.১০ পয়েন্টে। অর্থাৎ এর গ্রাফের (Stock Market Crash) পতনের পরিমাণ ২.১২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস 

    RBI: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষ তো বটেই দেশে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আতঙ্কিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কও। এই পরিস্থিতিতে এদিন রেপো রেট (Repo Rate) বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন আরবিআই (RBI)-এর গভর্নর শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। তিনি জানিয়েছেন, রেপো রেট (যে হারে অন্য ব্যাঙ্কের থেকে সুদ নেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক) ৪০ বেসিস পয়েন্ট বা বৃদ্ধি করে ৪.৪০% করা হয়েছে।  

    গত মাসেই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সেই সময় অনেকেরই মনে হয়েছিল যে, এই মুহূর্তে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জমা টাকায় সুদের হার বৃদ্ধি করা উচিৎ। সেই কাজটিই একমাস পর করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শক্তিকান্ত দাস জানান, রেপো রেট ৪০ বেসিস পয়েন্ট (BPS) বৃদ্ধি করে ৪.৪০ শতাংশ করা হচ্ছে। 

    ২০১৮-র অগাস্টের পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে এই ধরনের বৃদ্ধি এই প্রথম। রেপো রেট বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়ল। কারণ, এর ফলে ব্যাঙ্ক ঋণে সুদের হার আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতির চাপের কথাও এদিন অনলাইন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর। এই বৃদ্ধি না হলে অর্থনীতি সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রেপো রেট নিয়ে আরবিআই-এর পরবর্তী আলোচনার দিন জানানো হয়েছে ৮ জুন। সেই সময় পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    এদিন ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (CRR) ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে। ব্যাঙ্কের যে পরিমাণ টাকা আরবিআই-এ গচ্ছিত থাকে সেটাই ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও। এই মুহূর্তে ব্যাঙ্ক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আরও বেশি ০.৫০% টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা থাকবে। নতুন ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও হল ৪.৫%।  

    বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন আরবিআই- এর মতোই রেপো রেট ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়াতে পারে  ইউএস ফেডারাল ব্যাঙ্ক (US Federal Bank)। আর এই জোড়া আশঙ্কাতেই ব্যাপকভাবে ধাক্কা খেয়েছে শেয়ার বাজার। সেনসেক্সে ১৩০৭ পয়েন্ট বা ২.২৯% পতন হয়ে দাঁড়ায় ৫৫,৬৬৯। আর নিফটিতে ৩৯২ পয়েন্ট বা ২.২৯% পতন। দিনশেষে তা দাঁড়ায় ১৬,৬৭৮-এ।   

    যেখানে মার্চের মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৬.৯৫%, সেই সময় এপ্রিলে আরবিআই-এর কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার সমালোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। আরবিআই-এর মুদ্রাস্ফীতির সহনশীলতার মাত্রা ছয় শতাংশ। পরপর তিন মাস যা ছয় শতাংশের ওপরে রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আগামী কয়েক মাসে দাম বৃদ্ধির চাপ আরও বাড়বে।

     

LinkedIn
Share