Tag: Stop work

Stop work

  • Pathashree: মুখ থুবড়ে পড়ল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘পথশ্রী’ প্রকল্প, কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা

    Pathashree: মুখ থুবড়ে পড়ল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘পথশ্রী’ প্রকল্প, কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলা পরিষদ রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প পথশ্রীর (Pathashree) কাজ শুরু করেছে। এর আওতায় জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বীরভূম ক্লাব থেকে কুতুবপুর মোড় পর্যন্ত পিচ রাস্তা নির্মাণ হওয়ার কথা। এলাকাবাসীর দাবি, পিচ রাস্তা নির্মাণের কথা লেখা থাকলেও ঠিকাদার ঢালাই রাস্তা তৈরি করছে। আর তারই প্রতিবাদে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন। কংক্রিটের রাস্তার উপর ফের ঢালাই দিয়ে রাস্তা নির্মাণের প্রতিবাদে সোচ্চার হলেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের পথশ্রী প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ল বীরভূমের রামপুরহাটে।

    কী অভিযোগে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা?

    জানা গিয়েছে, রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের দখলবাটি পঞ্চায়েতের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বীরভূম ক্লাব মোড় থেকে কুতুবপুর গ্রাম পর্যন্ত ২.৩ কিমি কংক্রিটের রাস্তাকে পিচ রাস্তা নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয় বীরভূম জেলা পরিষদ। ওই রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রায় ৫৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বুধবার সেই রাস্তা পিচের বদলে ফের কংক্রিটের নির্মাণ করতে গেলে গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয়। গ্রামবাসীদের একাংশর অভিযোগ, জেলা পরিষদ এই প্রকল্পে (Pathashree) পিচ রাস্তা নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। কিন্তু ঠিকাদার পিচের বদলে ঢালাই রাস্তা করতে চাইছে। গ্রামবাসীদের দাবি, বরাদ্দ অর্থে উন্নতমানের রাস্তাই নির্মাণ করা যাবে। কিন্তু নেতাদের যোগসাজসে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাত করার চেষ্টা চলছে। এলাকার বাসিন্দা আঙ্গুরা বিবি বলেন, বোর্ডে যা লেখা আছে, সেইমতোই রাস্তা করতে হবে। বোর্ডে তো পিচরাস্তার কথাই লেখা আছে। তাছাড়া এই রাস্তা দিয়ে প্রচুর মানুষ বহরমপুর যায়। প্রচুর ট্রাক্টর চলে এই রাস্তায়। এটা পিচ না করলে চলে?

    কী জানালেন পঞ্চায়েত সমিতির  কর্মাধ্যক্ষ?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পিয়ারুল ইসলাম। তিনি জানান, এই প্রকল্পে (Pathashree) যেখানে কংক্রিটের রাস্তা আছে সেখানে কংক্রিটের রাস্তা হবে, যেখানে রাস্তা নেই সেখানে পিচের রাস্তা হবে। পাশাপাশি ঠিকাদার ও পঞ্চায়েত সমিতির ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাঁদের কথায় কোনও গুরত্ব না দিয়ে পিচের রাস্তার দাবি করে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান রাজ্য সরকারের সমস্ত কাজকর্মেই যেন পরতে পরতে দুর্নীতির ছবি ফুটে উঠছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অন্তত এমনটাই। আর হবে নাই বা কেন? মানুষ তার নিত্যদিনের অভিজ্ঞতায়, দৈনন্দিন জীবনযাপনে (Panchayat Road) এই ধরনের বহু ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। আর তাকে কেন্দ্র করে দিকে দিকে দানা বাঁধছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ।

    কেন রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা?

    যে রাস্তা (Panchayat Road) দিয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করবে, সেই রাস্তাই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরির অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের মইগ্রাম এলাকার। অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ বছর পর এই রাস্তা সংস্কারের কাজ হচ্ছে। কিন্তু সেটা এতই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করছে ঠিকাদার, যে তা দেখে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কাজ বন্ধ করে দেন।

    সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই খারাপ?

    হুগলির আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের শিয়ালি থেকে ২২ মাইল পর্যন্ত রাস্তাটি (Panchayat Road) প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি প্রায় দু’দশক ধরে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। খারাপ রাস্তার জন্য স্কুল, কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়তেন। এলাকার মানুষের অভিযোগ, গত কুড়ি বছরের মধ্যে দু-একবার রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়েছে, কিন্তু কখনই তা সঠিকভাবে হয়নি। রাস্তা সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই সেটি আবার খারাপ হয়ে যায়। এদিকে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বড় বড় ট্রাক ও ভারী যানবাহন যাতায়াত করে। এই অবস্থায় গ্রামবাসীদের দাবি, এবার ভালো করে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করতে হবে। ভালো সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে হবে। তা না হলে কাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দেন তাঁরা।

    কী বলছে তৃণমূল এবং বিজেপি?

    যদিও এ বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুশান্ত বেড়া জানান, বর্তমানে আমাদের রাজ্যে যে সরকার চলছে তারা দুর্নীতিতে (Panchayat Road) জড়িয়ে পড়েছে। তাদের আর কোথাও বাকি নেই দুর্নীতি করতে। সামনে নির্বাচন আসছে। মানুষ তাদের যোগ্য জবাব দিয়ে বুঝিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে থমকে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থার (GAIL) গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ। হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে বেসরকারি কারখানাগুলির জ্বালানির জন্য গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু জমি নিয়ে সেই আন্দোলনের জেরে আপাতত প্রকল্পটি অথই জলে পড়ে গেল। গেইল বা গ্যাস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড হল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারা মাটির নিচ দিয়ে হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করেছে।

    কীভাবে বন্ধ হয়ে গেল কাজ?

    বৃহস্পতিবার সকালে সংস্থার কর্মীরা যন্ত্রপাতি এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে বুদবুদের খান্ডারি গ্রামে মাটির তলা দিয়ে পাইপলাইন (GAIL) বসানোর কাজ শুরু করতেই প্ল্যাকার্ড এবং পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ ও জমির মালিকরা। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর দুপুর নাগাদ হঠাৎই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রথমে বচসা ও পরে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় সংস্থার কর্মীদের। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বুদবুদ থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে বন্ধ রাখা হয় কাজ।

    কী দাবি এলাকার বাসিন্দাদের?

    এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, প্রতি শতকে তাঁদের ৮০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা। সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে তাঁরা কোনওভাবেই কাজ শুরু করতে দেবেন না। যদিও এদিন ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি (GAIL) প্রশাসনিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়। তারপরই বিক্ষোভ উঠিয়ে নেন গ্রামবাসীরা।

    কী বলছে বিজেপি নেতৃত্ব?

    পূর্ব বর্ধমান জেলার বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, এটা (GAIL) স্থানীয় প্রশাসনের বিষয়। স্থানীয় প্রশাসনেরই তো হিয়ারিং করার কথা। জানিনা আদৌ হিয়ারিং হয়েছে কিনা। তৃণমূলের নেতারা হয়তো  মাঝখানে এসে নিজেদের পকেটে টাকা ঢুকিয়ে নিয়েছে। এটা তদন্তের বিষয়। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রেই পাইপলাইনের কাজ চলছে। পাইপ লাইনের কাজ তো হবেই। কিন্তু যাদের জমির উপর দিয়ে কাজটা হবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করাটা তো স্থানীয় প্রশাসনেরই দায়িত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share