Tag: storm

storm

  • Cyclone Remal: প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ, জল ঢুকেছে নীচু এলাকায়, ভাঙল গাছ, দাপট দেখাল রেমাল

    Cyclone Remal: প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ, জল ঢুকেছে নীচু এলাকায়, ভাঙল গাছ, দাপট দেখাল রেমাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) দাপট দেখল বাংলা। রাতভর বৃষ্টিতে জল যন্ত্রণা। জায়গায় জায়গায় জমে গিয়েছে জল। আজ, সোমবারও দিনভর ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। ফলে, দুর্যোগ বাড়বে বই কমবে না। আর ঝড়ের দাপটে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় রাস্তায় একাধিক গাছ ভেঙে পড়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

    প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ, জল ঢুকেছে নীচু এলাকায় (Cyclone Remal)

     রবিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে রাত সাড়ে বারোটায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) ল্যান্ডফল করেছে। বাংলাদেশের খেপুপাড়া ও সাগর আইল্যান্ডের মাঝে মোংলা বন্দরের দক্ষিণ পশ্চিমে ঘূর্ণিঝড় ল্যান্ডফল করেছে। ল্যান্ডফলের সময় এর গতিবেগ ছিল ১৩৫ কিমি প্রতি ঘন্টায়। বাংলার ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তার ওপরে ভরা কোটাল। প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ। জল ঢুকেছে নীচু এলাকায়। যে কোনও মুহূর্তেই ভাঙতে পারে বাঁধ। আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার একাধিক অঞ্চল বিদ্যুৎহীন। মূলত বিভিন্ন জায়গায় ইলেকট্রিক তারের ওপর গাছ পড়ে যাওয়াতেই এই সমস্যা। তাই সকাল থেকেই পুরসভার কর্মীরা নানান জায়গায় গাছ কাটার কাজ করছেন।

    আরও পড়ুন: সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি, রেমালের রেশ সোমেও

    কুলতলিতে ৫৪টি ত্রাণ শিবির

    প্রবল বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট চলছে। সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টির সঙ্গে ওলটপালট হাওয়ায় নাকাল সুন্দরবন, কুলতলি, গোসাবা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Remal) দিনভর দুর্যোগ চলবে। প্রস্তুত ব্লক প্রশাসনও। রাস্তার ওপর ভেঙে পড়েছে বিশালাকার গাছ। জেসিবি দিয়ে গাছ সরানোর কাজ তো চলছেই। এরইমধ্যে আবার দুর্ভোগের চিত্রও দেখা গিয়েছে। কুলতলি ব্লকের গোপালগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার কৈখালি ইংলিশ মডেল স্কুলের আশ্রয় শিবিরে চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে। সেখানে আলোর ব্যবস্থা, পানীয় জল ও খাবারের যথাযথ ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ। এই অব্যবস্থার কারণে ক্ষুব্ধ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া অসহায় মানুষ। কুলতলিতে এখন পর্যন্ত ৫৪ টি আশ্রয় শিবির খোলা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    একাধিক গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগ

    হাসনাবাদ থেকে নেবুখালি রোড ও একাধিক গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। স্বরূপকাটি বাজার, আমবেড়িয়া, বাঁকড়া বাজারসহ একাধিক  জায়গায় ইলেকট্রিক পোস্ট ভেঙে গেছে , ১১ হাজার লাইনের ইলেকট্রিক পোস্ট ভেঙে ও তার ছিড়ে গেছে। দক্ষিণ হিঙ্গলগঞ্জ অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হয়েছে অস্থায়ী ত্রাণ শিবির। ইতিমধ্যে এই ত্রাণ শিবিরে প্রায় পাঁচ থেকে সাত জন উপস্থিত হয়েছেন। পাশাপাশি একজন বৃদ্ধ এবং তিনজন ছোট বাচ্চাও রয়েছে। নদীর তীরবর্তী এলাকায় দুর্বল মাটির বাড়ি থাকার জন্য তাঁরা এই ত্রাণ শিবিরে এসেছেন।

    পাহাড়ে হড়পা বানের শঙ্কা

    ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে আগামী বুধবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়। আজ নদিয়া-মুর্শিদাবাদে ব‍্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। কলকাতা ও দুই ২৪ পরগণায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে দুর্যোগ থেকে কিছুটা রেহাই পাবে দক্ষিণবঙ্গ। অন্যদিকে, রাত থেকেই বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গে। আজ, সোমবার পাহাড় ও ডুয়ার্সে লাল-কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অল্প সময়ে বেশি পরিমাণ বৃষ্টিতে পাহাড়ি নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    Weather Update: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘ-রোদের লুকোচুরি চলছে। বেলা বাড়তেই বৃষ্টি নামল কলকাতার (Rain in Kolkata) বিভিন্ন প্রান্তে। বৃষ্টির হাত ধরে স্বাভাবিকের নীচে নেমে এসেছে পারদও। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলারই বিস্তীর্ণ অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। রাজ্যের ৯টি জেলায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

    নয় জেলায় কালবৈশাখী

    গত সোমবার থেকে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাচ্ছে, আজ শুক্রবারও শহর কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনভর আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে। হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। এক্ষেত্রে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এদিন কলকাতা সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই থাকছে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা। যে নয় জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে, সেগুলি হল কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং দুই বর্ধমান। এই জেলাগুলির কোনও কোনও অংশে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের সঙ্গেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে শুক্রবার ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি

    শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও এদিন থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর বলছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরঙ্গের সমস্ত জেলাতেই থাকছে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, এদিন মালদায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকছে। হাওয়ার বেগ হতে থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। হাওয়া অফিসের তরফে মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আজ অক্ষয় তৃতীয়া, জানুন সারা দিনে শুভ মুহূর্ত, কখন করবেন লক্ষ্মী-আরাধনা?

    কেন বৃষ্টি

    আবহাওয়ার (Weather Update) এই পরিস্থিতির জন্য ঘূর্ণাবর্তকে দায়ী করেছেন আবহবিদেরা। বাংলাদেশ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই মুহূর্তে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করছে। এ ছাড়া উত্তর-পূর্ব রাজস্থান থেকে দক্ষিণ অসম পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত। যার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে গাঙ্গেয় বাংলায়। তাতেই ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। লাগাতার বৃষ্টির জেরে অনেকটাই কমেছে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শুক্রবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৭ ডিগ্রি কম। পাশাপাশি দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪.৯ ডিগ্রি কম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি কোলকাতা থেকে বিমানে বাগডোগরায় আসেন। সেখান থেকে সড়কপথে সোজা জলপাইগুড়ির সেন পাড়ায় মৃত অনিমা বর্মনের বাড়িতে যান। সেখানে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তারপর তিনি চলে আসেন ময়নাগুড়ির ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা বার্ণিশে। সেখানে প্রশাসনের তরফে  করা ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে ত্রাণ শিবিরে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কি প্রয়োজন, কী কী সমস্যা রয়েছে সেই কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    ক্ষতিগ্রস্তদের কথা মন দিয়ে শোনেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তাদের সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ত্রাণ শিবির থেকে বেড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে যান। বেশ কয়েকটি বাড়িতে যান তাদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রশাসনের তরফে কেউ এসেছিল কিনা জিজ্ঞাসা করতে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ করেন। তখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কেউ আসেনি। ঝড়ে মৃত এক ব্যক্তির আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁকে কাছে পেয়ে তার পা জড়িয়ে ধরেন দীপিকা রায় নামে এক মহিলা। তাঁর কাছে আর্তি জানান, তাঁরা যাতে তাদের ক্ষতিপূরণ পান। ঝড়ে তাদের ঘরের টিনের চাল উড়িয়ে গেছে। ঘড়ের আসবাবপত্র সব কিছু ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। রাজ্যপাল তাদের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপরেই তিনি চলে যান রাজারহাট এলাকায় মৃত এক ব্যক্তির বাড়িতে। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

    কী বললেন রাজ্যপাল?

    এরপর তিনি জলপাইগুড়ি হাসপাতালে চলে যান আহতদের দেখতে। সেখানে আহতদের দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা আহতদের কী অবস্থা রয়েছে সেই কথা জানতে চান। তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। পরিদর্শন সেরে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, দূর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের পর বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পাশে থাকার বার্তা দেন। আর লোকসভা ভোটের মুখে রাতে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস! (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে। কারণ, রাজনৈতিক কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে নির্বাচনী বিধির আওতায় পড়ছেন। তাই ইচ্ছা থাকলেও বিশেষ কিছু করতে পারবেন না। কাল থেকে ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী এবং জেলার কর্মীরা কাজ করছেন। নির্বাচনী বিধি মাথায় রেখে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ কাজও চালিয়েছে। জলপাইগুড়িতে প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলি টিন দিয়ে তৈরি ছিল। এই সময়ে সরকারের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কারণ, বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সরকার আদর্শ আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।

    ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান, তোপ শুভেন্দুর

    জলপাইগুড়ির ঝড়ে প্রাণহানির খবর পেয়ে রবিবার রাতেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা। মমতা রবিবার রাত সাড়ে ৯টার পর চার্টার্ড ফ্লাইটে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ, তাঁদের যাত্রার সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা। এ প্রসঙ্গে সোমবার সকালে বিমানবন্দর থেকে শুভেন্দু বলেন, “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, তাই উনি রাতে চলে গিয়েছেন। আমাদের সাধারণ বিমান, যখন সময় হবে, আমি যাব। মমতার দ্রুত যাওয়া নিয়ে নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো নির্বাচনী বন্ড থেকে অনেক টাকা পেয়েছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা৪০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ডিয়ার লটারি দিয়েছে ৬০০কোটি টাকা। ভোররাতে, মাঝরাতে যখন খুশি চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঁরা যেতে পারেন। তবে আমি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাল নদীতে হড়পা বানের সময়ে যদি ওঁর এইতৎপরতা দেখতে পেতাম, তা হলে ভাল লাগত। তা হলেবুঝতাম আপনি রাজধর্ম করছেন, ভোটধর্ম করছেন না।”বাগডোগরায় নেমে শুভেন্দু আর এক প্রস্থ কটাক্ষ করেন মমতাকে। বলেন, “রাতে কী কাজ? ওঁর এত তাড়াহুড়ো করার কী ছিল? মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, হাসপাতালে যাওয়া- এগুলো তো উনি সকালেও করতে পারতেন, যেমন রাজ্যপাল করেছেন। দুর্গাপুজোর সময়ে মালবাজারে যা হল, তখন উনি কোথায় ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের সামনে দেখলাম, ধুলোয় ধুলোয় এলাকা ঢেকে গেল, চোখের সামনেটা অন্ধকার হয়ে এল। মূহূর্তের মধ্যে ঘরের বাড়ির আশপাশের বড় বড় গাছ, সুপারি গাছ ভাঙতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ি ও আশপাশের সব গাছ ভেঙে যাচ্ছে, দেখতে পাচ্ছি। ঝড়ের তান্ডবের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির বার্ণিশ গ্রামের বাসিন্দারা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন।

    হাওয়ার দাপটে ঘরের চাল উড়ে গেল (Jalpaiguri)

    গ্রামের (Jalpaiguri) এক বাসিন্দা ঘটনার সময় মাঠে ছিলেন। তিনি বলেন, প্রথমে হালকা হাওয়া হচ্ছিল। মাঠের গরু-ছাগল সব বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। আচমকাই প্রচণ্ড হাওয়া সঙ্গে ধুলো উড়ছিল আশপাশে। এ রকম হাওয়া আগে কোনও দিন দেখিনি। শুধু কি হাওয়া! সঙ্গে বিকট শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, পাহাড় ভেঙে যেন আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছিল না, শুধু প্রচণ্ড হাওয়া বইছিল। মানে, যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে! বেশ ভয় হচ্ছিল তখন।  নিজের ঘরে আশ্রয় নিয়েও পার পেলাম না। ঘরের টিনের চালের উপরে ভেঙে পড়ল পাশের একটা বড় গাছের ডাল। এর পরে ঘরের সব টিন উড়ে গেল। সে কী শব্দ! আমার মাথায় ও ঘাড়ে ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি বলতে পারেন। প্রায় কুড়ি মিনিটের মধ্যে ঘর-বাড়ি সব ভেঙে গেল চোখের সামনে।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    প্রাণ বাঁচাতে খাটের তলায় আশ্রয় নিই

    বার্ণিশ অঞ্চলের বাসিন্দা ভবেন রায় কোনোক্রমে প্রাণে রক্ষা পান। তিনি বলেন, তখন বিকেল সাড়ে তিনটা, দুপুরের আহার সেরে একটু বিশ্রাম নিয়ে মাঠে  যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেড় হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই প্রবল জোড়ে  আওয়াজ শুনতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি। কিন্তু নিমেশেই বুঝতে পারি ঝড় আসছে। গোটা এলাকা অন্ধকার করে দিয়ে এলাকার গাছ, বাঁশ ঝাড় বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঝড়ের গতি দেখেই হতচকিত হয়ে পড়ি। সম্বিত ফিরে পেতেই বাঁচার জন্য ফের বাড়িতে ঢুকে পড়ি। কিন্তু তাতেই নিস্তার পাইনি প্রকৃতির রোষ থেকে। ঝড়ের তান্ডবে আমার বাড়ির একটি গাছ ভেঙ্গে পড়ে ঘরের ওপর। প্রাণ বাঁচাতে ঘরে ঢুকে খাটের তলায় আশ্রয় নিই। কিন্তু তাতেও রক্ষা পাইনি। গাছ পড়ায় বেশ আহত হয়েছি। ঝড় থামার পর যখন বাইরে বের হই তখন সব শেষ। গোটা এলাকা তখন চিনতে পারছি না। এলাকার ঘর বাড়ি গুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোনো বাড়ি ঘর আস্ত নেই। কারো বাড়ির টিন উড়ে গেছে, কারো বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে গেছে। রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি উলটে গেছে। আশের পাশের ২০০ ও বেশী বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু আর্তনাদ কেউ গাছের তলায় চাপা পড়েছে কেউ আবার প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। কারও গায়ে আবার চালের টিন উড়ে এসে পড়েছে।

    ঝড়ের দাপটে ধান-ফসলের ক্ষতি হয়েছে

    পনেরো মিনিট ধরে ঝড় হয়। আর তারপরই গ্রাম জুড়ে শুধু চিৎকার-আর্তনাত। কারও মাথায় গাছের ডাল ভেঙে পড়েছ। কেউ আবার ঘরের একাংশ ভেঙে পড়়ায় জখম হয়েছেন। সবমিলিয়ে কে কাকে উদ্ধার করবেন তার লোক পাওয়া যাচ্ছিল না। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার কার্য শুরু করে। তবে, ঝড়ের তাণ্ডবে জমিতে ধান সব মাটিতে শুয়ে পড়েছে। বেগুন ক্ষেত আর নেই, বিরাট ক্ষতি হয় চাষের জমিতে। ঝড়ের মধ্যেই গ্রামে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছে। ময়নাগুড়ি হাসপাতালে জখমদের ভিড় উপচে পড়েছে। অনেকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৫ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকা। ব্লকের বার্ণিশ, সাপটিবাড়ি সহ আশেপাশের প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের দাপটে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ১৫০ জন। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ৫০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, মৃত্যু হয়েছে চারজনের (Jalpaiguri)

    রবিবার বিকেলে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকায় হঠাৎই ঝড় আসে, ঝড়ের গতিবেগ এতটাই ছিল যে ওই এলাকার প্রায় ৫০০ বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। পাকা বাড়ির টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। কাঁচা বাড়ি গুলি ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে। গাছের ডাল পড়ে আহত হয়েছেন বহু মানুষ। গাছের ডালের আঘাতে এবং ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে চার জনের। তাছাড়া ঝড়ের তান্ডবে বেশ কয়েকটি গাড়িও উল্টে যায়। এর পাশাপাশি বেশ কিছু বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়ে এলাকাগুলি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড় থামতেই এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। খবর যায় ব্লক প্রশাসনের কাছে। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু তার দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তার সঙ্গেই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ময়নাগুড়ি থানার আই সি সুবল চন্দ্র ঘোষ। ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়,পরে সেখান থেকে গুরুতর আহতদের জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। জলপাইগুড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়, পরে হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। আহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    জখমদের দেখতে হাসপাতালে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি রিলিফ সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি পুটিমারি হাই স্কুল এবং অন্যটি বার্ণিশ হাই স্কুলে। ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিন খবর পেয়েই প্রচার বন্ধ করে জলপাইগুড়ি  (Jalpaiguri) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ডা: জয়ন্ত কুমার রায়। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত বলা সম্ভব হয়নি। তবে, প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান বেশ কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Storm: ১০ মিনিটের ঝড়ে তছনছ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, ব্যাহত যান চলাচল, হল শিলাবৃষ্টিও

    Storm: ১০ মিনিটের ঝড়ে তছনছ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, ব্যাহত যান চলাচল, হল শিলাবৃষ্টিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার নানা প্রান্তে ঝড়বৃষ্টির (Storm) পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যি প্রমাণিত হল। মাত্র ১০ মিনিট ধরে চলে ঝড়। আর তাতেই লন্ডভন্ড হয়ে যায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কোথাও রাস্তার ওপর গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও আবার শপিং মলের ছাউনি উড়ে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে।

    ঝড়ে (Storm) বারাকপুর-বারাসত রোড, বেলঘরিয়ায় যান চলাচল ব্যাহত

    কিছুক্ষণের ঝড়ের (Storm) তাণ্ডবে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি হয় বারাকপুর-বারাসত রোডের। বারাসতের আগে একটি বেসরকারি কলেজের সামনে রাস্তার ওপর বিশাল গাছ উপড়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। যার জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এলাকায়। হঠাৎ ঘটা এই বিপত্তিতে রীতিমতো সমস্যায় পড়েন অফিস ফেরত যাত্রীরা। অবশেষে স্থানীয় বাসিন্দা ও যান চালকদের সহায়তায় গাছ কেটে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। অন্যদিকে, বেলঘরিয়া ফিডার রোডে ২৩৪ বাসস্ট্যান্ডের কাছে অল্প হাওয়াতেই বিরাট গাছ পড়ে ফিডার রোডের যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। পরে, পুলিশ-প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    দুর্গাপুরে শিলাবৃষ্টি!

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঝড় (Storm) আর শিলাবৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দুর্গাপুর শহর। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে ঝড়ের দাপট। ঝড়ের দাপটে দুর্গাপুর জংশন মলের সামনের অংশের ছাউনি উড়ে যায়। মল সংলগ্ন বেশ কিছু স্টলের ছাউনিও উড়ে গিয়েছে। দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম রাস্তায় গাছ পড়ে জনজীবন ব্যাহত হয়। খানিকক্ষণের শিলাবৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে একাধিক এলাকা। শহরের বেশ কিছু এলাকায় ঘণ্টাখানেক ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জেলা প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জনজীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agriculture: কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড পানের বরজ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ

    Agriculture: কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড পানের বরজ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পুরাতন মালদা ব্লকের মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মুচিয়া বাড়ুইপাড়া গ্রামের পানচাষিরা (Agriculture)। মালদা জেলার পানচাষের অন্যতম জায়গা হল এই মুচিয়া গ্রাম। কয়েকদিন আগের কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে পানের বরজ। মাথায় হাত পড়েছে চাষিদের। এই এলাকায় প্রায় ৭০ টি পরিবার পান চাষের সাথে যুক্ত এবং এটাই এদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান পথ। অনেকেই সুদে টাকা ধার নিয়ে পান চাষ করেছিলেন। এখন টাকা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে। এমন অবস্থায় পড়ে তাঁরা দাবি তুলেছেন, সরকারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, না হলে তাঁদের মৃত্যুর দিকে এগতে হবে। কিন্তু তাঁদের আক্ষেপ, বিভিন্ন মহলে দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। নিরুপায় হয়ে সোমবার ওই গ্রামে  বিক্ষোভ দেখান অসহায় পানচাষিরা। যদিও এতে প্রশাসনের কতটা টনক নড়বে, তা নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট সন্দিহান।

    কী বলছেন বিরোধী দলের নেতারা?

    পানচাষিদের (Agriculture) পাশে দাঁড়িয়েছেন পুরাতন মালদার প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক অর্জুন হালদার। তিনি বলেন, অবিলম্বে সরকারের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। একই দাবি করেন বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি তাপস গুপ্ত। পানচাষিদের নিয়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন সারা ভারত কৃষক সভার মালদা জেলার সভাপতি প্রণব চৌধুরী।

    কী আশ্বাস দিলেন তৃণমূল নেতা?

    পানচাষিদের (Agriculture) ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, এমনই আশ্বাস দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি শুভময় বসু। চাষিদের এই ক্ষতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কৃষি দফতরে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান তুলে ধরে আবেদন করলে তারা ব্যবস্থা নিশ্চয়ই নেবে। একইসঙ্গে তিনি কৃষকদের কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড এবং কৃষি বিমা করিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে কৃষি ভাতা সম্প্রতি দিয়েছেন, তা দিয়েও খানিকটা ক্ষতিপূরণ হতে পারে পান চাষিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। শুক্রবার স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। তার জেরে তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটা। শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে,গরমও একটু কম থাকবে,জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। 

    শহরে গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি

    উপকূলবর্তী জেলাগুলির জন্যে কিছুটা হলেও স্বস্তির বার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী (Weather Update), উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে। সোমবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে শহরে। কলকাতা শহরে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৩ থেকে ৯৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৯ মিলিমিটার।

    পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে।  মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে পুরুলিয়া বাঁকুড়া বীরভূম ঝাড়গ্রাম পশ্চিম মেদিনীপুর পশ্চিম বর্ধমানে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ওই জেলাগুলিতে বৃষ্টি নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা, গরমের গেরো কাটবে কবে?

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা

    উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতে ভারী বৃষ্টির পরিমান বাড়বে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ওপরের পাঁচ জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ৯ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু যায়গায় ভারী ও কিছু জায়গায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। । প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলার বেশ কিছু এলাকায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Storm: ঝড়ে লন্ডভন্ড কলকাতা, বিঘ্ন ট্রেন চলাচলে, বিপাকে যাত্রীরা

    Storm: ঝড়ে লন্ডভন্ড কলকাতা, বিঘ্ন ট্রেন চলাচলে, বিপাকে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে (Storm) লন্ডভন্ড কলকাতা (Calcutta) সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৪ কিলোমিটার। ঝড়ের দাপটে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে জখম হয়েছেন একজন। মা উড়ালপুলের ওপর পড়ে গিয়েছে ল্যাম্পপোস্ট। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ। ব্যাহত যান চলাচল। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল। বিপাকে অফিস ফেরত নিত্যযাত্রীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে একটি গাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়ে জখম হয়েছেন গাড়ির চালক সহ দুজন। একজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। ভিক্টোরিয়া ও রেড রোডের মাঝেও এক জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ। ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য ওই রাস্তায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

    ঝড়ের (Storm) গতি…

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়েছে ঝোড়ো (Storm) হাওয়া। টানা তিন মিনিট ছিল সেই ঝড়। গতি ছিল ঘণ্টায় ৮৪ কিলোমিটার। দমদমে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ প্রায় ১ মিনিট ধরে ঝড় হয়। গতি ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পার্কস্ট্রিট-রডন স্ট্রিট ক্রসিংয়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে রেড রোড, ময়দানেও সাউথ সিটি মলের সামনে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল। ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়।

    ঝড়ে হাওড়া-বর্ধমান মেইন শাখায় ওভার হেড তারের ওপর উড়ে গিয়ে পড়ে ফ্লেক্স। তার জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। আপ আরামবাগ লোকাল দাঁড়িয়ে পড়েছে হিন্দমোটর ও কোন্নগর স্টেশনের মাঝে। হাওড়া থেকে ৫টা ১০ মিনিটে ছাড়ার পরে সাড়ে ৫টা নাগাদ হিন্দমোটর স্টেশন ছাড়ে আরামবাগ লোকাল। সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা। ট্রেনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর রেললাইন ধরেই হাঁটতে থাকেন বহু যাত্রী। রেল সূত্রে খবর, সেখানে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও, রিভার্স লাইন দিয়ে আপের ট্রেন চলছে।

    আরও পড়ুুন: বজরং দল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, খাড়্গের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা

    ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ডায়মন্ড হারবার লাইনে নেতড়া ও দেউলা স্টেশনের মাঝে ওভারহেডে ভেঙে পড়ে গাছের (Storm) ডাল। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার লাইনে ট্রেন চলাচল। ওভারহেড তারের ওপর গাছ পড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে ট্রেন। লক্ষ্মীকান্তপুর আপ ও ডাউন লাইনে বন্ধ ট্রেন চলাচল। দিঘা-হাওড়া রেল লাইনের ভোগপুর রেল স্টেশন লাগোয়া এলাকায় ওভারহেড তারের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় আপ-ডাউন লোকাল এবং এক্সপ্রেস চলাচল বন্ধ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share