Tag: Strait of Hormuz closure

  • Britain: ঘোর জ্বালানি সঙ্কটের মুখোমুখি ব্রিটেন, এবার কী হবে?

    Britain: ঘোর জ্বালানি সঙ্কটের মুখোমুখি ব্রিটেন, এবার কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর জ্বালানি সঙ্কটের মুখোমুখি ব্রিটেন (Britain)। সে দেশের আধিকারিকরা সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, দেশটিতে বর্তমানে মাত্র দু’দিনের প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত (Energy Crisis) রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার পর এবং ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ (হরমুজ প্রণালী) বন্ধ করে দেওয়ায় এই সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। ন্যাশনাল গ্যাসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেনের গ্যাস সংরক্ষণাগারে বর্তমানে প্রায় ৬,৭০০ গিগাওয়াট-ঘণ্টা প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিক ব্যবহারের হারে এই গ্যাস মাত্র দেড় দিন দেশের চাহিদা পূরণ করতে পারবে। ব্রিটেনের কাছে প্রায় একই পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) সংরক্ষিত রয়েছে। তবে দু’ধরনের মজুত গ্যাস একত্রিত করলেও, মোট সরবরাহ এখনও অত্যন্ত কম।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের অবস্থা (Britain)

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলি তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে তারা বড় পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত করেছে। অনেক ইউরোপীয় দেশের কাছেই কয়েক সপ্তাহ চলার মতো গ্যাস রয়েছে। ব্রিটেনের সীমিত মজুত তাকে জ্বালানি বাজারে দুর্বল অবস্থানে ফেলেছে। ফলে অতিরিক্ত গ্যাস আমদানির জন্য দেশটিকে ইউরোপীয় ক্রেতাদের সঙ্গে কঠোর প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীরা ব্রিটেনে গ্যাস সরবরাহের জন্য অতিরিক্ত দাম দাবি করতে শুরু করেছেন। এর ফলে বর্তমানে ব্রিটেন ইউরোপে সর্বোচ্চ পাইকারি দরে গ্যাস মূল্য চোকাচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি উৎপাদন ও পরিবহণে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ইরানের হামলার পর পশ্চিম এশিয়ার কিছু এলাকায় উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হওয়ায় সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি কোনও বিঘ্ন ঘটলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে পারে (Britain)।

    জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    এর আগে এই সপ্তাহে কাতার ঘোষণা করেছিল, ইরানের হামলার কারণে তারা সাময়িকভাবে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র রাস লাফান (Ras Laffan)-এ উৎপাদন বন্ধ করেছে। কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরী ইউরোপ ও এশিয়ার বড় বাজারগুলিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (Energy Crisis)। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতের জেরে বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে পারে তেল ও গ্যাসের দাম। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছবে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে দাম ১৫০ ডলার পর্যন্তও বাড়তে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। এদিকে সংঘাতপ্রবণ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে আটকে পড়া নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে পদক্ষেপ করছে ব্রিটিশ সরকার। বিদেশ দফতর একটি বিশেষ অনলাইন বুকিং পোর্টাল চালু করেছে, যেখানে ব্রিটিশ নাগরিকরা দুবাই থেকে ছেড়ে যাওয়া চার্টার্ড ফ্লাইটে আসন সংরক্ষণ করতে পারবেন (Britain)।

    নাগরিকদের দেশে ফেরাতে পদক্ষেপ

    সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হাজার হাজার ব্রিটিশ নাগরিক আটকে পড়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, চার্টার ফ্লাইটের আসন বুকিংয়ে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিদেশ দফতর আরও জানিয়েছে, যাঁরা সরকারি ভ্রমণ রেজিস্ট্রি ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান রেজিস্ট্রি করেছেন, তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে। গত সপ্তাহে জরুরি উদ্ধার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সরকার পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন জায়গা থেকে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। ওমানের মাসকাট থেকে দু’টি ফ্লাইট ইতিমধ্যেই আটকে পড়া নাগরিকদের নিয়ে ব্রিটেনে পৌঁছেছে। দুবাই থেকে যাত্রিবাহী আর একটি ফ্লাইট এই সপ্তাহের শুরুতে ব্রিটেনে পৌঁছনোর কথা। তবে উদ্ধার অভিযান চললেও, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমির শাহিতে ইরানের হামলা অব্যাহত। শনিবার দুবাইয়ে একটি গাড়ির ওপর গুলি করে নামানো হয় একটি ইরানি ড্রোন। তার ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন একজন (Britain)।

    স্টারমারের বক্তব্য

    অন্যদিকে, সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যেই ব্রিটেনের সিদ্ধান্ত, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযান চলছে, তাতে সরাসরি অংশ না নেওয়া নিয়ে আমেরিকা ও ব্রিটেনের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে (Energy Crisis)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার দুই দেশের ঐতিহ্যগত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যে ফোনে কথা বলেছেন। উল্লেখ্য যে, সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই প্রথম দুই নেতা কথা বললেন। তবে দুই মিত্র দেশের সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা চাপের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। ব্রিটেন সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকার করেছে। স্টারমার বলেছেন, “ইরান যদি সরাসরি হামলা করে এবং প্রতিরক্ষামূলক সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তখনই আমেরিকাকে সাহায্য করবে ব্রিটেন (Britain)। এর আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে স্টারমারের  সমালোচনা করেন এবং জানান যে তিনি মিত্রদের যথেষ্ট সমর্থন পাচ্ছেন না। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথে ট্রাম্প দাবি করেন, স্টারমার যুদ্ধে অংশ না নিয়েও কূটনৈতিক কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

    এ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার (Yvette Cooper) কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “ব্রিটেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কূটনীতি পরিচালনা করে না এবং সে তার বৈদেশিক নীতির সিদ্ধান্ত অন্য কারও হাতে ছেড়ে দেয় না (Energy Crisis)।” তবে ব্রিটেন আমেরিকাকে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, স্টারমার ও ট্রাম্প তাঁদের আলোচনায় সামরিক সহযোগিতা সম্পর্কিত বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কুপার ফের মনে করিয়ে দেন, ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলা করা ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থে নয়। তারা অগ্রাধিকার দেবে সরকারের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপকেই (Britain)।

     

  • Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তারা কত পরিমাণ ক্রুড অয়েল রফতানি করল, তার নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করবে না রাশিয়া (Russia)। শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিল মস্কো (Oil Export Data)। এদিন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে এই তথ্য গোপন রাখা হবে। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অমঙ্গলকামী শক্তি। এই বিষয়টি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটেই এই মন্তব্য করা হয়েছে।

    বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি (Russia)

    এই পরিস্থিতি সামনে আসে যখন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলা অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের সমস্যার মধ্যে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়া তার বাণিজ্যিক স্বার্থ ও কৌশলগত পদক্ষেপকে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করতে সরবরাহের পরিমাণ গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে ঠিক কত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, এ প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সরাসরি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “সঙ্গত কারণেই রাশিয়া সরবরাহের পরিমাণ সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করবে না।” বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক পক্ষ রাশিয়ার বাণিজ্যিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি। আধিকারিকদের মতে, পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক চাপের প্রভাব কমাতে এই গোপনীয়তা রাশিয়ার বৃহত্তর রফতানি কৌশলেরই অংশ।

    ক্রুড অয়েল সরবরাহ

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া এক সপ্তাহে (Russia) ভারতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ  ব্যারেল (২২ মিলিয়ন ব্যারেল) ক্রুড অয়েল সরবরাহ করতে সক্ষম। এই বিষয়ে পেসকভ সরাসরি সংখ্যা নিশ্চিত না করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী সরবরাহ সক্ষমতার ইঙ্গিত দেন। এর আগে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে একটি মানচিত্র দেখানো হয়, যেখানে আরব সাগর থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে একাধিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারের গতিবিধি দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এসব ট্যাঙ্কার ভারতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত রিফাইনারিগুলির দিকে যাচ্ছিল, যা বর্তমানে চলা সামুদ্রিক লজিস্টিক কার্যক্রমের ব্যাপকতা তুলে ধরে (Oil Export Data)।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    এদিকে (Russia), সাম্প্রতিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পৌঁছেছে চরমে। এই হামলায় জড়িত ইজরায়েল, আমেরিকা এবং ইরান। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হারমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ এই সামুদ্রিক পথে পরিবাহিত হয় বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারত ও চিনের মতো বড় ভোক্তা দেশগুলিকে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

    আমেরিকার অবস্থান

    অন্যদিকে, যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে রাশিয়ান তেল কেনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, সেই দেশই এখন ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দিয়েছে। এই ছাড়ের মাধ্যমে ভারতকে রাশিয়ান তেল কিনতে দেওয়া হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা যায় এবং সংকটকালে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা যায় (Russia)। রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নৌপথে বাধা তৈরি হওয়ায় রাশিয়া সরবরাহ বাড়াতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

    লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতামত

    রাশিয়ার সূত্র থেকে প্রকাশিত মানচিত্র ও স্যাটেলাইট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিপুল সংখ্যক রাশিয়ান তেলবাহী ট্যাঙ্কার ভারতের দিকে যাচ্ছে (Oil Export Data)। লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া তার রফতানি পাইপলাইন ও বিকল্প সমুদ্রপথ ব্যবহার করে সরবরাহ অব্যাহত রাখছে। হারমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে অন্যান্য পথকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভারতীয় বন্দরগুলিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল পৌঁছানো যায়। আধিকারিকরা বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এই লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Russia)।”

     

LinkedIn
Share