Tag: Street Food

Street Food

  • Durga Puja 2023: পুজোর সময় রোল-চাউমিন! রাস্তার ধারে খাওয়ার আগে একবার ভেবে দেখেছেন?

    Durga Puja 2023: পুজোর সময় রোল-চাউমিন! রাস্তার ধারে খাওয়ার আগে একবার ভেবে দেখেছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর চারদিন সারা রাত জেগে ঠাকুর দেখবেন, খিদে পেলে রাস্তার ধারের দোকানই ভরসা। প্রত্যেক পুজো মণ্ডপের আশেপাশেই গজিয়ে উঠেছে ছোট ছোট ফুড স্টল। রাস্তার ধারের ফুটপাথে হাঁটার জায়গা নেই। চেয়ার টেবিল পেতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিক্রি-বাটা। চলছে রসনাতৃপ্তি। কিন্তু সত্যই কি তৃপ্তি? কতটা ভাল এই খাবার, তার খোঁজ নিচ্ছে কে? ষষ্ঠী থেকে দশমী— এই পাঁচ দিন উৎসবের আনন্দে বহু মানুষেরই বাড়িতে রান্নার পাট কার্যত নেই। এই সময়ে অন্তত এক বেলা তো বটেই, অনেকে দুপুরে-রাতে, এমনকী কেউ কেউ প্রাতরাশও বাইরে সারেন। সেই জন্য রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানগুলিতে বিক্রি যেমন কয়েক গুণ বাড়ে, তেমনই শুধু পুজোর জন্য পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন বড় পুজো মণ্ডপকে ঘিরে বসে যায় খাবারের অস্থায়ী স্টল। সেই জন্য ভেজাল ও খারাপ খাবার বিক্রি করে যারা ব্যবসা করে, তাদের এই সময়ে রমরমা।

    শয়ে শয়ে দোকানে ঘুরে দেখা কি সম্ভব?

    পুজোর মুখে শহরের বিভিন্ন মণ্ডপকে কেন্দ্র করে এ ভাবেই যত্রতত্র গজিয়ে ওঠে অসংখ্য খাবারের স্টল। বিশেষ করে, বড় বড় পুজোর আশপাশে, যেখানে সাধারণত ভিড় হয় বেশি। পুজোর সময় সেই সমস্ত জায়গায় খাবারের গুণগত মান ঠিক আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ও তাদের সতর্ক করতে শহরের বিভিন্ন নাম করা হোটেল ও রেস্তোরাঁ ঘুরে দেখছেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। পুজো মণ্ডপের আশেপাশে হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা ফুড স্টলগুলিকেও সতর্ক করেছেন তিনি। পুজোর পাঁচ দিন কলকাতা পুরসভার ফুড সেফটি অফিসারেরা পরিদর্শন করবেন শহরের বিভিন্ন হোটেল রেস্তরাঁ এবং ফুড স্টলগুলি। খাবারের গুণগত মান ঠিক না থাকলেই কড়া শাস্তি, সতর্ক করার কথা বলেছেন ডেপুটি মেয়র। তবে, পুরকর্তার এই দাবি কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে সন্দেহ আছে অনেকেরই। শয়ে শয়ে দোকানে ঘুরে দেখা কি সম্ভব? কতজন অফিসার এই কাজ করবেন? তার কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কি? এক্ষেত্রে কোনও সদুত্তর মেলেনি।

    আরও পড়ুন: কাল মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, জেনে নিন এর পৌরাণিক তাৎপর্য

    দায় সারছেন পুজো কর্তারাও

    পুজোয় সব চেয়ে বেশি বিক্রি হওয়ার মধ্যে আছে রোল এবং চাউমিন। বিভিন্ন অলিগলিতেও গজিয়ে ওঠে এই দু’টির দোকান। সেখানে এত বেশি পরিমাণে চাউমিন লাগে যে, দোকানিরা কোনও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের বদলে পাইকারি হারে চাউমিন কেনেন। ফলে, সেই চাউমিন কতটা স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে তৈরি হচ্ছে, প্রশ্ন থাকছে তা নিয়ে। পুজোকর্তারাও স্টলের ভাড়া নিয়ে দায় সেরেছেন। তাঁরা স্বীকার করছেন, তাঁদের পক্ষে স্টলের খাবারের মান যাচাই করা সম্ভব নয়। তাহলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য? সেটা খাওয়ার আগে আপনাকেই ভাবতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share