Tag: Strike

Strike

  • Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকা বনধে জনজীবন স্তব্ধ! বন্ধ দোকানপাট, রাস্তায় নামল না বাসও

    Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকা বনধে জনজীবন স্তব্ধ! বন্ধ দোকানপাট, রাস্তায় নামল না বাসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসী সংগঠনের ডাকা বাংলা বনধে (Strike) সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভালোই প্রভাব পড়েছে। বেসরকারি বাস রাস্তায় নামেনি। এমনকী রাস্তায় কেউ বাইক নিয়ে বের হলে আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের সদস্যদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। এক বাইক আরোহীকে চড় মারতেও দেখা গিয়েছে। সরকারি বাস রাস্তায় নামলেও বনধ সমর্থনকারীরা তাতে বাধা দেন। সবমিলিয়ে এদিন বনধের (Strike) জেরে দুই দিনাজপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

    বনধে (Strike) কেমন সাড়া মিলল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়?

    ৭ ই এপ্রিল বালুরঘাটে তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন আদিবাসীরা। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া তিন আদিবাসী মহিলাকে ভর সন্ধ্যায় প্রকাশ্য রাস্তায় দণ্ডি কাটিয়ে তৃণমূলে ফেরানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে জেলা মহিলা তৃণমূল সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিলেও খুশি নয় আদিবাসীরা। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধের (Strike) ডাক দেয় আদিবাসীদের সংগঠন আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। এদিন সকাল থেকেই বালুরঘাটে হিলি মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বনধ সমর্থকরা। সকাল থেকে সরকারি বাস চললেও অবরোধের জেরে বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত যান চলাচল। সকাল থেকেই দোকানপাট, বেসরকারি বাস বন্ধ রয়েছে। এদিকে বনধের (Strike) কারণে এদিন সকাল থেকেই বালুরঘাট পাবলিক বাসস্ট্যান্ড থেকে বেসরকারি যান চলাচল করছে না। সরকারি বাস চলাচল শুরু হলেও তা আটকে দেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বনধ (Strike) সমর্থনকারীরা পিকেটিং করেন। জোর করে যাতায়াত করতে চাওয়ায় এক মোটরবাইক আরোহীকে থাপ্পড় মারে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। মূল গেট দিয়ে ঢুকতে বাধা পেয়ে দ্বিতীয় গেট দিয়ে পুলিশি ঘেরাটোপে প্রশাসনিক ভবনে ঢোকানো হয় জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণাকে। বনধ সফল করতে সবরকমভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বনধের জেরে জেলার জনজীবন স্তব্ধ হয়ে পড়ে।

    কী বললেন আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের নেতা?

    আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের নেতা হেমন্ত মুর্মু বলেন, দণ্ডিকাণ্ডে পুলিশ প্রশাসন লোক দেখানো দুজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু, আমাদের দাবি, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। সেই দাবিতে আমাদের এই বনধ (Strike)। এদিন বনধে জেলায় ভালো প্রভাব পড়েছে। দাবিপূরণ না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    বনধে (Strike) উত্তর দিনাজপুরে কতটা প্রভাব পড়ল?

    আদিবাসীদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বনধে (Strike) মিশ্র প্রভাব পড়ল উত্তর দিনাজপুর জেলায়। জেলা সদর রায়গঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। রায়গঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি মোড় ও শহরের প্রবেশপথ কসবা মোড়ে দু জায়গায় পথ অবরোধ করেন আদিবাসীরা। এদিন বনধ সফল করতে সকাল থেকে পথে নামেন আদিবাসীরা। রায়গঞ্জের কসবা মোড়ে শুরু হয় বনধ সমর্থকদের জাতীয় সড়ক অবরোধ। ফলে, যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়। শিলিগুড়ি মোড়েও শুরু হয় অবরোধ। মাদল, ধামসা ও তিরধনুক নিয়ে শিলিগুড়ি মোড়ে অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা। দফায় দফায় আলোচনা চললেও কোনও লাভ হয়নি। বনধের (Strike) জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় রায়গঞ্জ শহর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Strike: দণ্ডিকাণ্ডে এবার বাংলা বনধের ডাক দিলেন আদিবাসীরা! জানেন কবে?

    Strike: দণ্ডিকাণ্ডে এবার বাংলা বনধের ডাক দিলেন আদিবাসীরা! জানেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তপশিলি উপজাতি কমিশন রাজ্য পুলিশের ডিজি-র কাছে এই ঘটনা নিয়ে তিন দিনের মধ্যে যাবতীয় রিপোর্ট তলব করেছে। দণ্ডিকাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করার ঘটনায় খুশি নয় আদিবাসী সমাজ। বরং, রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াতে এবার বাংলা বনধের (Strike) ডাক দিল আদিবাসী সংগঠন সেঙ্গেল অভিযান। দণ্ডিকাণ্ডে জড়িত মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের  দাবিতেই এই বনধের ডাক বলে দাবি আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের নেতাদের। 

    কবে হচ্ছে বাংলা বনধ(Strike)?

    দণ্ডিকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ এপ্রিল গভীর রাতে বালুরঘাট থেকে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম বিশ্বনাথ দাস এবং আনন্দ রায়। তাঁরা এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ডিএসপি পদ মর্যাদার এক আধিকারিক এই মামলার তদন্তকারি অফিসার।  ধৃতরা এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন। আগামী ১৭ তারিখ তাঁদের ফের আদালতে তোলা হবে।  সেঙ্গেল অভিযানের উত্তরবঙ্গ জোনালের সভাপতি মোহন হাঁসদা বলেন,  আদিবাসী মহিলাদের দিয়ে যারা দণ্ডি কাটিয়েছে, তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছি। শুনলাম এই মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু, যে নেত্রী এই যোগদান কর্মসূচির নেতৃত্ব দিলেন তাঁকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। আমরা তাঁকে গ্রেফতারের দাবি জানাই। আদিবাসীদের উপর নির্যাতন, বঞ্চনার বিরুদ্ধেই আমরা আগামী সোমবার ১৭ই এপ্রিল বাংলা বনধ (Strike) ডেকেছি। আর বনধ (Strike) সফল করার জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করব।

    জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিয়ে কী লিখলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

     শুক্রবার ফের জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি চিঠিতে লিখিছেন, দণ্ডিকাণ্ডে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু, তারা এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নন। মূল অভিযুক্তকে আড়াল করতে পুলিশ এই দুজনকে গ্রেফতার করেছে।  এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হচ্ছেন, প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবি জানিয়ে এদিন আবার চিঠি দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এই বিষয় নিয়ে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে টুইটও  করেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School: ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে শিক্ষকরা সামিল হওয়ার অপরাধে স্কুলে একী করল তৃণমূল?

    School: ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে শিক্ষকরা সামিল হওয়ার অপরাধে স্কুলে একী করল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে অন্যান্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে সামিল হয়েছিলেন গঙ্গারামপুরের পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (School) শিক্ষক শিক্ষিকারা। এটাই ছিল এই স্কুলের শিক্ষকদের অপরাধ। শুধুমাত্র সেই কারণে শনিবার তাঁরা স্কুলে (School)  গিয়ে দেখেন আগে থেকেই স্কুলে তালা ঝুলছে। খোঁজ নিয়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানতে পারেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা এই তালা ঝুলিয়েছে। শাসক দলের নেতারা তালা লাগিয়েছে, সেই তালা ভাঙা সাহসও কারও নেই। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা একজন সিভিককে পাঠিয়ে নিজেদের দায় এড়িয়েছেন। এই বিষয়টি শুধু পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নয়, পাশের রাঘবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই ঘটনা ঘটেছে। তালা মারার ঘটনা অন্যদের জানাতে চাইলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

     কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা? School

     বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ও যৌথ মঞ্চের সদস্যরা ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন। গঙ্গারামপুর পর্ত্তিপাড়া, রাঘবপুর সহ একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারাও ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন। শনিবার স্কুলে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা দেখেন তালা ঝুলছে।এদিকে ঠাঁই রোদে স্কুলের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশাপাশি পড়ুয়ারাও দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুপুর একটার পর তৃণমূল নেতৃত্ব তালা খুলে দেন। দুপুর একটার পর স্কুল খোলার কারণে আজ স্কুলে মিড ডে মিলও হয়নি। এবিষয়ে পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (School)  প্রধান শিক্ষিকা নূপুর সাহা বলেন, ধর্মঘটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আগেই জানানো হয়েছিল। পুরো বিষয়টি জানানোর পরে আমরা ধর্মঘটে সামিল যোগ দিয়েছিলাম। আমাদের এই অপরাধে স্কুলে তালা মেরে দেওয়া হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা স্কুলে তালা ঝোলানোর পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় আমাদের গালিগালাজ করে।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানিয়ে কোনো লাভ হয়নি।

    এবিষয়ে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শংকর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। ধর্মঘট, আন্দলোন করা এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। এই বিষয়ে সরকারকেও উদ্যোগ নেওয়া উচিত। আমরা যারা ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলাম আমাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতেই পারে। এটি সম্পূর্ণ আইনি ব্যাপার। এভাবে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের হেনস্থা করার অধিকার কারও নেই। এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করতে বলুন না, উনি তো বলেছিলেন শিক্ষকরা ধর্মঘট করলে তাদের বেতন কাটা যাবে। যারা স্কুলে তালা মারল তাদেরও মাইনে কাটা উচিত। তাদের কাছ থেকে একদিনের টাকা নেওয়া উচিত। একদিনের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ল, বাচ্চাদের ক্ষতি হল তার দায় কে নেবে। তৃণমূল তো এটাই চায়। হীরক রাজাও স্কুল বন্ধ করে দিয়েছিল। এই নতুন হীরক রানি ও তাঁর দলবল স্কুল বন্ধ করে দিতে চায়। এরা যত বেশি জানে তত বেশি মানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকে বন্‌ধ! দক্ষিণ দিনাজপুরে কেমন সাড়া মিলল?

    Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকে বন্‌ধ! দক্ষিণ দিনাজপুরে কেমন সাড়া মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতারসহ একাধিক দাবিতে সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বন্‌ধের (Strike) ডাক দিয়েছিল আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান। সকাল থেকে সংগঠনের সদস্যরা বন্‌ধ সফল করতে রাস্তায় নামে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাস্তায় পুলিশ মোতায়েন ছিল।

    বন্‌ধে (Strike) কেমন প্রভাব পড়ল?

    রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও এদিন সকাল থেকে বন্‌ধ (Strike) পালিত হচ্ছে। বন্‌ধের কারণে বালুরঘাট পাবলিক বাসস্ট্যান্ডে বেসরকারি বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বেসরকারি বাস চলাচল না করলেও সকালের দিকে কিছু সরকারি বাস চলাচল করেছে। বন্‌ধ সমর্থকরা বালুরঘাটের মঙ্গলপুর মোড়ে পথ অবরোধ করেন। ফলে, বালুরঘাট থেকে মালদা ও রায়গঞ্জের দিকে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও বালুরঘাটে বন্‌ধ সমর্থকরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দোকানপাট বন্ধ করে দেন। বালুরঘাট শহরের দোকান বাজার এদিন বন্ধ ছিল। সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রায় একই চিত্র দেখা গিয়েছে। এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বালুরঘাট শহর জুড়ে বিশাল পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এদিকে বন্‌ধের কারণে নিত্যযাত্রীরা চরম নাকাল হন। বালুরঘাটসহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে বেসরকারি যানবাহন চলাচল না করলেও হাতে গোনা কিছু টোটো রাস্তায় চলাচল করেছে।

    কী বললেন আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের নেতা?

    প্রসঙ্গত, দণ্ডিকাণ্ডে প্রথম থেকেই তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে আড়াল করেই রাখা হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আগেই সরব হয়েছিল আদিবাসী সংগঠনগুলি। গত ৭ এপ্রিল তপনের গোফানগরের কয়েকজন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটিয়ে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে একান্তভাবে কথা বলার পরেই রাতারাতি পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সনের পদ থেকে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরানো হয়। পাশাপাশি পুলিসও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় তাঁকে। কিন্তু, এতেও খুশি নয় আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান। তাই এবারে ফের বন্‌ধের (Strike) ডাক দিয়েছে তারা। আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান এর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার নেতা বিক্রম মুর্মু বলেন, এদিনের বন্‌ধ সফল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আদিবাসীদের সামাজিক বহিষ্কারের প্রতিবাদে, কুর্মিদের এসটি সূচিতে সামিলের চক্রান্তের বিরুদ্ধে, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের দণ্ডিকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবিতে এদিনের বন্‌ধ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Strike: ‘‘বন‍্‍ধ স্বতঃস্ফূর্ত ও অত্যন্ত সফল’’! সাড়া দেওয়ায় উত্তরবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ সুকান্তর

    BJP Strike: ‘‘বন‍্‍ধ স্বতঃস্ফূর্ত ও অত্যন্ত সফল’’! সাড়া দেওয়ায় উত্তরবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ জুড়ে ১২ ঘণ্টার বন‍্‍ধ (BJP Strike) স্বতঃস্ফূর্ত ও অত্যন্ত সফল বলে জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সাধারণ মানুষ তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাড়া দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এর জন্য উত্তরবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। উত্তরবঙ্গ বিজেপির পাশে ছিল, আছে, থাকবে বলেও মত তাঁর।

    বন‍্‍ধ আটকানোর ব্যর্থ চেষ্টা

    বন‍্‍ধ সফল করতে শুক্রবার সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছেন বিজেপি (BJP Strike) কর্মী, সমর্থকরা। বালুরঘাট, রায়গঞ্জ থেকে শুরু করে মালদা সর্বত্রই বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়গুলিতে পিকেটিং শুরু করে দিয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও সমস্ত কিছু সচল রাখতে সর্বতভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বত্র মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যেই কোচবিহারে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪০ জন বিজেপি সমর্থককে, বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফুঁসছে কালিয়াগঞ্জ। উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গ। সাধারণ মানুষ নিজেদের ইচ্ছায় সাড়া দিয়েছে। তৃণমূল জোড় করে বন‍্‍ধ আটকানোর চেষ্টা করছে।”

    মানুষ বিজেপির পাশে

    বন‍্‍ধ (BJP Strike) মোকাবিলায় পতাকা হাতে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় মিছিল করছে তৃণমূল। কোচবিহারেও শাসক দল পাল্টা মিছিল করে বন‍্‍ধ ব্যর্থ করতে চাইলে উত্তেজনা ছড়ায়, বলে জানান সুকান্ত। সকাল থেকে কোচবিহার, রায়গঞ্জ, জলপাইগুড়ি, ধূপগুড়ি সহ একাধিক জায়গায় মিছিল করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সুকান্ত বলেন, “কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা হত্যা ও রাধিকাপুরে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আমরা তাদের পাশে আছি। এটা প্রমাণ করে কালিয়াগঞ্জের মানুষ পুলিশের উপর আস্থা হারিয়েছে। যে পুলিশ অপরাধীদের আটকাতে পারে না সেই পুলিশ একটা মায়ের কোল খালি করে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাধিকাপুরে এক এসআই-এর গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের।” কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) নাবালিকাকে গণধর্ষণ-খুনের অভিযোগের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের আইজি (উত্তরবঙ্গ), উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে তলব করেছে জাতীয় তফশিলি জাতি কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুকান্ত। 

    আরও পড়ুন: কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় দিল্লিতে তলব জেলাশাসক, পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের

    বন‍্‍ধ-এর প্রভাব

    শিলিগুড়িতে বন‍্‍ধ-এর মিশ্র প্রভাব পড়েছে। দোকান বাজার বন্ধ রয়েছে। রাস্তাঘাটে বাস গাড়ি চললেও তার সংখ্যা অনেকটাই কম। তবে পাহাড়ে কোনও প্রভাব পড়েনি বন‍্‍ধ-এর। জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টা বন‍্‍ধ-এ (BJP Strike) বালুরঘাট সহ জেলায় কোনও বেসরকারি যানবাহন ও বাস চলাচল করছে না। ঘুঘুমারিতে বিজেপির অবরোধ তুলতে গেলে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি কর্মীদের দিকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করতে দেখা যায় তৃণমূল কর্মীদের। কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মালদা জেলার বিজেপির কর্মী, সমর্থকরা শহরের রথবাড়ি মোড়, মঙ্গলবাড়ী মোড়, সাহাপুর, ডিস্কো মোড় সহ আরও একাধিক জায়গায় ইতিমধ্যেই পথ অবরোধ করেছে। সকাল থেকেই বেসরকারি বাস রাস্তায় চলতে দেখা যায়নি। মালদা জেলার প্রায় দেড়শোটি বেসরকারি বাস আজ চলাচল করেনি। গৌরকন্যা বাসস্ট্যান্ডে বেসরকারি বাস দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাসস্ট্যান্ড জনশূন্য। একই চিত্র উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্র পরিবহনের বাসস্ট্যান্ডে, নেই কোনও যাত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Strike: উত্তরবঙ্গে ১২-ঘণ্টা বন্‌ধ বিজেপির! পদ্ম কর্মী-সমর্থকদের টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলল পুলিশ

    BJP Strike: উত্তরবঙ্গে ১২-ঘণ্টা বন্‌ধ বিজেপির! পদ্ম কর্মী-সমর্থকদের টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে বিজেপির (BJP Strike) ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্‌ধে মিশ্র প্রভাব পড়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, মালদা-সহ বিভিন্ন জেলায়। সকাল থেকেই রাস্তাঘাট শুনশান। দোকান-পাট বন্ধ। বেসরকারি বাসও রাস্তায় নামেনি। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে বন্‌ধ ব্যর্থ করতে উঠে-পড়ে লেগেছে প্রশাসন ও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। ইতিমধ্যেই অশান্তির আবহ কোচবিহার শহরে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন বিজেপির বন্‌ধ সমর্থনকারীরা। যার জেরে প্রায় ২০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। বন্‌ধের সমর্থনে ট্যুইট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কোচবিহারে গণ্ডগোল

    বন্‌ধের সমর্থনে শুক্রবার সকালে কোচবিহার শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল বার করে বিজেপি (BJP Strike)। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিধায়ক মালতী রাভা। মিছিল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস টার্মিনাসে এসে পৌঁছনোর পর বন্‌ধ সমর্থনকারীরা সরকারি বাস আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বেশ কিছু বিজেপি কর্মী সমর্থকদের টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী রাস্তায় নেমেছে। কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্‌ধের ডাক দিয়েছে রাজ্য বিজেপি (BJP Strike)। শুক্রবার সকাল থেকেই কোচবিহার শহরে সেই বন্‌ধের আংশিক প্রভাব লক্ষ করা যায়। সকাল থেকেই রাস্তায় কোনও যানবাহন নামায়নি বেসরকারি পরিবহণ সংস্থাগুলি। যাত্রী পরিবহণের জন্য সরকারি বাসগুলি রাস্তায় নামলেও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির হাত থেকে বাঁচতে সরকারি বাসের ড্রাইভারদের হেলমেট পরে বাস চালাতে দেখা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

    বন্‌ধের প্রভাব পড়েছে দার্জিলিংয়ে

    বন্‌ধের প্রভাব পড়েছে দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও। বিভিন্ন জেলায় পতাকা হাতে বন্‌ধের (BJP Strike) সমর্থনে রাস্তায় মিছিল বার করেছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। দার্জিলিং শহরেও সকাল ৯টা থেকে মিছিল বার করার কথা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। এদিন সকাল থেকেই অসম-বাংলা যোগাযোগকারী ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের কাশিয়াবাড়ি বাজারে পথ অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি হরিপুর কামাখ্যাগুড়ি সংযোগকারী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি (BJP Strike)। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বুলবুলি মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। রাস্তায় বসে পড়েন বিজেপির নেতা কর্মীরা। নেতৃত্বে বিজেপির উত্তর মালদা ব্লক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। মালদা জেলার মালদা শহর ইংরেজবাজার ছাড়াও গাজোল, হবিবপুর, মানিকচক ইত্যাদি ব্লকে বনধে ভালো সাড়া মিলেছে। রাস্তায় বিশেষ যান চলাচল নেই, দোকান বাজার বন্ধ। পুলিশও নেমেছে রাস্তায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবারই রায়গঞ্জ হাসপাতালে বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবিতে রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি নেতৃত্ব।  রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ বিজেপি নেতৃত্বরা এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গুলিকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সহ কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি-র কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন দিনভর অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। বিকেলের (BJP) পর বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীর মৃত্যুর উপযুক্ত তদন্ত এবং পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গ বনধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বনধ সফল করার জন্য উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

    পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে বীরভূমে যান। সেখানে কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজবংশী, নমশূদ্র এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ওপর বারে বারে এই ধরনের আক্রমণ হচ্ছে। এটা নিন্দার কোনও ভাষা নেই। কালিয়াগঞ্জ থানায় তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তারপরই ওদের রেজিস্ট্রার গুন্ডা পুলিশ এই কাজ করেছে। যে অভিযোগে বিজেপি-র (BJP) সদস্য বিষ্ণু বর্মনকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল পুলিশ, সে সেদিন থানার ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিল না। তৃণমূলের উপ প্রধানই সে কথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছেন। এটা নিন্দনীয় ঘটনা। বিজেপি (BJP) এর বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্রতর করবে। আর রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সার্বিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। এনআইএ তদন্ত হলে ভাল হয়। আর দলীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের যেখানে বাড়়ি, সেখানে কাঁটাতার পেরিয়ে যেতে হয়। পুলিশ বিএসএফের অনুমতি নিয়ে সেখানে গিয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA: ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি নবান্নর, ‘‘সাহস নেই’’! পাল্টা চ্যালেঞ্জ

    DA: ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি নবান্নর, ‘‘সাহস নেই’’! পাল্টা চ্যালেঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আজ, শুক্রবার ধর্মঘটে অনড় ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। আর ধর্মীঘটীদের আন্দোলন রুখতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন (Nabanna)। বৃহস্পতিবার অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কারণ না দেখিয়ে শুক্রবার কোনও সরকারি কর্মী ছুটি নিতে পারবেন না। স্কুল-কলেজ সহ যাবতীয় সরকারি ও সরকার পোষিত প্রতিষ্ঠান ওই দিন পূর্ণ সময় খোলা থাকবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য কর্মীদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। কোনও সরকারি কর্মী যদি হাসপাতালে ভর্তি থাকেন বা কোনও সরকারি কর্মী যদি আগাম ছুটি নিয়ে থাকেন, তবে তাঁর ছুটি মঞ্জুর হবে। ধর্মঘটের দিন বিনা অনুমতিতে কেউ কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকলে, তাঁর বেতন কাটার পাশাপাশি কর্মজীবনের মেয়াদও একদিন কমবে। প্রতিটি দফতরের বিভাগীয় প্রধানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও কর্মী এর পরেও গরহাজির থাকলে তাঁকে শোকজের চিঠি ধরাতে হবে। শোকজের উপযুক্ত উত্তর মিললে তবেই মঞ্জুর হবে ছুটি।

    বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু’দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ধর্মঘটে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাজ্য সরকারি কর্মীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন কো-অর্ডিনেশন কমিটি জানিয়েছে, রাজ্য সরকার যতই কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিক, ধর্মঘট হবেই। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছেন। তবে জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের ছাড় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    ভয় পাবেন না…

    যদিও রাজ্যের হুঁশিয়ারিতে সরকারি কর্মীদের ভয় না পওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠন। ওই সংগঠনের নেতাদের দাবি, রাজ্য যে নির্দেশিকা জারি করেছে, তা পুরোপুরি বেআইনি। ধর্মঘটে শামিল হলেও, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    আরও পড়ুুন: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, ফের নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

    এদিকে, বিভিন্ন সরকারি দফতরে উপস্থিতির হার কত, তার রিপোর্ট সকাল ১১টার মধ্যেই পাঠাতে হবে নবান্নে (DA)। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বিভিন্ন দফতরের সচিবদের কাছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এই উপস্থিতির হার দেখতে চান। উপস্থিতির হার পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যেই একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন দফতরে। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যেই বিভিন্ন সরকারি দফতরে ধর্মঘটকে উপেক্ষা করে উপস্থিতির হার কত, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA: প্রভাব পড়বে জেলায় জেলায়! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা

    DA: প্রভাব পড়বে জেলায় জেলায়! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আজ, শুক্রবার ধর্মঘট পালন করবেন সরকারি কর্মীরা। যার জেরে এদিন স্কুল-কলেজ-অফিস-কাছারিতে কাজকর্ম না হওয়ারই সম্ভাবনা। যদিও ধর্মঘট রুখতে ফের একপ্রস্ত কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার (State Government)। স্বাভাবিকভাবেই ডিএ ইস্যুতে রাজ্য এবং সরকারি কর্মীদের সংঘাত আরও তীব্র হতে চলেছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে ধর্মঘট রুখতে কড়া রাজ্য…

    বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ধর্মঘটে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের তরফে জারি করা আরও এক দফা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুক্রবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। ধর্মঘটে শামিল হলে কর্মজীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। সেই সঙ্গে করা হবে শোকজ।  

    এদিকে, শুক্রবারের ধর্মঘট যাতে সফল হয়, সেজন্য বৃহস্পতিবারই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পথসভা করেছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার প্রস্তাবিত ধর্মঘটের দিন সকাল সাড়ে ন’টা থেকে সব সরকারি কার্যালয়ের সামনে পিকেটিং করবেন তাঁরা। যাঁরা অফিস-কাছারিতে আসবেন, তাঁদের ধর্মঘটে শামিল হওয়ার অনুরোধও জানানো হবে। তবে যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী, তাঁদের আটকানো হবে না বলেই জানান রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটির জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক স্তর থেকে আমরা বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছি। শুক্রবার যাঁরা কাজে যোগ দেবেন না, তাঁদের সোমবার কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে কোথাও কোথাও। তবে আমাদের সদস্যরা ধর্মঘট সফল করতে বদ্ধপরিকর।  

    আরও পড়ুুন: কুন্তলের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে গাড়ি কিনেছিলেন বনি! কী বললেন টলি অভিনেতা?

    এবিটিএ-র জেলা সম্পাদক আশিস বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকা কিছু শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী ছাড়া সকলেই এই ধর্মঘটে (DA) অংশগ্রহণ করবেন। তবে ছাত্রছাত্রীদের কোনও ক্ষতি হোক, এমনটা আমরা চাই না। তাই শুক্রবারে যে পড়ার ক্ষতি হবে, সেটা কোনও একটি ছুটির দিনে আমরা পড়িয়ে দেব। তিনি বলেন, সরকার নির্দেশিকা জারি করলেও, কখনও মাইনে কাটার বা কর্মদিবস কমিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার সাহস দেখাতে পারেনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। প্রস্তাবিত এই ধর্মঘট (Strike) নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনার পারদ।

    ধর্মঘটের দাবিতে অনড়…

    বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মচারিরা। পৃথা বিশ্বাস নামে এক শিক্ষিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, আমি চাই আগামী ১০ই মার্চ ধর্মঘট করার জন্য সরকার বাহাদুর থুড়ি বাহাদুরানি আমার এক দিনের বেতন কাটুন, চাকরি জীবনের একটি দিন কাটুন। কারণ আমি চাই আমার সার্ভিস বুকে লেখা থাকুক দেশজুড়ে ধর্মীয় বিভাজনকেই রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছি, যোগ্যতা রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে, আর বুক ফুলিয়ে টাকার বিনিময়ে চাকরি কেনাবেচা চলছে। এই বেনিয়মকে আমি ধিক্কার জানিয়েছি…।

    ধর্মঘট বানচাল করার ছক?

    এদিকে, ১০ মার্চ প্রশাসনিক ধর্মঘটের দিন থেকেই শুরু হচ্ছে উত্তরপত্র বিলি। সেই পরিস্থিতিতে নির্ঝঞ্জাটভাবে উত্তরপত্র বিলি করার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হল। বুধবার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ১০, ১১, ১৩, ১৪ ও ১৯ মার্চ উত্তর পত্র বিলি করা হবে। পড়ুয়া ও সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজকর্ম যে জরুরি এবং বাধ্যতামূলক, তা পর্ষদের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।মূল পরীক্ষকদের উদ্দেশে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, তাতে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে পড়ুয়া ও বৃহত্তর সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও কাজ অত্যন্ত জরুরি এবং বাধ্যতামূলক।

    বিধানসভা অভিযানের ডাক…

    এদিকে, এদিনই বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছে এসএফআইয়ের পশ্চিমবঙ্গ শাখা। ছাত্র ফেরাও, স্কুল বাঁচাও, ছাত্রভোট ফেরাও, কলেজ বিশ্ববিদ্যায় বাঁচাও এই স্লোগান সামনে রেখে এদিন বিধানসভা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের তরফে সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, ১০ মার্চ বেলা ১২টার সময় শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ছাত্র মিছিল রাজ্যের বিধানসভা অভিমুখে যাবে। আমরা রাজ্যের ছাত্র সমাজকে আগামী ১০ মার্চ বিধানসভা অভিযানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share