Tag: Strike

Strike

  • TMC Opposed Strike: ডিএ-এর জন্য সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট! আন্দোলন ব্যর্থ করতে সক্রিয় তৃণমূল

    TMC Opposed Strike: ডিএ-এর জন্য সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট! আন্দোলন ব্যর্থ করতে সক্রিয় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের ধর্মঘটের দিন অফিসে কারা গরহাজির থাকছে, তা খতিয়ে দেখবে তৃণমূল কংগ্রেস। নজরদারিতেই থামবে না শাসকদলের নেতা কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্কুল, কলেজ, সরকারি দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সর্বত্র খতিয়ে দেখা হবে। তৃণমূলের নেতা কর্মী এবং জনপ্রতিনিধি বিশেষ করে পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যদেরকে বলা হয়েছে, ১০ মার্চ যেন সব সরকারি দফতর, স্কুল, কলেজে কর্মচারীদের স্বাভাবিক হাজিরা থাকে তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    ধর্মঘট ব্যর্থ করতে রাস্তায় কর্মীরা

    প্রসঙ্গত বকেয়া ডিএ-দেওয়ার দাবিতে ১০ মার্চ গোটা রাজ্যে সরকারি ক্ষেত্রে কর্মচারীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। কিন্তু সেই ধর্মঘটকে ভাঙতে যেভাবে শাসকদলের পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, দলের ব্লক সভাপতি ও দলের কর্মীদেরকে রাস্তায় নামতে বলা হচ্ছে তা নজির বিহীন। সরকারি দফতরে গিয়ে ধর্মঘটের বিরুদ্ধে প্রচার করতে বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, ধর্মঘটের দিন তৃণমূল কংগ্রেসের বাহিনীকে নামিয়েই ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টা করা হবে। ধর্মঘটের আগের দিন যেভাবে নির্দেশ দিয়ে স্কুল কলেজে গিয়ে ধর্মঘটের দিন আসার অনুরোধ করা হচ্ছে তার লক্ষ্য একটাই সরকারি কর্মচারী শিক্ষকদের মধ্যে ভয় ও ভীতির পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।

    আরও পড়ুন: ভাবাদিঘিকে বাঁচাতে একজোট গ্রামবাসীরা, থমকে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথ সংযোগের কাজ

    হুগলি জেলা গোঘাট ১নং ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিজয় রায়ের দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশিকা সামনে এসেছে। তাতেই পরিষ্কার হয়েছে ধর্মঘটীদের উদ্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচ্ছন্ন হুমকির বার্তা। গোঘাট এক নম্বর ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান, উপপ্রধান এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বলা হয়েছে স্কুলে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের “অনুরোধ” করে আসতে যাতে ধর্মঘটের দিন তাঁরা স্কুলে আসেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা স্কুলে যাবেন গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে অনুরোধ করবেন এটা কার্যত হাস্যকর। এক ধর্মঘটী সংগঠনের নেতার অভিযোগ, ধর্মঘটের আগের দিন স্কুলে এসে তৃণমূলের লোকেরা আসলে হুমকি দিয়ে যাবে। কিন্তু এবার কোনও হুমকির মুখেই মাথা নত করবে না শিক্ষক শিক্ষিকারা। কর্মচারীদের বকেয়া ন্যায্য, তা দিতে হবে।

    যদিও ধর্মঘটপন্থী শিক্ষক ও কর্মী সংগঠনগুলির দাবি, সরকার ও শাসকদলের ‘রক্তচক্ষু’ অগ্রাহ্য করেই সর্বস্তরের কর্মীরা ১০ মার্চের ধর্মঘট সফল করবেন। ধর্মঘটে যোগ দেওয়া কারও বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে সব রকমের আইনি সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে যে তিনটি সংগঠন— সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতৃত্বে যৌথ মঞ্চ এবং বিজেপি সমর্থিত রাজ্য সরকারি কর্মচারী পরিষদ— তারা সবাই জানিয়েছে, সে দিন কাজে না আসার দায়ে কোনও কর্মীর বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে সব রকমের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: কর্মবিরতির পর বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের, জানেন কবে?

    DA: কর্মবিরতির পর বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের, জানেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে তত জোড়ালো হচ্ছে ডিএ- এর (DA) দাবিতে আন্দোলন। দুদিন ধরে কর্মবিরতির পর এবার ধর্মঘটের ডাক দিল সরকারি কর্মচারীদের যৌথ মঞ্চ। আগামী ৯ মার্চ রাজ্য জুড়ে স্কুল-সহ সমস্ত সরকারি অফিসে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মীরা। ছাড় দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল-সহ বেশ কিছু জরুরী পরিষেবাকে।

    মঙ্গলবার, কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয় আন্দোলনকারীদের (DA)। জেলায় জেলায় আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের গায়ে হাত পর্যন্ত তোলা হয়েছে অভিযোগ রয়েছে। হয়েছে হাতাহাতিও। গত দু’দিন বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন ভাঙার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি মহিলাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলকারীরা। এর প্রতিবাদে বুধবার সমস্ত সরকারি দফতরে ধিক্কার কর্মসূচি পালন করা হবে। টিফিনের সময় কর্মীরা কালো ব্যাচ পরে ধিক্কার দিবস পালন করবেন।   এই পরিস্থিতিতে ৯ মার্চ যৌথ ভাবে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মী সংগঠন। কো-অর্ডিনেশন কমিটিও এই ধর্মঘটে সামিল হওয়ার ঘোষণা করেছে।    

    মঙ্গলবারই শেষ হয়েছে সরকারি কর্মীদের দু’দিনের কর্মবিরতি আন্দোলন। এর এদিন বিকালে বৈঠকে বসে যৌথ মঞ্চ (DA)। সেই বৈঠকে এই ধর্মঘটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমাদের সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তাই বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ডাকতে হচ্ছে। শহীদ মিনারের পাদদেশে ২৬ দিন ধরে আমাদের আন্দোলন চলছে। ১২ দিন ধরে হচ্ছে অনশন। কিন্তু এরপরেও সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।”

    আরও পড়ুন: প্রথমবার লোকসভায় গিয়েই দুরন্ত পারফরম্যান্স! ‘সংসদ রত্ন’ হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার”

    ধিক্কার কর্মসূচী 

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে গত দু’দিন ধরে যে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা (DA)। আন্দোলন সফল হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তাঁরা (DA)। অন্যদিকে, গত এই কর্মবিরতি চলাকালীন বেশ কিছু জায়গায় সরকারের তরফে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। তার প্রতিবাদে বুধবার সব সরকারি দফতরে ধিক্কার কর্মসূচির ডাকও দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুর্শিদাবাদে বলেন, “দু’দিনের বন্‌ধে কিছু হবে না। জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব বন্ধ করে দিতে হবে। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ নিয়ে বাড়ি যাবেন কর্মীরা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share