Tag: student leader

student leader

  • Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    Bangladesh Violence: হাদির পর নাহিদ ঘনিষ্ঠের মাথায় গুলি, ভোটের আগে সংঘর্ষে উত্তাল ইউনূসের বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট। তার আগে রাজনৈতিক প্রচার এবং সংঘর্ষে (Bangladesh Violence) উত্তাল গোটা দেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন তালানিতে ঠেকেছে। এনসিপি-সহ একাধিক দলের নেতারা কট্টরপন্থী জেহাদি সংগঠন জামাতের খাতায় নাম লেখাতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সোমবার আরও এক ভারত বিদ্বেষী এনসিপি দলের নেতার মাথাকে লক্ষ্য করে গুলি করার অভিযোগে ফের একবার উত্তাল হয়ে উঠেছে খুলনা। দেশে যে আইনের শাসন নেই এবং জনগণের জীবন-সম্পত্তি চরম সঙ্কটের মুখে তাও আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে বিশ্বের দরবারে।

    হাসপাতালে ভর্তি (Bangladesh Violence)

    এনসিপি নেতা তথা প্রাক্তন উপদেষ্টা ইউনূস ঘনিষ্ঠ নাহিদ ইসলামের কাছের নেতা হলেন মোতালেব শিকাদার (Student Leader)। তিনি এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁকে সোমবার ১২ টা নাগাদ সোনাডাঙার একটি বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে। বর্তমানে এই নেতা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে দলের তরফে জানানো হয়েছে কিছু দিনের মধ্যেই এখানে শ্রমিকদের নিয়ে একটি বিরাট সম্মলেনের আয়োজন হবে, আর ঠিক তার আগে এই ঘটনা জনমনে অত্যন্ত আতঙ্ক এবং উদ্বেগের (Bangladesh Violence) সৃষ্টি করেছে।

    পুলিশ পরিদর্শকের বক্তব্য

    সোনাডাঙা থানার পরিদর্শক আনিমেষ মণ্ডল বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’-কে জানিয়েছেন, মোতালেবকে (Student Leader) গুলি করেছে কয়েকজন দুষ্কৃতী। আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর মাথার সিটি স্ক্যান করতে অন্য আরেকটি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসিনা বিরোধী এবং ভারত বিরোধী অন্যতম মুখ নাহিদ। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনে রাজনৈতিক লড়াই এবং সংঘর্ষ (Bangladesh Violence) এখন চরমে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ।

    নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ

    বাংলাদেশে নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হয়েছে গত ১২ ডিসেম্বর থেকে। চলবে এই মাসের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই আবহেই গত ১২ ডিসেম্বর মাথায় গুলি লাগে ইনকিলাব মঞ্চের কট্টর ভারত বিরোধী নেতা ওসমান হাদির। ইউনূসের প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যায় হাদিকে কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ছয়দিন চিকিৎসার পর মৃত্যু হয় হাদির। এরপর থেকেই সারা বাংলাদেশ জুড়ে কট্টর মৌলবাদী এবং জামাত সমর্থকরা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হিন্দু নিধন শুরু করে। ফলে পরিস্থিতির বিচারে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ অত্যন্ত চিন্তা ব্যক্ত করেছেন। রাজনৈতিক হত্যা (Bangladesh Violence) এবং অশান্তির জেরে দেশের নির্বাচন কতটা নির্বিঘ্নে হওয়া সম্ভব, তাও এখন একটা বড় প্রশ্ন।

    পাক ঘনিষ্ঠ ইউনূস

    তবে ডক্টর মহম্মদ ইউনূস প্রথম থেকেই এনসিপির (Student Leader) নেতাদের নয়নের মণি করে রেখেছেন। একই ভাবে আবার প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সঙ্গীরা ভারতের তুলনায় পাকিস্তানকে বেশি কাছের বলে মনে করেন। ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার মন্তব্যকে তীব্র সমর্থন করেন। ইউনূস নিজেও পাকিস্তানের আইএসআইকে নিজের লেখা বইয়ে ভারতের মানচিত্র এবং সার্বভৌমকে ক্ষুণ্ণ করেছেন। তা নিয়ে ভারতও অত্যন্ত কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছিয়ে। সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন গৃহযুদ্ধে মত্ত।

  • Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর পিস্তল হাতে ছবি সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা মাধ্যম যাচাই করেনি। কিন্তু কীভাবে হাতে এলো এই দেশি অস্ত্র? কোন প্রভাবশালী নেতা এই যুবকের পিছনে রয়েছেন? পুলিশ কেন গ্রেফতার করেনি? একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ফলে বারাকপুরের (Barrackpore) রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে তীব্র চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।

    অস্ত্র হাতে চোখেমুখে উল্লাস (Barrackpore)!

    সামজিক মাধ্যমে যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে দেখা যাচ্ছে, নোয়াপাড়া (Barrackpore) বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) কনভেনার শুভাশিস চক্রবর্তী হাতে একটি দেশি সেভেন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এই অস্ত্র হাতে নিয়ে চোখে মুখে ব্যাপক উল্লাসের চিত্র ধরা পড়েছে তাঁর। একই ভাবে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক সহ একাধিক তৃণমূল নেতা এবং তৃণমূল ছাত্রপরিষদের নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়েছে স্থানীয় তৃণমূল দল।

    তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড়!

    এই বিষয় নিয়ে জেলা (Barrackpore) বিজেপি নেতৃত্বের দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। আবার প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, “তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড় রয়েছে। তৃণমূলকে পুলিশ সব রকম বেআইনি কাজের অনুমোদন দিয়ে রেখেছে। এই রাজ্যে স্কুল কলেজে পড়াশুনা হয় না। এই রাজ্যে আইনের শাসন নেই বললেই চলে। স্কুলে ১০০০ কোটি টাকার মিড ডে মিল কেলেঙ্কারি হয়েছে। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    তৃণমূলের বক্তব্য সামজিক অবক্ষয়

    অপরদিকে ভাটপাড়া (Barrackpore) শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেছেন, “যদি কোনও দুষ্কৃতী হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে থাকে তার দায় তৃণমূল কংগ্রেস নেবেনা। আইন আইনের পথে চলবে। প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলব। সবটাই সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র মাত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share