Tag: students

students

  • Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এবার এরই মধ্যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া নিয়ে বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।নিট ইউজি কাউন্সেলিং (NEET UG counselling) প্রক্রিয়ায় কোনও স্থগিতাদেশ জারি করল না আদালত। এরআগে অতীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছে আদালত। তবে এবার এই মামলার রায়ে শীর্ষ আদালত কী নির্দেশ দেবে তা নিয়ে অনেকদিন ধরেই চর্চা চলছিল। অবশেষে এ বিষয়ে বিরাট নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যে ঘটনা রয়েছে তা নিয়ে আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) থেকে জবাব তলব করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি আহসানউদ্দিনের আমানুল্লার অবকাশকালীন বেঞ্চ। 

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ (Supreme Court)

    মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া (NEET UG counselling) আমরা বন্ধ করব না। তবে মামলাকারীরা যদি আরও সওয়াল করেন, তাহলে মামলা খারিজ করে দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা (Medical Entrance Exam) বাতিল করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটা মামলা হয়। মামলাকারীদের তরফ থেকে বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গেই আরও বেনিয়ম হয়েছে। এদিন শীর্ষ আদালতে এই মামলারই শুনানি হয়।  

    আরও পড়ুন: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    বিচারপতির মন্তব্য 

    মামলার শুনানিতে বিচারপতি আমানুল্লা এনটিএ-র আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, “যেহেতু পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ এসেছে তাই স্বচ্ছ ভাবেই যে পরীক্ষা হয়েছে এমনটা বলা যাচ্ছেনা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা কোথাও একটা প্রভাবিত হয়েছে। আমরা তার জবাব চাই।” উল্লেখ্য, ১৭ মে এই পরীক্ষা নিয়ে হওয়া অন্য একটি মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নোটিশ জারি করেছিল। সেই মামলার শুনানি ৮ জুলাই। আর সেদিনই এই মামলাটিরও শুনানি হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন জানান এনটিএ-এর আইনজীবী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এবার হস্টেল পড়ুয়াদের জন্য কড়া সিদ্ধান্ত নিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। সম্প্রতি একটি নির্দেশিকায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এবার থেকে পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে ছাত্রদের হস্টেল (Hostel Students) ছাড়তে হবে। একইসঙ্গে গবেষণার কাজ শেষ হলে এক মাসের মধ্যে হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Jadavpur University)

    গতবছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। অভিযোগ উঠেছিল, র‌্যাগিংয়ের জেরে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল। প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়ার মৃত্যুতে বারবার অভিযোগ উঠেছিল ‘সিনিয়র দাদাদের’ বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর একাধিকবার সিনিয়রদের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলে বেড়িয়ে যেতে বলেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা মানা হয়নি। তাই এবার নতুন বর্ষ শুরুর আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে গবেষণার কাজ শেষ হলে বড়োজোড় একমাস। আর পড়াশোনা শেষ হলে সাতদিন। এর বেশি আর কেউ হস্টেল (Hostel Students) দখল করে থাকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল হস্টেলগুলিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধ করা এবং নতুন ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! ভারতীয় সেনার মেজর রাধিকা সেনকে সম্মানিত করবে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    র‌্যাগিং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ 

    এছাড়াও র‌্যাগিং প্রতিরোধে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষের তরফে। জানা গিয়েছে এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কোনও পড়ুয়াকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই পুরস্কারটি র‌্যাগিংয়ে নিহত ওই ছাত্রের নামে দেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হস্টেল দখল করে পড়ুয়াদের থাকার ঘটনা শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) নয়, রাজ্যের আরও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ধরনের অভিযোগ উঠে আসে। তবে গত বছর যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসাবে ভাস্কর গুপ্ত পদে আসার পরই এই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত পাশ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কদিন বাদেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), শেষ মুহূর্তে কোমর বেঁধে প্রচার চালাচ্ছেন সব দলের প্রার্থীরাই। তবে এই শাসক-বিরোধী দলের ভোটের লড়াইয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তৃণমূল প্রার্থী দেব প্রচারে আসবেন তাই সরকারি স্কুল ছুটি! এই রাজ্যের সরকারি স্কুল এখন রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। কয়েকদিন আগে বীরভূমের এক স্কুলেই হয়েছে তৃণমূল মন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা। এদিন ফের স্কুলে রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ কমিশনে নালিশের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে (Dev at Alipurduar)।

    নিরাপত্তা অজুহাতে স্কুল ছুটি (Dev at Alipurduar)!

    সোমবার আলিপুরদুয়ারে (Aliporeduar) ভোট প্রচারে আসেন এবারের লোকসভা ভোটের ঘাটাল কেন্দ্রের তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। আর দেব আসবে বলেই নিরাপত্তা অজুহাতে ছুটি দেওয়া হল স্কুল। অন্তত নোটিশে তাই উল্লেখ করেছে আলিপুরদুয়ারের জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের নোটিশে (school notice) স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “বিদ্যালয়ের পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সব ক্লাস চতুর্থ পিরিয়ডের পরে ছুটি হয়ে যাবে, কারণ সাংসদ শ্রী দীপক অধিকারী (Dev at Alipurduar) সোমবার দুপুর ২টো নাগাদ আকাশ পথে হেলিকপ্টারে বিদ্যালয়ের মাঠে অবতরণ করবেন। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিদ্যালয়ে ছুটি দিয়ে রাজনৈতিক প্রচার কতটা যুক্তিযুক্ত সেই প্রসঙ্গে জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিচার ইন চার্চ অমিত কুমার দত্ত বলেছেন, “স্কুলের মাঠে হেলিপ্যাড হয়েছে, মাইক বাজছে। ক্লাস করাতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করব না। যেহেতু আমাদের এখানে ব্যবস্থা হয়েছে, পরিস্থিতির সাপেক্ষে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” এবার আলিপুরদুয়ারের এই ঘটনায় আবারও বন্ধ হল পঠন-পাঠন। তবে দেব (Dev at Alipurduar) আসবে বলে নিরাপত্তা রক্ষার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। ভোটের (election) জন্য বা ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে কেন বারবার পঠনপাঠনে বাধা হচ্ছে সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে স্কুলের শিক্ষক মুখে কিছু না বললেও তাঁর উপর যে চাপ রয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে বিজেপি। বিজেপির আলিপুরদুয়ারের (Dev at Alipurduar) প্রার্থী মনোজ টিগ্গা এই এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তৃণমূলের নেতারা শিক্ষার গুরুত্ব বোঝেন না। তাই শিশুদের পড়াশুনা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। তাঁরা ভোটের জন্য যা খুশি করতে পারেন। তবে আমরা এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবো।”

    আরও পড়ুনঃ শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এদিকে জেলার (Dev at Alipurduar) তৃণমূলের প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। স্কুলে কে হেলিপ্যাড তৈরি করেছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।” আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যসভার সদস্য আরও বলেন, “এই কেন্দ্রে বিজপির হার যে নিশ্চিত তা বুঝে গিয়েছেন তাঁরা। সে জন্যই বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছেন তাঁরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের দুধের শিশুকে গালে কষিয়ে চড় মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেত্রী আবার অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। কর্মী। ওই শিক্ষিকার মারে ওই ছোট্ট গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় বলে অভিযোগ। অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের বড়া বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর নাম যাদবী ঘোষ। তিনি হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অন্যান্য দিনের মতো এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আসে। অভিযোগ, শুক্রবার স্কুল চলাকালীন তিন বছরের ওই পড়ুয়ার গালে চড় মারেন অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। এতটাই জোরে ওই শিশুটির গালে তিনি মেরেছেন যে কিছুক্ষণের জন্য সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকরা সেখানে জড়ো হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা তথা তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেত্রী বলে তিনি নিজের দায়িত্ববোধ ভুলে গিয়েছেন। তিন বছরের দুধের শিশুর গায়ে এভাবে কেউ হাত তোলে। যদিও ছেলেটা দুষ্টুমি করে বা পড়া না পারে তারজন্য এভাবে কাউকে মারধর করা উচিত। আমরা ওই নেত্রীর কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এরপর এলাকার মানুষ থানায় খবর দেন।

    তৃণমূল নেত্রী কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেত্রী যাদবী ঘোষ বলেন, এখানে ৬ মাস কাজ করছি। কেউ আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনতে পারবে না। আর এখানে আমি তৃণমূল নেত্রী নয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা। ছাত্রকে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এরকম অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। এ কাজ আমি করিনি। করতে পারি না। এটা ইচ্ছা করে করা হচ্ছে। তবে, তারা কেন করছে না আমি বুঝতে পারছি না। সমস্ত পড়ুয়াদের আমি ভালোবাসি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Team: কনকনে শীতে খালি পায়ে পড়ুয়ারা, স্কুলে গিয়ে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    Central Team: কনকনে শীতে খালি পায়ে পড়ুয়ারা, স্কুলে গিয়ে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়াদের পোশাক ও জুতো বিনামূল্যে দেয় রাজ্য। অথচ জঙ্গলমহলের দুই জেলা বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার স্কুলের পড়ুয়ারা বঞ্চিত এই পরিষেবা থেকে। কনকনে শীতে খালি পায়ে স্কুলে আসছেন পড়ুয়ারা। আদিবাসী প্রধান এই দুই জেলায় শিক্ষার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে এসে কেন্দ্রীয় দলের (Central Team) কাছে এই খামতি সামনে আসে।

    পর্যাপ্ত জুতো না আসায় বিলি করা হয়নি, সাফাই কর্তৃপক্ষের

    কেন্দ্রের একটি দল (Central Team) সম্প্রতি বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করছে। তাদের রিপোর্টে দাবি, বাঁকুড়ার তালড্যাংরার মুগাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশকে খালি পায়ে স্কুলে যেতে দেখা গিয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৩ জন পড়ুয়ার বেশিরভাগেরই পায়ে জুতো নেই। অথচ পড়ুয়াদের পোশাক ও জুতো বিনামূল্যে দেয় রাজ্য। তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র জয় ঘোষের বক্তব্য, প্রতি বছর পোশাক পেলেও জুতো একবারও পাইনি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুকুমার ভৌমিক এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (তালড্যাংরা পশ্চিম চক্র) নন্দিতা সিংহ বলেন, দু’বছর অন্তর জুতো বিলি হয়। এ বার পর্যাপ্ত জুতো আসেনি বলে বিলি করা হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২ লক্ষ ৩৪ হাজার পড়ুয়ার জন্য জুতো চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। এখনও আসেনি।

    শিক্ষার পরিকাঠামো দেখে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় দল (Central Team)

    পরিদর্শক দলের নেতৃত্বে থাকা কেন্দ্রের উচ্চশিক্ষা দফতরের অধিকর্তা এম এল সোনির আরও অভিযোগ, বাঁকুড়ার সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর এলাকার একটি স্কুলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কেনা কম্পিউটার পড়ে রয়েছে। বেশিরভাগ স্কুলে শৌচালয় অপরিষ্কার। বহু স্কুলে খোলা আকাশের নীচেই মিড- ডে মিল রান্না করা হচ্ছে। এক কথায় শিক্ষার পরিকাঠামো বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

    জুতো দেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় দলটির (Central Team) রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, কেন্দ্রীয় দল জানে না, রাজ্য সব সরকার পোষিত স্কুলে পোশাক ও জুতো দেয়। যদিও এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, মকর সংক্রান্তির মধ্যে পড়ুয়ারা জুতো না পেলে আমি নিজেই তাদের জুতো দেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: খড়্গপুর আইআইটি থেকে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র

    IIT Kharagpur: খড়্গপুর আইআইটি থেকে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বাজারে যখন চাকরির মন্দা, সেখানে আশার আলো বাংলার আইআইটিতে। খড়্গপুর আইআইটিতে (IIT Kharagpur) ক্যাম্পাসিংয়ে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র। শুক্রবার থেকেই ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসিং শুরু হয়েছে। ‘অ্যাকাদেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ’(এআইসি) আয়োজনে চলছে এই চাকরির নিয়োগ। ইতিমধ্যেই ৭৭১ টির বেশি চাকরির নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আইআইটির বক্তব্য (IIT Kharagpur)

    খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬১ টি সংস্থায় ১২১ টি প্রোফাইলে চাকরির সুযোগ নিয়ে এসেছিল। ১৯ জন পড়ুয়া আন্তর্জাতিক নিয়োগ পেয়েছেন। ৪০ জন ছাত্র বার্ষিক ৯০ লক্ষ টাকার বেশি বেতানের চাকরি পেয়েছেন। আরও ৬ জন পেয়েছেন এক কোটি টাকার বেশি বেতনের চাকরি। সবথেকে নজর কেড়েছে কম্পিউটার সাইন্স এবং গণিত বিভাগের দুই ছাত্রের চাকরি। তাঁরা বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরির সুযোগ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অধ্যাপকের বক্তব্য

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রথম দিনেই প্রি-প্লেসমেন্ট অফার সহ মোট ৭৭১ টি নিয়োগ পত্র পাওয়া গিয়েছে। ওই ৭৭১ টি নিয়োগ পত্রের মধ্যে প্রি-প্লেসমেন্টে ৪৪১ জন আগেই সুযোগ পেয়েছেন। বাকি ৩৩০ জন পড়ুয়া প্রথম দিনে ক্যাম্পাসিংয়ে পেয়েছেন। এই প্রসঙ্গে আইআইটির কেরিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাজীব মাইতি বলেন, “এবার বিশ্ব জুড়ে চাকরির বাজার খারাপ। প্রথম দিনের চাকরির সাফল্য বেশ সন্তোষজনক। গতবারের প্রি-প্লেসমেন্টে বেশি থাকা সত্ত্বেও ৭৬০ জন চাকরি পেয়েছেন। এবার প্রি-প্লেসমেন্টে কম থাকা সত্ত্বেও চাকরির বেশি পেয়েছে।”

    পড়ুয়ার বক্তব্য

    আইআইটির (IIT Kharagpur) কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র সৌভিক রাণা বলেছেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এই নিয়োগ অত্যন্ত আশা ব্যাঞ্জক। বড় বড় ট্রেডিং সংস্থাগুলি সফটওয়্যারে যে ভাবে অন্যবার নিয়োগ করে থাকে এবছর সেভাবে হয়নি। এই বাজারে আমি চাকরি পেয়েছি এটাই বড় প্রাপ্তি।” আরেক ছাত্র কেমিক্যাল ইঞ্জিনারিংয়ের ছাত্র মনোসিজ সরকার বলেন, “যতটা আশা করেছিলাম ততটা পাইনি। কিন্তু সময়ের কথা মাথায় রেখে বলা যায় চাকরি হয়েছে এটাই বড় কথা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshineswar: স্কুলে ঢুকে অভিভাবকদের দাদাগিরি! ব্লেড হাতে ছাত্রীদের শাসানি, কেন জানেন?

    Dakshineswar: স্কুলে ঢুকে অভিভাবকদের দাদাগিরি! ব্লেড হাতে ছাত্রীদের শাসানি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণেশ্বর (Dakshineswar) সারদাদেবী বালিকা বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষিকার ঘরে ঢুকে রীতিমতো দাদাগিরি দেখানোর অভিযোগ উঠল অভিভাবকদের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রধান শিক্ষিকার চেয়ারে বসে এক অভিভাবক তাঁকে উদ্দেশ্য করে রীতিমতো হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কেন বিক্ষোভ? (Dakshineswar)

    স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্লাসে অনুপস্থিত থাকার কারণে একাদশ শ্রেণির ৬ জন ছাত্রীকে টেস্ট পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। আর সেই ঘটনা জেনে স্কুলে এসে সেই ছাত্রীর অভিভাবকেরা দক্ষিণেশ্বরের (Dakshineswar) ওই স্কুলের ভিতর শিক্ষিকাদের হুমকি দিতে থাকেন। স্কুলের ভিতরে ছাত্রীরা ব্লেড নিয়ে আত্মহত্যারও হুমকি দেয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার ঘরে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে চেয়ার থেকে তুলে, সেই চেয়ারেই এক অভিভাবক বসে প্রধান শিক্ষিকা সহ অন্যান্য শিক্ষিকাদের হুমকি দিতে থাকেন। স্কুলের মধ্যেই অভিভাবকদের এই দাদাগিরি দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অন্যান্য পড়ুয়ারা হতবাক হয়ে যান। যদিও প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, যা করেছেন নিয়ম মেনে করেছেন। স্কুলে অনিয়মিত আসার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিভাবকরা এই বিষয়ে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    এই ঘটনা নিয়ে শাসকদলের কোনও নেতার প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও দক্ষিণেশ্বরের (Dakshineswar) ওই শিক্ষাঙ্গনে অভিভাবকদের দাদাগিরির ঘটনায় সরব হয়েছে সিপিএম ও বিজেপি। সিপিএম নেতা প্রদীপ মজুমদার বলেন, তৃণমূলের আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল রাজ্যে শিক্ষায় তৃণমূলের অপসংস্কৃতি ও অপসাশন চলছে। শিক্ষা দফতর পুরোটাই জেলে। তাই শিক্ষাঙ্গনে এই ছবি ছাড়া আর কী ছবি দেখবে বাংলার মানুষ। পাশাপাশি বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাদের ওপর অভিভাবকদের এই ধরনের ঘটনা খুবই লজ্জাজনক। অভিভাবকরা যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের ঘটনা ঘটান, তাহলে ছাত্র-ছাত্রীরা কী শিখবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অচলাবস্থার জেরে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা। প্রায় আড়াই মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় রেজাল্ট আটকে রয়েছে। তেমনই আটকে কর্মীদের বেতন। জেলার শিক্ষা মহলের (West Bengal education) দাবি, অব্যবস্থা ও অচলাবস্থার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সঙ্কটের মুখে। সেজন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই ভর্তি হওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গিয়েছেন। দ্রুত অচলাবস্থা না কাটলে আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে তালা ঝুলবে বলে আশঙ্কা জেলার শিক্ষা মহলের।

    কী জানালেন বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) কর্তা?

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার পঙ্কজ কুণ্ডু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকাঠামোগত ও অন্যান্য একাধিক সমস্যায় পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন বলে মনে হয়। উপাচার্য না থাকায় ওই সমস্যা হচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সমস্যা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। এছাড়াও উচ্চ শিক্ষা দফতরে (West Bengal education) সব জানানো হয়েছে। তবে এখনও কোনও সুরাহা মেলেনি। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ভাড়া নেওয়া ক্যাম্পাসেই ২০২১-এর সেপ্টেম্বর মাসে পঠনপাঠন শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের ১৪ মার্চ উপাচার্যের পদ থেকে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে সরানো হয়। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও স্থায়ীভাবে উপাচার্য পদে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আপাতত ১৬ জন কর্মী রয়েছেন।

    কী বলছেন ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা (West Bengal education)?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্ক বিভাগের চতুর্থ সেমেস্টারের ছাত্রী অর্পিতা কর্মকার বলেন, নবদ্বীপ থেকে এসে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। এখনও পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস হল না। হস্টেলের সুবিধাও নেই। বাধ্য হয়ে ভাড়ায় থাকতে হচ্ছে। এদিকে, উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ হচ্ছে না। ফলে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে। অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। বালুরঘাট শহরের শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,দীর্ঘ আন্দোলনের জেরে জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ সঙ্কটে। পড়ুয়ারা চলে যাচ্ছেন। এই হাল দেখে আগামীতে কেউ ভর্তি হবে না। অবিলম্বে এই সমস্যাগুলির সমাধান হোক। ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদ বলেন, রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর উদাসীনতার জেরেই আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়ছেন। আমি শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছি। আজও সদুত্তর পাইনি।

    কী বলছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ?

    জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) ছেড়ে যাওয়ার কোনও খবর আমাদের কাছে নেই। তবে রাজ্যপাল উপাচার্য নিয়োগ করছেন না বলেই এই সমস্যাগুলি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রথম সেমেস্টারে ইংরেজি, অঙ্ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এই তিনটি বিষয়ে ১৫০টি সিটের মধ্যে ১৪২ জন ভর্তি হয়। চতুর্থ সেমেস্টার আসতেই পড়ুয়ার সংখ্যা একের পর এক কমে বর্তমানে তা ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সেশনে আবার তিনটি বিষয়ের ১৫০টি সিটের মধ্যে ভর্তি হয়েছিল ১২৬ জন। এক বছর পর পড়ুয়ার সেই সংখ্যা মাত্র ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই সেমেস্টার মিলিয়ে মোট পড়ুয়া থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ চলে গিয়েছে। বর্তমানে ৬০ শতাংশ পড়ুয়া থাকলেও, পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের আগে তা আরও কমে যাবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে মাধ্যমিকে সফল দুই বোন

    Nadia: শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে মাধ্যমিকে সফল দুই বোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট থেকেই পারে না হাঁটতে, পারে না কথা বলতে। মাধ্যমিকে এমনই যমজ দুই বোনের সাফল্যে উৎসাহিত গোটা নদিয়ার (Nadia) বাগআঁছড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অদম্য চেষ্টা ও বাবামায়ের হাড়ভাঙা পরিশ্রমে আজ স্বপ্নপূরণ বিশেষভাবে সক্ষম দুই বোনের।

    কীভাবে চলেছিল পড়াশুনা

    বড় মেয়ে (Nadia) রুমা মল্লিক। তার প্রাপ্ত নম্বর ৩২৪। ছোট মেয়ে ঝুমা মল্লিক, তার প্রাপ্ত নম্বর ৩২১। দুজনই জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী। একজন কোনও রকমে চলাফেরা করতে পারলেও আরেকজন বিকলাঙ্গ। কানে যেমন শুনতে পারে না, বলতে পারে না কথাও। এভাবেই দুই বোন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। সংসার সামলানোর পাশাপাশি দুই প্রতিবন্ধী মেয়েকে কীভাবে পড়াশোনা করাবেন, তা নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতেন মা রেখা মল্লিক। পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তির সময় অনেকটাই ভোগান্তিতে পড়তে হয় রুমা-ঝুমাকে। কারণ দুজনেই তো প্রতিবন্ধী, কীভাবে বিদ্যালয়ে (Nadia) যাবে? এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা। যদিও অনেক টানাপোড়নের পর বাবা-মা মেয়েদের ভর্তি করান বাগআঁচড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। তারপর থেকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে পঠন পাঠনের জন্য যেত দুই বোন।

    শিক্ষকদের বিশেষ ভূমিকা

    অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে রুমা-ঝুমাকে বেশি নজর দিতেন স্কুলের শিক্ষকরা। মা রেখা মল্লিক জানিয়েছেন, মেয়েদের ভর্তি করানোর সময় একটু সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। মা বলেন, আজ যদি বিদ্যালয়ের (Nadia) শিক্ষক-শিক্ষিকারা পাশে না থাকত, তাহলে হয়তো মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেয়েরা সাফল্য পেত না।

    আর্থিক সঙ্কটে আবেদন

    বাবা শ্যামল মল্লিক টোটো গাড়ি চালিয়ে কোনওরকম সংসার চালান। মেয়েদের পড়াশোনার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন, তা জোগাড় করতেই হিমশিম খেয়ে যেতে হয়। তবুও হাল ছাড়েননি বাবা-মা। শ্যামল মল্লিক আক্ষেপের সুরে বলেন, পরিবারের দুরবস্থার কথা কে না জানে! আজ পর্যন্ত মেয়েরা মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করলেও কেউই পাশে দাঁড়ায়নি। বাড়িতে (Nadia) না এসেছে কোনও জনপ্রতিনিধি, না খোঁজ নিয়েছে প্রশাসন। সরকার যদি একটু আর্থিক সহায়তা করত, তাহলে মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হত। তবে হাজার কষ্ট করে হলেও মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মা-বাবা দুজনেই।  প্রতিবন্ধী দুই বোনের জন্য এখন কোনও সরকারি সহযোগিতা মেলে কি না, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশের রঙবেরঙের পাখি (Exotic Birds) পুষেই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন দুর্গাপুরের এক পড়ুয়া অভিষেক রাম। নিজের আয়ের পাশাপাশি রাজ্য ও ভিন রাজ্যের বহু যুবককে রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন অভিষেক। বর্তমানে তাঁর পাখির সম্ভার চারশোরও অধিক। লক্ষ টাকা মূল্যের ম্যাকাও সহ আফ্রিকার জঙ্গল থেকে আনিয়েছেন নানা ওয়াইল্ড বার্ড। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে একটি সাদা আমব্রেলা কাকাতুয়া, যার মূল্য প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায় তাঁর খামারে। ইতিমধ্যেই বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ থেকে ২৫ টি প্রজাতির পাখি সংগ্রহ করে তাক লাগিয়েছেন অভিষেক।

    দক্ষিণ ভারত থেকেই ভাবনা শুরু

    বাবা অশোক রাম পেশায় ফুচকা বিক্রেতা, মা গৃহবধূ। আর্থিক অনটনের সংসারে অভিষেক ও তাঁর দাদা বিবেক রামের বেড়ে ওঠা। তাঁর দাদা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে গ্রাজুয়েশন করে অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করছেন। অভিষেকও সবেমাত্র গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। অভিষেক একজন দক্ষ ক্রিকেটার। ক্রিকেটের জন্যই তিনি গিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতে। তখনই তাঁর নজরে পড়ে একটি বার্ডস ফার্ম। যা দেখার পরেই অভিষেকের এমন ভাবনা মাথায় আসে। আগেও তিনি বদ্রি, ককটেল, লাভবার্ডস ইত্যাদি পাখি (Exotic Birds) পালন করতেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই উত্থান

    এই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে সেই সমস্ত পাখির (Exotic Birds) খাবার-দাবার, পরিচর্যা ইত্যাদির পাশাপাশি সঠিক পরিবেশ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, প্রজনন প্রক্রিয়া, বিভিন্ন রোগের  চিকিৎসা ইত্যাদি ভিডিও’র মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বছর খানেকের মধ্যেই অভিষেকের তৈরি করা সেইসব ভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে পশুপ্রেমীদের পাশাপাশি অসংখ্য দর্শকের কাছে। সেখান থেকেই রোজগারের দিশা দেখেন অভিষেক। আরও অনেকেই রোজগারের পথ খুঁজে পান তাঁর দেখানো রাস্তায়।

    মাসিক আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা!

    এরপর তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, পড়াশোনা করেছেন। আর নিজের জমানো টাকায় এক এক করে কিনেছেন নানান নামিদামি পাখি (Exotic Birds)। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে বর্তমানে তাঁর সংগ্রহে রয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার পাখি। সান কনিওর পাখির ব্রিডিং শুরু করে তিনি প্রথম উপার্জন করা শুরু করেন। বয়স অনুযায়ী এই পাখির দাম ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। অভিষেক রাম জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪ সাল থেকে পাখি পালন শুরু করেন। ২০২২ সালে তিনি দুর্গাপুরের পারদই গ্রামে একটি বাড়ি তৈরি করেন। সেই বাড়ির ছাদেই তৈরি করেছেন বার্ডস ফার্ম হাউস। সেখানে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। পাখিদের থাকার মতো পরিবেশ তৈরি করেছেন তিনি। একইসঙ্গে সেখানে পাখিদের ব্রিডিংও শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share