Tag: Submarine

Submarine

  • INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার নতুন সদস্য ‘আইএনএস অরিঘাত’ (INS Arighat)। বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে নৌসেনার (Indian Navy) নতুন সদস্য হিসাবে যোগ দিল পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ডুবোজাহাজ। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে বানানো হয়েছে এই ডুবোজাহাজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এর ধারণা থেকে নকশা, নির্মাণ এবং একীভূত করা – সবটাই হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে। এটি দেশের দ্বিতীয় পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ। এই ডুবোজাহাজ সাধারণ সাবমেরিনের তুলনায় অনেক বেশিক্ষণ জলের নীচে ডুবে থাকতে পারে। ফলে, শত্রুর চোখকে ফাঁকি দিতে এর জুড়ি মেলা ভার।

    ঘুম ছুটবে চিনের

    ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমে দুই বিশাল জলসীমা। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর। দুই সাগর দক্ষিণে এসে মিশেছে ভারত মহাসাগরে। ফলে দেশের পূর্ব-পশ্চিমের দুই জলসীমাই যাতে সমান সুরক্ষিত থাকে সে জন্য নৌসেনার (Indian Navy) চাহিদা ছিল অন্তত ২টি বিমানবাহী রণতরী। আইএনএস বিক্রমাদিত্যর পর আইএনএস বিক্রান্ত এসে যাওয়ায় সে প্রয়োজন মিটেছে। একইভাবে নৌসেনার দাবি ছিল চিনের বিপদের কথা মাথায় রেখে অন্তত ২টো পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ চাই-ই চাই। এতদিন ভারতের হাতে ১টা পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ ছিল। ২০১৮ সাল থেকে কাজ করছে আইএনএস অরিহন্ত। এবার তার সঙ্গেই নৌ-সেনায় এসে গিয়েছে আইএনএস অরিঘাত (INS Arighat)। পাকিস্তানের একটা বড় অংশ ও চিনের ইউনান প্রদেশ চলে আসছে এর আওতায়।

    নৌসেনার প্রশংসায় রাজনাথ

    অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানান, দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ভারত উপমহদেশীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আইএনএস অরিঘাত। দেশীয় এই সাবমেরিনের অন্তর্ভুক্তির জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও-র ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজনাথ সিং। এ প্রসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর মন্ত্রকে স্মরণ করে রাজনাথ বলেন, “আজকের এই কৃতিত্ব আত্মনির্ভরতার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। ভারত একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। প্রতিরক্ষা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের দ্রুত এগোতেই হবে। বিশেষ করে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটা অপরিহার্য। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি, আমাদের একটা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী লাগবে। যাতে আমাদের সৈন্যরা ভারতের মাটিতে তৈরি সেরা মানের অস্ত্র এবং প্ল্যাটফর্মগলি পায়, আমাদের সরকার তার জন্য অভিযানে নেমেছে।”

    অত্যাধুনিক সাবমেরিনে নতুনত্ব

    সূত্রের খবর, ‘আইএনএস অরিঘাত’-এ (INS Arighat) ১২টি কে-১৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ১,৫০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুকে অনায়াসে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। পরমাণু শক্তিকে ব্যবহার করে এই জাহাজ সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ২৮ কিলোমিটার বেগে চলবে। সমুদ্রের নীচে ঘণ্টায় এর গতিবেগ ৪৪ কিলোমিটার। ১১৩ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজ সমুদ্রের ৯৮০ থেকে ১৪০০ ফুট নীচ দিয়ে চলতে পারে। কে-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি এই জাহাজে চারটি কে-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। যেগুলি ৩,৫০০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ক্ষেপনাস্ত্র ছাড়াও ২১ ইঞ্চির চারটি টর্পিডো লঞ্চার টিউব রয়েছে এই ডুবোজাহাজে। নতুন ডুবোজাহাজে দরকারে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোও যাবে।

    নৌসেনার পরিকল্পনা

    চিন ও পাকিস্তানকে ঠেকাতে ভারতের নৌসেনার (Indian Navy) পরিকল্পনা এখানেই শেষ নয়। আগামী বছর নৌসেনায় যোগ দেবে আরও একটা পরমাণু শক্তিধর সাবমেরিন। যার নাম ‘আইএনএস অরিদমন’। যাতে থাকবে সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র। আর দেশে চার নম্বর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরির কাজ এখন চলছে। সূত্রের খবর, এই ৪টি ছাড়া আরও ২টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির ছাড়পত্রের অপেক্ষায়। এটা সহজেই অনুমেয়, সবকটা জাহাজ হাতে চলে এলে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরে চিনের চোখ রাঙানোর দিন শেষ হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই কিছুটা ব্যাকফুটে খেলতে শুরু করেছে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে এক যাত্রায় পৃথক ফল! তীর্থদর্শনে গিয়ে মিলবে সাবমেরিনের (Tourist Submarine Adventure) চড়ার অভিজ্ঞতা। আজ্ঞে হ্যাঁ, এমনই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে গুজরাটে (Dwarka)। দেশের মধ্যে প্রধম।

    সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন (Tourist Submarine Adventure)

    হিন্দুদের কাছে অতি পবিত্রস্থান দ্বারকা। কথিত আছে, এক সময় দ্বারকার রাজা ছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। কালের গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে সেই নগরী। এবার সেই নগরীই সাবমেরিনে চড়ে ঘুরে দেখতে পারবেন পুণ্যার্থী এবং ভ্রমণ পিপাসুরা। এজন্য গুজরাট সরকার মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্সের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে। চলতি বছরের অক্টোবরে রয়েছে দীপাবলি। সেদিন থেকেই চালু হওয়ার কথা সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন। গুজরাট সরকারের এহেন উদ্যোগ ভারতে প্রথম।

    পর্যটন শিল্পে জোর নরেন্দ্র মোদির

    ক্ষমতায় এসেই পর্যটন শিল্পের ওপর জোর দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের তীর্থস্থানগুলিকে এক সুতোয় বাঁধতে চালু হয়েছে ট্রেন যাত্রা। ঐতিহাসিক যেসব জায়গার গায়ে ধর্মীয় কোনও উপাখ্যান জড়িয়ে রয়েছে, সেই সব জায়গায় পর্যটনে জোর দিয়েছে মোদি সরকার। এরকমই একটি জায়গা হল দ্বারকা। বর্তমানে এই নগরী রয়েছে আরব সাগরের গর্ভে। এখানেই আধ্যাত্মিক পর্যটনের ব্যবস্থা করতে চলেছে গুজরাটের বিজেপি সরকার। জানা গিয়েছে, ডুবো জাহাজে (Tourist Submarine Adventure) করেই দ্বারকা নগরী ঘুরে দেখবেন পর্যটকরা। দর্শন শেষে ফিরে আসবেন পাড়ে।

    আরও পড়ুন: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    মোদি জমানায় ভারত সম্পর্ক আগ্রহ বেড়েছে তামাম বিশ্বের। তার প্রমাণ, ইদানিং ভারত-দর্শনে আসছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। ২০১৪ সালের পর থেকে এই সংখ্যাটা একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। বিদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় দেশীয় পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে। চলতি বছর জানুয়ারি-জুন মাসে ভারতে আসা বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩.৮০ লাখ। ২০২২ সালের এই সময় সংখ্যাটা ছিল ২১.২৪ লাখ। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ১০৬।

    তীর্থস্থান দর্শনে যে আগের চেয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে, তার প্রমাণ বারাণসী, অযোধ্যা ও প্রয়াগরাজে ক্রমবর্ধমান পর্যটকের সংখ্যা। গত এক বছরের ব্যবধানে এই তীর্থস্থানগুলি ভ্রমণ করেছেন ১৪ কোটি মানুষ। পর্যটক মন্ত্রকের মতে, ২০২২ সালে ভারতে ধর্মীয় পর্যটনে অংশ নিয়েছিলেন ১,৪৩৯ মিলিয়ন মানুষ (Dwarka)। ২০২১ সালের ৬৭৭ মিলিয়নের দ্বিগুণেরও বেশি (Tourist Submarine Adventure)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinese Submarine: করাচি বন্দরে সাবমেরিন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে চিন! ভারতকে চাপে রাখতে?

    Chinese Submarine: করাচি বন্দরে সাবমেরিন, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে চিন! ভারতকে চাপে রাখতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। তবে তা স্বত্ত্বেও ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে পড়শি দেশ পাকিস্তান। এবার ভারতকে চাপে রাখতে করাচি বন্দরে পাকিস্তান মোতায়েন করেছে চিনা নৌসেনার (Chinese Submarine) যুদ্ধজাহাজ ও ডুবোজাহাজ। সাম্প্রতিক এক উপগ্রহ চিত্রেই ধরা পড়েছে এই ছবি। ভারতীয় জলসীমার অদূরে করাচি বন্দরে নতুন করে নৌঘাঁটি নির্মাণের তোড়জোড়ও শুরু করেছে বেজিং।

    মোতায়েন যুদ্ধজাহাজ

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, উপগ্রহচিত্রে করাচি বন্দরে চিনা টাইপ-০৩৯ ডুবোজাহাজ ও টাইপ-৫২ডি ডেস্ট্রয়ারের মতো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তানের ওই বন্দরে চিনা টাইপ ৯২৬ সাবমেরিনও মোতায়েন করা হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতকে চাপে রাখতেই এসব (Chinese Submarine) করা হয়েছে। বেজিংয়ের বৃহত্তর কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই পাকিস্তানের বন্দরে এই চিনা তৎপরতা। এই অঞ্চলে চিনের একাধিপত্য মেনে নেওয়া, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারতকে সুবিধাজনক শর্ত মানতে বাধ্য করাও এই কৌশলের অঙ্গ। সর্বোপরি, চিন-বিরোধী আমেরিকা থেকে ভারতকে দূরে রাখতেই পাকিস্তানের বন্দর শহর করাচিতে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ড্রাগনের দেশ।

    যৌথ সামরিক মহড়া 

    এদিকে, সম্প্রতি করাচি উপকূলে পাক নৌসেনার সঙ্গে সি গার্ডিয়ান-৩ যৌথ মহড়াও শুরু করেছে বেজিং। আরব সাগরে দিন সাতেক ধরে চলছে এই মহড়া। জলের পাশাপাশি মহড়া চলছে উত্তর আরব সাগরে করাচির নেভাল বেস থেকে। মহড়া শেষ হবে ১৭ নভেম্বর। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এই মহড়া চিন ও পাকিস্তানের শক্তপোক্ত দ্বিপাক্ষিক মিলিটারি কো-অপারেশনের ফল। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্ত করবে।

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, ভারতকে চাপে রাখতে এর আগে শ্রীলঙ্কার একটি বন্দরে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছিল চিন। তখন চিনকে ওই বন্দর ব্যবহার করতে দিতে খানিকটা বাধ্য হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কারণ চিনা ঋণের ফাঁসে জড়িয়ে গিয়েছিল এই দ্বীপরাষ্ট্র। পরে ভারতের সহযোগিতায় অর্থনীতির হাল ফেরায় শ্রীলঙ্কা। তার পরেই চিনকে ওই জাহাজ সরিয়ে নিতে বলে কলম্বো। তার পর একই কায়দায় পাকিস্তানকেও ঋণের জালে জড়িয়ে ফেলে বেজিং। এবার তাদের নৌ-বন্দর ব্যবহার করে ও চিন-পাকিস্তান যৌথ নৌবাহিনী-মহড়া সেরে ভারতকে চোখ রাঙাতে চাইছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (Chinese Submarine)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Rafale: ফ্রান্স থেকে ফের রাফাল, সাবমেরিন কিনবে ভারত!

    Rafale: ফ্রান্স থেকে ফের রাফাল, সাবমেরিন কিনবে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাফাল (Rafale) যুদ্ধ বিমান কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। স্কোরপেন শ্রেণির তিনটি সাবমেরিনও কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। এসবই কেনা হবে ফ্রান্স থেকে। এই যুদ্ধ বিমান এবং সাবমেরিন বাহিনীতে যুক্ত হলে ভারত আরও শক্তিশালী হবে বলেই বিশেষজ্ঞদের অভিমত। ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের কাছে এ ব্যাপারে প্রস্তাব দিয়েছে বাহিনীর তরফে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্স সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সময়ই এ ব্যাপারে ঘোষণা করা হতে পারে বলে সরকারি সূত্রের খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, ভারতীয় নৌবাহিনী ২২টি সিঙ্গল সিটেড রাফাল মেরিন এয়ারক্র্যফ্ট পাবে। এর সঙ্গেই পাবে ফোর ট্রেনার একটি এয়ারক্র্যাফ্টও।

    ফাইটার এয়ারক্র্যাফ্ট

    নৌবাহিনী এই ফাইটার এয়ারক্র্যাফ্ট এবং সাবমেরিনগুলি কেনার ব্যাপারে জোরাজুরি করছে। কারণ দেশের নিরাপত্তার সামনে চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে বলে দাবি তাদের। এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও বিক্রান্ত ইতিমধ্যেই মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমানগুলিকে অপারেট করছে। অপারেশনের জন্য ওই দুই ক্যারিয়ারের প্রয়োজন রাফালের।

    প্রজেক্ট ৭৫

    প্রজেক্ট (PM Modi) ৭৫-এর অংশ হিসেবেই সাবমেরিনগুলি পেতে চাইছে নৌবাহিনী। এই প্রকল্পেই মুম্বইয়ে মেজগাঁও ডকইয়ার্ড লিমিটেড গড়তে চাইছে তারা। এই রাফাল যুদ্ধ বিমান ও সাবমেরিনগুলি পেতে ভারতকে দিতে হতে পারে ৯০ হাজার কোটি টাকা। তবে আলোচনার পরেই জানা যাবে ঠিক কত দিতে হবে ফ্রান্সকে। চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরেই এ ব্যাপারে জানা যাবে। তবে ভারত চাইছে ফ্রান্স কিছু দাম কম নিক। এর পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়ার ওপরও জোর দিতে চাইছে নয়াদিল্লি।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচনোত্তর সন্ত্রাস খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে বিজেপির ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি

    জানা গিয়েছে, ভারত এবং ফ্রান্সের মধ্যে রাফাল এম ডিল হবে আলোচনার পর। এর আগে ৩৬টি রাফাল কেনার সময় যে ধরনের ডিল হয়েছিল, সেই ধরনের ডিল এবারও হবে। এই রাফাল ও সাবমেরিন কেনার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। প্রস্তাব (PM Modi) পাঠানো হয়েছে ডিফেন্স অ্যাক্যুইজিশন কাউন্সিলের কাছে। সেখানে ছাড়পত্র মিললেই ঘোষণা করা হবে এ ব্যাপারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • INS Arihant: আইএনএস অরিহন্ত থেকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ! কী জানাল প্রতিরক্ষামন্ত্রক?

    INS Arihant: আইএনএস অরিহন্ত থেকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ! কী জানাল প্রতিরক্ষামন্ত্রক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্ট্র্যাটেজিক স্ট্রাইক নিউক্লিয়ার সাবমেরিন ‘আইএনএস অরিহন্ত’ (INS Arihant) থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে একথা জানানো হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, “আইএনএস অরিহন্ত থেকে সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। অত্যন্ত সফলভাবে এই পরীক্ষা সফল হয়েছে। প্রয়োজনীয় সমস্ত শর্ত ও মাপকাঠি সবগুলিই পূরণ হয়েছে। পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম হামলা না করার নীতি মেনেই দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।”

    অরিহন্ত হল ভারতের প্রথম পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন (Nuclear powered submarine)। মূলত নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিনের (SSBN) তালিকায় এটি অন্যতম। ভারতের নৌসেনার শক্তি হিসাবে এর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে এই সাবমেরিনের যাত্রা শুরু হয়। ২০১৬ সালে এই সাবমেরিনকে কমিশন করা হয় নৌসেনায় (Indian Navy)। এই শ্রেণির আরও চারটি সাবমেরিন রয়েছে। এরমধ্যে দ্বিতীয়টির অন্তর্ভুক্তি হয়ে গিয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থটির ট্রায়াল-পর্ব চলছে। দেশের মধ্যে প্রথম ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিন হিসাবে আই এনএস আরিহন্তই প্রথম পছন্দ। দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্ট্র্যাটেজিক অবস্থানে থাকা ভারতের এই সাবমেরিন বেশ খানিকটা তাৎপর্যপূর্ণ। এতদিন পর্যন্ত স্থল ও আকাশ থেকে পরমাণু অস্ত্রের প্রত্যাঘাতে সফল ছিল ভারত। এবার সমুদ্রতল থেকেও পারমাণবিক অস্ত্র হামলার প্রত্যুত্তর দিতে প্রস্তুত ভারত।

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী কাণ্ডে কার্বন ডেটিংয়ের আবেদন খারিজ করে দিল বারাণসী আদালত

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আইএনএস অরিহন্তের হাত ধরে সফল এসএসবিএম ইউজার ট্রেনিং লঞ্চ প্রমাণ করেছে ক্রিউয়ের কার্যক্ষমতা এবং কর্মক্ষমতাগত ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন মানকে ছুঁয়েছে ভারত। যে কোনও পারমানবিক শক্তিধর দেশের কাছে জল, স্থল ও আকাশ তিন সীমা থেকেই পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতা থাকা দরকার। ভারত এবার সেই মান স্পর্শ করল। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, ভারত অন্য কোনও দেশের উপরই প্রথম পরমাণু হামলা চালাবে না। তবে আত্মরক্ষার জন্য দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবরকম প্রস্তুতি নেবে ভারত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share