Tag: subrata bakshi

subrata bakshi

  • Arjun Singh: ভেস্তে গেল অর্জুন-সোমনাথ সমঝোতা বৈঠক, জিইয়ে রইল তৃণমূলের কোন্দল

    Arjun Singh: ভেস্তে গেল অর্জুন-সোমনাথ সমঝোতা বৈঠক, জিইয়ে রইল তৃণমূলের কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে অর্জুন-সোমনাথ দ্বৈরথ চলছেই। লোকসভা ভোটের আগে দলের ভাবমূর্তি ঠিক করতে হস্তক্ষেপ করেছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব। তৃণমূলের রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির উপস্থিতিতে অর্জুন সিং-এর সঙ্গে সোমনাথ শ্যামের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো নৈহাটিতে সমস্ত রকম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে সেই বৈঠকে গড় হাজির ছিলেন সোমনাথ শ্যাম। ফলে, অর্জুন (Arjun Singh)-সোমনাথ মীমাংসা বৈঠক ভেস্তে গেল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

    সোমনাথ ইস্যুতে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন অর্জুন! (Arjun Singh)

    বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে সোমনাথের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। তবে, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনার পর অর্জুন (Arjun Singh) ভাইপো পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সাংসদ-বিধায়কের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। দুজনেই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন। এমনকী দুপক্ষের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। অর্জুন অনুগামীরা প্রকাশ্যে সোমনাথ শ্যামের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। যা নিয়ে আখেরে দলের মুখ পুড়েছে। জেলা নেতৃত্ব এই সমস্যার সমাধান করতে না পারার কারণে হস্তক্ষেপ করে রাজ্য নেতৃত্ব। সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হন। সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুনকে চুপ থাকতে নির্দেশ দেন। রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে সোমনাথের বিরুদ্ধে অর্জুন আর কোনও কথা বলেননি। ঠিক ছিল, নৈহাটি উৎসব উপলক্ষ্যে সুব্রত বক্সি এসে সোমনাথ শ্যাম এবং অর্জুন সিং কে নিয়ে একসঙ্গে বসে বৈঠক করবেন। গত কয়েকদিন ধরে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল।

    সোমনাথ গড়হাজির থাকায় ভেস্তে যায় সমঝোতা বৈঠক

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে সুব্রত বক্সি কলকাতা থেকে নৈহাটি যাওয়ার সময় ভাটপাড়া থেকে অর্জুন সিং (Arjun Singh) কে গাড়িতে তুলে নেন। এরপর ৪টা ২০ মিনিট নাগাদ সোজা চলে যান নৈহাটি পুরসভায়। সেখানে স্থানীয় বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের ঘরে ৫টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। সেখানে পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়, সনৎ দে উপস্থিত ছিলেন। সোমনাথ শ্যামের বৈঠকে আসার কথা থাকলেও তিনি গড় হাজির ছিলেন। প্রায় এক ঘন্টা অপেক্ষা করার পর সুব্রতবাবু অর্জুনকে নিয়ে নৈহাটি উৎসবে চলে যান। সেখানে সুব্রত বক্সি ও অর্জুন সিং কে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ততক্ষণে পার্থ ভৌমিক অনুষ্ঠানে হাজির হন।  সুব্রত বক্সির পাশাপাশি অর্জুন সিং বক্তব্য রাখেন। নৈহাটি উৎসবের দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

    বৈঠক নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    অর্জুন-সোমনাথের বৈঠকের বিষয়ে সুব্রত বাবুকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, বৈঠকের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। অর্জুন সিং বলেন, দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, আমাকে বৈঠকের ব্যাপারে কোনও কিছু ডাকা হয়নি। ফলে বৈঠকের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Inner Clash: ‘বয়ঃ-বিধি’ দ্বন্দ্বে বেসামাল তৃণমূল, নেত্রীর রোষেই কি ‘অন্তরালে’ অভিষেক?

    TMC Inner Clash: ‘বয়ঃ-বিধি’ দ্বন্দ্বে বেসামাল তৃণমূল, নেত্রীর রোষেই কি ‘অন্তরালে’ অভিষেক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের ‘যুবরাজ’। সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। তাঁর একটা পদও রয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূলের এহেন এক কর্তাই দিন কয়েক ধরে সেঁধিয়ে রয়েছেন গোঁসাঘরে। কারণ কি? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলে সম্প্রতি নবীন-প্রবীণ নিয়ে বিতর্ক (TMC Inner Clash) দানা বেঁধেছে।

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসেও অন্তরালে ভাতিজা!

    বয়সবিধি নিয়েও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে তাঁরই ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই কারণেই দলের নবীন ‘মুখ’ অভিষেককে সাইড করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ১ জানুয়ারি, দলের প্রতিষ্ঠা দিবেসেও তিনি রইলেন অন্তরালে। কারণ হিসেবে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, তিনি যে আগ্রাসী আন্দোলনের পথে হেঁটেছিলেন, তা থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তিনি শুধুমাত্র নিজের কেন্দ্র নিয়েই থাকবেন। তবে নেপথ্যে রইলেও চালিয়ে যাচ্ছেন ছায়াযুদ্ধ! অবশ্য সরাসরি ভাতিজা নন, তাঁর স্তাবকরা।

    বক্সি-কুণাল বাক্-যুদ্ধ

    ধানাইপানাই ছেড়ে আসা যাক কেজো কথায়। এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তৃণমূলের (TMC Inner Clash) রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াইয়ের ময়দান (লোকসভা নির্বাচন) থেকে পিছিয়ে যাবেন না। যদি লড়াই করেন, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে লড়াই করবেন উনি।” বক্সির এই “যদি…কিন্তু”তে বেজায় আপত্তি অভিষেক ‘ফ্যান-ক্লাবে’র। তাদের বক্তব্য, “যদি…কিন্তু”তে অভিষেকের ‘পলায়নী মনোবৃত্তি’ প্রকাশ পেয়েছে। তাই বক্সির বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

    তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (অভিষেক অনুগামী বলে দলে পরিচিত) বলেন, “রাজ্য সভাপতির বাক্যগঠন নিয়ে আপত্তি রয়েছে। এটা কখনওই কাঙ্খিত নয়।” তিনি বলেন, “অভিষেক লড়াইয়ের ময়দানেই রয়েছেন। আর তিনি যে কথা বলতে চান, তা শুনলে দলেরই মঙ্গল।” অভিষেক-বৃত্তের এক নেতা বলেন, “এই ধরনের আলটপকা কথা বলে আসলে অভিষেকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে। যা দলের জন্য মোটেই ভালো সঙ্কেত নয়।” অভিষেক ঘনিষ্ঠদের দাবি, অভিষেকের বয়ঃ-তত্ত্বে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনেক প্রবীণ নেতা। তাই মমতাকে তোষামোদ করতে এই ধরনের মন্তব্য করে আদতে অস্তস্তিতে ফেলা হচ্ছে দলকেই।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের তোলাবাজির রাজনীতির বলি দলেরই কর্মী, টাকা না পেয়ে পিটিয়ে খুন

    বুয়া-ভাতিজার এই দ্বন্দ্বের জেরে যে ভাতিজা- গোষ্ঠীই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা বুঝতে পেরে যুবরাজের দ্বারস্থ হন তাঁর ‘ফ্যান-ক্লাবে’র সদস্যরা। তাই দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের ‘গোঁসা’ ভাঙাতে অভিষেকের কালীঘাটের অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন কুণাল, ব্রাত্য বসু, পার্থ ভৌমিক, তাপস রায়দের মতো কয়েকজন। তবে গোঁসা যে ভাঙেনি, তার প্রমাণ মিলল ১ জানুয়ারি। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে পিকচারেই ছিলেন না অভিষেক।

    মমতার গুরুত্ব অস্বীকার (TMC Inner Clash) করলে যে বিপদ বাড়বে, তা জানিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন রাজনীতিতে থাকবেন না, সেদিন বাংলা ছাগলের তৃতীয় সন্তান হয়ে যাবে।” সুদীপের নিশানায় যে অভিষেকই তা বুঝতে রাজনীতিবিদ হতে হয় না। সুদীপের বক্তব্যেরও পাল্টা (TMC Inner Clash) দিয়েছেন কুণাল। তিনি বলেন, “অন্ধ ভক্তি দেখাতে গিয়ে এঁরা আসলে বিভাজন রেখা তৈরি করছেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: বিধিভঙ্গ করছেন রাজ্যপাল! একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

    Panchayat Elections 2023: বিধিভঙ্গ করছেন রাজ্যপাল! একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বিধি (Panchayat Elections 2023) মানছেন না, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন, এমনই সব অভিযোগ তুলে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। সাধারণ মানুষের রক্ত দিয়ে ‘রাজনৈতিক হোলি’ খেলা বন্ধ করার বার্তা দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় ঘুরছেন রাজ্যপাল (C V Ananda Bose)। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে গিয়ে হিংসা বন্ধে কড়া পদক্ষেপ করার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। তারপরই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কমিশনে চিঠি দিলেন সুব্রত বক্সি। 

    সম্মুখ সমরে নামল তৃণমূল ভবন ও রাজভবন

    নিজেকে ‘গ্রাউন্ড জিরো গভর্নর’ বলে মন্তব্য করে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) এখন বাংলার গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। কে হিংসার শিকার, কারা ছড়াচ্ছে সন্ত্রাস? তা জানতে ময়দানে নেমেছেন তিনি নিজেই। এই আবহে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচনে কমিশনে গেল তৃণমূল। তাদের দাবি, ভোট ঘোষণার পর আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বোস।

    তৃণমূলের অভিযোগ

    প্রথম অভিযোগই হল, সরকারি ভবনে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন রাজ্যপাল, যা আদর্শ নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করছে বলেই দাবি তৃণমূলের। সার্কিট হাউস বা গেস্ট হাউসে গেরুয়া শিবিরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলাও প্রত্যাশিত নয় বলে উল্লেখ করেছে তৃণমূল। ম্প্রতি রাজ ভবনে খোলা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম, যেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এই কন্ট্রোল রুম নিয়েও চিঠিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল। অভিযোগ, রাজ্যপাল নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন। যেভাবে বিডিওদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করছেন, পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করছেন, তা ঠিক নয় বলেই অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    রাজ্যপালের যুক্তি, হিংসা বন্ধের আর্জি

    পঞ্চায়েত ভোটের বাকি মাত্র আর চার দিন। এরই মধ্যে রাজ্যে সন্ত্রাস কবলিত এলাকা ক্যানিং, ভাঙড়, বাসন্তী, কোচবিহার, দিনহাটা, সিতাই, শিলিগুড়ির বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেন, ‘‘মানুষের রক্ত নিয়ে রাজনৈতিক হোলি খেলা বন্ধ করতে হবে। আমি হিংসাদীর্ণ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি। আমি দোষ খুঁজতে নয়, প্রকৃত তথ্য জানতে ওই সব এলাকা ঘুরেছি।’’

    আরও পড়ুন: কোর্টের গুঁতো! স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ১৮৯ থেকে দাঁড়াল কয়েক হাজারে

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, “আমার সহকর্মী রাজ্য নির্বাচন কমিশনার আমায় জানিয়েছেন রাজ্যের কিছু কিছু জায়গায় এই অশান্তি হচ্ছে। আমিও সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকগুলিতে যাচ্ছি। কেন এই অশান্তি হচ্ছে তা বোঝার জন্য। রাজনৈতিক অশান্তি কেন হচ্ছে, কারা আছে এই অশান্তির পিছনে, সেগুলি খুঁজে বার করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই রাজনৈতিক সন্ত্রাসের মধ্যে পড়ে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে। এটা বন্ধ করতে হবে। ভোটের জন্য আর এক বিন্দু রক্ত যাতে না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share