Tag: sudip banerjee

sudip banerjee

  • Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের তুলনায় ব্যবধান কমলেও কলকাতা উত্তর লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। তবে (Loksabha Election 2024 Result) ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে সাংসদ সুদীপ নিজের বুথেই পরাজিত হয়েছেন। নিজের ঘরের এলাকাতেই সুদীপের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় চিন্তায় তৃণমূল শিবির। কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের চৌরঙ্গী বিধানসভার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যালকাটা বয়েজ স্কুলের ১৭১ নম্বর বুথের ভোটার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বুথে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ২৪৫। উল্টোদিকে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের প্রাপ্ত ভোট ২৪৯। অর্থাৎ চারটি ভোটে তৃণমূল প্রার্থীর সুদীপকে পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়।

    কলকাতায় আরও বহু জায়গায় পিছিয়ে তৃণমূল (Loksabha Election 2024 Result)

    তবে শুধু সুদীপ একা ঘরে হেরেছেন এমন নয় কলকাতার ৪ জন মেয়র পরিষদ ও একাধিক বরো চেয়ারম্যান লোকসভার বুথভিত্তিক ফলাফলের নিরিখে (Loksabha Election 2024 Result) পরাজিত হয়েছেন তাঁদের নিজের ওয়ার্ডে। সেখানে এগিয়েছে বিজেপি। কলকাতা পুরসভার ৪৫টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে আছে। কলকাতা পুরনিগমের অধীনে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ৪৫টি ওয়ার্ডে। একটি মাত্র ওয়ার্ডে এগিয়ে সিপিএম। তৃণমূলের হেরে যাওয়া ওয়ার্ডগুলির মধ্যে একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলর আছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মেয়র পারিষদ সদস্য সন্দীপন সাহা, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু ও সন্দীপ রঞ্জন বক্সি। পরাজিত বরো চেয়ারম্যানদের তালিকায় আছেন সুশান্ত ঘোষ, দেবলীনা বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস, সাধনা বসু, সুদীপ পল্লে ও সুস্মিতা ভট্টাচার্য। পরাজিত হয়েছেন বিধায়ক পরেশ পাল। তবে তাপস রায়ের ওয়ার্ডে ফুটেছে পদ্ম।

    ফলাফল নিয়ে অখুশি তৃণমূল শিবির

    নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গেছে কুণাল ঘোষকে। অথচ ঘরের বুথে সুদীপ পরাজিত হওয়ার পর কুণাল ঘোষের সাবধানী প্রতিক্রিয়া, “আমরা এখনও (Loksabha Election 2024 Result) বুথভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করছি। সব তথ্য এখনও আমার হাতে আসেনি। যেখানে ভালো ফল করেছি, সেখানে আরও ভালো ফল করতে হবে। যেখানে খারাপ ফল হয়েছে, সেখানে কী কারণে খারাপ ফল হল তা খুঁজে বের করে, মেরামত করতে হবে। সূত্রের খবর, দল জিতলেও বেশি ব্যবধান দিতে না পারায় কলকাতা উত্তরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায় পদত্যাগ করতে চেয়েছেন। এই ওয়ার্ডে মাত্র ২১৭ ভোটে এগিয়ে আছেন সুদীপ। পুরনির্বাচনে বিজয় সাড়ে ৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    তাহলে জয়ের ব্যবধান হঠাৎ এত কমে গেল কেন? জিজ্ঞাসা করায় বিজয় বলেন, “আমাকে দিদি ওখানে পাঠিয়েছিলেন। আমি ওখানে ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। অথচ লোকসভায় (Loksabha Election 2024 Result) ব্যবধান কমে ২১৭ হয়ে গিয়েছে। আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলেছি। প্রত্যেকে আমার কাজে খুশি। তাহলে ভোট দেবে না কেন? সেই জন্য আমার অনেক কষ্ট হয়েছে। আমি আমার পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাই । দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন বিজয়। দলীয় স্তরেও তিনি পদত্যাগ পাঠিয়েছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Inner Clash: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

    TMC Inner Clash: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলের পর বুধবারও গড়াল তৃণমূলের দ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) জের। এদিন প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায় নিশানা করলেন দলেরই প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার সুদীপকে আক্রমণ শানিয়ে তাপস বলেছিলেন, “রাজনীতি না করে অভিনয় করলে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেতেন সুদীপ”। বুধবার ফের তাপস বলেন, “যারা মমতাপন্থী, যারা তৃণমূলপন্থী, যারা অভিষেকপন্থী, সুদীপ তাদের পছন্দ করে না।”

    সুদীপের জবাব

    মঙ্গলবারই তাপসের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সুদীপ বলেছিলেন, “একটা কথাই বলব, হাতি চলে বাজার…। আর কিছু বলব না।” তিনি বলেন, “কে, কী বলবেন, সেটা তাঁদের নিজের রুচির ব্যাপার। মানুষ বিচার করবেন।” পাল্টা (TMC Inner Clash) জবাবে তাপস বলেন, “ও নিজেকে হাতি ভাবে, কিন্তু ও মোটেই হাতি নয়। আর যদি হাতি হয়, সেটাও সাদা হাতি, সব ক্ষেত্রেই অনুৎপাদক।” তাপস বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তৃণমূল করি। কিন্তু যদি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুষ্ট করে চলতে হয়, তাহলে নিশ্চয়ই আমাকে ভাবতে হবে।”

    তাপসের পাল্টা

    তিনি বলেন, “দলে কিছু লোক বিভাজন করতে চাইছে। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুদীপ ভুলে গিয়েছে ওর থেকে বেশি দিন তৃণমূল করি। উত্তর কলকাতাজুড়ে গোষ্ঠীবাজি করছে।” তাপস বলেন, “উনি (সুদীপ)ছ’-সাত বছর দলে ছিলেন না। বলেছিলেন, দলটা ছ’ মাস থাকবে তো! এরপর স্বামী-স্ত্রী মিলে কী করেছিল, তার সব কাগজপত্র আমার কাছে আছে। প্রয়োজনে সব তুলে ধরব। এক সময় বলেছিলেন, আমি হেরেছি তো কী হয়েছে, তৃণমূলকে তো হারিয়েছি। এত বছর ধরে আমার ওপরে যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচার হোক।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    প্রসঙ্গত, রবিবার তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে সুদীপ বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন থাকবেন না, সেদিন বাংলার অবস্থা ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মতো হয়ে যাবে।” এর প্রেক্ষিতেই তাপস নিশানা করেন সুদীপকে।

    প্রসঙ্গত, বয়ঃ-তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলে শুরু হয়েছে নবীন-প্রবীণের দ্বন্দ্ব। যার জেরে খোদ তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে তাঁরই ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য ধামাচাপা দেওয়া হয় নবীনের ক্ষোভের আগুনে। এই দ্বন্দ্বেরই জের তাপস-সুদীপের বাক-যুদ্ধ। তাপস ও সুদীপ দুজনেই প্রবীণ হলেও, তাপস অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলে তৃণমূলে (TMC Inner Clash) পরিচিত। আর সুদীপ মমতা-বৃত্তের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC Inner Clash: ‘বয়ঃ-বিধি’ দ্বন্দ্বে বেসামাল তৃণমূল, নেত্রীর রোষেই কি ‘অন্তরালে’ অভিষেক?

    TMC Inner Clash: ‘বয়ঃ-বিধি’ দ্বন্দ্বে বেসামাল তৃণমূল, নেত্রীর রোষেই কি ‘অন্তরালে’ অভিষেক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের ‘যুবরাজ’। সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। তাঁর একটা পদও রয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূলের এহেন এক কর্তাই দিন কয়েক ধরে সেঁধিয়ে রয়েছেন গোঁসাঘরে। কারণ কি? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলে সম্প্রতি নবীন-প্রবীণ নিয়ে বিতর্ক (TMC Inner Clash) দানা বেঁধেছে।

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসেও অন্তরালে ভাতিজা!

    বয়সবিধি নিয়েও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে তাঁরই ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই কারণেই দলের নবীন ‘মুখ’ অভিষেককে সাইড করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ১ জানুয়ারি, দলের প্রতিষ্ঠা দিবেসেও তিনি রইলেন অন্তরালে। কারণ হিসেবে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, তিনি যে আগ্রাসী আন্দোলনের পথে হেঁটেছিলেন, তা থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তিনি শুধুমাত্র নিজের কেন্দ্র নিয়েই থাকবেন। তবে নেপথ্যে রইলেও চালিয়ে যাচ্ছেন ছায়াযুদ্ধ! অবশ্য সরাসরি ভাতিজা নন, তাঁর স্তাবকরা।

    বক্সি-কুণাল বাক্-যুদ্ধ

    ধানাইপানাই ছেড়ে আসা যাক কেজো কথায়। এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তৃণমূলের (TMC Inner Clash) রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াইয়ের ময়দান (লোকসভা নির্বাচন) থেকে পিছিয়ে যাবেন না। যদি লড়াই করেন, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে লড়াই করবেন উনি।” বক্সির এই “যদি…কিন্তু”তে বেজায় আপত্তি অভিষেক ‘ফ্যান-ক্লাবে’র। তাদের বক্তব্য, “যদি…কিন্তু”তে অভিষেকের ‘পলায়নী মনোবৃত্তি’ প্রকাশ পেয়েছে। তাই বক্সির বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

    তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (অভিষেক অনুগামী বলে দলে পরিচিত) বলেন, “রাজ্য সভাপতির বাক্যগঠন নিয়ে আপত্তি রয়েছে। এটা কখনওই কাঙ্খিত নয়।” তিনি বলেন, “অভিষেক লড়াইয়ের ময়দানেই রয়েছেন। আর তিনি যে কথা বলতে চান, তা শুনলে দলেরই মঙ্গল।” অভিষেক-বৃত্তের এক নেতা বলেন, “এই ধরনের আলটপকা কথা বলে আসলে অভিষেকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে। যা দলের জন্য মোটেই ভালো সঙ্কেত নয়।” অভিষেক ঘনিষ্ঠদের দাবি, অভিষেকের বয়ঃ-তত্ত্বে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনেক প্রবীণ নেতা। তাই মমতাকে তোষামোদ করতে এই ধরনের মন্তব্য করে আদতে অস্তস্তিতে ফেলা হচ্ছে দলকেই।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের তোলাবাজির রাজনীতির বলি দলেরই কর্মী, টাকা না পেয়ে পিটিয়ে খুন

    বুয়া-ভাতিজার এই দ্বন্দ্বের জেরে যে ভাতিজা- গোষ্ঠীই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা বুঝতে পেরে যুবরাজের দ্বারস্থ হন তাঁর ‘ফ্যান-ক্লাবে’র সদস্যরা। তাই দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের ‘গোঁসা’ ভাঙাতে অভিষেকের কালীঘাটের অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন কুণাল, ব্রাত্য বসু, পার্থ ভৌমিক, তাপস রায়দের মতো কয়েকজন। তবে গোঁসা যে ভাঙেনি, তার প্রমাণ মিলল ১ জানুয়ারি। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে পিকচারেই ছিলেন না অভিষেক।

    মমতার গুরুত্ব অস্বীকার (TMC Inner Clash) করলে যে বিপদ বাড়বে, তা জানিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন রাজনীতিতে থাকবেন না, সেদিন বাংলা ছাগলের তৃতীয় সন্তান হয়ে যাবে।” সুদীপের নিশানায় যে অভিষেকই তা বুঝতে রাজনীতিবিদ হতে হয় না। সুদীপের বক্তব্যেরও পাল্টা (TMC Inner Clash) দিয়েছেন কুণাল। তিনি বলেন, “অন্ধ ভক্তি দেখাতে গিয়ে এঁরা আসলে বিভাজন রেখা তৈরি করছেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share