Tag: Suicide

Suicide

  • Raiganj: ভিডিও কলে আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, চাপে পড়ে আত্মঘাতী যুবক

    Raiganj: ভিডিও কলে আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, চাপে পড়ে আত্মঘাতী যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও কলের ফাঁদে পা। তারপরই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার নাম করে ব্ল্যাকমেল। এই ব্ল্যাকমেলের চাপেই আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। এমনই অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকা জুড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) শহর লাগোয়া শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের ইকর গ্রামে। পুলিশের কাছে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করার পাশাপাশি ওই যুবকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবকের নাম সুশান্তচন্দ্র দাস। তিনি রায়গঞ্জের (Raiganj) একটি শপিং মলে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার কাজ থেকে বাড়ি ফিরে রাতের খাবার খেয়ে সাধারণ ভাবেই শুতে গিয়েছিলেন। শনিবার শোওয়ার ঘরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সুশান্তর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবার লোকজনের বক্তব্য, মৃত ওই যুবকের ফোনে এদিন সকাল সাড়ে ৮ টার পর থেকে লাগাতার অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। সেই ফোন ওই মৃত যুবকের পরিবারের লোকেরা ধরলে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে হিন্দিভাষী কেউ ৪-৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে। অন্যথায় এক মহিলার নগ্ন ভিডিও কলের সঙ্গে ওই যুবকের ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই মৃত যুবকের মোবাইল ঘেঁটে ওই রকম একটি ফেক এডিট করা ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। যেই ভিডিও যুবককে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে কেউ পাঠিয়েছিল। এর পরেই আরও দেখা যায় মৃত যুবক দেড় হাজার টাকা ওই নম্বর পাঠিয়েছিলেন। এই সব কিছু দেখেই আমাদের মনে হচ্ছে, ভিডিও কলের মাধ্যমেই ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল যুবককে। আর ব্ল্যাকমেলের চাপে পড়েই আত্মহত্যা করেছে ওই যুবক।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন এক সমাজকর্মী?

    রায়গঞ্জের (Raiganj) সমাজকর্মী তথা শিক্ষক মৃণালকান্তি সিংহ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মাঝে মাঝেই সামনে আসছে৷ বেশিরভাগ সময় লজ্জায় কেউ মুখ ফুটে কারও সাহায্য চাইতে পারেন না। ফলে, এইরকম সব মর্মান্তিক ঘটনা সামনে আসে। আমরা বলব, এই রকম ফাঁদ এড়িয়ে চলাই ভালো। আর যদি কেউ ভুল করে ফাঁদে পা দিয়েও ফেলেন, তবে দ্রুত পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া উচিত। এখন সব জায়গায় সাইবার ক্রাইম থানা আছে। আর সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই বিষয়গুলিতে ভালো কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Schizophrenia: সিজোফ্রেনিয়া কীভাবে বুঝবেন? এই রোগে কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    Schizophrenia: সিজোফ্রেনিয়া কীভাবে বুঝবেন? এই রোগে কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মানসিক রোগ নিয়ে সচেতনতা এ দেশে কম। সিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক রোগ নিয়ে সচেতনতা ও সতর্কতা দুইয়েরই অভাব যথেষ্ট। তাই অনেক সময়ই ঘটে বড় বিপদ। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সিজোফ্রেনিয়ার (Schizophrenia) মতো রোগ সম্পর্কে সতর্ক থাকলে, অনেক বড় সমস্যা এড়ানো যায়। চলছে সিজোফ্রেনিয়া অ্যাওয়ারনেস উইক। সপ্তাহ জুড়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা করছেন নানা কর্মশালা। কী বলছেন তাঁরা?

    সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia) কী? 

    সিজোফ্রেনিয়া এক ধরনের মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে মানুষ বাস্তবসম্মত চিন্তা করতে পারেন না। অধিকাংশ সময়ই তাঁরা নানা অবাস্তব ভাবনাচিন্তা করে আশঙ্কিত থাকেন। নানা ঘটনা তাঁরা ভাবেন ও সেগুলিই সত্যি হিসাবে বিশ্বাস করেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের ভাবনাচিন্তা শুধু নিজের নয়, আশপাশের মানুষের জন্যও ক্ষতিকারক (Schizophrenia) হয়ে ওঠে।

    ভারতে সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia) আক্রান্তের সংখ্যা কত? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য সমীক্ষা জানাচ্ছে, প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে একজন ভারতীয় সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। ভারতে মোট মানসিক রোগীর ৭ শতাংশ রোগী সিজোফ্রেনিয়ায় ভুগছেন। ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরাই বেশি সিজোফ্রেনিয়ায় (Schizophrenia) ভোগেন। সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে ৫০ শতাংশ আত্মহত্যা করেন।

    সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্তদের উপসর্গ কী? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia) মানসিক রোগ। তাই এই রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের ব্যবহারগত নানা পার্থক্য স্পষ্ট নজরে পড়বে। যেমন, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্তদের মেজাজ অকারণেই অনেক সময় খিটখিটে থাকে। পরিবারের সদস্য কিংবা প্রতিবেশীদের সঙ্গে অকারণ ঝগড়া করা, দুর্ব্যবহার করা এগুলো সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ। আবার অনেক ক্ষেত্রে রোগী নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেন। একদম ঘর বন্ধ হয়ে দিনের পর দিন থাকেন। মেলামেশা বন্ধ করে দেন। আসলে, আচরণে মারাত্মক বৈপরীত্য সিজোফ্রেনিয়ার অন্যতম লক্ষণ বলেই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, কল্পনা করে নানা কথা বলার প্রবণতা থাকে সিজোফ্রেনিয়া রোগীর। কোনও ব্যক্তি সম্পর্কে কিংবা কোনও ঘটনা প্রসঙ্গে লাগাতার নানা আজগুবি কথাও বলে থাকেন। স্মৃতি হারানোর মতো ঘটনাও সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্তের দেখা যায়। অনেক ঘটনা আক্রান্ত ভুলে যান। মানসিক অবসাদ, হ্যালোসিনেশন হল সিজোফ্রেনিয়ার অন্যতম লক্ষণ।

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কী? 

    মনোরোগ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ সামান্য বোঝা গেলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। পরিবারের কেউ এই সমস্যায় ভুগলে, তাঁকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া দরকার। কারণ, সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia) রোগী শুধু নিজের নয়, অপরেরও ক্ষতি করে ফেলতে পারেন। কারণ, এই রোগীর মধ্যে যেমন আত্মহত্যা করার প্রবণতা থাকে, তেমনি এই রোগী অকারণে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। মারাত্মক রেগে যেতে পারেন। আর তখন অন্যকে মারধর করা বা বড় কোনও ক্ষতি করে ফেলতে পারেন। তাই রোগীদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রে বারবার কেউ মিথ্যা কথা বললে বা কল্পনা করে কোনও ঘটনা বললে, তাকে বকাবকি করা হয়। কেউ কাল্পনিক কোনও চরিত্রের কথা শুনতে পাচ্ছে, জানালে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু এগুলো সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ। তাই তাদের অবহেলা করা একেবারেই উচিত নয়। বরং তাদের মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি। ধারাবাহিক চিকিৎসা করলে সিজোফ্রেনিয়া রোগীও স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারেন বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suicide: মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ! রহস্য ঘনীভূত

    Suicide: মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ! রহস্য ঘনীভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নকশাল কেবিন থেকে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ (Suicide) উদ্ধার করল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। মৃতের নাম দুলাল ভক্তা (৪৯)। বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার বিরিহান্ডির বাগছাপা গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ মে অর্থোপেডিক সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন দুলাল। কেবিনের বাইরে নিরাপত্তারক্ষীরা থাকলেও কী করে এমন ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। শুক্রবার দুপুরে বাথরুমে গিয়ে গলায় গামছা দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাথরুম থেকে না বের হওয়ায় ভিতরে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীরা দেখতে পান, ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন দুলাল। তাকে উদ্ধার করলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় হাসপাতালে শোরগোল পড়ে যায়।

    কী মামলা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে?

    জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম থানার ২০২২ সালের একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ঝাড়গ্রাম জেলে বিচারাধীন বন্দি ছিলেন দুলাল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬, ৩০৭ ধারায় মামলা ছিল। চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ১ এপ্রিল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে গত ৫ মে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ ঘটনা (Suicide) ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানালেন হাসপাতাল সুপার?

    মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সুপার জয়ন্ত রাউত বলেন, হাসপাতালের নকশাল কেবিনে এক বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ (Suicide) উদ্ধার হয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে সেখানে। তবে এই বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন রহস্য ঘনীভূত হয়েছে, তেমনি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে তিনি ওইরকম কাণ্ড ঘটালেন, সেটাই ভাবাচ্ছে সবাইকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Migraine: মাইগ্রেনে অতিষ্ঠ জীবন! যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার মতো সিদ্ধান্ত?

    Migraine: মাইগ্রেনে অতিষ্ঠ জীবন! যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার মতো সিদ্ধান্ত?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছর ২৯-এর যুবক। মাথার যন্ত্রণায় কাতর। শেষ পর্যন্ত নিলেন চরম সিদ্ধান্ত! মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে বেছে নিলেন আত্মহত্যার পথ! সম্প্রতি হাওড়ার টিকিয়াপাড়া এলাকার এক যুবকের মৃত্যুর কারণ শুনে হতবাক হচ্ছেন অনেকেই। তবে, এই ঘটনাকে ব্যতিক্রম বলছেন না চিকিৎসকরা। আগেও একাধিকবার মাইগ্রেনের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বহু রোগী! তবে, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ক্রনিক রোগের দীর্ঘকালীন চিকিৎসা করলে সুস্থ থাকা সম্ভব।

    মাইগ্রেনের সমস্যা কী? 

    মাইগ্রেন একধরনের স্নায়ুঘটিত সমস্যা। একে নিউরোভাস্কুলার ডিসঅর্ডার বলা যায়। মাথার মাঝখানে কিংবা যে কোনও একটা পাশে এই যন্ত্রণা হয়। ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা একটানা এই ধরনের যন্ত্রণা থাকে। মাসে একাধিকবার মাইগ্রেনের সমস্যা হতে পারে। তথ্য বলছে, বিশ্বের প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন মানুষ মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন। পুরুষের তুলনায় মহিলারাই এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।

    কীভাবে বুঝবেন আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা হচ্ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রতি মাসে একাধিকবার মাথার যন্ত্রণা হলে বুঝতে হবে, তা মাইগ্রেনের লক্ষণ। বমি, মাথা ঝিমঝিম, মানসিক অস্থিরতার মতো উপসর্গও দেখা যায়। যন্ত্রণার সময় অনেকেই অনেক কিছু অবাস্তব কল্পনা করেন। তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মাইগ্রেন ঔরা (aura) বলা হয়। যেমন, অনেকেই ভাবেন, তাকে কেউ হয়তো খুন করবে কিংবা তার চরম কোনও ক্ষতি করা হবে। এমন নানারকম আশঙ্কায় রোগী ভোগেন। খাবারের প্রতিও অনীহা তৈরি হয়।

    কীভাবে কমাবেন মাইগ্রেনের সমস্যা? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মাইগ্রেনের সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়। অনেকেই প্রথমে সাধারণ মাথার যন্ত্রণা বলে মাইগ্রেনকে অবহেলা করেন। প্রথম থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চললে বিপদ কমে। কারণ, চিকিৎসক নানান শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে বুঝতে পারেন, মাইগ্রেন চরম নাকি মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। সেইমতো চিকিৎসা করলে রোগী সুস্থ থাকতে পারে। শুধুমাত্র ব্যথা কমার ওষুধ নয়। স্নায়ুঘটিত নানান ওষুধের প্রয়োজন হয়। তাই যন্ত্রণা কমাতে নিজেই ওষুধের দোকান থেকে ইচ্ছেমতো পেনকিলার খাওয়ার অভ্যাস বিপদ বাড়ায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে, জীবনযাপনের বদল মাইগ্রেনের সমস্যা কমাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম খুব জরুরি। অতিরিক্ত আওয়াজ বা অতিরিক্ত গরম মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ায়। তাই সেরকম পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। সহজে হজম হয়, এমন খাবার খেতে হবে। হজমের অসুবিধা হলে মাইগ্রেনের ভোগান্তি বাড়তে পারে। 
    মানসিক চাপ মাইগ্রেনের জন্য অত্যন্ত খারাপ। তাই যাঁরা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। মানসিক চাপ যাতে তৈরি না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মাইগ্রেনের সমস্যা কমাতে নিয়মিত শারীরিক কসরত করারও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kota Student Suicide: ‘‘মা-বাবা, এটা লাস্ট অপশন…’’, জয়েন্টের দুদিন আগে কোটায় আত্মহত্যা পরীক্ষার্থীর

    Kota Student Suicide: ‘‘মা-বাবা, এটা লাস্ট অপশন…’’, জয়েন্টের দুদিন আগে কোটায় আত্মহত্যা পরীক্ষার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার বাকি ছিল আর মাত্র দু’দিন। কিন্তু তার আগেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল ১৮ বছর বয়সি এক ছাত্রী (Kota Student Suicide)। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার আগে বাবা-মা’র উদ্দেশে একটি মর্মান্তিক চিঠি লিখে রেখে গিয়েছেন ওই ছাত্রী। ৩১ জানুয়ারি জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইনের পরীক্ষা। আর তার ঠিক দুদিন আগে, সোমবার (২৯ জানুয়ারি), রাজস্থানের কোটা জেলায় আত্মঘাতী হলেন আরও এক শিক্ষার্থী। কোটার এক কোচিং সেন্টারে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। পরীক্ষার চাপ সহ্য করতে না পেরেই এই শিক্ষার্থী আত্মঘাতী হয়েছেন বলে মনে করছে পুলিশ। 

    মর্মান্তিক চিঠি

    নীহারিকা নামে ওই পড়ুয়া জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেনসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার জন্যই কোটার শিক্ষা নগরী এলাকায় ঘরভাড়া নিয়ে থাকছিলেন তিনি। সেই ঘরেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই ছাত্রী। তদন্তের সময় পুলিশ একটি সুইসাইড (Kota Student Suicide) নোট পায়। সুইসাইড নোটে আত্মঘাতী মেয়েটি লিখেছে, “মামি ও পাপা, আমি জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সাম দিতে পারব না। তাই, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছি। আমি একজন হেরে যাওয়া মানুষ। আমার মৃত্যুর কারণ আমিই। আমি সবথেকে খারাপ মেয়ে। সরি, মামি-পাপা। আমার কাছে আর কোনও বিকল্প ছিল না।”

    আরও পড়ুন: আরও আধুনিক মেট্রো! কলকাতায় চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ট্রায়াল রান সফল

    কেন আত্মহত্যা

    পরীক্ষার চাপ ও বাবা-মায়ের উচ্চকাঙ্ক্ষার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের অনুমান। নিজেকে খারাপ ছাত্রী (Kota Student Suicide) এবং এটাই শেষ পথ বলে লেখায় তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন অত্যধিক চাপ নিতে পারেনি এই উঠতি বয়সি পড়ুয়া। উল্লেখ্য, এক সপ্তাহ আগেই উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের বাসিন্দা ১৭-১৮ বছর বয়সি মহম্মদ জাইদ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। সে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গতবছর কোটায় উচ্চশিক্ষার প্রশিক্ষণ নিতে আসা ৩০ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছিল। নিহারীকার মৃত্যু নতুন বছরের প্রথম মাসেই দ্বিতীয় আত্মহত্যা। ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যাল এন্ট্রান্স পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য রাজস্থানের কোটায় কোচিং নেন হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী। কিন্তু প্রতি বছরেই একাধিক পড়ুয়া আত্মহত্যা করেন সেখানে, যা রীতিমতো উদ্বেগজনক। সরকারের পক্ষেও বারবার শিক্ষক, অভিভাবক সকলকে এই বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kanchrapara: কাঁচরাপাড়ায় মাকে খুন করে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেয়ের, চাঞ্চল্য

    Kanchrapara: কাঁচরাপাড়ায় মাকে খুন করে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেয়ের, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাকে খুন করে নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ডাঙাপাড়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাধারানি প্রসাদ (৭০)। অভিযুক্ত অসুস্থ মেয়ের নাম ববিতা প্রসাদ। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় কল্যাণী জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kancharapara)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ববিতা প্রসাদ কাঁচরাপাড়ায় (Kanchrapara) মায়ের কাছেই থাকতেন। পাশে থাকতেন তার ভাইরা। ভাইদের সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে তাঁর ঝামেলা ছিল। তাঁর মা মেয়ের সঙ্গে এক ঘরেই থাকতেন। এদিন সকাল দশটা নাগাদ ঘরের ভেতর থেকে বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তার ঠিক পাশেই ববিতা দেবীও গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন। বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি পাড়া প্রতিবেশীদের বিষয়টি নজর আসার পর ববিতা দেবীকে উদ্ধার করে কল্যাণী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর বৃদ্ধা রাধারানিদেবীকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    এই ঘটনা নিয়ে পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    পরিবারের এক সদস্য বলেন, কয়েকদিন মায়ের সঙ্গে মেয়ের গন্ডগোল হলেও শুক্রবার কোনও ঝামেলা হয়নি। অন্যদিনের মতোই খাওয়া দাওয়া করে তারা শুয়েছেন। এদিন বেলা হয়ে গেলেও ঘর থেকে না ওঠায় আমরা ডাকাডাকি করি। এরপরে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকতেই, দেখি দুজনে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কাঁচরাপাড়ায় (Kanchrapara) স্থানীয়  হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজনের, অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁকে কল্যাণীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রতিবেশীদের কী বক্তব্য?

    প্রতিবেশী নিলাম সিং  বলেন, ববিতা মাসি তাঁর মায়ের সঙ্গেই থাকবেন। আমরা নিয়মিতই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতাম। গত দু-তিনদিন ধরে কোনও একটা বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তুমুল ঝামেলা চলছিল ববিতা মাসির। ফলে মাকে মারধরও করে বলে অভিযোগ। তিনি কাউকে ঘরে ঢুকতে দিতেন না। এদিন সকালে খবরটা পেয়ে আমরা ছুটে আসি। ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি, ববিতা মাসি নিচে পড়ে রয়েছে। আর তাঁর মা বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সম্ভবত বিষ জাতীয় কোনও কিছু দিয়ে বা কোনও ওষুধ খাইয়ে মাকে মারার পর নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। কিন্তু, তার আগে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরই তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে, নির্দিষ্ট কি কারণে তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটালেন তা আমাদের কাছে অজানা। জানা গিয়েছে, ঘটনা পর ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tunisha Sharma: “মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকিয়েছে”, শীজানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তুনিশার মা

    Tunisha Sharma: “মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকিয়েছে”, শীজানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তুনিশার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তুনিশা শর্মার (Tunisha Sharma) মৃত্যুতে তোলপাড় বিনোদন জগৎ। এর মাঝেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন অভিনেত্রীর মা। শনিবার বিকেলে সিরিয়ালের শুটিং সেটেই বছর কুড়ির তুনিশার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। আত্মহত্যা করেছেন তুনিশা। কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন অভিনেত্রী, তা নিয়ে থেকে গিয়েছে নানা প্রশ্ন। এবার মেয়ের সহ অভিনেতা সম্পর্কে বড় অভিযোগ করলেন তুনিশার মা। প্রাক্তন প্রেমিক অভিনেতা শীজান খানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিনেত্রীর মা বলেন, “আমার মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে, পরে সম্পর্ক ভেঙেছে শীজান। আগে একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল শীজান। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে থাকতেই তুনিশার সঙ্গে রিলেশনশিপে জড়ায় সে। তিন চার মাস ধরে ওকে ব্যবহার করে। তারপর ব্রেক আপ করে নেয়। আমার আর্জি শীজানকে যেন ছেড়ে দেওয়া না হয়। আমার বাচ্চা চলে গেল।”

    কী জানা গেল? 

    জানা গিয়েছে প্রেমিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই অভিনেত্রী (Tunisha Sharma)। তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে ১৫ দিন আগেই তুনিশার সঙ্গে ব্রেক আপ হয়েছিল শীজানের। শনিবারই শীজানের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তুনিশার মা। মৃত অভিনেত্রীর মায়ের দাবি, তুনিশা শর্মাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন সহ অভিনেতা! মুম্বই পুলিশের কাছে এই মর্মেই অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিনেত্রীর মা। শনিবার রাতে এ কথা জানিয়েছেন মুম্বই পুলিশের ডিসি চন্দ্রকান্ত যাদব।

    ডিসিপি যাদব জানিয়েছেন, “তুনিশার (Tunisha Sharma) সহ অভিনেতা শীজান খানের বিরুদ্ধে মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তাঁর মা। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। তুনিশার মায়ের অভিযোগ পেয়ে শীজ়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় পুলিশ খুন এবং আত্মহত্যা— দু’টি দিকই খতিয়ে দেখবে। ঘটনার সময় সেটে হাজির কলাকুশলীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে।

    তুনিশার (Tunisha Sharma) মৃত্যুর পর শীজানকে ফোন করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের পরে জানা যায় যে, গায়ে কোনও আঘাতের দাগ নেই তুনিশার। গলায় দড়ি দিয়ে ওয়াশরুমে আত্মহত্যা করেন অভিনেত্রী। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও তুনিশার কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় শীজানকে। রবিবার তাঁকে পাঠানো হয়েছে চারদিনের পুলিশি হেফাজতে।

    আরও পড়ুন: ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ভিডিওকনের কর্ণধার বেনুগোপাল ধুত   

    ‘আলিবাবা: দাস্তান-ই কাবুল’ ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতেন তুনিশা (Tunisha Sharma)। শিশুশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন বলিউডে। ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’ সিরিয়াল দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। ‘আলিবাবা: দাস্তান-ই-কাবুল’-এ রাজকুমারী মরিয়মের ভূমিকায় অভিনয় করতেন তুনিশা। তাঁর আত্মহত্যায় স্তব্ধ গোটা হিন্দি সিরিয়াল ইন্ডাস্ট্রি। শুধু টেলিভিশন সিরিয়ালে নয়, ‘ফিতুর’, ‘বার বার দেখো’, ‘কহানি ২’, ‘দুর্গা রানি সিংহ’, ‘দাবাং ৩’-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তুনিশা। ‘ফিতুর’ এবং ‘বার বার দেখো’তে ক্যাটরিনা কইফের শৈশবের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তাঁর সিরিয়াল ‘ইন্টারনেট ওয়ালা লাভ’ বেশ জনপ্রিয়তা পায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

      

  • Actor Vaishali Takkar Suicide: অভিনেত্রীর আত্মহত্যা! কার নাম লিখে গেলেন সুইসাইড নোটে?

    Actor Vaishali Takkar Suicide: অভিনেত্রীর আত্মহত্যা! কার নাম লিখে গেলেন সুইসাইড নোটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল সাসুরাল সিমার কা’ এবং ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায় খ্যাত অভিনেত্রী বৈশালী তক্করকে (Vaishali Takkar) আজ সকালে মধ্যপ্রদেশে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।
    ইন্দোরের সহকারী পুলিশ কমিশনার এম রহমান বলেছেন যে অভিনেত্রীর ঘর একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে যা থেকে বোঝা যায় যে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। প্রাক্তন প্রেমিকের দ্বারা তাকে হয়রানি করা হচ্ছিল।

    আরও পড়ুন: বলিউডে এন্ট্রি শিখর ধাওয়ানের! কোন সিনেমায় হুমা কুরেশির সঙ্গে দেখা যাবে ভারতীয় ক্রিকেটারকে? 

    পুলিশ মৃতদেহকে ময়নাতদন্তের জন্য মহারাজা যশবন্ত রাও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশ মৃত অভিনেত্রীর মোবাইল ফোন সংগ্রহ করার পর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    [tw]


    [/tw]  
    এই অভিনেত্রী বাবা ভাইয়ের সাথে ইন্দোরে বসবাস করতে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে তার আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেনি পরিবার। বৈশালী যে এত বড়ো সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা ভাবতেও পারেনি পরিবারের সদস্যরা। ২০১৫ সালে  ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায় নামে জনপ্রিয় এই সিরিয়াল দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি বিগ বস’ খ্যাত নিশান্ত মালকানির বিপরীতে অভিনয় করছিলেন।
    মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী থেকে কর্মসূত্রে মুম্বাই চলে যান। পরে অবশ্য ইন্দোরের তেজাজি নগর থানা এলাকার সাই বাগ কলোনিতে তার ভাই এবং বাবার সাথে গত এক বছর ধরে ছিলেন।

      হেল্পলাইন
      মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভান্দ্রেভালা ফাউন্ডেশন 9999666555 অথবা help@vandrevalafoundation.com
      টিআইএসএস আইকল 022-25521111 (সোম-শনিবার: সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা)
      ( আপনি যদি নিজে মানসিক সমস্যায় আছেন বা মানসিক সমস্যায় আছে এমন কাউকে চেনেন সেক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শ নিন।)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Suicide and Mental Health: ভারতে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা, কী করে প্রতিহত করবেন? 

    Suicide and Mental Health: ভারতে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা, কী করে প্রতিহত করবেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। গত বছরের চেয়ে ৬.১% বেড়েছে আত্মহত্যার হার! সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (NCRB Report)। ভারতে ২০২১ সালে আত্মহত্যার (Suicide) হার এখনও পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যানের নিরিখে সব চেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে তারা। এই নিয়ে বেড়েছে উদ্বেগ।  

    করোনা-পরবর্তী সময়ে দেশের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, কিছুদিন আগে এমনই তথ্য সামনে এসেছিল। এনসিআরবির তথ্য যেন উল্টো পুরাণ।

    আরও পড়ুন: মাছ-মাংস-ডিমের চেয়েও বেশি উপকারী সয়াবিন, জানেন কেন?  

    তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, মূলত ছাত্র এবং ছোট ব্যবসায়ীদের আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে আত্মহত্যার জন্যে অতিমারীকেই দায়ী করা হয়েছিল। কিছু এখন সেই সমস্যাও নেই। তাও আত্মহত্যার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বাড়ায় চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।

    আত্মহত্যাকে প্রতিহত করা সম্ভব। আত্মহত্যার চিন্তাকে প্রতিহত করার মধ্যে দিয়ে আত্মহত্যাকে আটকানো করা সম্ভব।

    আরও পড়ুন: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    কী করে প্রতিহত করবেন আত্মহত্যা?

    সমস্যাকে চিহ্নিত করুন: কোন বিষয়টিতে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হচ্ছে তা চিহ্নিত করা ভীষণ জরুরী। আগে সমস্যা খুঁজে বের করুন।

    চিকিৎসা করান: আপনার শরীরের মতো মনেরও অসুখ হয়। চিকিৎসকের সাহায্য নিন। 

    নিজের জবাব দিন: নিজের যত্ন নিন। শরীর এবং মনের খেয়াল রাখুন। ভালো খাবার খান, রোজ ব্যায়াম করুন, প্রয়োজন মতো ঘুমোন এবং নেশার অভ্যেস থেকে বেরিয়ে আসুন।

    সময়ে ওষুধ খান: চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন। সময় মতো ওষুধ খান। ওষুধ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে, তা থামিয়ে না দিয়ে চিকিৎসককে জানান। 

    নিয়ম মেনে চলুন: জীবনের নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখুন। রোজ সকালে উঠুন, তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যান এবং নিয়ম মেনে সারা দিনের কাজ করুন।

    মানুষের সঙ্গে মিশুন: সবার সঙ্গে মিশুন, গল্প করুন, আড্ডা দিন। যতটা সম্ভব একা থাকা এড়িয়ে চলুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Bidisha Dey Majumdar: ফের রহস্যমৃত্যু! পল্লবীর পর আরও এক টলিউড অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    Bidisha Dey Majumdar: ফের রহস্যমৃত্যু! পল্লবীর পর আরও এক টলিউড অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পল্লবী দে-র (Pallavi Dey) পর এবার বিদিশা দে মজুমদার (Bidisha Dey Majumdar)। টলিউডে অপমৃত্যুর (mysterious death) ঘটনা যেন থামছেই না। পল্লবী দে-র মৃত্যু নিয়ে এখনও জট পুরোপুরি কাটেনি, তার আগেই আরও এক মডেল এবং অভিনেত্রীর মৃত্যুতে হতবাক টলিপাড়া (Tollywood)। দমদমের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল উঠতি অভিনেত্রী বিদিশার দে মজুমদারের দেহ। ২১ বছর বয়সী অভিনেত্রী সেই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।  

    ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়েছে বিদিশার দেহ। কিন্তু কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, খুন না আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি। বিদিশার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা। এখনও পর্যন্ত বিশেষ কোনও তথ্য পায়নি পুলিশ।

    অভিনেত্রীর দেহ ইতিমধ্যেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ নিয়ে তাঁদের কাছেও ধোঁয়াশা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতার আবাসন থেকে টেলি অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন না আত্মহত্যা?

    বিদিশার প্রতিবেশীদের দাবি, দেড় মাস আগে ওই এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতে এসেছিলেন বিদিশা। নিয়মিত মডেলিং করতেন বিদিশা। এর পাশপাশি ‘ভাঁড়: The Clown’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেষ বুধবার ভোরে অনলাইন দেখা গিয়েছে বিদিশাকে। তারপর আর ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে অনলাইন দেখা যায়নি। 

    কাজ না থাকলে বেলা করে ঘুম থেকে উঠতেন অভিনেত্রী। অনেকেই জানতেন সেকথা। তাই অনেক বেলা অবধি দরজা না খুললেও কারও কোনও সন্দেহ হয়নি। কিন্তু  বিকেল গড়িয়ে গেলেও ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় বিদিশার ফ্ল্যাটমেট দিশানী দুশ্চিন্তায় পড়েন। তিনি কলেজ গিয়েছিলেন। ফিরে এসে সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ঠেলে ঢুকে দেখেন, গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলছেন মৃত অভিনেত্রী।  তারপরেই তিনি ফোন করে এক পরিচিতকে জানান বিষয়টি। নৈহাটির মেয়ে বিদিশা। কাজের সূত্রে থাকতেন নাগের বাজারের রামগড় কলোনির একটি ফ্ল্যাটে। দিশানীও থাকতেন তাঁর সঙ্গে। 

     

LinkedIn
Share