Tag: sujay krishna bhadra

sujay krishna bhadra

  • CBI: কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা সিবিআইয়ের, নাম রয়েছে আরও ২ অভিযুক্তের

    CBI: কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা সিবিআইয়ের, নাম রয়েছে আরও ২ অভিযুক্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। জানা গিয়েছে, চার্জশিটে প্রথমেই নাম রয়েছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। এর পাশাপাশি নাম রয়েছে অরুণ হাজরা ও তৃণমূলের যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    নগরদায়রা আদালতে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআইয়ের

    আজ, অর্থাৎ শুক্রবার কলকাতার নগরদায়রা আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই (CBI)। জানা গিয়েছে, এই চার্জশিটে নতুন করে ২০১ ধারা অর্থাৎ তথ্য প্রমাণ লোপাটের ধারা যোগ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থ সিবিআই। এছাড়াও জালিয়াতি, প্রতারণা, দুর্নীতি দমন আইন ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারা যোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সূত্রের খবর, এই আবহে এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জন সাক্ষীর গোপন জবানবন্দী নেওয়ার আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। তথ্য প্রমাণ লোপাটের ধারা যোগ করার ফলে এবার আরও বিপাকে পড়েছেন সুজয় কৃষ্ণ ওরফে কালীঘাটের কাকু।

    দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ (Sujay Krishna Bhadra)

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে ২০২৩ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। প্রথমে তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এরপর একই মামলায় তাঁকে সিবিআইও গ্রেফতার করে। দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন কালীঘাটের কাকু। তবে বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সিবিআই সুজয় কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে বলে জানা যায়। এবার সেই সব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই চার্জশিট জমা দিল সিবিআই (CBI)। প্রসঙ্গত, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জামিন পেয়ে যান কালীঘাটের কাকু। তবে আদালতের নির্দেশে তিনি বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে পারবেন না। সিবিআই-ও সর্বদা নজর রাখছে তাঁর গতিবিধির ওপরে।

    আগেই সংগ্রহ করা হয় শান্তনুর কণ্ঠস্বর (Sujay Krishna Bhadra)

    শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও নিয়োগ মামলার তদন্তে উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। শান্তনুকে আগেই গ্রেফতার করে ইডি। পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বর্তমানে তাঁদেরও কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রসঙ্গত, নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে একটি অডিও হাতে পেয়েছিল সিবিআই। তার সঙ্গে সন্তু এবং শান্তনুর কণ্ঠস্বর মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইয়ের অনুমান ছিল, ওই অডিও-তে দু’জনের কণ্ঠ শোনা গিয়েছে। এ বার সেই সংক্রান্ত চার্জশিট জমা দেওয়া হল আদালতে। ‘কাকু’ এবং শান্তনুর নাম রয়েছে তাতে।

  • Sujay Krishna Bhadra: ভেন্টিলেশনে ‘কালীঘাটের কাকু’, হল না প্রাথমিক দুর্নীতিকাণ্ডে চার্জ গঠন

    Sujay Krishna Bhadra: ভেন্টিলেশনে ‘কালীঘাটের কাকু’, হল না প্রাথমিক দুর্নীতিকাণ্ডে চার্জ গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ‘কালীঘাটের কাকু’ (Sujay Krishna Bhadra) অসুস্থ হয়ে পড়ায় চার্জ গঠন হল না। কোর্টে হাজিরার আগেই অজ্ঞান হয়ে গেলেন কালীঘাটের কাকু (Kalighat Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। সোডিয়াম পটাসিয়াম লেবেলে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে বলে খবর। এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২ জানুয়ারি। এমনটাই সূত্রের খবর।

    কী হয়েছে কালীঘাটের কাকুর?(Sujay Krishna Bhadra)  

    প্রেসিডেন্সি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার সূত্রে খবর, সোমবার সকালে হঠাৎ সংজ্ঞা হারান তিনি। হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন ‘কাকু’। সেই সংক্রান্ত অসুস্থতা থেকেই তিনি সংজ্ঞা হারান বলে মনে করা হচ্ছে। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে। সন্ধ্যায় তাঁকে (Sujay Krishna Bhadra) সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। এর আগেও শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে এই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণকে। এ বারও যাতে সেই হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা হয়, সে বিষয়ে আদালতে আবেদন জানান ‘কাকু’র আইনজীবী। বিচার ভবন থেকে সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এর পরেই সোমবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় আলিপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালে। সূত্রের খবর, তাঁর এমআরআইয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে খবর। তাঁর সোডিয়াম ও পটাশিয়াম লেভেলে কিছু অসংগতি রয়েছে বলে খবর। কেমন যেন আচ্ছন্ন অবস্থায় ছিলেন তিনি। বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অসমে কয়েক দশকের গড়ে ধস, কংগ্রেসকে ধরাশায়ী বিজেপির তরুণ তুর্কি দীপলুর

    সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের আইনজীবী কী বললেন?

    এদিকে প্রাথমিক দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির মামলায় সোমবার চার্জ গঠন হওয়ার কথা ছিল। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডলরা উপস্থিত ছিলেন আদালতে। কিন্তু আসতে পারলেন না কালীঘাটের কাকু। সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার জেরে স্বাভাবিকভাবেই চার্জ গঠন পিছিয়ে যায়। ব্যাঙ্কশালের বিশেষ সিবিআই আদালতে আসতে পারেননি তিনি। তার জেরে চার্জগঠন পিছিয়ে যায়। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের (Sujay Krishna Bhadra)  আইনজীবী আদালতে জানিয়ে দেন, সকালে আদালতে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই, হাজিরা দিতে পারেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যা সন্দেহ করা হয়েছিল, তা মিলে গিয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে এমনই বলল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সন্দেহের স্বপক্ষেই রিপোর্ট এসেছে বলে দাবি ইডির।

    কী বলল আদালত? (Calcutta High Court)

    তবে কথোপকথনের সঙ্গে কার কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়েছে, তা জানায়নি ইডি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টালবাহানার পর প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেয়েছে ইডি। সেই রিপোর্টই জমা দেওয়া হল এদিন। যদিও ইডির জমা দেওয়া কণ্ঠস্বরের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইডির রিপোর্ট সংক্ষিপ্ত বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এদিন ইডির তরফে আদালতে (Calcutta High Court) যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, তা পাঁচ পাতার। এর মধ্যে তিন পাতাজুড়ে রয়েছে কাকুর কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত তথ্য। বাকি দু’পাতায় ছিল এই মামলায় ইডির সার্বিক তদন্তের রিপোর্ট।

    বিচারপতির প্রশ্ন

    সেই রিপোর্ট দেখেই বিচারপতির প্রশ্ন, “এত সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট কেন?” ইডির রিপোর্টের শেষ দু’পাতায় কাকুর ও প্রাথমিক মামলায় সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী কী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, তার হিসেব দেওয়া হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের ১৩৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, “২০১৪ সাল থেকে যে দুর্নীতি হচ্ছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ এত কম কেন? টাকার অঙ্কই বা এত কম কেন?” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ জুন।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ইডির উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ উঠেছে যে চাকরি বিক্রি হয়েছে। এটা একটা স্ক্যাম। সত্যিই কি চাকরি বিক্রি হয়েছে? তার কি কোনও প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন? টাকার উৎস জানতে আপনারা কি কোনও পদক্ষেপ করেছেন?” ইডির তরফে জানানো হয়, নিত্য এগোচ্ছে তদন্ত। আদালতের তরফে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইডিকে। এদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসে। ইডির দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’র (Sujay Krishna Bhadra) কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট হাতে পেল ইডি। বৃহস্পতিবার কলকাতার কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি থেকে মুখবন্ধ একটি খামে করে রিপোর্টটি এসে পৌঁছেছে ইডির দফতরে। তবে ওই রিপোর্টে ঠিক কী বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হয়নি ইডির তরফে।

    কালীঘাটের কাকু (Sujay Krishna Bhadra)    

    শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে কলকাতার পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তার পর থেকে দীর্ঘদিন তাঁর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার সুযোগ মেলেনি। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় তাঁর। সুজয়ের স্বর ডিজিটালি রেকর্ড করে রাখা হয়। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে দু’টি স্বরই এক ব্যক্তির (Sujay Krishna Bhadra)। রিপোর্ট হাতে পেতেই যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার ফাঁসবে নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে দুর্নীতির পর্দা।

    ইডির হাতে গ্রেফতার কাকু

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গত ৩০ মে সুজয়কে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর থেকে অনেকটা সময় হাসপাতালে কাটিয়েছেন তিনি। ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে। নিয়োগ কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করতে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সুজয়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে চায় ইডি। এজন্য আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। হাইকোর্টে নমুনা সংগ্রহে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, সুজয়ের শারীরিক অবস্থা ঠিক না হওয়া অবধি তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে না। ফের একবার আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। ইএসআই হাসপাতালে সুজয়ের শারীরিক সুস্থতা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় কাকুর।

    আরও পড়ুুন: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার যে রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেয় ইডি, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সম্পত্তি সংক্রান্ত খতিয়ানও দিয়েছিল ইডি। অভিষেকের এই সংস্থায়ই কাজ করতেন সুজয়। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই ভয়েস স্যাম্পেল যে মিলবে, সেটা সকলের জানা। তবে এই ভয়েস স্যাম্পেলের ওপর নির্ভর করে হরিপালের বড় কোনও ডাকুকে ধরবে, মানুষ আর সেটা নেবে না (Sujay Krishna Bhadra)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল একাধিক রোগে আক্রান্ত। রেফার রোগ থেকে দালালচক্র, সরকারি হাসপাতালের একাধিক রোগে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।‌ তার মধ্যেই সরকারি হাসপাতালে আরেক রোগের জেরে জেরবার সাধারণ মানুষ। শাসক দলের দাপটে সরকারি হাসপাতালে (SSKM) সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করাতে অপেক্ষা হচ্ছে আরও দীর্ঘ।‌

    কোথায় বাড়ছে এই রোগ? 

    এসএসকেএম থেকে জেলার হাসপাতাল, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র এই সমস্যা রয়েছে। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও সরকারি হাসপাতালে শাসক‌ দলের নেতারাই চিকিৎসায় অগ্রাধিকার পায়। আর তার জেরেই সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সময়মতো হচ্ছে না। সম্প্রতি কালীঘাটের কাকু নামে পরিচিত সুজয় ভদ্র এসএসএকেএম (SSKM) হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। 
    সূত্রের খবর, এসএসকেএম হাসপাতালে শিশুদের বিশেষ অস্ত্রোপচারের জন্য নির্ধারিত শয্যায় ভর্তি রয়েছেন সুজয় ভদ্র। তবে, এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। দফতরের অন্দরের খবর, রাজ্যের সর্বত্র এরকম চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর হাসপাতালের মতো প্রথম সারির মেডিক্যাল কলেজ হোক কিংবা জেলার হাসপাতাল, সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্ত তৃণমূলের নেতারা দিনের পর দিন সরকারি হাসপাতালের শয্যায় থাকছেন। বিশেষত এসএসকেএমে এই রোগ আরও বেশি জাঁকিয়ে বসেছে। ইডি কিংবা সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই একাধিক নেতা অসুস্থ হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু সেই হাসপাতালে সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছেন।

    কী বলছেন ভুক্তভোগীরা? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নেই। বিশেষত হৃদরোগ, শিশুরোগ, স্নায়ু শল্য চিকিৎসায় পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে‌। এসএসকেএম-এর (SSKM) মতো রাজ্যের প্রথম সারির হাসপাতালে যে কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। হৃদপিণ্ডের অস্ত্রোপচার হোক কিংবা স্নায়ুর চিকিৎসা, যে কোনও রোগে রোগীকে কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়। তার উপরে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত শয্যা এবং পরিকাঠামো নেই। তার জেরে রোগীকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু সেই সরকারি হাসপাতালে শিশুর জন‌্য বরাদ্দ শয্যায় ভর্তি থাকছেন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার শাসক দল ঘনিষ্ঠ নেতা‌। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার ন্যূনতম সুযোগ পাওয়া যায় না। এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। স্বাস্থ্য সাথী থেকেও ঠিকমতো পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। কার্যত স্বাস্থ্য পরিষেবা এ রাজ্যে অনিশ্চিত। তাই চিকিৎসার জন্য অনেকেই ভিন রাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

    কী বলছেন এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ? 

    সরকারি হাসপাতালে শাসক দলের শয্যা আটকে রাখার নতুন রোগ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। এই নতুন রোগ কীভাবে মোকাবিলা হবে, সে নিয়েও কোনো মন্তব্য করতে চাননি স্বাস্থ্য কর্তারা। আর এসএসকেএম-এ (SSKM) সুজয় ভদ্রের চিকিৎসা নিয়ে কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে, তাঁরা সাফ জানান, কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা-সহ পাঁচটি অডিয়ো ক্লিপ ফরেন্সিকে পাঠাল ইডি

    Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা-সহ পাঁচটি অডিয়ো ক্লিপ ফরেন্সিকে পাঠাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের ‘কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠাল ইডি। গত সপ্তাহেই ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে৷ এবার সেগুলিকে পরীক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ ইডির তরফে দ্রুত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

    কেন পাঠানো হল রেকর্ডিং ক্লিপিং

    ইডি সূত্রে খবর, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনার সঙ্গে পাঁচটি রেকর্ডিং ক্লিপিংও পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার জন্যই রেকর্ডিং ক্লিপিংগুলি পাঠানো হয়েছে। দুর্নীতির তদন্তের স্বার্থে ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা বার বার বলেছে ইডি। সূত্রের খবর, ‘কাকু’র একাধিক ভয়েস কল রেকর্ডিং মোবাইল থেকে উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। ওই কথোপকথন একাধিক ভাগে ভাগ করে তার সঙ্গে মিলিয়েই গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে সুজয়কৃষ্ণের (Sujay Krishna Bhadra) কন্ঠস্বর মেলাতে পারলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে, এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। কণ্ঠস্বর রেকর্ড করার সিদ্ধান্ত যখন নেওয়া হয় ইডির তরফ থেকে, ঘটনাচক্রে তার পরেই এসএসকেএমে ভর্তি হয়ে যান তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার কাজকর্ম একটা শ্রেণিকে বিপদে ফেলেছে’’, মন্তব্য বিচারপতির

    প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন ‘কাকু’। তিনি ‘গুরুতর’ অসুস্থ হওয়ায় এসএসকেএম তাঁকে ছুটি দিতে পারছে না। এমনকি, জোকার ইএসআই হাসপাতালে গিয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এসএসকেএম হাসপাতালের ডাক্তারেরা আপত্তি করেছিলেন বলে ইডি-র অভিযোগ। সম্প্রতি বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় রুদ্ধদ্বার শুনানি করে নির্দেশ দেন,‘কাকু’-র কণ্ঠস্বরের নমুনা নিতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করলে এসএসকেএম হাসপাতালের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিচারপতি। তারপরেই জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: চাপ বাড়ল কাকুর, ‘‘কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলবে’’, নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    Kalighater Kaku: চাপ বাড়ল কাকুর, ‘‘কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলবে’’, নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একক বেঞ্চের পরে ডিভিশন বেঞ্চেও জোর ধাক্কা খেলেন ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater kaku)। তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ বিষয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশই কার্যকর হবে, একথা সাফ জানালেন বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবারই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনার পরবর্তী প্রক্রিয়ার উপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

    ইডির তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রাজ্যের বিরুদ্ধে

    নিয়োগ মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণের (Kalighater Kaku) কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এনিয়ে বুধবারই হাইকোর্টে ইডির আইনজীবী তাঁর সওয়ালে বলেন, ‘‘আমরা তদন্ত শেষ করব কীভাবে? গোটা রাজ্য আমাদের বিরুদ্ধে। প্রতি পদে তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে।’’ ইডির আইনজীবীর কথায় উঠে আসে সন্দেশখালির ঘটনাও। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের তদন্তকারী আধিকারিকদের মারধর করা হচ্ছে। এফআইআর করা হচ্ছে।’’ এর পর ইডির আইনজীবী বলেন, কী ভুল রয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহার ওই নির্দেশে? তিনি তো নির্দেশে লিখেছেন যে, কণ্ঠস্বরের নমুনা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ ছাড়া বিচার প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

    কী বললেন বিচারপতি সৌমেন সেন

    যদিও কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন এদিন তুলতে দেখা গিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চকে। বিচারপতি সেনের মন্তব্য, ‘‘আইন অনুযায়ী প্রত্যেক অভিযুক্তের কিছু অধিকার থাকে। আইন অনুযায়ী তিনি এই নমুনা দিতে অস্বীকার করতে পারেন। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিংহ সঠিক কাজ করেননি। বিচারপতির তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে যখন এই একই বিষয়বস্তু নিয়ে মামলা বিচারাধীন তখন বিচারপতি অমৃতা সিংহের এই নির্দেশ সঠিক নয়। এটা বিচারবিভাগীয় পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে এবং বিচারবিভাগীয় আচরণবিধির ক্ষেত্রে সঠিক উদাহরণ নয়। এটা মারাত্মক প্রবণতা।’’ প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই মামলার শুনানি চলে। এরপরেই সুজয়কৃষ্ণকে (Kalighater Kaku) সঙ্গে নিয়ে রাতে অ্যাম্বুল্যান্সে করে এসএসকেএম হাসপাতালে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sujay Krishna Bhadra: সুজয়কৃষ্ণ স্থিতিশীল! ‘কাকু’র শরীরে বড় জটিলতা নেই, ইডিকে জানাল এসএসকেএম

    Sujay Krishna Bhadra: সুজয়কৃষ্ণ স্থিতিশীল! ‘কাকু’র শরীরে বড় জটিলতা নেই, ইডিকে জানাল এসএসকেএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মাঝেমধ্যে হৃদ্‌স্পন্দনে ছন্দপতন ঘটলেও ওষুধের মাধ্যমে তা এখন অনেকটাই সুস্থ, ‘কালীঘাটের কাকু’। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের (Sujay Krishna Bhadra) ‘মেডিক্যাল রিপোর্ট’-এ এরকমই জানিয়েছে এসএসকেএম। কলকাতা হাইকোর্টে তা পেশও করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শরীরে বড় কোনও সমস্যা নেই বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকেও জানিয়েছে এসএসকেএম হাসপাতাল। 

    কী বলছে এসএসকেএম-এর রিপোর্ট

    আদালত সূত্রে খবর, হাইকোর্টে এসএসকেএম হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিভাগের তরফে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, ৬২ বছরের সুজয়কৃষ্ণ ডায়াবিটিসে আক্রান্ত। তবে তাঁর রক্তচাপ (১০৬/৭০) এবং নাড়ির স্পন্দনে (৮৮/মিনিট) তেমন কোনও অস্বাভিকতা নেই। বুধবারের (৩ জানুয়ারি) ওই রিপোর্টে ইডি হেফাজতে থাকা সুজয়ের অন্য কোনও গুরুতর শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লিখিত হয়নি। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে প্রায় পাঁচ মাস পরে ‘কাকু’কে এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বার করে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকেরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁকে আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে একই বাক্য বার বার করে বলানো হয়। ওই সূত্রের খবর, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও।

    ইডির রিপোর্ট

    ইডি সূত্রের খবর, সুজয়কৃষ্ণের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছিলেন তাঁর চিকিৎসক দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়। ইডি হাইকোর্টে যে রিপোর্ট পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, এসএসকেএমের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান তাঁদের জানিয়েছেন যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শরীরে বড় কোনও সমস্যা (Major Complications) নেই। ডাক্তাররা তাঁর হৃদপিণ্ডে কোনও সিরিয়াস রিদম ডিসঅর্ডার (Ryth Disorder) পাননি। অর্থাৎ হৃদপিণ্ডের ছন্দ ঠিকই রয়েছে। চিকিৎসকদের মতামত নিয়ে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা বুধবার রাতেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দেন। 

    আরও পড়ুন: ইডির উপর হামলায় যুক্ত কারা? ছবি দেখিয়ে তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করলেন শুভেন্দু

    কেন শয্যা দখল

    শরীরে বড় কোনও সমস্যা না থাকলেও কেন এখনও এসএসকেএম হাসপাতালের বেড দখল করে রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকী আদালতও এ নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। পিজি হাসপাতাল হল উৎকর্ষতার দিক থেকে রাজ্যের অন্যতম নামী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। সাধারণ মানুষ সহজে পিজিতে চিকিৎসার জন্য বেড পান না। এই অবস্থায় শরীরে গুরুতর সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও সুজয়কৃষ্ণকে পিজিতে রেখে দেওয়া হয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে সাধারণ মানুষ জায়গা পাচ্ছেন না। অথচ  কালীঘাটের কাকু সেখানে বেড দখল করে  রয়েছেন প্রায় ৪ মাস ধরে। কোন যুক্তিতে তিনি হাসপাতালে তা জানতে চাইছে আদালতও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নালিশ জানাল বিজেপি। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ না হয়েও এসএসকেএম হাসপাতালে শয্যা দখল করে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস দিতে বলে উচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে।

    হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    গ্রেফতারির পর কিছুদিন প্রেসিডেন্সি জেলে থাকলেও কালীঘাটের কাকুর বর্তমান ঠিকানা এসএসকেএম হাসপাতাল। একাধিকবার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে ইডি। এসএসকেএম হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর ভর্তির থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র এসএসকেএমে অপ্রয়োজনে ভর্তি হয়ে বেড দখল করে রেখেছেন। ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই। মামলকারী এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    ইডির সন্দেহ

    প্রথম থেকেই বিজেপি কাকুর অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এতদিন ধরে তিনি ঠিক কোন অসুখে ভুগছেন, তা জানতে চান সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষরা। ইতিমধ্যেই কাকুর স্বরবদলের চেষ্টার একটা অভিযোগও এসেছে বিরোধী শিবিরগুলির তরফে। এ প্রসঙ্গে আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, কালীঘাটের কাকুর ভোকাল কর্ডে একটা অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে শুনছি। গলার স্বর বদলের চেষ্টা চলছে। তাই এসএসকেএমে রাখা হয়েছে তাঁকে। এর আগে ইডি আদালতে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার আগের দিনই কাকুকে এসএসকেএম আইসিইউয়ে শিফট করে দেয় বলে অভিযোগ জানায় ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share