Tag: Sujit Basu

Sujit Basu

  • Sandeshkhali: দুই মন্ত্রীর কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানালেন সন্দেশখালিবাসী

    Sandeshkhali: দুই মন্ত্রীর কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানালেন সন্দেশখালিবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। যত দিন যাচ্ছে শাহাজাহান বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন একের পর এক গ্রামবাসী। শক্ত জমি ক্রমশ আলগা হচ্ছে তৃণমূলের। এটা বুঝতে পেরেই বারবারই ছুটে আসছেন মন্ত্রীরা। দিনভর মাটি কামড়ে পড়ে থাকছেন সন্দেশখালিতে। গ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলছেন। শনিবারও রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসু সন্দেশখালি গিয়েছিলেন। দিনভর এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে ক্ষোভ কতটা রয়েছে তা বোঝার চেষ্টা করেন। পাশে থাকার আশ্বাস দেন তাঁরা। এতকিছু কি করার পরও ছিঁড়ে কতটা ভিজল তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানালেন বাসিন্দারা (Sandeshkhali)

    ইডির ওপর হামলার পর থেকেই শাহজাহান বেপাত্তা। তাঁর অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাতেও সন্দেশখালীবাসীর (Sandeshkhali) ক্ষোভের আগুনে জল ঢালতে পারেনি প্রশাসন। বরং যত দিন গিয়েছে ক্ষোভ তত বেড়েছে। দুদিন আগেই শাহজাহানের ভাইকে তাড়া করেছে এলাকার মানুষ। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তাঁর ওপর চড়াও হয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সন্দেশখালি অত্যাচারের নায়ক শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না। দুই মন্ত্রীর কাছেও তাঁরা শাহজাহানের গ্রেফতারির জন্য দরবার করেন। মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কতটা ক্ষোভ রয়েছে শাহজাহানের উপর সেটা টের পান রাজ্যের দুই মন্ত্রী।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, উত্তম ও শিবুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শাহজাহানের বিষয়টি ইডি। ইডি রাজ্য সরকারের অধীনে নয়। কেন্দ্রের অধীনে। শাহজাহানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইডি। এর আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার শাহজাহান গ্রেফতারি প্রসঙ্গে একই সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে, মন্ত্রীদের এই ধরনের কথাতে সন্তুষ্ট নন সন্দেশখালিবাসী।

    বসিরহাটের পুলিশ সুপার কী বললেন?

    দুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি এসেছিলেন। আইন হাতে না তোলার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সন্দেশখালি থেকে তুই চলে যাবার পরই সক্রিয় হয়ে উঠেছিল পুলিশ। উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে পুলিশের বিরুদ্ধেও খুব উপড়ে দিয়েছিলেন বাসিন্দারা। বিক্ষোভাতে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে মজুর গ্রামে। একাধিক জায়গায় পুলিশ কাম করা হয়েছে। বসিরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মেহেদি রহমান বলেন, ক্যাম্পে ভালো সাড়া মিলছে। অনেকেই অভিযোগ জানাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের জমি ফেরানো ব্যবস্থা হয়েছে। বাকি অভিযোগ খতিয়ে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: সুজিত-ঘনিষ্ঠ নিতাইকে তলব ইডির, সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবরাজের

    Recruitment Scam: সুজিত-ঘনিষ্ঠ নিতাইকে তলব ইডির, সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ, বুধবার বিধাননগরের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে (Debraj Chakraborty) তলব করেছে সিবিআই। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ দেবরাজ হাজির হন নিজাম প্যালেসে। অন্যদিকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্তকে তলব করেছে ইডি।  চলতি সপ্তাহেই ইডির অফিসে হাজিরা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে তাঁকে। একসময় মন্ত্রী সুজিত বসুর ব্যক্তিগত আপ্ত সহায়ক ছিলেন নিতাই।

    নিজাম প্যালেসে দেবরাজ

    গত ২৫ তারিখে দেবরাজ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই (CBI) প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল দেবরাজকে। তা সত্ত্বেও জিজ্ঞাসাবাদ অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছিল বলে দাবি সিবিআইয়ের। তাছাড়া বিধাননগরের মেয়র পারিষদ সব নথিও জমা দিতে পারেননি বলে সিবিআইয়ের দাবি। আজ তাই নিজাম প্যালেসে ফের তলব করা হয়েছে দেবরাজ চক্রবর্তীকে। তাঁকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নথি নিয়ে আসার কথা বলেছিল সিবিআই। বুধবার সেই নথি নিয়েই সম্ভবত তিনি এসেছেন নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় তাঁর যোগাযোগের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে দেবরাজ বলেন, ‘‘নিয়োগ বা বদলি সংক্রান্ত অভিযোগ প্রমাণভিত্তিক। আমি তদন্তে সহযোগিতা করছি।’’ 

    আরও পড়ুন: গ্রেফতারির আশঙ্কা! আজ ইডির সামনে হেমন্ত, মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কি স্ত্রী কল্পনা সোরেন?

    নিতাইকে ইডির তলব

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডি তলব করল নিতাই দত্তকে। দক্ষিণ দমদম পুর সভার ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। একসময় মন্ত্রী সুজিত বসুর ব্যক্তিগত আপ্ত সহায়ক ছিলেন এই নিতাই। এর আগেও তাঁর বাড়িতে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চালিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। নিতাই দত্তের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাত পাতার নথি উদ্ধার করেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণ দমদম পুর সভার ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি ছিল, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত নিতাই দত্ত। কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন নিতাইয়ের স্ত্রী ও ভাই। চলতি সপ্তাহেই তাঁকে ইডি দফতরে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Didir Doot: দেগঙ্গায় ‘দিদির দূত’ সুজিত বসু! মন্ত্রীর সামনেই মারামারি কর্মীদের, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    Didir Doot: দেগঙ্গায় ‘দিদির দূত’ সুজিত বসু! মন্ত্রীর সামনেই মারামারি কর্মীদের, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে মন্ত্রীর সামনেই দেখা গেল এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দত্তপুকুরের পর দেগঙ্গা। এদিন উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার চাকলায় ‘দিদির দূত’ হয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সেখানেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নেতারা। আর তার পরই শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, মারামারি। ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন পঞ্চায়েত সদস্য বাগবুল ইসলাম। এই ঘটনা থেকেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এলেও ‘দিদির দূত’ সুজিত  গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, খাওয়ার জায়গা নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা মিটে গিয়েছে।

    ‘দিদির দূত’ দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু

    আজ বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনায় দেগঙ্গার চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা এলাকায় পৌঁছন ‘দিদির দূত’ সুজিত। সঙ্গে ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক রহিমা মণ্ডল, দলীয় কর্মী-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। সকালে চাকলার মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকার একটি মসজিদেও যান তিনি। এরপর দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুরে এলাকার এক তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে দমকলমন্ত্রী এবং বিধায়কের খাওয়ার কথা ছিল। তবে মন্ত্রী-বিধায়কের জন্য তৃণমূলের আর এক কর্মীর বাড়িতেও খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, তা নিয়েই ঝামেলা শুরু হয় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। মন্ত্রী-বিধায়কেরা কোথায় খাবেন, তা নিয়ে সুজিতদের সামনেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন দুই গোষ্ঠীর লোকজন। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। মন্ত্রীর সামনেই ঝামেলা বাড়তে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দেগঙ্গা থানার পুলিশবাহিনী। পরে পরিস্থিতি সামলে মন্ত্রী দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়েই দেখা করেন বলে জানা গিয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা উড়িয়ে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু দাবি করেন, ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    দিদির দূত কর্মসূচিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ

    দিদির সুরক্ষাকবচ কর্মসূচিতে ‘দিদির দূত’ হিসেবে গিয়ে প্রায় রোজই গ্রামবাসীদের হাজারো প্রশ্ন আর ক্ষোভের মুখে পড়ছেন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়করা। দেগঙ্গার ঘটনাই প্রথম নয়, এর আগে গত শনিবার দত্তপুকুরের নীলগঞ্জের সাইবনা এলাকায় ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দা সাগর বিশ্বাসের গালে সপাটে চড় কষিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল সমর্থক শিবম রায়। পরে ওই ঘটনায় শিবমের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভও হয়েছে। আবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচিতে বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

    বাদুরিয়ায় বিক্ষোভ

    উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়াতেও একই ঘটনা। দিদির দূত কর্মসূচি ঘিরে প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূলের অন্দরের বিবাদ। দলের ব্লক সভাপতি ও অঞ্চল সভাপতিদের পৃথক পৃথক কর্মসূচিতে যোগ দিতে হল তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। শুধু তাই নয়, সাংসদের সামনেই বচসায় জড়াল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, বাইরে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে, দরজা বন্ধ করে বৈঠক করতে হয় তৃণমূল সাংসদকে।

    বাগদায় বিক্ষোভ

    বাগদায় দিদির দূত কর্মসূচিতে গিয়ে দলবদল নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। বাগদার বাঁশঘাটায় লোকেদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই এক বাসিন্দা তাঁকে বলেন, ‘তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন, ভোটে জিতে আবার তৃণমূলে ফিরে এসেছেন। আপনাকে কী অভিযোগ করব?’

    কোচবিহারে বিক্ষোভ

    এখানেও রাস্তা সংস্কার থেকে পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কোচবিহারের সিতাইয়ের তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বাসুনিয়াকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একজন বলেন, ‘আমরা রাস্তা পাকা চাই আর ড্রেন পাকা চাই। তাহলে ভোট পাবেন।’

    বীরভূমে বিক্ষোভ

    অনুব্রতহীন বীরভূমেও দিদির দূত কর্মসূচিতে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে একের পর এক তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদ। এদিন ময়ূরেশ্বরের নন্দীগ্রামে পানীয় জল নিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েন বিধায়ক অভিজিৎ রায়। জল না পেলে ভোট দেব না বলে তৃণমূল বিধায়ককে হুঁশিয়ারি দেন গ্রামবাসীরা।

     

LinkedIn
Share