Tag: sukanta attacks mamata

sukanta attacks mamata

  • Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি।” দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয়েছেন ইডির হাতে। সেই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “সেই সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী যাঁদের নাম দুর্নীতিতে বার বার জড়িয়েছে, তাঁদের বলব, দুর্নীতি থেকে সরে থাকুন। তাঁরাও পদে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার হতে পারেন।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গেও আমরা এই ছবি দেখতে পারি।”

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দুর্নীতির নজির নেই বলেও দাবি করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, “আমি বলব, তৃণমূলের ভাগ্য ভাল যে এত দিন পরেও মুখ্যমন্ত্রী ও ভাইপো জেলের বাইরে রয়েছেন… ভালো জ্যোতিষী দেখান মনে হচ্ছে। না হলে এত দিনে জেলে থাকার কথা ছিল।” এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতির মুখে উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনের প্রসঙ্গও। সুকান্ত বলেন, “হেমন্ত সোরেন হোন বা মণীশ সিসোদিয়া (দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী) দু’জনেই তো জামিন পাওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করছেন। পাচ্ছেন না কেন? কারণ ইডি বার বার আদালতকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ইডি এনেছে, তার সত্যতার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সত্যতার প্রমাণ রয়েছে বলেই তো আদালত জামিন দিচ্ছে না।”

    “দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন”

    সুকান্ত বলেন, “বোঝাই যাচ্ছিল যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিকে যাচ্ছিল ইডি। এই ঘটনা চোখ খুলে দিল যে কর্মরত অবস্থায়ও মুখ্যমন্ত্রীদের গ্রেফতার করা যায়।” এর পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আমি সেই সব মুখ্যমন্ত্রীদের বলব যে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন। আর সাবধানে থাকুন। যাঁদের নাম দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে তাঁরাও গ্রেফতার হতে পারেন।” প্রসঙ্গত, আবগারি নীতি মামলায় ৯ বার সমন পাঠানো হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। কোনওবারই সাড়া দেননি তিনি।

    আরও পড়ুুন: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    গ্রেফতারি এড়াতে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এর পরেই তাঁর দিল্লির বাসভবনে হানা দেয় ইডি। তল্লাশির পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় কেজরিওয়ালকে। ততক্ষণে কেজরির তরফে দ্রুত শুনানির আর্জি করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মধ্যরাতে শুনানি সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। তার পরেই গ্রেফতার করা (Sukanta Majumdar) হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sukanta Attacks Mamata: ‘‘মমতা লোকের কতটা ক্ষতি করতে পারেন, মদনের কথাই প্রমাণ’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Attacks Mamata: ‘‘মমতা লোকের কতটা ক্ষতি করতে পারেন, মদনের কথাই প্রমাণ’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম-কাণ্ডের জেরে শনিবার নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন দলেরই বিধায়ক মদন মিত্র। প্রয়োজন হলে বিধায়ক পদ, এমনকি রাজনীতিও ছেড়ে দেবেন বলে হুঙ্কার দেন তিনি। শুধু তাই নয়, রীতিমতো সাংবাদিকদের সামনে কামারহাটির বিধায়ককে বলতে শোনা যায়— তাঁর ক্ষতি করলেও তাঁর পরিবারের কারও প্রতি যেন ‘প্রতিহিংসামূলক আচরণ’ না করা হয়। তাঁর পরিবারের কেউ যেন ক্ষতি না করে।

    মমতা নিয়ে ঠিক কী বলেছেন সুকান্ত

    মদন মিত্রর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই সুকান্ত মজুমদার জানান, এর থেকেই পরিষ্কার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা প্রতিহিংসাপরায়ণ হতে পারেন। কারও ক্ষতি করতে মমতা কতদূর যেতে পারেন, তা মদন মিত্রর কথাতেই স্পষ্ট। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, “মদন মিত্র প্রমাণ করে দিয়েছেন তার মত দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার বাড়ির লোকেরও ক্ষতি করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দল কি কি করতে পারে মদন মিত্র সেটা হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল মমতা-অভিষেকের একার দল নয়”, এসএসকেএমকাণ্ডে তোপ মদনের

    গতকাল রাতে মদন মিত্র দাবি করেন, তৃণমূল আমলে তাঁর থাকা সত্ত্বেও পিজি-তে ভর্তি নেয়নি। এই প্রসঙ্গে পূর্বতন বাম জমানার উল্লেখ করে তুলনাও করেন কামারহাটির বিধায়ক। মদনের এই মন্তব্য নিয়েও প্রতিক্রিয়া দেন সুকান্ত। জানিয়ে দেন, মদন মিত্রের কথা থেকেই প্রমাণিত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে দাবিগুলো করেন সেগুলো মিথ্যে দাবি। বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কথা যে ভুল, সেটা তার দলের লোকেরাই প্রমাণ করছে।”

    কেন মদন মিত্র বেসুরো? তার কারণ…

    মদন মিত্রের ক্ষোভের কারণ কী? প্রশ্নের জবাবে সুকান্তবাবু বলেন, ‘‘এ দিল মাঙ্গে মোর। মন্ত্রী হতে পারেননি, তাই দুঃখে এসব করছেন।’’ তিনি যোগ করেন, মদন মিত্র অনেক দিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ। অনেকদিন ধরেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক কথা বলছেন। মদন মিত্রর দাবি, গত ৫ বছরে মুখ্যমন্ত্রী তার সঙ্গে ৫ মিনিটও কথা বলেননি। এই প্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি জানান, “এখন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদন মিত্রর দিদি নন। এখন শুধু ভাইপো ছাড়া তিনি আর কারও সঙ্গে সেভাবে কথা বলেন না।’’

LinkedIn
Share