Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জেতার জন্য বালুরঘাটবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি তৃণমূলকে চোর ও কাটমানির দল বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যানকে চোর বলে কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    পুর চেয়ারম্যানকে তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান নিজেকে নবাব মনে করেন। তিনি বালুরঘাটবাসীকে ঘোলা জল খাওয়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি তো চোর। এই চোরেদের নিজেদের সিংহাসন ছেড়ে দেওয়া উচিত। এক সংস্থার কাছ থেকে বকেয়া বিলের টাকা দেবার জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ খেয়েছেন। এটা আমরা বলছি না, বলছেন সেই ঠিকাদার সংস্থার মালিক। নিজেরা নিজেদেরকে চোর প্রমাণিত করছে, আর ভোটেও এই ভাবে চুরি করার চেষ্টা করেছিল। এই পুরসভার  চেয়ারম্যান বালুরঘাটবাসীকে যে নোংরা, ঘোলা জল খাইয়েছে আমরাও সেই জল চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানকে খাওয়াবো। ঠিকাদারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি নেওয়া প্রসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ওই ঠিকাদার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আমরা আইন অনুযায়ী নোটিস পাঠিয়েছি।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন

    এইদিকে দুর্গাপুরে স্বামীর চাকরি ফিরে পেতে তৃণমূল নেতাদের কুপ্রস্তাব প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা এমন না করে তাহলে তৃণমূল নেতা কি করে হল। তৃণমূল নেতারা চরিত্রহীন হবে, লম্পট হবে, চোর হবে এইটা তো তৃণমূল নেতাদের চিহ্নিত করার বৈশিষ্ট্য। কুণাল ঘোষ এক বৈঠকে তোলাবাজি নিয়ে কাউন্সিলরদের সতর্ক করেছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,তৃণমূল তো তোলাবাজি করবেই। তৃণমূলের এক একজনের কাউন্সিলরদের সম্পত্তি দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। আমাদের এই ছোট শহরের বাসিন্দাদের যত  সম্পত্তি আছে, তত সম্পত্তি যোগ করলে কলকাতার এক একজন কাউন্সিলরদের সম্পত্তি আছে। রেজিনগর স্কুলে পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরাচ্ছে দুই ছাত্র। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,গোটা রাজ্য তো এখন আগ্নেয়াস্ত্র বানানোর কুটির শিল্প হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ফিরলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে মালদায় অংশগ্রহণ করার পর সড়কপথে বালুরঘাট যান সুকান্তবাবু। বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর থেকেই দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া শুরু করেন। বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূলকে তুলোধনা (Sukanta Majumdar)

     সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে তোপ দেগে বলেন, ভোটে হেরে গিয়ে জল ও লাইট বন্ধ করে মানুষের ওপর অত্যাচার করা বন্ধ করুন। যদি ভেবে থাকেন জল, আলো বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবেন তাহলে ভুল ভাববেন। কারণ, মানুষ তত বেশি  বিজেপিতে ভোট দেবেন। আর সুকান্ত মজুমদারকে বারবার জেতাবেন। এই লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর তথা তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড়, সেখান থেকে আমি ১৮ টা ওয়ার্ডে লিড পাই। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর ওয়ার্ড থেকেও লিড পাই। সেই রাগে তৃণমূল গঙ্গারামপুর শহর জুড়ে পথবাতি  ও বাড়ি বাড়ি পানীয় জল বন্ধ করে রেখেছিল। তৃণমূল হয়তো ভেবেছে জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবে। আমি একটা কথা বলে দিচ্ছি জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করতে পারবেন না। মানুষ তত বেশি বিজেপিকে ভোট দেবে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ

    মন্ত্রী হবার পর প্রথম জেলায় ফিরে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি জেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করেছেন। আর আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমি না মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ। আপনারা আশীর্বাদ করেছেন বলেই এইটা সম্ভব হয়েছে। আমি জেতার পর জেলার উন্নয়ন করার কথা দিয়েছিলাম। আমি সেই উন্নয়নগুলো করব। আর থমকে যাওয়া কিছু কাজ রয়েছে ,সেগুলো আগে চালু করব। আপনারা শুধু আমার পাশে থাকুন।

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ড নিয়ে সরব সুকান্ত

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে কাউকে রেয়াত নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই প্রসঙ্গ সুকান্ত মজুমদার বলেন,ইউজিসি নেট হবার পর আমাদের সরকার খুঁজে বের করেন প্রশ্ন ফাঁস করেছে কিছু লোক। তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হয়। বিহার পুলিশ কিছুজনকে গ্রেফতার করেছে। কারা এর সঙ্গে যুক্ত সেটা সবাই জানে। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, যারা এই কাজ করেছে, তারা সবাই জেলে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে মন্ত্রী হতেই আশায় বুকবাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কেন্দ্রের জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিজেপির এই রাজ্য সভাপতিকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একটি প্রান্তিক জেলা। এই জেলাতে তেমন নেই কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা, তেমন নেই কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই জেলার মানুষ সবদিক থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করে থাকেন। জেলাতে থমকে রয়েছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের কাজ। জেলাতে নেই কোনও স্থায়ী বিশ্ববিদ্যালয়। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে তৈরী হয়েছে বিমান বন্দর কিন্তু সেখানে চলাচল করেনা বিমান। জেলাবাসী আশা করছেন, সুকান্ত সমস্ত থমকে যাওয়া কাজগুলি চালু করবেন। এই আশাতে বুক বাঁধছেন বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    জেলায় শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন করবেন (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবারে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় বারের বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ হলেন। প্রথমবার সাংসদ হয়ে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন আর এবারে সাংসদ হয়ে তিনি জেলাবাসীকে চমক দিয়ে দিলেন। ঘরের ছেলে হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ঘরেই উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নেই। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেলেও তার হাল বেহাল। স্থায়ী ভবন নেই। নেই স্থায়ী পরিকাঠামো, অধ্যাপক সহ অনেক কিছুই। এমন পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থার জেলা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্তের হাত ধরে কি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হবে? এমন চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে।

    হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও, এখনও তৈরি হয়নি স্থায়ী ভবন। বালুরঘাট তথা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। আবার হিলি থেকে মেঘালয় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে মাত্র একশো কিলোমিটার একটা করিডর হলে একেবারে আমুল বদলে দিতে পারে পূর্ব ভারতের সাথে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। সেই কারণেই জেলাবাসী হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোরের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। নানা আন্দোলন করেও এতদিনে এই করিডোর বাস্তবায়নের পথ মিলছিল না। তবে এবারে ঘরের ছেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হতেই জেলাবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান জেলার মানুষ। এই বিষয়ে বালুরঘাটবাসী তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেছেন, “আমাদের ঘরের ছেলে সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) মন্ত্রী হয়েছেন। তাও আবার দুটি মন্ত্রকের। আমরা তাঁর কাছে আশা রাখছি আমাদের জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের প্রগতি হোক। হিলি-তুরা করিডর দ্রুত এইবার বাস্তবায়ন হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “হিলি-তুরা করিডোর নিয়ে আগেই নানা চিঠি মন্ত্রকে দিয়েছিলাম। করিডরটি চালু হলে শুধু জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গে নয় সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নতি ঘটবে। তাই এই করিডোর বাস্তবায়ন করতে যা যা পদক্ষেপ করতে হবে, করব। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী করতে পারে, এ বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে চাই। রাজ্য সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ অর্থ সহায়তা দিতে কোনও অসুবিধা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    Rail Accident: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতেই রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখমদের দেখতে শিলিগুড়ি যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও জখমদের পাশে থাকার বার্তা দেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ি গিয়ে রেলের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আর এই প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীকে রীতিমতো তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার।

    সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয় (Rail Accident)

    কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় (Rail Accident) রেলকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলকে দুষে মমতা বলেন, ‘আমি অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস তৈরি করে দিয়ে এসেছিলাম। এখন রেলের বাজেট নেই, উঠিয়ে দিয়েছে। রেল কার্যত অনাথ হয়ে গিয়েছে। এখন যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কোনও খেয়াল রাখা হয় না।’ মমতার এই বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অ্যান্টি কোরাপশন ডিভাইস বা সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়। যে গলায় পরে নিলেই হয়ে গেল। এটি একটি যথেষ্ট জটিল ব্যবস্থা। সারা দেশেই দ্রুততার সঙ্গে এই ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা চলছে।” এদিন তিনি আরও বলেন, “হিউম্যান এররের কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে, ইচ্ছে করে কেউ দুর্ঘটনা ঘটাননি। কোনও কারণে মালগাড়ির চালক সিগন্যাল মিস করে থাকতে পারেন। তবে, বিস্তারিত তদন্ত হলে দুর্ঘটনার কারণ বিশদে জানা যাবে। রেল সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য সব থেকে বেশি খরচ করা হয়।”

    আক্রান্তদের পাশে রাজ্যপাল

    সোমবার সন্ধ্যায় রেল দুর্ঘটনায় আহতদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল বলেছেন, ‘এই রেল দুর্ঘটনা (Rail Accident) অবশ্যই দুঃখজনক। তবে, পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাঁদেরকে সবরকম চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’ একবছরের মাথায় করমণ্ডলের স্মৃতি ফিরল ফাঁসিদেওয়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘায়। শিলিগুড়ির শিয়ালদামুখী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে মালগাড়ির ধাক্কায় লাইনচ্যুত হয় এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের অত্যাচারে অনেক কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত বারুইপুর পার্টি অফিসে ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এখানেই ‘আশ্রয় শিবির’ তৈরি করেছে বিজেপি। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। অনেক জায়গায় পুলিশই হামলার সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারুইপুরের পাশাপাশি ক্যানিং ও কুলতলিতেও যাবেন আজ। আক্রান্ত এবং ঘরছাড়াদের মধ্যে যেমন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনি আরও সাধারণ খেটে খাওয়া পুরুষ-মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও রয়েছেন। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    কর্মীদের ঘরে ফেরাতে আশ্বাস সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর প্রসঙ্গ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমরা চাই দলীয় কর্মীরা যাতে দ্রুত তাঁদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন। এবিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। দলের জেলা সভাপতি সহ জেলা নেতৃত্বরা এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যদিও রাজ্যের এই প্রশাসনের উপর কোনও ভরসা নেই আমার। অনেক জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ সরাসরি যুক্ত ছিল। প্রয়োজনে আমরা কোর্টে যাবো। আমি, রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করব এসে দেখে যান, আপনার গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে মানুষের জীবন কতটা বিপর্যস্ত। ক্যানিংয়ে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে হামলা চলছে বিজেপি কর্মীদের উপর।” তবে তাঁর এই জেলা সফরের পর কর্মীদের মনোবল অনেকটাই চাঙ্গা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি দলীয় কর্মীদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মীরা যাতে নিজেদের অধিকার নিজেরা বুঝে নেন সেই বার্তাও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুনঃআঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    উপনির্বাচন নিয়ে কী বললেন?

    আসন্ন বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। উপনির্বাচনের তিনটি আসন বিজেপিরই ছিল, অন্যটিতেও আমরা জয় লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশ পেয়েছে প্রায় ১০ দিন হয়ে গেল। কিন্তু জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) থামার নাম নেই। বসিরহাট লোকসভার হাড়োয়াতে বিজেপি কর্মীকে বাইক থেকে নামিয়ে মারধর, গলায় দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েও দেখা করতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। এবার আক্রান্ত কর্মীদের হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশ্ন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    সুকান্তর প্রশ্ন

    পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কর্মীরা আত্মহত্যা করুন, সেটাই কি চান মুখ্যমন্ত্রী? দিল্লিতে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্রের মাথা হেঁট করে দিয়েছেন বলেও এদিন দাবি করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী কী চান বিজেপি কর্মীরা ডুবে মরুক, আত্মহত্যা করুক?  মুখ্যমন্ত্রী বলে দিন বিজেপি কর্মীরা ওঁর বাড়ির সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা রাজ্যপালের কাছেও যেতে পারছে না। রাজ্যপালকে গিয়ে দেখা করতে হচ্ছে আক্রান্তদের সঙ্গে। গণতন্ত্রের পক্ষে এটা লজ্জার। মাননীয় রাজ্যপাল সঠিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যপালকে রাজভবন থেকে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে হচ্ছে। গণতন্ত্রের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্রে সংবিধানকে সংরক্ষণের দায়িত্ব রাজ্যপালের। সেখানেও যদি আক্রান্তরা পৌঁছতে না পারেন তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চানটা কী?’ 

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    উল্লেখ্য, এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তরা রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের আগাম অনুমতি ছিল আক্রান্তদের কাছে। তার পরও ব্যারিকেড করে তাদের আটকায় পুলিশ। প্রায় ১ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফিরে আসেন শুভেন্দু-সহ আক্রান্তরা। এরপর কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। এরই  মধ্যে  রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। হিংসা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় টিম গঠন করেছেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা। টিমে আছেন ৪ সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, রবিশঙ্কর প্রসাদ, ব্রিজলাল এবং কবিতা পতিদার। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যে, ভোট পরবর্তী হিংসার খবর নেই বলে দাবি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা ভোটে কারচুপি, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি, জানালেন শুভেন্দু

    Lok Sabha Election 2024: লোকসভা ভোটে কারচুপি, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রাজ্যের চার লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্র, বসিরহাট, ডায়মন্ড হারবার, জয়নগর, ঘাটাল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানান, আগামী মঙ্গল বা বুধবার তাঁদের চার প্রার্থী হাইকোর্টে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী ইলেকশন পিটিশন দাখিল করবেন।

    ডায়মন্ড হারবার প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    ডায়মন্ড হারবারে ভোটের ক্ষেত্রে বিপুল কারচুপি হয়েছে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন করা হবে বলে জানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস (ববি) অভিযোগ জানাবেন। ডায়মন্ড হারবারের পাশাপাশি জয়নগর এবং ঘাটালের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের ‘ওয়েব কাস্টিং’-এর ফুটেজ কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে পরীক্ষার জন্য হাই কোর্টে আর্জি জানাবে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘ফুটেজ যাচাই করে যদি অনিয়ম প্রমাণিত হয় তবে সিবিআই তদন্ত এবং পুরো নির্বাচন বাতিলের দাবি জানাবে বিজেপি।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, “ডায়মন্ডহারবারে ছাপ্পা হয়েছে ১০ লক্ষের বেশি। কেশপুরে ছাপ্পা দেড় লক্ষের বেশি। ক্যানিং পূর্ব পশ্চিমেও ছাপ্পা। গোটা রাজ্যে অন্তত ২৫ লাখ ভোট ছাপ্পা দেওয়া হয়েছে।”

    ঘাটাল-বসিরহাট নিয়ে

    শুভেন্দু জানান, বসিরহাট লোকসভার জয়ী তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের প্রার্থিপদ বাতিলের আবেদন করা হবে আদালতে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘তিনি নিয়ম মেনে বকেয়া শংসাপত্র তাঁর মনোনয়নের সঙ্গে দেননি। তাই তাঁর মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করবেন বসিরহাট লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র।” শুভেন্দুর কথায়, ‘‘ঘাটালে আমাদের প্রার্থী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায় (অভিনেতা হিরণ) ইলেকশন পিটিশন করবেন।’’ সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘তৃণমূল শুনে রাখুক এই ইলেকশন পিটিশন চার-পাঁচ বছর ধরে ঝুলবে না। ছ’মাসের মধ্যে যাতে ডিসক্লোজার হয়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।’’

    আরও পড়ুন: আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত, বৃষ্টি হলেও কমবে না গরম! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কোচবিহারে যাচ্ছেন শুভেন্দু

    কোচবিহার লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের গণনা নিয়েও আসছে অভিযোগ। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার কোচবিহারে যাচ্ছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘শনিবারের পর কোচবিহার কেন্দ্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ১৮ রাউন্ড পর্যন্ত আমাদের প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক এগিয়ে ছিলেন, ১৯-২০ রাউন্ডে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের লোকসভা নির্বাচনে সুকান্তর গড় বালুরঘাটে (Balurghat) গ্রামীণ ভোটে থাবা বসালো বিজেপি। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ও হিলির অধিকাংশ পঞ্চায়েতে লিড পেয়েছে বিজেপি। ফলে, বালুরঘাটে শুধু পুরসভা এলাকা নয়, পঞ্চায়েত এলাকাতেও বিজেপি আস্থা ফিরে পেল।

    ১৩টি পঞ্চায়েতে বিজেপির লিড (Balurghat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দখলে ছিল বালুরঘাট (Balurghat), হিলি ব্লকের ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও দুটি পঞ্চায়েত সমিতি। তার মধ্যে ১৩ টিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। খোদ বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতির অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এমন ফলাফলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা বলছে শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠী বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করার জন্যই এমন ফল হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বালুরঘাট মহকুমায় বিশেষ করে বালুরঘাট ও হিলি ব্লকে ভোটের দায়িত্বভার যায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের কাঁধে। তখন অঞ্চল ও ব্লক সভাপতিদের পরিবর্তন করা হয়। নিজের অনুগামীদের পদে বসান অর্পিতা। প্রত্যেক অঞ্চলে নিজের মতো সংগঠন সাজিয়ে পঞ্চায়েত ভোট পার করেছিলেন অর্পিতা। সেবার দুই ব্লক মিলিয়ে শুধুমাত্র চিঙ্গিসপুর ও ভাটপাড়া হাতছাড়া হয়। লোকসভা নির্বাচনে বিপ্লব মিত্র প্রার্থী হতেই পুরানো সংগঠনে বদল না করা হলেও যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না হয়, সেজন্য অঞ্চল সভাপতিদের পাশাপাশি বিপ্লব অনুগামীদের কনভেনর করে জুড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিপ্লব অনুগামী কনভেনররা বার বার করে অভিযোগ করেছিলেন, প্রধানরা কোনও কাজ করছেন না। অভিযোগ ওঠে বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীরা দলের বিরুদ্ধে প্রচার করছেন। সেসব কারণেই দুই ব্লকের পাঞ্জুল বাদ দিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পিছিয়ে পড়তে হয়েছে বলে মনে করছে দলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: লোকসভার ভোটও দিয়েছে! জাল নথি সহ গ্রেফতার চার বাংলাদেশি, কোথায় লুকিয়ে ছিল?

    দলের গদ্দারদের জন্য এই ফল!

    এই বিষয়ে বিপ্লবমিত্র বলেন, বালুরঘাট ও হিলিতে ফল খারাপ হবে ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু, এত খারাপ ফল হতে পারে ভাবতে পারিনি। রিপোর্ট তৈরি করছি। দ্রুত রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জমা দেওয়া হবে। দুই ব্লক মিলিয়ে শুধু পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। দলের কিছু গদ্দার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করেছে। দলে গদ্দারদের জন্য এই ফল। তাদের সবার বিরুদ্ধে রাজ্য নেতৃত্ব ব্যবস্থা নেবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলার (Balurghat) সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, পঞ্চায়েতগুলো তৃণমূল চুরি করে দখল করে নিয়েছিল। সেই চুরি করার জবাব মানুষ এই লোকসভা ভোটে দিয়ে দিয়েছে। ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে একটা পঞ্চায়েত বাদে বাকি সব গুলো পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। আর ওদের তো কাজ করার মতো লোক নেই, সব চুরি করার জন্য লোক আছে। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করার লোক আছে। মানুষ এবার সঠিক জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip meets Sukanta: দিলীপের পা ছুঁয়েই ঝোড়ো ব্যাটিং মন্ত্রী সুকান্তর, সরব হলেন রাজ্যের শিক্ষা-দুর্নীতি নিয়ে

    Dilip meets Sukanta: দিলীপের পা ছুঁয়েই ঝোড়ো ব্যাটিং মন্ত্রী সুকান্তর, সরব হলেন রাজ্যের শিক্ষা-দুর্নীতি নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা সনাতন সংস্কৃতি। মন্ত্রী হয়ে রাজ্যে ফিরেই বয়সে বড় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের পা ছুঁয়ে (Dilip meets Sukanta) তাঁর আশীর্বাদ নিলেন সুকান্ত মজুমদার। মন্ত্রিত্বের কাজ শুরু করতে চলেছেন বিজেপির নবনিযুক্ত মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। দুটি দফতর পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দফতর। অপরটি হল উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন দফতর। চেয়ারে বসেই সুকান্ত সরব হলেন রাজ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে।

    দিলীপ ঘোষের পা ছুঁলেন সুকান্ত মজুমদার (Dilip meets Sukanta)

    দিলীপ ঘোষের পা ছোঁয়া নিয়ে অবশ্য শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। দিলীপ ঘোষ যেভাবে বিজেপির বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের তুলোধোনা করে চলেছেন তাতে ইতি টানতেই দিলীপ ঘোষের দরবারে হাজির হয়েছেন সুকান্ত এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে এ বিষয়ে সরাসরি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “দিলীপ দা প্রবীণ বিজেপি নেতা। তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিলাম। নিজেকে ধন্য মনে করছি। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে কাজ করার চেষ্টা করব।”

    রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত

    অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি নিয়েও সরব হয়েছেন সুকান্তবাবু। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে যে ঘটনাগুলো আমাদের সামনে ঘটে চলেছে তাতে বাংলার এবং বাঙালির সম্মান নষ্ট হয়েছে। আমার আপনার সকলের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন। তাঁর গোটা দফতরটাই জেলে। পশ্চিমবঙ্গে মেধার ভিত্তিতে যারা চাকরি পেয়েছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে আছি। কিন্তু যারা জালিয়াতি করে কিংবা অর্থের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের আজ না হয় কাল চাকরি যাবেই।”

    সুকান্তর উত্তরসূরি কে?

    প্রসঙ্গত সুকান্ত মজুমদার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে মন্ত্রী হওয়ায় শীঘ্রই দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব ছাড়তে হবে তাঁকে। তাহলে কে হবেন পরবর্তী রাজ্য সভাপতি? এ বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “বারবার একই লোক রাজ্য সভাপতি হবেন এমন কোনও কথা নেই। দলে অনেক যোগ্য মানুষ রয়েছেন। সময় আসলে জানা যাবে।

    আরও পড়ুন: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যাকে যোগ্য মনে করবে তাঁকে দায়িত্ব দেবে। সময় আসলে জানা যাবে না কে সভাপতি হচ্ছেন।” তবে পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ (Dilip meets Sukanta) নেওয়ায় কি দিলীপ ঘোষের ক্রোধ কম হবে কিনা তা সময় বলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন রবিবারই। আর সোমবার জোড়া মন্ত্রক পেলেন দুবারের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । মন্ত্রক ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা পৌঁছে গেলেন সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি। মিষ্টিমুখ করালেন সুকান্তর সহধর্মিনী ও তাঁর মাকে। পরিবারের সকলের সঙ্গে আনন্দের দিনকে আরও আনন্দময় করে তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রবিবার। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মাতেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা। সোমবার দিনভর উৎকণ্ঠায় ছিলেন কর্মীরা। সুকান্ত মজুমদার কোন দফতর পাচ্ছেন তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রক বন্টনের খবর পৌঁছাতেই খুশিতে মাতেন সকলে। বাজিও ফাটানো হয়। মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত,এই প্রথম বালুরঘাট থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে জেলায়। এরপরেই বাজি ও শহরবাসীকে মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতা -কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    কী বললেন সুকান্ত?

    দিল্লি থেকে এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমার মতো একজন সাধারণ কর্মীকে যেভাবে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আমার নিজের যত সামর্থ্য রয়েছে, সবটুকু দিয়ে মোদিজি লক্ষ্যকে সামনে এদিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা তো শেষ। সেটাকে কেন্দ্রের তরফে যতটা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চক্রবর্তী বলেন, আমরা খুব খুশি। আশা করি তিনি ভালো করে কাজ করবেন ও জেলার উন্নয়ন করবেন। এই বিষয়ে  এক শহরবাসী বলেন, আমরা আশাবাদী এবার আমাদের জেলা ও শহরের উন্নয়ন হবে।

    পূর্ণমন্ত্রী হলে আরও বেশি খুশি হতাম

    সুকান্ত মজুমদারের মা নিবেদিতা মজুমদার বলেন, ‘খুবই আনন্দ হচ্ছে। ছেলেটা বাড়িতে থাকলে আরও ভাল লাগত। শুনলাম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছে। ও যদি পূর্ণমন্ত্রী হত, আরও বেশি খুশি হতাম। ছোটবেলা থেকেও যে কাজটা করে, খুব মন দিয়ে কাজ করে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর একটা দিনও বিশ্রাম পায়নি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share