Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Modi Cabinet 3.0: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    Modi Cabinet 3.0: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet 3.0) বাংলার দুই মুখ। বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মদুমদারকে দেওয়া হল গুরু দায়িত্ব। গত মন্ত্রিসভায় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন শান্তনু এবারও তাঁর মন্ত্রক একই রইল। তবে প্রথমবার মন্ত্রী হয়েই জোড়া মন্ত্রকের দায়িত্ব পেলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁকে শিক্ষা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

    সুকান্তর উপর ভরসা

    প্রথম বার প্রতিমন্ত্রী হয়েই জোড়া দফতরের দায়িত্ব পেলেন সুকান্ত। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) এবার শিক্ষামন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন সুকান্ত। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার মধ্যে দিয়েই সুকান্তের রাজনীতিতে প্রবেশ। রাজনীতিতে আসার আগে অধ্যাপনা করতেন সুকান্ত। তিনি ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক। শিক্ষার সঙ্গে তাঁর যোগ ছিলই। অনেকের মতে, সে সব বিবেচনা করেই তাঁকে এই মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারও কারও এ-ও বক্তব্য, বাংলায় শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সে সব ভেবেও সুকান্তকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। একইসঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকেরও ডেপুটি হিসেবে মোদির মন্ত্রিসভায় কাজ করবেন সুকান্ত। এই মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। 

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শান্তনুর দায়িত্ব

    মতুয়া সম্প্রদায়ের মুখ শান্তনু ঠাকুরকে এবারও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। সর্বানন্দ সোনোয়ালের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন শান্তনু। রবিবার শপথগ্রহণের পর সোমবার মন্ত্রক বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগের মন্ত্রিসভায় বাংলা থেকে চার জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এ বার জন বার্লা ভোটে টিকিট পাননি। নিশীথ প্রামাণিক এবং সুভাষ সরকার ভোটে হেরে গিয়েছেন। এবারের নতুন মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet 3.0) বাংলা থেকে দু’জনকে দায়িত্বে আনা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর প্রথম মন্ত্রী পেল বালুরঘাট (Balurghat)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে জেলায়। এরপরেই  উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতাদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরা।

    বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Balurghat)

    সুকান্তর মন্ত্রীত্ব পাওয়াকে কেন্দ্র করে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে থাকা বিজেপির জেলা কার্যালয় চত্বরে গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। বাজনা, মাইক, বাতি জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মীরা মিছিল বের করেন শহরে। সেই মিছিলে সামিল হন সুকান্তর স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী এবং তাঁর পরিবার। জেলা প্রসাশনিক ভবন এবং থানা মোড়ে চলে বাজি প্রদর্শনী। সেখানেই গাড়ির মধ্যে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠান দেখতে দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। জেলার প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। রবিবার সন্ধ্যার পর কার্যত উৎসবে মেতে ওঠেন বালুরঘাটবাসী। বিজেপির এক কর্মী বলেন, দাদা আমাদের মন্ত্রী হয়েছেন। আমরা গর্বিত। তবে, দাদা রাজ্য সভাপতি থাকলে আরও ভালো লাগবে। এদিন খবরটা শোনার পর থেকেই আমরা আনন্দে মেতে উঠি। টিভির পর্দায় দাদার শপথ অনুষ্ঠানও আমরা দেখলাম। খুবই ভালো লাগল। শুধু সাংসদ থেকে তিনি প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার মন্ত্রী হয়ে তিনি আরও অনেক বেশি কাজ করবেন। দাদার হাত ধরে বালুরঘাটে প্রচুর উন্নয়ন হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    স্ত্রীকে ফোন করে মন্ত্রী হওয়ার কথা জানান সুকান্ত

    সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল মজুমদার বলেন, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আমাকে ফোন করে সুকান্ত আনন্দের খবরটি দিয়েছেন। আমরা এতে আপ্লুত। এজন্য জেলাবাসীর (Balurghat) ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।  সুকান্তকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধামন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাটের সব ওয়ার্ডে তৃণমূল কুপোকাত, আরও শক্তি বৃদ্ধি পেল সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাটের সব ওয়ার্ডে তৃণমূল কুপোকাত, আরও শক্তি বৃদ্ধি পেল সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। যদিও শেষ হাসি হেসেছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। দ্বিতীয়বারের জন্য বালুরঘাট লোকসভার মানুষ তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন। এমনকী বালুরঘাট পুরসভা এলাকায় দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। বালুরঘাটের ২৫ টি ওয়ার্ডেই ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। শহরে প্রায় ২৫ হাজার লিড পেয়েছে বিজেপি। যা নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    প্রবল গেরুয়া ঝড়ে বালুরঘাট পুরসভায় কুপোকাত হয়েছে তৃণমূল (Sukanta Majumdar)

    গতবার লোকসভায় লিড ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার। প্রবল গেরুয়া ঝড়ে এবার কুপোকাত হয়েছেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা (Sukanta Majumdar)। খোদ বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান, টাউন সভাপতি এমনকী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ওয়ার্ডেও খাবি খেয়েছে তৃণমূল। প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের দিক থেকে কার্যত মুখ ফিরিয়েছেন বালুরঘাট শহরের ভোটাররা। বিধানসভাতেও বিজেপিকে ব্যাপক লিড দিয়েছিল এই শহর। প্রসঙ্গত,বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ওই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রায় ৬৮১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তীর ওয়ার্ড ১৮ নম্বরেও ৬৩৮ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে শাসক দল। এছাড়াও প্রাক্তন ভাইস চেয়ারপার্সন প্রদীপ্তা চক্রবর্তী তথা সুকান্ত মজুমদারের নিজের ওয়ার্ড ২২ নম্বরে তৃণমূল ৬০৩ ভোটে পিছিয়ে। টাউন সভাপতি প্রীতম রাম মণ্ডলের ওয়ার্ড ১২ নম্বরে ৭৮১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তবে, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুরজিৎ সাহার ওয়ার্ডে সব থেকে কম ৪৫১ ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। একইভাবে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা পুরসভার এমসিআইসি মহেশ পারেখের ওয়ার্ডে ৫৭৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বাকি ওয়ার্ডে এক, দেড় হাজারের বেশি ভোটে লিড পেয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    শহরবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার লিড নিয়েছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে ভোটের আগে বিপ্লব মিত্র গোষ্ঠীর নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দেখা যাচ্ছে, তাতে লাভ কিছুই হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতে মন্ত্রী ব্রাত্য বসুও বালুরঘাটে এসে  নেতাদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তারপর বালুরঘাটের চেয়ারম্যান, টাউন সভাপতি ও কাউন্সিলররা কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছিলেন। এরপরও কার্যত গেরুয়া ঝড়ে লন্ডভন্ড তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বালুরঘাট শহরের তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির ১০ হাজার মার্জিন কমাতে পারলেই জিততেন দলের প্রার্থী। তাই, একদিকে যখন তৃণমূল শহরে বিপদ দেখছে, বিজেপি ধন্যবাদ জানাচ্ছে সেখানকার ভোটারদের। এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আগেই বলেছিলাম জিতব। এই শহরের মানুষ আমাকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। শহরবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। এই শহরের মানুষের আশীর্বাদ মাথায় রেখে আমি আবার উন্নয়নের কাজে নামব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, গত লোকসভা, বিধানসভাতেও আমরা পিছিয়ে ছিলাম। আমরা কেন শহরের ভোটারদের মন জয় করতে পারছি না তা পর্যালোচনা করে দেখব। এবারের ফল আমাদের অবাক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: বারুইপুরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের জন্য খোলা হল ‘আশ্রয় শিবির’

    Post Poll Violence: বারুইপুরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের জন্য খোলা হল ‘আশ্রয় শিবির’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর যেমন ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence) সৃষ্টি হয়েছিল, ঠিক তেমনই এইবারের লোকসভা নির্বাচনের পরও সন্ত্রাসের চিত্র অব্যাহত রয়েছে। গত মঙ্গলবার, ফল প্রকাশের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, বাসন্তী, বারুইপুর সহ একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। মানুষ অত্যাচারের শিকার হয়ে নিজেদের ঘরছাড়া হয়ে গিয়েছেন। বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্ব বার বার তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। এবার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের আশ্রয় দিতে বারুইপুর জেলা অফিসে খোলা হয়েছে ‘আশ্রয় কেন্দ্র’।

    আশ্রয় কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে আইনি সহযোগিতা (Post Poll Violence) 

    ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের টার্গেট করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, বাসন্তীতে তৃণমূল রীতিমতো তাণ্ডব (Post Poll Violence) চালিয়েছে। কোথাও রড, কোথাও বাঁশ, আবার কোথাও আসবাবপত্র ফেলে মারধর করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনী। নিজের প্রাণকে হাতে নিয়ে কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচে আছেন অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে। এই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের আশ্রয় দিতে বারুইপুর জেলা বিজেপির কার্যালয়ের খোলা হয়েছে অফিস। এই আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় দিয়ে করা হচ্ছে কর্মীদের চিকিৎসা। সেই সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় খাবার। বাড়ি ছাড়াদের বাড়িতে ফেরাতে প্রশাসনের একাধিক স্তরে কথা বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে আইনি সহযোগিতা। জেলার বিজেপির নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭০-৮০ জন বিজেপি কর্মীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এই জেলা কেন্দ্রে।

    আরও পড়ুনঃ “বিজেপি চুপ করে থাকবে না”, সন্ত্রাস নিয়ে হুঁশিয়ারি সুকান্তর, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর

    ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব বিজেপি

    মঙ্গলবার রাতে ক্যানিং থানার দিঘিরপাড় পঞ্চায়েতের কাঠপোল এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আক্রমণ (Post Poll Violence) করেছিল। গুরুতর জখম হয়েছেন বিজেপি নেত্রীর স্বামী এবং মা। হামলার পর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এই বিজেপি পরিবার। বিজেপি নেত্রী বলেছিলেন, “রাত নটার পর অস্ত্র হাতে হামলা চালায় ওরা। হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। এর আগেও হামলা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েও রেখেছিলাম। আমি সে সময় বাড়িতে ছিলাম না, তখনই হামলা হয় আমার মা ও স্বামীর ওপর। ইতিমধ্যে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছি।” আবার আজ বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুধরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আবার শুভেন্দু রাজ্যপালকে চিঠি লিখে হিংসায় নিপীড়িত মানুষের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: “বিজেপি চুপ করে থাকবে না”, সন্ত্রাস নিয়ে হুঁশিয়ারি সুকান্তর, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর

    Post Poll Violence: “বিজেপি চুপ করে থাকবে না”, সন্ত্রাস নিয়ে হুঁশিয়ারি সুকান্তর, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানালেন তিনি। অপর দিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য করে মমতাকে বলেন, “বিজেপি চুপ করে থাকবে না, শুধরে যান।”

    কী লিখেছেন চিঠিতে শুভেন্দু (Post Poll Violence)?

    রাজ্যের তৃণমূল একক ভাবে আসন পেয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে জেলায় জেলায় সন্ত্রাস (Post Poll Violence) সৃষ্টি করছে। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শুভেন্দু ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান রাজ্যপালকে। হিংসা কবলিত স্থান দ্রুত পরিদর্শন এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা লেখেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে চিঠি সম্পর্কে লিখেছেন, “ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর তৃণমূলের গুন্ডাদের হামলা চালানো এখন পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর যেমন বিজেপি কর্মীদের প্রাণ হারাতে হয়েছিল, একই ভাবে লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর বিজেপি কর্মীদের আক্রমণ করা হচ্ছে। যে গুন্ডারা বিজেপির কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে, রাজ্যের শাসকদলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে তাদের। এ নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছি।”

    ঠিক কী বলেছেন সুকান্ত?

    ফল প্রকাশের পর থেকে এই রাজ্যের জেলায় জেলায় হিংসা (Post Poll Violence) সৃষ্টি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহার থেকে ক্যানিং পর্যন্ত তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালাচ্ছে। বালুরঘাটের সাংসদ বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার, তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, “তৃণমূল গণতন্ত্র মানে না৷ তাই ওদের মুখে বড় বড় কথা মানায় না। বিজেপি কিন্তু চুপ করে বসে থাকবে না। প্রয়োজনে জবাব দেবে, তখন কিন্তু রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে। মমতা আপনি নিজে ২৯টা আসন পেয়েছিলেন। আপনিও একদিন বিরোধী ছিলেন। আপনার কাছে মাত্র ১টি আসন ছিল। তবে বিজেপির কাছে ১২ জনকে সাংসদ রয়েছে। আপনি প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমাদেরকে হারানোর অপচেষ্টা করেছেন। জেলাশাসককে চাপ দিয়েছেন আরেকবার গণনা করার জন্য। আপনি শুধরে যান। এখনও সময় আছে। আক্রান্ত মানুষের সঙ্গে আপনার দেখা করা উচিত। কারণ তাঁরা বিজেপির ভোটার হলেও, আপনার রাজ্যের নাগরিক।”

    আরও পড়ুনঃ মিনাখাঁয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, চলল টিভি-ফ্রিজ লুটপাট, আতঙ্ক!

    সন্দেশখালিতে বাধা সুকান্তকে

    রাজ্যজুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) বাদ গেল না উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের মিনাখাঁর বামুনপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রাম। খবর শোনার পর আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা করতে যান সুকান্ত। তাঁকে দেখে তাঁর গাড়ি আটকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূলের নেতাকর্মী সমর্থকরা। একই সঙ্গে জয় বাংলা ও গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে। এরপর প্রশাসনের তৎপরতায় সঙ্গে সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের গাড়িগুলিকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: “পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি”, ভোটে হেরে বললেন দিলীপ ঘোষ

    Election Result 2024: “পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি”, ভোটে হেরে বললেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই বার বিজেপির ঝুলিতে এসেছিল ১৮টি আসন। এইবারে ২০২৪ সালে নিজের জেতা কেন্দ্র মেদিনীপুর ছেড়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে ভোটে হেরেছেন (Election Result 2024) তিনি। বিজেপি পেয়েছে ১২টি আসন। নিজে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমি লড়াই করেছি, পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি।” অপরে বর্তমান বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “পার্টির মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করব। রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায় তো আমারই। কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্যই হয়তো হেরে গেলেন দিলীপদা।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Election Result 2024)?

    নিজের কেন্দ্রে লোকসভা ভোটে হেরে (Election Result 2024) গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যখন বিজেপিতে আসি তখন পার্টি নতুন ছিল, আমি নতুন ছিলাম। কিন্তু পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এখন সারা ভারতে বিজেপির ফল খারাপ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সামনে ছিলেন, তাঁর ফলও আগের মতো ভাল হয়নি। আমি লড়াই করেছি, পরিশ্রম করেছিল। সফল হতে পারিনি, এটাই বলব। রাজনীতিতে ওঠানামা চলতে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি কোথায় ছিল, নীচে চলে গিয়েছিল। আবার উঠে দাঁড়িয়েছেন, সরকারও গঠন করেছেন। লোকসভায় হেরেছেন, আবার উঠেছেন। আপডাউন মেনে নিতে হবে। বিশ্লেষণ করতে হবে। তবে পার্টির ভূমিকা থাকে। কিন্তু কার ভূমিকা ছিল আমি জানি না। পার্টি বলেছে আমি শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। আমাকে পার্টি নির্বাচনে লড়াই করতে বলেছে। আমি লড়াই করেছি।”

    আরও পড়ুনঃপুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    কী বললেন সুকান্ত

    বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট কেন্দ্রের জয়ী সাংসদ বিজেপির ফলাফল (Election Result 2024) নিয়ে বলেছেন, “পার্টির মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করব। রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায় তো আমার রয়েছে। তবে সব সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারিনি। কিন্তু দায় তো আমাকেই নিতে হবে। আমি পিছু পা হব না। সিদ্ধান্ত হয়তো অন্য কেউ নেবে। তবে দায় আমাকেই নিতে হবে। আমার বিশ্বাস ছিল দিলীপদা জিতে যাবেন। তিনি আমাদের সকলের নেতা। আমরা সকলকে শ্রদ্ধা করি। তাঁর কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্যই হয়ত হেরে গেলেন।” আবার নিশীথ প্রমাণিকের হার সম্পর্কে বলেছেন, “কোনও কারণে হয়তো হেরে গিয়েছেন, তবে ভেবে ছিলাম জয়ী হবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না। বালুরঘাটে জয়ের ধারা বজায় রাখল বিজেপি। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হলেন। যদিও তাঁর এই জয় নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত প্রচুর টালবাহানা হয়েছে। তৃণমূলের নির্দেশ মেনে ফের গণনা হয়েছে। তবে, শেষ হাসি হেসেছেন সুকান্ত।

    পুনর্গণনার পরও জয়ী হলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বালুরঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সারাদিন চলছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। মোট ১৮ রাউন্ড গণনা হয়েছে। ১৮ রাউন্ড গণনা শেষে ১০ হাজার ৩৮৬  ভোটে এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রশাসন থেকে প্রার্থীদের ভোটের সংখ্যা ঘোষণা করেন। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৫৬৪৬১০। আর বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৫৭৪৯৯৬ । রাত এগারোটার পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার ২৫টি বুথে পুনর্গণনা চেয়েছিল তৃণমূল। সেখানে দশটা বুথে পুনর্গণনা শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, এই বিধানসভা এলাকায় ভালো ফল করেছেন তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। রাত এগারোটার পর শুরু হয় পুনর্গণনা। রাত প্রায় দেড়টার দিকে জয়ী ঘোষণা করা হয় বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে। সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। কাউন্টিং সেন্টার ছাড়ার আগে তিনটি বিধানসভা এলাকার সমস্ত ইভিএম পরীক্ষা করার দাবি তোলেন তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। সুকান্ত মজুমদার জয়ের পর কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়ে এই জয়কে জেলার মানুষের উদ্দেশ্যে সমর্পণ করেন।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-সন্দেশখালিতে বিজেপির জয়, নত মস্তকে প্রণাম জানালেন শুভেন্দু

    বালুরঘাটে আরও উন্নয়ন করব

    সুকাম্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) জয়ের পর আবির খেলে ও বাজি ফাটিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। জয়ের পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম আমি জিতব। আর জিতলামও। আমার এই জয় জেলার মানুষের জন্য। আমার জয় দেখে তৃণমূল পুনর্গণনা করেন। গভীর রাত পর্যন্ত পুনর্গণনা হবার পরও আমি ১০ হাজার ৩৮৬  ভোটে জয়ী হয়। আমি আমার এই লোকসভাতে আরও উন্নয়ন করব।

    ইভিএমে কারচুপি!

    এই বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র বলেন, রাজনীতিতে হার জিত থাকবে। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট এই তিনটি বিধানসভার ইভিএম পরীক্ষা করার দাবি তুলছি। আমার মনে হয়, এই ইভিএমগুলিতে কোনও কারচুপি করে রেখেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর জয়! আবির মেখে বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করলেন বিজেপি কর্মীরা

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর জয়! আবির মেখে বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করলেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) জয় নিয়ে দিনভর টানাপোড়েন চলল। রাজ্যের অন্যান্য কেন্দ্রে ফল ঘোষণা করা হলেও এই কেন্দ্রে অজানা কারণে রাত দশটা পর্যন্ত ফল ঘোষণা করেনি প্রশাসন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী।

    সুকান্তর জয়! আবির মেখে বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করলেন বিজেপি কর্মীরা (Sukanta Majumdar)

    এদিন গণনার প্রথমদিকে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এগিয়ে থাকলেও পরে তৃণমূল প্রার্থী এগিয়ে যান। পঞ্চম রাউন্ড শেষে বালুরঘাট লোকসভা আসনে ২ হাজার ৪৮১ ভোটে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। তারপর নবম রাউন্ডে বালুরঘাট লোকসভা আসনে দশ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে যান বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। রাত দশটা নাগাদ ১৮ রাউন্ড শেষে প্রায় ১০ হাজার ভোটে সুকান্ত এগিয়ে রয়েছেন। সুকান্ত মজুমদার জয়ী হয়ে গিয়েছে ভেবে এদিন বিকেলের দিকে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা নরেন্দ্র মোদির মুখোশ পরে আবির খেলায় মেতে ওঠেন। বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেন। গোটা জেলার মানুষ মেতে ওঠেন জয়ের উল্লাসে।

    আরও পড়ুন: তমলুকে জয়ী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কাঁথিতেও ফুটল পদ্ম, ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের

    প্রশাসন হারানোর চক্রান্ত করছে

    এদিকে গণনা হয়ে যাওয়ার পরেও শংসাপত্র দিতে দেরি করছে জেলা প্রশাসন। এমনই অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে যেহেতু বালুরঘাটে তৃণমূল কংগ্রেস জিতে গেছে বলে ঘোষণা করেছেন, সেই কারণেই প্রশাসন আমাকে শংসাপত্র দিতে গড়িমসি করছে। আমাকে নানা কৌশলে হারানোর চক্রান্ত করছে। তবে, দলীয় এজেন্টের মাধ্যমে যে সব প্রাপ্ত রেজাল্ট সিট আমার কাছে এসেছে, তাতে আমি জয়লাভ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন করছি, দ্রুত গণনা শেষ করে জয়ের সার্টিফিকেট আমার হাতে তুলে দেওয়া হোক। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, আমরাই জিতব। আর নরেন্দ্র মোদি হবেন প্রধানমন্ত্রী। সুকান্ত মজুমদারের জয় নিশ্চিত। তাই আমরা সেই আনন্দে আবির ও বাজি ফাটিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গণনা কেন্দ্রে ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গণনা কেন্দ্রে ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রায় এক মাসের বেশি সময় বালুরঘাট কেন্দ্রে ইভিএমগুলি স্ট্রংরুমে বন্দি রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা  এতদিন রাত পাহারায় ছিলেন পালা করে। মাঝে একাধিকবার তৃণমূল প্রার্থী এসে ঘুরে গেছেন স্ট্রংরুম। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) প্রচারে ব্যস্ত থাকায় তিনি ভোটের পর আর স্ট্রংরুমে আসতে পারেননি। রবিবার রাতে তিনি স্ট্রংরুমে যান। কথা বলেন, নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে এবং দায়িত্বে থাকা বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে।

    গণনা কেন্দ্রে সিসিটিভির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন (Sukanta Majumdar)

    বালুরঘাট কলেজে স্ট্রংরুমে ইভিএম কতটা সুরক্ষিত রয়েছে তা দেখতে বিজেপি প্রার্থী বালুরঘাট কলেজে পৌঁছান। যদিও স্ট্রংরুম পর্যন্ত তিনি যাননি। সিসিটিভি দেখেই তিনি স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সিসিটিভি ঠিকমতো কাজ করে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর ভরসা রেখেছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, গণনার দিন তৃণমূল গোলমালের চেষ্টা করতে পারে। তবে, তাতে কোনও কাজ হবে না। কারণ, বিজেপি স্ট্রং রয়েছে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর আমাদের ভরসা রয়েছে। অপরদিকে, মানুষের রায় বিজেপির দিকে গিয়েছে বলেই তিনি জানান। তিনি বলেন, আর ভোট পরবর্তী  হিংসার ঘটনা ঘটেই  চলেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এক মাস রাখতে হবে বলে কমিশনে জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    গণনা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনে সুকান্ত

    বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গণনা কেন্দ্রের সামনে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং গেটের সামনে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার জন্য কমিশনে জানিয়েছি। রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুনর্নির্বাচনেও অশান্তি। বারাসতের কদম্বগাছিতে উত্তেজনা। বিজেপি নেতা গেলে পুলিশের বিরুদ্ধে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূল জানে তারা ভোট লুট ও গন্ডগোল ছাড়া তারা জিততে পারবে না। বিস্তীর্ণ এলাকা কাকদ্বীপ,কদম্বগাছি এই সব জায়গায় তৃণমূল অভয়ারণ্য করে রেখেছে। ইচ্ছে মতো ভোট লুট করছে।

    কাউন্টিং এজেন্টদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার!

    গণনা প্রস্তুতি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেনা, গণনা নিয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। আমরা শুধু একটি বিষয় নিয়ে চিন্তিত আছি। বিভিন্ন জায়গায় কাউন্টিং এজেন্টদের বিভিন্ন মিথ্যে মামলা দিচ্ছে এবং পুরোনো কোনও মামলা দিয়ে তাঁদেরকে গণনার আগেই তুলে নেওয়া হচ্ছে। এই রকম চেষ্টা পুলিশের পক্ষ থেকে চলছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে নির্বাচনা কমিশনকে জানিয়েছি। আমরা খবর পেয়েছি, আই প্যাকের লোকজন কাউন্টিং এজেন্ট হয়ে গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকতে পারে। এই বিষয়টিও কমিশনকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: “মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন নিউ বারাকপুরের দেবপ্রসাদ

    CAA: “মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম”, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে বললেন নিউ বারাকপুরের দেবপ্রসাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দফা ভোটের আগেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বুধবার থেকে নাগরিকত্ব (CAA) শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবারও অনেকে নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়েছেন। যাঁরা শংসাপত্র পেয়েছেন, তাঁরা মূলত নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা।

    রাজ্যে প্রথম দফায় ৮ জন নাগরিকত্ব পেয়েছেন (CAA)

    শেষ দফায় বারাসত, বসিরহাট, দমদম, জয়নগরের মতো আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে। এই সব কেন্দ্রে মতুয়া পরিবারের বসবাস রয়েছে। যাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বুধবার এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি প্রথম দফার যোগ্য আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের আবেদন মঞ্জুর করেছে। যোগ্যদের শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় মোট ৮ জন নাগরিকত্ব (CAA) পেলেন। তারমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৭ জন রয়েছেন। আর নদিয়া জেলায় একজন রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কেরলে ঢুকে পড়ল বর্ষা, কয়েক দিনেই পৌঁছবে উত্তর-পূর্ব ভারতে

    প্রথম দফায় কারা পেলেন নাগরিকত্ব

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ৭ জন রয়েছেন। এরমধ্যে মৃণালকান্তি দাস ও তাঁর স্ত্রী শর্বরী দাস রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি উত্তর দমদম পুরসভার বিরাটি। অনলাইনে কিছুদিন আগেই তিনি আবেদন করেছিলেন। বুধবারই নাগরিকত্ব পাওয়ার কাগজ তাঁরা হাতে পান। নিউ বারাকপুর লেলিনগড় এলাকার বাসিন্দা দেবপ্রসাদ গায়েনও বুধবার নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়েছেন। গাইঘাটা থানার ঠাকুরনগর কেষ্টনগরের বাসিন্দা শান্তিলতা বিশ্বাস বৃহস্পতিবার নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পান। এছাড়া নাগরিকত্ব পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ নন্দী, নিলয় ঘোষ এবং অর্ণব ঘোষ। প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। আর নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরের ভীমপুর আশানগরের বাসিন্দা বিকাশ মণ্ডলও বুধবার নাগরিকত্বের (CAA) কাগজ হাতে পেয়েছেন।

    মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম জানালেন সকলেই

    দেবপ্রসাদ গায়েন নামে এক যুবক বলেন, ১৫ দিন আগে আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। বুধবার আমি কাগজপত্র হাতে পেয়েছি। এতদিন পর এই দেশের নাগরিক (CAA) হতে পেরে আমরা চরম খুশি। মোদিজি যে গ্যারান্টি দেন, তা রাখেন। আমাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার ঘটনা তাঁর জ্বলন্ত উদাহরণ। মোদিজিকে শতকোটি প্রণাম জানাই। আমি সকলকেই বলতে চাই, যাঁরা এখনও সিএএ নিয়ে ভাবছেন, তাঁরা অনলাইনে আবেদন করুন। মোদিজির ওপর ভরসা রাখুন, হতাশ হবেন না। ঠাকুরনগরের বাসিন্দা তারক বিশ্বাস বলেন, আমরা স্বামী-স্ত্রী মিলে আবেদন করেছিলাম। স্ত্রী কাগজ হাতে পেয়ে গিয়েছে। আমি খুব শীঘ্রই পেয়ে যাব। শান্তনু ঠাকুর আর নরেন্দ্র মোদিকে হাজার কোটি প্রণাম জানাই। তাঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব আমরা।

    মমতাকে আক্রমণ করলেন সুকান্ত

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যে কবে থেকে নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু হবে, তা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে দিয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট সিএএ (CAA) রূপায়ণ হতে দেব না বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যতই দাবি করুন না কেন, তিনি যে এ বিষয়ে কিছু করতে পারবেন না তা স্পষ্ট হয়ে গেল। এক-এক করে যারা আবেদন করেছেন তাঁরা সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share