Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে  নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী’’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘স্থলবন্দর পরিদর্শন করে বিএসএফের কাছ থেকে খবর নিয়েছি, ওপারের অবস্থা ভালো নয়। ভারত সরকার শুধুমাত্র মেডিক্যাল ভিসা দিচ্ছে। যে কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৫০০ জন যাত্রীর জায়গায় ১৫০ জন পারাপার করছেন। ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে যে পরামর্শ বিএসএফকে দেওয়ার, সেটাই দেওয়া হয়েছে।’’ হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখার পর এমনই মন্তব্য করলেন উত্তর- পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    স্থলবন্দর পরিদর্শনে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar)

    বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar)। পরিদর্শনের সময় স্থলবন্দরে কর্তব্যরত বিএসএফ আধিকারিকদের থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর করেন। জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করেন তিনি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সীমান্ত সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্কে অবনতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ে সীমান্তে চলছে অনিশ্চয়তা। এহেন অবস্থায় সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন সুকান্ত মজুমদার। স্থলবন্দরে পৌঁছে সীমান্ত প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি নিয়ে বিএসএফ আধিকারিককে সতর্ক করেন উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী। এরপরেই তিনি হিলির চোদ্দো হাত কালীর মেলায় পৌঁছান। সেখানে মন্দিরে পুজো দিয়ে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    কী বললেন সুকান্ত?

    পরে, এই প্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে এপারের বাঙালিরা দুঃখিত। সেদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের ওপর অবিলম্বে আক্রমণ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।” উত্তরবঙ্গে আট জেলার অধীনে থাকা প্রায় ১৯৩৭ কিলোমিটার ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন রয়েছে বিএসএফ। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি হওয়া অস্থিরতার কারণে ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বিএসএফের তরফে। অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েনের পাশাপাশি থার্মাল ক্যামেরা, নাইট ভিশন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা ও ড্রোনে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্তে পারাপারে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। তবে চলতি বছরে জলপাইগুড়ি জেলার অধীনে মিলন মেলা নিয়ে ধন্দ প্রকাশ করেছেন আইজি। মিলন মেলা আয়োজিত হলে যেন সরকারিভাবে নিয়ম মেনে ও সরকারি অনুমোদনে আয়োজিত হয় সেই কথা জানিয়েছেন আইজি।

    কী বললেন বিএসএফের আইজি?

    অস্থিরতার জেরে ইন্দো-বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্ত দিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে অনুপ্রবেশ। গত চার মাসে শুধু মাত্র উত্তরবঙ্গে মোতায়েন থাকা বিএসএফের শিলিগুড়ি ফ্রন্টিয়ারের অধীনে অনুপ্রবেশের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের কড়া হাতে প্রতিরোধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ি ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ আধিকারিকরা। বিএসএফের আইজি সূর্যকান্ত শর্মা বলেন, ‘‘সীমান্তে টানা ও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা রাখা হয়েছে। তবে অগাস্ট মাসের পরে ওপার থেকে সংখ্যালঘুদের এপারে আসার একটা চাপ ও প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজিবির সঙ্গে আলোচনা করে খুব দক্ষতার সঙ্গে সেইসব সমস্যা মেটানো হচ্ছে। পাশাপাশি ফেন্সিংয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণে রাজ্য সরকারের ভালো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা মোট সীমান্তের ১০ শতাংশে ফেন্সিং নেই। খুব তাড়াতাড়ি সেই জায়গায়ও ফেন্সিং করা হবে।’’

    কত বাংলাদেশিদের গ্রেফতার?

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে বিএসএফের নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ১২৭ জন বাংলাদেশি ও ১৭৩ জন ভারতীয়কে গ্রেফতার করে। কিন্তু চলতি বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে ১৯৪ জন বাংলাদেশি, ১৯৭ জন ভারতীয়, তিন জন রোহিঙ্গা ও তিন জন অন্য অনুপ্রবেশকারী মিলিয়ে মোট ৩৯৭ জন অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করে। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হল, চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গত চার মাসেই ১৪৯ জন অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ। যার মধ্যে ৩৫ জন ভারতীয় ও ১১৪ জন বাংলাদেশি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্লাইং কিস নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে এবং সিবিআই অভিযানে বামেদের ‘ঝান্ডু বাম’ বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের গুমা রেলগেট লাগোয়া একটি জায়গায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। নতুন সদস্য হতে আসা কয়েকজনের নাম নিজের হাতে রেজিস্ট্রেশন করে দেন। এরপর তিনি অশোকনগরের সেনডাঙা এলাকায় একই ধরনের আরও একটি কর্মসূচিতে যোগদান করেন। তার আগে গুমায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন।  

    অভিষেক-মমতাকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যে শাসক দলে অভিষেক ও মমতাপন্থী তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, সে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘একটা পার্টি মরে যাওয়ার আগে এমনটা হয়। যদু বংশ ধ্বংস হওয়ার আগে মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও এমনটাই চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবছেন দেহত্যাগ করার আগে পদত্যাগ করবেন না। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন। আমরা মোরগ লড়াই দেখছি, আর নারদ নারদ বলছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    নির্মল ঘোষ নিয়ে সরব

    এক মহিলাকে নির্মল ঘোষের ফ্লাইং কিস প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘এটাই তৃণমূলের কালচার। যে মহিলাকে নির্মলবাবু এমনটা করছেন, তিনি সম্ভবত বার ড্যান্সার। আরজি করকাণ্ডে নির্ভয়ার দেহ হাইজ্যাক করে তাড়াতাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এই নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে আমি এত মহিলাকে টিকিট দিয়েছি। তাঁরা মহিলাকে কী নজরে দেখছেন বা কী উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে নিয়ে আসছেন, এই সমস্ত নেতাদের দেখে তো বোঝাই যাচ্ছে।’’

    বামেদের অভিযানকে কটাক্ষ

    বামেদের আরজি করকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সিবিআই অফিস অভিযানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘ বামেরা এখন ‘ঝান্ডু বাম’ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন কোনও আন্দোলন সংগঠিত হয়, তখন বাম, অতি বাম এবং ঝান্ডু বামেরা ঢুকে গিয়ে আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেয়। যখন অরাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যে রাজনীতি ঢুকে গেল, তখনই আরজি করের আন্দোলন আস্তে আস্তে কমে গেল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বেলডাঙায় যাওয়ার পথে সুকান্তকে বাধা পুলিশের, রাস্তাতেই বসে পড়লেন মন্ত্রী

    Sukanta Majumdar: বেলডাঙায় যাওয়ার পথে সুকান্তকে বাধা পুলিশের, রাস্তাতেই বসে পড়লেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা যাওয়ার পথে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) বাধা পুলিশের। অগত্যা রাস্তায়ই বসে পড়লেন সুকান্ত। সূত্রের খবর, বুধবার দুপুরে বেলডাঙার (Beldanga) দিকে যেতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় সুকান্তকে। সুকান্ত এলাকায় গেলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। তাই তাঁকে বেলডাঙায় যেতে দেওয়া হয়নি বলেই পুলিশ সূত্রের খবর।

    কৃষ্ণনগরেই আটকে দেওয়া হল সুকান্তকে (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে গত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। অশান্তির আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য বারংবার রাজ্য প্রশাসনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে পদ্ম শিবির। তোপ দেগেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি সুকান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। এদিন তাঁকেই আটকে দেওয়া হয় কৃষ্ণনগরের কাছে। পুলিশের যুক্তি, বেলডাঙায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই সেখানে যেতে পারবেন না সুকান্ত। গেরুয়া শিবিরের দাবি, সুকান্তকে যে জায়গায় আটকানো হয়েছে, সেখান থেকে বেলডাঙার দূরত্ব ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি। তাই তাঁকে কেন এখানে আটকানো হল, সে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপির দুই বিধায়ক ও একাধিক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। এর প্রভাব পড়তে শুরু করে নদিয়া জেলার বিভিন্ন জায়গায়। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি।

    বন্ধ ইন্টারনেট

    এদিকে, মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে এখনও (Sukanta Majumdar) বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। জানা গিয়েছে, পরিষেবা বন্ধ থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। ইন্টারনেট না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যবাসী। ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। কলেজের কাউন্সেলিংয়ের জন্য পড়ুয়াদের যেতে হচ্ছে ভিন জেলায়। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ব্যবহার করে অস্ত্রোপচারও করা যাচ্ছে না জেলায়। ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে মিলছে না রক্ত।

    আরও পড়ুন: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    অন্যদিকে, বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্য সরকারের রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বেলডাঙার সংঘর্ষ নিয়ে উচ্চ পদমর্যাদার অফিসারের মাধ্যমে আজ, বুধবারের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বেলডাঙা-সহ মুর্শিদাবাদের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তাও জানানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। সংঘর্ষ রুখতে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে (Beldanga) রাজ্য সরকার, কাদের কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই রিপোর্টও দিতে হবে (Sukanta Majumdar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: থমকে ছিল এক যুগ! সুকান্তর উদ্যোগে শুরু বালুরঘাট-হিলি রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ

    Balurghat: থমকে ছিল এক যুগ! সুকান্তর উদ্যোগে শুরু বালুরঘাট-হিলি রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জট কাটল। এই প্রকল্পের জন্য ১২ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল রেলের পিলার। বালুরঘাটের (Balurghat) সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। সেই পিলারের কাজে এবার হাত লাগাচ্ছে রেল। তার অধিকৃত জমি খালি করা হচ্ছে। বালুরঘাটের খিদিরপুর এলাকায় রেলওয়ে ব্রিজের আগেই জমি খালি করা হচ্ছে। জেসিবি নামিয়ে ব্রিজের ১০০ মিটারের মধ্যে জায়গা খালি করা হচ্ছে। বেশকিছু বাড়ি ঘরও ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

    ৩০ শতাংশ জমি তুলে দেওয়া হয়েছে (Balurghat)

    রেল (Balurghat) সূত্রে খবর, ১২ বছর আগে ওই এলাকায় ব্রিজের কাজ শুরু হয়েছিল। পিলারের কাজ হওয়ার পর আর কোনও কাজই হয়নি। এবার নতুন করে কাজ শুরু হওয়ায় এলাকায় খুশির হাওয়া। প্রসঙ্গত, সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) একাধিক বার রেল দফতরের কাছে বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জন্য দরবার করেন। রেল দফতর থেকে ইতিমধ্যেই রেলের জন্য টাকা বরাদ্দ করেছে। ওই টাকায় জমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের তরফে ৩০ শতাংশ জমি ইতিমধ্যেই রেলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, রেলের জন্য আরও জমি দেওয়া হোক। তার মধ্যে খিদিরপুর মৌজায় বেশি জমি রয়েছে। বালুরঘাটের খিদিরপুর এলাকায় বড় রেলের ব্রিজ তৈরি হবে। দ্রুত আত্রেয়ী নদীর ওপরে ওই রেলের কাজ শুরু হবে। ওই নদীপারের বেশকিছু বাড়ি ঘর পড়েছে। তারা রেলের হাতে জমি হস্তান্তর করে টাকাও পেয়ে গিয়েছে। সেই বাড়িঘর তারা বর্তমানে ছেড়েও দিয়েছেন। ওই বাড়িঘরগুলি এবার ভাঙার কাজ শুরু করল রেল দফতর। এদিন রেলের উচ্চপর্যায়ের ইঞ্জিনিয়াররা ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। এই বিষয়ে ঠিকাদার সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার দীপ্তমান তালুকদার বলেন, ‘‘শনিবার থেকে বালুরঘাট-হিলি রেলের কাজ শুরু হল। পাঁচ ছয় মাসের মধ্যে রেল ব্রিজের কাজটা শেষ হবে।’’ যদিও জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, ‘‘অনেকটা জমি অধিগ্রহণ করে রেলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসে আরও অনেকটা কাজ হবে।’’

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বাপি সরকার বলেন, ‘‘দীর্ঘদিনের ধরে বালুরঘাটবাসীর (Balurghat) প্রত্যাশা ছিল হিলি-বালুরঘাট রেল লাইন নিয়ে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগে বালুরঘাট রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হল। আমাদের বিশ্বাস ছিল সুকান্ত মজুমদার দ্বিতীয় বার সাংসদ হয়ে বালুরঘাট-হিলি রেল সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। আর সেই কাজ শুরু হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিজট না কাটায় চূড়ান্ত হতাশ সুকান্ত, দুষলেন রাজ্যকে

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিজট না কাটায় চূড়ান্ত হতাশ সুকান্ত, দুষলেন রাজ্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি (Dakshin Dinajpur) রেল প্রকল্পের জমিজট এখনও না কাটায় হতাশ বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর অভিযোগ, জেলা প্রশাসন জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করে পুরো জমি রেলমন্ত্রককে দিতে না পারায় প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বাজেট বরাদ্দের টাকা রেল দফতর জেলা প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছে বেশ কয়েক মাস আগে। কিন্তু এখনও অর্ধেক জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি রাজ্য প্রশাসন। হতাশ সুকান্তবাবু দ্রুত এই কাজ শেষ করে জেলা প্রশাসনকে রেল দফতরের কাছে জমি হস্তান্তর করার দাবি তুলেছেন। সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “জেলা প্রশাসন কিছু জমি রেলকে হস্তান্তর করেছে। কিন্তু এখনও পুরোটা হয়নি। কবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে আমি জানি না, আমরা চূড়ান্ত হতাশ।”

    মাত্র ১০ কিমি রেলপথের জমি হস্তান্তর (Dakshin Dinajpur)!

    ২০০৪ সালে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পর্যন্ত ট্রেন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ইউপিএ সরকার ওই রেলপথের অনুমোদন দিয়ে দেয়। বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত ২৯.৭ কিলোমিটার পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘদিন ওই প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার পর চলতি বছরেই জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। বেশ কিছু জমিদাতা ইতিমধ্যেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। জমিজট কেটে যাওয়ায় এখনও পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার জমি রেলমন্ত্রককে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু বাকি জমি অধিগ্রহণ শেষ করে রেলকে কবে হস্তান্তর করা হবে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    বিজেপি সাংসদের বক্তব্য

    বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “জেলা প্রশাসন কিছু জমি রেলকে হস্তান্তর করেছে। কিন্তু এখনও পুরোটা হয়নি। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে অসহযোগিতা করছে। এখন কবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে আমি জানি না। আমরা চূড়ান্ত হতাশ।”

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যের ৩ কোটি মহিলা কেন পান না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন বিজেপির

    প্রশাসনের বক্তব্য

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা অবশ্য আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, “আরও দু-একটি দাগের সমস্যা রয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে সেই সমস্যা মিটিয়ে নিয়ে প্রথম পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪ কিলোমিটার জমি রেলকে হস্তান্তর করা হবে। নভেম্বর মাসের শেষ বা ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই রেললাইন তৈরির কাজ শুরু করতে পারবে রেল দফতর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘মমতা না তাঁর ভাইপো নাকি জামাত, কে সরকার চালাচ্ছে বুঝতে পারছি না,’’ তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘মমতা না তাঁর ভাইপো নাকি জামাত, কে সরকার চালাচ্ছে বুঝতে পারছি না,’’ তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সরকার (পশ্চিমবঙ্গ) কে চালাচ্ছে, সেটাই বুঝতে পারছি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালাচ্ছেন, নাকি জামাত চালাচ্ছে, না তাঁর ভাইপো চালাচ্ছেন, সেটাই বুঝতে পারছি না।’’ শনিবার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বালুরঘাটে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল সরকারকে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন। মূলত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা হ্যাক হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কোন দিন দেখা যাবে সরকারটাই হ্যাক হয়ে গিয়েছে। সরকার কে চালাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালাচ্ছেন, নাকি জামাত চালাচ্ছে, নাকি ভাইপো চালাচ্ছেন, আমরা তো সেটাই বুঝতে পারছি না।’’

    আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব (Sukanta Majumdar)

    হাতিয়ারা পূর্বপাড়াতে নকল নাম দিয়ে জল বিক্রি করার অভিযোগে এক জল ব্যাবসায়ী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গোটা রাজ্য জুড়ে এমন খাদ্য দ্রব্যের বিভিন্ন ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। কখনও দামি ব্র্যান্ডকে নকল করা হচ্ছে। কখনও চাইনিজ রসুন ঢুকে যাচ্ছে। এরপরে শুনবো চাইনিজ চাল বাজারে ঢুকে যাবে। সরকার তো এবার চাইনিজ হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীও চাইনিজ মুখ্যমন্ত্রীতে পরিণত হবে।’’ আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘গোটা রাজ্য জুড়ে আবাস যোজনার দুর্নীতি চলছে। গরিবদের ঘর না দিয়ে বড়লোকরা ঘর পাচ্ছেন। তৃণমূল তালিকায় নাম তুলতেও টাকা নিচ্ছে। তৃণমূল সরকার যা পাবে তাই বেচে দেবে। তৃণমূল সব কিছু বিক্রি করা ছাড়া কিছু জানে না। পারলে পুরো রাজ্যটাকে বেচে দিত।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    মর্ডান ইভিএমে ভোট হলে বেশিরভাগ পুরসভাতে জিতবে বিজেপি

    রাজ্যে ১৫৬টা পুরসভার চেয়ারম্যান ঠিক ঠাক করে কাজ করেননি, সেই চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। সেই ক্ষেত্রে লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর পুরসভা ও বালুরঘাট পুরসভার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেবে তৃণমূল? এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘তৃণমূল জানে শিক্ষিত লোকরা যাঁরা আত্মনির্ভর, তাঁরা কেউ তৃণমূলকে ভোট দেন না। যদি পুরসভার ভোট মর্ডান ইভিএম দিয়ে হয়, তাহলে বিজেপি বেশিরভাগ পুরসভাতে জিতবে। কয়জনকে সরাবে। শিক্ষিত মানুষরা ভোট দেন না তৃণমূলকে। রাজ্যটাকে এমন করে রেখেছে, রাজ্যে কোনও রোজগার নেই, রাজ্যে কোনও চিকিৎসা নেই, মানুষ ওই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভিক্ষে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁদেরকেই জোর করে তৃণমূলকে ভোট দেওয়াচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyom: জামিন পেলেন ‘মাধ্যম’-এর দুই সাংবাদিক, পুলিশি হানায় সরব সুকান্ত-শমীক

    Madhyom: জামিন পেলেন ‘মাধ্যম’-এর দুই সাংবাদিক, পুলিশি হানায় সরব সুকান্ত-শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মাধ্যম’ (Madhyom) ডিজিটাল মিডিয়ার দুই সাংবাদিককে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। বুধবার দুই সাংবাদিককে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন। ঠিক কী হয়েছিল মঙ্গলবার? সম্প্রতি কালীপুজোয় দক্ষিণদাড়িতে একটি অশান্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া ঘটনার প্রতিবেদন মাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়। তার ভিত্তিতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে মঙ্গলবার ‘মাধ্যম’ কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে তল্লাশি অভিযানে চলে আসে। দীর্ঘ জেরার পর দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে। এদিন দুজনই আদালতে জামিন পেয়ে যান।  

    কড়া সমালোচনা করলেন সুকান্ত? (Madhyom)

    এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। উত্তর ২৪ পরগনার নিউ বারাকপুরে জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে এসে ‘মাধ্যম’ (Madhyom) ডিজিটাল মিডিয়া অফিসে পুলিশি হানা নিয়ে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘ গণতন্ত্রের ওপর হামলা। মাধ্যম অফিসে পুলিশি হানা, ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের গ্রেফতার করার ঘটনা জরুরি অবস্থার শামিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতা থাকলে জরুরি অবস্থা জারি করে দিতেন। উগ্রপন্থীদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করা উচিত। কিন্তু, এই রাজ্যে তা আমরা করতে দেখিনি। মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দৃষ্টান্তমূলক আদেশ দেওয়া হোক, যাতে পুলিশ এই ধরনের কাজ করতে না পারে। এটা পুলিশ অপরাধ করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া দরকার।”

    কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য?

    এই ঘটনা (Madhyom) নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন বাড়ছে। দক্ষিণদাঁড়ি এলাকায় রাজ্যের এক মন্ত্রীর বাড়়ির কাছে কালী মন্দিরে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনাটি মাধ্যমের সাংবাদিকরা তুলে ধরেছিলেন। আগুন জ্বলছে, পাথর ছোড়া হচ্ছে। সেই প্রকৃত সত্য ঘটনাটি পোস্ট করা কি অপরাধ? তারপর পুলিশ ওই মিডিয়ার অফিসে হানা দেয়। দুজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করে। এদিন আদালতে সাতদিনের পুলিশ হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। আদালতের ওপর মানুষের ভরসা রয়েছে। বিচারক তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছে। ’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘মাধ্যম’ অফিসে পুলিশি হানা, কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত-ভারতী

    BJP: ‘মাধ্যম’ অফিসে পুলিশি হানা, কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত-ভারতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মাধ্যম’ কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে (Madhyom) আচমকা পুলিশি হানা এবং ২ সাংবাদিককে গ্রেফতারির ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব যেমন এই ঘটনার নিন্দা করেছে, তেমনি এই ঘটনার খবর পৌঁছে যায় দিল্লিতেও। সেখান থেকেও একের পর এক তীব্র প্রতিবাদ ভেসে আসতে থাকে। ইতিমধ্যেই, অমিত মালব্য এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে কড়া নিন্দা জানিয়েছেন। প্রাক্তন আইপিএস তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষও কড়া সমালোচনা করেছেন।

    ঠিক কী ঘটেছে? (BJP)  

    সম্প্রতি কালীপুজোতে দক্ষিণদাড়িতে একটি অশান্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া ঘটনার প্রতিবেদন মাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়। তার ভিত্তিতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে মাধ্যম অফিসে তল্লাশি অভিযানে চলে আসে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা পুলিশের আটজনের একটি দল অফিসে (Madhyom) ঢুকে পড়ে। মূল অভিযোগ, সম্প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এতে নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। মাধ্যম অফিসের কর্মীরা পুলিশকে জানান, সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে যা যা দেখেছেন, সেটাই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ কথা বারবার বোঝানো হলেও পুলিশ কোনও কথা শুনতে চায়নি। তারা দীর্ঘক্ষণ ধরে অফিসের কম্পিউটারের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করে এবং শেষমেশ অফিসের দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে লেকটাউন থানায় নিয়ে যায়। একইসঙ্গে একটি কম্পিউটার এবং তার যাবতীয় সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। আজ, বুধবার, ধৃত ২ সাংবাদিককে আদালতে পেশ করার কথা।

    আরও পড়ুন: ভোটে কারচুপি মার্কিন মুলুকে! ট্রাম্পের অভিযোগে শোরগোল আমেরিকায়

    কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধী দলনেতা (BJP) শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘ মমতার পুলিশ মা কালীর মণ্ডপ রক্ষা করতে ব্যর্থ। সেই সত্যি খবর ‘মাধ্যম’ পোর্টাল সম্প্রচারিত করেছে। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হচ্ছে।‘‘ 

    মমতার সমালোচনা সুকান্ত

    এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মাধ্যম’ মাথা উঁচু করে থাকবে। এই লড়াই থামবে না। গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে হীরক রানির বিদায় অবশ্যম্ভাবী।‘‘ 

    একাধিক প্রশ্ন তুললেন ভারতী ঘোষ

    প্রাক্তন আইপিএস তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের প্রশ্ন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে কি এমার্জেন্সি জারি হয়েছে? সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কোথায়? আর কতদিন এই থ্রেট কালচার সহ্য করবে রাজ্যবাসী?’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যুট-টাই পরে‌ বিদেশের মাটিতে নতুন রূপে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্ত মজুমদারের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের পেজে বৃহস্পতিবার এরকম একাধিক ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে। পাজামার সঙ্গে ধবধবে সাদা আবার কখনওবা হরেকরকম পাঞ্জাবির সঙ্গে তাঁর নিত্যসঙ্গী থাকে উত্তরীয়। এই বেশেই তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত বাংলার মানুষ। কিন্তু জি২০ সম্মেলনে বিদেশের মাটিতে ভারত সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া সুকান্ত এখন অন্য সাজে।

    চেনা ছকের বাইরে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখা যাচ্ছে, কখনও ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় জি ২০ অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রগুলির শিক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সৌদি আরবের শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ আল বেনিয়ার সঙ্গে। আবার কখনও অন্য কারোর সঙ্গে। বৈঠকের পর স্যুট- টাই পরা অবস্থায় একসাথে সকলের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন তিনি। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির বিষয় সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখেন সুকান্ত। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিন সুকান্ত মজুমদারকে দেখা যায় একেবারে বাঙালি বেশে ধুতি পাঞ্জাবি পরে শপথ নিতে। দিল্লিতে তাঁর দফতর হোক বা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও পাজামা পাঞ্জাবি‌ পরতেই দেখা যায় সুকান্ত মজুমদারকে। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে কিম্বা অধ্যাপনা করার সময়‌ শার্ট- প্যান্ট বেশির ভাগ সময় তাঁর পরনে থাকলেও পুরোদস্তুর রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকেই পাজামা পাঞ্জাবি আর জহর কোটেই সুকান্ত মজুমদারকে এখন বেশি দেখা যায়।

    ব্রাজিলে (Brazil) অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্তরে শিক্ষা মন্ত্রীদের জি২০ বৈঠকে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলা থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।‌‌ সেখানেই ‘নিউ লুক’ সুকান্তর। ঘনিষ্ঠ মহলে সুকান্ত মজুমদার বার বারই বলে থাকেন‌ যে, সাধারণ বাঙালি বেশেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবে পরিস্থিতির কারণে কখনও কখনও নিজেকে ‘পরিবর্তন’ করতেই হয়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, ‘‘ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছি। বৈঠকে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) বিষয় সম্পর্কে উপস্থাপন করলাম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, বুধবার ৩০ অক্টোবর, ব্রাজিলে জি২০ (G20 Summit) গোষ্ঠীভুক্ত দেশেগুলির শিক্ষামন্ত্রীর সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেবেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পরে তিনিই কোনও বাঙালি, যিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    তুলে ধরবেন জাতীয় শিক্ষানীতির নানা বিষয়

    জি২০ (G20 Summit) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির শিক্ষামন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা করবেন বলে জানা গিয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষাপ্রদান, শিক্ষাদানের বিভিন্ন পদ্ধতি, দক্ষতা বৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা চলবে। মোদি সরকার ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০। এই নীতি ভারতবর্ষের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তন করেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জাতীয় শিক্ষানীতির নানা বিষয় তুলে ধরবেন নিজের বক্তব্যে।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘জি২০-তে যে সদস্য দেশগুলি আছে, তাদের সমস্ত শিক্ষামন্ত্রীর একটি বৈঠক হবে। একাধিক সেশন আছে তাতে। এটা বিরাট বড় একটা সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সেজন্য ধন্যবাদ জানাই। তাঁর আমলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে সমাজে বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য।’’

    আগামীদিনে ভারত গোটা পৃথিবীর ‘এডুকেশন হাব’ হয়ে উঠতে পারে

    সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘চারটি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং সৌদি আরব। সেখানে ভারত কী কী কাজ করছে, তারা কী কী কাজ করছে এগুলো উঠে আসবে। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চাইলে ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে পারে। ইউজিসির নিয়ম মেনে। এই বিষয়গুলি তাদের কাছে বলব। যাতে আগামীদিনে ভারত গোটা পৃথিবীর ‘এডুকেশন হাব’ হয়ে উঠতে পারে।’’

    শিক্ষা যৌথ তালিকায় পড়ে

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘শিক্ষা যৌথ তালিকায় পড়ে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে যে উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছে, সেগুলি বলব। পশ্চিমবঙ্গের মতো দু’-একটি রাজ্য ছাড়া বাদ বাকি সব রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে শিক্ষা বা এই ধরনের যেগুলো যৌথ তালিকায় যে বিষয়গুলি আছে তাতে তাল মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই চলছে। যেমন-আউটরিচ প্রোগ্রামে আইআইটি মাদ্রাজ অন্যতম উদ্যোগ নিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ভালো কাজ করছে। আবার তামিলনাড়ুতে আমাদের সরকার নেই, অন্য পার্টির সরকার আছে। সেখানে তারা ভালো কাজ করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share