Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Adenovirus: টেস্ট কিটের আকাল! অ্যাডিনো চিহ্নিত করতেই জেরবার সরকারি হাসপাতালগুলি

    Adenovirus: টেস্ট কিটের আকাল! অ্যাডিনো চিহ্নিত করতেই জেরবার সরকারি হাসপাতালগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজ্য জুড়ে বাড়ছে অ্যাডিনোভাইরাসের আতঙ্ক। সাম্প্রতিক দিনে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৫০ ছুঁইছুঁই। জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক উপসর্গ নিয়ে রাজ্যে একের পর এক শিশুর মৃত্যু এ বার গভীর চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে প্রশাসনের। অভিভাবকদের পাশাপাশি, উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতরও। কলকাতা ছাড়া বাকি জেলাগুলিতেও ভয় ধরাচ্ছে অ্যাডিনো। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “ভয় পাবেন না। ৫ হাজার বেড আমাদের তৈরি। ৬০০ শিশু চিকিৎসক তৈরি। করোনা যেহেতু প্যানিক হয়ে গিয়েছে। করোনার পর যে কোনও একটা ভাইরাস এলেই চিন্তিত। বাড়ির লোকজনকে যত্ন নিতে হবে। বাচ্চারা মাস্ক পরতে পারে না। ওদের উপর একটু বিশেষ নজর দিতে হবে, বাইরে যাতে না বেরোয়। ঘরে রাখাটাই ভাল।”  

    অ্যাডিনো-আতঙ্ক

    মুখ্যমন্ত্রী যতই আশ্বাস দিন পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। বৃহস্পতিবার ভোরেও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হুগলির ১ বছর ৩ মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম শ্রেয়া পাল। জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই শিশুকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি হুগলির সরকারি হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। দেখা যায় ওই শিশুর শরীরে দানা বেঁধেছে অ্যাডিনো ভাইরাস। হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় শিশুটির দুই ফুসফুসে নিউমোনিয়া হয়। এর পর বৃহস্পতিবার ভোরে একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে মৃত্যু হয় ওই শিশুর। 

    অ্যাডিনোয় শিশুমৃত্যু, রাজ্যকে দুষলেন সুকান্ত

    রাজ্যে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ বাড়তে থাকায় রাজ্য সরকারের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “রাজ্যের মধ্যে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, জঙ্গলমহলে স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো ভালো নয়। মুখ্যমন্ত্রীর এটা বোঝা উচিত নীল সাদা রঙ বিল্ডিং করে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় না। ভালো চিকিৎসক নেই এই এলাকাগুলোতে। আর যার ফলে রোগীদের খালি রেফার করতে হচ্ছে। আর শিশু মৃত্যুর মত ঘটনা ঘটছে।” তিনি আরও বলেন, “পুরো রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হালই বেহাল। এটা সরকারের অপদার্থতা। মাননীয়া না হয় এই বিষয়ে কিছুই জানেন না, বোঝেন না, বা নিজে সব বুঝেও রাজ্যের মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন।” সুকান্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যান। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, “শহর কলকাতা থেকে যত দূরে যাবেন, দেখবেন এই ধরনের রোগ যেমন অ্যাডিনো ভাইরাসের জন্য যেরকম ডাক্তার দরকার, সেইসমস্ত ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না। লোকজন চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এভাবে একটা রাজ্য চলতে পারে না।”

    আরও পড়ুন: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    অ্যাডিনো-টেস্ট কিটের আকাল

    সুকান্তর অভিযোগ যে সত্য তার প্রমাণ হল, সরকারি হাসপাতালে কিটের আকাল। এর ফলে সরকারি হাসপাতালে (Government Hospital) বন্ধ অ্যাডিনোর টেস্ট (Adenovirus Test)। এদিকে বেসরকারি ক্ষেত্রে টেস্ট (Private Test) পিছু খরচ ৫ থেকে ২২ হাজার পর্যন্ত টাকা। নাজেহাল অবস্থা রোগীর পরিজনদের। বেসরকারি জায়গায় টেস্টের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে, কোথাও টেস্ট পিছু নেওয়া হচ্ছে ২২ হাজার টাকা। কোথাও বা ১৪ হাজার টাকা। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য যে যন্ত্রের সাহায্যে অ্যাডিনো ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়, তাতে একসঙ্গে ২২টি সংক্রমণ সৃষ্টিকারী ভাইরাস চিহ্নিত হয়। একে বলে ভাইরাল প্যানেল। এই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন বিশেষ কিট (Special Test Kit for AdenoVirus)। সূত্রের খবর, জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিকালে অ্যাডিনো ভাইরাসের টেস্ট হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখানে বন্ধ ভাইরাসের চিহ্নিতকরণ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো আচরণ করে তাহলে…”, কোচবিহারে হুঙ্কার সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো আচরণ করে তাহলে…”, কোচবিহারে হুঙ্কার সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশীথ প্রামাণিকের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তাল কোচবিহার রাজনীতি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) তা আরও কিছুটা জোরদার হল। এবার পুলিশকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।  

    কোচবিহারের ঘোকসাডাঙ্গায় এক কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য পুলিশের দিকে নিশানা দেগে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar) বলেন, “পুলিশ যদি নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করে তাহলে পুলিশকে পুলিশ মনে করব। আর পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারদের মতো কাজ করে তাহলে ক্যাডারদের সঙ্গে যা ট্রিটমেন্ট করা হয়, পুলিশের সঙ্গেও সেই ট্রিটমেন্ট করা হবে।” 

    তৃণমূলকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। গত শনিবার দিনহাটার বুড়িরহাটে তৃণমূল- বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটে। আক্রান্ত হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়।

    আরও পড়ুন: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে ৪৮ জন বিজেপি নেতাকর্মীর নামে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছে পুলিশ (Sukanta Majumdar)। সেই মামলায় ইতিমধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঘোকসাডাঙ্গা এলাকার বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন।

    বুধবার প্রশান্ত বর্মনের বাড়িতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুকান্ত বলেন, “দলীয় কর্মীকে ছাড়ানোর জন্য বিজেপি সহযোগিতা করবে। প্রয়োজনে হাইকোর্টেও যাবে।” 

    সেখানেই পুলিশকে একহাত নেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বলেন, “পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে তাহলে পুলিশকে পুলিশ বলে মনে করব। আর পুলিশ যদি তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করে তাহলে তৃণমূলের ক্যাডারদের সঙ্গে যে ট্রিটমেন্ট করা হয় পুলিশের সঙ্গেও সেই একই ট্রিটমেন্ট হবে।”

    দলীয় কর্মীদের বার্তা সুকান্তর

    এদিন দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূলের সন্ত্রাস মোকাবিলা করতে বিজেপি কর্মীদের হাতে ঝাণ্ডার সঙ্গে ডান্ডাও রাখতে হবে। কোচবিহারে ডান্ডা ছাড়া রাজনীতি হবে না। তৃণমূলের যে নেতা যে ভাষা বোঝে তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।”

    এদিন নাম না করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে লুঙ্গি মন্ত্রী বলে ব্যাঙ্গ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “কোচবিহারের ছেলেকে আপনারাই সাংসদ করেছিলেন‌। নরেন্দ্র মোদি তাকে মন্ত্রী করে পাঠিয়েছেন। সেটা তৃণমূলের সহ্য হয়নি। আর তাই তার উপর আক্রমন হয়েছে লুঙ্গি মন্ত্রীর নির্দেশে।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “দিদি নিজের রাজ্য সামলাতে পারেন না মেঘালয়ে গিয়ে মাথায় পালক লাগিয়ে কাক সেজে কুকু করছেন। ‌রাজ্যের বেকার ছেলেরা কাজ পাচ্ছে না । তারা গুজরাটে চলে যাচ্ছে।‌ দিদি বলছেন ১০০ দিনের কাজে তারা এক নম্বর। তাতে সায় দিয়ে তিনি বলেন সেটাতো হবেনই, কারন‌ এই রাজ্যের বেকার যুককেরা কাজ না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকার মজুরিতে ১০০ দিনের কাজ করে। কিন্তু গুজরাটে কাজ করলে দৈনিক মজুরি এক হাজার টাকা পায়। ‌তাই সেখানে মানুষ ১০০ দিনের কাজ করে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে এবার রাজভবনের দ্বারস্থ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ বিষয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানালেন শুভেন্দু। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, “এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিরাপদ নন। তাঁর  কনভয়ে রাজ্য পুলিশের সামনেই হামলা হল। তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”

    কী বললেন বিজেপি নেতারা?    

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “নিশীথ প্রামাণিকের উপর হামলার বিষয়টি আমি মাননীয় রাজ্যপালকে জানিয়েছি। মাননীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের এলাকায় সুরক্ষিত নন। তাহলে আইন শৃঙ্খলা কোথায় গিয়েছে? দিনহাটার ওসি দাঁড়িয়ে দেখেছেন। তাহলে এবার তো সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। একজন মন্ত্রী জেড ক্যাটাগরির পান, তাঁর সঙ্গে স্টেট পুলিশ আছে তা সত্ত্বেও যেভাবে বোমা ছোড়া হয়েছে তা উদ্বেগের।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো কলেজ, জাল ডিগ্রি, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে তাজ্জব ইডি

    এই ঘটনায় সরাসরি পুলিশ ও পুলিশমন্ত্রীর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অপদার্থ পুলিশ ও পুলিশমন্ত্রী। ভারতের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়ে হামলা চালানো হয়েছে। শুধু হামলা নয়, পাথর, বোমা ছোড়া হয়েছে। পুলিশমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়া উচিত।” এই হামলার ঘটনায় তৃণমূল জড়িত অভিযোগ তুলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, “এই ঘটনায় আমরা গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দেব। তৃণমূলের হার্মাদবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করব।” ‘রাজ্যে ৩৫৬ জারির পরিস্থিতি রয়েছে’ বলে দাবি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের। 

    প্রসঙ্গত, শনিবার দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মিছিলের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মিছিলে বোমা, গুলি চালানো হয় বলেও অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Sukanta Majumdar: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু তার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস! আজ ছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন। এদিন ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শেষের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষার প্রশ্ন ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ট্যুইট করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই প্রশ্নপত্রের ছবি। পরীক্ষা শেষের আগেই কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই প্রশ্ন এল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। এ বিষয় খতিয়ে দেখার কথাও বলেছেন তিনি। শুক্রবার সকাল থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    শুক্রবার মাধ্যমিকের দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা চলাকালীনই ট্যুইটারে ‘ইংরেজি প্রশ্নপত্রের’ ৩টি পাতার ছবি পোস্ট করেন তিনি। সুকান্তের পোস্ট করা প্রশ্নপত্রের ছবি দেখে পরীক্ষা দিয়ে বেরোনোর পর কয়েক জন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী জানিয়েছে, এটি এ বারের ১৬ পাতার ইংরেজি প্রশ্নপত্রেরই ৩টি পাতা। পরীক্ষা চলাকালীন দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে ট্যুইটারে সুকান্ত লেখেন, ‘‘আজ মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষা। সকল পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাই। যদিও আজ সকাল থেকেই এ বারের মাধ্যমিক পরিক্ষার ইংরেজি প্রশ্নপত্র বলে এই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিছু সময়ের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কি না তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।”

    সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমে বলেন, “আমার কাছে ১২টা ৪৮ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপে এই প্রশ্নপত্র এসে যায়। ফলে এটি যে প্রশ্নপত্র ফাঁস, তা নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই।” এর পরেই তাঁর মন্তব্য,  “যদি বলা হয়ে থাকে, কোনও পরীক্ষার্থী ভিতর থেকে ছবি তুলে বার করেছে তবে তা তো মধ্যশিক্ষা পর্ষদেরই দেখা উচিত। কী করে সেটা সম্ভব হল? মাধ্যমিক পরীক্ষার হলে তো মোবাইল নিয়ে ঢোকার নিয়ম নেই।” অনেকে আবার সুকান্তের ট্যুইট করায় এতে বিধিভঙ্গ হয়েছে বলে অভিযোগ করলে তিনি দাবি করেন ১২টা ৪৮-এ প্রশ্নপত্র পেলেও দেড়টার পরে যেহেতু পরীক্ষার্থীরা বাইরে আসতে পারেন, তাই সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে তিনি ট্যুইট করেছেন।

    ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস’ কাণ্ড ঘিরে একাধিক প্রশ্ন

    প্রশ্ন উঠছে, পরীক্ষার শেষেও পরীক্ষার্থীদের এই প্রশ্নপত্র বাইরে আনার নিয়ম নেই। প্রশ্নপত্রেই উত্তর লিখতে হয়। ফলে সুকান্ত কী ভাবে ‘প্রশ্নপত্র’ পেলেন? আবার সুকান্তর পোস্ট করার ‘প্রশ্নপত্রের’ পাতার ছবিতে একটি হাতের ছবি দেখা যাচ্ছে। যা দেখে মনে করা হচ্ছে, কোনও পরীক্ষার্থী গোপনে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রের নজরদারি এড়িয়ে কী ভাবে ওই পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের ছবি তুলল এবং পাঠাল— তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।

  • Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির (Scam) কারণেই কমেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। অন্তত এমনই দাবি করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার হুগলিতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি বলেন, অভিভাবকরা ভয় পেয়েছেন। রাজ্য সরকারি স্কুল ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ওপর তাঁদের আর কোনও আস্থা নেই। সেই কারণেই ছেলেমেয়েদের অন্যান্য বোর্ড এবং বেসরকারি স্কুলে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সবই রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতির ফল।

    পর্ষদের ব্যাখ্যা…

    বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গিয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯২৮ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাসের কারণ হিসেবে পর্ষদের ব্যাখ্যা, করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে হয়তো পড়ুয়াদের একাংশ পরীক্ষায় বসছে না। অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে যে গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, সেই গ্যাপের কারণেই এটি হতে পারে বলে ব্যাখ্যা ছিল পর্ষদের। পর্ষদের এও ব্যাখ্যা, ২০১৭ সালের অ্যাডমিশন রুলসে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল। সেই বছর তিনটি বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল ২০১৭ সালের ভর্তির জন্য। ২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তিতে ফ্লেক্সিবিলিটির জায়গাটি বাদ গিয়েছিল। যার ফলে একটি বড় সংখ্যক পড়ুয়া অ্যাডমিশন নিতে পারেনি। সেটিও একটি কারণ হতে পারে। কারণ ২০১৭ সালে যারা ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছিল, তারাই এবার দিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পর্ষদ কোভিডের ঘাড়ে বন্দুক রাখতে চাইছে। আমি তো আগেই বলেছি, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর একটি বড় হাত হল অজুহাত। তিনি বলেন, অন্যান্য রাজ্যে কিন্তু করোনার পর কমেনি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, শিক্ষা দুর্নীতির জেরে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, গত ১১-১২ বছরে সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো তলানিতে এসে ঠেকেছে। ফুলে ফেঁপে উঠছে বেসরকারি স্কুলগুলির ব্যবসা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, পরিকল্পনা মাফিক সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। যাতে বেসরকারি স্কুলের মালিকরা আরও বেশি করে মুনাফা লুঠতে পারেন। এটি একটি বিরাট চক্রান্ত, বলছেন সুকান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

        

     

  • Sansad Ratna Award 2023: প্রথমবার লোকসভায় গিয়েই দুরন্ত পারফরম্যান্স! ‘সংসদ রত্ন’ হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার

    Sansad Ratna Award 2023: প্রথমবার লোকসভায় গিয়েই দুরন্ত পারফরম্যান্স! ‘সংসদ রত্ন’ হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের জয়ের রথ যেন থামতেই চাইছে না। জীবনে প্রথমবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই হয়েছিলেন সাংসদ। এবার এল আরও এক সাফল্য। প্রথমবার আইনসভায় এসেই দেশের সেরা সাংসদ হওয়ার তালিকায় নাম জুড়ল তাঁর। পেতে চলেছেন ‘সাংসদ রত্ন’ সম্মান (Sansad Ratna Award 2023)। একসময় এই সম্মান পেয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, লালকৃষ্ণ আদবানি, প্রণব মুখার্জিরা। সেই দলেই নাম লেখাতে চলেছেন সুকান্ত। এ যেন এক বিরল নজির। প্রথম বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েই এই সম্মান খুব কম মানুষই পেয়েছেন। 

    প্রথমবারের সাংসদ হলেও কোনও জড়তা ছিল না পেশায় অধ্যাপক সুকান্তর (Sansad Ratna Award 2023) মধ্যে। বরং প্রথম দিন থেকেই সাংসদে তাঁর উপস্থিতি, কড়া প্রশ্নবাণ, বার বার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সকলের। আর সেই কারণেই তাঁর ঝুলিতে আসতে চলেছে এই সম্মান।

    তালিকায় দ্বিতীয় সুকান্ত   

    মঙ্গলবার দিল্লিতে সংসদ রত্ন পুরষ্কার কমিটি এই সম্মানের ঘোষণা করেছে। সেখানেই ঘোষণা করা হয় সুকান্ত মজুমদারের (Sansad Ratna Award 2023) নাম। প্রাইম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে সেরা ১৩ জন সাংসদ এবং ১ জন বর্ষিয়ান সাংসদকে তাঁদের জনহিতকর প্রশ্ন ও সরকারকে দিশা দেখানোর কর্মকুশলতার জন্য এই সংসদ রত্ন সম্মানে ভুষিত করা হয়েছে। এই ১৩ জনের মধ্যে আটজন লোকসভার এবং পাঁচজন রাজ্যসভার। এই সাংসদের মধ্যে তিন আবার অবসরপ্রাপ্ত। এ ছাড়া ২টি সংসদীয় কমিটির সদস্য ও একজন সাংসদকে সারা জীবনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই ১৩ জন সাংসদের নামের তালিকার মধ্যে বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের নাম রয়েছে দু’নম্বরে।

    আরও পড়ুন: কে ‘কালীঘাটের কাকু’ তা খোলসা করলেন তাপস মণ্ডল, জানেন তাঁর বাড়ি কোথায়?

    জানা গিয়েছে, এই কয়েক বছরে সংসদ কক্ষে প্রশ্ন করায় সমস্ত রেকর্ড ভেঙেছেন সুকান্ত (Sansad Ratna Award 2023)। ৫২২ টি প্রশ্ন করেছেন তিনি। যা সাংসদদের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রশ্নগুলি মূলত স্বাস্থ্য পরিষেবা,  শিক্ষা, পরিকাঠামো, কৃষি এবং পরিবেশ সহ বিস্তৃত বিষয়ের উপর করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি সংসদে ৩২ টি বিতর্কেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। তাঁর এই সম্মানে খুশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁরা মনে করছেন, এই সম্মান‌ই প্রমাণ করছে সাংসদ হিসেবে সুকান্ত মজুমদার ঠিক কতটা দক্ষ।

    সুকান্ত ছাড়াও এ রাজ্য থেকে এই সম্মান পাচ্ছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কুকথা বলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তার পরেও তিনি দিব্যি রয়েছেন মন্ত্রীর চেয়ারে। এদিন সেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে।

    সুকান্ত বলেন…

    নীতি যাত্রা শেষে সোমবার পুরুলিয়া শহরের একটি সভায় যোগ দেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন তৃণমূলকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, নিজেদের আদিবাসী দরদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করেনি, উল্টে আদিবাসীদের সঙ্গে নৃত্য করার সময় হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুকান্ত বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলেছিলেন, তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রিসভায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে। লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতাম মন্ত্রিসভা থেকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, দেখবেন, গ্রামে গিয়ে আপনার গরুটা, ছাগলটা যেন না চুরি করে নিয়ে যায় দূতেরা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে পুলিশ যাতে তৃণমূলের হয়ে কাজ না করে সে ব্যাপারেও তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাহলে তাঁরা যেন টুপি থেকে অশোকস্তম্ভ খুলে ফেলেন এবং হাওয়াই চটি লাগিয়ে নেন।

    মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডুকেও এদিন একহাত নেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলার সময় চুপ ছিলেন সন্ধ্যারানি। কারণ তাঁর পরিবারের লোকজনকে তিনি চাকরি করে দিয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্তরা কোনওভাবেই রেহাই পাবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, যদি কর চুরি, যত বড় হও দিদির ভাই, ধরবে তোমায় সিবিআই। তিনি বলেন, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেটকে দিয়ে সম্পত্তির হিসেব করিয়ে নিন। দরজায় সিবিআই, দুয়ারে সিবিআই চলে আসবে এবার। তখন বিজেপির পতাকা ধরলেও বাঁচা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • West Bengal BJP: ‘বিজেপি কারও বাড়ি ঘেরাও করে রাজনীতি করার বিরুদ্ধে’, সাফ জানালেন সুকান্ত

    West Bengal BJP: ‘বিজেপি কারও বাড়ি ঘেরাও করে রাজনীতি করার বিরুদ্ধে’, সাফ জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কারও বাড়ি টার্গেট করে আন্দোলন করে না বিজেপি (West Bengal BJP)। আমরা কারও বাড়ি ঘেরাও করে রাজনীতি করার বিরুদ্ধে। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বাড়ি ঘেরাও করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এই প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। রবিবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র বালুরঘাটে এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূলকে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি…

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই তৃণমূলের একমাত্র লক্ষ্য। নোংরা রাজনীতি আর দুর্নীতি করা ছাড়া ওদের আর কোনও কাজ নেই। কারও সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতেই পারে। তার জন্য আন্দোলন করার অনেক পথ রয়েছে। সুকান্ত বলেন, আমরাও ডিএম অফিস কিংবা অন্য কোনও সরকারি অফিস ঘেরাও করি। কিন্তু কারও বাড়ি টার্গেট করে আন্দোলন বিজেপি (West Bengal BJP) করে না। আমরা কারও বাড়ি ঘেরাও করে রাজনীতি করার বিরুদ্ধে। আমরা এর অবসান চাই। তিনি বলেন, তা না হলে আগামী দিনে আমরাও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘেরাও করব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, এই বাড়ি ঘেরাওয়ের রাজনীতি যদি বন্ধ না হয়, তাহলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিগুণ লোক নিয়ে অভিষেকের বাড়ি ঘেরাও করব।

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    এদিন শ্রীরামপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজ্য সভাপতি যখন বলেছেন, তখন নিশ্চয়ই ভেবেচিন্তে বলেছেন। মডেল তো ভালোই। ইট মারলে পাটকেল তো খেতেই হয়! তৃণমূলের নিশীথ প্রামাণিকের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ওই কর্মসূচিতে ১২০০ লোকও হয়নি। তিনি জানান, তাঁর একটা মিটিংয়ে এর চেয়ে ঢের বেশি লোক হয়। বিধাননগরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বিজেপির (West Bengal BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যদি ওরা মনে করে আমার নেতা-মন্ত্রী-সাংসদদের-বিধায়কের বাড়ি ঘেরাও করবে, তাহলে আমরাও পারি। অভিষেক কেন, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িও ঘেরাও করব আমরা।  


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
     

     

      

  • Sukanta Majumdar: ‘ডিএ দিতে পারবেন না…আপদ বিদায় হলেই মানুষের মঙ্গল’, মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ডিএ দিতে পারবেন না…আপদ বিদায় হলেই মানুষের মঙ্গল’, মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী ডিএ (DA) দিতে পারবেন না। রাজ্যের যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারবেন না। কোনও কিছুই যদি না পারেন, তাহলে মুখ্যমন্ত্রিত্বে থেকেও লাভ নেই। আপদ বিদায় হলেই বাংলার মানুষের মঙ্গল। শুক্রবার কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দিন কয়েক আগে বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে তিন শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। যদিও বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্মীদের সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি ম্যাজিসিয়ান নই। টাকা দাও বললেই হবে না, টাকা জোগাড় করতে হয়। কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা থ্রি পার্সেন্ট ডিএ দিয়েছি। এই প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    সুকান্ত বলেন…

    সুকান্ত বলেন, কেন্দ্রের বঞ্চনা বলতে উনি কী বোঝাতে চাইছেন, আমি জানি না। যদি ধরেই নিই কেন্দ্রে আবাস যোজনার টাকা বা ১০০ দিনের টাকা, যে টাকা এখন বন্ধ রয়েছে, সেই টাকার কথা বলছেন, তাহলেও প্রশ্ন, এই টাকায় কি ডিএ দেওয়া হয়?  তিনি বলেন, ডিএ তো দিতে হয় রাজ্য সরকারের নিজস্ব রোজগারের টাকা থেকে। এর পরেই সুকান্ত বলেন, উনি কর্মসংস্থানের জোগাড় করতে পারবেন না, রোজগার করতে পারবেন না, ডিএ দিতে পারবেন না, শুধু পদ অলঙ্কৃত করে থাকবেন! দরকার নেই এরকম আপদের। এর পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, আপদ বিদায় হলেই বাংলার মানুষের মঙ্গল।  

    আরও পড়ুুন: মোদির ওপর বিবিসি-র বানানো তথ্যচিত্র ‘প্রচার সর্বস্ব ভিডিও’, তোপ ব্রিটিশ সাংসদের

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্য যে টাকা পেত, ২০২২ সালে সেটা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেকথা বলেন না। অথচ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সেই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুধু মিথ্যে বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। এদিকে, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে দু দিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোম ও মঙ্গলবার ওই কর্মবিরতি পালিত হবে। অন্যদিকে, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার বিধানসভার উদ্দেশে একটি মিছিলও শুরু করে সরকারি কর্মচারীদের ৩০টি সংগঠন। যদিও সেই মিছিল গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মীদের ৩০টি সংগঠন। মিছিল করে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচিও নিয়েছিল তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তনু সেনের পর এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নিশানায় তৃণমূলের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়। শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়কে মেয়ে কীভাবে কোনও প্রবেশিকা ছাড়াই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন তা নিয়ে ট্যুইট করে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত। সুকান্ত লেখেন, “প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ না হয়েও ডোনার কোটায় মেডিক্যালে ভর্তি হয়েছেন বিধায়কের ছোট মেয়ে।” আরও প্রশ্ন করেন, “বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে কীভাবে মেডিক্যাল কলেজে ট্রান্সফার হল তাঁর?” কিছুদিন আগে, তৃণমূল সাংসদ শান্তুনু সেনের মেয়ের আরজিকরে ভর্তি নিয়েও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন সুকান্ত। সেই বিতর্ক ঠাণ্ডা হতে না হতেই আরও এক অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের 

    এদিন পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। প্রথমটিতে তিনি লিখেছেন, বিধায়ক ডঃ সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে সুবেশা বসু রায় কীভাবে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০২ সালে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত হলেন? একই সঙ্গে কনিষ্ঠ কন্যা শিল্পা বসু রায়ের কথাও উল্লেখ করেছেন সুকান্ত। তিনি দাবি করেছেন, কোনও পরীক্ষা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বিধায়কের মেয়ে। ‘ডোনার্স কোটা’য় পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

     

    শান্তনু সেনের মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও সে সময় প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ট্যুইটেই এই প্রশ্ন তুলছেন তিনি। সুকান্তর প্রশ্ন ছিল, মেডিক্যালে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৪৭৩ র‌্যাঙ্ক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পেলেন শান্তনুকন্যা সৌমিলি সেন? এর উত্তরে শান্তনু সেন জানিয়েছিলেন, সুবর্ণ বনিকদের জন্য যে আসন সংরক্ষিত থাকে, তাতেই পড়ার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর মেয়ে। মেয়েকে মানসিকভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন শান্তনু। তবে এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি সুদীপ্ত রায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share