Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুরের উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছে আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল লালবাজারে। তারপর সন্ধ্যাবেলায় ছাড়া পেলেন তিনি। এরপরেই তিনি সরাসরি চলে যান সিএমআরআই-এ। সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন কয়েকজন। আর তাঁদের দেখতেই পৌঁছে যান সুকান্ত মজুমদার। চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য লালবাজার থেকে সরাসরি যান হাসপাতালে। অন্যদিকে সুকান্ত মজুমদারের আগেই হাসপাতালে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    এদিন সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মোমিনপুরের ঘটনা নিয়ে তোপ দাগেন। এমনকি মমতার পদত্যাগের দাবি তুলে সরব হন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। রাজ্য পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলে আখ্যা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়?” তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, গত ২ দিন ধরে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে খিদিরপুর সংলগ্ন এলাকায় দুষ্কৃতি দ্বারা তাণ্ডব চলেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ফলে এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়? মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়? ফলে প্রথম থেকেই রাজ্যের বিরোধী দল মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ও এই পরিস্থিতির জন্য শাসক দলকেই কটাক্ষ করেছেন।

    অন্যদিকে আজ সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে শহরের পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপির কর্মীরা। মুরলীধর সেন লেন, এমজি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভে রাস্তায় নামেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গ্রেফতারির প্রতিবাদ ও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগে মুরলীধর সেন লেন থেকে বিজেপির মিছিল বের হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন কাউন্সিলর সজল ঘোষও। এদিকে মোমিনপুরের ঘটনার প্রতিবাদে এদিন রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্যরা। সেখান থেকে ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হন তাঁরা। এরপর লালবাজারে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে উত্তপ্ত মোমিনপুর। আজ সেখানেই যাচ্ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। যাওয়ার পথেই আটক করা হয়েছিল তাঁকে ও লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পরে তাঁকে সন্ধ্যাবেলায় ছেঁড়ে দেওয়া হয়। আবার মোমিনপুরের ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, এর ফলে রাজ্যপাল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) নবান্ন অভিযানে পুলিশের ধৈর্যের প্রশংসা করে গুলি চালানো নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অভিযোগ, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা নিতে চায়নি পুলিশ। অগত্যা ব্যাংকশাল কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুকান্ত।

    বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন ব্যাপক অশান্তি হয়। জখম হন এক পুলিশ কর্তাও। তাঁকে দেখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ওনাকে বলেছি, আপনাকে স্যালুট জানাই। আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতাম, তাহলে মাথায় গুলি করতাম। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। পুলিশ অভিযোগ না নেওয়ায় আদালতের শরণ নেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি। তাই আদালতের দ্বারস্থ হলাম।

    আরও পড়ুন : বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, এদিন ব্যাংকশাল কোর্টে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ওই ‘গুলি’ মন্তব্য নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দুই আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল ও অজিত মিশ্র আদালতকে বলেন, রাজ্যের শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে কর্মীদের ওপর অত্যাচার করে পুলিশ। লাঠি, কাঁদানে গ্যাস, বোম সহ নানা ধরনের পদক্ষেপ করা হয়। এর ফলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আবার বিজেপি কর্মীদেরই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। এর পর অভিষেক ওই মন্তব্য করেন। এই দুই আইনজীবী বলেন, এটি এক ধরনের অপরাধমূলক মন্তব্য। এ নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে নেওয়া হয়নি। তাঁদের প্রশ্ন, তাহলে মানুষ কোথায় অভিযোগ জানাতে যাবেন? শুনানি পর্ব চলাকালীন সরকারি আইনজীবীরা আদালতে হইচই করেন বলে অভিযোগ সুকান্তর। তিনি বলেন, তবে বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Subiresh Bhattcharya: সুবীরেশের গ্রেফতারির পরই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোড়ানো হচ্ছে ‘নথি’! ভিডিও প্রকাশ সুকান্তর

    Subiresh Bhattcharya: সুবীরেশের গ্রেফতারির পরই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোড়ানো হচ্ছে ‘নথি’! ভিডিও প্রকাশ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattcharya)। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে সোমবারই গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে সরকারকে আবারও কাঠগড়ায় তুলেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি নিজের ট্যুইটার ও ফেসবুক হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করে সরকারকে নিশানা করছেন।

    ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, রাতের বেলা কয়েকজন ব্যক্তি আগুনে কিছু কাগজ জাতীয় জিনিস পোড়াচ্ছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ওই ভিডিয়োটি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের। কেন রাতের অন্ধকারে নথি জ্বালানো হচ্ছে? তা নিয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এদিন সুকান্ত ট্যুইটারে বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতের অন্ধকারে নথি জ্বালাতে দেখা যাচ্ছে কিছু ব্যক্তিকে। এই নথি জ্বালানোর উদ্দেশ্য কী কীসের তথ্য গোপন করতে কী কী নথি জ্বালিয়ে ফেলা হল উপস্থিত ব্যাক্তিদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া উপাচার্যও নেই তো? প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই যায়। ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।’

    আরও পড়ুন: এবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য

    সুকান্ত মজুমদার ওই ভিডিয়োটি শেয়ার করতেই তা নেট মাধ্যমে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে। শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। যদিও এই ভিডিয়োর বিষয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, শুধুমাত্র কিছু পুরানো, অকেজো সামগ্রী পোড়ানো হয়েছে। ট্যুইট বার্তায় সুকান্ত আরও দাবি করেন, ‘তৃণমূল সরকারের হাতে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। এত লজ্জা বাঙালি রাখবে কোথায় ?’ 

    উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালায় অনেকদিন ধরেই সিবিআই-এর নজরে ছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুবীরেশ। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। সোমবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্তে সুবীরেশের বাঁশদ্রোণীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি সুবীরেশকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। প্রশ্নের উত্তরে অসন্তুষ্টি হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • BJP: বন্দরে আটক ২০০ কোটি টাকার হেরোইন আসছিল তৃণমূল নেতার জন্য?

    BJP: বন্দরে আটক ২০০ কোটি টাকার হেরোইন আসছিল তৃণমূল নেতার জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে কলকাতা বন্দরে (Calcutta Port) আটক হয়েছিল ২০০ কোটি টাকার হেরোইন। ওই হেরোইন দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক তৃণমূল (TMC) নেতাকে সরবরাহ করার জন্যই নিয়ে আসা হয়েছিল বলে দাবি বিজেপির (BJP)। হেরোইন (Heroin) এসেছিল শরিফুল এন্টারপ্রাইজের নামে। গিয়ার বক্সে লুকিয়ে কন্টেনার ভর্তি করে নিয়ে আসা হয়েছিল মাদক। বৃহস্পতিবার দলের রাজ্য  দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে এই অভিযোগ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

    যে পথে পাচার…

    তাঁদের দাবি, শরিফুল এন্টারপ্রাইজের মালিক শরিফুল ইসলাম মোল্লা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপির দাবি, শরিফুল সন্দেশখালি এক ও দুই নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শিবু হাজরা ও শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ। সম্প্রতি বন্দরে ধরা পড়ে ৪০ কিলোগ্রামে হেরোইন। যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা। বিজেপির এই দুই রাজ্য কর্তার দাবি, এই মাদক পাচারের সঙ্গে রাজ্যের দুই মন্ত্রীও যুক্ত। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল।   

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    চলতি মাসের ৯ তারিখে গুজরাট পুলিশের এটিএফ তল্লাশি চালায় কলকাতা বন্দরে। বাজেয়াপ্ত হয় দুশো কোটি টাকার হেরোইন। বিজেপির দাবি, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ওই পরিমাণ হেরোইন বুক করা হয়েছিল। মোট ৬০৫টি প্যাকেটে এবং আড়াই হাজার কিলোগ্রাম স্পেয়ার পার্টেসের সঙ্গে লুকিয়ে আনা হয়েছিল ওই মাদক। বন্দরে মাদক পড়ে রইলেও, শরিফুল তা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়ে যাননি। পদ্ম শিবিরের দাবি, দূষণ সংক্রান্ত সার্টিফিকেটের সমস্যার কথা জানিয়ে বন্দর থেকে ওই মাদক ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি। পরে বাজেয়াপ্ত করা হয় কন্টেনার। বিজেপির অভিযোগ, এর পরে পরেই হাওয়া হয়ে যান শরিফুল। তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গেরুয়া নেতৃত্ব।

    সুকান্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন সিবিআইয়ের থেকে রাজ্যের সিআইডি বেশি কার্যকর। সেই কারণে আমি চাইব, শরিফুল কোথায় আছেন, রাজ্যই তা খুঁজে বার করুক। জানা গিয়েছে, শরিফুলের এক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সন্দেশখালির ব্লক ২ এর তৃণমূল সভাপতি শেখ শাহজাহান রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেন। দুর্নীতির কারণে সম্প্রতি ওই মন্ত্রীর দফতর বদল হয়েছে বলেও মনে করিয়ে দেন বিজেপির ওই দুই নেতা। মাদক ব্যবসার জন্য একশো কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শরিফুল ওই টাকা কোথায় পেয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার বলেও দাবি করেন সুকান্ত। শরিফুলের সঙ্গে তৃণমূলের দুই নেতার ফোনে কথাবার্তার রেকর্ডিং তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান সুকান্ত ও জগন্নাথ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sukanta Majumdar: আহত পুলিশকর্তাকে ফোন করে খোঁজ নিলেন সুকান্ত, বললেন ‘‘উনিও তো মানুষ…’’

    Sukanta Majumdar: আহত পুলিশকর্তাকে ফোন করে খোঁজ নিলেন সুকান্ত, বললেন ‘‘উনিও তো মানুষ…’’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নবান্ন অভিযানকে (BJP Nabanna Abhijan) কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড হয় মঙ্গলবার। গতকালের ঘটনায় বহু বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। আহত হন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত। এছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছেন এক  পুলিশকর্তা। গতকালের বিজেপির অভিযানে ডিউটিতে ছিলেন পুলিশ কর্তা দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই অভিযান চলাকালীন যে রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়েছিল সেই সময়েই গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। আর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা জানতে খোঁজ নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    তিনি বলেন, “খোঁজ নিই উনি কেমন আছেন। হাজার হোক উনিও তো মানুষ আমাদেরই মতন। কথা হল। খুব ভাল নেই বললেন উনি। একটু অসুবিধা আছে। কথা বলতে পারছেন স্পষ্টভাবে। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবেন।” বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, তিনি বুধবার সকালেই পুলিশ কর্তাকে ফোন করেছেন ও তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন আছে, তার খোঁজ নিয়েছেন। ফলে সুকান্ত মজুমদারের এমন কাজে অনেকেই তাঁর প্রশংসা করেছেন। কারণ তিনি এমন পরিস্থিতিতে একজন মানুষ হয়ে একজনের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। গতকাল রাজ্যের বিরোধী দলের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা সবকিছু ভুলে পুলিশকর্তার খোঁজ নেওয়াতে তাঁর প্রশংসা করা হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও।

    আরও পড়ুন:‘ ‘রাজ্যটাকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন ‘লেডি কিম’…’’, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, গতকালের ঘটনায় দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায় সহ আরও বেশ কিছু পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। দেবজিৎ বাবু মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর তাঁকে দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখনও তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

    এছাড়া গতকাল বিজেপি কর্মীরাও আহত হয়েছেন। ফলে বুধবার আহত কর্মীদেরও দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কলকাতার দু’টি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আহত বিজেপি কর্মীরা। তাদের দেখতে দুপুর একটা নাগাদ বিশুদ্ধানন্দ হাসপাতাল এবং পরে মেডিক্যাল কলেজে যান তিনি। বিজেপি থেকে দাবি করা হয়েছে যে, পুলিশের মারে আহত হয়েছেন তাদের ১২৩৫ জন কর্মী। পুলিশের মারেই মাথা ফেটে যায় বিধায়ক মীনাদেবী পুরোহিতের।  

    আরও পড়ুন: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যটাকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন ‘লেডি কিম’…’’, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যটাকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন ‘লেডি কিম’…’’, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhiyan) থেকেই পরের নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। এদিন লালবাজার (Lalbazar) থেকে ফেসবুক লাইভের (Suvendu Facebook Live) মাধ্যমে মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘লেডি কিম’ উল্লেখ করে তীব্র আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। একইসঙ্গে জানিয়ে রাখলেন, ক্ষমতায় এলে ভাইপো সহ-আইপিএসদের ভিতরে ঢোকানো হবে।

    রাজ্যে ক্রমবৃদ্ধিমান দুর্নীতির (West Bengal Corruption) বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল বিজেপি (BJP)। ডাক দেওয়া হয়েছিল নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan)। সেখানই, আলিপুর পিটিএসে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর অ্যাপ্রোচ ওয়ের কাছে আটক করা হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। একইসঙ্গে আটক করা হয় লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) ও রাহুল সিনহাকে। তাঁদের সকলকে নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। সেখান থেকে ফেসবুক লাইভ করেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) বিধায়ক বলেন, ‘‘আজকে আমার দায়িত্ব ছিল আমাদের যে মিছিল সাঁতরাগাছি থেকে বের হবে, তার নেতৃত্ব দেওয়া। জগিং করার পোশাক পরে কিছু মহিলা পুলিশ কর্মী ছিলেন ওখানে। পোশাক নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। সাধারণ ভাবে আমরা যাদের গুন্ডা বলি। লিঙ্গ পরিবর্তন করলে হয় গুন্ডি। তারা রাহুল সিনহাকে চোখে, হাতে আঁচড়ে দিয়েছে। বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী বা শ্বশুর-বউমা ঝগড়া হলে যেমন হয় তেমন ভাবে আঁচড়ে দিয়েছে।’’

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যে এক দশকের বেশী সময় ধরে যে দুর্নীতি হচ্ছে, সেই দুর্নীতির যিনি কিংপিন তাঁকে আজ আমি নতুন নাম দিয়েছি লেডি কিম। পার্টির ক্যাডাররা ঘরে ঢুকে গেছে। পুলিশগুলোকে বাধ্য করা হয়েছে রাস্তায় নামতে। আর জ্ঞানবন্ত সিংয়ের (Gyanwant Singh) মতো কিছু বাছাই করা আইপিএস অফিসারদের ব্যবহার করা হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ক্ষমতায় এলে আজকে যে আইপিএস-রা শাসকের দলদাসের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তাঁদের ভেতরে ঢোকানো হবে। তিনি বলেন, ‘‘কোনও প্ররোচনায় পা দেবে না। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই হবে। ডিসেম্বরের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার চালাতে পারবে না। এই আইপিএসগুলোকে ভেতরে ঢোকাবো। ভাইপোতো যাবেই। একদম প্ররোচনায় পা দেবেন না। আইনি লড়াই করবই। কোন কর্মী যেন লস না হয়।

    এদিন আটক হওয়ার আগে, শুভেন্দু বলেছিলেন, রাজ্যবাসীর সমর্থন হারিয়ে এখন উত্তর কোরিয়ার মতো পশ্চিমবঙ্গে স্বৈরতন্ত্র স্থাপন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়ে রাখেন, সোমবার থেকে পুলিশ যেভাবে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে, তার ফল ভুগতে হবে। তিনি জানিয়ে রাখেন, ‘‘বিজেপি আসছে…।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    Suvendu Adhikari Detained: আলিপুরে শুভেন্দুকে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ, আটক লকেট-রাহুলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। গণতান্ত্রিক মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে রুখতে বলপ্রয়োগ করল মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। বিজেপির নবান্ন অভিযানের (BJP Nabanna Abhijan) শুরুতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করল পুলিশ (Suvendu Adhikari Detained)। একইসঙ্গে আটক করা হল বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) ও নেতা রাহুল সিনহাকেও (Rahul Sinha)। 

    এদিন, আলিপুর পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পিটিএস (Alipore PTS) থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু (Vidyasagar Setu) হয়ে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন শুভেন্দু, লকেট এবং রাহুলরা। কিন্ত শুরুতেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সামনে পুলিশ ব্যারিকেডের কাছেই বাধা দেওয়া হয় শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu)। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শুভেন্দু, লকেটরা। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    শুভেন্দুর অভিযোগ, মহিলা পুলিশরা তাঁর গায়ে হাত দিয়েছেন। এদিন পুলিশকর্মী শুভেন্দুকে ভ্যানে তুলতে এগোলে শুভেন্দু মহিলা পুলিশকর্মীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি মহিলা। আমার গায়ে হাত দেবেন না।’ নন্দীগ্রামের বিধায়কের রাস্তা আটকে পুলিশ মস্করা করছে বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। এর পরই তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। একইসঙ্গে আটক করা হয় লকেট ও রাহুল সিনহাকেও। এই প্রেক্ষিতে পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

    তবে শুভেন্দুকে তুললেও, তাঁর নেতৃত্বাধীনে থাকা মিছিল থেমে থাকেনি। শুভেন্দুকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যাওয়ায় সাঁতরাগাছি থেকে শুরু হওয়া বিজেপির মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ()Saumitra Khan)। মিছিলে পা মেলাচ্ছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক ডিন্ডা (Ashok Dinda)। অন্যদিকে, হাওড়া স্টেশন থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে নবান্নমুখী মিছিল শুরু হয়েছে। দক্ষিণ আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালও (Agnimitra Pal) রয়েছেন এই মিছিলে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষও (Former IPS Bharati Ghosh) এই মিছিলে পা মেলাচ্ছেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Nabanna Abhijan: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    BJP Nabanna Abhijan: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক সরকারি দুর্নীতিতে জেরবার রাজ্য। এক-এক করে রাজ্যের শাসক দলের (TMC) নেতা-মন্ত্রীদের কেলেঙ্কারি ফাঁস হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়ে পথে বিজেপি (BJP)। প্রবল বৃষ্টি, দুর্যোগ ও প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করেই আজ, মঙ্গলবার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী নবান্ন অভিযান করছে বিজেপি (BJP Nabanna Abhijan)। দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই রাজ্য বিজেপির আজকের নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan)। 

    ইতিমধ্যেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। হাওড়ায় সকালেই এসেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ, তার মধ্যেই যাঁরা হাওড়া এসে পৌঁছেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানালেন সুকান্ত।  এদিন কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা করতে লড়াইয়ের ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি চলবে, নেমেছে তাপমাত্রার পারদ, বুধে বৃষ্টি কমার পূর্বাভাস

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘চারিদিকে পুলিশ দিয়ে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ রাজ্য সরকার বিজেপির ভয়ে থরহরি কম্প। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়েছেন। তাই বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। লড়াই হবে লড়াই!’’ পুলিশি তৎপরতা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, ‘‘বিজেপি উৎশৃঙ্খলতাতে বিশ্বাসী নয়। পুলিশের কাছে আমাদের আবেদন, আপনাদের যে সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে, সেটাই পালন করুন। নয়তো আইনশৃঙ্খলা কোনওভাবে বিঘ্নিত হলে সেই দায় পুলিশ প্রশাসনের উপরই পড়বে।’’

    আজ বিভিন্ন দিক দিয়ে বিজেপির মিছিল নবান্নমুখী (Nabanna) হবে। এক-এক দিকের নেতৃত্ব দেবেন এক-এক জন নেতা। যেমন, হাওড়া ময়দানের দিক থেকে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে মিছিল এগোবে নবান্নর দিকে। আরেকচি মিছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu) নেতৃত্বে সাঁতরাগাছি থেকে আসবে। আবার দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তৃতীয় মিছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে মহাত্মা গান্ধী রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হাওড়া ব্রিজ অ্যাপ্রোচ রোড হয়ে এগোনোর কথা। বিজেপির নবান্ন অভিযানের আগে সোমবার রাজ্যের বাকি বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Nabanna Abhijan: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    BJP Nabanna Abhijan: দুর্নীতি নয়, বিজেপির নবান্ন অভিযান আটকাতেই সক্রিয় মমতার পুলিশ! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নবান্ন অভিযানকে (BJP Nabanna Abhijan) ঠেকাতে একেবারে উঠেপড়ে লেগেছে রাজ্যের শাসক দল (TMC Government)। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি (West Bengal Corruption) এবং তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা-মন্ত্রীদের কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি (TMC Minister Leaders Corruption) এক এক করে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এমনিতেই বেকায়দায় মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। 

    এই দুর্নীতির প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার, নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছে বিজেপি (BJP)। প্রথম থেকেই তা বানচাল করার উদ্দেশে, পুলিশ এই গণতান্ত্রিক অভিযানের অনুমতি দেয়নি। উল্টে, দিকে দিকে থেকে নবান্নর দিকে আসা বিরোধী নেতা-কর্মীদের কোথাও আটক করা হয়েছে, তো কোথাও টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে হেনস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের যাবতীয় মেশানারিকে ব্যবহার করে যেনতেন প্রকারে গেরুয়া-ঝড় রুখতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পেয়েছেন মমতা…লড়াই হবে লড়াই’’, নবান্ন অভিযানের আগে হুঙ্কার সুকান্তর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে মিছিল আসবে সাঁতরাগাছি থেকে। তার আগে সকালেই গার্ড রেল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় কোনা এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ। শুধু বসানো নয়, একেবারে গার্ড রেল ঝালাই করে রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মজুত রয়েছে ২টি জল কামান। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। হাওড়া ময়দান থেকে সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে মিছিল আসার কথা। সেখানে জিটি রোডের ওপর তৈরি করা হয়েছে পুলিশি ব্যারিকেড। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে গুঁড়িয়ে দিতে তৎপর মমতার পুলিশ (West Bengal Police)। সাঁতরাগাছিতে ইস্পাতের ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট তিনি কতটা ভীত ও উদ্বিগ্ন। 

    অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের (Nandigram) ক্ষুদিরাম মোড়ে বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপির মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। তমলুক (Tamluk) টোল প্লাজার সামনেও বিজেপির মিছিল রুখে দেয় পুলিশ। নবান্ন অভিযান আটকাতে কাঁথি স্টেশনে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ। পুলিশি বাধা টপকেই কাঁথি স্টেশন থেকে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি চলবে, নেমেছে তাপমাত্রার পারদ, বুধে বৃষ্টি কমার পূর্বাভাস

    রানিগঞ্জ স্টেশনে বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় উর্দিধারীদের। কয়েকজন জোর করে স্টেশনে ঢুকে পড়লে ৫ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কুলটির বরাকর স্টেশনেও বিজেপি কর্মীদের দেখে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় পুলিশ কর্মীদের। একজনকে গ্রেফতার করা হয়। আবার, নবান্ন অভিযানে যাওয়ার আগে বোলপুর (Bolpur) স্টেশনে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাঁধে। স্টেশন চত্বর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করায় বোলপুর স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। 

    বিজেপির নবান্ন অভিযান প্রতিহত করতে শাসক শিবির যে কোনও কসুর রাখছে না, তা স্পষ্ট। বিরোধীদের কটাক্ষ, দুর্নীতি নয়, এরাজ্যের পুলিশ সদা-সক্রিয় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে। তাই তো বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে হাজারে-হাজারে পুলিশ মোতায়েন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: চিঠির পর এবার সটান রাজভবনে সুকান্ত, ‘খেলা হবে দিবসে’ তৃণমূলকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির 

    Sukanta Majumdar: চিঠির পর এবার সটান রাজভবনে সুকান্ত, ‘খেলা হবে দিবসে’ তৃণমূলকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি (BJP) নেতাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এজন্য রাজ্যের শাসকদলকেই কাঠগড়ায় তুলেছে গেরুয়া শিবির। স্বাধীনতা দিবসের দিন এই অভিযোগ তুলে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিল রাজ্য বিজেপি। মঙ্গলবার দলীয় নেতাদের নিয়ে সটান রাজভবনে গিয়ে হাজির হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যপাল লা গণেশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বেরিয়েই নিশানা করলেন তৃণমূলকে (TMC)। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠবে না জেনেই তৃণমূল পুলিশকে সামনে রেখে হিংসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ সুকান্তের।

    ফালাকাটায় বিজেপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। বাগনানেও এক বিজেপি নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। এজন্য তৃণমূলের খেলা হবে (Khela Hobe) স্লোগানকেই দায়ি করে এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলে সোমবার রাজ্যপালকে চিঠি দেয় বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে উপস্থিত হন সুকান্ত। বেরিয়েই তিনি বলেন, আশঙ্কা নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছি। গতকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। যেভাবে একের পর এক মন্ত্রী, তৃণমূলের নেতারা চুরি, গরুপাচার এবং টাকা রাখার দায়ে ধরা পড়ছেন, তাতে আগামী দিনে হয়তো আরও বাড়বে। গণতান্ত্রিকভাবে তৃণমূল সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে। বাংলার বাসে ট্রামে চোর চোর শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হিংসাই একমাত্র আশ্রয় তৃণমূলের। গণতান্ত্রিকভাবে লড়তে না পেরে আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে পুলিশকে সামনে রেখে এই কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেতাদের মুখে খেলা হবে স্লোগান শোনা যায়। ভোটের পর ১৬ অগাস্ট দিনটি খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করা হয়। এদিন সুকান্ত বলেন, তৃণমূল খেলতে চায়। তাদের খেলার লোকের অভাব নেই। কারণ পশ্চিমবঙ্গে যত গুন্ডা মস্তান রয়েছে, তারা সব তৃণমূলের ছত্রছায়ায়। সব থেকে বড় গুন্ডা তৃণমূলের পুলিশ। তিনি বলেন, খেলতে আপত্তি নেই আমাদের। কিন্তু সমানে সমানে খেলা হওয়া উচিত। সমান মাঠ তৈরি করে দিন, বিজেপি ভাল খেলে দেবে। আমাদের বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। ভাল ব্যাটিং করবে। সুকান্ত বলেন, পুলিশকে সরিয়ে দিন না, দেখি কত বড় খেলোয়াড় তৃণমূল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই শুরু করেছেন মাননীয় নরেন্দ্র মোদিজি, সেই লড়াই চলছে, চলবে। বাংলা নয়, গোটা দেশে রাজনীতি যে রোজগারের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা ভাঙতে চাই। দু চারটি সেতু, রাস্তা তৈরি করতে আসেননি প্রধানমন্ত্রী। ভারতবর্ষের রাজনীতিকে পরিবর্তন করতে ভারতবাসীর চিন্তাধারা পরিবর্তনের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক পরিবার অন্য পরিবারের ক্ষতি করবে না, এই প্রথা থেকে ভারতের রাজনীতিকে বার করে আনতে হবে। পারিবারিক রাজনীতি থেকে বার করে আনতে হবে দেশকে।

    অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, সায়গল পুলিশের সাধারণ সাব ইন্সপেক্টর। তার পক্ষে এই চক্র চালানো সম্ভব নয়, যদি না পিছনে রাজনৈতিক মদত থাকে। তাই সায়গল যে চক্র চালাত, বকলমে তা চালাতেন অনুব্রতই। তাঁকে দায় নিতে হবে। অপরাধী যিনি, তিনি সাজা পাবেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, গরু, কয়লাপাচার প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। প্রশাসন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। কেউ ছাড় পাবে না। সকলকে আইনের আওতায় আনা উচিত। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই, মুখ্যমন্ত্রীও নন। যদি দেখা যায় তাঁর নাম জড়িয়ে যাচ্ছে, তাঁর বাড়িতেই সিবিআই, ইডি যাবে। সম্প্রতি গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়া অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, চোর বাঁচাও আন্দোলন চলছে।

    এদিকে, ১৬ অগাস্ট তৃণমূলের খেলা দিবস পালনের কর্মসূচিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইটবার্তায় তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬ অগাস্ট দিনটিকেই বেছে নিয়েছেন খেলা হবে দিবস হিসেবে। এই দিনেই মুসলিম লিগ ডিরেক্ট অ্যাকশন শুরু করেছিল। যা পরে গণহত্যার আকার নেয়। এতে প্রাণ হারান লক্ষ লক্ষ বাঙালি হিন্দু। তাঁর এই প্রচেষ্টা ভয় জাগাবে। ১৯৪৬ সালে ভারতীয় ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায় যেভাবে ভারত জাতীয় বাহিনী গড়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, বিজেপিও তেমনি করবে।  

     

LinkedIn
Share