Tag: Sukanta Majumdar

Sukanta Majumdar

  • Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীপক্ষের শুরুতেই বাঙালিদের জন্য পুজোর উপহার দিল মোদি সরকার। বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language) তকমা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সাহিত্য অ্যাকাডেমি নিয়ন্ত্রণাধীন ভাষা বিশেষজ্ঞ কমিটি (Linguistics Experts Committee) গত ২৫ জুলাইয়ের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলা-সহ মোট পাঁচটি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুজোর মুখে সেই কথা জানাল কেন্দ্র। 

    কোন কোন ভাষা ধ্রুপদী ভাষা

    এবার মারাঠি, পালি, প্রাকৃত, অসমিয়ার সঙ্গে বাংলাকেও ‘ক্ল্যাসিক্যাল’ ভাষার (Bengali Language) মর্যাদা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ফলে এই তালিকায় জায়গায় পাওয়া ভাষার সংখ্য়া দাঁড়াল ১১। যা আগে ছিল ৬। আগে এই তালিকায় ছিল তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালায়লাম এবং ওড়িয়া। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ধ্রুপদী ভাষা কী

    কোনও ভাষার (Bengali Language) ইতিহাস বা প্রাপ্ত নথির বয়স যদি ১,৫০০ থেকে ২০০০ বছর হয়, আদি ভাষা এবং সাহিত্যের সঙ্গে বর্তমানের ভাষা এবং সাহিত্যের ফারাক যদি স্পষ্ট হয়, তবেই সেই ভাষাকে ধ্রুপদীর স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) বিস্তারের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একাধিক দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্কৃতের জন্য তিনটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রেও এধরনের পদক্ষেপের সুযোগ থাকবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রথম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল তামিল। 

    ধ্রুপদী মর্যাদা পাওয়ার ফলে কোন কোন সুবিধা 

    এই স্বীকৃতি পেলে সেই ভাষা (Classical language) নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেয় কেন্দ্র। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলাদা বিভাগ বা কেন্দ্র গঠন করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সেই ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language)  মর্যাদা পেলে তাতে লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি, এবং দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগী হওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রাপ্ত ভাষাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পাওয়ার ফলে বাংলার সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের জন্য বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননার ব্যবস্থাও করা হবে। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদার কারণে পেশাদারী ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহারিক প্রয়োগ আরও যে বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর ফলে কর্মসংস্থান এবং আর্থিক লাভের সম্ভাবনা হবে বলেও কেন্দ্র সরকারের দাবি।

    ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    বাংলা (Bengali Language) ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) তকমা পাওয়ায় খুশির হাওয়া সর্বত্র। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আপামর বাঙালিকে পুজোর আগে বিশেষ উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘কেন্দ্রের এই স্বীকৃতি যারা বাংলায় কথা বলেন তাঁদের কাছে পুজোর সেরা উপহার। এই স্বীকৃতির ফলে বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেবে কেন্দ্রীয় সরকার, এর ফলে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।’’

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মতে, বাঙালিদের জন্য এটা ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’। তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র রাষ্ট্রের দরবারে বাংলা ভাষাকে অন্যতম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সুদীর্ঘকাল ধরে প্রতিটি বাঙালির মাতৃভাষাকে ঘিরে যে স্বপ্ন, তা আজ পূরণ হল প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে।’’ একটি ‘স্ক্রিনশট’ও তিনি শেয়ার করেছেন। সেখানে জানানো হয়েছে, তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, ওড়িয়ার সঙ্গে ধ্রুপদী ভাষার তালিকায় জুড়ল বাংলা, মরাঠি, পালি, অহমিয়া এবং প্রাকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি।

    স্বাস্থ্যব্যবস্থা লুটের আখড়া (Sukanta Majumdar)

    মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে ময়না তদন্ত করতে গেলে টাকা দাবি করা হয়। এনিয়ে কয়েকদিন আগে ওই হাসপাতালে গন্ডগোল হয়। এই প্রসঙ্গে এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “শুধু মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ নয়, পশ্চিমবঙ্গ বঙ্গের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে এক অবস্থা। কোনও রোগী মারা গেলে ময়নাতদন্ত করতে গেলে বলে দশ -পনেরো হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে বডি সেলাই করবে না। এই তৃণমূল সরকারের (Trinamool Congress) আমলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটা লুটের আখড়ায় পরিণত হয়ে গিয়েছে। এই সরকারের আমলে মানুষ হাসপাতালে গেলে মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। হাসপাতালে ডাক্তাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। তৃণমূল তো এই রাজ্যটাকে মানুষ খুনের যন্ত্র বানিয়ে দিয়েছে। মানুষ হাসপাতালে গেলে বাঁচবে, না মরবে তার কোনও ভরসা নেই।”

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ফের নিম্নচাপ! ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরেও বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    মৃত বিজেপি নেত্রীর পরিবারের পাশে সুকান্ত

    এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বালুরঘাট হাসপাতালের চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মামনি বর্মনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন সুকান্ত মজুমদার। মৃত বিজেপি নেত্রীর নাবালিকা মেয়ের হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি মৃত মামনি বর্মনের নাবালক ছেলেকেও এক লক্ষ টাকার চেক দেবেন বলে জানালেন। মৃত বিজেপি নেত্রীর নাবালক ছেলে এবং মেয়ের পড়াশুনা এবং ভবিষ্যতের কথা ভেবেই মোট দুই লক্ষ টাকা দেওয়া হয় বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে বিজেপি নেত্রী মামনি বর্মনের মৃত্যু হয়েছে দিন কয়েক আগে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কারণে তার পরিবার থেকে সেদিনই বালুরঘাট থানায় অভিযোগ করা হয়। কিন্তু, সেই মামলায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে দলের পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরজি কর ইস্যুতে উত্তাল বাংলা, বিজেপিকে আন্দোলনের রূপরেখা করে দিলেন শাহ-নাড্ডা

    BJP: আরজি কর ইস্যুতে উত্তাল বাংলা, বিজেপিকে আন্দোলনের রূপরেখা করে দিলেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর ইস্যুতে উত্তাল হয়েছে বাংলা। জন-আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম থেকে শহরে। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকেই অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে এই আন্দোলনে। এই আবহে লাগাতার কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি (BJP)। আরজি কর ইস্যুতে নবান্ন অভিযানে ছাত্র সমাজের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করলে, তার পরের দিনই বনধ ডাকে গেরুয়া শিবির। ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় বিজেপির ডাকা বনধে। এই অবস্থায় সংগঠনের পরবর্তী কর্মসূচির রূপরেখা ঠিক করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    পুজো মিটলেই ফের বাড়বে আন্দোলনের ঝাঁঝ (BJP) 

    সূত্রের খবর, আরজি কর ইস্যুতে বিজেপির (BJP) আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়তে চলেছে। পুজো মিটলেই আরও বড় কর্মসূচি নিতে চলেছে রাজ্যের গেরুয়া শিবির। কারণ আরজি কর ইস্যুতে মানুষের মধ্যে সরকার বিরোধী ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি জেপি নাড্ডার সামনে আরজি করের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তারিত রিপোর্ট তুলে ধরেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী।

    রাজ্যে পুজো উদ্বোধনে অমিত শাহ?

    এর পাশাপাশি চলতি বছরে দুর্গাপুজোয় (BJP) অমিত শাহের কর্মসূচি চূড়ান্ত করতেও একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সোমবার রাতের এই বৈঠকে একাধিক রাজ্যের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বসেছিলেন অমিত শাহ। জেপি নাড্ডার বাসভবনেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আরজিকর কাণ্ডে পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সন্ত্রাস থেকে দুর্নীতি ইস্যু তো রয়েছেই, তার সঙ্গে নতুন করে মমতা সরকারের গলার কাঁটা হয়েছে আরজি কর। এরপর ২৬ সালে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে এখন থেকেই সেই ভোটকে পাখির চোখ করতে শুরু করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • BJP: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, মমতাকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, মমতাকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে হচ্ছিল মশাল মিছিল। রবিবার মিছিল করছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যাদবপুরে একটি মিছিল থেকে হঠাৎই কেউ বা কারা স্লোগান দেয় ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ (Kashmir Mange Azadi Slogan)। ঘটনায় বাম-তৃণমূলকে আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন সুকান্ত? (BJP)

    তিনি বলেন, “অতি বামেরা মূল আন্দোলনকে (আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলন) হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে। সেটা করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনেই। কারণ তারা জানে, এই স্লোগানগুলো উঠলে সাধারণ মানুষ আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসবে।” তিনি বলেন, “কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ আজাদি চায় না। তারা ভারতবর্ষকে নিয়ে খুশি আছে। এরাই নির্বাচনের সময় ‘নো ভোট টু বিজেপি’ স্লোগান তুলেছিল। এরা সামনে বামপন্থী, পেছনে তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী-সমর্থক।”

    তোপ শুভেন্দুরও

    ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, “পুলিশ তো এ নিয়ে কিছুই করবে না। এরাই নির্বাচনের সময় ‘নো ভোট টু মোদি’ স্লোগান তোলে। এরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাষ করা। মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যে দেশবিরোধী-রাষ্ট্রদ্রোহীদের লালন-পালন করছেন। এই কাজের সঙ্গে তাঁর দলেরও একটা অংশ যুক্ত রয়েছে। এটা আসলে দেশের মধ্যে আর (Kashmir Mange Azadi Slogan) একটা দেশ তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে (BJP)।”

    ডাক্তাররা চুপ কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    বিজেপি (BJP) নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন এই ইস্যুতে ডাক্তাররা চুপ কেন, তা নিয়ে। তিনি বলেন, ‘‘ঘটনার প্রতিবাদের মিছিল থেকে আজাদি স্লোগান উঠলেও ডাক্তারবাবুরা কথা বলেন না কেন? তাঁরা বিভিন্ন সময় প্রেস কনফারেন্স করেন, মানুষের কাছে সাহায্যের জন্য ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করে তার ডিটেইল্স সবাইকে দেন। তাঁদের অরাজনৈতিক মিছিলে বামপন্থী এবং অতি বাম ছাড়া সবাই ব্রাত্য সেটাও তারা বুঝিয়ে দেন। ভালো কথা, কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকি দিয়ে যে স্লোগান (Kashmir Mange Azadi Slogan) ওঠে সেই স্লোগানের বিপক্ষে একটা কথাও জুনিয়র ডাক্তারদের বলতে শোনা গেল না কেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘সাংসদকে খুঁজেই পাচ্ছেন না মানুষ’’, বন্যা-কবলিত ঘাটালে গিয়ে দেবকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘সাংসদকে খুঁজেই পাচ্ছেন না মানুষ’’, বন্যা-কবলিত ঘাটালে গিয়ে দেবকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি আর জলাধারের ছাড়া জলে বন্যা বিধ্বস্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘাটাল সাব ডিভিশন। বন্যা দুর্গতদের মানুষের কাছে পৌঁচ্ছে ত্রাণ বিলি করলেন বিজেপির বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি, তৃণমূল সাংসদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দেবের এলাকায় গিয়ে কটাক্ষও করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।

    তৃণমূল সাংসদকে কটাক্ষ (Sukanta Majumdar)

    বন্যা (Flood) বিধ্বস্ত মানুষদের মধ্যে ত্রিপল, শুকনো খাবার বিলি করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। ঘুরে দেখলেন এলাকাও। পরে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘ঘাটালের সাংসদকে এলাকার মানুষ খুঁজেই পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আমরা এখানে চাল, ডাল, শুকনো খাবার এবং ত্রিপল পলিথিন দিতে এসেছি।’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘যেখানে খোদ আইএএস অফিসারের স্ত্রী সুরক্ষিত নন, সেখানে রাজ্যের সাধারণ মহিলারা কীভাবে রয়েছেন তা আপনারা বুঝতেই পারছেন।’’ ঘাটালের পাশাপাশি হুগলির আরামবাগের খানাকুল ২ ব্লকের ১১টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ধান্যগোড়ি ও মাড়োখানা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে এখনও বন্যার জল পুরোপুরি নামেনি। বাকি পঞ্চায়েতগুলির মধ্যে জগৎপুর, রাজহাটি ১, পলাশপাই ১ ও চিংড়া পঞ্চায়েত এলাকার দু’তিনটি মৌজাতেও জল রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ফের গেরুয়া ঝড়, সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না তৃণমূলের

    রাজ্যকে তোপ সুকান্তর

    দুর্গতদের ত্রাণ দিতে এসে বন্যা পরিস্থিতির জন্য রাজ্যকেই দুষলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গত এক বছরে রাজ্যের কোথাও বাঁধ মেরামতি হয়নি। এক বছর আগেও বন্যাকে মুখ্যমন্ত্রী ‘ম্যান মেড’ বলেছেন, এ বারও বলছেন। কিন্তু সেই ‘ম্যান মেড’ বন্যা আটকাতে কী কাজ করেছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।’’ রাজ্যের নিজস্ব জলাধারগুলি থেকেও গত ১০ বছরে কোথাও পলি তোলা হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ।

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    আরামবাগের মায়াপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় দলীয় মঞ্চ থেকে কয়েকশো মানুষকে ত্রিপল ও শুকনো খাবার বিলি করেন সুকান্ত। সেখান থেকে খানাকুলের বন্যাবিধ্বস্ত তালিত গ্রামে যান (Sukanta Majumdar)। সুকান্ত বলেন, ‘‘টাকা-পয়সার বিনিময়ে তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের মদতেই এ সব হয়েছে। আমপানের ক্ষতিপূরণের জন্য পাঠানো হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের সঙ্গে কী রকম সম্পর্ক রাখবেন, আগে সেটা ঠিক করুন।”  তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা যুব সভাপতি পলাশ রায়ের দাবি, “রাজ্য নদী সংস্কার করেছে, পলি তুলেছে, বাঁধেরও সংস্কার করেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরজি কর ইস্যুতে দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, ফের পথে নামছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    BJP: আরজি কর ইস্যুতে দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, ফের পথে নামছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ধর্না অবস্থানের শেষ দিনের মঞ্চ থেকেই আগামীদিনে রাজ্যজুড়ে বিজেপির (BJP) একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বুধবার থেকে টানা দু’সপ্তাহ ব্যাপী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পথসভা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করছে পদ্ম শিবির। এদিন দমদম নাগেরবাজারে আরজি করের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব বিক্ষোভ মিছিল হবে। একই দাবিতে এদিন নিজের খাসতালুক কাঁথিতে পথে নামতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরজি কর ইস্যুকে হাতিয়ার করে শুধুমাত্র আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানোই নয়, আরজি করের ঘটনায় আন্দোলন জিইয়ে রাখতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি।

    বুধবার থেকে লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি (BJP)

    জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা দিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করবে বিজেপি। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির (BJP) নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচি বিজেপির। ‘থানা সাফাই’ অভিযানেরও ডাক দিয়েছে। ঝাঁটা আর গঙ্গাজল দিয়ে ২৩ তারিখ এই অভিযান করবে বিজেপির মহিলা মোর্চা। এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি রেল স্টেশনে সভা করার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ তারিখ কালীঘাট চলোর ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাজরা মোড়ে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার কর্মসূচির প্রথম দিন বিকেলে কাঁথির ভবতারিণী মন্দির থেকে মহামিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপি। যে কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন শুভেন্দু অধিকারী। মিছিল শেষে পথসভাতেও বক্তব্য রাখবেন শুভেন্দু। অন্যদিকে, এদিন বিকেলেই দমদমের নাগেরবাজার থেকে সেন্ট মেরি স্কুল পর্যন্ত বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন সুকান্ত।

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    এমনিতেই আরজি কর ইস্যুতেই প্রতিদিনই রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ। এই ইস্যুকে সামনে রেখে বিজেপির (BJP) নেতা-কর্মীরাও পথে থাকতে চাইছেন। এই আন্দোলন প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের এখন দফা এক দাবি এক মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। যতদিন না পর্যন্ত এই ঘটনায় যারা জড়িত তারা কঠোর শাস্তি পাচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন ততদিন পর্যন্ত বিজেপি রাস্তায় থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: মমতার পদত্যাগ-বিনীতের গ্রেফতারি চেয়ে আন্দোলনে বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব শুভেন্দু-সুকান্ত

    BJP: মমতার পদত্যাগ-বিনীতের গ্রেফতারি চেয়ে আন্দোলনে বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব শুভেন্দু-সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতার বিচার চায় বিজেপি (BJP)। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ ও কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়ালের গ্রেফতারিও চায়। এমনটাই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্যাতিতার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলনেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    সরকারি মদতেই খুন! (BJP)

    এদিন ধর্মতলার সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, প্রথম দিন থেকেই নির্যাতিতার বিচার চেয়ে নিঃস্বার্থভাবেই জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে রয়েছে বিজেপি (BJP)। প্রথম দিন থেকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। বিজেপিই প্রথম রাজ্যপালের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিল। এমনকী, কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিরও কাছে সিবিআই তদন্তের দাবি করে বিজেপি। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি মদতে এই খুন হয়েছে। পুলিশমন্ত্রী সরাসরি যুক্ত বলেও এদিন দাবি করেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘টালা থানার ওসির গ্রেফতারি প্রমাণ করে দিল যে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এখন মিথ্যার পর মিথ্যা কথা বলেছেন। টালা থানার ওসির বাড়িতে সহমর্মিতা দেখানোর জন্য পুলিশ পাঠিয়েছেন যাতে সিবিআইয়ের কাছে বিনীত গোয়ালের নাম না নেন অভিজিৎ মণ্ডল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা মনে করি প্রমাণ লোপাট করার জন্য ২০ জনের টিম পাঠানো হয়েছিল। এটাও একটা তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা।’’

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    মমতার পদক্ষেপ থেকে সরকারি কর্মচারীরা শিক্ষা নিন

    শুভেন্দু (BJP) অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘তথ্যপ্রমাণ লোপাটে ভূমিকা পালনকারীদের জেলে পাঠানো উচিত। পৈশাচিক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়া শুধুমাত্র কয়েকজন আধিকারিকের পক্ষে সম্ভব নয়। আমাদের রায়ে সকলেই জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ ছাড়া পিন থেকে হাতি, কিছুই নড়ানো যায় না।’’ ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অন্যতম দায়ী বলে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু লেখেন, ‘‘মমতার পদত্যাগও যথেষ্ট নয়। গোটা বিষয়ে তাঁর ভূমিকা নিয়েও উপযুক্ত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের বলব, এই অধ্যায় থেকে অনুগ্রহ করে শিক্ষা নিতে। কেন না সময় এলে, নিজেকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কর্মচারীদের বলিদানের ভেড়া মনে করে ফিরেই তাকাবেন না। সে কারণে সংবিধানের বর্ণিত নির্দেশিকা, আইন মেনে ন্যায়পরায়ণ থেকেই দায়িত্ব পালন করুন।’’

    বাংলার মানুষের কাছে হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘শুধু জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন নয়, শহর-গ্রাম-মফস্বলে যে ন্যায়বিচার চেয়ে আন্দোলন চলছে। তার চাপে পড়ে কিছু ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০ কোটি মানুষের আন্দোলনে তিনি ভয় পেয়ে পদক্ষেপ করেছেন। তবে না আঁচালে বিশ্বাস নেই।’’ সুকান্ত বলেন, ‘‘যতক্ষণ সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন না হচ্ছে ততক্ষণ বিশ্বাস নেই। টালা থানার প্রাক্তন ওসি তথ্যপ্রমাণ লোপাটে অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার। বিনীত গোয়েল আগে সিবিআইয়ে ভরসা রেখেছিলেন। বলেছিলেন, সিবিআই তথ্যপ্রমাণ লোপাটের প্রমাণ পেলে পদক্ষেপ করুক। ফলে তথ্যপ্রমাণ লোপাটকারীদের কাউকে সরালে হবে না। শাস্তি দিতে হবে। বিনীতকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে হবে না। তাঁকে জেলে যেতে হবে বলে মনে করি।’’ সুকান্ত আরও বলেন, ‘‘কয়েকজন স্বাস্থ্য অধিকর্তাকেও সরানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আসলে তিনি বাংলার মানুষের কাছে হেরে গেলেন। ঘুণ ধরা ব্যবস্থা তিনিই তৈরি করেছেন। সরকারি কর্মচারীরা আনন্দে বলির পাঁঠা হচ্ছেন। বাংলার মানুষ বলির পাঁঠা হতে চান না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির (BJP Dharna) ধর্না কর্মসূচি শেষ হলেও আন্দোলনের ময়দান ছাড়ছে না বিজেপি। মাঝে একটা দিন বাদ। ১৮ তারিখ থেকে ফের পথে নামছে বঙ্গ গেরুয়া ব্রিগেড। জানা গিয়েছে, আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তার কর্মসূচিকে পুজোর মুখ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।

    বিজেপির লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা (BJP Dharna)

    ২৯ অগাস্ট থেকে ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি। ধর্মতলায় প্রতিবাদ-অবস্থান শুরু হয় তাদের। তার আগে শ্যামবাজারে ছিল পাঁচদিনের কর্মসূচি। এবার, ধর্না শেষ হওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা শুরু হবে বিজেপির। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচি বিজেপির। ‘থানা সাফাই’ অভিযানেরও ডাক দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। ঝাঁটা আর গঙ্গাজল দিয়ে ২৩ তারিখ এই অভিযান করবে দলের মহিলা মোর্চা। এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি রেল স্টেশনে সভা করার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ তারিখ ‘কালীঘাট চলো’-র ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাজরা মোড়ে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    সরকার উৎখাতের দাবি

    শ্যামবাজারের পরে ধর্মতলায় টানা ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচির শেষ দিনে সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ঘোষণা, “ধর্না হয়তো শেষ হল। কিন্তু যত ক্ষণ না বিচার পাচ্ছি, তত ক্ষণ আমারা রাস্তাতেই থাকব। আমরা রাজ্যপালের কাছে ১ কোটি সই মাথায় নিয়ে যাব। ৩৫৬ বা ৩৫৫ যাই হোক, আপনি এই সরকারকে উৎখাত করুন।”

    নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    ধর্না-মঞ্চে (BJP Dharna) উপস্থিত হয়ে এ দিনই অভিনেতা তথা রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী আবার এক ধাপ এগিয়ে নবান্ন অভিযানের ডাক দিলেন। প্রয়োজনে বুক পেতে গুলি খাওয়ার জন্য প্রত্যেককে প্রস্তুত হতে বললেন! তিনি বলেন, “আবার নবান্ন অভিযান হবে। আমি সেই অভিযানে থাকব। আর এই অভিযান ব্রিজের কাছে থেমে যাবে না। নবান্নের ১৪ তলায় গিয়েই থামবে! ওরা এর আগে জল কামান চালিয়েছে, কাঁদানে গ্যাস চালিয়েছে। এ বার হয়তো গুলি চালাবে। আত্মাহুতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন! আমরা থাকব সামনের সারিতে। দেখি কত গুলি চালাতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: মমতার উৎসব-মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতায় সুকান্ত-শমীকরা, ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররাও

    RG Kar: মমতার উৎসব-মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতায় সুকান্ত-শমীকরা, ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার ‘উৎসব মন্তব্য’-এর তীব্র বিরোধিতা (RG Kar) করছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। গতকালই মমতার এমন মন্তব্যের জেরে ফুঁসছে রাজ্যের নাগরিক সমাজের বড় অংশ। এবার এনিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া শোনা গেল গেরুয়া শিবিরের নেতাদের (West Bengal BJP) গলায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে কী মনে করেন? গোটা রাজ্যের মানুষ কি ওঁর দলের চাকর বাকর নাকি! উনি ঠিক করে দেবেন মানুষ কখন আন্দোলন শেষ করবে?’’

    উনি ওনার ভাইপো ভাতিজাকে নিয়ে উৎসব পালন করবেন

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, ‘‘গোটা বাংলা ভারাক্রান্ত (RG Kar)। জীবনে কখনও যে মা মিছিলে হাঁটেননি, তিনিও পথে। নির্যাতিতাকে সকলে কন্যা, মা, সহোদরা মনে করে আন্দোলনে নেমেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত সমব্যথী হয়ে রাজ্যের মানুষকে সমবেদনা জানানোর। তা না করে আন্দোলনকে ভয় পেয়ে তিনি মানুষকে পুজোর আনন্দে মাততে বলছেন! এটা নিন্দনীয়।’’ সুকান্ত মজুমদারের আরও সংযোজন, ‘‘বাংলার মানুষ এই উৎসব মন খারাপ নিয়েই পালন করবে। দেবী দুর্গা আসেন, উমাকে নিজের ঘরের মেয়ের মত বরণ করি আমরা। এবার বাঙালি মন খারাপ করেই পালন করবেন পুজো। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর আনন্দ উচ্ছ্বাস হয়েছে। উনি ওনার ভাইপো ভাতিজাকে নিয়ে পালন করবেন কোনও অসুবিধা নেই।’’

    মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা শমীক ভট্টাচার্যের

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপির (West Bengal BJP) রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘‘এই কথায় স্বৈরাচারীর স্বর রয়েছে। উৎসব তো হয় মনের আনন্দে। মনে আনন্দ থাকলে (RG Kar) তবেই তো উৎসব। উনি তো মানুষের আনন্দটাই কেড়ে নিয়েছেন। তাই মানুষই মানুষের পথ ঠিক করবে।’’ শমীক ভট্টাচার্যের আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নিজের দলের নিচু তলার কর্মী-সমর্থকেরাও বিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন।

    মমতার মন্তব্যকে ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar)

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররাও। তাঁদের একজনের কথায়, ‘‘আমরা সেদিনই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করব, সেদিনই দেবী দুর্গাকে আহ্বান করতে পারব যেদিন আমাদের অভয়া বিচার পাবে। তাঁর আগে আমাদের কোনও উচ্ছ্বাস নেই।’’ আরেক আন্দোলনকারীদের কথায়, ‘‘খুবই দুঃখজনক। আমরা এই বক্তব্যকে ধিক্কার জানাই। যেখানে সারা বিশ্ব জাস্টিসের দাবিতে কথা বলছে, আর উনি খেলা-মেলা-উৎসব দিয়ে মানুষকে ভোলাতে চাইছেন। আর কিছু বলার ভাষা নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: মমতা-বিনীত ফোনে কী কথা? সামনে আনার দাবি সুকান্ত, শুভেন্দুদের

    RG Kar Incident: মমতা-বিনীত ফোনে কী কথা? সামনে আনার দাবি সুকান্ত, শুভেন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) তথ্য প্রমাণ লোপাটের পিছনে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নির্যাতিতার মৃত্যুর পরের ৭২ ঘণ্টায় কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ফোনে কী কী কথা হয়েছে তা প্রকাশ্যে আনার দাবি করল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ফোন তদন্ত করে দেখুক সিবিআই, দাবি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর৷ শুভেন্দু সাফ জানালেন, মুখ্যমন্ত্রীর ফোন থেকে ৯-১০ অগাস্ট কাকে কোথায় ফোন করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখলেই সব জানা যাবে৷ 

    বিজেপির দাবি

    প্রয়োজন বুঝলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা উচিত বলেও মনে করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। অমিত মালব্য সরকারি নির্দেশিকার কপি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‘এই তথ্য বিস্ফোরক। কলকাতা পুলিশ-হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক হয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছেন। এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠছে।’’ তিনি আরও লিখেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিনীত গোয়েল যতক্ষণ পর্যন্ত পদত্যাগ না করবেন ততক্ষণ নিরপেক্ষ তদন্ত করা সম্ভব নয়। কারণ ইতিমধ্যেই অনেক প্রমান লোপাট হয়েছে। এই একই চিঠি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন সুকান্ত মজুমদারও।

    মমতার ফোন বলে দেবে

    বিজেপির দুই নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের পূর্ত দফতরের একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেন। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী, তরুণীর চিকিৎসকের মৃত্যর ঠিক পরদিন আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Incident) জরুরি বিভাগে কয়েকটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দুই নেতার দাবি, এখান থেকেই স্পষ্ট আরজি করের ঘটনায় তথ্য লোপাটের চেষ্টা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, বিজেপির দাবি প্রমাণ লোপাটের ব্যাপারে কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। আরজি কর হাসপাতালে সংস্কারের কাজ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর চ্যাংরা বলছিল যে, আরজি করে সংস্কারের কাজের অর্ডার পিডব্লিউডি-কে দিয়েছিল ৯ তারিখের আগে৷ আজ তো বেরিয়ে গিয়েছে যে, ১০ তারিখে বৈঠক হয়েছে৷’’ মুখ্যমন্ত্রীর ফোন নিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনগুলো শুধু নিক ৷ ফেজ টাইম থেকে বের করুক ৯ ও ১০ অগাস্ট কার কার সঙ্গে কথা বলেছেন, সব বেরিয়ে যাবে ৷ আর কোথাও যেতে হবে না ৷’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share