Tag: Sukanya Mondal

Sukanya Mondal

  • Sukanya Mondal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    Sukanya Mondal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আপাতত শনিবার পর্যন্ত ইডির (ED) হেফাজতে থাকতে হবে তাঁকে। তবে উচ্চ আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সুকন্যার আইনজীবী। ইডি হেফাজতে থাকাকালীন আইনজীবীরা সুকন্যার সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে দেখা করতে পারবেন বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

    মুখোমুখি বাবা-মেয়ে

    গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গত আট মাস ধরে তাঁর ঠিকানা দিল্লির তিহাড় জেল। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে বুধবার দিল্লিতে ইডির জেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে সুকন্যা। গোয়েন্দাদের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারার কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। খুব সম্ভবত গরুপাচার কাণ্ডের জট খুলতে বাবা ও মেয়েকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। আদালতে সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

    সুকন্যার নামে বিপুল সম্পত্তি

    আসলে গরুপাচার কাণ্ডের তদন্ত নেমে ইডি সুকন্যার (Sukanya Mondal) নামে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পায়। বোলপুরে তাঁর নামে রয়েছে একাধিক জমি। এমনকী, ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটও রয়েছে সুকন্যার নামে। যা হিসাব বহিঃর্ভূত সম্পত্তি বলে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁদের মনে হচ্ছে, সুকন্যার নামে যে অর্থ ও সম্পত্তির হদিশ তাঁরা পেয়েছেন, তা মূলত গরুপাচার কাণ্ডে প্রাপ্ত অনুব্রত মণ্ডলের ভাগের অংশ বলেই মনে করছে ইডি।

    আরও পড়ুন: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    গ্রেফতারের পর বুধবার রাতেই সুকন্যার মেডিকেল টেস্ট হয়। সূত্রের খবর, এক বান্ধবী গিয়ে সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) জামা-কাপড় দিয়ে আসেন। ইডি অফিসেই নৈশভোজ সারেন অনুব্রত কন্যা। বৃহস্পতিবার তাঁকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হয়। তিন দিনের হেফাজত চেয়ে ইডির আইনজীবীরা আবেদন করেন বিচারকের কাছে। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। সওয়াল চলাকালীন ইডির আইনজীবীরা যে সব তথ্য সামনে রেখেছেন, তা চমকে দেওয়ার মতোই। গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে যে সব গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে, সেখানে নাম রয়েছে সুকন্যার। তাই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গরুপাচার কাণ্ডে সুকন্যাও জড়িত বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। এই মামলার সঙ্গে অন্য কোনও প্রভাবশালী জরিত কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে, সুকন্যার আইনজীবী অমিত কুমারের বক্তব্য, ‘আমার মক্কেল তদন্তে সব রকম সাহায্য করছে। তবুও তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূলের নয়া ইউনিট টিটিএমসি’, ফের বললেন সুকান্ত  

    Anubrata Mondal: ‘তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূলের নয়া ইউনিট টিটিএমসি’, ফের বললেন সুকান্ত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে (Cattle Smuggling Scam) যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বুধবার ওই মামলায়ই গ্রেফতার হয়েছেন কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা। প্রত্যাশিতভাবেই খুশি বিরোধীরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগেই ভবিদ্ব্যাণী করেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনি বলেন, এবার তিহাড়েই নয়া ইউনিট খুলবে তৃণমূল।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal ) সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী…

    সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত বলেন, আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু সময়ের অপেক্ষা। কারণ বারবার ইডি, সিবিআই ডাকলেও তিনি যাননি। তাঁর কাছ থেকে কোনওরকম সহযোগিতা পাননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। বিশেষত ইডি। বারবার উচ্চ আদালতে গিয়ে সেটাকে বাইপাস করার চেষ্টা করেছেন। ফলে ইডি এখন বাধ্য হয়েছে তাঁকে গ্রেফতার করতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যদিও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষিকা। খুব অল্প বয়স্কা। ফলে তাঁর এত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি থাকতে পারে না। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) রোজগারের কোনও হদিশ আমরা পাইনি। যদিও সম্পত্তির হদিশ পেয়েছি। আয়ের দিক থেকে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কোথা থেকে এল, তাঁকে উত্তর দিতে হবে।

    সুকান্ত বলেন, অনুব্রত মণ্ডল একজন জেলা সভাপতি। একজন জেলা সভাপতির পক্ষে এত বড় পাচারের মতো ঘটনা, গরু পাচার বা কয়লা পাচারের মতো বিষয়কে পুরোপুরি সামলানো সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাটের নেতাদের সঙ্গে এর যোগাযোগ রয়েছে। তাই ততক্ষণ পর্যন্ত এই বৃত্ত সম্পূর্ণ হচ্ছে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত এই মাথাগুলো ধরা পড়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি এই রাঘব বোয়ালরা ধরা পড়বে। তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ইউনিট টিটিএমসি।

    আরও পড়ুুন: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় ইডি  গ্রেফতার করে সুকন্যাকে। এই মামলায় আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তার পর থেকেই সুকন্যাকে তলব করা হচ্ছিল। প্রথমবার হাজিরা দিলেও, পরে নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয় অনুব্রত-কন্যাকে। চলে টানা জেরা। সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছিলেন সুকন্যা। তাই করা হয়েছে গ্রেফতার।

    বিজেপি নেতা তথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, এই গ্রেফতার একদম সঠিক গ্রেফতার। এর মাধ্যমে আরও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এই দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ সারা বাংলার মানুষ চাইছেন। যত এজেন্ট আছে, গ্রেফতার হোক। আর এদেজেন্টদের নেতাও গ্রেফতার হোক। এটাই বাংলার মানুষের আকাঙ্খা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanya Mondal: ‘‘কে জানে?’’ উত্তর জানতে কেষ্ট-সুকন্যা-মণীশকে মুখোমুখি জেরা করবে ইডি?

    Sukanya Mondal: ‘‘কে জানে?’’ উত্তর জানতে কেষ্ট-সুকন্যা-মণীশকে মুখোমুখি জেরা করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলার তদন্তে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারি। গতকাল সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে কেষ্ট-কন্যা সুকন্যাকেও (Sukanya Mondal)। সূত্রের খবর, বাবা-মেয়ে এবং তাঁদের হিসাবরক্ষককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি। কারণ এর আগে সুকন্যা মণ্ডল তদন্তের সব প্রশ্নই এড়িয়ে গেছেন একটা উত্তরে, ‘বাবা সব জানে’। তাই এবার কে জানে তা জানতে একসঙ্গে বসিয়ে জেরা-পর্ব শুরু করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা।

    আজ আদালতে পেশ সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)

    বুধবার দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তলব করা হয়েছিল সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)। বেশ কিছু বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা তাঁর থেকে কোনও সদুত্তর পাননি। শেষ পর্যন্ত সন্ধে সাড়ে ছ’টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। রাত্রে তাঁকে খেতে দেওয়া হয়েছে রুটি, সবজি ও স্যুপ। এক বান্ধবী তাঁর জামাকাপড় পৌঁছে দেন প্রবর্তন ভবনে। জানা যাচ্ছে, আজ রাউজ এভিনিউ কোর্টে তাঁকে পেশ করা হবে। অন্দরের খবর, তাঁকে পাঁচদিনের হেফাজতে চাইতে পারে ইডি।

    কেষ্ট-কন্যাকে (Sukanya Mondal) জেরায় তিন মহিলা অফিসার

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কেষ্ট কন্যাকে (Sukanya Mondal) এদিন জেরা করেন তিনজন মহিলা অফিসার। মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি জানিয়েছিলেন, অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর কন্যা যে সমস্ত তথ্য পাঠাতেন তাঁর কাছে, সেই সমস্ত তথ্য অনুযায়ী সমস্ত অ্যাকাউন্ট দেখে দিতেন তিনি। এক্ষেত্রে বুধবার যখন অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে নানা হিসেবের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেই প্রসঙ্গে সুকন্যা বলেন, ”এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যা বলার আমার বাবা এবং মণীশ কোঠারি বলতে পারবেন।”

    কেন গ্রেফতার সুকন্যাকে (Sukanya Mondal)?

    জানা যাচ্ছে, সুকন্যাকে গ্রেফতার করার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, গরু পাচার মামলার তদন্তে অসহযোগিতা করা, তদন্তের কাজে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং তদন্তকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন সুকন্যা (Sukanya Mondal)। সূত্র মারফত এমনই জানা যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এর আগেও একাধিকবার কেষ্টকন্যাকে দিল্লিতে ইডির অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, সেই সময় গরহাজিরার যে কারণ তদন্তকারীদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই কারণও সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কেষ্ট-কন্যার (Sukanya Mondal) নামে বিপুল জমির হদিশ

    ইডি সূত্রে খবর, দুটি কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। একটি সংস্থা, নীর ডেভলপার এবং অন্য একটি সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম। এই এএনএম অ্যাগ্রোকেমের অধীনে রয়েছে ভোলে ব্যোম রাইস মিল। এর পাশাপাশি বোলপুরের মকরমপুরে দুটি প্লট রয়েছে সুকন্যার নামে। বল্লভপুরেও রয়েছে চারটি প্লট। কালিকাপুর ও গয়েশপুর মিলিয়ে সুকন্যার নামে ২৮টি জমির নথির সন্ধান পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। নিউটাউনেও দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে সুকন্যার নামে।

    প্রাথমিক স্কুল-শিক্ষিকার (Sukanya Mondal) ব্যাঙ্কে এত টাকা?

    গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে যে ৩৫ পৃষ্ঠার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই, তাতে দেখা গিয়েছিল সুকন্যার সম্পত্তিও লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যার (Sukanya Mondal) ২০১২-১৩ আর্থিক বছরে বার্ষিক আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। পরের বছর তা বেড়ে হয়েছিল সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা। তার পরের বছর ১০ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। কিন্তু ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সুকন্যার আয় বাড়ে রকেট গতিতে। বেড়ে হয় ৪৯ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা। তার পরের বছর আয় আরও ২ লক্ষ টাকা বাড়ে। ২০১৮-১৯ সালের আয় বৃদ্ধি তাঁর আগের রেকর্ড সব ভেঙে দেয়। ওই বছর আয়কর রিটার্নে সুকন্যা (Sukanya Mondal) তাঁর আয় দেখিয়েছিলেন ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা। ১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। আর ২০-২১-এ তাঁর আয় হয়েছে ৯২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। তবে এই হিসেবের সবই ছিল তাঁর ব্যক্তিগত আয়। তাঁর নামে থাকা চালকল বা সংস্থাগুলির আয়ের হিসাব আলাদা। এছাড়া তাঁর নামে ৩ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা গ্রেফতার হয়েছিলেন আগেই। এবার গ্রেফতার হলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা (Sukanya Mondal)। বুধবার সন্ধ্যায় ইডি (ED) গ্রেফতার করে তাঁকে। এই মামলায় আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তার পর থেকেই সুকন্যাকে তলব করা হচ্ছিল। প্রথমবার হাজিরা দিলেও, পরে নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয় অনুব্রত-কন্যাকে। চলে টানা জেরা। তার পর সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছিলেন সুকন্যা।

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়েকে জেরা…

    কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে সুকন্যাকে প্রশ্ন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও তিনি কোনও সদুত্তর দেননি। সুকন্যা জানিয়ে দেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর তাঁর বাবা ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই দিতে পারবেন। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার কথা ভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সুকন্যা পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। আয়ের সঙ্গে মিল নেই তাঁর বিপুল সম্পত্তির। এর পরেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সুকৌশলে গরু পাচারের টাকা রাখা হচ্ছিল সুকন্যার ভাণ্ডারে? কেবল অনুব্রত নন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই মামলায় একে একে গ্রেফতার করে অনুব্রতর সঙ্গীদের। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশকে। এবার গ্রেফতার করা হয় কেষ্ট-কন্যাকে।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের ‘এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    এদিকে, বাবা-মেয়ে দুজনেই গ্রেফতার হয়ে যাওয়ায় খাঁ খাঁ করছে বীরভূমে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) বাড়ি। বাড়ির প্রহরায় রয়েছেন রাজ্য পুলিশের কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী। কিছুদিন আগেই দলীয় কর্মীদের সুকন্যার খোঁজ-খবর নিতে বলেছিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও পার্টির কেউ পাশে না থাকায় ঘনিষ্ঠ মহলে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন সুকন্যা। এবার তিনিও চলে গেলেন গারদের অন্তরালে। পার্টির লোকজন কি তবে বিপদ আঁচ করে আগেই কেটে পড়ে ছিলেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanya Mondal: পেটে ব্যথা! ফের ইডির তলব এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা, কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর?

    Sukanya Mondal: পেটে ব্যথা! ফের ইডির তলব এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা, কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইডির (ED) তলব এড়ালেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। বুধবার দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল কেষ্ট-কন্যাকে। তবে গত দুবারের মতো এবারও হাজিরা এড়ালেন সুকন্যা। কারণ হিসেবে তিনি পেটে ব্যথার কথা বলেছেন। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে তিন-তিনবার ইডির ডাক এড়ালেন সুকন্যা। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। বর্তমানে তিহাড় জেলে রয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। অনুব্রতর সম্পত্তি সংক্রান্ত খোঁজখবর নিতে সুকন্যাকেও দিল্লিতে তলব করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, পিতা-পুত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। তাই তলব করা হয়েছিল কেষ্ট-কন্যাকে।

    সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)…

    প্রথমবার তলব করা হলে আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে সুকন্যা (Sukanya Mondal) কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন। ফের তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় মার্চ মাসে। সেবারও হাজিরা এড়ান সুকন্যা। বুধবারও দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা। যদিও বর্তমানে বীরভূমের নিচুপট্টির বাড়িতেই রয়েছেন সুকন্যা। অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের দাবি, পেটের ব্যথায় ভুগছেন সুকন্যা। সুকন্যা ইডির তলব এড়ালেও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী সুব্রত হাজরা ওরফে ডালিম বুধবার দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁকেও তলব করেছিল ইডি। তদন্তকারীদের অনুমান, গরু পাচারের টাকা লগ্নি করা হয়েছে পেশায় প্রোমোটার ডালিমের নির্মাণ শিল্পেও। সেই কারণেই ডাকা হয়েছে ডালিমকে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, সুকন্যা (Sukanya Mondal) ইডির তলব এড়ানোয় তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উনি বাবার সঙ্গে থাকতে চান, তাই এ সব করছেন। বুধবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের জনসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। হাজিরা এড়ালে তদন্তকারী সংস্থা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। আমার মনে হচ্ছে, বাবার সঙ্গে এক সঙ্গে থাকতে চান। তাই এসব করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার হন অনুব্রত। তার পরে পরেই মণ্ডল পরিবারের সম্পত্তি সংক্রান্ত খোঁজখবর নিতে সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) দিল্লিতে ডেকে জেরা করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, মণ্ডল পরিবারের বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে সুকন্যার কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তাঁরা বাবা ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলে রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে (Sukanya Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি। তবে ইডির নাগাল এড়িয়ে চলছেন সুকন্যা। মার্চ মাসে প্রথমে তলব করা হয় অনুব্রতকে। সেবার হাজিরা এড়ান তিনি। প্রথমবার আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে আরও কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার ফের ইডি তলব করে সুকন্যাকে। নোটিশ পেয়েও ইডি দফতরে হাজিরা দেননি তিনি। তারপর আবার এবার তলব করা হল কেষ্ট-কন্যাকে। সোমবার তাঁকে দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। নতুন কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। এর সবেই নাম রয়েছে সুকন্যার। সেসব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ফের তলব করা হয়েছে সুকন্যাকে। জানা গিয়েছে, সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁকে আপাতত দিল্লির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তাঁকে যে কোনও সময় তলব করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    ইডির আগে সুকন্যাকে দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেটা ছিল গত বছরের অগাস্ট মাস। সিবিআইয়ের দাবি, সেবার বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল সুকন্যার কাছে। সিবিআই সূত্রে খবর, সুকন্যা কোনও সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়েছিলেন, সম্পত্তি সংক্রান্ত সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তাঁর বাবা (Anubrata Mondal) ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই কেষ্ট ও তাঁর মেয়ে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। তদন্তকারীদের ধারণা, তাতেই জানা যাবে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উৎস কী। তবে সোমবারও যদি ইডির নাগাল এড়ান সুকন্যা, তাহলে বিলম্বিত হতে পারে পিতা-পুত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা। এখন দেখার, এবারও সুকন্যা ইডির নাগাল এড়ান কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: গরু পাচারের টাকায় সুকন্যার নামে ১৬ কোটির এফডি! মণীশ ‘মুখ খোলায়’ মহাবিপদে কেষ্ট-কন্যা?

    Anubrata Mondal: গরু পাচারের টাকায় সুকন্যার নামে ১৬ কোটির এফডি! মণীশ ‘মুখ খোলায়’ মহাবিপদে কেষ্ট-কন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ইডি হেফাজতে রয়েছেন কেষ্টর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারি। অন্যদিকে কেষ্ট কন্যা সুকন্যাকে তলব করা হলেও এড়িয়ে যান তিনি। তবে তাঁকে আবার ২০ মার্চ তলব করেছে ইডি, সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে মণীশ কোঠারি কেষ্ট-সুকন্যার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। আবার জানা গিয়েছে, এদিন দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিলেন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির পরিচারক তথা রাঁধুনি বিজয় রজক। শুক্রবার বেলার দিকে লাভপুর কলেজের অস্থায়ী কর্মী বিজয়কে ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায়।

    অনুব্রতের বিরুদ্ধে সরব মণীশ কোঠারি

    ইডির জেরার মুখে চাপে পড়েন মণীশ কোঠারি। প্রথমে তিনি মুখ না খুললেও পরে তিনি সরব হন কেষ্টর (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়েছেন, গরু পাচারের কালো টাকাতেই অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের নামে ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়। মণীশ কোঠারি তদন্তকারীদের আরও জানিয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই বিভিন্ন জায়গায় টাকা আমানত করেছেন তিনি। কোথায়, কার অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা হবে, সেই নির্দেশ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলই।

    ইডি সূত্রের খবর, মণীশ ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পেশাদার চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে তিনি অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশ পালন করেছেন মাত্র এবং তাঁর কোনও কালো টাকা নেই। নিজেকে নির্দোষ বলেই দাবি করেছেন মণীশ কোঠারি। সুকন্যার নামে ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট কীভাবে? এই ফিক্সড ডিপোজিটের উৎস কী? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছিল এতদিন। এরপর মণীশের বয়ান থেকেই জানা গেল, কালো টাকাতেই এই ফিক্সড ডিপোজিট।

    সুকন্যার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ ইডির

    অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, সুকন্যাকে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হলেও হাজিরা দেননি তিনি। এবারে কিছুদিনের সময় দিয়ে ফের ২০ মার্চ তলব করা হয়েছে তাঁকে। কিন্তু ২০ মার্চও তাঁর দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরার সম্ভাবনা কম বলেই জানাচ্ছে ঘনিষ্ঠ মহল। অসুস্থতার কথা বলে সেইদিনও তিনি যদি হাজিরা এড়িয়ে যান তাহলে বাবা ও মেয়েকে মুখোমুখি বসিয়ে ইডির জেরা করতে পারার সম্ভাবনা কমে যাবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। কারণ, পরের দিনই অর্থাৎ ২১ মার্চ অনুব্রতর ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপর তাঁকে ফের আদালতে পেশ করা হবে। তারপর যদি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত, তাহলে কেষ্ট মণ্ডল যেতে পারেন তিহাড়ে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাবার (Anubrata Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে যাতে সুকন্যাকে জেরা করতে না পারে ইডি, তাই তাঁর এমন কৌশল? তবে, সুকন্যার বিরুদ্ধে এবারে নোটিশ জারি করল ইডি। আগামী সোমবারের মধ্যে দিল্লিতে ইডি অফিসে হাজিরা না দিলে সুকন্যা মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে বার্তা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। সুকন্যার আইনজীবী মারফত তাঁর কাছে এই মর্মে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে খবর।

    হাজিরা দিলেন কেষ্টর বাড়ির পরিচারক

    ইডি সূত্রে খবর, শুধু সুকন্যা নন, গরু পাচার মামলার তদন্তে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি-সহ মোট ১২ জন সন্দেহভাজন এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রেরই দাবি, ওই ১২ জনের তালিকাতেই ছিলেন কেষ্টর বাড়ির পরিচারক বিজয়। বোলপুর হাটতলা এলাকার বাসিন্দা বিজয় অনুব্রতের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বলে পরিচিত। ইডি সূত্রের দাবি, অনুব্রতের বাড়ির পরিচারকদের অ্যাকাউন্টে নানা সময় বহু টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই সূত্রে বিজয়ের একাধিক অ্যাকাউন্টের হদিশও মিলেছে। সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে আজ তিনি ইডি দফতের হাজিরা দেন। এনাকেও জেরা করার পর কী কী তথ্য প্রকাশ্যে আসে, এটাই এখন দেখার।

  • Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তিন মহারথীকে তলব করল ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কৃপাময় ঘোষ, মলয় পীঠ ও রাজীব ভট্টাচার্যকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এদের দিল্লিতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। 

    অনুব্রত-মণীশ-সুকন্যাকে মুখোমুখি জেরা

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি (ED arrests Manish Kothari)। হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে (Anubrata Mondal daughter Sukanya Mondal। অনুব্রত, মণীশের সঙ্গে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ইডির অফিসাররা। উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলার গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিপুল সম্পত্তির উৎস খোঁজার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত টাকা আরও কোনও প্রভাবশালীর কাছে গিয়েছে কি না, সেই সব তথ্যও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এমন অবস্থায় কেষ্ট, মণীশ ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তাঁদের আগের বয়ানের সঙ্গে এখনকার বয়ান মিলিয়ে দেখতে পারবেন তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। এদিকে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ইডির ডাক পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার থেকে আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন সুকন্যা। তাঁকে ২০ মার্চের মধ্যে ইডি অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    আজই দিল্লিতে তলব কৃপাময়কে

    এই সময়ে ইডি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনকে ডেকে পাঠানোয় নিঃসন্দেহে চাপে পড়লেন কেষ্ট। সম্প্রতি আসানসোল থেকে যাওয়ার পথে বর্ধমানের শক্তিগড়ের একটি হোটেলে দাঁড়ায় অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। সূত্রের খবর, প্রাতঃরাশ করার জন্য অনুব্রত নেমেছিলেন সেখানে। কিন্তু সেখানে পুলিশি প্রহরায় তৃণমূল ছাত্রপরিষদ নেতা কৃপাময় ঘোষ, সুকন্যা মণ্ডলের গাড়ি চালক তুফান মৃধা ও আরও এক অজানা বক্তির সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় অনুব্রতকে। এরইমধ্যে কৃপাময়দের তলব করায় নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবারই কৃপাময়কে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, কৃপাময় বোলপুরের নিচু বাঁধগোড়ার বাসিন্দা। পেশায় মৎস্য বিভাগের কর্মীও। বোলপুরের তৃণমূলের পার্টি অফিস দেখাশোনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের সূত্রেরও আরও দাবি, কৃপাময় অনুব্রতের নানান সম্পত্তির দেখাভালও করতেন। অন্য দিকে, মাসখানেক আগেই তুফানকে তলব করেছিল সিবিআই। সূত্রের দাবি, কিছু দিন আগে তাঁর নামে বিপুল সম্পত্তির হদিসও মিলেছে। অনুব্রতর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনই অনেক কিছু জানেন বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    Cattle Smuggling Case: গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) এবার ইডি-র জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি (Manish Kothari)। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে। সেখানেই মঙ্গলবার সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মণীশকে। এরপর সন্ধ্যার দিকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রে খবর, মণীশের বয়ানে অসঙ্গতি মিলেছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিতে চান গোয়েন্দা আধিকারিকরা। অভিযোগ, তথ্য লুকনোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। উঠেছে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ।

    মোট ১২ জনকে অনুব্রতের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা ইডির!

    সূত্রের খবর, এর আগে অনুব্রতকে হেফাজতে চাওয়ার সময় আদালতে ইডি জানিয়েছিল, অনুব্রতের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি-সহ ১২ জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। ইডি সূত্রে খবর, ওই তালিকায় সুকন্যার গাড়িচালক তুফান মির্ধা, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কৃপাময় ঘোষ, অনুব্রতর বাড়ির পরিচারক বিজয় রজক-ও রয়েছেন। এছাড়া অনুব্রতর সহায়ক অর্ক দত্ত, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধান শুভঙ্কর সাধু, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূলকর্মী তাপস মণ্ডল-সহ আরও বেশ কয়েক জন রয়েছেন। তার মধ্যে মঙ্গলবার মণীশকে প্রথমে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: রামনবমীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে বাংলা, জানালেন শুভেন্দু

    গ্রেফতার মণীশ কোঠারি

    গতকাল সকাল ১১ টায় শুরু হয় জেরা। চলে একটানা রাত ৮ টা পর্যন্ত।  প্রায় ৯ ঘন্টা ‘ম্যারাথন’ জেরার পরই নয়াদিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের বিশ্বস্ত হিসাবরক্ষক মনীশ কোঠারি। বুধবার কোর্টে পেশ করা হবে মণীশ কোঠারিকে। এর আগেও ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে মণীশকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, অনুব্রত, তাঁর স্ত্রী, কন্যা, আত্মীয়, ঘনিষ্ঠদের নামে বিপুল সম্পত্তি, একাধিক রাইস মিল, কোটি কোটি টাকার লেনদেন— এই সব নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। আর এবারে তাঁর তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় মণীশকে।

    সুকন্যাকেও গ্রেফতারির পথে ইডি!

    আজ, বুধবার আবার তলব করা হয়েছে অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে। অনুব্রতর মুখোমুখি বসিয়ে সুকন্যাকে জেরা করতে চায় ইডি। আবার প্রয়োজন পড়লে, অনুব্রত, তাঁর কন্য়া সুকন্য়া ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি তিন জনকে একসঙ্গে বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সুকন্যা মণ্ডল এবং তাঁর প্রয়াত মা ছবিরানী মণ্ডলের নামে ৩৪ কোটি টাকার বিপুল সম্পত্তির যে হিসেব রয়েছে ইডির কাছে সেই বিষয়টি নিয়েই সুকন্যা এবং অনুব্রতকে একসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলেছেন ইডির শীর্ষ আধিকারিকরা, এমনটাই দাবি সূত্রের। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, মঙ্গলে গ্রেফতার হলেন মণীশ, বুধে কী অপেক্ষা করছে সুকন্যার জন্য? বাবা ও বাবার হিসাবরক্ষক এবং দেহরক্ষীর পরে কী তবে এবার তাঁকেও গ্রেফতার করতে পারে ইডি?

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanya Mondal: আরও ১১ দিন ইডি হেফাজতে অনুব্রত, এবার দিল্লিতে তলব কন্যা সহ ১২ জনকে

    Sukanya Mondal: আরও ১১ দিন ইডি হেফাজতে অনুব্রত, এবার দিল্লিতে তলব কন্যা সহ ১২ জনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম তৃণমূলের জেলাসভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। এবার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকেও (Sukanya Mondal) দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তলব করা হয়েছে সুকন্যা ছাড়াও আরও ১১ জনকে। তাহলে কী এবার বাবা-মেয়েকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা করেছেন গোয়েন্দারা। ইডি কোর্টে জানিয়েছে, অনুব্রতর নিরাপত্তারক্ষী সায়গল হোসেনকেও তিহাড় জেল থেকে এনে কেষ্ট মণ্ডলের মুখোমুখি বসানো হবে। আগামী ১১ দিনের মধ্যে সুকন্যা-সহ ১২ জনকে হাজিরা দিতে বলেছে ইডি। শমনের তালিকায় রয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক। সায়গলকেও বসানো হতে পারে অনুব্রতর সামনে। 

    তিন দিনের ইডি হেফাজত শেষে শুক্রবার অনুব্রত মণ্ডলকে তোলা হয়েছিল আদালতে। এদিন কেষ্টকে (Sukanya Mondal) আরও ১১ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। অনুব্রতকে আরও কিছু দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে জেরা করতে চায় ইডি। জানা গিয়েছে, গরু পাচারের বেআইনি আয়ের টাকা কোথায় গেল, সেই সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। গরু পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে যে নথি এসেছে, তার ভিত্তিতে তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

    এদিন ইডি যখন অনুব্রতকে (Sukanya Mondal) ফের হেফাজতে হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় তখন বিচারক প্রশ্ন করেন, এই ক’দিনে মাত্র দু’ঘণ্টা তাঁকে জেরা করা হয়েছে। কিছুই তেমন বার করতে পারেননি তদন্তকারীরা। কারও সঙ্গে মুখোমুখিও বসানোও হয়নি। তাহলে আবার কেন হেফাজতে নিতে চাইছে এজেন্সি?

    আরও পড়ুন: ১২ মার্চ পানিপথে বসছে আরএসএস-এর প্রতিনিধি বৈঠক! কী কী আলোচনা হবে? 

    জবাবে ইডি-র আইনজীবী বলেন, হোলির ছুড়ির জন্য পরিকল্পনামাফিক হয়নি সবকিছু। এই ১১ দিন অনুব্রতকে হেফাজতে পেলে তাঁরা তাঁর মেয়ে-সহ আরও ১২ জনকে সমন পাঠিয়েছেন, তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা যাবে। ইডি এও বলে, সায়গল জেরায় যা বলেছেন তাতেও অনুব্রতর বিরুদ্ধে গরু পাচার মামলায় নিবিড় যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

    ইডির দাবি মেনেই অনুব্রতকে আরও ১১ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সুকন্যার অ্যাকাউন্টে (Sukanya Mondal) বিভিন্ন সময়ে যে নগদ টাকা জমা পড়েছে, রাসি মিল, জমি-সহ অন্যান্যা সম্পত্তির যে হিসাব পাওয়া গিয়েছে সে ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বাকিদেরও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share