Tag: Sukesh Chandrashekhar

Sukesh Chandrashekhar

  • Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লি সরকারের প্রাক্তন কারামন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ করাপশন অ্যাক্ট’-এর অধীনেই এই তদন্তের অনুমতি দিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। শুক্রবারই এই খবর সামনে এসেছে। দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরকে জেলে নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে জোর পূর্বক তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা আদায় করেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন। প্রসঙ্গত, সত্যেন্দ্র জৈন ছাড়াও বর্তমানে আবগারি দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একই অভিযোগে জেলে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও।

    অভিযুক্ত তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েলও  

    প্রসঙ্গত কারামন্ত্রী ছাড়াও সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) দিল্লির প্রদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। ২০২২ সালের মে মাসে অন্য একটি আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সত্যেন্দ্র জৈনের পাশাপাশি তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েল এবং অন্যান্য বেশ কিছু আধিকারিকও একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। জোরপূর্বক তাঁরা জেলে থাকার জন্য টাকা দাবি করেছেন কনম্যান সুকেশের কাছে। নিজের বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন সুকেশ।

    সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি 

    প্রসঙ্গত, সুকেশ চন্দ্রশেখর বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি রয়েছেন। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলাতে। তিনিই দাবি করেছেন, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তৎকালীন দিল্লির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা জোরপূর্বক আদায় করেছেন বিনিময়ে নিরাপত্তা ও শান্তিতে জেলে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সত্যেন্দ্র। এছাড়া আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে, অন্যান্য জেলা আধিকারিকরা ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা তাঁর কাছ থেকে নিয়েছেন। ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। এই  টাকাও নেওয়া হয়েছে জেলে সুকেশের নিরাপত্তা দেওয়ার নামে।

     

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতায় নামী ছাতু ব্যবসায়ীর অফিসে আয়কর হানা, উদ্ধার বিপুল টাকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    Jacqueline Fernandez: প্রমাণ লোপাট করে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জ্যাকলিন! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০ কোটি টাকা তছরূপ-কাণ্ডে ইতিমধ্যে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ-এর (Jacqueline Fernandez)। আর তারই মধ্যে বিস্ফোরক অভিযাগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গতকাল, শনিবার, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকা তছরূপ মামলা চলাকালীন অভিনেত্রী দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগও এনেছে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময়ের প্রথম থেকেই তিনি সহযোগিতা করছিলেন না।

    দিল্লির আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন জ্যাকলিন (Jacqueline Fernandez)। সেই মামলারই শুনানি চলছিল। সেসময় জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে বিস্ফোরক দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের বক্তব্য, অভিনেত্রী নাকি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু গত বছর লুক-আউট সার্কুলার (এলওসি) জারি করার কারণে তাতে সক্ষম হননি বলে ইডি-র অভিযোগ। জামিন আবেদনের শুনানি চলাকালীন ইডি অভিযোগ জানায়, জ্যাকলিন তাঁর মোবাইল ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করেছিলেন। ইডি আরও বলে, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ কখনওই তদন্তে সহযোগিতা করেননি, প্রমাণ পেশ করার পর কেবল মুখ খুলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার, ষড়যন্ত্রকারী নই”, আর্থিক তছরুপ মামলায় জেরার মুখে বললেন নোরা ফতেহি

    অন্যদিকে জ্যাকলিনের (Jacqueline Fernandez) আইনজীবী জানান, ইডির তরফে মামলা সংক্রান্ত কোনও নথি পাঠানো হয়নি। আদালতের তরফে এরপরই নির্দেশ দেওয়া হয় যে ইডি যেন মামলার যাবতীয় নথি অভিনেত্রীকে পাঠানো হয়। আগামী ১০ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। গতকাল ইডি আরও অভিযোগ করেছে যে, তদন্ত চলাকালীন প্রথম থেকেই জ্যাকলিন সহযোগিতা করতে চাননি। এমনকি আর্থিক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে তথ্য প্রমাণ পেশ করা হলেও, জ্যাকলিন তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন। অভিনেত্রীর আচরণ নিয়েও আদালতে অভিযোগ করা হয় ইডির তরফে।

    গতকাল দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে আদালত অভিনেত্রীর (Jacqueline Fernandez) সুরক্ষার মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়িয়েছে বলেই খবর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত আরও কয়েকদিন স্বস্তি পাবেন জ্যাকলিন। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফতেহি-এর নামও জড়িয়ে পড়েছিল। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু ইডির দাবি, নোরা এই তদন্তে সহযোগিতা করেছিলেন।  

  • Sukesh Chandrashekhar: আর্থিক প্রতারণা মামলায় ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর, এবার ইডি হেফাজতে

    Sukesh Chandrashekhar: আর্থিক প্রতারণা মামলায় ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর, এবার ইডি হেফাজতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক প্রতারণা মামলায় (Money Llaundering Case) ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar)। জালিয়াতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই জেলে বন্দি রয়েছেন সুকেশ। অন্য একটি মামলায় তাঁকে আবারও গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সুকেশকে। জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও আইনমন্ত্রকের সচিবের পরিচয় দিয়ে রেলিগেয়ার সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত প্রোমোটার মলবিন্দর সিংয়ের স্ত্রীর সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করার একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল সুকেশের বিরুদ্ধে। প্রতারণা করা হয়েছিল ৪ কোটি টাকা। সেই মামলায় নতুন করে গ্রেফতার করা হয় সুকেশকে।

    জেলবন্দি সুকেশ…

    জেলবন্দি সুকেশকে (Sukesh Chandrashekhar) হেফাজতে চেয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। দিল্লির স্থানীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক শৈলেন্দ্র মালিক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। তার জেরে এদিন আদালতে তোলা হয় সুকেশকে। ৯ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক। যদিও ইডি চেয়েছিল ১৪ দিনের হেফাজত। সুকেশের আইনজীবী অনন্ত মালিক আদালতে বলেন, যে অভিযোগে সুকেশকে আদালতে চাইছে ইডি, সেটি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনা। এতদিন পর সেই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও অর্থই নেই। যদিও আদালত তাতে কর্ণপাত করেনি।

    আরও পড়ুুন: তিনদিন পর বিবিসির অফিস ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা! কী মিলল দফতর থেকে?

    সুকেশের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার মামলা এই প্রথম নয়। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এটি সুকেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় আর্থিক প্রতারণার মামলা। ওই দুটি মামলার একটিতে সুকেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মলবিন্দরের ভ্রাতৃবধূ অদিতি সিংকে ঠকিয়ে ২০০ কোটি টাকা নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের এক অফিসারকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সুকেশের স্ত্রী লীনা মারিয়া পাল অভিনেত্রী। আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে সুকেশের সঙ্গে সঙ্গে তাঁকেও গ্রেফতার করেছিল ইডি। সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেতা এবং মডেলকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ২০২১ সালের মামলায় জেরা করা হয় তাঁদের। ওই মামলায় যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন নোরা ফতেহি-ও।

    জানা গিয়েছে, নিজেকে সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে মাত্র ১৭ বছর বয়স থেকেই প্রতারণা করতে শুরু করেছিল সুকেশ (Sukesh Chandrashekhar)। ২০০৭ সালে তার বয়স যখন ১৮, তখনও বেঙ্গালুরু ডেভেলপমেন্ট অথরিটিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিল সে। ওই বছরই প্রথম গ্রেফতার করা হয় সুকেশকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez) বিরুদ্ধে চার্জশিট (Charge sheet) জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তছরুপ (Money Laundering) মামলার চার্জশিটে ইডি জানায়, এখন পর্যন্ত তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত অভিনেত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত। 

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে যে, তিনি শুধু নিজেই না। ভারত এবং বিদেশে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সব সদস্যই তছরুপের টাকায় উপহার পেয়েছেন। এর ফলে তছরুপ প্রতিরোধ আইন ২০০২-এর ধারা ৩-এর অধীনে তছরুপের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যা PMLA, ২০২২-এর ধারা ৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনই বলা হয়েছে চার্জশিটে।

    চার্জশিটে এছাড়াও বলা হয়, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar) অতীতের অপরাধমূলক কাজের অবগত ছিলেন এবং সচেতনভাবে সেগুলি উপেক্ষা করে গিয়েছেন। এবং তাঁর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে লিপ্ত থেকেছেন। শুধু জ্যাকলিন নয়, এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরাও সুকেশে দ্বারা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    ইডির দাবি, বিভিন্নসময় বিভিন্ন গল্প বানিয়েছেন জ্যাকলিন, সত্যি কথা বলেননি।  

    আরও পড়ুন: নৌসেনা পাচ্ছে নতুন নিশান! শুক্রবারই উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  

    গত সপ্তাহে এই মামলায় এই মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছিল ইডি। যদিও অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হয়েছে জ্যাকলিনকে। সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এই মামলার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন জ্যাকলিন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যতবার তাঁকে ডাকা হয়েছে, প্রতিবার হাজিরা দিয়েছেন তিনি। আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্তের স্বার্থে সবধরনের তথ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন জ্যাকলিন। কিন্তু তিনি যে প্রতারিত, তা মানতে চাইছেন না আধিকারিকরা। জ্যাকলিন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।”   

    গত ১৭ অগাস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছিল, সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের তোলাবাজির প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে ৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি  ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।  

    আপাতত অস্বস্তিতে বলিউড সুন্দরী। ২১৫ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। প্রধান অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে এই মামলার চার্জশিট জমা হয়েছিল আগেই। তাঁর সঙ্গে জ্যাকলিনের প্রেমের গুঞ্জনও ছিল। দুজনের ঘনিষ্ঠ ছবিও ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে। সন্দেহভাজনদের তালিকায় আগেই সামিল হয়েছিল জ্যাকলিনের নাম। এবার চার্জশিট জুড়েও তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share