Tag: Sukma

Sukma

  • Chhattisgarh: সুকমায় মাওবাদীদের গোপন ডেরায় মিলল বিপুল অস্ত্র-বিস্ফোরক, চলতি মাসে তৃতীয় বড় সাফল্য

    Chhattisgarh: সুকমায় মাওবাদীদের গোপন ডেরায় মিলল বিপুল অস্ত্র-বিস্ফোরক, চলতি মাসে তৃতীয় বড় সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় মাওবাদী-বিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। জেলার জঙ্গলে ঘেরা দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে (Chhattisgarh) উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক এবং মাওবাদীদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী (Maoist Arms)। গত ২৪ অগাস্ট ভেজ্জি থানার ভান্ডারপদর-মুনুরকোন্ডা জঙ্গল এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। তাঁদের কাছ থেকে জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রীর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর জেলা বাহিনী, জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং বস্তার ফাইটার্সের যৌথ দল সোমবার সকালে ভান্ডারপদর-মুনুরকোন্ডার জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

    গোপন অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান (Chhattisgarh)

    তল্লাশির সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মাটির নীচে লুকিয়ে রাখা একটি গোপন অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান পান। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ২৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৯২টি তাজা গুলি, ২৪০টি জিলেটিন স্টিক, ১৮ কেজি গানপাউডার এবং পাঁচটি হাতে তৈরি গ্রেনেড। বিপুল পরিমাণ বিজিএল গোলাবারুদ এবং মাওবাদীদের ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে।উদ্ধার হওয়া ২৩টি অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি এসএলআর রাইফেল, একটি দশমিক ৩১৫ বোরের রাইফেল, একটি দশমিক ৪১০ মাসকেট রাইফেল, ছ’টি বিজিএল লঞ্চার, একটি একনলা রাইফেল, একটি দেশীয় দশমিক ৩১৫ বোরের আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি ১২ বোরের রাইফেল এবং সাতটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র। এসএলআর এবং দশমিক ৩০৩ রাইফেলের ম্যাগাজিন এবং বিপুল পরিমাণ বিজিএল সেল উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৪৯২টি গুলির মধ্যে একে-৪৭, এসএলআর, ইনসাস, দশমিক ৩০৩, দশমিক ৩১৫ এবং ১২ বোরের বিভিন্ন ধরনের গুলি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমান, দীর্ঘ সময় ধরে মাওবাদী সংগঠনের ব্যবহারের জন্য ওই গোপন ভান্ডারে ধাপে ধাপে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করা হয়েছিল। বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের উপস্থিতিই তার প্রমাণ।

    বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার

    অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৪০টি জিলেটিন স্টিক, ১৮ কেজি গানপাউডার, ৬৬টি বিজিএল কার্তুজ, আতসবাজির মতো ৪০টি বিস্ফোরক যন্ত্র এবং ছ’টি অ্যাক্সিলারেটর প্লাগ। এছাড়া বিভিন্ন আকারের ৮৯টি বিজিএল সেল এবং পাঁচটি হাতে তৈরি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে (Maoist Arms)। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও গোলাবারুদ হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন। অস্ত্র-বিস্ফোরকের পাশাপাশি ওই গোপন ভান্ডার থেকে মাওবাদী সদস্যদের দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাত জোড়া কালো পোশাক, ৩২টি কালো ও ২২টি সবুজ কোমরবন্ধ, ১১টি বাঁশি-রক্ষাকবচ, সাতটি বাঁদরটুপি, দুটি ওয়েল্ডিং ঢাল, দু’টি সৌর প্যানেল এবং সাতটি পিঠের ব্যাগ। এছাড়া ম্যাগাজিন রাখার ব্যাগ, অন্যান্য ব্যাগ এবং ওষুধও উদ্ধার হয়েছে (Chhattisgarh)।

    ভান্ডারপদর দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদী-প্রভাবিত এলাকা

    ভান্ডারপদর জঙ্গল এলাকায় এর আগেও মাওবাদীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ২০২৪ সালে ওই এলাকায় সংঘর্ষে ১০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছিল বলে নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছিল।

    সাম্প্রতিক অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এটা স্পষ্ট, ভান্ডারপদর-মুনুরকোন্ডা অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে রাখার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের দেওয়া তথ্য পুরানো অস্ত্রভান্ডারের অবস্থান চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

    শুধু অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার নয়, এই ধরনের অভিযান থেকে মাওবাদীদের সংগঠন, তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জঙ্গলে থাকা পুরানো পরিকাঠামো সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলছে বলে মনে করছে প্রশাসন (Chhattisgarh)।

    পুরনো অস্ত্রভান্ডার খুঁজতে জোর তল্লাশি

    সুকমার পুলিশ সুপার ময়াঙ্ক গুর্জর জানিয়েছেন, জঙ্গল এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায় মাইনমুক্ত করার কাজও ধারাবাহিকভাবে চলছে। কোথাও বিস্ফোরক যন্ত্র বা অন্য কোনও বিস্ফোরক সামগ্রী লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেলে নিরাপত্তা বিধি মেনে সেগুলি দ্রুত শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে (Maoist Arms)।

    পুলিশ সুপারের দাবি, গত ৩১ মার্চ থেকে মাওবাদীদের পুরানো অস্ত্র ও বিস্ফোরকের গোপন ভান্ডার উদ্ধারের পাশাপাশি মাইনমুক্ত করার অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে দুর্গম জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় লুকিয়ে রাখা সামগ্রী খুঁজতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উদ্ধার হওয়ার পর প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মীরা বিস্ফোরকগুলি নিষ্ক্রিয় করছেন।

    এই অভিযানে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বহু পুরনো ও গোপন অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    অগাস্টে সুকমায় তৃতীয় বড় অস্ত্রভান্ডারের খোঁজ

    চলতি অগাস্ট মাসে সুকমা জেলায় মাওবাদীদের গোপন অস্ত্রভান্ডার উদ্ধারের এটি তৃতীয় বড় ঘটনা (Chhattisgarh)। এর আগে ১৮ অগাস্ট চিন্তলনার থানার ইট্টালঙ্কা গ্রামের কাছে একটি গোপন ভান্ডার থেকে বিস্ফোরক, গোলাবারুদ এবং মাওবাদীদের ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিল। তারও আগে ৩ অগাস্ট ভেজ্জি থানার বোধরাজপদর জঙ্গলে একটি মাওবাদী অস্ত্রভান্ডারের হদিশ পায় নিরাপত্তা বাহিনী।

    একই মাসে পরপর এই ধরনের উদ্ধার অভিযান থেকে স্পষ্ট, সুকমার দুর্গম জঙ্গলগুলিতে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক চিহ্নিত করে সরিয়ে ফেলার বিষয়ে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জোর দিয়েছে। জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় অস্ত্রভান্ডারের সন্ধানে এলাকা দখল ও তল্লাশি অভিযান আগামী দিনেও চলবে বলে জানিয়েছে সুকমার পুলিশ।

    প্রশাসনের বক্তব্য, এই ধারাবাহিক অভিযানের লক্ষ্যই হল মাওবাদীদের অস্ত্রভান্ডার ধ্বংস করার পাশাপাশি জেলার নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখা এবং উন্নয়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা (Maoist Arms)। অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় শুরু হয়েছে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপও (Chhattisgarh)।

     

  • Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ জন কমরেডকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করলেন ছত্তিশগড়ের শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাও (Maoist Papa Rao)। এমনই খবর জানালেন ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা। তাঁদের আত্মসমর্পণ মাওবাদী দমনে রাজ্যের চালানো লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাও-মুক্ত ছত্তিশগড় (Maoist Papa Rao)

    রাও অস্ত্র সমর্পণ করায় প্রযুক্তিগতভাবে ও স্পষ্টভাবে বলা যায়, ওই স্তরের এমনকি তার চেয়েও নিচু স্তরের কোনও নকশাল কর্মী আর সক্রিয় নেই রাজ্যে। অন্তত এমনই জানালেন শর্মা। গত দু’দশকে দক্ষিণ বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার মূলচক্রী ছিলেন এই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। ২০১০ সালে তৎকালীন দান্তেওয়াড়া (বর্তমানে সুকমা) জেলার তাদমেতলা হামলারও ষড়যন্ত্রী ছিলেন তিনি। ওই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৭৬ জন জওয়ান। মাওবাদীদের দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটিতে সক্রিয় রাও বস্তার অঞ্চলে তাঁর এক ডজনের বেশি সদস্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সোমবারই জানিয়েছিলেন শর্মা। উপমুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি সামলাচ্ছেন স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বও। মঙ্গলবার পাপা অস্ত্রসমর্পণ করায় ছত্তিশগড়ে আর কোনও নকশাল কর্মী সক্রিয় নেই। শুধু তাই নয়, মাও দমনে ‘শাহি’ ডেডলাইন ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যেই রাজ্য হয়ে গেল সশস্ত্র নকশালবাদমুক্ত (Chhattisgarh)।

    মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট

    শর্মা বলেন, “রাওয়ের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ছত্তিশগড়ে নকশালের উপস্থিতি কার্যত শেষ হয়ে গেল। ৩১ মার্চের মধ্যেই রাজ্য সশস্ত্র নকশালবাদ থেকে মুক্ত হবে।” তিনি জানান, পাপা রাও প্রায় ২৫ বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন এবং বহু সংঘর্ষে জড়িত থাকলেও প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। রাজ্য সরকার তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ২৫ লাখ টাকা। শর্মা বলেন, “রাওয়ের মানসিকতা এখন বদলেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলাম (Maoist Papa Rao)। তখনই তিনি আত্মসমর্পণের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন।” তিনি জানান, পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে আরও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা রয়েছে। বস্তার ডিভিশন ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির কিছু অংশে মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনাকারী দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (DKSZC) মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হত। গত দু’দশকে বহু মারাত্মক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। শর্মা বলেন, “বর্তমানে পার্টি ও এরিয়া কমিটি স্তরের মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ে আর সশস্ত্র কার্যকলাপে যুক্ত নন এবং তাঁরা প্রায় সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।” তিনি বলেন, “তাঁরা অস্ত্র নামিয়ে রেখেছেন এবং ইউনিফর্ম ছেড়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে ছত্তিশগড়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন মাও-সদস্য মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি বা তেলঙ্গনায় সক্রিয় রয়েছে। তাঁদের আত্মসমর্পণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

    মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা

    এদিকে, কেন্দ্রের নির্ধারিত মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা শেষ হতে আর এক সপ্তাহ বাকি। সোমবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি জানান, বর্তমানে রাজ্যে মাত্র ১৫ জন মাওবাদী সক্রিয় (Chhattisgarh) রয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তারা প্রসাদ বাহিনিপতির এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড়া জেলার সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় প্রায় ১৫ জন নকশাল সক্রিয় রয়েছে।” কেন্দ্রের সিকিউরিটি-রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার প্রকল্প অনুযায়ী, বর্তমানে শুধু কান্ধামাল জেলাকেই মাওবাদী-প্রভাবিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৌধ, বালাঙ্গির, কালাহান্ডি, বারগড়, মালকানগিরি, নবরঙ্গপুর, নুয়াপাড়া এবং রায়গড়—এই আটটি জেলাকে ‘লেগেসি’ ও ‘থ্রাস্ট’ জেলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড় সীমান্ত অঞ্চলে একটি ছোট নকশাল গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও, রাজ্যের অন্যান্য সব জেলা এখন সম্পূর্ণভাবে মাওবাদীমুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি অনুযায়ী, যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করছেন, সেই মাওবাদীদের আর্থিক সহায়তা, বাসস্থান, সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত মাসিক ভাতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্য/রেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে (Maoist Papa Rao)।

    আত্মসমর্পণের বহর

    ২০২৪ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৯৬ জন মাওবাদী ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রাজ্য পুলিশ সতর্ক করেছে যে, ৩১ মার্চের মধ্যে যাঁরা আত্মসমর্পণ করবেন না, তাঁরা সরকারের পুনর্বাসন নীতির সুবিধাও পাবেন না। পুলিশ সূত্রে খবর, বিশেষ জোনাল কমিটির সদস্য সুক্রু এবং রাজ্যের আরও দুই মাওবাদী এখনও আত্মসমর্পণ করেনি। প্রতিবেশী ছত্তিশগড় থেকে আসা আরও ১২ জন মাওবাদী ওড়িশায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে আত্মগোপন করে রয়েছেন। অ্যান্টি-নকশাল অপারেশনের এডিজি সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “কিছু নকশাল এখনও আত্মসমর্পণ না করায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আমরা (Chhattisgarh) ৩১ মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব (Maoist Papa Rao)।”

     

  • Sukma: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো সুকমার গোগুন্ডা গ্রাম

    Sukma: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো সুকমার গোগুন্ডা গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের মাওবাদী-অধ্যুষিত সুকমা জেলায় (Sukma) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতার দীর্ঘ সাত দশক পর অবশেষে বিদ্যুতের (Electricity) আলোয় আলোকিত হলো দুর্গম গোগুন্ডা গ্রাম। জেলা প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় এই অসম্ভব কাজ সম্ভব হয়েছে।

    ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা (Sukma)

    গোগুন্ডা গ্রামটি (Sukma) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৫০ মিটার উচ্চতায় একটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত। ভৌগোলিক দুর্গমতা এবং মাওবাদী দাপটের কারণে দশকের পর দশক ধরে এই গ্রামটি উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এর আগে বিদ্যুৎ সংযোগের (Electricity) জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাহাড়ের ওপরে নিয়ে যাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। সুকমার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার এই সাফল্যকে স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের জয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “গোগুন্ডা গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানো কেবল একটি পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি ওই অঞ্চলের মানুষের মনে সরকারের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ।”

    নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা

    এই গ্রামটিতে (Sukma) বিদ্যুৎ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অবদান রয়েছে। সিআরপিএফ (CRPF)-এর ৭৪তম ব্যাটালিয়নের একটি ক্যাম্প এবং একটি ‘ফরওয়ার্ড অপারেটিং বেস’ (FOB) স্থাপন করার পরই ওই অঞ্চলে সরকারি উন্নয়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়। জওয়ানদের কড়া পাহারায় বিদ্যুৎ (Electricity) দফতরের কর্মীরা পাহাড়ি পথে বিদ্যুতের খুঁটি ও বসানোর কাজ সম্পন্ন করেন।

    উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

    শুধুমাত্র বিদ্যুৎ (Electricity) নয়, গ্রামটিতে এখন আধুনিক সভ্যতার অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ এখনও পর্যন্ত যা যা কাজ চলছে তা হল-

    • ● গ্রামটিতে পাকা রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছে।
    • ● একটি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।
    • ● গ্রামবাসীদের জন্য রেশন দোকান (PDS) এবং মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    গ্রামবাসীদের প্রতিক্রিয়া

    গ্রামের (Sukma) বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে শিশুরা—সবাই ঘরে আলোর বাল্ব জ্বলতে দেখে উচ্ছ্বসিত। গ্রামবাসীরা বলেন, “এতদিন আমরা অন্ধকারের মধ্যে বসবাস করতাম এবং রান্নাবান্না বা যাতায়াতের জন্য কেরোসিন তেলের বাতির ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন বিদ্যুৎ (Electricity) আসায় আমাদের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হবে এবং শিশুদের পড়াশোনায় অনেক সুবিধা হবে।”

  • Chhattisgarh Encounter: সুকমায় রাতভর গুলির লড়াই, বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ১৬ মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান

    Chhattisgarh Encounter: সুকমায় রাতভর গুলির লড়াই, বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ১৬ মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) সুকমায় (Sukma) নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ফের খতম হল ১৬ জন মাওবাদী। এই নিয়ে চলতি বছর ১৩০ জনেরও বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছে বিভিন্ন অভিযানে। এই সংঘর্ষে সামান্য আহত হয়েছেন বাহিনীর (Chhattisgarh Encounter) দুই জওয়ান। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান জারি আছে বলে জানিয়েছেন বস্তার রেঞ্জের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল সুন্দরজ পি সাইড।

    রাতভর গুলির লড়াই

    পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে তারা খবর পায় যে, সুকমা-দান্তেওয়াড়া জেলার সীমানায় উপমপল্লি কেরলাপাল এলাকায় জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে মাওবাদীদের (Chhattisgarh Encounter) একটি দল। সেই খবর পাওয়া মাত্রই শুক্রবার রাতে সিআরপিএফ, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং পুলিশের যৌথবাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযানে যায়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালাচ্ছিল বাহিনী। পুলিশ সূত্রে খবর, বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গলের ভিতর থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। রাতভর গুলির লড়াই চলেছে। শনিবার ভোরেও গুলির লড়াই জারি ছিল। পুলিশের দাবি, এই সংঘর্ষে ১৬ জন মাওবাদী খতম হয়েছে। মাওবাদীরা সংখ্যায় কত জন ছিল সেই সংখ্যাটি স্পষ্ট হয়নি।

    অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার

    সুকমা হল বস্তার এলাকার সবথেকে দুর্ধর্ষ নকশাল উপদ্রুত এলাকা। অতীতে বহুবার এই এলাকায় মাওবাদী হামলা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে কেরলাপাল এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে মাওবাদীরা (Chhattisgarh Encounter)। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় রিজার্ভ গার্ড বা ডিআরজি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (Security forces)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর পর্যন্ত ১৬ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহত মাওবাদীদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বাকি মাওবাদীদের খোঁজে জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে বাহিনী। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা আন্তঃরাজ্য অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে দুশোর বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ওই তিন রাজ্যে।

    মাওবাদী মুক্ত ভারত

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতকে মাওবাদী মুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আবহে বিগত বহু মাস ধরে ক্রমাগত মাও নিধন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীগুলি। এই আবহে ২০২৪ সালে ছত্তিশগড়ে ২১৯ জন মাওবাদীকে মারা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যে সংখ্যাটা ছিল মাত্র ২২, আর ২০২২ সালে তা ছিল ৩০। এদিকে ২০২৫ সালে আগের সপ্তাহ পর্যন্ত ১১৩ জন মাওবাদীকে খতম করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সরকার। এছাড়া ১০৪ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৬৪ জন আত্মসমর্পণ করেছে।

    রেড করিডর এখন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার বিভাগের বস্তার, দান্তেওয়াড়া, বিজাপুর, কাঙ্কের, নারায়ণপুর, কোন্ডাগাঁও এবং সুকমা মাওবাদী বিদ্রোহের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত। ‘রেড করিডর’ নামে পরিচিত মাওবাদী বিরোধী অভিযানের জন্য এইসব এলাকায় হাজার হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিদ্রোহীদের পিছনে ঠেলে দিতে লগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনী পূর্বের মাওবাদী নিয়ন্ত্রিত ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল সহ ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্র-আবুঝমাড়-এ ১৭টি নতুন ক্যাম্প তৈরি করেছে।

    জওয়ানদের সাফল্য প্রশংসনীয়

    ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ ‘মাওবাদী মুক্ত’ করার ঘোষণা আগেই করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৩ সালে বিজেপি ছত্তিশগড়ের ক্ষমতায় আসার পরে মাওবাদী দমনে যৌথ বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক কিছু সূত্রের দাবি। তার পর থেকেই পুরো শক্তি কাজে লাগিয়ে মাওবাদী দমন অভিযান চলছে। বাহিনীর এই সাফল্যকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণ দেও সাই। তিনি বিবৃতি দিয়ে বলেন, ‘২০২৬–এর মধ্যে বস্তার ভয়মুক্ত হয়ে বাঁচবে, আমি নিশ্চিত। ছত্তিশগড়ে মাওবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই প্রবল পরাক্রমে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি দেশ তথা ছত্তিশগড় থেকে ২০২৬ মার্চের মধ্যে মাওবাদ মুছে ফেলার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনী তাতে একের পর এক সাফল্য অর্জন করছে। জওয়ানদের সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের সাহসিকতাকে স্যালুট জানাই।’

    মাওবাদীদের ঘরে ফেরার বার্তা

    তবে শুধু মাওবাদী দমন (Chhattisgarh Encounter) অভিযানই নয়, তাদের ঘরে ফেরার বার্তাও দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও ঘোষণা করেছেন, নতুন প্রকল্পে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন, চাকরি, আর্থিক পুরস্কার এবং আইনি সুরক্ষা প্রদান করা হবে। মাওবাদী নেতাদের পদ অনুযায়ী সুবিধা প্রদান করা হবে নয়া পুনর্বাসন নীতিতে। রাজ্য কমিটি, আঞ্চলিক কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্যদের মতো উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। যাঁরা লাইট মেশিনগান-সহ আত্মসমর্পণ করবেন, তাঁরাও পাবেন পাঁচ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার। যে সব ক্ষেত্রে মাওবাদী ইউনিটের ৮০ শতাংশ সদস্য একসঙ্গে আত্মসমর্পণ করবেন, সেখানে দ্বিগুণ পুরস্কার প্রদান করা হবে। পুনর্বাসনের এই প্যাকেজে রয়েছে চাকরি এবং সন্তানদের শিক্ষায় সাহায্যও।

  • Ghar Wapsi: ঝাড়খণ্ডে ‘ঘর ওয়াপসি’! হাজারীবাগ ও সুকমায় সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন ১৫০ জনের

    Ghar Wapsi: ঝাড়খণ্ডে ‘ঘর ওয়াপসি’! হাজারীবাগ ও সুকমায় সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন ১৫০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের হাজারীবাগ জেলায় অনুষ্ঠিত হল ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) অনুষ্ঠান। কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা শতাধিক লোক, হিন্দু সনাতন (Hinduism) ধর্মে পুনরায় ফিরে এসেছেন। মোট ৮১টি পরিবার হিন্দু ধর্মে ফিরলেন। বাদকাখুর্দ পঞ্চায়েতের অধীনে ছয়টি গ্রামের ৬৭টি পরিবারের মোট ১২০ জন একটি যজ্ঞের পরে সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। আবার সুকমায় ১৪টি পরিবারের ৩০ জনেরও বেশি লোক হিন্দুধর্মে ফিরে এসেছেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের বিশিষ্ট সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবর্তনের পর গ্রামবাসীরা তাঁদের পবিত্র গঙ্গাজল দিয়ে পা ধুয়ে স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানের সময় বস্ত্র উপহার দিয়ে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা হয়। বিশ্বহিন্দু পরিষদ এই ‘ঘর ওয়াপসি’-কে স্বাগত জানিয়েছন।

    প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল (Ghar Wapsi)

    জানা গিয়েছে, হিন্দু ধর্মে প্রত্যাবর্তনকারীরা (Ghar Wapsi) আগে সনাতন (Hinduism) ধর্মাবলম্বী ছিলেন। কিন্তু একাধিক খ্রিস্টান মিশনের প্রভাবে বিভ্রান্ত হয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। যদিও, পরবর্তীকালে তাঁরা স্বীকার করেন, সেই সময়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা ভুল পদক্ষেপ ছিল। অনেক দিন ধরেই মূল হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন তাঁরা। অবশেষে তাঁদের বাসনা পূর্ণ হওয়ায় খুশি ব্যক্ত করেন। মূল ধর্মে ফরে তাঁরা জানিয়েছেন, খ্রিস্টান ধর্মগ্রহণ করার সময় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। কিন্তু ধর্মান্তরিত হওয়ার পর শীঘ্রই অনুতপ্ত হতে শুরু করেন তাঁরা। বাকি পরিবারের সদস্যরা, তাঁদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাতে শুরু করেছিল। ভুল সিদ্ধান্তে সমাজ থেকে চ্যুত হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা।

    সুকমায় ১৪টি পরিবারের হিন্দু ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    আবার সুকমায় অনুষ্ঠিত আরও এক ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) অনুষ্ঠানে ১৪টি পরিবারের ৩০ জনেরও বেশি লোক হিন্দুধর্মে ফিরে এসেছেন। যাঁরা সনাতন ধর্মের স্রোতে ফিরে এসেছেন তাঁরা সুকমার সোদিপাড়ার ০১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। প্রত্যাবর্তনকারীরা কিছু মিশন গ্রুপের প্রভাবে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। গ্রামের স্থানীয়রা প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান করে স্বাগত জানান তাঁদের। ‘গঙ্গাজল’ ছিটিয়ে এবং কপালে ‘তিলক’ লাগানো হয়। উল্লেখ করা উচিত, অবৈধ ধর্মান্তর সম্পর্কিত নানা প্রতিবেদন উপজাতি-অধ্যুষিত ২ রাজ্য — ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড় থেকে বারবার সামনে আসছে, যা দেশের কাছে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ।

    আরও পড়ুনঃমাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    স্বাগত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    হিন্দু ধর্মে (Ghar Wapsi) ফিরে আসাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসল। তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডে ব্যাপক ধর্মান্তরকরণ চলছে, হিন্দু বিরোধী ধর্মপ্রচারকদের সাম্রাজ্য চলছে। জোড়া সমস্যার সম্মুখীন রাজ্যটি। একদিকে, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, তো অন্যদিকে হিন্দু বিরোধী ধর্মপ্রচারকদের আক্রমণ। এখনই সময় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারকে এই সব গতিবিধিকে চিহ্নিত করতে হবে এবং বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমনে বিরাট বড় সাফল্য বাহিনীর। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম ৯ মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলার ঘটনা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রও। গোটা জঙ্গল ঘিরে চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে বাহিনী।

    মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা (Chhattisgarh)

    দিন কয়েক আগেই মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছত্তিশগড়ের এক জনসভায় তিনি বলেছিলেন, “২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মাওবাদীদের সমূলে উৎপাটিত করা হবে।” তার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছত্তিশগড়ে মাও দমনে অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। 

    মাওবাদী-বাহিনী এনকাউন্টার

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, বিজাপুরের (Chhattisgarh) লেন্দ্রা গ্রামের কাছে মাওবাদীদের জড়ো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মাওবাদী দমন অভিযানে নামে বাহিনী। সিআরপিএফের কোবরা ইউনিট, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং ছত্তিশগড় পুলিশের ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডকে নিয়ে তৈরি যৌথবাহিনী এই অভিযান অংশগ্রহণ করে। হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অস্ত্র নিয়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলি বিনিময় হয়। এর পরই জঙ্গলের ভিতর থেকে ৯ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। পাশে থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা একটি মেশিনগান এবং অন্যান্য অস্ত্র-সহ বেশ কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। গোটা এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে যৌথবাহিনী।

    সাম্প্রতিক অতীতে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সাফল্য

    এর আগে ৩০ মার্চ আটচল্লিশ ঘণ্টার জন্য অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। দুদিনের এই অভিযানে এনকাউন্টার হয় তিনবার। ২৬ মার্চও ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের এনকাউন্টারে খতম হয় ছয় মাওবাদী। তাদের মধ্যে একজন মহিলাও ছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল বিজাপুর জেলার একটি জঙ্গলে। ওই জঙ্গলে মাওবাদীদের একটি দল লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। তার পরেই শুরু হয় অভিযান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাহিনী। দু’পক্ষের লড়াইয়ে নিকেশ হয় এক মহিলা সহ ছয় মাওবাদী।

    আরও পড়ুুন: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। সেদিন দেশের আরও কয়েকটি কেন্দ্রের সঙ্গে নির্বাচন হবে বস্তার যে লোকসভা কেন্দ্রের অধীন, সেখানেও। নির্বাচনে অশান্তি পাকাতেই এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে জড়ো হয়েছে মাওবাদীরা। মাওবাদীদের সেই চক্র দুরমুশ করতেই অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী (Chhattisgarh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukma: ছত্তিশগড়ে ফের মাওবাদী হামলা, নিহত ৩ জওয়ান

    Sukma: ছত্তিশগড়ে ফের মাওবাদী হামলা, নিহত ৩ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলা চলছেই। শনিবার রাজ্যের সুকমায় (Sukma) মাওবাদীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে শহীদ হলেন ৩ ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ পুলিশ গার্ড। পাশাপাশি শহীদ হয়েছেন ১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টরও। জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে জাগরগুন্ডা থানা এলাকার মধ্যে। ৩ জন শহীদের নাম কুঞ্জম যোগা, সৈনিক ভাঞ্জম ভীমা, রামুরাম নাগ। জানা গেছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন অপারেশনে নেমেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের ওপর হামলা চালায় মাওবাদীরা।

    আরও কিছু মাওবাদী হামলার নজির চলতি মাসে

    চলতি মাসের ৫ তারিখে নীলকান্ত কাকম, বিজাপুরের আউয়াপল্লী মন্ডলের বিজেপির সভাপতিকে পরিবারের সদস্যদের সামনেই কুপিয়ে হত্যা করে মাওবাদীরা। উনি একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন, সেখানেই ১৫০ জনের মাওবাদী দল প্রথমে গ্রামটিকে ঘিরে ধরে এবং কয়েকজন মাওবাদী ওই বিয়েবাড়িতে ঢুকে নীলকান্ত কাকমকে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তারপর থেকে এইমাসে একাধিক মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এরপরে ১০ ফেব্রুয়ারি মাওবাদীদের হাতে খুন হন বিজেপির নারায়নপুর জেলা সহসভাপতি সাগর সাহু। আবার এই ঘটনার ঠিক একদিনের মাথায় খুন হন ওই জেলারই বিজেপির প্রাক্তন প্রধান রামধর আলমি। 

    চলতি সপ্তাহের গোড়ায় ছত্তিশগড়ের এক পুলিশকর্মী নৃশংসভাবে খুন হন মাওবাদীদের হাতে। ওই হেড কনস্টেবলকে গলা কেটে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। রাজ্যের বীজাপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। মৃত পুলিশকর্মীর নাম পিন্ডিরাম ভেট্টি। দন্তেওয়াড়া জেলার পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন তিনি। দান্তেওয়াড়ার এএসপি আর কে বর্মন জানিয়েছেন, হেড কনস্টেবল ভেট্টির বাড়ি গুমলনার গ্রামে। সম্প্রতি বিশাখাপত্তনামে পুলিশ ট্রেনিং শেষ করে বাড়ি ফেরেন পিন্ডিরাম। ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে চারদিন ছুটি নিয়েছিলেন। কাদেনার গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। আনন্দ অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা বেরিয়েছিল রবিবার রাতে। তা শেষ হওয়ার পর বিশ্রাম নিচ্ছিলেন পুলিশকর্মী। তখনই মাওবাদীরা ঘিরে ধরে হত্যা করে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পরে এই প্রথম ছত্তিশগড়ের বস্তারের আটটি মাওবাদী অধ্যুষিত গ্রামে তেরঙা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল মঙ্গলবার। গ্রামগুলি হল সিলগার, নালা, চিন্নাগেলুর, তিমেনার , মানহাকাল, হিরোলি, বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টেন্ডামার্কা। গোটা দেশ যখন ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মশগুল, তখন প্রথম বার তেরঙা পতাকা উত্তোলন করল ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত বলে পরিচিত বস্তার এলাকার এই গ্রামগুলি। কেন্দ্র সরকারের সক্রিয় চেষ্টায় ক্রমশ উন্নয়নের মুখ দেখছে পিছিয়ে পড়া এই গ্রামগুলি। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনে এদিন সামিল হন সাধারণ মানুষও।

    উন্নয়নের পথে সামিল মানুষ

    পুলিশের দাবি, এই গ্রামগুলির আশপাশে নতুন ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে মাওবাদীরা। ১৯৪৭-এর ১৫ অগাস্টের পর কেটে গিয়েছে প্রায় আট দশক। কিন্তু এত দিনে এক বারও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সুযোগ পাননি বিজাপুর জেলার চিন্নাগেলুর, তিমেনার এবং হিরোলি গ্রামের বাসিন্দারা। একই অবস্থা সুকমা জেলার বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টোন্ডামার্কা গ্রামেরও। বস্তার রেঞ্জের আইজি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই গ্রামের বাসিন্দারা এবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বার এমনটা হল। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় সুকমা জেলার পিডামেল, ডুব্বাকোনটা, সিলগের এবং কুন্দেদ গ্রামেও। 

    আরও পড়ুন: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, গ্রামগুলির খুব কাছাকাছি পুলিশ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি সুযোগসুবিধাও সরাসরি ওই অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। তাতে বঞ্চনার অভিযোগকে শূন্যে নামিয়ে আনা যাবে। যা মাওবাদীদের পিছনে ঠেলতে সাহায্য করবে। এর ফলে স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে কালো পতাকা উত্তোলনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তাঁর কথায়, ‘‘এর আগে প্রতি বছরই এমন দিনগুলিতে কালো পতাকা উত্তোলন করত মাওবাদীরা।’’ প্রসঙ্গত, মাওবাদীরা মনে করেন, দেশের নিপীড়িত, শোষিত মানুষ এখনও পরাধীন। তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই বনেজঙ্গলে চলছে বলেও দাবি করে অধুনা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share