Tag: sun stroke

sun stroke

  • Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালে কাঁচা আম অনেকেরই পছন্দ। গরমের দিনে (summer days) বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস আমপোড়া শরবত (Raw Mango) খেলে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তীব্র গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবতই যেন শরীরে আনতে পারে প্রশান্তি। কিন্তু জানেন কি শুধু স্বাদেই নয় গুনের দিক থেকেও খুব উপকারী এই আমপোড়া শরবত।

    কাঁচা আমপোড়া (Raw Mango) শরবতের উপকারিতা

    ১) প্রখর তাপের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করতে বেশ উপকারী কাঁচা আম (Raw Mango) । কাঁচা আম সান স্ট্রোকের (Sun stroke) ঝুঁকি কমায়। দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতেও সাহায্য করে।

    ২) ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে থাকে কাঁচা আম। পাশাপাশি কাঁচা আমের শরবতে উপস্থিত ভিটামিন সি নখের ভঙ্গুরতাও কমায়। 

    ৩) কাঁচা আম (Raw Mango) হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করে। মর্নিং সিকনেস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ক্রনিক ডিসপেপসিয়া এবং বদহজমের জন্য কাঁচা আম খাওয়া খুব উপকারী।

    ৪)কাঁচা আম লিভারের জন্য ভাল। যকৃতের রোগের চিকিৎসার জন্য পরিচিত এটি। এক টুকরো কাঁচা আম খেলে ক্ষুদ্রান্ত্রে পিত্ত নিঃসরণ উদ্দীপিত হয়। এটি ফ্যাট শোষণ বাড়ায়। এবং খাদ্যে পাওয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

    ৫) পাশাপাশি, কাঁচা আমে থাকে ভিটামিন এ। চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও গরমকালে নিয়ম করে কাঁচা আম (Raw Mango)  খাওয়া জরুরি।

    আরও পড়ুনঃ চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

    ভিটামিন সি, ভিটামিন ই সহ বহু গুণে ঠাসা কাঁচা আম (Raw Mango)। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। কাঁচা আম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে গরমের দিনে সর্দি-গরমি থেকেও নিষ্কৃতি দেবে কাঁচা আমই। আর কাঁচা আমে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে, তাই এটি মুখের নানা রকম ক্ষত নিরময়ে সহায়তা করতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ি থেকে রক্তপাতের মতো সমস্যাতেও কাজে আসতে পারে কাঁচা আম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের দাপট অব্যাহত! তাপমাত্রার পারদ চড়ছে (Heat Wave)। আর তার জেরেই বাড়ছে অস্বস্তি! সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ছে। দিন কয়েক আগে হলদিয়ায় চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক পড়ুয়া সান স্ট্রোকে মারা যান। বহু মানুষ প্রতিদিন বাইরে সান স্ট্রোকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। না হলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। 

    কীভাবে বুঝবেন সান স্ট্রোকের (Heat Wave) ঝুঁকি বাড়ছে? 

    তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই যে সব দিন তাপমাত্রার পারদ ৪০-এর চৌকাঠ পার করবে (Heat Wave), সেদিন বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হঠাৎ জ্ঞান হারানো সান স্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গরমে অনেকের রক্তচাপ ওঠা-নামা করে। তাদের সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তাই রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বাইরে বেরনোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ঘামের জেরে ডিহাইড্রেশন হয়। তাই সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। মানসিক অস্থিরতা, কথা জড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ হঠাৎ দেখা দিলে, তা সান স্ট্রোকের ইঙ্গিত বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বার বার বমি হওয়া কিংবা শরীরের উত্তাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়াও সান স্ট্রোকের উপসর্গ।

    গরমে কীভাবে মোকাবিলা করবেন সান স্ট্রোক? 

    গরমে সান স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকদের পরামর্শ, বেশি পরিমাণ জল ও ফলের রস খাওয়া দরকার। বাজারের প্যাকেটজাত পানীয় নয়। তরমুজ, ডাবের সরবত নিয়ম করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া জলের সঙ্গে নুন-চিনি মিশিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতির ওআরএস-ও ভালো।
    রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বেলা ১১ থেকে ৩ টের মধ্যে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তাদের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা বা বন্ধ গাড়িতে না থাকাই ভালো। কারণ, বন্ধ গাড়িতে গরম বেশি হয়। শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেক সময় তৈরি হয়। আবার, গাড়ির ভিতরে অসুস্থ হয়ে পড়লে, তা টের পাওয়া যায় না। মদ্যপান গরমে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।  তাঁদের মতে, অতিরিক্ত ব্যায়াম না করাই ভালো। কারণ, তাতে ঘাম বেশি হয় (Heat Wave)। আর বেশি ঘাম হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। 
    তবে, সবচেয়ে জরুরি, বাইরে কোনও রকম শারীরিক অসুবিধা মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। আর কেউ হঠাৎ জ্ঞান হারালে সরাসরি জল না দিয়ে ভিজে কাপড় দিয়ে চোখ-মুখ পরিষ্কার করা। আশপাশ ফাঁকা রাখা, যাতে অক্সিজেনের অভাব না হয়। এসবই খেয়াল রাখা দরকার বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Summer Tips: জেনে নিন হিট স্ট্রোকের লক্ষণ, প্রখর গরমে ভালই বা থাকবেন কীভাবে?

    Summer Tips: জেনে নিন হিট স্ট্রোকের লক্ষণ, প্রখর গরমে ভালই বা থাকবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রকৃত অর্থেই চলছে দাবদাহ। দুপুরের প্রখর রোদে (Summer Tips) বাইরে বেরনোই দায়। তবে এমন কিছু পেশা রয়েছে, যে পেশায় যুক্ত মানুষদের দুপুর বেলায়ই বেরতে হয়। প্রয়োজনীয় নানা কাজেও মানুষকে বের হতে হয় বাইরে। যেহেতু এ রাজ্যে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু হয় সাড়ে ১০টার পরে, তাই রোদ উপেক্ষা করেও বাইরে বের হতে হয় অনেককেই। দুপুরের চড়া রোদে বের হলে হিট স্ট্রোকে (Sun Stroke) আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকেই। হিট স্ট্রোক হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হয়। না হলে তাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    হিট স্ট্রোকের (Sun Stroke) লক্ষণ…

    হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যেতে পারে। আক্রান্তের খিঁচুনি হতে পারে। খুব ঘাম হবে। বমি হতে পারে। হতে পারে বমি বমি ভাবও। শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। হার্টবিটও বেড়ে যায় অস্বাভাবিক হারে। মাথা ব্যথা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি সংজ্ঞাহীন হয়ে যেতে পারেন। তাই প্রচণ্ড গরমের (Summer Tips) মধ্যেও যাঁদের নিতান্তই ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে, তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। দুপুরে যাঁদের কায়িক পরিশ্রম করতে হয় কিংবা এক্সারসাইজ করেন, সতর্ক হওয়া প্রয়োজন তাঁদেরও। বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। তাই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা তাঁদের বাইরে না বেরনো দেওয়াই ভাল।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য মিললে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    তবে সতর্কতামূলক কয়েকটি ব্যবস্থা (Summer Tips) নিলে এড়ানো যেতে পারে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা। চিকিৎসকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ সকালে ১০টার আগে এবং বিকেলে ৫টার পরে করাই ভাল। রোদে বেরলে ছাতা ব্যবহার করতে হবে। বাইরে বেরলে সঙ্গে অবশ্যই জল নিয়ে বেরন। দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার জল খেতে হবে। রোদ থেকে ফিরে কিংবা রোদে থাকাকালীন ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। দিনে দুবার স্নান করুন। এক লিটার জলে একটা ওআরএস মিশিয়ে খেতে হবে। প্রখর গ্রীষ্মে অতিরিক্ত তেল-মসলা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভাল। চপ, ফাস্ট ফুড, মাংস না খাওয়াই ভাল। প্রতিদিন রসালো ফল অবশ্যই খেতে হবে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share