Tag: sundarbans

sundarbans

  • Kali Puja 2024: বাঘের হাত থেকে বাঁচতে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে শুরু হয়েছিল এই কালীপুজো

    Kali Puja 2024: বাঘের হাত থেকে বাঁচতে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে শুরু হয়েছিল এই কালীপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঘের হাত থেকে বাঁচতেই আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ বছর আগে শুরু হয়েছিল এই কালীপুজো (Kali Puja 2024)। এখনও রীতি মেনেই হয় এই পুজো। ভৌগোলিক পরিবর্তনের ফলে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গজিয়ে উঠেছিল একটি দ্বীপ, বর্তমানে যার নাম সাগরদ্বীপ। আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ বছর আগে এই দ্বীপ গড়ে উঠেছিল। তৎকালীন সময়ে এই দ্বীপ ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল। রুটিরুজির টানে সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষজন এখানে এসে সুন্দরবন থেকে কাঠ সংগ্রহ করতেন। এছাড়াও এই দ্বীপের মধ্যে এসে মধু সংগ্রহ করতেন উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষজন। সেই সময় এই দ্বীপ এত আধুনিক হয়নি। তৎকালীন সময়ে জঙ্গলের হিংস্র জীবজন্তুর হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে একটি বটবৃক্ষের তলায় পুজো-অর্চনা করে জঙ্গলে যেতেন এলাকাবাসী। জঙ্গলের এই নিয়ম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলে আসছিল। তৎকালীন সময়ে হিংস্র জীবজন্তুর আক্রমণে মৃত্যু হত সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষজনের। এই বটবৃক্ষের তলায় পুজো-অর্চনা দেওয়ার পর থেকে হিংস্র জীবজন্তুদের আক্রমণের ফলে প্রাণ হারানোর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে মানুষের বিশ্বাস।

    ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে দেবীমূর্তির প্রতিষ্ঠা (Kali Puja 2024)

    এর পর বেশ কয়েকজন উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষ জঙ্গল পরিষ্কার করে এই সাগরদ্বীপেই বসবাস শুরু করেন। এমনই এক অলৌকিক মন্দির রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের ধসপাড়া এলাকায়। এলাকায় এই মন্দির আদি কালীমন্দির নামে পরিচিত। তৎকালীন সময়ে সাগরদ্বীপের এক বাসিন্দা, অমূল্যকুমার পান্ডা স্বপ্নাদেশ পান কালীমাতার। এরপর তিনি ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে মন্দির তৈরি করে দেবীমূর্তির প্রতিষ্ঠা করেন। এর পর থেকে ওই মন্দিরে কালীপুজো (Kali Puja 2024) হয়ে আসছে আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ বছর ধরে। গঙ্গাসাগর এলাকায় এই মন্দির আদি কালীমন্দির নামে পরিচিত। এই জাগ্রত কালীমন্দিরে নিজেদের মনস্কামনা জানাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ  ছুটে আসেন পুজো দিতে। প্রতি বছর কালীপুজোর দিন জাঁকজমকের সাথে গঙ্গাসাগরে আদি কালীমন্দিরে পূজিত হন মা কালী।

    মন্দিরের মা খুবই জাগ্রত (Kali Puja 2024)

    প্রতিদিনই এই মন্দিরে নিত্যপুজোর ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে মঙ্গল ও শনিবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এই মন্দিরের প্রধান সেবায়েত প্রকাশ পন্ডা বলেন, “সাগরদ্বীপ যখন থেকে গড়ে উঠেছিল, তার পর থেকেই এই মন্দিরে কালীমায়ের পুজো (Kali Puja 2024) শুরু হয়েছিল। আমাদের পূর্বপুরুষ এই মন্দিরে মায়ের সেবা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। বংশপরম্পরায় এখন আমি এই মন্দিরের প্রধান সেবায়েত। এই মন্দিরের মা খুবই জাগ্রত। মায়ের কাছে পুজো দিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। মা করুণাময়ী সবার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা মধুসূদন মণ্ডল বলেন, এই বটগাছের নীচেই মায়ের মূর্তি ছিল এবং মা একজনকে স্বপ্নাদেশ দেন যে এখানেই তাঁর মন্দির প্রতিষ্ঠা করে পুজো করার জন্য। তৎকালীন সময় এই এলাকা ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল। আমরা প্রত্যেকদিন বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পেতাম (Sundarbans)। কিন্তু মায়ের আশীর্বাদে আমাদের কোনও প্রকার ক্ষতি হয়নি। এই মা খুবই জাগ্রত। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই মায়ের কাছে পুজো দিতে আসেন। কালীপুজোর সময় বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: বর্গিদের হাত থেকে সুন্দরবনবাসীকে রক্ষা করতে শুরু হয়েছিল মা দুর্গার আরাধনা!

    Durga Puja 2024: বর্গিদের হাত থেকে সুন্দরবনবাসীকে রক্ষা করতে শুরু হয়েছিল মা দুর্গার আরাধনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটু একটু করে সময় যত এগিয়েছে, বেড়েছে পুজোর (Durga Puja 2024) বয়স। এই বছর ৩০৬ তম বর্ষে পদার্পণ করল ঘোষবাড়ির দুর্গাপুজো। ১১৫২ সালে ভগীরথ ঘোষ এই ঘোষবাড়ির পুজোর সূচনা করেন। শোনা যায়, সে যুগে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা প্রায়ই বন্যার কবলে পড়ত। এর পাশাপাশি বর্গিদের আক্রমণও চলত সমানতালে। আর সেই বন্যার প্রকোপের হাত থেকে রক্ষা পেতে ও বর্গিদের আক্রমণ থেকে নিজেদের, প্রজাদের ও সকল গ্রামবাসীর সুরক্ষার্থে করঞ্জলী অঞ্চলে সেই সময় জমিদার ভগীরথ ঘোষ ধুমধাম করে শুরু করেন দুর্গাপুজো। শোনা যায়, সেই সময় জমিদার ভগীরথ ঘোষ কুলপি সহ আশপাশের বেশ কিছু জায়গা কিনে প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক হয়ে উঠেছিলেন। সুবিশাল ছিল তাঁর রাজ্যপাট, ছিল প্রজাবর্গ।

    আর হয় না পাঁঠা বলি (Durga Puja 2024)

    এই দুর্গাপুজোর সময় নাকি দূরদূরান্তের প্রজারা আসতেন এই জমিদার বাড়িতে। পুজোর ক’টা দিন তাঁদের থাকা-খাওয়ার জন্য ছিল আলাদা আলাদা ঘর, আলাদা আলাদা ব্যবস্থাপনা। এই পুজোকে কেন্দ্র করে ছিল বলিদান প্রথা। আর তার জেরেই মাংস মহাপ্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করতে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে প্রজারা জড়ো হতেন। পাশাপাশি ভোগপ্রসাদ তৈরির জন্য ছিল বিশাল বিশাল উনুন। সময়ের সঙ্গে রাজবাড়ি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে কালক্রমে করোনা মারণব্যাধির সময় থেকে ঘোষ পরিবারের সদস্যরা পাঁঠা বলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। তাই সেই সময় থেকে আর হয় না পাঁঠা বলি।

    অনুষ্ঠিত হত নাটক, যাত্রা

    তৎকালীন সময়ে দুর্গাদালানের সামনে অনুষ্ঠিত হত নাটক, যাত্রা থেকে শুরু করে নানা অনুষ্ঠান (Durga Puja 2024)। ঘোষবাড়ির প্রবেশের সম্মুখে বাঁদিকে তাকালেই চোখে পড়বে সেই যাত্রাদলের ভগ্নপ্রায় গ্রিনরুমের দৃশ্য। এখন সেসবই অতীত। তবে সেই সময়কার জৌলুশ কালক্রমে ধরে রাখা সম্ভব না হলেও এখনও নির্দিষ্ট রীতি মেনে শ্রদ্ধা, নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁরা পুজো করে চলেছেন প্রত্যেক বছর। তবে দুর্গাপুজোর পাশাপাশি দুর্গাদালানের পাশেই প্রতিষ্ঠিত রয়েছে ‘শ্যামসুন্দর জীউ’-এর মন্দির, যেখানে নিত্যপুজোর পাশাপাশি তিনদিন সাড়ম্বরে পালিত হয় রাস উৎসব। জমিদার আর নেই, জমিদারের জমিদারিত্ব অনেকাংশ কমে গিয়েছে। তবে বংশধরেরা এখনও পর্যন্ত নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে মা দুর্গার আরাধনা করে চলেছেন। দূরদূরান্তের সমস্ত আত্মীয় পুজোর সময় উপস্থিত হন এই ঘোষ পরিবারে। পুজোর চারটে দিন খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে গমগম করে এই ঘোষ পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হাওড়ার একাধিক এলাকা। নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে গিয়েছে। রবিবার রাত থেকেই ঝড় এবং বৃষ্টির প্রভাবে হাওড়া পুরসভার একাধিক জায়গায় জল জমে জনজীবন সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। সালকিয়া, বেলগাছিয়া, টিকিয়াপাড়া, রামরাজাতলা, ঘুসুড়ি, কোনা এক্সপ্রেস এবং লিলুয়ার একাধিক জায়গায় জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ পড়েছেন দুর্ভোগে। অপর দিকে নামখানার মৌসিুনি দ্বীপে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ঝড়ের কবলে গাছ চাপা পড়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ায় মারা গিয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।

    হাওড়া পুরসভার বক্তব্য (Remal Cyclone)

    রেমাল (Remal Cyclone) ঝড় এবং বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন হয়ে সমস্যায় পড়েছেন হাওড়া সদর এলাকার মানুষ। হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১টি পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও আরও সাতটি মোবাইল ভ্রাম্যমান পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর কাজ করা হচ্ছে। নিচু এলাকা থেকে জল নামানোই এখন প্রধান কাজ। ঝড়ের দাপটে মধ্যহাওড়া হালদারপাড়া সেকেন্ড বাই লেন-সহ কয়েকটি বাড়িতে গাছ ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী কাজ করে চলেছে। তবে ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

    হাওড়ায় ট্রেন চলাচল মোটের উপর স্বাভবিক

    হাওড়া স্টেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোটের উপর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেমালের কারণে ঘূর্ণিঝড়ে সোমবার হাওড়া-দিঘা এবং ডাউন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস বন্ধ রাখা হয়েছে। চালু হয়েছে অন্য কিছু ট্রেন। যোগাযোগ সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হাওড়া-কলকাতায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়ার (Remal Cyclone) উন্নতি না ঘটলে নদীপথে পরিবহণ স্বাভাবিক করা যাবে না।

    আরও পড়ুন:রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    নামখানায় মৃত ১

    রেমালের (Remal Cyclone) দাপটে গাছ ভেঙে ঘরের উপর পড়লে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। টিনের ছাউনি দেওয়া ঘরের মধ্যে রান্না করছিলেন রেণুকা মণ্ডল নামের ওঁই বৃদ্ধা। কিন্তু আচমকা ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়লে চাপা পড়ে মারা যান বৃদ্ধা। কিন্তু দ্রুত তাঁকে হাসপাতলে নিয়ে গেলে শেষ রক্ষা হয়নি। ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে সেখানে গিয়ে পৌঁছেছেন ফেজারগঞ্জের পুলিশ। তাঁর দেহ এরপর ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঝড়ের দাপটে বহু কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। অনেক গাছপালা ভেঙে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সুন্দরবনের উপকূল এলাকার ১ লক্ষ ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Poachers in Sundarbans: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    Poachers in Sundarbans: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরাশিকারীদের (Poachers in Sundarbans) হাতে খুন বনদফতরের কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরবনের নেতিধোপানি ক্যাম্পের কাছে। বন দফতর সূত্রে খবর, রাতে টহল দেওয়ার সময় হরিণশিকারিদের আক্রমণের মুখে পড়ে বনকর্মীদের একটি দল। সেই সময় কুপিয়ে খুন করা হয় এক বনকর্মীকে। ইতিমধ্যেই তাঁর দেহ উদ্ধার করে সুন্দরবন কোস্টাল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে দেহ। 

    ঠিক কী ঘটছিল? (Poachers in Sundarbans) 

    জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যে বেলা বোট নিয়ে টহল দিতে বেরিয়েছিলেন বনকর্মী অমলেন্দু হালদার। সঙ্গে ছিলেন আরও তিন বনকর্মী ও বোটের দুই কর্মী। সেই সময় বাংলাদেশের দিক থেকে হেতালবাড়ি জঙ্গলে ঢোকে চোরাশিকারিদের নৌকা। বিষয়টি নজরে আসার পরই চোরাশিকারিদের বাধা দিতে যান অমলেন্দু । এরপর চোরাশিকারিদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় তাঁর। তখনই দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বনদফতরের ওই কর্মীর। প্রাণে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ দেন বাকি কর্মীরা। কিন্তু এরপর অন্ধকারে আর অমলেন্দুর দেহর খোঁজ মেলেনি। চোরাশিকারিদেরও নাগাল পাননি বন দফতরের কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত রবিবার ভোরে নেতিধোপানি ক্যাম্পের কাছ থেকে অমলেন্দুর দেহ উদ্ধার হয়। 

    খুনের মামলা দায়ের 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমলেন্দুকে কুড়ুল জাতীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোও হয়েছে। তাঁর মাথায় গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বন দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে কোথা থেকে এসেছিলেন চোরাশিকারিরা (Poachers in Sundarbans), ঠিক কী ঘটেছিল, কারাই বা এর নেপথ্যে রয়েছে, সবটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: “যে বাংলায় সরস্বতীর পুজো হয়, সেখানে তৃণমূল শিক্ষায় চুরি করে”, বঙ্গে ভোটপ্রচারে আক্রমণ মোদির

    এ প্রসঙ্গে এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘বনকর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ (Poachers in Sundarbans) দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এইটুকু পরিষ্কার যে, গুলি চলেনি। দেহে গুলি লাগার চিহ্ন নেই। ধারালো কিছুর আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর কি কখনও সুন্দর হতে পারে? হ্যাঁ, পারে। আর যে জায়গায় বেড়াতে গেলে ভয়ঙ্করকেও সুন্দর বলে মনে হয়, তা আর কোনও জায়গা নয়, আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গেরই এক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র “সুন্দরবন”। এখানে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ, আর গাছে সাপ। তবু এই অরণ্য সুন্দর। বলা হয়, সুন্দরী গাছের আধিক্য থাকার কারণেই নাকি এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের নাম হয়েছে সুন্দরবন (Sundarbans)।

    ১০২টি ছোট-বড় দ্বীপ

    সুন্দরী গাছ ছাড়াও এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যে আছে ধূধূল, কেওড়া, গরান, গেওয়া, গোলপাতা আর বাঘেদের লুকিয়ে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রিয় “হেতাল” গাছ। সুন্দরবনের (Sundarbans) মোট ১০২ টি ছোট-বড় দ্বীপের মধ্যে ৫৪ টি দ্বীপে জনবসতি আছে। বাকি দ্বীপগুলিতে শুধুই বাদাভূমির ওপর ম্যানগ্রোভের জঙ্গল, আর সেই জঙ্গলে বসবাসকারী অরণ্যাচারী প্রাণীর দল, যার মধ্যে আছে হরিণ, শজারু, বাঁদর, বুনো শুয়োর, বন বিড়াল, আর হ্যাঁ আছেন তিনি! বনের রাজা, স্বয়ং রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। তবে তিনি চট করে কাউকে দেখা দেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে তবেই মহারাজের দেখা মেলে। আর নদীর বুকে আছে কুমির। শীতকালে প্রায়শই দেখা যায়, নদীর চরে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে বিশালাকার কুমির।

    ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইট (Sundarbans)

    আর আছে বিভিন্ন প্রকারের পাখি। এখানে দেখা মেলে বক, শামুকখোল, নানান প্রজাতির মাছরাঙা, সিগাল, মাছ ধরা ঈগল, পানকৌড়ি প্রভৃতি পাখির। প্রায় ৪২১০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠা এই অরণ্যকে ১৯৮৪ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৭ সালে মেলে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি। ইউনেস্কো এই অরণ্যকে গ্লোবাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ফরেস্ট বলে ঘোষণা করে। ১৯৮৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মাতলা, হোগল, বিদ্যাধরী, রায়মঙ্গল প্রভৃতি নদী। সুন্দরবনের (Sundarbans) প্রাণকেন্দ্র হল সজনেখালি। এখান থেকেই জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়।

    ঘোরা এবং থাকা-খাওয়া (Sundarbans)

    ঘোরার জায়গা বলতে রয়েছে পাখিরালয়, বনবিবি ভাড়ানি, নেতি ধোপানির ঘাট, পীরখালি, বুড়ির ডাবরি, দোবাকি, পঞ্চ মুখানি প্রভৃতি। এগুলোর মধ্যে বহু জায়গাতেই ওয়াচ টাওয়ার আছে।যাতায়াতের উপায় কী? এক সময় ক্যানিং থেকে লঞ্চ নিয়ে সুন্দরবন (Sundarbans) যেতেন পর্যটকরা। এখন প্রায় অধিকাংশই যান গদখালি দিয়ে। এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ট্যুরিস্ট লজ “সজনেখালি ট্যুরিস্ট লজ”। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্যাকেজকারী সংস্থার নিজস্ব লজ। তবে যেহেতু এই সফরের প্রায় অধিকাংশটাই নদীবক্ষে এবং এখানে অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রর মতো থাকা-খাওয়ার হোটেল নেই, তাই এই ভ্রমণটি প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়াই ভালো। অন্যথায় খরচ ও ঝামেলা, দুই-ই অনেকখানি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সুন্দরবনে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে চলছে ট্রলারঘাট নির্মাণ

    South 24 Parganas: সুন্দরবনে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে চলছে ট্রলারঘাট নির্মাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করে চলছে ট্রলারঘাট তৈরির কাজ। এলাকার মানুষের অভিযোগ এই অবৈধ কাজে নির্বিকার প্রশাসন। এলাকায় এই নিয়ে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ শাসক দল, প্রশাসনের মদতে চোরাচালানের কাজ করছে।

    ম্যানগ্রোভ কেটে হচ্ছে নদীর গতিপথ রুদ্ধ (South 24 Parganas)

    সুন্দরবনকে (South 24 Parganas) রক্ষার্থে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে যখন প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা খরচা করে ম্যানগ্রোভ চারা বসানোর কাজ করছে, ঠিক তখনই এক অন্য ছবি ধরা পরল কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্য নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর গোবিন্দপুর গয়লার চক এলাকায়। নির্বিচারে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করে তৈরি করা হচ্ছে ট্রলারঘাট। এই অবৈধ নির্মাণে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী উজ্জ্বল দাস বলেন, “আমি ম্যানগ্রোভ কাটিনি। আমার কাছে জায়গার সঠিক কাগজপত্র রয়েছে।” তবে এই বিষয়ে এই জায়গার বর্তমান মালিক ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজি হননি।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ওই এলাকায় (South 24 Parganas) পাশ থেকেই বয়ে গেছে কালনাগিনী নদী। এলাকার স্থানীয় শোভন নায়েক বলেন, “এইভাবে যদি নির্বিচারে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয় তাহলে আগামী বর্ষার মরশুমে জলমগ্ন হয়ে পড়বে গোটা এলাকা। মূলত এলাকা থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বই রয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অফিস। কিন্তু তারপরেও কীভাবে দিনের পর দিন এইভাবে ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর গতিপথ রুদ্ধ করা হচ্ছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    তবে এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক মন্টু রাম পাখিরা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, “কোনও রকম অবৈধ কাজ হয়ে থাকলে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়া হবে।” তবে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী উজ্জ্বল দাস বলেন, “কোথায় পদক্ষেপ! প্রশাসনকে তো বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে রীতিমতো কাজ করে চলেছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে মথুরাপুর সাংগঠনিক (South 24 Parganas) জেলা বিজেপির সম্পাদক কৌশিক দাস বলেন, “শাসকদল ও প্রশাসনের মদত না থাকলে এমন কাজ করা যায় না, পরিকল্পিত ভাবেই টাকার বিনিময়ে চলছে। এই অবৈধ কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF Plans For Sundarbans: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    BSF Plans For Sundarbans: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবন বাঁচাতে গুচ্ছ পদক্ষেপ করতে চলেছে বিএসএফ (BSF Plans For Sundarbans)। জঙ্গলের নিরাপত্তায় এবার জলে নামানো হচ্ছে নৌবাহিনীর ১ হাজার ১০০ জনের একটি দলকে। জল এবং স্থলের পর অন্তরীক্ষ-পথেও চালানো হবে নজরদারি। সেজন্য নামানো হচ্ছে ৪০টি ড্রোনও। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যাতে কাজ করতে পারে সেজন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বেশ কিছু গাড়িও। সম্প্রতি কলকাতায় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতরে চূড়ান্ত হয় পরিকল্পনাটি। তবে বিএসএফের এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হবে কিনা, তা নির্ভর করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ছাড়পত্রের ওপর।

    সুন্দরবনে চোরাচালান

    বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন। ছোটবড় মিলিয়ে ১০০টি দ্বীপের সমষ্টি। এর একটা বড় অংশ রয়েছে ভারতে। বাকিটা বাংলাদেশের। ভারত-বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটা অংশও সুন্দরবনের মধ্যে পড়ে। এই সুন্দরবনেই রয়েছে সুন্দরী, গরান সহ বহু নামী-দামি গাছ। বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারেরও আবাসস্থল এই সুন্দরবন। এই গহীন জঙ্গলে ঢুকে চোরাচালানকারীরা কেটে নিয়ে যায় দামী গাছ। বাঘ সহ বিভিন্ন বিপন্ন প্রাণীও পড়ে হাপিশ হয়ে যায় রাতের অন্ধকারে। এসব রুখতেই এবার কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করতে চাইছে বিএসএফ (BSF Plans For Sundarbans)। বিএসএফের এক কর্তা জানান, সুন্দরবনের নদীপথ ও ঘন জঙ্গলকে হাতিয়ার করে রমরমিয়ে চোরাচালান করে যাচ্ছে পাচারকারী ও অনুপ্রবেশকারীরা। এসব রুখতেই ব্যবস্থা হচ্ছে কড়া নজরদারির।

    গুচ্ছ পরিকল্পনা

    বর্তনামে ৫০টি স্পিড বোট দিয়ে সুন্দরবনে নজরদারি চালায় বিএসএফ। যা সুন্দরবনের আয়তনের তুলনায় সামান্যই। সেই কারণেই নামানো হচ্ছে নৌবাহিনীর ১১০০ জনের দলকে। আকাশপথে নজরদারি চালাতে নামানো হচ্ছে ৪০টি ড্রোন। এহ বাহ্য। তিনটির বেশি ভাসমান আউটপোস্টও তৈরি করা হয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে তৈরি করা হয়েছে ১৪টি জেটিও।

    আরও পড়ুুন: নাবালিকার মুখে হিন্দুস্তান-প্রশস্তি, ‘কবি-বন্ধু’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন সুন্দরবনের কোস্টাল এরিয়ায় সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বিএসএফের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পর থেকেই সুন্দরবনের সুরক্ষায় আঁটসাঁট পদক্ষেপ করতে শুরু করে বিএসএফ। এবার আরও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করতে চলেছেন সীমান্ত প্রহরীরা (BSF Plans For Sundarbans)। তবে পুরো বিষয়টিই নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ছাড়পত্রের ওপর। কারণ অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলে এই মন্ত্রকই ঠিক করবে, এই খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা যাবে কিনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share