Tag: sunil ambekar

sunil ambekar

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গত এক বছরের কাজের পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে হরিয়ানার (Haryana) সমলখায় তিন দিনব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক শুরু হতে চলেছে। আগামী ১৩ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। সংঘের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা’র (ABPS) এই বৈঠকে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর সাংবাদিক সম্মেলন করে সংঘের এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত প্রকাশ করেছেন।

    বৈঠকের মূল বিষয়সমূহ (Haryana)

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, হরিয়ানায় (Haryana) আরএসএস-এর (RSS) এই বৈঠকে সংঘ এবং সংঘের বিবিধ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। যেমনসংঘ প্রধান মোহন ভাগবত ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং আরএসএস-এর ৩২টি সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন। মোট ১,৪৮৭ জন প্রতিনিধি এতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    শতবর্ষ উদ্‌যাপন

    এবছর আরএসএস-এর (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হওয়ায়, উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসেবে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন— গৃহসম্পর্ক অভিযান, হিন্দু সম্মেলন, যুব সম্মেলন এবং সামাজিক সম্প্রীতি সভা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত, ‘গৃহসম্পর্ক’ অভিযানের মাধ্যমে তারা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে।

    শাখা বিস্তার

    গত এক বছরে সংঘের কাজের পরিধি বেড়েছে। সারা দেশে প্রায় ৬,০০০ নতুন শাখা (RSS) খোলা হয়েছে। বৈঠকে এই বৃদ্ধির বিশদ রিপোর্ট পেশ করা হবে।  সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর আরও বলেন, “এই বৈঠকে আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে এবং সংঘের প্রশিক্ষণ শিবির অর্থাৎ সংঘ (RSS) শিক্ষা বর্গ ও কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ নিয়ে রূপরেখা তৈরি হবে।”

    অনলাইন আগ্রহ

    জানুয়ারী ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬,৪৪৫ জন মানুষ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরএসএস-এ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    গুরু রবিদাস জয়ন্তী

    বৈঠকে গুরু রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন নিয়েও আলোচনা হবে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বছরব্যাপী সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা (RSS) দেশজুড়ে তাঁর জীবন ও আদর্শ প্রচারের কর্মসূচি পালন করবেন। হরিয়ানার (Haryana) পানিপথ জেলার সমলখায় আরএসএস-এর এই বার্ষিক সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ অভিমুখ এবং শতবর্ষের কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

  • RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ যোধপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আরএসএস-এর (RSS) সমন্বয় বৈঠক। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন আরএসএস নেতা সুনীল আম্বেকর। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের বিজয়াদশমী পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) তার শতবর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এই অনুষ্ঠান শুরু হবে নাগপুরে একটি বিজয়াদশমীর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে সংঘের সরসঙ্ঘচালক ড. মোহন ভাগবত ভাষণ দেবেন। আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, শতবর্ষের উদযাপনে দেশজুড়ে স্বয়ংসেবকরা পথসঞ্চালন করবেন এবং বছর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে- হিন্দু সম্মেলন, সামাজিক সদ্ভাবনা সভা, গৃহ সংস্পর্শ কার্যক্রম। তিনি আরও জানিয়েছেন, এসব কর্মসূচির লক্ষ্য হল সংঘের কর্মকাণ্ডকে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

    ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর (RSS) কথাও এদিন বলেন সুনীল আম্বেকর

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সংঘের ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর কথাও তুলে ধরা হয়। জানানো হয় এনিয়েও আলোচনা চলবে সংঘের সমন্বয় বৈঠকে। এই ইস্যুতে কর্মসূচি চলবে আগামীদিনে। প্রসঙ্গত, এই ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ হল-

    সামাজিক সম্প্রীতি (Social Harmony)

    পারিবারিক জাগরণ (Family Awakening)

    পরিবেশ সচেতনতা (Environmental Awareness)

    আত্মনির্ভরতা (Self-Reliance)

    নাগরিক কর্তব্য (Civic Duty)

     কী কী আলোচনা হবে অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকে (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)?

    সংঘের (RSS) বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা চলবে। একইসঙ্গে  ২০২৫-২৬ সালের শতবর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা, বিশেষ করে পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির প্রসঙ্গে।

    কারা অংশ নেবেন বৈঠকে?

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন, ড. মোহন ভাগবত (সরসংঘচালক), দত্তাত্রেয় হোসাবলে (সরকার্যবাহ), সমস্ত সহ-সরকার্যবাহগণ, সংঘের ৩২টি সংগঠনের ৩২০ জন কার্যকর্তা। উপস্থিত সংগঠনগুলোর (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) মধ্যে রয়েছে-রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রম, সংস্কার ভারতী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, ভারতীয় কিষান সংঘ, বিদ্যা ভারতী, ভারতীয় মজদুর সংঘ, বিজেপি ইত্যাদি।

  • RSS: আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা! শোক প্রকাশ আরএসএসের, উদ্ধারকাজে সামিল স্বয়ংসেবকরা

    RSS: আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা! শোক প্রকাশ আরএসএসের, উদ্ধারকাজে সামিল স্বয়ংসেবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংকটে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) সর্বদাই এগিয়ে আসে – তা প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক কিংবা অন্য কিছু। আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের স্বয়ংসেবকরা সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকার্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন। গুজরাটের কর্ণাবতীর সিভিল হাসপাতালে তাঁরা চিকিৎসকদের ও বিভিন্ন মেডিক্যাল টিমকে সহায়তা করতে থাকেন। একই সঙ্গে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারগুলিকেও দেখভাল করেন এবং সবার সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তোলেন। আরএসএস-এর এমন নিঃস্বার্থ সেবা বিমান দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেকটাই সহায়তা করে (Air India Plane Crash)।

    উদ্ধারকাজে অংশ নেন ১৭৫ স্বয়ংসেবক (RSS)

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) নীতিই হল নিঃস্বার্থ সেবা। যেকোনও দুঃসময়ে তারা পাশে দাঁড়ায়। আরএসএস-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ১৭৫ জন স্বয়ংসেবক এই সেবাকার্যে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা শুধু উদ্ধারকাজেই নয়, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নিহতদের ময়নাতদন্তে সহায়তা, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ এবং রক্তদানেও অংশ নেন (Air India Plane Crash)। এছাড়াও, ২০০০-এর বেশি মানুষকে চা, জল ও খাবার সরবরাহ করে সাহায্য করেন সংঘের স্বয়ংসেবকরা। এই সেবাকাজে আরএসএস-কে সহায়তা করে কালুপুর স্বামীনারায়ণ মন্দির।

    শোক প্রকাশ আরএসএস-র (RSS)

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের বিমান দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ শ্রী সুনীল আম্বেকর। সমাজমাধ্যমের পাতায় তিনি লেখেন- “গুজরাটে আজকের এই বিমান দুর্ঘটনা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা গভীর সমবেদনা জানাই সেই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্তদের, যাঁরা এই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। ভগবানের কাছে আমাদের প্রার্থনা, এই দুঃখ সহ্য করার শক্তি যেন তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে দেন।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই আমেদাবাদে ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ২ পাইলট, ১০ কেবিন ক্রু-সহ মোট ২৫২ জন ছিলেন। বহু মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়া বিমান। মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ছাদে ভেঙে পড়ে বিমানটি। এর ফলে,  অনেক জাক্তারি পড়ুয়াও নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • RSS: “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে জঙ্গি হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায় বিচারের সূচনা হয়েছে,” বলছে আরএসএস

    RSS: “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে জঙ্গি হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায় বিচারের সূচনা হয়েছে,” বলছে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) মাধ্যমে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায় বিচারের সূচনা হয়েছে। পাকভূমে ভারতের প্রত্যাঘাতের জবাব দিতে গিয়ে একথাই বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান সুনীল আম্বেকর।

    আরএসএসের বক্তব্য (RSS)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “পহেলগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়ের সূচনা — ‘অপারেশন সিঁদুর’, ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। জাতি সমর্থন জানায়।” তিনি আরও লেখেন, “জয় হিন্দ। মাতৃভূমি ভারত দীর্ঘজীবী হোক।” দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। এগুলির মধ্যে রয়েছে বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের ডেরা এবং মুরিদেকতে লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটি।

    অপারেশন সিঁদুর

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহলেগাঁওয়ে বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে। পহেলগাঁওয়ের ওই ঘটনার দু’সপ্তাহ পরে অপারেশন সিঁদুরের অধীনে এই সামরিক হামলা হয়। মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই অপারেশন চালানো হয়। তার পরেই সেনার এক কর্তা জানান, অপারেশন সিঁদুরের অধীনে আঘাত করা হয়েছে ৯টি লক্ষ্যস্থলে। এর মধ্যে চারটি পাকিস্তানে এবং পাঁচটি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। এই সব জায়গায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ছদ্মবেশে জঙ্গি শিবির পরিচালনার গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনী লক্ষ্যগুলি বেছে নেয়। এগুলিকে শনাক্ত করা থেকে এড়াতে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি এই কৌশল নিয়েছিল বলে জানানো হযেছে।

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওকাণ্ডের পর আরএসএসের (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “এটি ধর্ম ও অধর্মের লড়াই। যাঁরা নিহত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রথমে তাঁদের ধর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। একজন হিন্দু কখনও এটি করবে না। কারণ সে ধৈর্যশীল।” এর পরেই তিনি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেছিলেন, ভারতকে শক্তিশালী করতে হবে যাতে এটি এই ধরনের রাক্ষসদের ধ্বংস করতে পারে। তিনি বলেছিলেন, “দেশকে শক্তিশালী করতে হবে। আমাদের আট-বাহু শক্তি দ্বারা রাক্ষসদের ধ্বংস করতে হবে।” পহেলগাঁওকাণ্ডের পরে পরে আম্বেকরও বলেছিলেন, “এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা (Operation Sindoor)। আমি নিশ্চিত যে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (RSS)।”

  • RSS: আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা হবে বেঙ্গালুরুতে, জানুন বিশদে

    RSS: আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা হবে বেঙ্গালুরুতে, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা (এবিপিএস), ২০২৫ সালের ২১ থেকে ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru)। অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা সংঘের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থা এবং এটি প্রতি বছর আয়োজিত হয়। এবারের এবিপিএস বেঙ্গালুরু শহরের কাছে চান্নেনাহল্লিতে অবস্থিত জনসেবা বিদ্যা কেন্দ্র প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে।

    সংঘের বার্ষিক প্রতিবেদন (RSS)

    গত বছর সংঘের বার্ষিক প্রতিবেদন (কার্যবৃত্ত) এই বৈঠকে উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে। এর বিশ্লেষণের পাশাপাশি, সংঘের বিভিন্ন প্রান্ত ও শাখার দ্বারা গত বছরের বিশেষ উদ্যোগগুলির প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হবে। ১৯ মার্চ, বেঙ্গালুরুতে জনসেবা বিদ্যা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে, আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানান, বৈঠকটি ২১ মার্চ সকাল ৯টায় শুরু হয়ে ২৩ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, “আরএসএসের দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সংঘের সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে গত বছরের কাজের প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন, যেখানে শাখা কার্যক্রম, বিশেষ কর্মসূচি এবং উদ্যোগগুলির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিনিধিরা তাদের নানা প্রান্তে হয়ে যাওয়া কাজের রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন, যার মধ্যে উদ্যোগ, বিশেষ কর্মসূচি এবং মাঠ পর্যায়ের কাজের বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে (Bengaluru)।”

    কী বললেন সুনীল অম্বেকার?

    সুনীল আম্বেকার বলেন, “২০২৫ সালে বিজয়া দশমীতে আরএসএসের একশো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শাখা সম্প্রসারণ এবং লক্ষ্যগুলির পর্যালোচনা করা হবে। ২০২৫-২০২৬ সালটি আরএসএসের (RSS) শতবার্ষিকী বছর হিসেবে পালিত হবে। এই সভায় সেই সময়কালে আয়োজিত কর্মসূচিগুলি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বছর, সংঘ চিন্তা ও কাজের প্রসার এবং এতে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা চালানো হবে।” তিনি বলেন, “পঞ্চ পরিবর্তন, সামাজিক পরিবর্তনের পাঁচটি মূল বিষয়, যথা সামাজিক সমরসতা (সামাজিক সম্প্রীতি), কুটুম্ব প্রবোধন, পরিবেশ সচেতনতা, ‘স্ব’ এর ওপর জোর এবং নাগরিকদের দায়িত্বগুলিও আলোচনা করা হবে।”

    দুটি প্রস্তাব

    সুনীল আম্বেকর জানান, বিভিন্ন প্রান্তের কার্যকর্তারা জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতা, অন্তর্দৃষ্টি এবং চিন্তাভাবনা শেয়ার করবেন। তিনি বলেন, এই সভায় দুটি প্রস্তাব গৃহীত হবে- প্রথম প্রস্তাবটি বাংলাদেশে ঘটে চলা উদ্বেগজনক ঘটনাবলী, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ নিয়ে হবে। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি হবে আরএসএসের গত ১০০ বছরের যাত্রা, শতবর্ষ উদযাপনকালীন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। প্রতিনিধি সভায় রানি আবাক্কার ৫০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর অবদান নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।

    প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

    আরএসএসের (RSS) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পর্কে সুনীল আম্বেকর জানান, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে স্বয়ংসেবকদের জন্য ৯৫টি প্রথম বর্গ ও দ্বিতীয় বর্গ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৭২টি বর্গ ৪০ বছরের কম বয়সীদের জন্য এবং ২৩টি বর্গ ৪০ বছর ও তার বেশি বয়সিদের জন্য হবে। প্রতিনিধি সভায় সর সংঘচালক মোহন ভাগবতজির জাতীয় পর্যায়ের প্রবাস পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন এবং প্রতিনিধি সভায় আলোচিত বিষয়গুলি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করবেন (Bengaluru)।

    শতবর্ষ উদযাপন

    গত কয়েক বছরের কাজ সম্পর্কে সুনীল আম্বেকর বলেন, “গত চার বছর ধরে, আমাদের শতবর্ষ উদযাপনের প্রেক্ষিতে, আমাদের স্বয়ংসেবকরা দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছেছেন, শাখার সংখ্যা বাড়িয়েছেন এবং আরএসএসের কার্যক্রম প্রসারিত করেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে ‘Join RSS’ লিংকের মাধ্যমে প্রতি বছর ১.২ লক্ষ ব্যক্তি আমাদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন।” হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “শুধু বাংলাদেশে নয়, আরএসএস বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের গর্ব ও নিরাপত্তার জন্য গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বিশেষত যেখানে হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হয়।”

    হিংসার নিন্দা

    সুনীল আম্বেকর নাগপুরের হিংসারও নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “যে কোনও ধরনের হিংসা সমাজের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। আমি মনে করি পুলিশ এই ঘটনাটি লক্ষ্য করেছে এবং বিস্তারিত তদন্ত করবে।” ঔরঙ্গজেবের প্রাসঙ্গিকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি (ঔরঙ্গজেব) আজকের দিনে প্রাসঙ্গিক নন।” জানা গিয়েছে, আরএসএসের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ বাকি ছয় সহ-সরকার্যবাহ এবং নির্বাহী সমিতির সকল সদস্য এই সভায় উপস্থিত থাকবেন। মোট ১,৫০০ কর্মী, মূলত প্রান্ত ও ক্ষেত্র পর্যায় থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, এই সভায় অংশগ্রহণ করবেন। ৩২টি আরএসএস প্রভাবিত সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠন সম্পাদকও উপস্থিত থাকবেন (Bengaluru)।

  • Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) উপর নির্যাতন রোধ করার জন্য ভারত সরকারের ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ’’ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) নেতা সুনীল অম্বেকর। পদ্মাপাড়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এই নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত বলেও মত সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখের।

    আরও সক্রিয় পদক্ষেপের আশা

    মঙ্গলবার নাগপুরে ‘সকল হিন্দু সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত একটি সভায় সুনীল বলেন, ‘‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ প্রতিরোধে ভারত সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাংলাদেশে যা ঘটছে তা প্রতিটি হিন্দুর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশ (Hindus in Bangladesh) সরকারকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘটে চলা নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। ভারত সরকারকে এই ধরনের নির্যাতন বন্ধ করতে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। যে কোনও মূল্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া, বিশেষ বিমানে দেশে ফেরানো হচ্ছে ৭৫ ভারতীয়কে

    বাংলাদেশের হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ

    অম্বেকর আশা প্রকাশ করেন যে, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির বাংলাদেশ সফর নিশ্চয় কোনও সমাধান সূত্র বার করবে। তবে, যদি এর মাধ্যমে কোনও ইতিবাচক ফল পাওয়া না যায়, তাহলে ভারতকে অন্য কোনও পথ খুঁজে বের করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘বিশ্বের কিছু শক্তি বাংলাদেশে (Hindus in Bangladesh) অশান্তি সৃষ্টি করছে। আমাদের এসব শক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে হিন্দুদের প্রতি এ ধরনের অত্যাচার বন্ধ হয়, শুধু আমাদের দেশে নয়, অন্যান্য দেশেও।’’ বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার এবং তাঁর আইনজীবীর ওপর হামলার প্রসঙ্গে অম্বেকর বলেন, ‘‘এই ঘটনা নির্যাতনের সীমা অতিক্রম করেছে।’’ এই আবহে বাংলাদেশি হিন্দুদের মনোভাবের প্রশংসা করেছেন সুনীল। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের হিন্দুরা একটি অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা দিয়েছেন যে, তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছেন না, বরং ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে শুরু হতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg)। সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ শ্রী সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি জানিয়েছেন, প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg) শুরু হবে দীপাবলির দিন থেকে এবং চলবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, সারা দেশ থেকে মোট ৫৫৪ জন প্রচারক এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। প্রসঙ্গত, প্রচারক বর্গ অনুষ্ঠিত হয় প্রতি চার-পাঁচ বছর অন্তর। ২০২৫ সালেই আরএসএস শতবর্ষে পা রাখতে চলেছে। তার আগে এমন প্রচারক বর্গ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সঙ্ঘ সূত্রে জানা গিয়েছে, সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং অন্যান্য সহকার্যবাহ ও সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় স্তরের পদাধিকারীরা এই বৈঠকে যোগদান করবেন।

    কোন কোন বিষয়ে আলোচনা (RSS Pracharak Varg)?

    বৈঠকে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্রদের বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসবে। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, গ্রামীণ সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি ওই বৈঠকে সমাজ জীবনের প্রয়োজনীয় কাজগুলি সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জাতীয় স্তরের নানা ইস্যু এবং সামাজিক ইস্যুও বৈঠকে উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে (RSS Pracharak Varg) আলোচনা হবে আত্মনির্ভরতা, দেশের নিরাপত্তা, জৈব কৃষি, জল সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা সমেত আরও অন্যান্য ইসুতে।

    মথুরায় সঙ্ঘের কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক শেষ হয়েছে গতকাল শনিবার 

    মথুরায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের দুদিনের বৈঠক সমাপ্ত হয় গতকাল শনিবার ২৬ অক্টোবর। শুক্রবার ২৫ অক্টোবর এই বৈঠকের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত। মথুরার পারখম গ্রামের দীনদয়াল গাভী বিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নবধা অডিটোরিয়ামে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সঙ্ঘের ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রদেশ থেকে মোট ৩৯৩ জন এই বৈঠকে অংশ নেন। জম্মু ও কাশ্মীর, কেরল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচল, মণিপুর, ত্রিপুরা থেকেও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। আগামী মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় বৈঠকে। সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং সহ সরকার্যবাহ ডক্টর কৃষ্ণ গোপাল, শ্রী মুকুন্দ, অরুণ কুমার, রামদত্ত চক্রধর, অলোক কুমার, অতুল লিমায়ে হাজির ছিলেন বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: শুক্রবার মথুরায় সঙ্ঘের বৈঠক শুরু, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা সহ একাধিক ইস্যুতে আলোচনা

    RSS: শুক্রবার মথুরায় সঙ্ঘের বৈঠক শুরু, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা সহ একাধিক ইস্যুতে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল শুক্রবার মথুরায় (Mathura) শুরু হচ্ছে আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক। এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বঞ্চিত শ্রেণির কাছে পৌঁছানো, জাতীয় স্তরের বিভিন্ন ইস্যু, জম্মু-কাশ্মীরের ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি, বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তাহীনতা, ওটিটি প্লাটফর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ— এই সমস্ত কিছুই আলোচিত হবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে। ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়া এই বৈঠকে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হবে আরএসএস-এর (RSS) শতবর্ষে অনুষ্ঠিত হতে চলা নানা কর্মসূচি নিয়েও।

    সারা দেশ থেকে যোগ দেবেন ৩৯৩ জন পদাধিকারী

    জানা গিয়েছে, সারা দেশ থেকে মোট ৩৯৩ জন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পদাধিকারী, এই বৈঠকে যোগ দেবেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজয়া দশমীর ভাষণেই সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত বিবিধ ইস্যু স্থির করে দিয়েছিলেন, সে নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হবে এই বৈঠকে।

    কী জানালেন সুনীল আম্বেকর?

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) মুখপাত্র সুনীল আম্বেকর এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সঙ্ঘের এই বৈঠকে আলোচনা করা হবে যে সমাজকে কিভাবে সংঘটিত করা যায়, একসঙ্গে সমাজে কীভাবে থাকা যায়, যে কোনও ধরনের গুজবের মোকাবিলা করে। এর পাশাপাশি, ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলির কন্টেন্টগুলি শিশুদের মনে যেভাবে খারাপ প্রভাব ফেলছে, সে নিয়েও আলোচনা হবে। একইসঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ কিভাবে গড়ে তোলা যায়, সে নিয়েও হবে আলোচনা। একই সঙ্গে সুনীল আম্বেকর আরও জানিয়েছেন, এই বৈঠকে আলোচনা হবে ভারতের মহান সন্তানদের জীবনী ও সে বিষয়ে সঙ্ঘের কর্মসূচি (Mathura) নিয়েও। মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী, বিরসা মুণ্ডা, অহল্যাবাঈ হোলকার, রানি দুর্গাবতীদের নিয়ে আলোচনা হবে। জানা যাচ্ছে, সঙ্ঘের এই বৈঠকেই আগামী বছরের বিজয়া দশমী কীভাবে উদযাপন করা হবে, সে নিয়েও আলোচনা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীরা আরএসএস (RSS) করতে পারবেন না, এই বিষয়ে ৫৮ বছর আগে ১৯৬৬ সালে আদেশনামা জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। অবশেষে সেই নির্দেশকে তুলে দিল মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, এর আগে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে গত ২০১৮ সালেই আবেদন করেছিল যে সরকার যেন বিষয়টি ফের বিবেচনা করে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করে বলা হয়েছিল যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক যেন আগের সরকারি নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ সরকারি চাকরিরতরাও চান যাতে তাঁরাও দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কী বলছেন আরএসএস-এর (RSS) সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর

    আরএসএস-এর সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে আগের সরকার সঙ্ঘের মতো একটি গঠনমূলক সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে নিষেধ করেছিল সরকারি কর্মীদের। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) গত ৯৯ বছর ধরে জাতির পুনর্গঠনে এবং সমাজের সেবায় নিযুক্ত রয়েছে।’’ সুনীল আম্বেকর আরও উল্লেখ করেন, ‘‘জাতীয় সুরক্ষা, ঐক্যের ক্ষেত্রে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাহায্য করার জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছে আরএসএস।’’

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ৫৮ বছর আগে করা ‘অসাংবিধানিক’ একটা নিষেধাজ্ঞা অবশেষে তুলে নিল মোদি সরকার।

    ১৯৬৬ সালে কংগ্রেসের সরকারের আদেশনামা

    প্রসঙ্গত ১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যাতে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হতে না পারেন, সেই নির্দেশ দিয়েছিল কংগ্রেস সরকার। এমনকি সেই সময় আরএসএসের সঙ্গে মিটিং করা ও এমন ধরনের মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। যে কোনও ধরনের আরএসএস-এর (RSS) সংষ্পর্শে না যাওয়ার ক্ষেত্রে আদেশ জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। পরে জনতা সরকারের আমলে এই নিষিদ্ধকরণ সাময়িকভাবে তোলা হয়েছিল। ফের ১৯৮০ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই নির্দেশ পুনরায় লাগু করে। ২০০০ সালে গুজরাটের বিজেপি সরকার এই নিষেধাজ্ঞা তুলেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share