Tag: sunil ambekar

sunil ambekar

  • Sunil Ambekar: দলে দলে যুবকরা আরএসএস-এ যোগদান করছেন, বললেন সঙ্ঘ নেতা সুনীল আম্বেকর

    Sunil Ambekar: দলে দলে যুবকরা আরএসএস-এ যোগদান করছেন, বললেন সঙ্ঘ নেতা সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশ জুড়ে দলে দলে যুবকরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগদান করছেন, এ কথা বললেন আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। রবিবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠকের পরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে করেন সুনীল আম্বেকর। সেখানেই এই কথাগুলি বলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডের প্রান্ত সঙ্ঘচালক সচিদানন্দলাল, অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রমুখ নরেন্দ্র কুমার এবং প্রদীপ জোশি হাজির ছিলেন এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে।

    ২০১২ সালেই সঙ্ঘের উদ্যোগে শুরু হয় অনলাইন মিডিয়াম ‘জয়েন আরএসএস’

    সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar) জানিয়েছেন, ২০১২ সালেই সঙ্ঘের উদ্যোগে শুরু হয় অনলাইন মিডিয়াম ‘জয়েন আরএসএস’। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই প্রতিবছর ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ আরএসএস-এর সঙ্গে জুড়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত হিসাব বলছে, ২০২৪ সালে ৬৬ হাজার ৫২৯ জন মানুষ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আরএসএস-এর সদস্য হয়েছেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রশিক্ষণ শিবিরগুলির বিষয়বস্তুর বদল হতে চলেছে এবার থেকে। চলতি বছরে ৭২টি সঙ্ঘের শিবির সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ ৬০টি কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-এক সম্পন্ন হয়েছে ১১টি, কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-দুই ১টি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুনীল আম্বেকর।

    রাঁচির বৈঠকে ২২৭ জন কার্যকর্তা অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)

    জানা গিয়েছে, এই শিবিরগুলিতে ৪০ বছরের কম স্বয়ংসেবকরা হাজির থেকেছেন এবং মোট ২০,৬১৫জন স্বয়ংসেবক অংশগ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, ৪০ থেকে ৬৫ বছরের বয়স্কদের জন্য আলাদাভাবে ১৮টি শিবির করা হয়েছে। এই গুলিতে অংশগ্রহণ করেছেন ৩,৩৩৫ জন। রাঁচিতে অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠকে ২২৭ জন কার্যকর্তা অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইসুতেই আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই ছিল সাংগঠনিক ইস্যু।

    ২০২৫ সালের বিজয় দশমীর দিনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১০০ বছরে পা দেবে

    সঙ্ঘের (RSS) প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar) এদিন বলেন, ‘‘২০২৫ সালের বিজয়া দশমীকে সামনে রেখে সারাদেশেই সঙ্ঘের বিস্তার কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের বিজয় দশমীর দিনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১০০ বছরে পা দেবে। সুনীল আম্বেকর আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সারাদেশে সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে মন্ডল রয়েছে ৫৮ হাজার ৯৮১টি। এর মধ্যে ৩৬,৮২৩টি মন্ডলে চলে সঙ্ঘের শাখা। সুনীল আম্বেকর আরও জানিয়েছেন, সারা দেশে সঙ্ঘের প্রতিদিনকার শাখা চলে ৭৩,০১৭টি। সাপ্তাহিক মিলন সম্পন্ন হয় ২৭,৭১৭টি। সঙঘকর্মীরা সারাদেশেই সেবা কাজে অবিরাম ব্যস্ত রয়েছে বলেও জানান আম্বেকর। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ যে সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না সে কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘নির্বাচনের আগে দেশের মানুষকে সচেতন করাই আমাদের কাজ।’’ ধর্মান্তকরণ ইস্যুতে তাঁর মতামত হল, ‘‘গায়ের জোরে কখনও কারও ধর্ম বদল করা উচিত নয়।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারিতেই ভক্তদের জন্য খুলে যাচ্ছে রামমন্দিরের দরজা। ঠিক তার আগে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি দেশের গ্রামে গ্রামে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা। জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ৫ লাখ গ্রামে চলবে এই প্রচারাভিযান। গুজরাটের ভুজে মঙ্গলবার এই ঘোষণা করতে শোনা গেল সঙ্ঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলেকে। প্রসঙ্গত, রবিবার ৫ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে শুরু রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক ছিল। মঙ্গলবার শেষ হয় বৈঠক। এদিনই সাংবাদিক সম্মেলন করেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর। প্রসঙ্গত, আগেই সঙ্ঘের তরফে জানানো হয়েছিল গুজরাটের কার্যকারিণী বৈঠকের মূল অ্যাজেন্ডা হতে চলেছে রামমন্দির। এছাড়াও দত্তাত্রেয় হোসাবলের সাংবাদিক বৈঠকে আরও বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

    বাড়ছে সঙ্ঘের কাজ, সারা দেশে শাখা রয়েছে ৯৫,৫২৮

    সঙ্ঘ নেতা (RSS) দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, দেশে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সঙ্ঘের কাজ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে দেশে বর্তমানে ৫৯,০৬০ মণ্ডল রয়েছে, যার মধ্যে ৩৮ হাজার মণ্ডলে বর্তমানে সঙ্ঘের কাজ পৌঁছেছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে, সেসময় দেশের প্রতিটি মণ্ডলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান দত্তাত্রেয়। সারাদেশে বর্তমানে ৯৫,৫২৮টি শাখা চলছে বলে জানান সঙ্ঘের সরকার্যবাহ।

    সঙ্ঘের বর্তমান সদস্য কত? 

    দত্তাত্রেয় হোসবালে এদিন বলেন, ‘‘সঙ্ঘের কোনও সদস্যতা হয়না। শাখায় যাঁরা আসেন তাঁরাই স্বয়ংসেবক (RSS)। আবার বেশ কিছু সঙ্ঘের আয়াম রয়েছে সেগুলিও দেশজুড়ে সেবাকাজ চালিয়ে থাকে। তবে প্রতিবছর গুরু পূজনে স্বয়ংসেবকরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। চলতি বছরে গুরুপূজনে অংশ নিয়েছেন ৩৭ লাখেরও বেশি স্বয়ংসেবক।’’

    প্রসঙ্গ হিন্দুরাষ্ট্র

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন বলেন, ‘‘ভারত প্রথম থেকেই হিন্দুরাষ্ট্র। আলাদাভাবে ঘোষণার কোনও দরকার নেই। সংবিধান State-এর কথা বলে। অন্যদিকে রাষ্ট্র হল সাংস্কৃতিক ধারনা। দেশে যখন ব্রিটিশরাজ চলতো তখনও ভারত হিন্দুরাষ্ট্র ছিল।’’ বিশেষজ্ঞ মহল এক্ষেত্রে মান্যতা দিচ্ছেন দত্তাত্রেয়র মতকেই। কারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে State হল Sovereign Authority, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। অন্যদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে ‘রাষ্ট্র’ সাংস্কৃতিক ধারনা বলা যেতেই পারে। তাই ব্রিটিশ শাসনকে State বলেছেন দত্তাত্রেয় এবং ভারত হল রাষ্ট্র। State রাজনৈতিক ক্ষমতা, এরফলে ভারত রাষ্ট্রের হিন্দুত্ব বৈশিষ্ট্যের কোনও বদল হয়না।

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘ, বদল হচ্ছে প্রশিক্ষণবর্গেও

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘের (RSS) বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। তিনি বলেন, ‘‘রাজস্থানে ইতিমধ্যে স্বয়ংসেবকরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। পরিবেশ যাত্রায় ১৪ হাজার কিমি পথ অতিক্রমও করেছেন রাজস্থানের স্বয়ংসেবকরা। কর্নাটকের সঙ্ঘ কার্যকর্তারা ১ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি নিয়েছেন।’’ এদিন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করতেও নিষেধ করেন এই সঙ্ঘনেতা। অন্যদিকে, সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ বর্গগুলিতে বিষয়বস্তুর বদল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ  

    RSS: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না আরএসএস (RSS)। এ কথা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু (Minority-Majority) এই বিভাজনে বিশ্বাস করে না সংঘ। এই দেশের নাগরিকরা সবাই সমান। আমাদের পূর্বপুরুষরা যে এক সেকথা সরসংঘচালকজি (মোহন ভাগবত) বহু বার বলেছেন। তিনি এও বলেছেন, আমাদের ডিএনএ এক, ইতিহাসও এক। সুনীল বলেন, সেই কারণে আমরা প্রত্যেককেই নিজের বলে মনে করি। তাই আমরা প্রত্যেকের জন্য এবং প্রত্যেকের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে প্রস্তুত।

    সন্ত্রাসবাদ যে দেশের পক্ষে বড় বিপদ, এদিন তাও জানিয়ে দেন সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ। তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তারা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে। আমাদের দেশকে এদের সঙ্গেই যুদ্ধ করতে হচ্ছে। এই শক্তিকে পরাস্ত করতে আমাদের পুলিশ ও সশস্ত্র নেতা প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটা সন্ত্রাসবাদ এবং আইনশৃঙ্খলার ব্যাপার। আমাদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনা এদের সঙ্গে লড়ছে।

    আরএসএসের (RSS) এই নেতা বলেন, সংঘ সমতা ও ঐক্যের জন্য কাজ করে। এজন্য আমরা অবিরাম কাজ করে চলেছি। সমাজের সর্বস্তরের মানুষই স্বয়ংসেবক হচ্ছেন। আর এই স্বয়ংসেবকরা পৌঁছে যাচ্ছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে। তিনি বলেন, সর্ব প্রথম তাঁদের সমান সুযোগ দিতে হবে। এটা করতে আমরা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রত্যেকে যাতে পরস্পরকে চেনেন, জানেন, সেজন্যও আমরা অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি জেলায় সামাজিক সদ্ভাব বৈঠকের আয়োজন করে চলেছি। আমাদের স্বয়ংসেবকরা সমাজের সঙ্গে কাজ করছে। অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যাতে কেউ নিজেকে অসহায় মনে না করেন অথবা কারও কোনও অভাব না থাকে। তিনি বলেন, স্বয়ংসেবকরা বহুমুখী কাজ করছেন যাতে করে সাম্যের পরিবেশ গড়ে ওঠে, সবাই সমান সুযোগ পান।  

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২০২৫ সালে শতবর্ষপূ্র্তি পালন করবে সংঘ (RSS)। সে প্রসঙ্গে সুনীল আম্বেকর বলেন, সবার কল্যাণার্থে সংঘ যেসব কাজ করছে, তার সুফল যাতে সবাই ভোগ করতে পারেন, সেজন্য দেশের সর্বত্র আমাদের উপস্থিতি প্রয়োজন। ২০২৪ সালের মধ্যে তা করাই আমাদের লক্ষ্য। তার আগে পর্যন্ত আমাদের স্বয়ংসেবকরা দ্রুত সেই সব জায়গায় পৌঁছে যাবেন, যেখানে আমাদের উপস্থিতি নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • RSS: বদলে গেল আরএসএসের ট্যুইটারের ডিপির ছবি, গেরুয়ার বদলে সেখানেও তেরঙা

    RSS: বদলে গেল আরএসএসের ট্যুইটারের ডিপির ছবি, গেরুয়ার বদলে সেখানেও তেরঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল আরএসএসের (RSS) অফিশিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ডিপি (DP)। এতদিন সেখানে সংঘের গেরুয়া পতাকা ছিল। এখন সেখানেই উড়ছে তিরঙ্গা (Tricolor)। বদলেছে আরএসএসের সংঘচালক মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) ডিপির ছবিও। এর পাশাপাশি শনিবার আরএসএসের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে ডাক দেওয়া হয় আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে (Azadi ka Amrit Mahotsav)  অংশ নেওয়ার। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশবাসী যাতে ঘরে ঘরে জাতীয় পতাকা তোলেন, তাও বলা হয়েছে।

    আরএসএস  কেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা ব্যবহার করছে না? প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। তখনই তার জবাবও দিয়েছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি বলেছিলেন, এই ধরনের ঘটনার রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। আরএসএস ইতিমধ্যেই ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ কর্মসূচি সমর্থন করেছে।

    আরও পড়ুন :”রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    প্রসঙ্গত, গত মাসে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশ হোন। এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা ব্যবহারের অনুরোধও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে শুক্রবার ডিপির ছবি বদলেছে আরএসএসও। শুক্রবার আরএসএসের প্রচার বিভাগের সহ তত্ত্ববধায়ক নরেন্দর ঠাকুর (Narender Thakur) বলেন, সংঘও তার প্রতিটি অফিসে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। উত্তোলন করছে জাতীয় পতাকাও। তিনি বলেন, আরএসএস কর্মীদেরও সক্রিয়ভাবে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি প্রচার করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : কৃষিকে পেশা হিসেবে নিক পরবর্তী প্রজন্ম, মত আরএসএস সরকার্যবাহের

    এর আগে আম্বেকরও জানিয়েছিলেন, অমৃত মহোৎসব নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মসূচি আমরা সমর্থন করেছি। দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের কাছেও আজাদি কা অমৃত মহোৎসব মর্যাদার সঙ্গে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে আরএসএসের তরফে।

     

  • RSS: “রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    RSS: “রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) কেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহার করছে না? এদিন এ প্রশ্নের জবাব দিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ঘটনার রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। তিনি জানান, আরএসএস ইতিমধ্যেই ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi ka Amrit Mahotsav) কর্মসূচিকে সমর্থন করেছে। তিনি জানান, সরকারের এই কর্মসূচি সমর্থন করতে জুলাই মাসেই দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের বলেছিল সংঘ।

    রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানান। ৭৫ বছরের স্বাধীনতা দিবসকে ঐতিহাসিকও আখ্যা দেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানের প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে আগামী ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশ হোন। এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহারের অনুরোধও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    তবে আরএসএসের সোশ্যাল মিডিয়ার ডিপিতে কেন তিরঙ্গা ব্যবহার হয়নি, তা নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এদিন তারই জবাব দেন আম্বেকর। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, এটা একটা পদ্ধতি। আমরাও ভাবছি কীভাবে এটা উদযাপন করব। অমৃত মহোৎসব নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মসূচিকে আমরা সমর্থন করেছি। দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের কাছেও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ মর্যাদার সঙ্গে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে আরএসএসের তরফে। এজন্য চলছে প্রস্তুতিও। আম্বেকর বলেন, এই হল সংঘের অবস্থান। এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, এরকম কোনও কঠিন প্রশ্ন করাই উচিত নয়। যেসব রাজনৈতিক দল এজাতীয় প্রশ্ন তুলছে, তারাই দেশভাগের জন্য দায়ী।

    আরও পড়ুন : কৃষিকে পেশা হিসেবে নিক পরবর্তী প্রজন্ম, মত আরএসএস সরকার্যবাহের

  • RSS on Gyanvapi issue: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    RSS on Gyanvapi issue: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সত্যকে কখনও লুকিয়ে রাখা যায় না। সময় এসেছে ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সমাজের সামনে নিয়ে আসার। বুধবার একথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর(sunil ambekar)। বারাণসীতে জ্ঞানবাপী মসজিদের(Gyanvapi mosque) ওজুখানার জলাধারে ‘শিবলিঙ্গে’র(shivling) অস্তিত্ব মিলেছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। এই আবহে আরএসএসের প্রচার প্রধানের এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিন দেবঋষি নারদ পত্রকার সম্মান সমারোহ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন আম্বেকর। সেখানেই তিনি বলেন, জ্ঞানবাপী সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসছে। আমি বিশ্বাস করি, তাদের বেরিয়ে আসতে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, যাই হোক না কেন, সত্য সর্বদা একটি মুক্তির পথ খুঁজে পায়। তাঁর প্রশ্ন, কতদিন লুকিয়ে রাখতে পারবেন? আম্বেকর বলেন, আমি বিশ্বাস করি এটাই সময় যে আমরা ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করি।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যার পর কাশী? জ্ঞানবাপী নীতি ঠিক করতে বৈঠকে ভিএইচপি

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(kashi Viswanath temple) চত্বরে রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়া হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির দাবি। যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির ছিল। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের বিবাদ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে তিন দিন ধরে মসজিদ চত্বরে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। প্রথম দিন মন্দির কমপ্লেক্সে ভিডিওগ্রাফিতে বাধা দেয় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ। আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অ্যাডভোকেট কমিশনার অজয় কুমার মিশ্রের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন তাঁরা। এর পরেই বন্ধ হয়ে যায় ভিডিওগ্রাফির কাজ। পরে ফের শুরু হয়। তিনদিন চলার পর কাজ শেষ হয় সোমবার।

    এর পরেই মামলায় হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্য দাবি করেন, ভিডিওগ্রাফি করতে গিয়ে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত সংস্থা একটি শিবলিঙ্গ খুঁজে পেয়েছে। মন্দিরের অস্তিত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। এর পরেই মসজিদ সংলগ্ন ওজুখানার জলাধারটিতে কড়া প্রহরার নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা যাতে নির্বিঘ্নে নমাজ পড়তে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সমাজের সামনে নিয়ে আসার দাবি জানালেন আরএসএসের প্রচার-প্রমুখ। 

            

LinkedIn
Share