Tag: Superfood

Superfood

  • Superfood: রাজ্যভেদে পান্তা ভাতের হরেক নাম! কেন এই খাবারকে সুপারফুড বলা হয় জানুন

    Superfood: রাজ্যভেদে পান্তা ভাতের হরেক নাম! কেন এই খাবারকে সুপারফুড বলা হয় জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পান্তা ভাতের (Panta Bhat) হরেক নাম রয়েছে (Superfood)। ওড়িশায় পখাল, অসমে পৈতা ভাত, বিহার-ঝাড়খণ্ডে বাসিয়া ভাত ও তামিলনাড়ুতে কানজি। পান্তা ভাতের সঙ্গে কিন্তু বিলাসিতা বা আভিজাত্য একেবারেই জুড়ে নেই। গুণাগুণ ও উপযোগিতার (Superfood) কারণে যুগ যুগ ধরে পান্তা ভাত জনপ্রিয়। গ্রীষ্মকালে পান্তা ভাতের স্বাদ নিতে পছন্দ করেন প্রত্যেকেই। এর সঙ্গে যদি জুড়ে যায় এক টুকরো পেঁয়াজ ও কয়েকটি কাঁচা লঙ্কা তাহলে তো কথাই নেই। শ্রমজীবী মানুষদের প্রথম পছন্দ অবশ্যই পান্তা ভাত। গ্রীষ্মকালে তাঁরা এই খাবার খেয়েই কাজে বের হন। পান্তাভাত তৈরি করা খুব সহজ। ভাত রান্না করে ঠান্ডা করে তাতে জল মিশিয়ে ৮-১২ ঘণ্টা রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে পান্তা ভাত। সবচেয়ে ভালো হয় মাটির পাত্রে রাখতে পারলে।

    ওড়িশায় প্রভু জগন্নাথদেবকেও উৎসর্গ করা হয় পান্তা
     
    সাধারণভাবে আজকের দিনে মধ্যবিত্তের ফ্রিজে দেখা মেলে জল দেওয়া ভাতের। রাজ্য ভেদে পান্তা ভাত খাওয়ার রীতিও (Superfood) বদলে যায়। ওড়িশার লোকেরা পখাল ভাত (Panta Bhat) খেতে পছন্দ করেন দই, ভাজা শাক, সবজি, মরিচ এবং মাছ ভাজা দিয়ে। অন্যদিকে বাংলাতে সাধারণত মাছ ভাজা, কুমড়োর ফুল ভাজা, পোস্ত বড়া, আলু চোখার সঙ্গে পান্তা ভাত খাওয়া হয়। পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশেও একই ভাবে পান্তা ভাত খাওয়া হয়। অন্যদিকে, অসমে আলু ভাজা, বেগুন ভাজা, ভাজা মাছের সঙ্গে খাওয়া হয় পৈতা ভাত। ওড়িশাতে পখাল এতটাই জনপ্রিয় যে প্রভু জগন্নাথদেবকে উৎসর্গ করা হয় এই ভাত। প্রতিবছর ২০ মার্চ ওড়িশাতে পখাল দিবসও পালন করা হয়।

    আসুন জেনে নেওয়া যাক পান্তা ভাত সুপারফুড (Superfood) বলা হয়-

    পান্তা ভাতকে (Panta Bhat) এখন বলা হচ্ছে সুপারফুড (Superfood)। কী এমন আছে পান্তাভাতে, যে কারণে এই খাবার সুপারফুড?
     
    ১. পান্তা ভাতে থাকে পর্যাপ্ত আয়রন, যা অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা কমায়।
     
    ২. মাত্র একশগ্রাম পান্তা ভাতে প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে যাদেরকে প্রোবায়োটিকস বলে, যাদের কাজ হল শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করা।

    ৩. এতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম থাকে পর্যাপ্ত, যা হার্ট ভালো রাখে।

    ৪. গরম ভাতে যে পরিমাণ ফ্যাট থাকে পান্তাভাতে তা প্রায় ৬ গুণ কমে যায়। স্লিম থাকার জন্যও পান্তা হেল্প করে। 

    ৫. পান্তা ভাতকে বলা হয় ন্যাচেরাল কুলার। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

    ৬. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এখন প্রায় অনেকেই নিদ্রাহীনতায় ভোগেন। পান্তা নিদ্রাহীনতা দূর করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Superfood: আম থেকে জাম! তাপপ্রবাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কী কী খাবেন?

    Superfood: আম থেকে জাম! তাপপ্রবাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কী কী খাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরের ইমিউনিটি শক্তিশালী হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। বেশ কিছু খাদ্য আছে যেগুলি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রখর দাবদাহে শরীরে জলের পরিমাণও ঠিক রাখা জরুরি।

    আসুন আমরা জানি এমনই ৯টি সুপারফুড (Superfood) সম্পর্কে

    ১. তরমুজ

    তরমুজে থাকে প্রায় ৯০ শতাংশ জলীয় উপাদান এবং ৬ শতাংশ শর্করা সহ লাইকোপিন, ভিটামিন সি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি নিয়মিত ডায়েটে রাখলে তরতাজা থাকা যায় এবং শরীরে শক্তির মাত্রা বজায় থাকে।

    ২. কালো জাম

    বাঙালি বাড়িতে বেশ পরিচিত গাছ হল জাম। সাহিত্যে, গল্পে, কবিতাতেও এই জাম গাছের উল্লেখ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে থাকে প্রায় ৮০ শতাংশ জলীয় উপাদান এবং ১৬ শতাংশ শর্করা।

    ৩. আম

    ফলের রাজা আম! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, যা শুধু প্রদাহ কমায় না রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং উচ্চ ফাইবার উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 

    ৪. করলা

     জলীয় উপাদান ছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ই, পাশাপাশি আয়রন, ফোলেট, পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং দ্রবণীয় ফাইবার। করলা হজমে সহায়তা করে।

    ৫. ডাবের জল

    ডাবের জলে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট অত্যন্ত কম থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পটাসিয়াম, সোডিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর থাকে ডাবের জল।

    ৬. তুলসীর বীজ

    এগুলিতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আলফা-লিনোলিক অ্যাসিড এবং দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে যা হাইড্রেশন, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং হজমে সহায়তা করে।

    ৭. দই

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন দই প্রোবায়োটিক খাবার নয় তবে এতে থাকে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের একটি ভরপুর উৎস, যা দাঁত ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। তাই, এটি হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

    ৮. ছাতু

    এটি একধরনের ভারতীয় সুপারফুড যা ছোলা বা যব থেকে তৈরি করা হয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এতে ভরপুর প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে। 

    ৯. কোকাম

    গ্রীষ্মকালে কোকাম ফলের শীতল শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এটি একধরনের মালাবার তেঁতুল। এতে থাকে ভরপুর ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Belly Fat: ভুঁড়ির সমস্যায় জেরবার! পাতে রাখুন এই ৯ সুপারফুড আর দেখুন তফাত

    Belly Fat: ভুঁড়ির সমস্যায় জেরবার! পাতে রাখুন এই ৯ সুপারফুড আর দেখুন তফাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুঁড়ি নিয়ে সমস্যার অন্ত নেই। শারীরিক সৌন্দর্য্য তো নষ্ট করেই, পাশাপাশি অতিরিক্ত মেদের কারণে দেখা দেয় নানা স্বাস্থ্য সমস্যা। ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) চেষ্টার কসুর করেন না প্রায় কেউই। সকালে জিমে যাওয়া, ডায়েট মেনে খাওয়াদাওয়া সব কিছুই চলে। কিন্তু এতেও হতাশ হচ্ছেন অনেকে। কমছে না ভুঁড়ি।

    আজকে আমরা আলোচনা করব ৯টি সুপারফুড নিয়ে যা ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) উপকারী

    ১) ডিম

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম মেদ কমাতে সাহায্য করে। ডিম প্রোটিনে ভরপুর আর এতে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড মেদ কমাতে (Belly Fat) কাজে আসে। ডিমের কুসুমে থাকা কোলাইন মেদ জমার প্রবণতাকেও আটকায়, এমনটাই মত পুষ্টিবিদদের।

    ২) টক দই

    শরীর সুস্থ রাখতে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। অন্তত এমনটাই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের। টক দই মেদ কমাতে উপকারি বলেই মানা হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, দইয়ে থাকা ল্যাক্টোবেসিলাস মেদ (Belly Fat) জমার প্রবণতা কম করে। এছাড়া, টক দই হল প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ, এটি পেটে ভাল ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করে। যা, আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    ৩) সাইট্রাস জাতীয় ফল

    কমলালেবু, মুসাম্বি, বাতাবি, পাতিলেবু ইত্যাদিতে ভরপুর ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং উদ্ভিদজাত যৌগ থাকে। পাশাপাশি এগুলি শরীরে জলের অভাব মেটায়। পুষ্টিবিদদের মতে, সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে কমে মেদও (Belly Fat)। 

    ৪) গ্রিন টি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিন টি-তে রয়েছে বেশ ভালো মাত্রায় ক্যাফেইন ও ফ্লেবেনয়েড ক্যাটেকিনস, যা শরীরে অতিরিক্ত চর্বি ঝরিয়ে (Belly Fat) ফেলতে সাহায্য করে বলেই উঠে এসেছে নানা গবেষণায়।

    ৫) শাক-সবজি

    মরশুমি সবজিও শরীরের জন্য খুব উপকারী। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে ও শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। ভুঁড়িও কমাতেও (Belly Fat) সাহায্য করে।

    ৬) বিনস 

    বিনস বলতে কিন্তু এখানে কিডনি বিনস বা রাজমার কথা বলা হচ্ছে। এই খাবারটি এখন সহজলভ্য। এমনকী উত্তর ভারতে এর প্রচলন অনেকটাই বেশি। সেখানকার বাসিন্দারা বিনসের তরকারি দিয়ে রুটি খান। তবে বাঙালিদের মধ্যে এই খাবারের এতটাও প্রচলন নেই। কিন্তু মেদ (Belly Fat) কমাতে চাইলে অবশ্যই বিনস খেতে হবে, এমনটাই বলছেন পুষ্টিবিদরা।

    ৭) ব্রকোলি 

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, ব্রকোলির অনেক গুণ রয়েছে। এতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত খেতেই পারেন ব্রকোলি। এই সবজি খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে খিদে পায় না। এই কারণে ওজন ও ভুঁড়ি (Belly Fat) দুইই কমে।

    ৮) ভিনিগার 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিনিগারের ভিতর থাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, এই অ্যাসিড ফ্যাট মেটাবলিজম শুরু করে দেয়। ফলে দ্রুত ফ্যাট ঝরতে (Belly Fat) থাকে।

    ৯) ওটস এবং ডালিয়া

    পুষ্টিবিদদের মতে, এই দুই দানাশস্য ফাইবারে ভরপুর। আর এই ফাইবার শরীরের বিভিন্ন উপকার করে। তাই ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) চাইলে অবশ্যই ওটস এবং ডালিয়া খেতে হবে।

       

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share