Tag: Supply Chain

  • China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে চিন (China Economic)। এই ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ বাস্তবসম্মত নয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, কোভিড অতিমারির প্রথম ঢেউয়ের পর, ব্রিটিশ থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর ইকনোমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (Centre for Economics and Business Research) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে ২০২৮ সালের মধ্যে চিন আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে (Debt Nightmare)। সংস্থাটি জানিয়েছিল, অতিমারির মোকাবিলায় চিনের ‘দক্ষ’ ব্যবস্থাপনা আগামী বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের তুলনায় তাদের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে দেবে।

    কী বলছে সেই সংস্থা? (China Economic)

    পাঁচ বছর পরে এখন সেই একই সংস্থা বলছে, আগামী আরও অন্তত ১৫ বছরের আগে চিনের পক্ষে মার্কিন অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিন হয়তো কখনওই ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। কারণ তাদের অর্থনীতির সামনে রয়েছে গুচ্ছের পরিকাঠামোগত সমস্যা ও বাধা। গত সপ্তাহে বেজিংয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্যও দেখাচ্ছে, গতি হারিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

    কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা

    এপ্রিল মাসে শিল্প উৎপাদন বছরে মাত্র ৪.১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝির পর এটি সবচেয়ে দুর্বল বৃদ্ধি। খুচরো বিক্রি বেড়েছে মাত্র ০.২ শতাংশ, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থার উদাহরণ এটি। বছরের প্রথম চার মাসে স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ কমেছে ১.৬ শতাংশ। এর প্রধান কারণ সম্পত্তি উন্নয়ন খাতে ১৩.৭ শতাংশ পতন। ২০২১ সালে যে রিয়েল এস্টেট বুম ছিল, অতিমারির পর তা মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোটি কোটি চিনা নাগরিকের সঞ্চয়। তাই কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা। কারণ অনেকেই এমন ফ্ল্যাটের ঋণে ডুবে রয়েছেন যে, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। আগে বাড়ির পরে গাড়ি কেনাটা ছিল চিনের মধ্যবিত্ত দের একটি বড় বিনিয়োগ ক্ষেত্র (China Economic)। কিন্তু এখন অনেকেরই গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই। মে মাসের শুরুতে চিনের গাড়ি নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, যাত্রিবাহী গাড়ির বিক্রি বছরে কমেছে ২৫.৫ শতাংশ — টানা ষষ্ঠ মাসের পতন। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডির প্রচুর গাড়ি বিক্রি হয়নি। তাদের প্রথম ত্রৈমাসিকের মুনাফা ৫৫ শতাংশ কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

    ড্রাগনের দেশে হ্রাস পেয়েছে চাহিদা

    দেং শিয়াওপিংয়ের ১৯৮০ সালের সংস্কার এবং পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানদের নীতির ফলে চিন কার্যত পরিণত হয়েছিল বিশ্বের কারখানায়। তাই কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেন, সৃষ্টি হয় বিপুল কর্মসংস্থানের (Debt Nightmare)। ড্রাগনের দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দিয়েছেন। চিন এখন জাহাজ নির্মাণ, সৌর প্যানেল, উইন্ড টারবাইন, রোবোটিক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ির মতো বহু ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রেও তারা এগিয়ে। তবে চিনের প্রবৃদ্ধি মূলত রফতানি-নির্ভর — আর এই মডেলই এখন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দেশের ভেতরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় চাহিদা হ্রাস পেয়েছে, যদিও পণ্যের দর সস্তা। মনে রাখতে হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ৮০ শতাংশেরও বেশি চালিত করে। সেই তুলনায় ভারতে এই হার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। গত বছর চিনে এর পরিমাণ ছিল মাত্রই ৫২ শতাংশ (China Economic)।

    আইএমএফের বক্তব্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার (IMF) জানিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি সঙ্কট ও দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মানুষের খরচ করার আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য চিনের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪.৫ শতাংশ করেছে। চিনা সরকারও ১৯৯১ সালের পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে — ৪.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ (Debt Nightmare)। খবরে প্রকাশ, রফতানির জন্য চিন এখনও নতুন নতুন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। গত বছর তাদের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১.১৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ চিনের কাছে আমদানি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ যদি বৈশ্বিক মন্দা সৃষ্টি করে, তাহলে চিনা পণ্যের চাহিদা কমবে। ফলে শিল্পখাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ইতিমধ্যেই জিনপিংয়ের দেশে মূল্যহ্রাস শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও কম দামে জিনিস পাওয়ার আশায় কেনাকাটা করছেন না চিনারা (China Economic)।

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও বড় সমস্যা

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও দু’টি বড় সমস্যা রয়েছে – একটি হল বাজেট ঘাটতি, অন্যটি জনসংখ্যা সঙ্কট। সরকারি হিসেবে চিনের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশ। যদিও বিশ্লেষকদের দাবি, অন্যান্য গোপন বাজেট যোগ করলে তা পৌঁছে যায় ৯.১ শতাংশে। চিনের মোট ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে অনুমান। ঋণের সুদ শোধের খরচ ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ।এদিকে, চিনা জনসংখ্যা দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৪৯ সালের পর জন্মহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আয়তনে এত বড় একটি দেশে গত বছর মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে। আগামী দশকে চিনের জনসংখ্যা কমে যেতে পারে প্রায় ৬ কোটি। এতে ভোগব্যয় আরও কমবে, বাড়বে অর্থনৈতিক সঙ্কট (Debt Nightmare)।

    কমিউনিস্ট-শাসিত চিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ!

    চিনের বিশাল তেল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ তাদের কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে এপ্রিল মাসে চিনের রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ১৪.১ শতাংশ। এদিকে, তেল ও গ্যাসের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জেরে প্লাস্টিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক খেলনা কারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, অনেকে আবার একেবারে ঝাঁপ ফেলে দিয়েছে। চাকরি খুইয়েছেন হাজার হাজার চিনা শ্রমিক (China Economic)। দক্ষিণ চিনে খেলনা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভও দেখা গিয়েছে, যা চিনের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত সমাজে বিরল নজির। চিন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তৈরি করছে ভবিষ্যতের পণ্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা বাড়লে লাভবানও হতে পারে চিন (Debt Nightmare)। তবে যেহেতু চিনা অর্থনীতি রফতানি-নির্ভর, তাই বিদেশের বাজারে তাদের প্রবেশ করতেই হবে। সমস্যা হল, অনেক দেশই চিনকে ভালো চোখে দেখে না। আফ্রিকায় বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করলেও, সেখানে চিনকে নয়া ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এশিয়ান (ASEAN) দেশগুলিতেও চিনের সস্তা পণ্যের চাপে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিনা কোম্পানিগুলি স্থানীয় কাঁচামাল কম ব্যবহার করে নিজেদের দেশ থেকে আমদানি করে। ফলে এসব দেশে চিনের (China Economic) বিরুদ্ধে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে উচ্চাকাঙ্খা পূরণে ১৬ মে নেওয়া হল বিরাট পদক্ষেপ। এদিনই টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) এবং এএসএমএল (ASML) গুজরাটে দেশের প্রথম ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে (Gujarat)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তি।

    কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেট্টেনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় চুক্তি। এই অংশীদারিত্ব গুজরাটের ঢোলেরায় টাটা ইলেকট্রনিক্সের পরিকল্পিত ৩০০-মিলিমিটার সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন ইউনিটকে সাহায্য করবে। এজন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এএসএমএলের সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি এই প্ল্যান্টে ব্যবহৃত হবে। এখানে অটোমোবাইল, মোবাইল ডিভাইস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রের জন্য চিপ তৈরি করা হবে। এএসএমএলের এক্সিকিউটিভ খ্রিস্টোফি ফুকেট (Christophe Fouquet) বলেন, “ভারতের দ্রুত প্রসারমান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অনেক আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে।” তিনি জানান, তাদের (ডাচ) এই কোম্পানি ভারতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা

    ভারত ইতিমধ্যেই দেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বর্তমানে দেশে আটটি সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে গুজরাটে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আর একটি ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্পও রয়েছে। চলতি ইউরোপ সফরে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম আলেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানি (ম্যাক্সিমা)-র (Máxima) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দ্য হেগের রাজপ্রাসাদে। আলোচনায় ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ও উঠে এসেছিল, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ফিনটেক এবং ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ডাচ কোম্পানিগুলিকে সেমিকন্ডাক্টর, নবীকরণযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রে ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। উভয় পক্ষ ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার পক্ষেও সম্মত হয়েছে (PM Modi)।

    ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতার প্রতিফলন?

    প্রসঙ্গত, এই চুক্তি ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হচ্ছে। ডাচ সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলি নতুন বাজার ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের দিকে ঝুঁকছে। আর ভারত চাইছে বিরাট বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রণোদনার মাধ্যমে নিজেকে একটি বড় উৎপাদন ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এই সেমিকন্ডাক্টর চুক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর ১৫ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা পাঁচ-দেশীয় কূটনৈতিক সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে (Gujarat)। নেদারল্যান্ডসে পৌঁছানোর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর করেন (PM Modi)।

     

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

LinkedIn
Share