Tag: Supreme court

Supreme court

  • SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে শুক্রবারই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ নামের নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার দিনে প্রায় দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে মোট ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ‘বিবেচনাধীন’ নাম। হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে।

    আজই উচ্চ-পর্যায়ে বৈঠক

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বৈঠকে ডাকলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠক ডাকা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোথাও আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, বৈঠকে জানতে চাইতে পারেন প্রধান বিচারপতি। উল্লেখ্য, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদল আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে যাতে কোনও উত্তেজনা না তৈরি হয়, সে দিকেই এখন নজর আদালতের।

    সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি!

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ভোটের আগে যদি সমস্ত বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি না হয়, ঝুলে থাকা ভোটারদের কী হবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টকে এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। তবে সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি করে ফেলতে চান বিচারকেরা। এর পরেও যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন।

    দ্রুত গতিতে কাজ করছে কমিশন

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার প্রয়োজন। তা তৈরি করার পর আদালতের ছাড়পত্র নিতে হবে। সেই সফ্‌টঅয়্যারের কাজ চলছে। শেষ হলেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া যাবে। এর মধ্যে প্রতি দিনই ‘বিবেচনাধীন’ নাম নিষ্পত্তির কাজ করে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ও বিচারকেরা। যে দিন কমিশন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে, সে দিন পর্যন্ত যত নামের নিষ্পত্তি হবে, সব নাম ওই তালিকায় রাখা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় ছিল। কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে ফের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর নাম যাতে আগে নিষ্পত্তি করা হয়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে তিনি সেই আবেদন জানিয়েছিলেন। বুধবার সিইও দফতর খোঁজ নিয়ে জানিয়েছে, মন্ত্রীর নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ 

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর সেই তালিকায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীনের তালিকায় রয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরনোর পর কেটে গিয়েছে ২ সপ্তাহের বেশি। বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই নিয়ে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বললেন, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা তা প্রকাশ করতে পারব। যে সব নামের নিষ্পত্তি হয়েছে, সেগুলি এক-দু’দিনের মধ্যে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এখন যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে শুক্রবার কিংবা শনিবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বেরিয়ে যাওয়ার কথা।”

    ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অন্য দিকে, ভোটের কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এ ছাড়া থাকছেন ৮৪ জন পুলিশ অবজার্ভার এবং ১০০ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন বুধবার থেকেই। কমিশন জানিয়েছে, শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নয়, বুথ সংলগ্ন এলাকাতেও ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বাংলায় হিংসামুক্ত, রক্তপাতহীন, স্বচ্ছ ভোট করাই লক্ষ্য। তাই অতীতে ভোটের হিংসা যেখানে বেশি হয়েছে এবং স্পর্শকাতর অশান্তিপ্রবণ জেলাগুলিতেই বেশি করে পুলিশ অবজ়ার্ভার নিয়োগের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা হয়। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। শুধু অশান্তি নয়, কমিশন ভোটকে সামনে রেখে টাকা, মদ–মাদক সমেত বিভিন্ন ধরনের উপহার দেওয়ার খেলা বন্ধ করতেও বদ্ধপরিকর।

  • I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (SC) ফের ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য। ‘ইডির তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত ঘটনা’! আইপ্যাক-কাণ্ড (I-PAC Case Hearing) নিয়ে মামলার শুনানিতে মন্তব্য শীর্ষ আদালতের। বুধবার আইপ্যাক মামলার শুনানি চলাকালীন আরও সময় চাইল রাজ্য। ইডি-র তরফে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হল। বাড়তি সময় চাওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয় ইডি-র তরফে। ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র।

    সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য,“এটা অত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার, যে একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। ৪ সপ্তাহ পরেও তাঁরা কিছু জমা দেওয়ার জন্য সময় চাইছেন।”

    আদালত কীভাবে চলবে, সেটা তার বিষয়

    ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা রাজ্যকে স্মরণ করান বিচারপতি। বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল তখন বলেন, “আমরা রিজয়েনডার জমা দিতে চাই।” ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র। আমরা শুনব, শুনানি শুরু করুন, মন্তব্য বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর। রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান সওয়াল করেন, ‘ইডি যে রিজয়েন্ডার জমা দিয়েছে, তাতে মূল মামলার আবেদনের থেকেও বেশি কথা বলা হয়েছে।’ সঙ্গে তিনি জানান, আদালত যদি সময় না দিতে চায়, আদালত তা করতেই পারে। এতেই ক্ষিপ্ত হন বিচারপতি মিশ্র। বলেন, ‘আপনারা আদালতকে এটা বলতে পারেন না যে, আদালতে কীভাবে শুনানি চালাবে। কেউ সময় নিয়েছে বলে আপনাকেও সময় নিতে হবে… এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না, মামলা হবে কিনা সেটা নিয়ে যুদ্ধ চলতে পারে না।’

    ইডি-র মামলা নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের

    রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান ইডির মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে সওয়াল শুরু করেন। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি কোনও জুরিস্টিক এনটিটি নয় এবং সেই কারণে ইডি সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে না। দ্বিতীয়ত, যদি ইডির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার কোনও সুযোগ না থাকে, তবে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে করা পিটিশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ইডি আদৌ কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে কি না, তা এখানে বিবেচ্য। আর্টিকেল ৩২ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার একজন নাগরিক বা ব্যক্তির থাকতে পারে অথবা একটি লিগ্যাল কর্পোরেট সংস্থার থাকতে পারে। যদি তা না হয়, তাহলে এই মামলা করা যায় না। রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোনও দফতর নয় বা সিআইডি বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।”

    এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগ করেন, “যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তদন্ত চলাকালীন ঢুকেছেন, তা অত্যন্ত ‘আনইউজুয়াল।’এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে ইডি। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, রাজ্য় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতেই তল্লাশি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইডি অফিসাররা, হলফনামায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি, কোনও তদন্তকারী সংস্থা কখনওই তল্লাশি চলাকালীন কোনও তৃতীয় ব্যক্তিকে সেখানে প্রবেশ করতে এবং জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে না, সেটাও উল্লেখ করে ইডি। বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র বলেন, “একজন মুখ্যমন্ত্রী যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি তদন্ত করছে, সেখানে বলপূর্বক ঢুকে পড়ছেন, এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? কাল অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী একই কাজ করতে পারেন।”

    মামলা স্থগিত নয়, রাজ্যের আর্জি খারিজ

    আইপ্যাক মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তল্লাশি চলাকালীন হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চেয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের তৎকালীন ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ কুমারকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

  • Supreme Court: দত্তক নেওয়া মায়েরাও শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের ছুটির অধিকারী, ‘সুপ্রিম’ রায়

    Supreme Court: দত্তক নেওয়া মায়েরাও শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের ছুটির অধিকারী, ‘সুপ্রিম’ রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সামাজিক সুরক্ষা আইনের একটি বিধান বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই বিধানে দত্তক নেওয়া মায়ের মাতৃত্বকালীন সুবিধা সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র তিন মাসের কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে। শীর্ষ আদালত এই শ্রেণিবিভাগকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে (Maternity Leave)।

    ‘হামসা নন্দিনী নান্দুরি বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ মামলা (Supreme Court)

    ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ, ‘হামসা নন্দিনী নান্দুরি বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ মামলায় বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ রায় দেয়, সোশ্যাল সিকিউরিটি কোড ২০২০-এর ধারা ৬০(৪) সংবিধানের ১৪ এবং ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করছে। এই দুই অনুচ্ছেদ সমতা ও জীবনের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। আদালত রায় দেয়, দত্তক নেওয়া মায়েরা শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটির অধিকারী।

    আদালতের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, আগে এই সুবিধা সীমাবদ্ধ ছিল শুধুমাত্র তিন মাসের কম বয়সি শিশু দত্তক নেওয়া মহিলাদের ক্ষেত্রে। যার ফলে অধিকাংশ দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। ২০২০ সালের আইনের ধারা ৬০(৪)-এ বলা ছিল, “যে নারী আইনত তিন মাসের কম বয়সি শিশু দত্তক নেন বা কমিশনিং মাদার, তিনি শিশুটিকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পাবেন।” আদালতের নির্দেশ, এখন এই ধারা হবে, “যে নারী আইনত কোনও শিশুকে দত্তক নেন বা কমিশনিং মাদার, তিনি শিশুকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পাবেন।”

    দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে অভিভাবকের প্রয়োজন কম নয় 

    আদালত মনে করে, শিশুর বয়সের ভিত্তিতে দত্তক নেওয়া মায়েদের মধ্যে পার্থক্য করার কোনও যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “মাতৃত্বকালীন সুবিধার উদ্দেশ্য সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে নয়, বরং মাতৃত্বের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত (Supreme Court)।” আদালত এও জানায়, দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে দায়িত্ব, পরিচর্যার প্রয়োজন এবং মানসিক অভিযোজন শিশুর বয়স নির্বিশেষে প্রায় একই থাকে। দত্তক গ্রহণ সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে প্রজনন স্বাধীনতার একটি বৈধ রূপ এবং এটি জৈবিক পিতামাতার তুলনায় গৌণ নয় (Maternity Leave)।

    রায়ের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ভারতের আইনি কাঠামোয় খুব কম বয়সি শিশুকে দত্তক নেওয়ার বাস্তব অসুবিধা। আদালত জানিয়েছে, কোনও শিশুকে আইনিভাবে দত্তকের জন্য মুক্ত ঘোষণা করতে করতে সাধারণত তিন মাসের বেশি সময় লেগে যায়। তাই আগের বিধানটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে। শীর্ষ আদালতের রায়ে বলা হয়, “এই বয়সসীমা বিধানটিকে কার্যত অর্থহীন ও অপ্রয়োগযোগ্য করে তোলে।” বেঞ্চ জানিয়েছে, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থই নীতিনির্ধারণের মূল হওয়া উচিত। দত্তক পরিবারের সঙ্গে শিশুর মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময়, যত্ন ও মানসিক বন্ধন প্রয়োজন, যা কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। আদালতের রায়, বড় বয়সের শিশুকে দত্তক নেওয়া মায়েদের ছুটি না দেওয়া মাতৃত্বকালীন যত্ন এবং শিশুর বিকাশ—দু’টিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই রায়ের পর আদালতের নির্দেশ, ধারা ৬০(৪) এমনভাবে পড়তে হবে যাতে সব দত্তক গ্রহণকারী মা ও কমিশনিং মাদার শিশুকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পান (Supreme Court)।

    পিতৃত্বকালীন যত্ন

    এদিকে, আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা হিসেবে পিতৃত্বকালীন ছুটি চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানায়। আদালত বলে, সন্তানের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব উভয় অভিভাবকের মধ্যে ভাগ হওয়া উচিত এবং তা তাঁদের ও শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন। শীর্ষ আদালত নির্দেশে জানিয়েছে, “আমরা কেন্দ্রকে পিতৃত্বকালীন ছুটিকে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি বিধান আনার আহ্বান জানাচ্ছি (Maternity Leave)। এই ছুটির সময়সীমা এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত, যাতে তা অভিভাবক ও শিশুর প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় (Supreme Court)।”

  • SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মামলায় কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট ৷ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, যেসব আবেদন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাতিল হয়েছে, সেই আপিল শুনতে একটি বিশেষ অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে ৷ আর এই ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে থাকবেন একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং কয়েকজন প্রাক্তন বিচারপতি। একই সঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশনে বিরক্তিও প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আগাম পিটিশন ভুল বার্তা

    মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে বললেন, আগাম পিটিশন ভুল বার্তা দেবে। একইসঙ্গে আইনজীবী তথা তৃণমূলের সদ্য জয়ী রাজ্যসভার সাংসদ গুরুস্বামীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আগাম পিটিশনের মাধ‍্যমে বার্তা যাচ্ছে, আপনারা সিস্টেমে ভরসা রাখতে পারছেন না।” পিটিশন ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যও গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর কথায়, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১০ লক্ষ কাজ হয়ে গিয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না, আমি কড়াভাবে বলছি।” এর পরই ‘সুপ্রিম’ ভরসা দিয়ে তিনি বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসাররা কাজ করছেন। যাঁরা জেনুইন, তাঁদের যুক্ত করা হবে।” রাজ্যের নতুন আবেদনে বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই পিটিশন প্রিম‍্যাচিওর।” পিটিশন প্রত্যাহার করে নিতে গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানান, ভোটের আগে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন অবশ্য বলে, “আমরা প্রয়োজনে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অবমাননার নোটিস দিতে পারি। যে পরিস্থিতি এসেছে, তাতে আমরা সব পক্ষকে সন্দেহের আওতায় রাখছি।” সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা অমীমাংসিতের তালিকা খতিয়ে দেখছে। এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, “রাজ‍্য ও নির্বাচন কমিশনকে সবরকমভাবে জুডিশিয়াল অফিসারদের সাহায‍্য করতে হবে। যখন জুডিশিয়াল অফিসারদের লগ-ইন আইডি লাগবে, তখনই ইসিআইকে তার ব‍্যবস্থা করে দিতে হবে।”

    একাধিক নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    রাজ্যের এসআইআর মাময়ায় একাধিক নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত ৷ প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি মহাদেবনের বেঞ্চ এদিন নির্দেশে জানিয়েছেন, ১০ লক্ষের বেশি নামের নিস্পত্তি হয়ে গেলেও অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে ৷ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সিতে নিস্পতি হওয়া ভোটারদের অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের বিষয়ে কমিশন এবং রাজ্য দু’পক্ষই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাতে পারবে ৷ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে; তাঁদের বিষয়ে আপিল জানাতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বা অন্যান্য বিচারপতি বা পাশ্ববর্তী রাজ্যের হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে বেঞ্চ গঠন করতে ৷ বেঞ্চ এ বিষয়ে নিস্পত্তি করবে ৷ বেঞ্চে কতজন করে সদস্য থাকবে, তা স্থির করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ৷ এদের নিয়োগের সমস্ত খরচ নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে ৷ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হবে নির্বাচন কমিশন ৷

  • SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তার আগে ফের সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। এ যেন এসআইআর ঠেকানোর মরিয়া প্রয়াস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন সুপ্রিম কোর্টে। এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। তবে রাজ্যের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত।

    রাজ্যের দাবি

    শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের। তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

    আদালতের জবাব

    রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” তখনই আদালত জানিয়ে দেয়, এসআইআর-এর কাজে কোনও রকম বাধা সহ্য করা হবে না।

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

  • US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন (US) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই রায়ের প্রভাব কী হতে পারে তা তারা খতিয়ে দেখছে। মন্ত্রক বলেছে, “আমরা গতকাল (শুক্রবার) শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় লক্ষ্য করেছি। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন।” তারা আরও জানিয়েছে, “মার্কিন প্রশাসন কিছু পদক্ষেপের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই সব পদক্ষেপের প্রভাব আমরা পর্যালোচনা করছি।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (US)

    শুক্রবার, রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্ট ছয়–তিন ভোটে রায় দেয় যে ১৯৭৭ সালের যে আইনের ভিত্তিতে ট্রাম্প পৃথক পৃথক দেশের ওপর হঠাৎ শুল্ক আরোপ করেছিলেন—যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল—সেই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের অনুমোদন দেয় না। ট্রাম্প এই রায় দেওয়া বিচারকদের মধ্যে দু’জনকে মনোনীত করেছিলেন। এদিনের ঘটনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, আদালত বিদেশি স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস না দেখানোয় আদালতের কিছু সদস্যের জন্য আমি লজ্জিত—পুরোপুরি লজ্জিত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “দেশকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রেসিডেন্ট অতীতে আমার আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি শুল্ক আরোপ করতে পারেন।” তিনি বলেন, এই রায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে (US)। ডালাসের ইকোনমিক ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে ২০২৬ সালে শুল্ক আয়ে কার্যত কোনও পরিবর্তন হবে না (Supreme Court)।”

    নয়া শুল্ক আরোপ

    ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার অধীনে নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক পরিশোধ-সংক্রান্ত মৌলিক সমস্যার মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক ও বিশেষ আমদানি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা দেয়। ১২২ ধারা অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বড় ও গুরুতর পরিশোধ-ঘাটতি অর্থাৎ যখন আমদানি রফতানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়—মোকাবিলার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অস্থায়ী শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিস্তৃত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার পর তিনি আমেরিকায় আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেন। এর ফলে ভারতের ওপর শুল্কহার ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। নতুন শুল্ক নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, “এটি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে (US)।”

    হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, নয়া শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর হবে। তবে পৃথক তদন্তাধীন খাত—যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল—এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তির আওতায় (Supreme Court) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় বহাল থাকবে (US)।

     

  • SIR: “ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে”, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: “ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে”, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘রাজ্যের ডিজিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে…।’’ পশ্চিমবঙ্গের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এখন সুপার চেকিং চলছে। সামনেই বিধানসভার নির্বাচন কিন্তু তার আগেই প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের উপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। রাজ্যের ডিজি পীয়ূষ পাণ্ডেকে কার্যত সতর্ক করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি সাফ বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে রাজ্যের ডিজিকে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে।”

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে অনুকূল নয় (SIR)

    রাজ্যে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই নানা উত্তেজনাময় ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। এসআইআর-এর কাজে বিভিন্ন জেলার রোল অবজার্ভার এবং বুথস্তরের আধিকারিকদের দুষ্কৃতীদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একই ভাবে ফর্ম ৭ জমা করাকে ঘিরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একাধিক জেলার বিডিও অফিসে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) নিজের পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলার এই অবনতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে অনুকূল নয়। যদি অবিলম্বে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া না হয়, কিংবা পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ না করে, তবে ডিজি-কে জবাবদিহি করতে হবে।”

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের পরামর্শ

    এদিন শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের তরফেও রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। কমিশনের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের কাছে এসআইআরের কাজে অতিরিক্ত গ্রুপ বি কর্মী চেয়ে রাজ্যের চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু কোন সদর্থক উত্তর মেলেনি। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, “রাজ্যের কাছে যদি কর্মী না থাকে তাহলে আইনের বিরুদ্ধে অবস্থানকে স্পষ্ট করে। কর্মী না থাকা আর কাজে ছাড় দেওয়া এটা ভীষণ ভাবে অন্যায়। কমিশন মনে করলে নিজেদের অধিকারে কাজ করতে পারবে।”

    আদালত আরও স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, কমিশন, রাজ্য উভয়ে যদি এসআইআর নিয়ে সমন্বয়ে কাজ না করে তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া দারুণ ভাবে প্রভাবিত হবে। পাল্টা রাজ্যের আইনজীবীদের বক্তব্য কমিশন বিশেষ পর্যবেক্ষক পদে ইআরওদের কাজে বাধা দিচ্ছে। আদালাত অবশ্য কমিশনকে সাফ কথায় জিজ্ঞেস করেছে, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। জবাবে কমিশন বলে, বিষয় যেহেতু বিচারাধীন তাই পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে কোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নেরও পরামর্শ দিয়েছে।

    প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে

    অপর দিকে ডিজির আইনজীবী বলেন, “কমিশন সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছে। এসআইআর-এর কাজে জটিলতা তৈরি করে বিষয়টি অকারণে বিলম্বিত করছে।” তবে কমিশনের আইনজীবীরা তালিকা দিয়ে উত্তেজক ভাষণ এবং উস্কানি দেওয়া নেতাদের নাম জমা করার কথা জানিয়েছে কোর্টে। বিচারপতি (Supreme Court) তাই পরামর্শ দেন, ভোটের আগে দুই পক্ষকে সমন্বয় করে কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

  • SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) অভিযান নিয়ে রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে দোষারোপের খেলা চলছে বলে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তাই দেশের শীর্ষ আদালত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনা করা এবং সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করতে বলেছে।

    এসআইআরের কাজে কমিশন এবং রাজ্য উভয়ের ভূমিকাতেই শুক্রবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল। আদালত জানায়, রাজ্যের ভূমিকায় তারা হতাশ। রাজ্য সরকার এবং কমিশনের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

    দোষারোপের খেলা (SIR)

    ভারতের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেছেন, “ভোটার তালিকা সংশোধনে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা দাবি এবং আপত্তি খতিয়ে দেখতে পারেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের এক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে, যা দুটি সাংবিধানিক সংস্থার মধ্যে আস্থা এবং বিশ্বাসের ঘাটতিকেই সূচিত করে। রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশন দোষারোপের খেলা খেলছে। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াটি অসঙ্গতিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের দাবি এবং আপত্তির পর্যায়ে আটকে রয়েছে।”

    বিশেষ পরিস্থিতি এবং বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টকে জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মরত এমনকি প্রাক্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদেরও এসআইআর কাজের জন্য নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই ভাবে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পরিকল্পনার সূক্ষ্ম বিবরণ তৈরির জন্য, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনার, মুখ্য সচিব, পুলিশ প্রধান এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের আগামীকাল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে একটি বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে।

    আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও বলেছে, “এসডিও, এসডিএম-এর দায়িত্ব পালনের জন্য গ্রুপ এ অফিসারদের দিতে রাজ্য প্রশাসন বাধ্য। ইআরও এবং এইআরও-এর (SIR) দায়িত্ব পালনের জন্য রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা নিয়ে বিরোধিতা থাকা উচিত নয়। জমা দেওয়া নথিপত্রের সত্যতা বিচারে ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা ছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই। কিছু কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং এডিজে বা জেলা বিচারক পদমর্যাদার কিছু প্রাক্তন বিচারক কর্মকর্তাকে এই কাজে নিযুক্ত করতে হবে। তাঁরাই প্রতিটি জেলায় নিবিড় তালিকা তৈরিতে তথ্য যাচাইয়ের নিষ্পত্তি বা পুনর্বিবেচনা করতে সহায়তা করতে পারবেন।

    প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে… আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম। রাজ্যের কাছ থেকে কি এই স্তরের যোগাযোগ? ৯ ফেব্রুয়ারির আদেশের জন্য, আপনি ১৭ ফেব্রুয়ারি জবাব দিয়েছিলেন। আপনি বলছেন রাজ্য সরকার কর্মকর্তাদের পরীক্ষা করছে। পরীক্ষা করছে, কীভাবে? আপনার লেখা উচিত ছিল যে ৮,৫০০ কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। আমরা মাইক্রো অবজারভার নই। আমরা এটা দেখে হতাশ। আমরা ভেবেছিলাম রাজ্যগুলি সহযোগিতা করবে। আমরা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা চাই না।”

    যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ করা হচ্ছে না

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (Supreme Court) কপিল সিব্বল এবং মেনকা গুরুস্বামী যুক্তি দিয়েছিলেন যে পর্যাপ্ত গ্রুপ বি অফিসার সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসিআইয়ের (SIR) প্রতিনিধিত্বকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দামা শেষাদ্রি নাইডু যুক্তি দিয়েছিলেন, নির্বাচনের ইআরও হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য যোগ্য সবাইকে কাজে লাগানো যায়নি। রাজ্য সরকার সহযোগিতা করেনি।

    পরিস্থিতির উপর অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করে, “আপনি যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ দিচ্ছেন না। অযোগ্য কর্মকর্তারা কীভাবে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারেন? উভয় দিকেই দ্বিধা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাই সকল স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা অপরিহার্য। রাজ্য সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট-মনোনীত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। দয়া করে হাইকোর্টের সাথে সহযোগিতা করুন। তাদের কাজ করার জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করুন। কল্পনা করুন, যদি এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তবে কী হবে।”

    অবৈধ নাম বাদ যাওয়ায় মমতার ক্ষোভ  

    কেন্দ্রের বিজেপি সহ সমস্ত প্রধান দল যখন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জোর প্রচার চালাচ্ছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনকে অপব্যবহার করে প্রকৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞাসা করে মমতা বলেন, “বিজেপি শাসিত আসামে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধন করেনি। অবৈধ অনুপ্রবেশে এবং জনসংখ্যার পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা এবং সংঘাত সৃষ্টি করছে। নির্বাচন কমিশন বাংলা এবং কেরালাকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, বিজেপির এজেন্ট নির্বাচন কমিশন।”

  • Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পাজামার ফিতে খোলা ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছে। যৌন অপরাধ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি বড় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও মহিলার শরীরের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা বা জোরপূর্বক তার পাজামার ফিতে খোলার চেষ্টা করা কেবল ‘শ্লীলতাহানি’ নয়, বরং এটি ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ (Attempt to Rape) হিসেবে বিবেচিত হবে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Attempt to Rape)

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতিদের একটি মামলার রায়ে বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি কোনও অভিযুক্তের আচরণ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তার উদ্দেশ্য যৌন সঙ্গম স্থাপন করা। তাহলে সেই কাজকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার সাথে ৫১১ ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের চেষ্টা যুক্ত করে মামলা দায়ের করে বিচার করতে হবে। ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) মতো সংবেদনশীল মামলায় এই আদেশ কার্যকর হবে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নারীর মর্যাদা এবং শারীরিক অখণ্ডতা রক্ষা করা আইনের প্রধান লক্ষ্য। পাজামার ফিতে খোলা বা অন্যায়ভাবে স্পর্শ করাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই, কারণ এটি অপরাধীর চূড়ান্ত যৌন লালসা চরিতার্থ করার একটি প্রাথমিক ও সরাসরি পদক্ষেপ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সুপ্রিম কোর্টের এই রায়টি এসেছে একটি পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে। এক অভিযুক্ত অপর আরেক মহিলার পায়জামার ফিতে খুলে তাকে যৌন হেনস্থা (Attempt to Rape) করার চেষ্টা করেছিল। এরপর সওয়াল জবাবের পর নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনার পর শীর্ষ আদালত এই কঠোর অবস্থান নেয়। নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এই রায় ভীষণ ভাবে প্রাসঙ্গিক।

    পার্থক্য নিরূপণ

    আদালত স্পষ্ট করেছে ‘শ্লীলতাহানি’ (Outraging Modesty) এবং ‘ধর্ষণের চেষ্টা’র মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে। যদি অভিযুক্তের পদক্ষেপ অপরাধ সম্পন্ন করার বা ধর্ষণ করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তবে সেটি কেবল শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) ধারায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। তখন তা ধর্ষণের ধারায় যুক্ত হবে। এই রায়ের ফলে এখন থেকে এই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আগে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরণের অপরাধকে কেবল শ্লীলতাহানি হিসেবে দেখা হতো, যাতে শাস্তির মেয়াদ কম ছিল।

LinkedIn
Share