Tag: Supreme Court news

Supreme Court news

  • Delhi Riots Case: দিল্লি হিংসা মামলায় খারিজ উমর খালিদ, শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন

    Delhi Riots Case: দিল্লি হিংসা মামলায় খারিজ উমর খালিদ, শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত (Delhi Riots Case) মামলায় উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই একই মামলায় গুলফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফাউর রহমান, মহম্মদ সলিম খান এবং শাদাব আহমেদ – এই পাঁচ অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করা হয়।পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের ভূমিকা এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা প্রমাণ অন্য অভিযুক্তদের তুলনায় গুণগতভাবে ভিন্ন স্তরের। অর্থাৎ, প্রসিকিউশনের অভিযোগ ও উপস্থাপিত তথ্যপ্রমাণের নিরিখে এই দুই অভিযুক্তের অবস্থান আলাদা।

    সুপ্রিম কোর্টের রায় (Delhi Riots Case)

    আইনজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয় এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন বজায় রাখার পথে এক বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন তাঁরা। যেসব অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই অপরাধগুলিতে অভিযুক্তদের ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, এমনই পর্যবেক্ষণ করে ইউএপিএ। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, দীর্ঘদিন ধরে কারাবাস চললেও তা সংবিধানের কোনও নির্দেশ লঙ্ঘন করে না এবং প্রযোজ্য আইনের অধীনে থাকা আইনগত নিষেধাজ্ঞাকেও অতিক্রম করে না। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও বিচারপতি এনভি অঞ্জারিয়ার বেঞ্চ গালফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফাউর রহমান, মহম্মদ সালিম খান এবং শাদাব আহমেদের দাখিল করা জামিনের আবেদনের ওপর এই রায় দেয় (Supreme Court)।

    বিস্তারিত সওয়াল-জবাব

    গত ১০ ডিসেম্বর সব পক্ষের বিস্তারিত সওয়াল-জবাব শোনার পর শীর্ষ আদালত রায়দান স্থগিত রেখেছিল। জামিনের আবেদনের শুনানিতে অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবীরা মূলত বিচারপ্রক্রিয়ার বিলম্ব এবং অদূর ভবিষ্যতে মামলার বিচার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম, এই যুক্তিগুলি তুলে ধরেন। আদালতে এও জানানো হয়, অভিযুক্তরা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিচারাধীন অবস্থায় কারাবন্দি রয়েছে। ওই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ইউএপিএর অধীনে গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে (Delhi Riots Case)। দিল্লি হিংসা সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি, যা দেখায় যে তারা দাঙ্গায় হিংসা উসকে দিয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Supreme Court)।

    রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার সুপরিকল্পিত চেষ্টা

    তবে এই দাবির তীব্র বিরোধিতা করেছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশের তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদের ফল নয়, বরং এটি ছিল রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা (Delhi Riots Case)। দিল্লি পুলিশের দাবি, এই ঘটনাগুলি কোনও সাধারণ বিক্ষোভ ছিল না, বরং একটি সুসংগঠিত, সুপরিকল্পিত ‘প্যান-ইন্ডিয়া ষড়যন্ত্র’, যার লক্ষ্য ছিল ‘রেজিম চেঞ্জ’ অর্থাৎ সরকার পরিবর্তন এবং দেশের অর্থনীতিকে অচল করে দেওয়া। পুলিশের মতে, এই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছিল। পুলিশ আরও জানায়, এই ষড়যন্ত্রের নকশা এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে তা তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের সঙ্গে এক সঙ্গে সংঘটিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-কে বিশ্ব দরবারে একটি আন্তর্জাতিক ইস্যু হিসেবে তুলে ধরা (Supreme Court)।

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে সচেতনভাবে একটি ‘র‍্যাডিকালাইজিং ক্যাটালিস্ট’ বা উগ্রপন্থায় ইন্ধন জোগানোর মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এই পুরো প্রক্রিয়াকে ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে’র মোড়কে আড়াল করা হয় (Delhi Riots Case)। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অভিযুক্তদের দ্বারা রচিত এই ‘গভীরভাবে প্রোথিত, পূর্বপরিকল্পিত ও সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে’র ফলেই দিল্লি দাঙ্গায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি, ব্যাপকভাবে সরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়। শুধুমাত্র দিল্লিতেই দায়ের হয় ৭৫৩টি এফআইআর। দিল্লি পুলিশ আদালতে জানায়, নথিভুক্ত প্রমাণ থেকে এটা স্পষ্ট যে এই ষড়যন্ত্র শুধু দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং গোটা দেশজুড়ে একই ধরনের অশান্তি ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল। ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট দিল্লি হিংসা মামলায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শরজিল ইমাম-সহ মোট ন’জনের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পরই অভিযুক্তরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় (Delhi Riots Case)।

    জামিন খারিজ

    জামিন খারিজ করার সময় দিল্লি হাইকোর্ট মন্তব্য করেছিল, প্রাথমিকভাবে গোটা ষড়যন্ত্রে উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের ভূমিকা ছিল গুরুতর (Supreme Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, তারা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের ভিত্তিতে উসকানিমূলক ভাষণ দিয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের বৃহৎ আকারে সংঘবদ্ধ করে আন্দোলনে নামানো। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে উমর খালিদ, শরজিল ইমাম ও অন্যদের ইউএপিএ-র আওতায় গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারির সূত্রপাত হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, দিল্লি হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে (Delhi Riots Case)। সেই সময় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC)-র বিরুদ্ধে চলা প্রতিবাদের মধ্যেই দিল্লিতে ব্যাপক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ওই হিংসায় সরকারি হিসেব অনুযায়ী অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয় এবং ৭০০-এরও বেশি মানুষ জখম হন (Supreme Court)।

  • DY Chandrachud: ‘… আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন’, প্রধান বিচারপতি কেন বললেন একথা, জানেন?  

    DY Chandrachud: ‘… আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন’, প্রধান বিচারপতি কেন বললেন একথা, জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার জুডিসিয়াল অফিসাররা সাব-অর্ডিনেট জাজ নন। সোমবার এমনই জানালেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    এটা আমাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন…

    দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দিন কয়েক শপথ নেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। তাঁর আগে এই পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত (UU Lalit)। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিতই সুপারিশ করে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নাম। পরে রাষ্ট্রপতির সিলমোহর মেলায় প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সোমবার, ১৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে। ওই অনুষ্ঠানেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, জেলার জুডিসিয়াল অফিসাররা সাব-অর্ডিনেট জাজ নন। ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন। হাইকোর্টের জাজরা উপস্থিত থাকলে সাধারণত জেলা কোর্টের জাজরা দাঁড়িয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতিই চলে আসছে। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা আমাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন।  

    সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের ওই অনুষ্ঠানে দেশের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সাব-অর্ডিনেশনের সংস্কৃতি লালন পালন করে আসছি। আমরা আমাদের ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারিকে সাব-অর্ডিনেট জুডিসিয়ারি বলে উল্লেখ করি। তিনি বলেন, আমি চেষ্টা করছি জেলা জাজদের আর আমরা সাব-অর্ডিনেট জাজ বলে ডাকব না। কারণ তাঁরা সাব-অর্ডিনেট নন। তাঁরা আসেন ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি থেকে।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন বলেও জানান দেশের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud)। তিনি বলেন, আমাদের যদি পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে আমাদের সর্বাগ্রে পরিবর্তন করতে হবে ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি। একটা বিরাট কাজ আমাদের করতে হবে শুধু ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারির পরিকাঠামো বদলানোর শর্তে নয়, এটা আমাদের করতে হবে মনোভাব বদলের মাধ্যমে। তাঁর কথায়, এটা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি এখানে কোনও মিরাক্যাল ঘটাতে আসিনি। আমার প্রতিদিনের লক্ষ্য হল, এটাই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হয়, তাহলে যেন বিশ্বকে একটা ভাল জায়গা উপহার দিয়ে যেতে পারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Religious Conversion: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Religious Conversion: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর করে ধর্মান্তকরণ (Religious Conversion) করা একটি গুরুতর বিষয়। সোমবার সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জোর করে ধর্মান্তকরণ অসাংবিধানিক বলেও অভিমত আদালতের। দেশের শীর্ষ আদালত এও জানায়, দাতব্য (Charity) স্বাগত। তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়। সুপ্রিম কোর্টের যে বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে, তার নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি এমআর শাহ। বেঞ্চ বলে, যদি কেউ কাউকে সাহায্য করতে চান, তাহলে সাহায্য করা উচিত। তারা এও জানায়, মানুষ বিভিন্ন কারণে ধর্মান্তরিত হন। তবে প্রলোভন বিপজ্জনক।  

    ধর্ম পরিবর্তন…

    দেশের নানা প্রান্তে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন (Religious Conversion) করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের। বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা করে ধর্ম পাল্টে দেওয়া হচ্ছে মানুষের। এহেন অভিযোগ জানিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সোমবার হয় সেই মামলার শুনানি।

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এদিন বেঞ্চের সামনে হাজির হন। তিনি বলেন, খাদ্যশস্য, ওষুধ নাকি হৃদয় থেকে মানুষ ধর্ম পরিবর্তন করছেন, তা স্থির হওয়া প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি শাহ বলেন, বিষয়টি গুরুতর। আমরা একে সিরিয়াসলি নিচ্ছি। তিনি বলেন, কাউকে কিছু সাহায্য দিয়ে… যিনি সাহায্য চান, তাঁকে আপনি সাহায্য করতে চান…দাতব্যের উদ্দেশ্য ধর্মান্তকরণ হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রতিটি দান, ভাল কাজ স্বাগত। কিন্তু দেখতে হবে, তার উদ্দেশ্যটা কী। এর পরেই তিনি বলেন, এটি আমাদের সংবিধান বিরোধী। বিচারপতি শাহ বলেন, যিনি ভারতে বাস করতে চাইবেন, তাঁকে এ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ অপরাধ! নয়া আইন প্রণয়নে সুপ্রিম দুয়ারে গুজরাট সরকার

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ধর্মান্তকরণ (Religious Conversion) বিরোধী আইন কার্যকর করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। এই আইন বলে শাস্তিও দেওয়া হয়েছে সে রাজ্যে। এই একই আইন কার্যকর করতে উঠেপড়ে লেগেছে গুজরাট সরকারও। দেশের শীর্ষ আদালতে তারা জানিয়েছে, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে সকলের। কিন্তু সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে অন্যদের ধর্মান্তকরণের অনুমতি দেওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন: ‘যোগ্য লোককেই খুঁজে বের করতে হবে’, শেষনের তুলনা টেনে বলল সুপ্রিম কোর্ট 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chief Election Commissioner: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    Chief Election Commissioner: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে সাফ জানাল কেন্দ্র। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (Chief Election Commissioner) ‘ভঙ্গুর ঘাড়ে’র ওপর সংবিধান প্রচুর ক্ষমতা চাপিয়েছে। তাই এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে শক্ত চরিত্রের কাউকে। মঙ্গলবার একথা জানিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) মতে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এবং তাই প্রয়াত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টিএন শেষনের (T N Seshan) মতো একজন কাউকে প্রয়োজন। এদিন এই প্রসঙ্গেই তার অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র।

    ‘সংবিধানের নীরবতা’

    প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন ছিলেন শেষন। তাঁর আমলে নির্বাচনী নানা সংস্কার হয়। এদিন সেই প্রসঙ্গই টেনেছে দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত এও জানায়, কোনও দৃঢ় চরিত্রের ব্যক্তির এই পদে থাকা উচিত, যিনি নিজেকে বুলডোজ হতে দেবেন না। এর পরেই শেষনের প্রসঙ্গ টেনে দেশের শীর্ষ আদালত বলে, অনেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এসেছেন, কিন্তু টিএন শেষন একবারই এসেছেন। এই মামলার শুনানির সময়ই কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি, যোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে ‘সংবিধানের নীরবতা’র উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে বুধবার কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের অধিকার রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। এও বলেছে, ‘সাংবিধানিক নীরবতা’ পূরণ করতে পারে না বিচারবিভাগ। বিচারবিভাগের উচিত নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকেই এক্সিকিউটিভের স্বাধীনতাকে সম্মান করা।

    আরও পড়ুন: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে দায়ের করা পিটিশনের শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। সম্প্রতি কেন্দ্র ওই পদে বসিয়েছে অরুণ গোয়েলকে। ১৯৮৫ সালের ব্যাচের আএএস অফিসার তিনি। এদিন দেশের শীর্ষ আদালত অরুণ গোয়েলের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল খতিয়ে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। এই মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। এই বেঞ্চের মাথায় রয়েছেন বিচারপতি কে এম জোসেফ। শুনানি চলাকালীন তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কাট্রামনিকে অরুণ গোয়েলের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল পেশ করার নির্দেশ দেয়। এর পরেই অরুণ কুমারের আইনজীবী বলেন, অরুণ কুমার শুক্রবার ভিআরএস নিয়েছেন। তার পরের দিনই তাঁকে ইলেকশন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SC on Juvenile Act: ‘জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট নাবালকদের অপরাধ করতে সাহসী করে তুলছে’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Juvenile Act: ‘জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট নাবালকদের অপরাধ করতে সাহসী করে তুলছে’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্কারের উদ্দেশে যতই নম্রতা দেখানো হচ্ছে, ততই আরও ভয়ঙ্কর অপরাধের দিকে সাহসী হচ্ছে নাবালকরা। পর্যবেক্ষণে জানাল দেশের শীর্ষ আদালত। এদিন কাঠুয়া গণধর্ষণ এবং খুনের মামলায় শুনানি চলাকালীন এই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (SC on Juvenile Act)। কাঠুয়া গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত নাবালককে সাবালক হিসেবে ধরে নিয়ে বিচার হবে বলেও জানায় আদালত। দেশের শীর্ষ আদালতের এই পর্যবেক্ষণই প্রশ্ন তুলে দিল, দেশের জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট নিয়ে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন কিনা।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

    এদিন সুপ্রিম কোর্ট (SC on Juvenile Act) জানায়, যেভাবে গত কয়েক বছরে নাবালকদের দ্বারা অনেক অপরাধ ঘটছে এবং এখনও হয়ে চলেছে, তাতে আমরা বিস্মিত হচ্ছি এই ভেবে যে সরকারের উচিত জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার। কাঠুয়া গণধর্ষণ মামলায় ২০১৯ সালে ১১ অক্টোবর ধর্ষণে অভিযুক্ত শুভম সাংরাকে নাবালক হিসেবে ধরে আইনি নির্দেশ দেয় জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্ট। এরপর সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয় যে, ওই অভিযুক্তকে সাবালক ধরেই আইনি পথে এগোতে হবে। এর পরেই আদালতের পর্যবেক্ষণ, আমরা দেখছি, সংস্কারের উদ্দেশ্যে যতই নম্রতা দেখানো হচ্ছে, ততই আরও ভয়ঙ্কর অপরাধের দিকে সাহসী হচ্ছে নাবালকরা। বেঞ্চ জানায়, এবার সরকার দেখুক যে ২০১৫ সালের আইনটি কার্যকরী হচ্ছে নাকি অনেকটা দেরি হওয়ার আগে তা নিয়ে ফের আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে জম্মুর কাঠুয়ায় গণধর্ষণের শিকার হয় বছর আটেকের এক শিশু। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় ছ জনকে। দোষী সাব্যস্তও করা হয়। অভিযুক্ত এক নাবালকের বিচার চলছিল আলাদাভাবে। সুপ্রিম কোর্টের এদিনের নির্দেশে ওই নাবালককে সাবালক হিসেবে গণ্য করেই চলবে মামলা।  এদিন, জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্টের দেওয়া রায় খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। সেই রায়ের প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, আমরা কাঠুয়া সিজেএম এবং হাইকোর্টের রায় এক পাশে সরিয়ে রাখছি এবং অপরাধের সময় অভিযুক্ত নাবালক ছিল না হিসেবেই গণ্য করছি।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajiv Assassination: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Rajiv Assassination: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হত্যা (Rajiv Assassination) মামলায় ছয় সাজাপ্রাপ্তকে সপ্তাহখানেক আগে মুক্তির অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছে কেন্দ্র (Centre)। সরকারের যুক্তি, সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমার নির্দেশটি শুনানির সুযোগ না দিয়েই পাশ করা হয়েছে। আবেদনে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টিতে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। কারণ সাজাপ্রাপ্তরা তাদের মুক্তির আবেদনে কেন্দ্রকে অংশীদার করেনি। তাই মামলায় অংশ নিতে পারেনি কেন্দ্র।

    চলতি বছরের ১১ নভেম্বর নলিনী শ্রীহরণ সহ ছয় সাজাপ্রাপ্তকে মুক্তির অনুমতি দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তামিলনাড়ুর জেল থেকে ছাড়াও পেয়ে যায় তারা। এরা প্রত্যেকেই রাজীব গান্ধী হত্যা (Rajiv Assassination) মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। তিন দশকের বন্দি জীবনও কাটিয়েছে তারা। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র জানায়, যে ছজনকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, তার মধ্যে চারজনই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগও রয়েছে। এদের মুক্তি দেওয়ার অনুমতি ছিল এমন একটি বিষয় যার আন্তর্জাতিক প্রভাব রয়েছে। এবং সেই কারণে এটি ভারতের সার্বভৌম ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।

    রাজীব গান্ধী হত্যা…

    প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরামবুদুরে একটি জনসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। এলটিটিইর এক আত্মঘাতী মহিলা হামলাকারীর বিস্ফোরণের জেরে প্রাণ হারান তিনি। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল আরও ১৫ জনের। যে আত্মঘাতী হামলাটি চালিয়েছিল, সে ধনু। রাজীব গান্ধীর পা ছোঁয়ার ভান করে সে নিচু হয়েছিল। তার পরেই ঘটে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ। মৃত্যু হয় ১৬ জনের। জখমও হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন।

    আরও পড়ুন: পথ কুকুরদের খাওয়ালে দত্তক নিতে হবে, বম্বে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাস ছয়েক আগে এই মামলার অন্যতম সাজাপ্রাপ্ত এজি পেরারিভালানকে মুক্তি দিয়েছিল আদালত। ১৮ মে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট পেরারিভালানকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মুক্তি রাজীব হত্যাকাণ্ডে বাকি সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে। শুক্রবার বেঞ্চ বলেছে, এই একই আদেশ অন্য ছয় অভিযুক্তের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Employee Pension Scheme: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ল আরও চার মাস

    Employee Pension Scheme: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ল আরও চার মাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের লক্ষ লক্ষ বেতনভোগী কর্মীদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হল আরও চার মাস। এই সময়ের মধ্যেই যোগ দিতে হবে ওই পেনশন প্রকল্পে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে উপকৃত হবেন বহু কর্মী। যাঁরা এখনও এমপ্লয়িজ পেনশন প্রকল্পে (Employee Pension Scheme) যোগ দিতে পারেননি, তাঁদের মুখে হাসি ফোটাবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়। 

    এদিন যে বেঞ্চে এই রায়দান হয়েছে, সেই বেঞ্চে ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত (UU Lalit), বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি সুধাংশু ঢুলিয়া। এনিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) কর্তৃপক্ষ। কেরল, রাজস্থান এবং দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে তাঁরা আবেদন করেছিলেন। এই তিন আদালতই এমপ্লয়িজ পেনশন সংশোধনী স্কিম, ২০১৪ বাতিল করে দিয়েছিল। অগাস্ট মাসের ১১ তারিখে মামলাটি ফের একবার ওঠে এই বেঞ্চে। সেদিন এই মামলার রায়দান স্থগিত রাখে দেশের শীর্ষ আদালত। তার আগে অবশ্য হয়ে গিয়েছে ছ’দিন ধরে শুনানি।

    আরও পড়ুন: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন দেশের শীর্ষ আদালত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের পর্যবেক্ষণ, কাট-অফ ডেট নিয়ে হাইকোর্টের এমপ্লয়িজ পেনশন সংশোধনী স্কিম, ২০১৪-র রায়ে বিশ্লেষণের অভাব রয়েছে। তাছাড়া, সুপ্রিম কোর্ট ২০১৪-র স্কিমে থাকা এই শর্তকে নিয়মবিরুদ্ধ বলে উল্লেখ করে। এই স্কিমে বেতন ১৫ হাজার ছাড়ালেই ১.১৬ শতাংশ হারে কর্মীদের অনুদান দিতে বলা হয়েছিল। 

    আরসি গুপ্তা বনাম রিজিয়নাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার মামলায় ডিভিশন বেঞ্চ যে রায় দিয়েছিল, এদিন তাও স্থগিত করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তারা রুল জারি করে জানিয়ে দেয়, এই স্কিমে সুযোগ পেতে গেলে কোনও কাট-অফ ডেট থাকতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট এও জানায়, যেসব কর্মী এই স্কিমের ১১ (৩) প্রভিশনের অধীন এবং ২০১৪ সালের ১ সেপ্টম্বর পর্যন্ত চাকরি করেছেন, তাঁদের গাইড করতে হবে এই স্কিমের ১১ (৪) প্রভিশনস সংশোধনী অনুযায়ী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DY Chandrachud: সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি পদে চন্দ্রচূড়ের নাম প্রস্তাব ললিতের

    DY Chandrachud: সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি পদে চন্দ্রচূড়ের নাম প্রস্তাব ললিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসরের সময় হয়ে গিয়েছে তাঁর। তাই উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত (UU Lalit)। মঙ্গলবার দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি পদে তিনি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নাম প্রস্তাব করেন। রাষ্ট্রপতির সিলমোহর পড়লে প্রবীণ বিচারপতি চন্দ্রচূড়ই হবেন দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি।

    কিছুদিন আগেই দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিয়েছিলেন ইউইউ ললিত। তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন, তাঁরই পূর্বসূরি এনভি রামানা। ললিতের কার্যকালের মেয়াদ মাত্র ৭৪ দিনের। প্রথা অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রস্তাব করতে হয় পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম। সেই মতো দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ললিত প্রস্তাব করলেন চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নাম। রাষ্ট্রপতি তাঁর নামে শিলমোহর দিলে চন্দ্রচূড় শপথ নেবেন নভেম্বরের ৯ তারিখে। প্রধান বিচারপতি পদে তিনি থাকবেন ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতি পদে অবসরের বয়স ৬৫ বছর।

    এই মুহূর্তে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ই (DY Chandrachud)  সুপ্রিম কোর্টের দ্বিতীয় প্রবীণ বিচারপতি। তাঁর বাবাও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি ছিলেন দেশের শীর্ষ আদালতের ১৬তম প্রধান বিচারপতি। ১৯৭৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৮৫ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন : বৈবাহিক ধর্ষণ ও গর্ভপাত নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    ১৯৫৯ সালের ১১ নভেম্বর জন্ম বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud)। ২০১৬ সালের ১৩ মে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে নিযুক্ত হন তিনি। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে সুপ্রিম কোর্টে আসার আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি ছিলেন বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে আসীন। ২০০০ সালের ২৯ মার্চ থেকে ওই পদে ছিলেন তিনি। ভারতের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের দায়িত্বও সামলেছেন চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। ১৯৯৮ সাল থেকে বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হওয়ার আগে পর্যন্ত ওই পদে আসীন ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে তাঁকে সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে মনোনীত করে বম্বে হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Supreme Court: মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে চাই নির্দেশিকা, সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে চাই নির্দেশিকা, সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও দেশে চালু রয়েছে মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty)। কারও কারও মতে, প্রথাটি বর্বরোচিত। কেউ আবার বলেন, দোষী ব্যক্তিকে এমন সাজাই দেওয়া উচিত। তবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরির জন্য এবার পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ (Constitution Bench) গঠনের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার ওই বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে কোন মানদণ্ডে, সেটাই স্থির করবে দেশের শীর্ষ আদালতের এই বেঞ্চ। 

    কেন হঠাৎ প্রয়োজন হয়ে পড়ল এহেন বেঞ্চ গঠনের? দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এই বেঞ্চ গঠনের প্রয়োজন ছিল কারণ এতদিন মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কোনও নির্দিষ্ট মাপকাঠি ছিল না। বিভিন্ন জনের নানা দোষের মাপকাঠি ছিল আলাদা। তা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে নানান সময়। সেই প্রশ্ন যাতে না ওঠে, তাই প্রয়োজন একটা সমতা। দেশের শীর্ষ আদালতের মতে, সেই মাণদণ্ড তৈরি করতেই গঠন করা হয়েছে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। 

    এদিন যে তিন বিচারপতি পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা হলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাট এবং সুধাংশু ঢুলিয়া। কোনও ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় বিরলের মধ্যে বিরলতম কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে। এদিন ললিতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ জানায়, ১৯৮৩ সালে বচ্চন সিং মামলায় আলাদা একটি বেঞ্চে শুনানি হয়েছিল। সেখানে বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছিল বচ্চনের। 

    আরও পড়ুন : ১৩ দিনে সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি ৫ হাজারেরও বেশি মামলার!

    দেশের শীর্ষ আদালতের যুক্তি, মৃত্যু দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত কোনও অপরাধীর ক্ষেত্রে মামলার পৃথক শুনানি হওয়া প্রয়োজন। বেঞ্চ এও জানায়, ১৯৮৩ সালের বচ্চন সিং মামলার রায় পৃথক শুনানির সেফগার্ড স্বরূপ। বিশেষত মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত অপরাধীর ক্ষেত্রে। সেই সময় আদালত বলেছিল, এই সেফগার্ড একটি মূল্যবান অধিকার। এটা অপরাধীকে বুঝিয়ে দেয়, কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supreme Court: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯১ সালের উপাসনা স্থল আইনকে (Places Worship Act) চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যেসব আবেদন  জমা করা হয়েছিল, সেই আবেদন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে (Constitution Bench) পাঠানো যেতে পারে। শুক্রবার একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই আইনে বলা হয়েছিল, স্বাধীনতার পরে যেসব ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যা ছিল, তাই থাকবে। যার জেরে ওই আইনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যেত না। এবার সেই আইন সংক্রান্ত আবেদনের বিচার হবে দেশের শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চে। এদিন আদালতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর কাছে ১৯৯১ সালের ওই আইনের বৈধতা সংক্রান্ত বিভিন্ন জনস্বার্থ রক্ষা আবেদনের জবাবও চাইল আদালত। 
    বারাণসীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরায় যে দুটি উপাসনা স্থল মসজিদ ছিল বলে দাবি করা হয়, সেগুলির ওপর আলোকপাত করতে দেশের শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সদস্য সুব্রহ্মণিয়ম স্বামী। সুপ্রিম কোর্টে এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেছিলেন জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুন : শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
    এদিকে, জামায়েত উলেমা-ই-হিন্দের তরফে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী ইজাজ মকবুল। তিনি বলেন, অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় ১৯৯১ সালের আইনের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছিল। এখন এটা সরিয়ে রাখা যায় না। এদিন অশ্বিনীর হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, এই মামলার বিচার করতে গিয়ে যে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, তা কেবল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটা কোনও যুক্তি নয়। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শোনর পরে প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত বলেন, এই সংক্রান্ত মামলার পাঠানো যেতে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। তিন বিচারপতির বেঞ্চেও হতে পারে শুনানি। 
    আদালত জানায়, এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রচুর আবেদনপত্র জমা পড়েছে। আমরা সব আবেদন গ্রহণ করেছি এবং আবেদনকারীকে মামলায় অংশ নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছি। প্রত্যকেকে বলা হয়েছে আবেদনপত্র যেন পাঁচ পাতার বেশি না হয়। তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১১ অক্টোবর। 
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share