Tag: Supreme Court of India

Supreme Court of India

  • CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হলে সিবিআইকে (CBI) অনুমতি নিতে হবে না সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। শুক্রবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সিটি রবিকুমার ও বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ বলেছে, যেখানেই কর্মরত থাকুন না কেন, তথ্যগত অবস্থান হল, তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকার বা সরকারি মালিকানাধীন সংস্থার কর্মী এবং দুর্নীতি দমন আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। এই আইনটি কেন্দ্রীয় আইন।

    দুর্নীতির অভিযোগ (CBI)

    অন্ধ্রপ্রদেশে কর্মরত দুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তার জেরে শুরু হয়েছিল সিবিআই তদন্ত। অভিযুক্তরা সিবিআইয়ের এফআইআর চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের যুক্তি ছিল, অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার রাজ্যে তদন্ত চালানোর ক্ষেত্রে সিবিআইকে ঢালাও সম্মতি দিয়েছিল। রাজ্য ভাগ হওয়ার পরে গঠিত নয়া অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা আপনা-আপনি প্রযোজ্য হয়ে যায় না। হাইকোর্ট সেই যুক্তি মেনে দুর্নীতি দমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করে দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, এ ক্ষেত্রে সিবিআইকে নতুন করে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সম্মতি নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সেই রায় খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি রবিকুমার রায় দিতে গিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, সিবিআইকে অন্ধ্রের কাছে ফের জেনারেল কনসেন্ট চাইতে হবে বলে হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ২৬ মে-র একটি সার্কুলার মেমো অনুযায়ী (CBI), ওই বছরের ১ জুন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে চালু থাকা আইনগুলিতে কোনও পরিবর্তন, সংশোধন বা কোনও আইন প্রত্যাহার না হলে রাজ্য ভাগের পরে তৈরি হওয়া তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা বলবৎ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের যুক্তি, যেখানে কেন্দ্রীয় আইনে অপরাধের অভিযোগ উঠেছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, তাই সিবিআইয়ের রাজ্যের কাছে এই ধরনের (FIR) অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানো প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানিতে সেই সব প্রশ্নেরই জবাব দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। সেই সঙ্গে সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্টও জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার শুনানির আগেই আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    গত ১৫ অক্টোবর আরজি কর মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সেই শুনানিতে রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগকে ‘রাজনৈতিক স্বজনপোষণের সুন্দর পন্থা’ আখ্যা দিয়ে ছ’টি প্রশ্ন তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। এক, কোন আইনের ক্ষমতাবলে পশ্চিমবঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হচ্ছে? দুই, কী পদ্ধতিতে নিয়োগ হয়? তিন, তাঁদের যোগ্যতামান কী? চার, তাঁদের আগে কোনও অপরাধের ইতিহাস রয়েছে কি না, তা প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হয়? পাঁচ, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে তাঁদের নিয়োগ করা হচ্ছে? ছয়, তাঁদের বেতন কী ভাবে দেওয়া হয় ও তার জন্য কত অর্থ বরাদ্দ করা হয়? আজকের রাজ্য সরকারকে এই সব প্রশ্নেরই জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। তবে আগের শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সংবেদনশীল জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা যাবে না।

    রাজ্যের বাইরে সরানো হোক মামলা (RG Kar Incident)

    অপরদিকে, আরজি কর কাণ্ডে প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। তার কথায়, তাকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট তাকে চুপ থাকতে বলেছে। সঞ্জয়ের এই দাবির প্রেক্ষিতে আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা অভয়ার বিচারের দাবিতে লড়ছেন সেই আইনজীবীদের কাছে আমার পরামর্শ মামলাটা (RG Kar Incident) পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। তাহলে সত্য উদ্ঘাটিত হবে। অভয়ার পরিবার শান্তি পাবে। অভয়ার আত্মা শান্তি পাবে। পশ্চিমবঙ্গের জনগণ, গোটা দেশের জনগণ যাঁরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিসে’র পক্ষে লড়ে যাচ্ছেন তাঁরা প্রত্যেকেই খুশি হবেন। আমি অনুরোধ করব সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি বিবেচনা করে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। কারণ এই পশ্চিমবঙ্গে ব্যাঙ্ক ফ্রডের আসামী যাঁকে ইডি ধরেছিল, তিনি ১৫ মাসই এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে কাটিয়েছেন। কালীঘাটের কাকুর ছবি আপনারা দেখিয়েছেন। তিনি ঘরের পোশাক পরে চা খাচ্ছেন, আরাম করছেন, টিভি দেখছেন। তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের আপনারা দেখেছেন। আপনারা দেখেছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেডিক্যাল রিপোর্টকে কীভাবে ম্যানুফ্যাকচার করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়সহ সব চোর যাঁরা এখনও জেলে আছেন, তাঁরা যেদিন যা খেতে চান, সেই খাবার জেল কর্তৃপক্ষ পৌঁছে দেয়। এখানে জেলার, সুপার, ডাক্তার, সরকার, পুলিশ সব মিলেমিশে একাকার। এখানে বিচার (RG Kar Incident) হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: অভিযুক্তই সিভিক! তাও নিরাপত্তার দায়িত্বে ঠিকাকর্মী? রাজ্যকে তোপ শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: অভিযুক্তই সিভিক! তাও নিরাপত্তার দায়িত্বে ঠিকাকর্মী? রাজ্যকে তোপ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারি হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহার করা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর (RG Kar Incident) মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় নিজেই গত শুনানির প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? তখনই রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, ‘রাত্রি সাথী’ নামের একটি বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিষয়ক এজেন্সিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। তখনই নিরাপত্তার বিষয়ে চুক্তিভিত্তিক তথা ঠিকাকর্মী নিয়োগের প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। 

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের মামলায় প্রথম গ্রেফতার হয়েছেন যিনি, তিনি কলকাতা পুলিশের একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘অভিযুক্ত পুলিশের একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। নিরাপত্তার জন্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি তো? নিরাপত্তার অভাব ছিল বলেই তো ওই সিভিক ভলান্টিয়ার সারা হাসপাতাল ঘুরে বেড়িয়েছেন। আবার নিরাপত্তার দায়িত্বে অস্থায়ী কর্মী রাখবেন? যেখানে সব সময় কাজ চলছে, ডাক্তারেরা ৩৬ ঘণ্টা কাজ করছেন, সেখানে এমন নিরাপত্তা কেন? ওই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ৭ দিনের ট্রেনিং দিয়ে কী ভাবে তাঁদের থেকে উপযুক্ত নিরাপত্তার আশা করেন? কী ভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার দায়িত্বে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করতে পারে রাজ্য? রাজ্যের এই বিষয়ে ভাবা উচিত।’’

    নিরাপত্তার দায়িত্বে থাক পুলিশ

    হাসপাতালগুলিতে নিদেনপক্ষে পুলিশ রাখার পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা, সরকারি হাসপাতালগুলির পরিসংখ্যান এবং সেখানে কমবয়সি মহিলাদের কাজের বিষয় উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘২৮টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে রাজ্যে। আরও ১৭টি হাসপাতাল সরকারের সঙ্গে যুক্ত। সেখানে ১৮-২৩ বছরের তরুণীরা কাজ করেন। তাঁদের নিরাপত্তায় চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হলে নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। সরকারি হাসপাতালে কমপক্ষে পুলিশকর্মী রাখা উচিত।’’ হাসপাতালে প্রশিক্ষিত পুলিশকর্মী নিয়োগের দাবি জানান জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং।

    আরও পড়ুন: রাতে কেন কাজ করতে পারবে না মেয়েরা? রাজ্যকে বিজ্ঞপ্তি পাল্টাতে সুপ্রিম-নির্দেশ

    নিরাপত্তার বিষয়ে রাজ্যের পদক্ষেপ

    এদিন সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্যের তরফ জানানো হয়, নিরাপত্তার স্বার্থে আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজে আগে ৩৭টি সিসি ক্যামেরা ছিল। আরও ৪১৫টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে। একথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এখন বলছেন ৪১৫টি ক্যামেরা লাগানো হবে। আগে মাত্র ৩৭টি ছিল!’’ রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘‘স্বাস্থ্যসচিবকে বলুন মহিলা ডাক্তারদের বিশ্রামগারে যেন বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা থাকে।’’ রাজ্য জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে ডাক্তারদের জন্য শৌচাগার, বিশ্রামকক্ষেরও ব্যবস্থা করা হবে। এরপর সুপ্রিম কোর্ট জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংকে জানান, সুরক্ষা-নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের আশ্বাস মেনে এবার তাঁদের কাজে ফেরা উচিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: রাজ্যে সিবিআই তদন্তের অনুমতি সংক্রান্ত মামলার রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: রাজ্যে সিবিআই তদন্তের অনুমতি সংক্রান্ত মামলার রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় সিবিআইকে বিনা বাধায় তদন্ত করতে দেওয়ার অনুমতি প্রত্যাহার করে নিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে অনুমতি ছাড়াই বাংলায় পরপর মামলায় তদন্ত করে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই নিয়ে সুপ্রিম দুয়ারে কড়া নেড়েছিল রাজ্য। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি বুধবার শেষ হয়েছে। তবে রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। 

    সুপ্রিম দুয়ারে শুনানি

    ২০১৮ সালের নভেম্বরে সিবিআইয়ের অবাধে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে অনুমতি প্রত্যাহার করেছিল রাজ্য সরকার। তারপর কেটে গেছিল ২ বছরের বেশি। কিন্তু এফআইআর করে সিবিআই তদন্ত থামেনি। একের পর এক মামলায় তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই প্রেক্ষিতেই ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করে রাজ্য। গত তিন বছর ধরে সেই মামলা অমীমাংসিত হয়ে পড়েছিল শীর্ষ আদালতে। সম্প্রতি এই শুনানি দ্রুত শেষ করার জন্য কেন্দ্রকে কিছুটা তাড়া দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৯ মে আদালতে গ্রীষ্মাবকাশ শুরুর আগেই মামলাটি নিষ্পত্তির করার কথা বলেছিল তারা। অবশেষে বুধবার মামলাটির শুনানি শেষ হল। বিচারপতি বিআর গভাই এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে শুনানি চলছিল এই মামলার। 

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    রায়দান স্থগিত

    রাজ্যের পক্ষে সিবিআই-সংক্রান্ত মামলায় (Supreme Court) সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অন্য দিকে কেন্দ্রের তরফে হাজির ছিলেন, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।  সিব্বল বলেন, রাজ্যের হাতে পুলিশ যেমন থাকে, কেন্দ্রের কাছে থাকে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। রাজ্যের অনুমতি না থাকলে কেন্দ্রও গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দিষ্ট রাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারে না। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল অবশ্য পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছেন, সিবিআই একটি স্বাধীন সংস্থা। কেন্দ্র তাদের নিয়ন্ত্রণও করে না, আর কেন্দ্র কোনও এফআইআর দায়েরও করে না। তিনি অবশ্য এও বলেছেন, আসলে মামলাটি নাকি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর মামলায় রায়দান আপাতত স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতঞ্জলি বনাম ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) মামলায় এবার মুখ পুড়ল চিকিৎসকদের এই সংস্থার। অপ্রয়োজনীয় এবং দামি ঔষধ লেখার জন্য সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court) চিকিৎসকদের সংস্থাকে ভর্ৎসনা করল। প্রশ্ন উঠল আইএমএ-র (IMA vs Patanjali) সদিচ্ছা নিয়েও।

    সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি (IMA vs Patanjali)

    মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে (IMA) নথিভূক্ত চিকিৎসকদের অবাঞ্ছিত কাজকর্ম নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে। বিশেষ করে এই সংগঠনের  সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের কমদামি এবং কার্যকরী বিকল্প থাকা প্রেসক্রিপশনে দামি ওষুধ লেখার বদভ্যাসকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (S.C.)। এই এই স্বাস্থ্য সংগঠনকে (IMA vs Patanjali) তাঁদের কাজকর্মে সুব্যবস্থা আনার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারকেরা।

    আইএমএকে ভর্ৎসনা!

    বিচারপতি হেমা কোহলি এবং এহসানউদ্দিন আমানুল্লার ডিভিশন বেঞ্চে আইএমএ বনাম পতঞ্জলি (IMA vs Patanjali) মামলা চলছে। বেঞ্চ জানিয়েছে, দামি ঔষধ লেখা এবং অপ্রয়োজনীয় ঔষধ লেখার বিষয়ে আইএমএ-কে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে এগুলি বন্ধ করা উচিত। এবিষয়ে সংগঠন নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। বিশেষ করে আইএমএ যখন পতঞ্জলির দিকে আঙ্গুল তুলছে তখন একটি আঙ্গুল তাঁদের দিকেও ওঠে। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার অভিযোগ উঠেছিল। এর বিরুদ্ধে আইএমএ সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করে। এই মামলার শুনানি চলাকালীন আইএমএকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। একদিকে যেমন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদকে এফিডেফিট জমা দিয়ে পুনরায় ক্ষমাপ্রার্থনা করে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে আইএমএ-কেও চিকিৎসকদের অতিরিক্ত অর্থনৈতিক লাভের জন্য চালাকি ছাড়তে বলেছে ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃহনুমান জয়ন্তীর কীর্তনে হামলা দুষ্কৃতীদের! পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন বিজেপির

    বিচারপতির বক্তব্য

    সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় আইএমএকে (IMA vs Patanjali) বলেন, “এলোপ্যাথিক ফিল্ডে আপনাদের চিকিৎসকরা বিকল্প আছে তা সত্ত্বেও রোগীর অর্থনৈতিক অবস্থার কথা না ভেবে দামি ঔষধ লিখে যাচ্ছেন। আগে নিজেদের ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করুন।” আদালত এফএমসিজি কোম্পানিগুলির কাজকর্মেও ক্ষুব্ধ। অভিযোগ উঠছে নবজাতক শিশু এবং বাচ্চাদের কথা না ভেবেই বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করছে এফএমসিজি (FMCG) সংস্থাগুলি। এমনকী বৃদ্ধদের জন্যও যে সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে তা তাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে হচ্ছে না। গুণমান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আদালত কেন্দ্রের কাছে এই সংস্থাগুলির তিন বছরে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ঘিরে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sisodia: জামিন খারিজ সিসোদিয়ার, সিবিআই-এর অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত

    Sisodia: জামিন খারিজ সিসোদিয়ার, সিবিআই-এর অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার (Sisodia) জামিন ফের খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, আবগারি দফতরের মামলায় ৩৩৮ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রায় প্রতিষ্ঠিত। এতেই কার্যত সিবিআই-এর অভিযোগকে মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ সিবিআই-এর দাবি ছিল, ২০২১ সালে দিল্লির সরকার কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনেক সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিল। 

     ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির এই শীর্ষ নেতা

    প্রসঙ্গত, আবগারি দফতরের দুর্নীতি মামলায় বিগত ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির এই শীর্ষ নেতা। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে সিসোদিয়াকে (Sisodia) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরপর থেকে একাধিক বার কোর্টের সামনে জামিনের আর্জি জানিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু প্রতিবারই তাঁর জামিন খারিজ হয়ে যায়। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শ্রী সিসোদিয়া। সোমবারই এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চ।

    অভিযোগ আপ সরকারের আবগারি নীতি নিয়েই 

    সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে সিবিআইকে আবগারি দফতরের তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ রয়েছে, তদন্তের গতি যদি মন্থর হয়ে যায় সেক্ষেত্রে পরবর্তীকালে জামিনের আবেদন করতে পারবেন সিসোদিয়া।
     প্রসঙ্গত, এই মামলাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও জেরা করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আবার আপ পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহও গ্রেফতার হয়েছেন। প্রসঙ্গত, দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি নিয়েই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ, যে আবগারি নীতি তৈরি করেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার তাতেই বড়সড় বেনিয়াম হয়েছিল। সেই নীতির কারণে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছিলেন সিসোদিয়া (Sisodia)। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এদিনের শীর্ষ আদালতে পর্যবেক্ষণে ফের চাপে পড়ল আপ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370 Verdict) বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের করা হয়েছিল একাধিক জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলাগুলিকে একত্র করে দীর্ঘ শুনানির পর সোমবার, ১১ ডিসেম্বর রায় দেবে শীর্ষ আদালত। গত ২ জুলাই থেকে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক শুনানি। ৫ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে রায়দান স্থগিত রাখে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এ বার সেই মামলার রায় ঘোষণার চূড়ান্ত দিন ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। 

    সরকারের দাবি

    জম্মু ও কাশ্মীরকে (Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট। পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদা ছিনিয়ে নিয়ে এটিকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছিল। সরকারের তরফে বলা হয়, ‘৩৭০ ধারা অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।’ এদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী কপিল সিব্বলের দাবি ছিল, ‘১৯৫৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম আইন পরিষদের মেয়াদ শেষের পরই এই ধারা স্থায়ী হয়ে যায়।’ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের হলফনামায় দাবি করা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর সেখানে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। তিন দশকের অশান্তির পর এসেছে স্থিতাবস্থা। ফিরেছে শান্তি। লাগাতার বনধ, পাথর ছোড়া এখন অতীত হয়ে গিয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় আইনের মাধ্যমে ভূস্বর্গের মানুষকেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। যদিও এই হলফনামা রায়দানে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম শুনানি

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলাগুলি চলছিল। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জয় কিসান কউল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সূর্য কান্ত। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সরকারের আইনজীবীরা জানান, জম্মু-কাশ্মীরকে পুরোপুরি ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে এই পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সেখানে ভোট হবে। ফেরানো হবে রাজ্যের মর্যাদা। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছিল, যে সব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা লোপ করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে আদালত। এবার সবদিক খতিয়ে দেখে জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কে দেশের শীর্ষ আদালত কী রায় দেয় তা দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়কে স্বাগত জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।  কেন্দ্র-সহ সব পক্ষের মতামত শোনার পর  সমলিঙ্গের বিয়েকে আপাতত বৈধতা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রকেই দিয়েছে আদালত। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে একযোগে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার এবং শীর্ষস্থানীয় মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা সাজিদ রশিদি। দু’জনের মতেই সমপ্রেম ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ নয়। তাঁদের মতে, এটি বিদেশ থেকে আসা সংস্কৃতি।

    কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অলোক কুমার বলেছেন, “দুটি ছেলে বা দুটি মেয়ের মধ্যে সম্পর্ককে বিয়ে (Same Sex Marriage) হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না বলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করায় আমি খুশি।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সমকামী বিবাহকে আইনি বৈধতা না দিলেও সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সমকামী দম্পতিরা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতেই পারেন। নিজেদের পছন্দ মতো সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে তাঁদের। তবে সন্তান দত্তক নেওয়ার প্রশ্নে পাঁচ বিচারপতির ৩ বিচারপতি দ্বিমত পোষণ করেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-তদন্তে গতি আনতে দিল্লি থেকে আনা হচ্ছে নতুন আধিকারিক! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, মৌলানা রশিদি বলেন, ‘সমপ্রেম (Same Sex Marriage) ভারতীয় সংস্কৃতি নয়। এই বিষয়গুলি খুব খোলাখুলি ভাবে চলে ইউরোপীয় ও পশ্চিমী দেশে। তবে ভারতে এই কাজকর্মকে কখনই উৎসাহ দেওয়া বা অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। ভারতের সব বৈবাহিক অনুশীলনগুলির শিকড় আমাদের মূল্যবোধ ও সামাজিক ঐতিহ্যের মধ্যে গেঁথে রয়েছে। শীর্ষ আদালতের উচিত এই বিষয় চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে আমাদের মূল্যবোধ ও বিশ্বাসগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা।’ এক কদম এগিয়ে সমপ্রেমের সম্পর্কে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন রশিদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বৈধতা পেল না সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage)। এই ক্ষেত্রে আইন প্রনয়নের যাবতীয় দায় সংসদের দিকে ঠেলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। তবে, সমকামী দম্পতিদের লিভ ইন সম্পর্কে আইনি রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকতি দিলেও সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই সম্মতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণটাই ছাড়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের উপর। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালত এ নিয়ে আইন তৈরি করতে পারে না। কিন্তু আইনের ব্যাখ্যা দিতে পারে। 

    কেন্দ্রকে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ

    পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের একাধিক সদস্য প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে একমত হননি। তাই ভিন্নমতের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ‘সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই আইনি স্বীকৃতি নয়।’ অর্থাৎ ভালোবেসে সমকামে নিজের মনের মানুষের সঙ্গে সহবাস করা গেলেও বিয়ে এখনই সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, সমলিঙ্গ সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য কেন্দ্রের একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তার মাধ্যমে ওই সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করা হবে।

    কী কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি কোনও অনড়, অটল বিষয় নয়। বিবাহে বিবর্তন আসে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত স্তরে যে কোনও কাজকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। বিবাহ বর্তমানে যে স্বীকৃতি পেয়েছে, আইন না থাকলে তা সম্ভব হত না।’’ সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্য সদস্যেরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এস নরসিং।

    আরও পড়ুন:এমাসেও দুবাই যাওয়ার কথা ছিল বাকিবুরের! উদ্ধার হওয়া খাতায় কী পেল ইডি?

    কেন্দ্রের অভিমত

    সুপ্রিম কোর্টে রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি কউল বলেন, ‘‘বিশেষ বিবাহ আইনে সমলিঙ্গ মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ওই আইন পরিবর্তন করতে হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।’’ কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি, এ বিষয়ে সাতটি রাজ্যের সরকারও তাদের মতামত জানিয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করেছে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগের মামলায় ওএমআর শিট দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের (Recruitment Scam) মামলায় উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ নয়, জমা দিতে হবে সিলবন্ধ খামে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। 

    সুপ্রিম নির্দেশ

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে সেই নির্দেশের উপর আজ স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বেলা ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। ওএমআর শিট জনসমক্ষে প্রকাশ করার বদলে সিলবন্ধ খামে করে তা সুপ্রিম কোর্টে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আদালতে। গত ৭ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ৫,৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা-সহ ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। উত্তরপত্রের পাশাপাশি নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, স্কুলের নাম-সহ ৯০৭ জনের তালিকাও প্রকাশ করতে হবে, যাঁদের বিকৃত উত্তরপত্র উদ্ধার করেছিল সিবিআই। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত ওএমআর শিট প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও নাম, ঠিকানা সম্বলিত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বহাল রেখেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টা কমিটি কেন? গঠনই বা করল কে? উত্তর খুঁজছে সিবিআই

    এই মামলার শুনানিতেই গতকাল, অর্থাৎ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) যা হয়েছে তা পুরোপুরি রাজনৈতিক। এক্ষেত্রে যা পরিস্থিতি তাতে একমাত্র ভগবানই পারে রাজ্যকে বাঁচাতে। শিক্ষক নিয়োগের মামলা শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “দিনের পর দিন কী হচ্ছে এটা? সবেতেই রাজনীতি জড়িয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হলেই মামলা হয়ে যাচ্ছে। এ তো দেখছি একমাত্র ভগবানই পারে বাংলাকে বাঁচাতে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share