Tag: Supreme Court on Hijab row

Supreme Court on Hijab row

  • SC on Hijab Row: ১০ দিন ধরে শুনানি হচ্ছে, এটা চলতে পারে না, হিজাব বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট

    SC on Hijab Row: ১০ দিন ধরে শুনানি হচ্ছে, এটা চলতে পারে না, হিজাব বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দিন ধরে শুনানি হচ্ছে। এটা চলতে পারে না। হিজাব বিতর্কে (Hijab Row) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বলছে দ্রুত শুনানি শেষ করতে। ধৈর্য হারাচ্ছে। তাই দ্রুত শেষ করতে হবে সওয়াল পাল্টা সওয়াল।

    চলতি মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি কর্নাটক সরকার নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই রাজ্যে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। কর্নাটকের উদুপ্পি জেলায় বিক্ষোভের জেরে স্কুল-কলেজগুলি রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করেছিল। বেশ কয়েকদিন স্কুল-কলেজ বন্ধও রাখতে হয় কর্ণাটক সরকারকে। কেবল কর্নাটক নয়, দেশের আরও কয়েকটি রাজ্যেও শুরু হয় অশান্তি। মামলা হয় কর্নাটক হাইকোর্টে। হিজাব পরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে কর্নাটক আদালতও। তার বিরুদ্ধে আবেদন জমা পড়ে দেশের শীর্ষ আদালতে।

    সেই থেকে এ পর্যন্ত হিজাব বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছেই। বুধবার ফের শুনানি হয় ওই মামলার। এদিনও হয় সওয়াল পাল্টা সওয়াল। পরে বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ঢুলিয়া প্রবীণ আইনজীবী হুজাফে আহমদিকে বলেন, আমরা আপনাদের সবাইকে এক ঘণ্টা সময় দিলাম। আপনারা শেষ করুন। এটা অতিরিক্ত শুনানি হয়ে যাচ্ছে। হুজাফে আহমদি এক আবেদনকারীর হয়ে সওয়াল করছেন। এদিন বেঞ্চ জানিয়েছে, হিজাব মামলায় বিভিন্ন আইনজীবী ইতিমধ্যেই তাঁদের যুক্তি প্রদর্শন করেছেন। আমরা আমাদের ধৈর্য হারাচ্ছি। বেঞ্চ যে অসীম ধৈর্য নিয়ে সওয়াল পাল্টা সওয়াল শুনছেন, এদিন তা স্বীকারও করেন হুজাফে। তিনি বলেন, আমি স্বীকার করি আপনারা অসীম ধৈর্য নিয়ে এই মামলার সওয়াল পাল্টা সওয়াল শুনছেন। এর পরেই বেঞ্চ হালকা রসিকতার ছলে বলেন, আপনি কি মনে করেন এছাড়া অন্য উপায় রয়েছে?  

    এদিন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা, কর্নাটকের অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রভুলিঙ্গ কে নাভাদগি এবং অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কেএম নটরাজ রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন। প্রবীণ আইনজীবী দুষ্যন্ত দাভে এবং সলমান খুরশিদ সওয়াল করেন মুসলিম আবেদনকারীদের হয়ে।

     

  • SC on Hijab Row: ইউনিফর্ম চালুর ক্ষমতা রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির, হিজাব বিতর্কে ‘সুপ্রিম’ পর্যবেক্ষণ

    SC on Hijab Row: ইউনিফর্ম চালুর ক্ষমতা রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির, হিজাব বিতর্কে ‘সুপ্রিম’ পর্যবেক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিফর্ম (Uniform) চালুর ক্ষমতা রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির। হিজাব বিতর্ক (Hijab Row) মামলার শুনানিতে একথা জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnatak High Court)। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ওই মামলার রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের যুক্তি, ইউনিফর্ম পরার ওপর জোর দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির।

    চলতি মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি কর্নাটক সরকার নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই রাজ্যে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। কর্নাটকের উদুপ্পি জেলায় বিক্ষোভের জেরে স্কুল-কলেজগুলি রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করেছিল। বেশ কয়েকদিন স্কুল-কলেজ বন্ধও রাখতে হয় কর্ণাটক সরকারকে। কেবল কর্নাটক নয়, দেশের আরও কয়েকটি রাজ্যেও শুরু হয় অশান্তি। মামলা হয় কর্নাটক হাইকোর্টে। হিজাব পরার সরকারি নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে কর্নাটক আদালতও। তার বিরুদ্ধে আবেদন জমা পড়ে দেশের শীর্ষ আদালতে।

    আরও পড়ুন : বাধ্য হয়ে কোরানের প্রসঙ্গ আনতে হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টকে, হিজাব মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    বৃহস্পতিবার আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তাঁর যুক্তি, সরকারি স্কুলগুলি পোশাক বিধি চালু করতে পারে। তবে তারা হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে না। এর পরেই বিচারপতি সুধাংশু ঢুলিয়া বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ইউনিফর্ম চালু করার ক্ষমতা রয়েছে। হিজাব এর থেকে আলাদা। ভূষণ বলেন, হিজাব পরা কোরানে বাধ্যতামূলক নয়। তবে বহু মুসলিম মহিলা এই প্রথা মেনে আসছেন। তাই এটা নিষিদ্ধ করা যায় না। আইনজীবী সোয়েব আলম বলেন, সরকার যদি হিজাব রেস্ট্রিক্ট করতে চায়, তবে তাকে তা করতে হবে আইনের পথেই।

    ওই মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, এর (হিজাব বিতর্কের) একটা পথ হল কোরানের ব্যাখ্যা দেওয়া। বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ঢুলিয়ার বেঞ্চ জানায়, আমরা কোরানের ব্যাখ্যাকর্তা নই। আমরা এটা করতে পারি না। ধর্মীয় কোনও শাস্ত্রের ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কোর্টের নেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের কোনও তুলনা চলতে পারে না, অভিমত দেশের শীর্ষ আদালতের। রুদ্রাক্ষ বা ক্রস থাকে পোশাকের ভিতরে যা বাইরে দেখা যায় না। কিন্তু হিজাব পরা হয় পোশাকের উপরে। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধিকে লঙ্ঘন করতে পারে, বলে জানায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    বুধবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হিজাব পরা নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন, আইনজীবী ধর্মীয় প্রতীক হিসাবে রুদ্রাক্ষ বা ক্রস চিহ্ন পরে আসার উদাহরণ দিলে শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, “এই ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্নগুলি পোশাকের ভিতরে পরা হয়। কেউ পোশাক তুলে দেখান না যে তিনি রুদ্রাক্ষ বা ক্রস পরেছেন কি না। হিজাব পরার অধিকার নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি অমান্য হচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক।”

    কর্ণাটকের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হওয়া হিজাব বিতর্কে গত কয়েকমাস ধরেই উত্তপ্ত দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের অধিকারের বিতর্ক গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চে। পরবর্তীকালে এই মামলার শুনানি হয়  বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চে। বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী দেবদত্ত কামতের এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়, “পোশাকের অধিকারের মধ্য়ে কি পোশাক খোলার অধিকারও পড়ছে?”

    আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    মামলাকারীদের স্বপক্ষে আইনজীবী কামাত জানান যে পোশাক পরার অধিকার সংবিধানের বাক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। তিনি জানান, সংবিধানের ১৯(১) ধারায় নাগরিকদের সাধারণ অধিকারগুলিকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করার কথাও বলা হয়েছে। পোশাক পরার অধিকারও মৌলিক অধিকারেরই অঙ্গ। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “আপনি অযৌক্তিক পরিণতিতে নিয়ে যাবেন না। পোশাক পরার অধিকার মানে কি পোশাক খোলারও অধিকার রয়েছে?” জবাবে আইনজীবী বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও পড়ুয়ার পোশাক খোলা হচ্ছে না।” আইনজীবীর এই যুক্তিতে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “ধরে নেওয়া হল যে পোশাকের অধিকার নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের অংশ। তাহলে আপনি এটাও তো বলতে পারেন যে আমি পোশাক পরতে চাই না?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share